Tag: Syria

Syria

  • Lebanon Blast: পেজারের পরে ওয়াকিটকি! ফাটছে মোবাইল, ল্যান্ডফোনও, লেবাননে নিহত অন্তত ৩২

    Lebanon Blast: পেজারের পরে ওয়াকিটকি! ফাটছে মোবাইল, ল্যান্ডফোনও, লেবাননে নিহত অন্তত ৩২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈদ্যুতিন যন্ত্রে বিস্ফোরণ! পেজার, ওয়াকি-টকির পর এবার মোবাইল, ল্যান্ডফোন লেবাননে ধারাবাহিকভাবে বিস্ফোরণ (Lebanon Blast) চলছে দু’দিন ধরে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত তিন হাজারেরও বেশি মানুষ। লেবাননের বিভিন্ন জায়গায় হিজবুল্লাকে নিশানা করে এই হামলা চালানো হয়েছে। পেজার বিপর্যয়ের পরে একসঙ্গে শতাধিক ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে খবর। একসঙ্গেই বহু মানুষের মোবাইলেও বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে ইজরায়েল।

    শতাধিক ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ

    মঙ্গলবারই লেবাননের (Lebanon Blast) রাজধানী বেইরুট সহ একাধিক অঞ্চল কেঁপে উঠেছিল ধারাবাহিক বিস্ফোরণে। সাধারণ মানুষের ব্যবহার করা পেজারে বিস্ফোরণ হতে থাকে। রাস্তাঘাট-শপিং মলেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকে ছিন্নভিন্ন দেহ। বুধবার যখন বিস্ফোরণে নিহত হিজবুল্লা সদস্যদের শেষকৃত্য চলছে, সেই সময় ওয়াকি-টকি ও মোবাইল ফোনেও বিস্ফোরণ হয়। একাধিক বহুতলে আগুন জ্বলতে দেখা গিয়েছে বিস্ফোরণের কারণে। বেইরুট সহ দক্ষিণ লেবানন জুড়ে বিস্ফোরণ হয়েছে, বলে খবর। যেভাবে একসঙ্গে পেজার বিস্ফোরণ হয়েছিল, ঠিক সেই ভাবেই ওয়াক-টকি ও মোবাইলেও বিস্ফোরণ হতে থাকে। সঠিক সংখ্য়া জানা না গেলেও, প্রায় শতাধিক ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। 

    হামলা পাল্টা হামলা, আতঙ্কের বাতাবরণ

    লেবাননের (Lebanon Blast) সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, জাপানের সংস্থা আইকমের তৈরি আইসি-ভি৮২ মডেলের ওয়াকিটকিগুলিতে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। অথচ আইকম জানিয়েছে, ওই মডেলের ওয়াকি-টকি তৈরি তারা অনেক আগেই বন্ধ করে দিয়েছে। একথা সংস্থার ওয়েবসাইটেও লেখা আছে। লেবাননে সেগুলি তারা বিক্রিও করেনি সরকারি মাধ্যমে। ফলে সেগুলি দেশে চোরাপথে সরবরাহ করা হয়েছে এই বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেই। দেশের নিরাপত্তা সংস্থাও সেগুলি পরীক্ষা করে দেখেনি। ইজরায়েলের এই হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে লেবাননের হিজবুল্লা গোষ্ঠী। ইতিমধ্যেই তারা ইজরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে রকেট হামলা চালিয়েছে বলে খবর। তবে, লেবানন-সিরিয়ার আর কোথায় কোথায় কোন কোন বৈদ্যুতিন যন্ত্রে এমন বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা আছে, তা নিয়ে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Airstrike: জঙ্গি হামলায় ৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু, ইরাক-সিরিয়ার ৮৫ ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত আমেরিকার

    US Airstrike: জঙ্গি হামলায় ৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু, ইরাক-সিরিয়ার ৮৫ ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরাক এবং সিরিয়ার ৮৫টি স্থানে এয়ারস্ট্রাইক (US Airstrike) চালাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই জর্ডনে জঙ্গি হামলায় তিন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়। তার প্রত্যাঘাত ছিল এদিনের এয়ারস্ট্রাইক।

    গতকালই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘‘যদি তোমরা আমেরিকার ক্ষতি করো, তাহলে তার ফল ভুগতে হবে।’’ এরপরেই প্রত্যাঘাতের খবর প্রকাশ্যে আসে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই এয়ারস্ট্রাইকের নিন্দা জানিয়েছে ইরাক। তাদের মতে, ‘‘এটি হল সার্বভৌমত্বের উপর হামলা।’’ জানা গিয়েছে, ইরাক সীমান্তে গজিয়ে ওঠা ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে এই এয়ারস্ট্রাইকে (US Airstrike) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করে বি-ওয়ান বোমারু বিমান।

    মার্কিন সেনা কী জানাল?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনার তরফ থেকে বিবৃতি সামনে এসেছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থিত ইরানের ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কোর কুর্দ বাহিনী ও তার সহযোগীদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে এয়ারস্ট্রাইক (US Airstrike) চালানো হয়েছে। জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রিত হত এবং মিসাইল, রকেট সমেত অস্ত্রসামগ্রী মজুদ রাখা হত এমন ৮৫টি ঘাঁটিতে এই হামলা হয়েছে। যার মধ্যে সিরিয়ার চারটি স্থানে বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং ইরাকের তিনটি স্থান অর্থাৎ মোট সাতটি অঞ্চলে এই এয়ারস্ট্রাইক চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও চলবে এমন এয়ার স্ট্রাইক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডগলাস সিম জানিয়েছেন যে, এই এয়ারস্ট্রাইক সফল হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি এই এয়ার স্ট্রাইকের ফলে ঠিক কতজন জঙ্গি মারা গিয়েছে। অন্যদিকে, সিরিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছে এবং তারা জানিয়েছে যে, মরুভূমি অঞ্চলে (US Airstrike) ইরাক-সিরিয়ার বর্ডারে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মার্কিন হামলায়। পেন্টাগনের তরফ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে জানানো হয়েছে যে, ইরাকের সঙ্গে আমেরিকা যুদ্ধ চায় না, তবে আগামী দিনে জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে এই ধরনের এয়ারস্ট্রাইক আরও চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Turkey Earthquake: ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কে চলছে দেদার লুটপাট, গ্রেফতার ৪৮

    Turkey Earthquake: ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কে চলছে দেদার লুটপাট, গ্রেফতার ৪৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ভোরে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পে (Turkey Earthquake) কেঁপে ওঠে তুরস্ক। প্রভাব পড়ে সিরিয়াতেও। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮। দুই দেশ মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩৪ হাজার মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। চারিদিকে শুধুই হাহাকার। আর এর মাঝেই এক অমানবিক ঘটনার সাক্ষী হল তুরস্ক। আর এরই মধ্যে চলছে দেদার লুটতরাজ। বিপর্যন্ত মানুষদের বোকা বানিয়ে জালিয়াতি এবং চুরির অভিযোগে গত ৬ দিনে মোট ৪৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।      

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ হাতায় লুটতরাজের (Turkey Earthquake) অভিযোগে ৪২ জনকে গ্রেফতার করেছে তুরস্ক পুলিশ। অন্যদিকে গাজিয়ানটেপ এলাকায় এক ব্যক্তিকে ফোনের মাধ্যমে প্রতারণা করার চেষ্টার অভিযোগে আটক করা হয়েছে আরও ৬ জনকে।   

    সোমবারের ভূমিকম্পের পর দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কের দশটি এলাকায় আগামী তিন মাসের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট তায়ইপ এর্দোগান। এই অবস্থায় লুঠতরাজের অভিযোগে ৭ দিনের জন্যে আটক করা হয়েছে অভিযুক্তদের।

    শনিবার ডিয়ারবাকির প্রদেশে ভূমিকম্প পরবর্তী অবস্থা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট (Turkey Earthquake)। সেদিনই তিনি সাফ বলেন, লুঠতরাজের ঘটনা কড়া হাতে দমন করা হবে। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে যার অর্থ হল, লুঠপাট এবং অপহরণের সঙ্গে জড়িতদের জানা উচিত, রাষ্ট্র এই ধরনের অপরাধ কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না।

    আরও পড়ুন: ‘পার্থ’-কে টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! আত্মহত্যা যুবকের, সিবিআই-নির্দেশ হাইকোর্টের

    আফটারশক 

    এখনও বার বার আফটার শকে কেঁপে উঠছে তুরস্ক। গত রবিবারও এমনই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল তুরস্ক (Turkey Earthquake)। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৭। ভূমিকম্পে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুরস্কের শহর কাহরামানমারাস৷ এর পাশাপাশি আদিয়ামান, মালাটিয়া, দিয়ারবাকির শহরগুলিতেও ক্ষয়ক্ষতির ছবি সামনে এসেছে৷

    পৃথিবীর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলির মধ্যে অন্যতম তুরস্ক৷ গত একশো বছরে এই অঞ্চলে এটিই অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প (Turkey Earthquake) বলে দাবি করা হচ্ছে৷ ১৯৯৯ সালে এই তুরস্কেই ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় ১৭ হাজার মানুষ প্রাণ হারান৷ তার মধ্যে ইস্তানবুলেই ১০০০ মানুষের মৃত্যু হয়৷ ২০২০ সালেও তুরস্কে দু’টি বড় ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Turkey Earthquake: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    Turkey Earthquake: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার তুরস্ক- সিরিয়ায় (Turkey Earthquake) আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত। প্রাণদায়ী ওষুধ এবং ত্রাণ নিয়ে সে দেশে উড়ে গিয়েছে সি-১৭ মিলিটারি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট। এ নিয়ে ভারত থেকে সাত নম্বর বিমান ত্রান নিয়ে গেল সে দেশে। তুরস্কে ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ২৮ হাজার। ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী একটি ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করেছে। হাতায়ে একটি স্কুল ভবনে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাসপাতাল তৈরি করেছে। এই ৬০ পারা ফিল্ড হাসপাতালের কাজ শুরু করেছে। সেকেন্ড-ইন-কমান্ড লেফটেন্যান্ট কর্নেল আদর্শ জানান, “শনিবার পর্যন্ত ৩৫০ জন রোগী পেয়েছি এবং রবিবার সকাল থেকে ২০০ রোগী পেয়েছি।”

    এদিকে উদ্ধারকাজের (Turkey Earthquake) জন্য ভারত সরকার চালু করেছে ‘অপারেশন দোস্ত’। তার অধীনেই ভারতের বায়ুসেনা উদ্ধারকারী দল, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠায়। উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জামও রয়েছে তালিকায়।

    ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক 

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের জেরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে তুরস্ক (Turkey Earthquake) এবং সিরিয়া। তুরস্কের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে প্রায় ছয় হাজার বাড়ি ভেঙে পড়েছে। বড় ভূমিকম্পের পর শতাধিক ছোট ছোট কম্পন অনুভূত হয় সে দেশে। ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজারের বেশি মানুষের।

    আরও পড়ুন: ১২৮ ঘণ্টার লড়াইয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার তুরস্কের ২ মাসের ‘বিস্ময় শিশু’  

    প্রথমবার রিখটার স্কেলে ৭.৮ কম্পন অনুভূত হয়। তারপর ৭.৬ ও তৃতীয়বার ৬.০। বড় ভূমিকম্পে পর পর তিনবার কেঁপে ওঠে দুই দেশ, তুরস্ক- সিরিয়া। তুরস্ক যে ভূমিকম্পের প্রাণঘাতী আক্রমণের জেরে কার্যত পরিণত হয়েছে মৃত্যুনগরীতে।

    ভূমিকম্পের (Turkey Earthquake) কেন্দ্রবিন্দু ছিল তুরস্কের গাজিয়ানটেপ এলাকা। এই এলাকায় সিরিয়া সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় প্রভাব পড়েছে সেখানেও। শুধু তুরস্ক বা সিরিয়াই নয়, প্রবল ভূমিকম্পের কেঁপে উঠেছে পার্শ্ববর্তী লেবানন, ইজরায়েলের মতো দেশও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Earthquake: ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২১ হাজার, প্রবল ঠান্ডায় নেই আশ্রয়, খাবার

    Earthquake: ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২১ হাজার, প্রবল ঠান্ডায় নেই আশ্রয়, খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুরস্ক (Turkey) ও সিরিয়ায় (Syria) ভূমিকম্পে (Earthquake) মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২১ হাজার। দুই দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি রয়েছেন হাজার চল্লিশেক মানুষ। প্রচুর মানুষ নিখোঁজ। তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রবল ঠান্ডায় উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটছে। বিপর্যয়ের পাঁচ দিন পরে এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। সন্ধান মিলছে একের এক লাশের। এদিকে, সিরিয়ার বিদ্রোহীদের দখলে থাকা এলাকাগুলিতে রাষ্ট্রসংঘের প্রথম চিকিৎসক দল পৌঁছেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস বৃহস্পতিবার জানান তিনি সিরিয়া যাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, ভূমিকম্প কবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদানের কাজে নিয়োজিত রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  

    ভূমিকম্প…

    সোমবার কাকভোরে ভূমিকম্পের (Earthquake) জেরে কেঁপে ওঠে তুরস্ক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮। কম্পনের উৎসস্থল ছিল দক্ষিণ তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ প্রদেশের পূর্ব দিকে নুরদাগি শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার পূর্বে, ভূগর্ভের প্রায় ১৮ কিলোমিটার গভীরে। প্রথমবার ওই কম্পনের পর অন্তত শতাধিকবার কেঁপে উঠেছে তুরস্ক ও সিরিয়া।

    তুরস্ক ও সিরিয়ায় এখন শীতকাল। প্রবল ঠান্ডায় কাঁপছে দুই দেশ। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা মাইনাসেরও নীচে। যাঁরা আশ্রয়হীন হয়েছেন, তাঁদের অনেকেই পথের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি কিংবা অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন। গৃহহীন অনেকেরই আবার সে সুযোগ হয়নি। প্রবল ঠান্ডায় খোলা আকাশের নীচেই দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। খাবার ও পানীয় জলের অভাবে তাঁদের অনেকেরই প্রাণ বিপন্ন। ফলে ক্রমেই দানা বাঁধছে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ।

    আরও পড়ুুন: ‘ইডি একেবারে মমতার পরিবারের কাছে পৌঁছে গিয়েছে’, সুকান্ত কেন বললেন জানেন?

    ভূমিকম্প (Earthquake) বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। বিশ্বব্যাঙ্ক জানিয়েছে, তারা ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য তুরস্ককে ১.৭৮ বিলিয়ন সাহায্য দেবে। দুটি প্রকল্প থেকে অবিলম্বে দেওয়া হবে ৭৮০ মিলিয়ন। ত্রাণ এবং পুনর্গঠনের জন্য আলাদাভাবে দেওয়া হবে ১ বিলিয়ন। ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ত্রাণ, আর্থিক সাহায্য, ওষুধ ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। ছ’ টি বিমানে করে ত্রাণ সামগ্রী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সদস্যদের তুরস্কে পাঠিয়েছে ভারত। পাঠানো হয়েছে ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Earthquake: ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা পেরল ১৫ হাজার, তুরস্ক-সিরিয়ার পাশে ইউরোপীয় ইউনিয়নও

    Earthquake: ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা পেরল ১৫ হাজার, তুরস্ক-সিরিয়ার পাশে ইউরোপীয় ইউনিয়নও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল ভূমিকম্পের (Earthquake) জেরে বিধ্বস্ত তুরস্ক (Turkey) ও পড়শি দেশ সিরিয়ার (Syria) বিস্তীর্ণ অংশ। সোমবার কাকভোরে অনুভূত হয় প্রথম ভূমিকম্প। তার পর আরও দুবার। বুধবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৫ হাজার। অসংখ্য বাড়ি পড়েছে ভেঙে। এর আগে ২০১৫ সালে নেপালেও হয়েছিল এরকম ধ্বংসাত্মক একটি ভূমিকম্প। প্রাণ হারিয়েছিলেন ৮ হাজার ৮০০ মানুষ। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রাণের স্পন্দন খুঁজে বেড়াচ্ছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। ভূমিকম্প বিপর্যস্ত সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি এক মাসের বেতন দান করেছেন তুরস্কের ত্রাণ তহবিলে। অন্যান্য সাহায্যও পাঠিয়েছে তাইওয়ান। তুরস্ক ট্যুইটার অ্যাক্সেস ফিরিয়ে এনেছে। সিরিয়ায় যাতে আরও বেশি করে ত্রাণ আসতে পারে তাই দুটো নতুন বর্ডার খুলে দেওয়া হয়েছে। হাসান নামে সিরিয়ার এক বাসিন্দা বলেন, জিন্দেইরিশ শহরে হাজার হাজার বাড়িতে ধরেছে ফাটল। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও চাপা পড়ে রয়েছেন অনেকে।

    তুরস্কের পাশে ভারত…

    এদিকে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ভারতের ছ নম্বর বিমানটিও পৌঁছে গিয়েছে তুরস্কে (Earthquake)। উদ্ধারকারী দল, ডগ স্কোয়াড এবং প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র পাঠানো হয়েছে এই বিমানেও। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এ খবর জানিয়েছেন। এর আগে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালও তুরস্কে পাঠিয়েছে ভারত। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে জীবিতদের উদ্ধার করতে ডগ স্কোয়াডের বিশেষ প্রশিক্ষিত চারটি কুকুর আগেই পাঠিয়েছিল ভারত। পাঠানো হয়েছিল বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ১০১ জন বিশেষ প্রশিক্ষিত সদস্যকেও। তুরস্কের উদ্ধারকারী দলকে সহযোগিতা করতেই গিয়েছে ভারতের এই দল। তাঁদের সঙ্গে পাঠানো হয়েছিল জীবনদায়ী বিভিন্ন ওষুধও।    

    এদিকে, ফের কম্পন হতে পারে এই আশঙ্কায় হাজার হাজার শহরবাসীকে বসতবাড়িতে ফিরে যেতে নিষেধ করেছেন তুরস্কের প্রশাসন। জানা গিয়েছে, শহরাঞ্চলেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি। সিরিয়া এবং তুরস্কের কম্পন বিধ্বস্ত অঞ্চলে জীবন্ত মানুষের সন্ধান পেতে আঁতিপাঁতি করে খুঁজছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, গুরুতর জখম না হলে এখনও অনেকেরই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রবল ঠান্ডায় উদ্ধার কাজে ঘটছে বিঘ্ন। তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ অঞ্চলে বর্তমানে তাপমাত্র রয়েছে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাধ্য হয়ে সব হারানো মানুষগুলো ঠাঁই নিয়েছেন পথে দাঁড়িয়ে থাকা কোনও গাড়ি কিংবা অস্থায়ী তাঁবুতে। তুরক্সের অ্যাক্সেস দ্রুত খুলে দেওয়া হবে জানিয়ে দিয়েছেন ট্যুইটারের সিইও ইলন মাস্ক।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারতের অগ্রগতি সহ্য করতে পারছেন না কেউ কেউ’, বিরোধীদের খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর

    অন্যদিকে, ভূমিকম্পের (Earthquake) খবর আগাম দিতে না পারায় এবং উদ্ধারকাজ ঠিকঠাক না হওয়ায় সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছে তুরস্কের বিরোধী দলগুলি। বুধবার তার জবাবে সরকারের তরফে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইওয়্যাপ আর্দোগাঁ স্বীকার করে নিয়েছেন সরকারের খামতির কথা।  

    এদিকে, ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও। অর্থ সংগ্রহ করতে আগামী মাসে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ডোনার কনফারেন্স করা হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরশুলা ভন দার লেয়েন পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন সিরিয়া ও তুরস্ক সরকারকে। তিনি বলেন, এরকম একটি বিপদের দিনে কেউই একা থাকবেন না।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Turkey: তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যু মিছিল! ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার পার

    Turkey: তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যু মিছিল! ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার পার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুই কান্নার আওয়াজ। হা-হুতাশ! তুরস্ক, সিরিয়া জুড়ে শুধুই আর্তনাদ। পাথর সরালেই মিলছে একের পর এক দেহ। ঘুমের মধ্যে দিনের শুরুতেই চির-ঘুমের দেশে পাড়ি দিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, তুরস্ক ও সিরিয়ায় এখনও পর্যন্ত ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৭,৮০০।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, এই সংখ্যা কিছুই নয়। মৃত্যুসংখ্যা ৩২ হাজারে গিয়ে ঠেকতে পারে বলে আশঙ্কা।

    কোথায় শেষ কেউ জানে না!

    প্রাথমিক ভাবে যা মনে করা হয়েছিল, তার আট গুণ বাড়তে পারে প্রাণহানি। আহতের সংখ্যার কোনও হিসেব নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আমেরিকা-সহ প্রায় ৭০টি দেশ তুরস্ক-সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে তুরস্কের আদানা শহরে পৌঁছেছে ভারতের পাঠানো প্রথম দফার ত্রাণসাহায্য। সেই সঙ্গে পৌঁছেছে ভারতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর উদ্ধারকারী দল, বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর, চিকিৎসা সামগ্রী, ড্রিলিং মেশিন ইত্যাদি। সিরিয়াতেও গিয়েছে ভারতের ত্রাণসাহায্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভারতে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ফিরাত সুনেল সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘‘তুর্কি ও হিন্দি… দুই ভাষাতেই ‘দোস্ত’ শব্দটি রয়েছে। তুর্কিতে একটা কথা আছে: বিপদের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু।’’

    আরও পড়ুন: প্রবল ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছাড়াল! কঠিন সময়ে তুরস্ক ও সিরািয়ার পাশে ভারত

    আশ্রয়শিবিরে ঠাসাঠাসি ভিড়

    ভূবিজ্ঞানীরা বলছেন, পাঁচ বার ভূমিকম্প ও আরও ১০০ বার ভূকম্পন-পরবর্তী কম্পনের (আফটার শক) জেরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। হু-র ইউরোপ শাখার জরুরি বিভাগের শীর্ষস্থানীয় আধিকারিক ক্যাথরিন স্মলউডের কথায়, ‘‘আরও ধ্বংসের আশঙ্কা রয়ে যাচ্ছেই। প্রাথমিক ভাবে যা জানা গিয়েছিল, তার আট গুণ বাড়তে পারে মৃতের সংখ্যা। ভূমিকম্পের পরে সব সময়েই এটা ঘটে থাকে। আর ঠিক তা-ই বিপর্যয়ের কয়েক সপ্তাহ পরে মৃত বা জখমের সংখ্যা অনেকটা বেড়ে যায়।’’ স্মলউড বলেন, ‘‘ভূমিকম্পের পরে যাঁদের আর ঘরবাড়ি নেই কিংবা ঘরে ফেরার অবস্থা নেই, তাঁরা এক জায়গায় জড়ো হচ্ছেন। এতেও বিপদ বাড়ছে। একটা ছোট আশ্রয়শিবিরে ঠাসাঠাসি ভিড়, শ্বাসজনিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা প্রবল।’’ অচেনা মুখের ভিড়েই আশ্রয় খুঁজছেন পরিবার-হারিয়ে রাতারাতি একা হয়ে যাওয়া বহু মানুষ। কেউ কেউ আবার প্রিয়জনের দেহ খুঁজে বেড়াচ্ছেন ধ্বংসস্তূপের তলায়। তুরস্ক ও সিরিয়ার বেশ কিছু অঞ্চলের খবর এখনও জানাই যায়নি।

    আরও পড়ুন: তুরস্ক এবং সিরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা ৫,০০০ ছাড়াল! তিন মাসের জন্য ১০ প্রভিন্সে ‘জরুরি অবস্থা’

    আরও সঙ্কটে সিরিয়া 

    সিরিয়ার অবস্থাও ভয়াবহ। হু-এর আধিকারিক অ্যাডেলেড মার্শাংয়ের বক্তব্য, এই বিপর্যয় সামলানোর জন্য তুরস্কের তা-ও কিছু সামর্থ্য আছে। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে গৃহযুদ্ধে এমনিতেই বিপর্যস্ত সিরিয়া। অর্থনৈতিক অবস্থা তলানিতে। কলেরার সংক্রমণ ছড়িয়েছে এ দেশে। খাদ্যাভাব, অপুষ্টি তো রয়েইছে। এই অঞ্চলে অসংখ্য সমস্যা রয়েছে। তার উপরে যোগ হল আরও একটি। অ্যাডেলেড জানান, দু’দেশ মিলিয়ে কমপক্ষে ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে। যার মধ্যে রয়েছে অন্তত ১৪ লক্ষ শিশু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Turkey: মঙ্গলে ফের কাঁপল তুরস্ক! ভারত থেকে রওনা দিল উদ্ধারকারী দল

    Turkey: মঙ্গলে ফের কাঁপল তুরস্ক! ভারত থেকে রওনা দিল উদ্ধারকারী দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাহাকার-আতঙ্ক ছড়িয়ে শহর থেকে শহরে। ঘন্টায় ঘন্টায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। তার মাঝেই ফের একবার কেঁপে উঠল তুরস্কের মাটি। এই নিয়ে দু’ দিনে চার বার। প্রথম মাটি কেঁপে উঠেছিল তুরস্কে সোম সকালে। মঙ্গলবার সকালে তুরস্কে যে ভূমিকম্প হয়েছে, সেটি ৫.৯ মাত্রার। ইউরোপিয়ান মেডিটেরানিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার সূত্রের খবর, সোমবারের প্রথম ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূগর্ভের ১৮ কিলোমিটার গভীরে। কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮। তার ১৫ মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় ভূমিকম্প হয়। সোমবার সন্ধের পর অনুভূত হয় তৃতীয়বারের কম্পন। সেই ভয়াবহতার রেশ কাটার আগেই ফের কেঁপে উঠল তুরস্কের মাটি। 

    ভারত থেকে উদ্ধারকারী দল

    ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্কে উদ্ধারকাজে ভারত থেকে রওনা দিল উদ্ধারকারী দলের প্রথম ব্যাচ। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দল (এনডিআরএফ)-এর এই ব্যাচটির সঙ্গে রয়েছে ত্রাণসামগ্রী, ওষুধপত্র এবং মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি। নিয়ে যাওয়া হয়েছে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াডও।

    আরও পড়ুন: প্রবল ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছাড়াল! কঠিন সময়ে তুরস্ক ও সিরািয়ার পাশে ভারত

    মঙ্গলবার উদ্ধারকারী দলের তুরস্কের রওনা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী। তুরস্ক এবং সিরিয়ার এই ভয়াল ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে৷ ভূমিকম্পের জেরে ২০ হাজার মৃত্যুর আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷ তুরস্ক এবং সিরিয়ার এই বিপর্যয়ে দু’দেশে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত।

    ইউএসজিএস-এর তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কম করেও ৬০টি আফটার শক হয়েছে। প্রথমবার কম্পনের পরে আফটার শকের মাত্রা ছিল ৬.৭ যা মূল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরত্বে অনুভূত হয়, দ্বিতীয় আফটার শক বোঝা যায় ১৯ মিনিট পরে। এর তীব্রতা ছিল ৫.৬।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

LinkedIn
Share