Tag: Technology

Technology

  • PM Modi: ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর, কৃষক থেকে পেশাজীবী—সব ক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনার বার্তা মোদির

    PM Modi: ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর, কৃষক থেকে পেশাজীবী—সব ক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনার বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-ব্রিটেনের মধ্যে দীর্ঘদিনের আলোচনার পর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) এবং সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি। আজ, বুধবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় গেল এই দুই চুক্তি। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) একে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এই দুই চুক্তির ফলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে এবং ব্যবসা, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি, পরিষেবা ও দক্ষ পেশাজীবীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে উন্মোচিত হবে নতুন দিগন্ত।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি ভারত-ইউকে অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। বিস্তৃত অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য চুক্তি এবং সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি কার্যকর হওয়ার ফলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। এই চুক্তিগুলি আমাদের যৌথ লক্ষ্যকে বাস্তব রূপ দেবে এবং দুই দেশের মানুষের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।” তিনি এও বলেন, “এই বাণিজ্য চুক্তি ভারতের কৃষক, উদ্যোক্তা এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের জন্য নতুন গতি এনে দেবে। ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শিল্পক্ষেত্র ব্রিটেনের বাজারে আরও ভালো প্রবেশাধিকার পাবে। পাশাপাশি প্রযুক্তি, পেশাদার পরিষেবা এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে দক্ষ ভারতীয় পেশাজীবীদের জন্য আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগও আরও বিস্তৃত হবে।”

    ভারতীয় পেশাজীবীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

    প্রধানমন্ত্রী জানান, সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তিটি বিশেষভাবে সেই সব ভারতীয় পেশাজীবীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাঁরা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্রিটেনে কাজ করতে যান। তাঁর কথায়, “সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত এই চুক্তি ব্রিটেনে অস্থায়ীভাবে কর্মরত ভারতীয় পেশাজীবীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা নিয়ে আসবে। একই সঙ্গে এটি ভারতীয় সংস্থাগুলির প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাও বাড়াবে। এই পদক্ষেপ আমাদের দুই গণতান্ত্রিক দেশের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস এবং বাণিজ্য, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনভিত্তিক ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্বের প্রতিফলন (PM Modi)।” প্রসঙ্গত, প্রায় তিন বছর ধরে দফায় দফায় আলোচনার পরে গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মারের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বুধবার থেকে সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পাশাপাশি কার্যকর হয়েছে সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত দ্বৈত অবদান সংক্রান্ত চুক্তিও। এই ব্যবস্থার ফলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্রিটেনে কর্মরত ভারতীয় কর্মীদের একই সময়ে দুই দেশের সামাজিক সুরক্ষা তহবিলে অর্থ জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে অনেকটাই মুক্তি মিলবে। ফলে তাঁদের আর্থিক সাশ্রয় হবে এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমবে। একই সঙ্গে ভারতীয় সংস্থাগুলিও কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে পৌঁছতে পারবে (FTA)। ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হল, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য হওয়া হাজার হাজার পণ্যের ওপর শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু পণ্য বাণিজ্য নয়, পরিষেবা খাত, ডিজিটাল বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পেশাজীবীদের চলাচল, মেধাস্বত্ব এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ও এই চুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে (PM Modi)।

    কী কী সুবিধে মিলবে

    চুক্তি অনুযায়ী, মূল্যমানের নিরিখে ভারতের প্রায় ৯৯ শতাংশ রফতানি পণ্য ব্রিটেনের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। ফলে দেশের বস্ত্রশিল্প, রেডিমেড পোশাক শিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতো শিল্প, রত্ন ও গয়না শিল্প, সামুদ্রিক পণ্য, টেক-সামগ্রী, রাসায়নিক শিল্প এবং কৃষিজ পণ্যের রফতানিতে বড় ধরনের সুবিধা মিলবে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানও আরও শক্তিশালী হবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (FTA)। অন্যদিকে, ভারত ধাপে ধাপে ব্রিটেন থেকে আমদানি হওয়া কিছু নির্বাচিত পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে। এর মধ্যে রয়েছে স্কচ হুইস্কি, জিন এবং কিছু বিলাসবহুল গাড়ি। এর ফলে আগামী দিনে ভারতীয় বাজারে এই পণ্যগুলির দাম কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও শুল্ক হ্রাস ধাপে ধাপে কার্যকর হবে, তাই এর প্রভাবও পর্যায়ক্রমে দেখা যাবে (PM Modi)।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তির ফলে শুধু পণ্য রফতানিই নয়, তথ্যপ্রযুক্তি, আর্থিক পরিষেবা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষ মানবসম্পদের আদানপ্রদানও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা, পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য পেশাদার পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলির জন্য ব্রিটেনের বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

    শিল্প-বাণিজ্য মহলের প্রতিক্রিয়া

    ভারত ও ব্রিটেনের শিল্প ও বাণিজ্য মহলও এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। বিভিন্ন শিল্প সংগঠনের মতে, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে দুই দেশের বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪৮ বিলিয়ন পাউন্ড। অনুমান, ২০৩০ সালের মধ্যে এই অঙ্ক দ্বিগুণ হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতেও এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে (PM Modi)। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি শুধু দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককেই আরও সুদৃঢ় করবে না, বরং ভবিষ্যতে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, শিক্ষা, পরিষেবা এবং দক্ষ মানবসম্পদ বিনিময়ের ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার নতুন ভিত্তি তৈরি করবে। ফলে ভারত ও ব্রিটেনের কৌশলগত সম্পর্ক আরও (FTA) শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিও নতুন গতি পাবে বলে আশা (PM Modi)।

     

  • Netanyahu: ‘ভারত থেকে বিপুল সমর্থন পাচ্ছে ইজরায়েল’, ভান্সের মন্তব্যের জবাবে মোদির দেশের প্রশংসায় নেতানিয়াহু

    Netanyahu: ‘ভারত থেকে বিপুল সমর্থন পাচ্ছে ইজরায়েল’, ভান্সের মন্তব্যের জবাবে মোদির দেশের প্রশংসায় নেতানিয়াহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের কাছ থেকে ইজরায়েল অভূতপূর্ব সমর্থন পায়।” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভান্সের (JD Vance Ally Claim) ‘‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ইজরায়েলের একমাত্র শক্তিশালী মিত্র’’ মন্তব্যের জবাবে এমনই দাবি করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Netanyahu)। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, আমেরিকা ছাড়াও ইজরায়েলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদার রয়েছে। ভারতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের আরও কিছু বন্ধু রয়েছে। যেমন, ভারত নামে একটি ছোট দেশ, যার জনসংখ্যা ১৪০ কোটিরও বেশি। আর সেখান থেকে আমরা বিপুল সমর্থন পাই।’’

    নেতানিয়াহুর ভারত-প্রশস্তি (Netanyahu)

    তিনি জানান, ফেসবুকে ভারতীয় ইউজারদের কাছ থেকে তিনি ব্যাপক সমর্থন দেখতে পান। তিনি জানান, গত এক দশকে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি, উদ্ভাবন এবং বাণিজ্য-সহ একাধিক ক্ষেত্রে ভারত ও ইজরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে নেতানিয়াহু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘‘ব্যক্তিগত বন্ধু’’ বলে উল্লেখ করেছিলেন, এবং ভারতকে ‘‘বিশ্বশক্তি’’ আখ্যা দিয়েছিলেন। সম্প্রতি আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই দু’দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যের একদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভান্স বলেছিলেন, ‘ইজরায়েলের একমাত্র শক্তিশালী মিত্র হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র’।

    ভান্সের দাবি

    সাংবাদিক সম্মেলনে ভান্স দাবি করেছিলেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই বর্তমানে এমন বিশ্বনেতা, যিনি ইজরায়েলের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন।’’ তিনি এও জানিয়েছিলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইজরায়েলের ব্যবহৃত অধিকাংশ সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, করেছে অর্থায়নও। ভান্সের প্রতি সম্মান জানিয়েই নেতানিয়াহু (Netanyahu) বলেন, ‘‘আমি তাঁকে সম্মান করি, কিন্তু তাঁর মূল্যায়নের প্রতিটি বিষয়ে আমি একমত নই।’’

    ইজরায়েলের বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর জোর 

    নেতানিয়াহুর দাবি, বিশ্বের বহু দেশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা এবং এআইয়ের মতো ক্ষেত্রে ইজরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী। তাঁর কথায়, “সামরিক উদ্ভাবন ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন দেশের নেতারা নিয়মিত ইজরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।” নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন ইরান-ইস্যু এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য কৌশল নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যদিও বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে সময়ে সময়ে দুই দেশের মধ্যে মতভেদ দেখা যায়, তবুও প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সহযোগিতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (JD Vance Ally Claim) এখনও ইজরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ অংশীদার। এর পাশাপাশি ভারত-সহ একাধিক দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে নেতানিয়াহুর (Netanyahu) ইজরায়েল।

     

  • PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো সম্প্রসারণে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল ব্ল্যাকস্টোন-সমর্থিত ডেটা সেন্টার সংস্থা এয়ারট্রাঙ্ক। এই ঘোষণাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, এই বিনিয়োগ ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশকে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআইয়ের (AI) বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং ৫ গিগাওয়াট ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা দেশের ডিজিটাল পরিকাঠামোয় অন্যতম বৃহৎ প্রস্তাবিত বিনিয়োগ। তিনি এও লেখেন, এই ধরনের বিনিয়োগ ভারতের ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআই খাতে বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিরও সহায়ক হবে। তাঁর মতে, বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ক্রমশ ভারতের হাতেই গড়ে উঠছে।

    এয়ারট্রাঙ্কের বক্তব্য

    এয়ারট্রাঙ্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ কর্মসূচি ভারতের এআই এবং ক্লাউড পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশেও। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশকে বৈশ্বিক এআই ও ক্লাউড পরিকাঠামো বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্যে পরিণত করতে সাহায্য করবে।

    দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে লুমিনা ক্লাউডইনফ্রা (Lumina CloudInfra) অধিগ্রহণের মাধ্যমে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করে এয়ারট্রাঙ্ক। বর্তমানে মুম্বই, চেন্নাই এবং হায়দরাবাদে প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার উন্নয়ন প্রকল্প তাদের হাতে রয়েছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান এক্সিকিউটিভ আধিকারিক রবিন খুদা জানান, কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর ভারতকে ঘিরে তাদের দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা আরও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “মূলধন সবসময় এমন জায়গায় যায় যেখানে উন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ থাকে, আর ভারত সেই পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছে। সরকারের এআই-কেন্দ্রিক নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং বিপুল নবায়নযোগ্য শক্তির প্রাপ্যতা আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে ভারতকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প

    ভারত সফরকালে রবিন খুদা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার, জলসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আরও সমন্বয়ের মাধ্যমে বৃহৎ ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ কীভাবে সহজ করা যায়, সেই বিষয়েও মতামত বিনিময় হয়েছে।

    রবিন খুদার বক্তব্য

    খুদা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল অর্থনীতির ভাবনা ভারতকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রযুক্তি বিনিয়োগের গন্তব্যে পরিণত করেছে।” তাঁর মতে, ভারতের পরিসর, প্রতিভা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেশটিকে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক এআই শক্তিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম। সেই লক্ষ্য পূরণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এয়ারট্রাঙ্ক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। সংস্থার দাবি, বিশ্বজুড়ে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেসব দেশের শক্তিশালী ডিজিটাল পরিকাঠামো থাকবে, তারাই ভবিষ্যতে বেশি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং উচ্চমূল্যের কর্মসংস্থান আকর্ষণ করতে পারবে।

     

  • Dattatreya Hosabale: “প্রযুক্তি এগিয়ে চললেও শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে, সমাজে বৈষম্য বাড়ার ঝুঁকি থাকে”, বললেন হোসাবলে

    Dattatreya Hosabale: “প্রযুক্তি এগিয়ে চললেও শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে, সমাজে বৈষম্য বাড়ার ঝুঁকি থাকে”, বললেন হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যখন শিক্ষাব্যবস্থা পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে একটি সভ্যতার বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সঠিকভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়, তখনই জন্ম হয় কুসংস্কারের (Superstitions)।” কথাগুলি বললেন আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। সান ফ্রান্সিসকোয় গ্লোবাল সায়েন্স ইনোভেশন ফোরাম আয়োজিত এক ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনে অংশ নিয়ে হোসাবলে অতীতের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানকে পুনরুজ্জীবিত করে শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে তা প্রচারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

    বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিকতা আলাদা নয় (Dattatreya Hosabale)

    তিনি বলেন, “আমাদের ঐতিহ্যে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিকতা আলাদা নয়, বরং তারা গভীরভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত।” হোসাবলে এও বলেন, “বিশ্বে এমন একটি সময় ছিল যখন ধর্ম এবং বিজ্ঞানকে পরস্পরবিরোধী হিসেবে দেখা হত। কিন্তু ভারতীয় সভ্যতার ঐতিহ্যে একই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রায়ই বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং আধ্যাত্মিক চর্চা—দুটিতেই যুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, “এই বৌদ্ধিক ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের সভ্যতার জ্ঞানের অংশ। তাই শাসনব্যবস্থায়ও এই ভিত্তির প্রতিফলন থাকা উচিত।”

    শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়লে বিপদ!

    হোসাবলে মনে করিয়ে দেন, প্রাচীন ব্যবস্থা ছিল নৈতিক এবং বৈজ্ঞানিক উভয়ই, যা নিরাপত্তা, জীবিকা এবং দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব দিকগুলির সমাধান করত। তিনি বলেন, “যদি আমরা মানবজাতি ও নাগরিকদের জন্য সুযোগ এবং ক্ষমতায়ন বাড়াতে চাই, তাহলে এই উপাদানগুলিকে শিক্ষার মাধ্যমে পরিচালিত করতে হবে। প্রযুক্তি এগিয়ে চললেও যদি শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে, তবে সমাজে বৈষম্য বাড়ার ঝুঁকি থাকে। সমাজের কিছু অংশ শিক্ষা বা বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিতে পিছিয়ে পড়লে বৈষম্য আরও গভীর হয়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিক্ষা এবং জীবনমান—সবই পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।” আরএসএসের এই কর্তা বলেন, “এই কারণেই সরকারগুলিকে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। একদিকে আমাদের সমাজের বৈষম্য, পক্ষপাত এবং কুসংস্কার দূর করতে হবে। অন্যদিকে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিও অব্যাহত রাখতে হবে। যদি শিক্ষা এই বিষয়গুলি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়, তবে অতীতের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানগুলিকে কুসংস্কার হিসেবে ভুল বোঝা হতে পারে (Dattatreya Hosabale)।”

    কী বললেন হোসাবলে?

    হোসাবলে বলেন, “শিক্ষাব্যবস্থার একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ (Superstitions) হল মানুষকে প্রকৃত বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং কুসংস্কারের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করতে সক্ষম করা। আমাদের সমাজ দীর্ঘদিন ধরে এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, তবে একই সঙ্গে এমন প্রচেষ্টাও চলেছে যা দেখায় যে অতীতের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানগুলি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শিক্ষায় এবং পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এখন সেই জ্ঞানব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, যেখানে ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থা থাকবে অগ্রভাগে।”

    স্ট্যানফোর্ড ফ্যাকাল্টি ক্লাবে অনুষ্ঠিত জিএসআইএফ থ্রাইভ-২০২৬ সম্মেলন একটি বৈশ্বিক মঞ্চ, যেখানে একটি উন্নত বিশ্বের লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন এবং প্রাচীন জ্ঞানের মিলন ঘটে। সম্মেলনটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিনোদ খোসলার অংশগ্রহণে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। এতে (Superstitions) প্রাক্তন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচ আর ম্যাকমাস্টার-সহ একাধিক চিন্তাবিদ  অংশ নেন (Dattatreya Hosabale)।

     

  • Big Data In Indian Sports: খেলা শুধু মেধার বিষয় নয়, তথ্যেরও! ‘ডেটা ড্রিভেন’ চ্যাম্পিয়ন তৈরির জন্য প্রস্তুত ভারত

    Big Data In Indian Sports: খেলা শুধু মেধার বিষয় নয়, তথ্যেরও! ‘ডেটা ড্রিভেন’ চ্যাম্পিয়ন তৈরির জন্য প্রস্তুত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ক্রীড়াজগতে (Big Data In Indian Sports) এখন এক নতুন বিপ্লবের সূচনা হয়েছে। আর সেই বিপ্লবের নাম ‘বিগ ডেটা’। একসময় প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে পাওয়ার উপায় ছিল কোচের চোখ, অভিজ্ঞতা, আর কিছুটা ভাগ্য। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও তথ্যের বিশ্লেষণ মিলে বদলে দিচ্ছে খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণের ধরণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI in Sports) থেকে অগমেন্টেড রিয়েলিটি—আধুনিক ক্রীড়া জগতে প্রযুক্তির (Technology in Sports) প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। প্রযুক্তি এখন ক্রীড়ার একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তি ক্রীড়ায় একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে, যা খেলোয়াড়দের দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক।

    কী এই ‘বিগ ডেটা’?

    বিভিন্ন সূত্র থেকে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করাই হল ‘বিগ ডেটা’। খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স, ম্যাচের ভিডিও, ফিটনেস ডেটা, এমনকি মানসিক আচরণ—সবকিছুই এখন বিশ্লেষণের আওতায় পড়ে। যেমন, একজন ক্রিকেটারের ব্যাটিং অ্যাভারেজ, স্পিনারদের বিরুদ্ধে স্ট্রাইক রেট, এমনকি চাপের মুহূর্তে হৃদস্পন্দনের মাত্রা পর্যন্ত নথিভুক্ত করা যায় এখন। গ্রামীণ স্তরেও এখন কিছু অ্যাকাডেমিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ভিডিও অ্যানালাইসিস, জিপিএস ট্র্যাকার। অন্যদিকে, জাতীয় স্তরের খেলোয়াড়দের ঘুম, রিকভারি টাইম, ক্লান্তি—সবকিছুই ট্র্যাক হচ্ছে স্মার্ট ওয়্যারেবল দিয়ে।

    কীভাবে বদলে যাচ্ছে প্রতিভা অন্বেষণ পদ্ধতি?

    পারফরম্যান্স বিশ্লেষণে প্রযুক্তির সাহায্য: আগে কোচরা ট্রায়াল বা কয়েকটি ম্যাচ দেখে খেলোয়াড় বেছে নিতেন। এখন ফুটবল ক্লাব যেমন বেঙ্গালুরু এফসি বা কেরালা ব্লাস্টার্স তাদের অ্যাকাডেমিতে খেলোয়াড়দের দৌড়, পাসিং অ্যাকুরেসি, স্ট্যামিনা সব কিছুই বিশ্লেষণ করছে প্রযুক্তির সাহায্যে।

    চোট প্রতিরোধ: খেলোয়াড়দের চোট ভারতে এক বড় সমস্যা। স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (SAI) এখন বায়োমেট্রিক মনিটরিং চালু করেছে, যাতে চোটের আগেই শনাক্ত করা যায় ক্লান্তি বা অতিরিক্ত ট্রেনিংয়ের প্রভাব।

    মানসিক প্রস্তুতি ও আচরণগত বিশ্লেষণ: খেলোয়াড়রা কতটা চাপ নিতে পারেন, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা আছে কিনা—এসব কিছুই এখন সাইকোলজিকাল টেস্ট দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। কিছু প্রাইভেট অ্যাকাডেমি ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

    দূরবর্তী প্রতিভা খোঁজার সুযোগ: ডিজিটাল ভিডিও, অনলাইন ডেটাবেসের মাধ্যমে এখন মফস্বল বা গ্রামের প্রতিভাদের পারফরম্যান্সও উঠে আসছে জাতীয় স্তরে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টির আওতায়। যেমন ড্রিম১১, খেলো ইন্ডিয়া প্রজেক্ট—সবই এখন ডেটা-ভিত্তিক স্কাউটিং শুরু করেছে।

    কী কী সুবিধা দিচ্ছে বিগ ডেটা ও এআই?

    মানবিক পক্ষপাত কমানো: গ্রাম বা শহরের পার্থক্য নেই, পারফরম্যান্সই মুখ্য।

    খরচ বাঁচানো: খেলোয়াড়দের সরাসরি দেখতে না গিয়েও ভিডিও ও ডেটা বিশ্লেষণে অনেকটা এগোনো সম্ভব হচ্ছে। কোন খেলোয়াড় ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের হতে পারেন, বা কে চোটপ্রবণ—এমন তথ্য আগেই জানিয়ে দিতে পারে এআই।

    প্রতিপক্ষের দুর্বলতা ধরতে: প্রযুক্তির সাহায্যে প্রতিপক্ষের দুর্বলতাও ধরা যায়। হাজার হাজার খেলা স্ক্যান করে প্যাটার্ন দেয় এআই। আমরা প্রতিপক্ষের খেলা অধ্যয়ন করতে পারি। এটি প্রস্তুতিতে সাহায্য করে।

    চ্যালেঞ্জ এখনো রয়েছে

    প্রযুক্তির সীমিত প্রবেশ: বেশিরভাগ স্কুল, স্থানীয় ক্লাবে এখনও প্রযুক্তির প্রবেশ ঘটেনি। নেই নানা ধরনের ডিভাইস বা সফটওয়্যার।

    বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষকের অভাব: ডেটা আছে, কিন্তু যারা সেটা খেলার দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করবেন, এমন মানুষ খুব কম।

    প্রাইভেসি ও নৈতিকতা: খেলোয়াড়, বিশেষ করে নাবালকদের স্বাস্থ্য বা মানসিক তথ্য কিভাবে ব্যবহৃত হবে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

    ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য

    বিসিসিআই: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বাইশ গজে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগে সবচেয়ে এগিয়ে। জাতীয় ও অনূর্ধ্ব-১৯ খেলোয়াড়দের চোট ও ওয়ার্কলোড নিয়ন্ত্রণে ডেটা বিশ্লেষণ হচ্ছে নিয়মিত। প্রতিভা অন্বেষণ, খেলোয়াড় তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে আধুনিক পদ্ধতি।

    আইএসএল ফুটবল ক্লাব: ভারতের ফুটবল ময়দানে জিপিএস ভেস্ট, ভিডিও অ্যানালাইসিস ব্যবহার করে নতুন তারকাদের তুলে আনছে আইএসএল খেলা ক্লাবগুলো। সাহাল আবদুল সামাদ, অনিরুদ্ধ থাপা এর অন্যতম উদাহরণ।

    খেলো ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট হান্ট: ডিজিটাল পারফরম্যান্স ডেটাবেস তৈরি করে ভবিষ্যতের প্রতিভা গড়ে তুলছে সরকার। কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রকের খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্প এর মধ্যে অন্যতম।

    প্রযুক্তি প্রয়োগে সমতার প্রয়োজন

    এআই এখন সবচেয়ে আলোচিত শব্দ। অগমেন্টেড রিয়েলিটি ক্রীড়ায় ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়েছে। এটি ক্ষমতা বাড়ায়। এতে প্রচুর বিনিয়োগ হয়েছে এবং এটি ভালোভাবে কাজ করছে। তবে প্রশ্ন হলো, এটি কীভাবে ব্যবহার করা হবে। এআই পারফরম্যান্সে সাহায্য করে। খেলোয়াড়রা (Big Data In Indian Sports) এটি ব্যবহার করে নিজেদের উন্নত করছে। আগামী দিনে এটি আরও বেশি শোনা যাবে। কিন্তু প্রযুক্তির ব্যবহারে সমতার ওপর জোর দিতে হবে। একজন ক্রীড়াবিদকে গড়ে তোলার সময় সঠিক জিনিস দরকার। প্রযুক্তি ঘাটতি বোঝাতে সাহায্য করে। তবে প্রযুক্তি সবার জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য হওয়া উচিত। এমন পরিস্থিতি হওয়া উচিত নয় যে কিছু মানুষের প্রযুক্তি আছে আর অন্যদের নেই। এটি সবার জন্য সমান হওয়া দরকার।

    ডিজিটাল ইন্ডিয়া

    কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের সময় থেকেই ভারতে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটেছে। ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্রে (Technology in Sports) আগামীর পথ দেখাবে রিয়েল-টাইম ডেটা, এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ, ও ডিজিটাল স্কাউটিং। এমনকি এআর বা অগমেন্টেড রিয়ালিটির মাধ্যমে লাইভ ম্যাচেই দেখা যাবে খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যান। প্রযুক্তি হল মূলত ডেটার অ্যাক্সেস। এটি দুর্বলতা এবং শক্তি পরিমাপে বড় ভূমিকা নেয়। প্রশিক্ষণ এবং প্রস্তুতির জন্য এটি ভালো। কিন্তু প্রযুক্তি এবং তার অ্যাক্সেস একসঙ্গে চলা উচিত। প্রযুক্তি যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে এটি ক্রীড়াবিদদের জন্য বড় সুবিধা হতে পারে, অভিমত ক্রীড়াবিদদের। এআই এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটির মতো উদ্ভাবন খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বাড়াতে এবং কোচদের কৌশল উন্নত করতে সাহায্য করছে। তবে এর ব্যবহারে ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। প্রযুক্তি ডেটা সরবরাহ করে, কিন্তু সাফল্য নির্ভর করে তার প্রয়োগের ওপর। প্রযুক্তি ক্রীড়ায় অনেক সুবিধা এনেছে। এটি খেলোয়াড়দের দুর্বলতা চিহ্নিত করতে, প্রতিপক্ষের কৌশল বোঝাতে এবং প্রশিক্ষণকে আরও কার্যকর করতে সাহায্য করে। প্রযুক্তির প্রসারে বাংলার গ্রাম কিংবা উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও উঠে আসবে আগামী দিনের তারকা, এমনই মনে করছে ক্রীড়ামহল। ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্রে এখন তথ্যই ভবিষ্যতের চাবিকাঠি। একসময় যাদের বেছে নেওয়া হতো অভিজ্ঞ কোচের চোখে, এখন তাদের খুঁজে বের করছে ডেটা ও প্রযুক্তি। শুধু ভাগ্যের জোরে নয় পরবর্তী প্রজন্মের ভারতীয় তারকারা এবার উঠে আসবে ডেটার বলেই।

  • DTM: সিম, ইন্টারনেট ছাড়াই ভিডিও দেখা যাবে মোবাইলে, কেন্দ্র আনছে ‘ডিটুএম’ প্রযুক্তি

    DTM: সিম, ইন্টারনেট ছাড়াই ভিডিও দেখা যাবে মোবাইলে, কেন্দ্র আনছে ‘ডিটুএম’ প্রযুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিম ইন্টারনেট (SIM Internet) ছাড়াই ভিডিও দেখা যাবে মোবাইলে, সেই সঙ্গে টিভিতে রাখা যাবে চোখ। কেন্দ্রীয় সরকার এই যুগান্তকারী প্রযুক্তি আনার ইঙ্গিত দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছর জুন মাসে আইআইটি কানপুর, প্রসার ভারতী এবং টেলি কমিউনিকেশন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় ‘ডিটুএম’ (DTM) সম্প্রচারের উপর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে কেন্দ্র সরকার। এই প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করবে তা আলোচনা করা হয়েছে সেখানে।

    ‘ডিটুএম’-এর অর্থ হল, ‘ডাইরেক্ট টু মোবাইল’ (DTM)

    প্রসার ভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ডিটুএম’ (DTM) প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। সাংখ্য ল্যাবেস এবং আইআইটি কানপুরে নির্মিত স্বদেশী এই প্রযুক্তি শীঘ্রই ভারতের বিভিন্ন শহরে পরীক্ষামূলক ভাবে কাজ করবে। ‘ডিটুএম’-এর অর্থ হল, ‘ডাইরেক্ট টু মোবাইল’। এই প্রযুক্তির কারণে মোবাইলে সিম কার্ড (SIM Internet) না থাকলেও চলবে। এতে কোনও রকম ইন্টারনেট দরকার হবে না। ফোনেই দেখা যাবে ভিডিও, এমনকি টিভিতে পছন্দসই চ্যানেল দেখা যাবে। এমনকী লাইভও দেখা যাবে। এই প্রযুক্তিতে সক্রিয় ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই স্মার্ট ফোনে ভিডিও স্ট্রিম করার সুযোগ পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুনঃ “জঙ্গিদের হাতে কি চলে গিয়েছে বাংলাদেশ? প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে দাপাদাপি!” তোপ তসলিমার

    ৪৭০-৫৮২ মেগাহার্জের স্পেকট্রাম সংরক্ষণ করবে সরকার

    কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, বিনা ইন্টারনেটে মোবাইলের জন্য বিভিন্ন কন্টেন্টের আলাদা আলদা বিষয়ে ভিডিও তৈরি করা হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে জরুরি বিষয় সম্প্রচার করা হবে। তবে এই ধরনের পরিষেবার প্রযুক্তি অনেকটাই এফএম রেডিও কিংবা ডিটিএইচ-এর মতো। সেখানে সরাসরি স্যাটেলাইট যন্ত্রের মাধ্যমে যেমন-ডিশ অ্যান্টেনা, সেট-টপ বক্সে বার্তা পাঠানো যাবে। রেডিও এবং টেলিভিশনের মতো স্মার্ট ফোনে কাজ করবে। মোবাইল ফোনে সরাসরি সিগন্যাল পাঠানোর জন্য টেলিকমিউনিকেশন পরিকাঠামো এবং নির্দিষ্ট স্পেকট্রাম ব্যবহার করবে। এরপর সেই সংকেত গ্রহণ করবে রিসিভার। এরপর থেকে ভিডিও আকারে মোবাইলের স্ক্রিনে ফুটে উঠবে। এই প্রযুক্তির জন্য সরকার ৪৭০-৫৮২ মেগাহার্জের স্পেকট্রাম সংরক্ষণ করবে। গত বছর বেঙ্গালুরু, দিল্লির কর্তব্য পথ এবং নয়ডায় ‘ডিটুএম’ (DTM)-এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ডিজিটাল বিশ্বেও নিয়ম-কানুন প্রয়োজন”, বললেন মোদি, ব্যাখ্যা করলেন কারণও

    PM Modi: “ডিজিটাল বিশ্বেও নিয়ম-কানুন প্রয়োজন”, বললেন মোদি, ব্যাখ্যা করলেন কারণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তির (Technology) নৈতিক প্রয়োগ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ডিজিটাল বিশ্বেও নিয়ম-কানুন প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী। গ্লোবাল ডিজিটাল ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির জন্যই যে এটা প্রয়োজন, তাও জানিয়ে দিলেন তিনি।

    ভারতের অভিজ্ঞতা

    আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন – ওয়ার্ল্ড টেলিকমিউনিকেশন স্ট্যান্ডর্ডাইজেশন অ্যাসেম্বলি ও ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসের (India Mobile Congress) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, “বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে যেভাবে বিশ্ব সম্প্রদায় একটা বিস্তৃত কাঠামো তৈরি করেছে, তেমনি ডিজিটাল বিশ্বেও নিয়ম-কানুন প্রয়োজন।” প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলির এক সঙ্গে আসা উচিত। আর কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা উচিত।” মর্যাদা ও সমতার ওপর ভিত্তি করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ব্যবহারের গুরুত্বের ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী (India Mobile Congress)। ভারতের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দ্রুত রোলআউটের পর ৫জি টেলিকম পরিষেবা এখন দেশের বেশিরভাগ জায়গায় উপলব্ধ এবং ৬জি নিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গত দশকে ভারত মোবাইল ফোন আমদানিকারী থেকে রফতানিকারী দেশে পরিণত হয়েছে। পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে দূরত্বের আট গুণ বেশি অপটিক ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে।” মোদি (PM Modi) বলেন, “২০১৪ সালে উন্মোচিত ভারতের ডিজিটাল ভিশন চারটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে – ডিভাইসগুলোকে সস্তা করা, সকলের জন্য সংযোগ স্থাপন, সাশ্রয়ী ডেটা ও ডিজিটাল – প্রথম উদ্যোগ।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা ডিজিটাল সংযোগকে শেষ প্রান্তে পরিষেবা সরবরাহের কার্যকর হাতিয়ারে পরিণত করেছি।” তিনি বলেন, “ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো গঠনে ভারতের সফল অভিজ্ঞতা বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভাগ করে নিতে (Technology) আগ্রহী ভারত (PM Modi)।”

    আরও পড়ুন: এবার অনশন-কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি সরকারি হাসপাতালের অধ্যাপক-চিকিৎসকদেরও

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AI: জাপানের ৪০ শতাংশের বেশি সংস্থা এআই ব্যবহার করতে চায় না, কারণ কী জানেন?

    AI: জাপানের ৪০ শতাংশের বেশি সংস্থা এআই ব্যবহার করতে চায় না, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশটা প্রযুক্তি নির্ভর। অথচ নয়া প্রযুক্তিকে আলিঙ্গন করতে তাদের বড্ড অনীহা! এই দেশটির ৪০ শতাংশের বেশি কোম্পানি (Japanese Companies) এখনই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সংক্ষেপে এআই (AI) ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে না। আজ্ঞে, হ্যাঁ, শুনতে যেমন তেমন হলেও, এটাই ঘোর বাস্তব। অন্তত, সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। এআই হল একটি কম্পিউটার বা কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবটের কাজ করার ক্ষমতা যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, জাপানের বহু সংস্থা এআই ব্যবহার করলেও, ৪০ শতাংশের বেশি কোম্পানি এখনই এআই ব্যবহার করতে রাজি নয়।

    সমীক্ষা রয়টার্সের (AI)

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের হয়ে সমীক্ষাটি করেছিল নিইকি রিসার্চ। জুলাইয়ের ৩ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে উদীয়মান সূর্যের দেশের ৫০৬টি কোম্পানির কাছে একগুচ্ছ প্রশ্ন রেখেছিলেন সমীক্ষকরা। উত্তর দিয়েছেন ২৫০ কোম্পানির কর্ণধাররা। নাম প্রকাশ করা হবে না এই শর্তেই তাঁরা জবাব দিয়েছেন সমীক্ষকদের নানা প্রশ্নের। তার ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে রিপোর্ট।

    কী বলছেন উত্তরদাতারা?

    জানা গিয়েছে, ২৪ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁরা ইতিমধ্যেই তাঁদের ব্যবসায় এআই (AI) ব্যবহার করছেন। এআই ব্যবহার করার কথা ভাবছেন ৩৫ শতাংশ উত্তরদাতা। বাকি ৪১ শতাংশের এই জাতীয় কোনও পরিকল্পনাই নেই। যে দেশটা কর্পোরেট কালচারে অভ্যস্ত, সেখানেই কিনা উন্নত প্রযুক্তিকে সাদরে গ্রহণ করতে গিয়ে বস্তুত নাক সিঁটকোচ্ছেন কোম্পানির কর্ণধারদের একটা অংশ।

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    এআই ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী? প্রশ্নের উত্তরে উত্তরদাতাদের ৬০ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা শ্রমিকের ঘাটতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন। ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁদের লক্ষ্য শ্রমব্যয় কমানো। ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁরা এআই ব্যবহার করছেন গবেষণা এবং উন্নয়নের স্বার্থে।

    এআই ব্যবহার করছেন, এমন অনেকে আবার ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন। ১৫ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, গত বছর তাঁরা সাইবার হামলার শিকার হয়েছিলেন। ৯ শতাংশ উত্তরদাতা আবার জানিয়েছেন, তাঁদের ব্যবসায়িক অংশীদাররাও সাইবার হামলার শিকার হয়েছেন (Japanese Companies)। ৪ শতাংশ উত্তরদাতা আবার জানিয়েছেন, তাঁদের তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে (AI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Microsoft Global Outage: বিমানবন্দরে ফিরল পুরনো স্মৃতি, যাত্রীরা পেলেন হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    Microsoft Global Outage: বিমানবন্দরে ফিরল পুরনো স্মৃতি, যাত্রীরা পেলেন হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বড়সড় গোলযোগ। শুক্রবার ক্রাউডস্ট্রাইকের (CrowdStrike) প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে গোটা বিশ্বে মুখ থুবড়ে পড়েছিল পরিষেবা। দীর্ঘ সময় ধরে টানা কাজের পরে আপাতত পরিস্থিতি অনেকটাই সামলে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট (Microsoft Global Outage) এবং ক্রাউডস্ট্রাইক। কিন্তু এই পরিস্থিতির জেরেই শুক্রবার ডিজিটাল যুগ থেকে এক ধাক্কায় কাগজ-কলমের যুগে ফিরেছিলেন সকলে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘পুরানো সেই দিনের কথা’ মনে করিয়ে দিল ভারতীয় বিমানবন্দরগুলি। সৌজন্যে মাইক্রোসফ্টের সফ্টওয়্যার সমস্যা। বর্তমানে সমস্যা সমাধান হয়ে গেলেও এদিন হাজার-হাজার বিমানযাত্রীদের সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল।

    ফিরল হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    জানা গিয়েছে, এদিন মাইক্রোসফটের সমস্যার (Microsoft Global Outage) কারণে ভারতের অনেক বিমানবন্দরে যান্ত্রিক গোলোযোগ দেখা দিয়েছিল। ফলে বাধ্য হয়ে রাজীব গান্ধি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাতে লেখা বোর্ডিং পাস দিতে হয় বিমানযাত্রীদের। এই ডিজিটাল যুগে দাঁড়িয়ে এমন হাতে লেখা বোর্ডিং পাসের ছবি মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সাধারণ মুদ্রিত বোর্ডিং পাস থেকে এটি ছিল অনেকটাই আলাদা। ছবিতে বোর্ডিং পাসের সমস্ত বিবরণ যেমন নাম, আসন, তারিখ এবং ডিপারচার সহ সব লেখা রয়েছে। ইন্ডিগো এয়ারলাইন কর্মীদের হাতে লেখা এই পাস দেখা গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।  
    এ প্রসঙ্গে অক্ষয় কোঠারি নামের এক ব্যক্তির সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে হাতে লেখা বোর্ডিং পাসের ছবি দিয়ে তিনি লিখেছেন, “মাইক্রোসফট/ ক্রাউডস্ট্রাইক বিভ্রাট ভারতের অধিকাংশ বিমানবন্দরের স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যহত করেছে। আমি আজ আমার প্রথম হাতে লেখা বোর্ডিং পাস পেয়েছি।”

    আরও পড়ুন: মাইক্রোসফ্‌টের সমস্যায় বিশ্ব জুড়ে ব্যাহত বিমান পরিষেবা, ব্যাঙ্ক ও শেয়ার বাজার

    ঠিক কী সমস্যা হয়েছে মাইক্রোসফটের? (Microsoft Global Outage) 

    তবে ঠিক কী কারনে এমন সমস্যা হয়েছে মাইক্রোসফটের, সে প্রসঙ্গে ১৯ জুলাই ভারতীয় সময় রাত ৯টা ২৯ মিনিটে এক্স হ্যান্ডেলে মুখ খুলেছেন মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেলা (Satya Nadella)। তিনি জানান, ‘গতকাল ক্রাউডস্ট্রাইক একটি আপডেট বের করেছিল যা গোটা বিশ্বের আইটি সিস্টেমকে প্রভাবিত করেছিল। বিষয়টি নিয়ে ক্রাউডস্ট্রাইকের সঙ্গে আমরা কাজ করছি। সর্বক্ষেত্রে গ্রাহকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা করা হচ্ছে তাদের সিস্টেমকে অনলাইনে আনার জন্য।’

    সত্য নাদেলার (Satya Nadella) এই পোস্টের পরেই এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন এক্স-এর মালিক এলন মাস্ক। তিনি লিখেছেন, ‘এই সমস্যা অটোমেটিভ সাপ্লাই চেনকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।’  

    উল্লেখ্য, শুক্রবারে বিমান সংস্থাগুলির সার্ভারে সমস্যা (Microsoft Global Outage) হওয়ায় থমকে যায় টিকিট বুকিং। একের পর এক উড়ান বাতিল হতে থাকে। কোথাও কোথাও হাতে লেখা বোর্ডিং পাস দিতে হয়েছে যাত্রীদের। আমেরিকায় ২০০টিরও বেশি উড়ান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিশ্ব জুড়ে ব্যহত হয়েছে একাধিক পরিষেবা। আর এর ফলেই চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Meta AI on WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপের নতুন সংযোজন মেটা এআই! জানেন এর কাজ কী?

    Meta AI on WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপের নতুন সংযোজন মেটা এআই! জানেন এর কাজ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি হোয়াট্‌সঅ্যাপের চ্যাট বক্সে নতুন একটি গোলাকার চিহ্নের সংযোজন হয়েছে। নীলচে-বেগুনি রঙের এই চিহ্নটির নাম ‘মেটা এআই’ (Meta AI on WhatsApp)। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে ভারতীয় ইউজারদের জন্য ইতিমধ্যেই মেটা এআই লঞ্চ হয়েছে। হাতের মুঠোয় এই সুপারপাওয়ার এসে যাওয়ায় সুবিধা বহু ক্ষেত্রে, এমনই দাবি নির্মাতাদের। অর্থাৎ ‘চ্যাটজিপিটি’, ‘বিংএআই’ এবং ‘গুগ্‌ল বার্ড’-এর মতো মেটা সংস্থার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, মেসেঞ্জার এবং হোয়াট্‌সঅ্যাপের হয়ে কাজ করবে মেটা এআই। অর্থাৎ স্মার্টফোন আরও ‘স্মার্ট’ হয়ে উঠবে।  

    কী এই ‘মেটা এআই’? (Meta AI on WhatsApp)

    বর্তমান প্রযুক্তির যুগে গোটা একটি মানুষের বিকল্প হয়ে উঠেছে ‘চ্যাটবট’ প্রযুক্তি। মনের মতো সঙ্গী বা সঙ্গিনীর অভাব পূরণেও এগিয়ে এসেছে ‘এআই’। নিজের পছন্দ-অপছন্দের তালিকা ‘চ্যাটবট’কে জানিয়ে দিলে প্রায় কুমোরটুলি থেকে অর্ডার দেওয়ার মতো পছন্দসই সঙ্গী বা সঙ্গিনী হাজির করবে। ‘এআই’ প্রযুক্তির সাহায্যে সে একেবারে রক্ত-মাংসের মানুষের মতোই কথা বলবে। কোনও অজানা বিষয় মাথায় এলে ‘গুগ্‌ল সার্চ’-এ গিয়ে খুঁজতে যতটা সময় ব্যয় হয়, তার চেয়ে অনেক কম সময়ে, নির্ভুল তথ্য ব্যবহারকারীর সামনে তুলে ধরবে এই ‘চ্যাটবট’। ‘এআই’ জেনারেটেড ছবি তৈরি করতেও সাহায্য করবে এই প্রযুক্তি।

    আরও পড়ুন: বর্ষার মরসুমে দেশজুড়ে ডেঙ্গি আতঙ্ক! প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল বেঙ্গালুরু প্রশাসন

    কীভাবে ব্যবহার করবেন মেটা এআই? (How to use Meta AI) 

    প্রথমত আপনার হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট করা থাকলেই তবে এই সুবিধা পাবেন। এরপর আপনার অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ বা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে পার্পেল-ব্লু রিং দেখা যাবে। এটি ক্যামেরা আইকনের একেবারে কাছেই থাকছে। এই আইকনে ক্লিক করেই মেটা এআইয়ের (Meta AI on WhatsApp) জগত খুলে যাবে আপনার সামনে। সেখানে যা প্রয়োজন সবই লিখে জিজ্ঞাসা করা যাবে। গ্রুপ চ্যাটেও মেটা এআই ব্যবহার করা সমান মজাদার।
    এছাড়াও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান হলে, কোথায় যাবেন, কোথায় থাকবেন, কেমন খরচ হতে পারে কিংবা যেখানে ঘুরতে যাবেন, সেখানকার আবহাওয়া কেমন, সেই সম্পর্কিত নানা ধরনের তথ্য জানাবে মেটা এআই। কিংবা শহরে নতুন কোনও রেস্তরাঁ চালু হলে সেই খোঁজও বাড়ি বসেই পেয়ে যেতে পারেন এখানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share