Tag: Terror Attack

Terror Attack

  • Pakistan: পাকিস্তানের খাইবারে সেনার উপর জঙ্গি হামলা, মৃত পাঁচ জওয়ান

    Pakistan: পাকিস্তানের খাইবারে সেনার উপর জঙ্গি হামলা, মৃত পাঁচ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) উত্তর পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে জঙ্গি হানায় ৫ জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হল। পাকিস্তান সেনার মিডিয়া বিভাগ ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন জানিয়েছে, জঙ্গিরা কুররাম জেলায় সেনাবাহিনীর গাড়ির উপরে হামলা চালায়। বিস্ফোরণে নষ্ট হয়ে যায় সেনার গাড়ি এবং ওই গাড়ির মধ্যে থাকা পাঁচ জন সেনা সেনার মৃত্যু হয়েছে।

    হামলায় নেপথ্যে টিটিপি, ধারণা প্রশাসনের

    চিনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া তাঁদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে মৃত সৈনিকদের বয়স ২৪ থেকে ৩৩ এর মধ্যে। এখন অবধি কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায়িত্বভার গ্রহণ করেনি। এমনকি (Pakistan) সেনা তরফ থেকেও কোন জঙ্গি সংগঠনকে আধিকারিক ভাবে এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে তেহরিক-এ-তালিবান পাকিস্তান বা আফগান তালিবানের সহযোগী টিটিপি এই ঘটনার জন্য দায়ী। ইতিমধ্যে তালিবানরা ক্ষমতা দখল করার পর থেকে টিটিপি এই অঞ্চলে হামলা বাড়িয়েছে। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শিরিফ বলেছেন, “সেনার এই বলিদান ব্যর্থ যাবে না।”

    উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় দমন-পীড়ন

    পাকিস্তানে উপজাতি অধ্যুষিত ফাটা, সোয়াত ও খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় জঙ্গি দমন অভিযান চালাবার ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। স্থানীয়দের অভিযোগ সেনা জঙ্গি দমনের নামে নির্বিচারে সাধারণ মানুষকেও সন্দেহের বশে গুলি করে মারছে। অন্যদিকে কয়েক লক্ষ আফগান শরনার্থীকে থেকে নভেম্বরের মধ্যে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু আফগান নাগরিককে ধরে ধরে আফগান সীমান্তের ছেড়ে দিয়ে আসা হচ্ছে। এই সব এলাকাতেও বহু আফগানীর বাস। কয়েক প্রজন্ম ধরে তাঁরা এখানে বসবাস করছেন। অথচ জঙ্গি দমন অভিযানের নামে তাঁদের উপরেও অত্যাচার চলছে। এই জেরে পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দানা বাঁধছে। ক্ষোভের জেরে পাল্টা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে তেহরিক এ তালিবান পাকিস্তান ওরফে টিটিপি নামে একটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠী। মাঝেমধ্যেই তাঁরা সেনাবাহিনীর উপরে হামলা চালাচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক এই হামলার জন্য কারা দায়ী তা এখনও জানা যায়নি।

    জঙ্গি সন্দেহে ২২ জন গ্রেফতার (Pakistan)

    জানা গেছে পাঞ্জাব প্রান্ত থেকে পুলিশ ইতিমধ্যে ২২ জন ব্যক্তিকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করেছে। পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর বিভিন্ন জেলায় ১৫২ টি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে ইসলামিক স্টেট। তেহরিক-এ-তালিবান পাকিস্তান (TTP), লস্কর-এ-তৈয়বা, লস্কর-এ-জাহাঙওয়ী সংগঠনের ২২ জনকে জঙ্গি সন্দেহে ধরা হয়। পুলিশের জঙ্গি দমন শাখার এক আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী গোটা এলাকা জুড়ে জঙ্গি দমন অভিযান চালানো হচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ সাম্প্রতিক (Pakistan) সেনাবাহিনীর উপরে হামলায় যুক্ত ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় জঙ্গিবাদের প্রভাব

    পাকিস্তান (Pakistan) সেনার একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দিয়ে আসছে। জঙ্গিদের মদত করতে করতে এখন এই জঙ্গি সমস্যায় পাকিস্তানের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ জঙ্গিদের পাক সেনার কথা মত কাজ করতে হয়। জঙ্গিদের টার্গেট বাছার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা নেই। মতানৈক্য হলেই জঙ্গিদের খতম করিয়ে দেয় সেনা। ফলে যে সেনাবাহিনী এতদিন তাঁদের সমর্থন করছিল তারাই এখন জঙ্গিদমন অভিযান চালাচ্ছে। পাল্টা সেনার উপর হামলা করছে জঙ্গিরা। বিশেষ করে পাকিস্তানে উপজাতি অধ্যুষিত সোয়াত, খাইবার ও ফাটা

    আরও পড়ুন: চিন-পাকিস্তান যোগসাজশ! কাশ্মীরে জঙ্গিদের থেকে উদ্ধার চিনা টেলিকম সরঞ্জাম

    এলাকায় অনুন্নয়নের জেরে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে। তাঁদের একাংশ হাতে সেনার অত্যাচারে বন্দুক হাতে তুলে জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিচ্ছে। পাকিস্তান সেনা এদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে তাঁদের উপর আরও কড়া মনোভাব দেখাচ্ছে। যার ফলে সেই এলাকায় সেনার বিরুদ্ধেও বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় সেনাবাহিনীর কথামত না চললে অনেক ক্ষেত্রেই খুন এবং গুম করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir Encounter: বারামুলায় হত দুই জঙ্গি, বৈষ্ণোদেবীগামী বাসে জঙ্গি হামলায় গ্রেফতার ১

    Jammu Kashmir Encounter: বারামুলায় হত দুই জঙ্গি, বৈষ্ণোদেবীগামী বাসে জঙ্গি হামলায় গ্রেফতার ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপত্যকায় বাড়ছে জঙ্গি হামলা। বুধবার, জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে (Jammu Kashmir Encounter) দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। জঙ্গিদের গুলিতে গুরুতর জখম হয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের এক অফিসার। পুলিশ জানিয়েছে, এদিন সেপোরের অদূরে হান্দিপোরা এলাকায় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে এদিনই রিয়াসি জঙ্গি হামলায় প্রথম কাউকে গ্রেফতার করল পুলিশ। গত ৯ জুন বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসিতে (Reasi Terror Attack) পুণ্যার্থীদের বাসে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনার ১০ দিন পরে অবশেষে কাউকে গ্রেফতার করা হল। তার বিষয়ে এখনও বিস্তারিতভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে ধৃত যে জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড নয়, তা জানিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। 

    বারামুলায় গুলির লড়াই

    বারামুলায় জঙ্গিরা (Jammu Kashmir Encounter) হামলা চালাতে পারে বলে সম্প্রতি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল পুলিশ। সম্ভাব্য জঙ্গিহানা ঠেকাতে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল পুলিশ। এদিন তেমনই এক অভিযানের সময় সেপোরে জঙ্গিদের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াই শুরু হয়। এর আগে সোমবার বান্দিপোরা জেলায় পুলিশ ও আধাসেনার যৌথবাহিনীর তল্লাশি অভিযানে এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, নিহত জঙ্গি লস্কর-ই-তইবার সদস্য ছিলেন। 

    রিয়াসি হামলায় গ্রেফতার

    রিয়াসির সিনিয়র সুপারিটেন্ডেট অফ পুলিশ মোহিত শর্মা বলেছেন, ‘রিয়াসি জঙ্গি হামলার ঘটনায় একজনকে সরকারিভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। ও মাস্টারমাইন্ড নয়। তবে ওই জঙ্গি হামলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।’ ৯ জুন বাসে চেপে শিবখোরি (Reasi Terror Attack) মন্দির থেকে কাটরায় মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে যাচ্ছিল পুণ্যার্থীদের একটি দল। কেউ উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ছিলেন। কারও বাড়ি আবার রাজস্থান, দিল্লিতে ছিল। রিয়াসি জেলায় ৫৩ আসনের বাসকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। তার জেরে গভীর খাদে পড়ে যায় বাসটি। তিনজন মহিলা-সহ মোট নয় যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহত হন কমপক্ষে ৪১ জন।

    আরও পড়ুন: খোলা হল অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র, টেলি-বুথ! সিকিমে পর্যটকদের উদ্ধারে সক্রিয় ভারতীয় সেনা

    সামনে অমরনাথ যাত্রা

    আগামী ২৯ জুন থেকে অমরনাথ যাত্রা শুরু হচ্ছে। চলবে ১৯ অগস্ট পর্যন্ত। তার আগে জম্মু ও কাশ্মীরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নিশ্ছিদ্র করতে চাইছে কেন্দ্র। গত রবিবার (১৬ জুন) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, ভারতীয় সেনার প্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা, সিআরপিএফের অধিকর্তা জেনারেল অনীশ দয়াল সিংয়ের মতো শীর্ষকর্তাদের উপস্থিতিতে জম্মু ও কাশ্মীরের সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে দেখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অমরনাথ যাত্রার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জোরদার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হয়। জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদকে কঠোর হাতে দমন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terror Attack In Doda: ৪ দিনে ৪ হামলা! ফের জঙ্গি সংঘর্ষ কাশ্মীরের ডোডা জেলায়, আহত এক জওয়ান

    Terror Attack In Doda: ৪ দিনে ৪ হামলা! ফের জঙ্গি সংঘর্ষ কাশ্মীরের ডোডা জেলায়, আহত এক জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও একটা হামলা। পরপর ৪ দিনে ৪ বার ঝরল রক্ত। আতঙ্কে কাঁপছে কাশ্মীর। এবার জঙ্গিহানায় (Terror Attack In Doda) উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu kashmir) ডোডা জেলা। জানা গিয়েছে, ডোডা জেলার গান্দো এলাকায় ফের নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে জঙ্গি এবং সেনাবাহিনীর। সূত্রের খবর, দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ে স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের এক জওয়ান আহত হয়েছেন। ঘটনার পরেই উপত্যকা জুড়ে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। গত কয়েকদিনে বিশেষ করে রিয়াসি, কাঠুয়া এবং ডোডায় ব্যাক টু ব্যাক হামলার ঘটনা ঘটেছে। আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবার চার জঙ্গির স্কেচ প্রকাশ করল জম্মু পুলিশ। শুধু তাই নয়, এই চার জঙ্গির খোঁজ দিতে পারলেই পুরস্কারের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।  

    একের পর এক হামলা (Terror Attack In Doda) 

    গত চার দিন ধরেই অশান্ত জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu kashmir) বিভিন্ন এলাকা। প্রথম হামলার ঘটনাটি ঘটে ৯ তারিখ,রবিবার। সেদিন শিব খোরি মন্দির থেকে কাটরা ফেরার পথে রিয়াসিতে তীর্থযাত্রীবাহী একটি বাস লক্ষ্য করে জঙ্গিরা গুলি চালায়। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তা লাগোয়া খাদে পড়ে যায়। কিন্তু সেখানেও থামেনি হামলা। খাদে পড়ে যাওয়ার পর সেই বাসটির উপর গুলি চালায় জঙ্গিরা। এরপর ঘটে দ্বিতীয় হামলা। ১১ তারিখ, মঙ্গলবার জঙ্গি হামলার অপর ঘটনাটি ঘটে কাঠুয়াতে। সেখানে একজন সাধারণ নাগরিক নিহত হন। একইসঙ্গে এই ঘটনায় নিরাপত্তা রক্ষী এবং সাধারণ নাগরিক মিলিয়ে ১১জন আহত হন জম্মুর ডোডা জেলার ছাত্রাকোলা এলাকায়। এরপর জঙ্গিরা পাঠানকোটেও সেনা চৌকিতে হামলা চালায়। আর এবার চতুর্থ হামলার ঘটনাটি ঘটে বুধবার, ১২ তারিখ ফের সেই ডোডা জেলাতেই।  

    চার জঙ্গির ছবি প্রকাশ করে পুরস্কার ঘোষণা   

    একের পর এক হামলার ঘটনায় এখনও অব্দি কাউকেই গ্রেফতার করা যায়নি। তাই এবার জঙ্গিদের ধরতে তাদের স্কেচ প্রকাশ করল জম্মু পুলিশ। জানা গিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর (Jammu kashmir) পুলিশ তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় চার জঙ্গির ছবি প্রকাশ (Terror Attack In Doda) করেছে। প্রত্যেক জঙ্গির বিষয়ে খোঁজ দিতে পারলেই পাঁচ লাখ টাকা করে পুরষ্কার দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ চারজঙ্গির খোঁজ দিলেই ২০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। বেশ কয়েকটি নম্বরও দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। তবে যে বা যারা এই তথ্য দেবেন তাদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখার কথা বলা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হানা, আহত পাঁচ জওয়ান, নিহত এক জঙ্গি

    নতুন হামলার আশঙ্কা

    পরপর ৪দিনে ৪ বার জঙ্গি হামলার (Terror Attack In Doda) ঘটনার পর আবারও আশঙ্কা করা হচ্ছে নতুন হামলার। সেনাবাহিনীর উপর হতে পারে ফিদায়ে হামলা। বিভিন্ন ক্যাম্প কিংবা সামরিক ঘাঁটিতে জঙ্গিরা হামলা করতে পারে। আর তা আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যেই হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সে বিষয়ে বাহিনীকে সতর্ক করেছেন গোয়েন্দারা। কড়া নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে সম্পূর্ণ উপত্যকাকে। বিভিন্ন জায়গায় করা হয়েছে পুলিশ পিকেট। এমনকি ভারত-পাকিস্তান সীমান্তেও হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala Blast: কেরলে কনভেনশন সেন্টারে প্রার্থনা চলাকালীন পরপর বিস্ফোরণ, মৃত ১, জখম বহু

    Kerala Blast: কেরলে কনভেনশন সেন্টারে প্রার্থনা চলাকালীন পরপর বিস্ফোরণ, মৃত ১, জখম বহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এর্নাকুলামে এক ধর্মীয় সভায় বিস্ফোরণের (Kerala Blast) ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় মৃত ১ মহিলা এবং আহত অন্তত ২০ জন। মাত্র ৫ থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে পরপর তিনবার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে কনভেনশেন সেন্টার। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে বড় কোনও নাশকতার ছক বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের কোনও রকম যোগসূত্র থাকতে পারার কথাও অনুমান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু করেছে কেরল পুলিশ।

    হামস নেতার বৈঠকের পরেই বিস্ফোরণ (Kerala Blast)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেরলে ফিলিস্তিনিপন্থীদের মিছিল এবং জনসভা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গতকাল শনিবারই ইসলামিক কট্টরপন্থী এক জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে হামাসের পক্ষাবলম্বন করে, একটি জনসভার আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, এই সভায় ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখেন হামাস নেতা খালেদ মাসাল। এই জঙ্গি নেতা হামাসের একজন প্রধান প্রতিষ্ঠাতা। তার ভাষণের পর, আজ রবিবার বোমা বিস্ফোরণ (Kerala Blast) ঘটল। ফলে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেছেন, এই হামাস নেতার ভাষণের সঙ্গে বিস্ফোরণের সম্পর্ক রয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য

    বিস্ফোরণের ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, “রবিবার সকালে প্রার্থনা চলছিল। কিন্তু আচমকাই বোমার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কনভেনশন সেন্টার। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত সকলের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। সেই সঙ্গে সেন্টারের একভাগে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসে দমকল বাহিনী। অগ্নিদগ্ধ বেশ কিছু মানুষকে উদ্ধার করা হয়।” সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রায় ২ হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল কালমাসেরিরি জামরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও প্রদর্শনী সেন্টারে। গত তিনদিন ধরে “জিহোবাজ উইটনেস” নামক অনুষ্ঠান চলছিল এই স্থানে। এটি ছিল খ্রিষ্টানদের একটি বড় ধর্মীয় পবিত্র অনুষ্ঠান। এখানেই কার্যত বিস্ফোরণ ঘটেছে।

           

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • J&K Terror Attack: তিনদিনে কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় মৃত দুই পুলিশকর্মী

    J&K Terror Attack: তিনদিনে কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় মৃত দুই পুলিশকর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হানা (J&K Terror Attack)। বারামুলায় বাড়িতে ঢুকে পুলিশ কনস্টেবলকে গুলি করে হত্যা করেছে জঙ্গিরা। বুধবার নিজের বাড়িতে ছিলেন পুলিশকর্মী গুলাম মহম্মদ দার। হঠাৎই বেশ কয়েকজন জঙ্গি পুলিশকর্মীর বাড়িতে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর ওই পুলিশ কর্মী গুলির শব্দ শুনে বাইরে এলে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করে জঙ্গিরা। উল্লেখ্য, গত রবিবার দিনেও জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল আরও এক পুলিশকর্মীর। এই নিয়ে তিন দিনে ২ পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হল।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (J&K Terror Attack)?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কনস্টেবেল গুলাম মহম্মদ দারের বাড়ি বারামুলার কারালপোরা গ্রামে। বাড়িতে ঢুকে গুলি চালালে গুলির শব্দে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসেন। আর এর ঠিক আগেই জঙ্গিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এরপর দ্রুত খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে উপস্থিত হয়। আহত পুলিশ কর্মীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর গোটা এলাকা জুড়ে শুরু হয় জঙ্গিদের (J&K Terror Attack) খোঁজে তল্লাশি।

    পুলিশের শোক প্রকাশ

    বুধবার জঙ্গিদের (J&K Terror Attack) গুলিতে নিহত পুলিশকর্মীর মৃত্যুতে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়, “মৃত পুলিশ কর্মী গুলাম মহম্মদ শহিদ হয়েছেন। দেশের জন্য তাঁর আত্মবলিদান, এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। পরিবারের পাশে সব সময় পুলিশ কর্মীরা থাকবেন। সবরকম সহযোগিতা করবো আমরা।”

    রবিবারেও জঙ্গি হামলা হয়েছিল

    গত রবিবার শ্রীনগরে আরও এক পুলিশকর্মীকে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা (J&K Terror Attack)। নিহত পুলিশ কর্মীর নাম ইনস্পেক্টর মসরুর আহমদ ওয়ানি। জানা গিয়েছিল, তিনি ইদগা এলাকার একটি মাঠে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিলেন। সেই সময় জঙ্গিরা আচমকা আক্রমণ করে। জঙ্গিরা তাঁকে উদ্দশ্য করে মোট তিনটি গুলি করে। হাসপাতালে যেতে যেতেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছিল। এই হত্যার দায় লস্কর-ই-তৈবা নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ চলছে। ঠিক সেই সময়, হামাস-হিজবুল্লা সংগঠনের পাশে দাঁড়িয়ে, জঙ্গি সংগঠনগুলি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কাশ্মীরকে ফের অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মনে করছেন উপত্যকার একাংশের মানুষ। ইতিমধ্যে জম্মু-কাশ্মীরে অতিরিক্ত নিরাপত্তার সতর্কতা জারি করেছে সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Express: করমণ্ডল দুর্ঘটনার নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত! প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিশিষ্টজনদের

    Coromandel Express: করমণ্ডল দুর্ঘটনার নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত! প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিশিষ্টজনদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার (Coromandel Express) নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত! অন্তত এমনই আশঙ্কা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) চিঠি দিলেন অবসরপ্রাপ্ত আমলা, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত র এবং এনআইএ অধিকর্তাদের একাংশ। চিঠিতে তাঁরা বলেছেন, “বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনার পিছনে মানুষের হাত থাকতে পারে। কোনও জঙ্গিগোষ্ঠীর অন্তর্ঘাতমূলক কাজ হতে পারে।” রেল ট্র্যাকে যাতে কোনও নাশকতামূলক কাজ না হয়, সেটা দেখার জন্যও প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন তাঁরা।

    চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন যাঁরা

    চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ২৭০ জন। এঁদের মধ্যে ১৪ জন আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি, ১১৪ জন প্রাক্তন সেনা আধিকারিক এবং ১১৫ জন প্রাক্তন আমলা। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব যোগেন্দ্র নারাইন, সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর নাগেশ্বর রাও, এনআইএর প্রাক্তন ডিরেক্টর যোগেশ চান্দের মোদি এবং র-র অবসরপ্রাপ্ত ডিরেক্টর সঞ্জীব ত্রিপাঠী। জম্মু-কাশ্মীর, মহারাষ্ট্র এবং উত্তর প্রদেশের পুলিশের ডিজিপিরাও সই করেছেন ওই চিঠিতে।

    অন্তর্ঘাতের ইঙ্গিত?

    চিঠিতে বলা হয়েছে, “ওড়িশার বালাসোরের ঘটনায় (Coromandel Express) আমরা মর্মাহত। দ্রুত গতিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সেজে উঠেছে ভারতীয় রেল। এই অবস্থায় এই দুর্ঘটনা মেনে নেওয়া কষ্টকর।” তাঁরা লিখেছেন, “সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানতে পেরেছি, রেলকর্মীদের ভুলে বেলাইন হওয়ার জেরেই ঘটেছে ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনা। আর এখানেই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অন্তর্ঘাতের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।” 

    আরও পড়ুুন: নজিরবিহীন! পঞ্চায়েত ভোটে পর্যবেক্ষক নিয়োগ কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের

    তাঁরা লিখেছেন, “রেল পরিষেবা বিপর্যস্ত করতে এর আগেও একই রকমের পরিকল্পনা করেছে জঙ্গিরা। অন্তর্ঘাতের সাহায্যে ট্রেনকে লাইনচ্যুত করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। সাধারণ জনগণকে জীবন দিয়ে যার মূল্য দিতে হয়েছে।” উদাহরণ দিয়ে তাঁরা লিখেছেন, “১৯৯০ সাল থেকে ২০০০-র শুরুর দিক পর্যন্ত বারবার রেললাইনকে (Coromandel Express) টার্গেট করেছে জঙ্গিরা। পাঠানকোট থেকে জম্মু পর্যন্ত ট্র্যাকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রেললাইন। এই সময়ের মধ্যে বাহিনী ও কর্মীদের তৎপরতায় অন্তত আটটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছিল।” রেললাইনের ধারে অবৈধ নির্মাণ নিয়েও সরব হয়েছেন তাঁরা। লিখেছেন, “পূর্ব ও উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে রেললাইনের ধারে অবৈধ নির্মাণ বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে। অবিলম্বে সেগুলিকে সরিয়ে দিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Rajouri Terror Attack: আধার কার্ড দেখে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর জঙ্গি হামলা কাশ্মীরের রাজৌরিতে! নিহত অন্তত ৪

    Rajouri Terror Attack: আধার কার্ড দেখে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর জঙ্গি হামলা কাশ্মীরের রাজৌরিতে! নিহত অন্তত ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে (Rajouri terror attack) সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর ফের হামলা চালাল জঙ্গিরা। নতুন বছরের শুরুতেই রক্তাক্ত হল ভূস্বর্গ। রবিবার বিকালে জোড়া জঙ্গি হামলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল উপত্যকা।  প্রায় একইসঙ্গে শ্রীনগরে গ্রেনেড হামলা এবং রাজৌরিতে গুলি ছোড়ে জঙ্গিরা। দুটি ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪ জনের (Death Count Climbs To 4)। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

    পরিচয় নিশ্চিত করে হামলা

    আধার কার্ড দেখে গ্রামবাসীদের পরিচয় জেনে, টার্গেট স্থির করে হামলা চালায় জঙ্গিরা। রাজৌরির ডাংরি এলাকায় রবিবার সন্ধ্যা সওয়া ৭টা নাগাদ একটি হাইস্কুল এবং নাগরিকদের বাড়িতে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় ২ জন জঙ্গি।  চার জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত আরও ছয় জন। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, নিহতরা কাশ্মীরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য। গত কয়েক মাসে কখনও কাশ্মীরি পণ্ডিত, কখনও আবার ভিন রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের নিশানা করে হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। আপার ডাংরি এলাকার এই জঙ্গি হামলাও একটি ভাবে টার্গেট বেছে করা হয়েছে। কারা এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে তার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ, সিআইপিএফ এবং সেনা।

    এই ঘটনায় প্রীতম লাল, শীশু পাল, সতীশ কুমার ও দীপক কুমার নামে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ছয় গ্রামবাসী। উদ্ধার করে তাঁদের প্রথম রাজৌরির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দু’জনকে জম্মুতে রেফার করা হয়। ঘটনার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে রাজৌরির বিভিন্ন এলাকায়। জঙ্গি হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে আজ সোমবার এলাকায় বন‍্‍ধ ডেকেছে বেশ কয়েকটি সংগঠন। বন‍্‍ধকে সমর্থন জানিয়েছে বিজেপি। এদিন ঘটনার পর রাজৌরির হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, এবং জঙ্গিদের নিরীহ মানুষের উপর হামলার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁরা। 

    জঙ্গি দমনে তৎপরতা

    এরপর রাত পৌনে আটটা নাগাদ ফের শ্রীনগরে গ্রেনেড হামলা (Shrinagar Grenade attack) চালায় জঙ্গিরা। মির্জা কামিল চকে সিআরপিএফ বাঙ্কার লক্ষ্য করে একের পর এক গ্রেনেড ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিবাহিনী। জম্মু জোনের ADGP মুকেশ সিং ( Mukesh Singh, ADGP Jammu Zone) জানিয়েছেন, “জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। পুলিশ, সিআইপিএফ এবং সেনা গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুতই এই সন্ত্রাসবাদীদের খোঁজ মিলবে।”

    আরও পড়ুন: শেষযাত্রায় মায়ের দেহ নিজের কাঁধে তুলে নিলেন, মুখাগ্নি করলেন মোদি

    একই দিনে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা থেকে। গ্রেফতার হয়েছে দু’জন। এগুলি জঙ্গিদের জোগান দেওয়া হচ্ছিল বলেই প্রাথমিক জেরায় জানতে পেরেছে পুলিশ। রবিবার আগাম খবর অনুযায়ী কুপওয়ারার চাটকাদি এলাকায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখানেই এই বিপুল অস্ত্রশস্ত্র-সহ ধরা পড়ে দু’জন। তাদের মধ্যে একজন, উমর আজিজ পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, সে বহুদিন ধরেই এই কাজ করছে। সূত্রের খবর, ৫টি পিস্তল, ১০টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৭৭টি রাউন্ড গুলি, একটি পিস্তল পরিষ্কারের রড, চারটি হাতবোমা, প্রায় ১০ কেজি হেরোইন উদ্ধার হয়েছে রবিবারের অভিযানে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mangaluru: কোয়েম্বাতুর ও মেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের মধ্যে রয়েছে যোগসূত্র? মূল অভিযুক্ত শরীকের বাড়িতে পুলিশ

    Mangaluru: কোয়েম্বাতুর ও মেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের মধ্যে রয়েছে যোগসূত্র? মূল অভিযুক্ত শরীকের বাড়িতে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঙ্গালুরুর (Mangaluru) অটো বিস্ফোরণের (Blast) ঘটনায় ক্রমেই বাড়ছে রহস্য। উঠে আসছে একাধিক তথ্য। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার সঙ্গে কোয়েম্বাতুর ঘটনার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশরা অনুমান করেছেন যে, এই ঘটনায় হাত থাকতে পারে আইএসআইএস (ISIS) জঙ্গিদের। সূত্রের খবর, রবিবার মূল অভিযুক্ত শরীকের বাড়িতে হানা দিয়েছে পুলিশ। সেখানে গিয়ে তল্লাশি চালানো হয় ও একাধিক তথ্য উঠে আসে।

    কী কী তথ্য উঠে এসেছে?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, রবিবার ওই ঘটনায় (Mangaluru) মূল অভিযুক্তের মাইসুরের ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এলাকায় বোমা স্কোয়াডও মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের মতে, শরীক গত একমাস ধরে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে ছিল। বাড়ির মালিককে সে ভাড়া নেওয়ার সময় জানিয়েছিল, সে মোবাইল রিপেয়ার ট্রেনিং-এর জন্য শহরে থাকছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, শরীক একটি আধার কার্ড ব্যবহার করছিল যেটি তার নয়। এরপর কার্ডের মালিকের সন্ধানও পাওয়া গেছে। তিনি কর্ণাটকের হুব্বলি জেলার বাসিন্দা প্রেমরাজ হুতাগি। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর আধার কার্ডটি হারিয়ে গিয়েছিল ও এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই।

    উল্লেখ্য, শনিবারের ঘটনার পর কর্ণাটক (Karnataka) পুলিশের ডিজি নিশ্চিতভাবে জানিয়ে দেন, এই বিস্ফোরণ কোনও দুর্ঘটনা নয়। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির উদ্দেশ্য নিয়ে ঘটানো হয়েছে এই বিস্ফোরণ। আর এর পিছনে রয়েছে নাশকতার ছক। সেদিন বিস্ফোরণের পর একটি ব্যাগের ভিতরে ব্যাটারি ও বিস্ফোরকে ঠাসা প্রেশার কুকার উদ্ধার করা হয়েছিল। এই ঘটনার মূল অভিযুক্তর থেকে এখনও কোনও বয়ান নেওয়া যায়নি। এছাড়াও অটোচালক ও এক যাত্রীও বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    আরও পড়ুন: মেঙ্গালুরুতে যাত্রিবাহী অটোরিক্সায় বিস্ফোরণ জঙ্গি হামলা!

    কোয়েম্বাতুর ও মেঙ্গালুরুর ঘটনার যোগসূত্র

    রাজ্যের পুলিশ প্রধান প্রবীন সুদ বলেছেন, “আমরা সাম্প্রতিক কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণের সঙ্গে তার যোগসূত্র উড়িয়ে দিচ্ছি না।” এর আগে খবরে উঠে এসেছিল যে, চলতি বছরের ৩ অক্টোবর কোয়েম্বাতুরের বিস্ফোরণে নিহত জামেজা মুবিন আইএস জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। ফলে এই মেঙ্গালুরুর (Mangaluru) ঘটনার মূল অভিযুক্ত শরীকের সঙ্গে মুবিনের সম্পর্ক রয়েছে কিনা, তা নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। ফলে এতেও যে জঙ্গি সংগঠনের যোগ রয়েছে, তাও সন্দেহ করা হচ্ছে। কারণ পুলিশ তদন্ত করে জানতে পেরেছে যে, মহম্মদ শরীক সেপ্টেম্বরে কোয়েম্বাতুরের সিঙ্গানাল্লুর পাড়ায় গিয়েছিল ও সেখানে এক শিক্ষকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেই তাঁর নামে সিম কার্ড নিয়েছিল। এই ২৮ বছর বয়সী শিক্ষক নীলগিরি জেলার থুমানাট্টির বাসিন্দা, যাঁকে ইতিমধ্যে কর্ণাটক পু্লিশ জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে যে, এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা হতে পারে না যে, কোয়েম্বাতুরে গাড়ি বিস্ফোরণের কয়েক দিন আগেই শরীক সেখানে গিয়েছিল। তাই পুলিশ জানিয়েছে, শরীক ও মুবিনের মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কিনা ও তারা আইএস জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Mangaluru)।

  • Jammu & Kashmir: ফের এনকাউন্টার কাশ্মীরে! গুলির লড়াইয়ে খতম ৩ লস্কর জঙ্গি

    Jammu & Kashmir: ফের এনকাউন্টার কাশ্মীরে! গুলির লড়াইয়ে খতম ৩ লস্কর জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত জম্মু কাশ্মীর (Jammu And Kashmir)। উপত্যকায় তিন জঙ্গিকে নিকেশ করল নিরাপত্তারক্ষীরা৷ মঙ্গলবার বিকেলে সোপিয়ানে (Shopian) নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়৷ সেই গুলির লড়াইয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যই এনকাউন্টারে জঙ্গি নিকেশ করা হয়। গত কয়েকদিন ধরেই কাশ্মীরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জঙ্গিরা।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোপিয়ানের নাগবাল এলাকায় জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকায় খবর পেয়ে এদিন নিরাপত্তারক্ষীরা সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এরপর সেই এলাকা ঘিরে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান৷ এই তল্লাশি অভিযান এনকাউন্টারে পরিত হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: নাদিমার্গ গণহত্যা মামলা পুনরায় চালুর নির্দেশ জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্টের

    ডিরেক্টর জেনারেল (Additional Director General of Police) (ADGP) বিজয় কুমার (Vijay Kumar) জানিয়েছেন,  নিহত জঙ্গিরা লস্কর-ই-তৈবা সংগঠনের সদস্য। এই তিন জঙ্গির নাম দানিশ খুরশীদ ভাট (Danish Khursheed Bhat) তানভীর ওয়ানি (Tanveer Wani)  তওসীফ ভাট (Towseef Bhat)। তারা বিভিন্ন জঙ্গি হামলার ক্ষেত্রে জড়িয়ে ছিল। সোপিয়ানের ছেলেদের জঙ্গি দলে নেওয়ার কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল। ঘটনার পরে, উপত্যকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে পুলিশ। বেশ কয়েকদিন ধরেই জঙ্গি হামলায় বিপর্যস্ত ভূস্বর্গ।

    সম্প্রতি উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর জঙ্গিদের হামলা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। চলতি বছর মে মাসেও জম্মু-কাশ্মীরের বদগামে অফিসে ঢুকে রাহুল ভাট নামে এক সরকারি কর্মীকে খুন করেছিল জঙ্গিরা। সেই ঘটনায় তোলপাড় পড়ে যায় উপত্যকায়। তার রেশ কাটার আগেই কুলগামে খুন করা হয় আরেক হিন্দু স্কুল শিক্ষিকাকে।  

    আরও পড়ুন: ফের ধস জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেসে, আড়ে বহরে বাড়ছে আজাদ শিবির! 

     

     

  • Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! সেনার উপর গ্রেনেড হামলা

    Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! সেনার উপর গ্রেনেড হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ানে জঙ্গি হামলা। মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সোপিয়ান জেলার কুটপোড়ায় সেনার উপর গ্রেনেড হামলা চালায় জঙ্গিরা। গত কয়েকদিন ধরেই কাশ্মীরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জঙ্গিরা। এদিন সেনার টহলদারির সময় রাতের অন্ধকারে তাদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়ে জঙ্গিরা। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলে গা ঢাকা দেয় তারা। তাদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে সেনা ও কাশ্মীর পুলিশের যৌথ বাহিনী। 

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা, দুই কাশ্মীরি পণ্ডিত ভাইকে গুলি করল জঙ্গিরা, মৃত এক

    বুধবার কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়, গোয়েন্দা সূত্রে, এদিন একটি বাড়িতে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় সেনা। তারপরই ওই বাড়িতে গোপন অভিযান চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা। তখনই তাঁদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। অন্ধকারকে হাতিয়ার করে জঙ্গিরা লুকিয়ে পড়লেও ওই বাড়ি থেকে গোলা বারুদ উদ্ধার হয়েছে। মিলেছে গোপন নথিও। এই নিয়ে পরপর ২ দিন সেনার উপর হামলা চালাল জঙ্গিরা। সোমবার, স্বাধীনতা দিবসেই বুদগাম এবং শ্রীনগর জেলায় দুটি পৃথক সন্ত্রাসবাদী হামলায় এক অসামরিক নাগরিক এবং একজন পুলিশ কর্মী আহত হন। দুটি হামলাতেই সন্ত্রাসবাদীরা গ্রেনেড ব্যবহার করে বলে জানা গিয়েছে।


    গত কয়েক দিনে পরপর জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে ভূস্বর্গ। মঙ্গলবার সোপিয়ানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। মৃত্যু হয় একজনের। এর আগে বান্দিপোড়ায় (Bandipora) পরিযায়ী শ্রমিকের উপর হামলা চালায় সন্ত্রাবাদীরা। জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয় বিহার থেকে জম্মু-কাশ্মীরে কাজ করতে আসা এক শ্রমিক। গত বৃহস্পতিবারই রাজৌরির সেনা ক্যাম্পে আত্মঘাতী হামলা চালায় জঙ্গিরা। উরির কায়দায় বড়সর আত্মঘাতী হামলার ছক বানচাল করে সেনা। গুলির লড়াইয়ে খতম হয় দুই জঙ্গি। শহিদ হন তিন জওয়ান।

     
     
LinkedIn
Share