Tag: Swami Vivekananda

Swami Vivekananda

  • Swami Vivekananda: আজ জাতীয় যুব দিবস, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে পড়ুন তাঁর কিছু অমর বাণী

    Swami Vivekananda: আজ জাতীয় যুব দিবস, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে পড়ুন তাঁর কিছু অমর বাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ জাতীয় যুব দিবস। উত্তর কলকাতার সিমলা অঞ্চলে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দের আজকের দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। এবছর তাঁর ১৬০তম জন্মবার্ষিকী উৎসব পালিত হচ্ছে সারাদেশ ব্যাপী। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দের ১১ই সেপ্টেম্বর আমেরিকার শিকাগোতে বিশ্বধর্ম সম্মেলনে সনাতন ধর্ম, সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিষয়ে তরুণ সন্ন্যাসীর যুক্তিবাদী বক্তব্য সমাদৃত হয় বিশ্বের সমস্ত দেশ থেকে আগত সমস্ত ধর্মের ধর্ম গুরুদের কাছে। গুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের কাছে দীক্ষা লাভ করার পরে তরুণ বিবেকানন্দ সারা ভারতবর্ষ পরিক্রমা করেছিলেন। ধ্যানমগ্ন হয়েছিলেন কন্যাকুমারীতে বসে। উপলব্ধি করেছিলেন ভারতভূমিকে। ঠাকুর রামকৃষ্ণের কাছে দীক্ষালাভ করার পরে তাঁর গুরুভাইদের নিয়ে থাকতেন বরানগর মঠে। তখনকার দিনে তাঁর দিনযাপনের চিত্র ফুটে উঠেছে শঙ্করের লেখা অচেনা অজানা বিবেকানন্দ গ্রন্থে। সে সময়ে রাত্রে নিদ্রার জন্য একটি বালিশ অবধি ছিলনা নতুন সন্ন্যাসীদের কাছে। মাথায় ইঁট নিয়ে রাত কাটতো গুরু রামকৃষ্ণদেবের এই শিষ্যদের। প্রায়ই তরুণ বিবেকানন্দ তাঁর গুরুভাইদের রসিকতা করে বলতেন, নরম দেখে একটা ইঁট দে তো।

    বরানগর মঠে থাকাকালীন প্রথম জীবনে রামকৃষ্ণদেবের শিষ্যরা মুষ্টি ভিক্ষার দ্বারাই দিনযাপন করতেন। কলাপাতায় ভাত জুটতো, তরকারি বলতে থাকতো নুন গোলা জল।
    তরুণ সন্ন্যাসীর নিজের ভাষায় “কতবার ক্ষুধায় মাথা ঘুরে পড়ে গেছি, চোখে অন্ধকার দেখেছি, আবার আমি দাঁড়িয়ে উঠেছি এবং বলেছি জয় ব্রহ্ম। আমার ক্ষুধা নেই, আমার তৃষ্ণা নেই, আমার মৃত্যু নেই, আমিই ব্রহ্ম।”

    শিকাগো ধর্মসম্মেলনের ঠিক পরে আমেরিকাতে তরুণ সন্ন্যাসী জনপ্রিয় হন সাইক্লোনিক মঙ্ক, এই উপাধিতে। সে সময় আমেরিকাতে বহু স্থানে তিনি বক্তব্য রাখেন, পরবর্তীকালে ভারতবর্ষে ফিরে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন তাঁর অমর সৃষ্টি বেলুড়মঠ।

    আজকে তাঁর কিছু বাণী সম্পর্কে আমরা আলোচনা করব

    আমায় মানুষ কর

    হে ভারত, এই পরানুবাদ, পরানুকরণ, পরামুখাপেক্ষা, এই দাসসুলভ দুর্বলতা, এই ঘৃণিত জঘন্য নিষ্ঠুরতা-এইমাত্র সম্বলে তুমি উচ্চাধিকার লাভ করিবে? এই লজ্জাকর কাপুরুষতাসহায়ে তুমি বীরভোগ্যা স্বাধীনতা লাভ করিবে? হে ভারত, ভুলিও না—তোমার নারীজাতির আদর্শ সীতা, সাবিত্রী, দময়ন্তী; ভুলিও না—তোমার উপাস্য উমানাথ সর্বত্যাগী শঙ্কর; ভুলিও না-তোমার বিবাহ, তোমার ধন, তোমার জীবন ইন্দ্রিয়সুখের-নিজের ব্যক্তিগত সুখের জন্য নহে; ভুলিও না—তুমি জন্ম হইতেই ‘মায়ের’ জন্য বলিপ্রদত্ত; ভুলিও না—নীচজাতি, মূর্খ, দরিদ্র, অজ্ঞ, মূচি, মেথর তোমার রক্ত, তোমার ভাই! হে বীর, সাহস অবলম্বন কর; সদর্পে বল—আমি ভারতবাসী, ভারতবাসী আমার ভাই। বল—মূর্খ ভারতবাসী, দরিদ্র ভারতবাসী, ব্রাহ্মণ ভারতবাসী, চণ্ডাল ভারতবাসী আমার ভাই, ভারতবাসী আমার প্রাণ, ভারতের দেবদেবী আমার ঈশ্বর, ভারতের সমাজ আমার শিশুশয্যা, আমার যৌবনের উপবন, আমার বার্ধক্যের বারাণসী; বল ভাই—ভারতের মৃত্তিকা আমার স্বর্গ, ভারতের কল্যাণ আমার কল্যাণ; আর বল দিন-রাত, ‘হে গৌরীনাথ, হে জগদম্বে, আমায় মনুষ্যত্ব দাও; মা, আমার দুর্বলতা কাপুরুষতা দূর কর, আমায় মানুষ কর।

    অসীম ধৈর্য, অসীম সাহস

    পিছনে তাকিও না শুধু সামনের দিকে তাকাও অসীম শক্তি অসীম উদোম অসীম সাহস এবং অসীম ধৈর্য কোন মহান কর্ম সম্পাদন করতে পারে।

    বীরভোগ্যা বসুন্ধরা

    ঈশ্বর তাঁর বীর পুত্রদের সমুদ্রবক্ষেও রক্ষা করেন।

    উপনিষদের বাণী

    উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান নিবোধত, উপনিষদের এই বাণীকে আত্মস্থ করতে বলেছিলেন তরুণ সন্ন্যাসী। ওঠো, জাগো, নিজের প্রাপ্য নিজে বুঝে নাও।

     

  • Swami Vivekananda: বেলুড় মঠে পালিত হল স্বামীজির ১৬২ তম জন্মদিন, প্রচুর ভক্ত সমাগম

    Swami Vivekananda: বেলুড় মঠে পালিত হল স্বামীজির ১৬২ তম জন্মদিন, প্রচুর ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার বেলুড় মঠে পালিত হল স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) ১৬২ তম জন্মদিন। সকাল থেকেই ব্যাপক ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভোর থেকেই প্রতিদিনের মতো মঙ্গলারতি দিয়ে শুরু হয় স্বামীজির আরাধনা। এরপর শুরু হয় নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই ভাবে কলকাতার সিমলায় জন্মস্থানে পালিত হয় নগর পরিক্রমার অনুষ্ঠান। অগণিত ভক্ত এসে স্বামীজির মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান।

    নানা অনুষ্ঠান স্বামীর জন্মদিন ঘিরে (Swami Vivekananda)

    স্বামীজির (Swami Vivekananda) ১৬২ তম জন্মদিনে বেলুড়ে সকাল থেকেই উদ্বোধনী সঙ্গীত দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। চলে স্বামীজিকে শ্রদ্ধা নিবেদন। এরপর বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ, স্বদেশ মন্ত্র পাঠ, গীতি আলেখ্য, যোগব্যায়াম প্রদর্শন সহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মঠের ব্রহ্মচারী, মহারাজ, মঠ ও মিশনের ছাত্ররা উপস্থিত হয় অনুষ্ঠানে। একটি শোভাযাত্রারও আয়োজন করা হয়। স্বামীজির বাসভবন, মূল মন্দির প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করা হয়। এরপর সারা দিন চলে ধর্মশাস্ত্র পাঠ, হোমযজ্ঞ। দূরদূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের জন্য করা হয় প্রসাদের ব্যবস্থা।

    জীবন দর্শন নিয়ে আলোচনা সভা

    মূল মন্দিরের পাশে একটি অস্থায়ী মন্দির নির্মাণ করে শুরু করা হয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সকাল আটটা থেকে শুরু হয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। স্বামীজির (Swami Vivekananda) ছবিতে মালাদানের সঙ্গে চলে ঠাকুর রামকৃষ্ণ এবং মাতা সারদা দেবীর ছবিতেও মাল্যদান, পুষ্পাঞ্জলি। এরপর শুরু হয় স্বামী বিবেকানন্দের জীবন দর্শনের উপর আলোচনাচক্র। উপস্থিত ভক্তদের সামনে ভারতীয় ধর্ম পরম্পরা এবং সংস্কৃতি নিয়ে বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ভক্তিগীতি, পদাবলি, নাম সংকীর্তন দিয়ে যুগনায়ককে স্মরণ করা হয়।

    সকাল থেকে বেলুড়ে অনুষ্ঠান সূচি

    • বেলুড় মঠের বিবেকানন্দ বেদ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ
    • সালকিয়া মৃগেন্দ্র দত্ত স্মৃতি বালিকা বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীদের উদ্বোধনী গান
    • প্রস্তাব (বাংলায়) স্বামী মহাপ্রজ্ঞানন্দ, রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির
    • রামকৃষ্ণ মিশন শিল্প বিদ্যালয়ের ছাত্রদের স্বদেশ মন্ত্রের আবৃত্তি
    • বেলুড় গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রীদের গান
    • রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের ছাত্রদের গান
    • প্রখ্যাত জাতীয় বাঁশি শিল্পী শ্রী অনির্বাণ রায়ের বাঁশি আবৃত্তি
    • পালঘাট গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রীদের গান
    • স্বামী তত্ত্বসারানন্দের সভাপতির ভাষণ
    • রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষামন্দিরের শিক্ষার্থীদের সমাপনী গান
    • রামকৃষ্ণ মিশন জনশিক্ষামন্দিরের ছাত্রদের যোগা প্রদর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Droupadi Murmu: “বাংলার সব বিধায়ক, সাংসদের ভোট আমি পাব”, আশাবাদী দ্রৌপদী মুর্মু

    Droupadi Murmu: “বাংলার সব বিধায়ক, সাংসদের ভোট আমি পাব”, আশাবাদী দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমি আশা করি বাংলার ২৯৪ জন বিধায়ক ও ৪২ জন সাংসদের ভোট পাব। কারণ আমি পাশের রাজ্যের মানুষ। সাধারণ ঘর থেকে উঠে এসেছি। পিছিয়ে পড়া সমাজের প্রতিনিধিত্ব করি। তাই বাংলার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। মঙ্গলবার বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বললেন এনডিএ রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মু।  এদিন এসেছিলেন ভোট চাইতে। তার ফাঁকেই সময় বের করে কলকাতায় সিমলা স্ট্রিটে স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) ভিটে ঘুরে দেখলেন এনডিএ-র (NDA) রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। দু দিনের বাংলা সফরে এসেছিলেন দ্রৌপদী। মঙ্গলবার ছিল তাঁর সফরের দ্বিতীয় দিন। এদিন বিবেকানন্দের ভিটে ঘুরে অন্যান্য কর্মসূচিতে যোগ দিলেন তিনি।

    এদিন সকাল ৯টা ১৭ মিনিট নাগাদ সিমলা স্ট্রিটে স্বামীজির ভিটের সামনে এসে দাঁড়ায় দ্রৌপদীর গাড়ি। আগে থেকে সেখানে ব্যবস্থা করা হয়েছিল কড়া প্রহরার। নিরাপত্তার বেষ্টনীতে মোড়া ফেলা হয়েছিল গোটা এলাকা। এদিন দ্রৌপদীর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী এবং আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। রাজ্য বিজেপির অন্যান্য নেতা ও বিধায়করাও ছিলেন দ্রৌপদীর সঙ্গে। এনডিএ রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর সফর সঙ্গী ছিলেন বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও। তাঁদের সঙ্গেই স্বামীজির বাড়িতে ঢোকেন দ্রৌপদী। বিবেকানন্দের ছবিতে ফুল-মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানান রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, সারদা মা এবং তাঁদের পাশে থাকা মা  কালীর বিগ্রহকেও।

    আরও পড়ুন : অরুণাচল প্রদেশে ১০২ আসনে জয়ী বিজেপি, কী বললেন আইনমন্ত্রী?

    এদিন স্বামীজির বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সন্ন্যাসীরা। তাঁদের সঙ্গে বিশেষ প্রার্থনায় যোগ দেন দ্রৌপদী। সন্ন্যাসীদের তরফে তাঁদের একটি শাল, স্বামীজির ছবি, তাঁর বই এবং একটি লালপাড় সাদা শাড়ি উপহার দেওয়া হয়। দ্রৌপদীকে ফের সিমলা স্ট্রিটে স্বামীজির ভিটেয় আসতে বলেন সন্ন্যাসীরা। দ্রৌপদী জানান, মায়ের বাড়িতে তাঁকে তো আবার আসতেই হবে। তিনি নিশ্চয়ই আসবেন। এরপর নিজের অভিজ্ঞতার কথা ভিজিটরস বুকে লিপিবদ্ধ করে স্বামীজির বাইরে বের হন দ্রৌপদী। সেখান থেকে চলে আসেন বাইপাসের ধারের একটি হোটেলে। সেখানে পদ্ম শিবিরের বিধায়ক ও নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন দ্রৌপদী। এই বৈঠকে গরহাজির ছিলেন বালুরঘাটের বিধায়ক বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী এবং ভাটপাড়ার বিধায়ক বিজেপির পবন সিং। অসুস্থতার কারণে বৈঠকে হাজির হননি অশোক। আর দলত্যাগী সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ছেলে পবনকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি বলে গেরুয়া শিবিরের একটি সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন :খ্যাতির বিড়ম্বনা! দ্রৌপদী মুর্মুর নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্টে ছেয়ে গেছে ট্যুইটার

    ওই বৈঠকেই তিনি বলেন, আমি আশা করি বাংলার সব বিধায়ক ও সব সাংসদের ভোট পাব। কারণ আমি পাশের রাজ্যের মানুষ। সাধারণ ঘর থেকে উঠে এসেছি। পিছিয়ে পড়া সমাজের প্রতিনিধিত্ব করি। তাই বাংলার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

     

LinkedIn
Share