Tag: TMC INNER CLASH

TMC INNER CLASH

  • TMC Inner Clash: তিহাড় থেকে ফিরেছেন অনুব্রত, চরমে গোষ্ঠীকোন্দল, বোমার ঘায়ে পা উড়ল তৃণমূল কর্মীর

    TMC Inner Clash: তিহাড় থেকে ফিরেছেন অনুব্রত, চরমে গোষ্ঠীকোন্দল, বোমার ঘায়ে পা উড়ল তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন তিহাড় জেলে ছিলেন। গত বছরের শেষের দিকে ফিরেছেন গাঁয়ে (West Bengal)। তার পরেই তৃণমূলের কাজল শেখ গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘাসফুল শিবিরেরই অনুব্রত মণ্ডলের অন্তর্দ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash) চরমে ওঠে বলে অভিযোগ। তার জেরে হয় ব্যাপক বোমাবাজি। বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের কাঁকরতলা থানার জামালপুর গ্রাম। স্থানীয় সূত্রে খবর, বালি বিক্রির টাকার বখরা নিয়েই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ হয়। বোমার ঘায়ে পা উড়ে গিয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর। নাম শেখ সাত্তার আলি। জখম হয়েছেন আরও কয়েকজন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা তৃণমূল নেতা স্বপন সেন ও তৃণমূলের কোর কমিটির উজ্জ্বল হক কাদেরির ঘনিষ্ঠ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় কাঁকরতলা থানার পুলিশ।

    তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন অনুব্রত (TMC Inner Clash)

    গত প্রায় দু’বছর ধরে দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, মমতা ঘনিষ্ট অনুব্রত যতদিন জেলে বন্দি ছিলেন, ততদিন একপ্রকার শান্তই ছিল বীরভূম। তাঁর গোষ্ঠীর লোকজন নিষ্ক্রিয় হয়েছিলেন। অনুব্রত জেলায় ফিরতেই তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল ফের প্রকাশ্যে এসেছে বলে তৃণমূলেরই একটি সূত্রের খবর।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    বেশ কয়েক জায়গায় অনুব্রত গোষ্ঠীর লোকজনের সঙ্গে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাধিপতি কাজল শেখের অনুগামীদের সংঘর্ষ হয়েছে। অনুব্রতর অবশ্য দাবি (TMC Inner Clash), বীরভূমে কোনও গোষ্ঠীকোন্দল নেই। তবে তৃণমূলের এই নেতা যে ঠিক বলছেন না, তা দাবি করেছেন তাঁর দলেরই একটি গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, উজ্জ্বল অনুব্রতের কাছের লোক। আর স্বপন, কালো শেখরা কাজল গোষ্ঠীর বলে জেলায় পরিচিত। বালির টাকার বখরা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই এলাকায় উত্তেজনা ছিল। তার জেরেই সোমবার রাতভর জেলায় হয় বোমাবাজি। যার জেরে পা খোয়ান তৃণমূলের সাত্তার।

    উজ্জ্বলের অভিযোগ, তাঁকে খুনের উদ্দেশ্যেই সোমবার রাতে তৃণমূল নেতা কালো শেখের বাড়িতে জড়ো হন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মহিবুল শেখ-সহ বেশ কয়েকজন। তাঁর দাবি, গত কয়েক দিন ধরে ওই বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র ও বোমা মজুত করা হচ্ছিল। যদিও কালোর অভিযোগ, সোমবার রাতে তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছুড়ছিলেন তৃণমূল নেতা উজ্জ্বলের অনুগামীরা (West Bengal)। অশান্তি এড়াতে এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ (TMC Inner Clash)।

  • Kosba Clash: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই কসবায় গুলি করে মারার চেষ্টা তৃণমূল কাউন্সিলরকে!

    Kosba Clash: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই কসবায় গুলি করে মারার চেষ্টা তৃণমূল কাউন্সিলরকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি তৃণমূলের নেতা। রাজ্যও তৃণমূলের (TMC Inner Clash) দখলে। সেই রাজ্যেই তৃণমূলের কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ল এক দুষ্কৃতী (Kosba Clash)। বরাত জেরে বেঁচে গিয়েছেন সুশান্ত। গ্রেফতার হয়েছে মূল ষড়যন্ত্রী জনৈক গুলজার। প্রশ্নটা সেখানে নয়, যে প্রশ্নটা তৃণমূল নেতাদের বুকেও ভয় ধরিয়ে দিয়েছে, তা হল দলের অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরেই কী দুষ্কৃতীর চাঁদমারিতে পরিণত হয়েছিলেন সুশান্ত?

    ‘টাগ অফ ওয়ার’

    এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের যেতে হবে দক্ষিণ কলকাতার কবসা অঞ্চলে। এই অঞ্চলেরই নেতা সুশান্ত। কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তিনি। তাঁকে যেখানে খুন করার চেষ্টা করা হয়, সেই জায়গাটা আবার পড়ে ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিপিকা মান্না। ২০১০ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত ১০৭-এর কাউন্সিলর ছিলেন সুশান্ত। আসনটিকে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় সুশান্তকে সরানো হয় পাশের কেন্দ্রে। ১০৭-এ প্রার্থী করা হয় লিপিকাকে। পুরসভা নির্বাচনে দু’জনেই জিতেছেন ঘাসফুলের টিকিটে। তার পর থেকে এলাকার দখল কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে দুই কাউন্সিলরের মধ্যে চলছে ‘টাগ অফ ওয়ার’।

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব!

    অথচ, সুশান্ত ও লিপিকা দু’জনেই রাজ্যের মন্ত্রী জাভেদ খানের কাছের লোক (Kosba Clash)। লিপিকাকে জাভেদের লোক বলেই চেনেন তৃণমূলের লোকজন। আবার সুশান্তর সঙ্গেও জাভেদের সম্পর্কও বেশ ভালো। এহেন সমীকরণের চালচিত্র যেখানে শোভা পাচ্ছে, সেখানেই কিনা প্রকাশ্যে গুলি করা হল সুশান্তকে লক্ষ্য করে! এবং তার পরেও কোনও মন্তব্য করেননি জাভেদ। লিপিকাও স্পিকটি নট। দায়সারা গোছের উত্তর দিয়েছেন সুশান্ত। তিনি বলেন, “এর মধ্যে রাজনীতি নেই।” বিরোধীদের হাত রয়েছে, তাও বলছেন না তিনি। তাহলে কী পরকীয়া কিংবা পারিবারিক শত্রুতা?

    আরও পড়ুন: লাহোরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাক জঙ্গি লখভি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    স্থানীয় সূত্রে খবর, দুটোর কোনওটাই নয়। তাঁদের দাবি, ঘটনার নেপথ্য রয়েছে নির্ভেজাল রাজনীতি। সুশান্ত ১০৮ এর কাউন্সিলর হলেও, পুরানো ওয়ার্ডের দখল ছাড়েননি। লিপিকো গোষ্ঠীর দাপটে তাঁর বাহিনী অবশ্য কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। তাই তৃণমূলের জমানায় তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলরকে প্রকাশ্যে গুলি করার সাহস দেখাল দুষ্কৃতী। বুকের পাটা আছে বলতে হয়!

    খেয়োখেয়ির এই রাজনীতিতে আর যাই হোক উন্নয়ন হয় না বলেই দাবি স্থানীয়দের। তাঁদের মতে, উন্নয়ন না হলেও, ‘কামাই’ হয়। যে ‘কামাই’কে ঘিরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। চলে গোলা-গুলি (TMC Inner Clash)। আক্রান্ত হন খোদ শাসক দলের নেতাই (Kosba Clash)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh: এক-এক করে খুলছে মুখ, সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হতেই ‘বিদ্রোহ’ শুরু তৃণমূলে

    Sandip Ghosh: এক-এক করে খুলছে মুখ, সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হতেই ‘বিদ্রোহ’ শুরু তৃণমূলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সন্ধ্যায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। তার পরেই তৃণমূলের অন্দরে শুরু হয়েছে বিদ্রোহ (TMC Inner Clash)। আরজি করকাণ্ডকে ঘিরে তীব্র আন্দোলনের জেরে তৃণমূল যে ক্রমশ ব্যাকফুটে চলে যাচ্ছে, এই বিদ্রোহই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এতদিন চুপ করে রইলেও, এখন সুযোগ বুঝে দলের প্রতি চাপা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ঘাসফুল শিবিরের ছোট-বড় বিভিন্ন নেতা।

    সুখেন্দুশেখরের কটাক্ষ (Sandip Ghosh)

    গত কয়েকদিন ধরেই বেসুরো শোনাচ্ছিল সাংসদ তৃণমূলের সুখেন্দুশেখর রায়কে। সন্দীপের গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই এক্স হ্যান্ডেলে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “মিডল স্ট্যাম্প আপরুটেড, হোয়াট নেক্সট?” বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘মাঝের স্টাম্প ছিটকে গেল, এবার কে?’ কখনও বাস্তিল দুর্গের পতনের ছবি, কখনও আবার আরকে লক্ষ্মণের কার্টুন শেয়ার করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন সুখেন্দুশেখর। সোশ্যাল মিডিয়া মারফত তাঁর বক্তব্য জানিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ তৃণমূল কংগ্রেসের শান্তনু সেনও। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “ঈশ্বর বিচার করলেন। প্রমাণ হল আমি ভুল বলিনি। সঠিক জায়গায় দুর্নীতির তথ্যগুলো অনেক আগেই জানিয়েছিলাম।”

    দলকে অস্বস্তিতে ফেললেন কুণাল

    তৃণমূলের কুণাল ঘোষ দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লবি হিসেবেই পরিচিত। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “সিবিআই তদন্ত করছে। সম্ভবত দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করেছে। এ বিষয়টি সন্দীপ বা তাঁর আইনজীবীরা বলতে পারবেন। দলের কোনও বক্তব্য নেই। কিছু অভিযোগ অনেক আগেই শোনা গিয়েছিল। তখন পদক্ষেপ নিলে এখনকার অস্বস্তি এড়াতে পারত স্বাস্থ্যভবন।” কুণালের মন্তব্যে বেজায় অস্বস্তিতে তৃণমূল। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীও। তাই কুণালের ইঙ্গিত স্পষ্ট বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (Sandip Ghosh)।

    এদিকে, নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা তথা উত্তরপাড়ার বিধায়ক তৃণমূলের কাঞ্চন মল্লিক। ১ সেপ্টেম্বর হুগলির কোন্নগর শহর ও নবগ্রাম মহিলা তৃণমূলের উদ্যোগে ধর্না কর্মসূচি ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চনও। সেখানেই বেফাঁস মন্তব্য করেন বিধায়ক। পরে চান ক্ষমা। বলেন, “আমি যা বলেছি, তার জন্য আমি অত্যন্ত লজ্জিত ও দুঃখিত। আমার বাড়িতেও একজন বৃদ্ধ মানুষ রয়েছেন। তাঁকে মেডিক্যাল সাপোর্ট দিতে (TMC Inner Clash) হয়। আমি জানি, ডাক্তারের (Sandip Ghosh) প্রয়োজন কতটা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতি! আরামবাগে তৃণমূলের প্রধান-উপ প্রধান দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অস্বস্তিতে শাসকদল

    Arambagh: টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতি! আরামবাগে তৃণমূলের প্রধান-উপ প্রধান দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অস্বস্তিতে শাসকদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট মিটলেও কিছুতেই কমছে না তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এবার পঞ্চায়েতের টেন্ডার জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রধান ও উপপ্রধানের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে হুগলির আরামবাগের (Arambagh) খানাকুলে। একে অপরের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন খানাকুলের পোল-১ নং পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)

    পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরেই তুমুল বচসায় জড়িয়ে পড়েন দুজনে। খবর পেয়ে জমায়েত হন তৃণমূল প্রধানের অনুগামীরা। ঘটনাস্থলে যায় খানাকুল (Arambagh) থানার পুলিশ বাহিনীও। পুলিশের সামনেও চলে বচসা। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর খানাকুলের পোল ১ নং পঞ্চায়েতের প্রধান সাবিনা খাতুন বনাম উপপ্রধান সেখ সাবির আলির দ্বন্দ্ব শুরু হয়। বুধবার সেই দ্বন্দ্বের রেষ গিয়ে পড়ে পঞ্চায়েত অফিসে। ঘটনার সূত্রপাত পঞ্চায়েতের টেন্ডার জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে। প্রধানের অভিযোগ, উপপ্রধান সেখ সাবির আলি তার কাছের কয়েকজনকে বেআইনিভাবে পঞ্চায়েতের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করে। তা হতে না দেওয়ায়, উপপ্রধান ও আরও একজনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর রুমে ঢুকে প্রথমে হুমকি দেয়। পরে, তাঁকে চেয়ার থেকে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করার পাশাপাশি পাল্টা উপপ্রধানের অভিযোগ, প্রধান সাবিনা খাতুন ও তাঁর স্বামী দুজনে মিলে পঞ্চায়েতে দুর্নীতি করছে। এমনকী পঞ্চায়েতে টেন্ডারের শেষ দিন হলেও প্রধান নিজের ঠিকাদারকে টেন্ডার পাইয়ে দিতে অন্যদের টেন্ডার কপি জমা নেয়নি। আমি তার প্রতিবাদ করেছি। আর কিছু ঘটেনি।

    আরও পড়ুন: মালগাড়ির গতিই দায়ী! কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় কোন পথে চলছে রেলের তদন্ত?

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জমায়েত হন প্রধান অনুগামী তৃণমূল (Trinamool Congress) কর্মীরা। শুরু হয় ক্ষোভ বিক্ষোভ। উপপ্রধানকে তাঁর অফিসের ভিতরে বিক্ষোভ দেখান। যদিও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় খানাকুল থানার পুলিশ বাহিনী । তারাই গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এলাকা থেকে হঠিয়ে দেয় তৃণমূল কর্মীদের। তবে, তৃণমূলের প্রধান ও উপপ্রধানের প্রকাশ্যে এহেন দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে শাসক দল। খানাকুল ১ নং ব্লক তৃণমূল সভাপতি দীপেন মাইতি বলেন, দলে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব বরদাস্ত নয়। যদি কেউ কোনও দোষ করে তা খতিয়ে দেখে উর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: দলীয় কাউন্সিলরকে গুলি করে খুনের হুমকি দিলেন পার্থ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সৌরভ সিং

    TMC Conflict: দলীয় কাউন্সিলরকে গুলি করে খুনের হুমকি দিলেন পার্থ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সৌরভ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমনাথ শ্যাম ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর অভিমুন্য তেওয়ারির সঙ্গে প্রকাশ্য বচসায় জড়িয়ে পড়লেন পার্থ ভৌমিক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সৌরভ সিং। এবারে সাংসদ পার্থ ভৌমিকের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন তিনি। এছাড়াও তার আরেকটি পরিচয় আছে, তিনি প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে ভাটপাড়া পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী (TMC Conflict) কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রদ্যুৎ পাল নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়ে একটি গন্ডগোল চলছিল তৃণমূল নেতা সৌরভ সিংয়ের। জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা সৌরভ সিং এলাকার এক ব্যবসায়ী প্রদ্যুৎ পালকে ২০২০ সালে ১০ লক্ষ টাকা ধার দিয়েছিলেন। আর সেই টাকা চেয়ে ব্যবসায়ীকে ফোন করেন সৌরভের এক পরিচিত। ওই ব্যক্তির সঙ্গে বচসাও হয় ব্যবসায়ীর। এরপরই সোমবার সৌরভ ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে চলে আসেন। বিষয়টি জানাতে পেরে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অভিমুন্য তেওয়ারিও সেখানে হাজির হন। এরপরই সৌরভের সঙ্গে অভিমুন্য তেওয়ারি প্রকাশ্যে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। পুলিশের সামনেই দুই তৃণমূল নেতা একে অপরকে গালিগালাজ করেন। যদিও তৃণমূলের নেতাদের এই কাদা ছোড়াছুড়ি (TMC Conflict) দেখে লোকে হাসহাসি করেন। ব্যবসায়ী বলেন, সৌরভের কাছে আমি টাকা পাই। উলটে ও আমার বাড়িতে এসে মেরে ফেলার হমকি দিয়ে যাচ্ছে। এটা ঠিক নয়।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল নেতা (TMC Conflict) সৌরভ সিং বলেন, ব্যবসায়ী কোনও টাকা পান না। আমি টাকা পাই। ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে রয়েছে বর্তমান কাউন্সিলর অভিমুন্য তেওয়ারি। এখানে ট্রাক বা ছোট গাড়িতে যত মাল সাপ্লাই হয়, সেখান থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে প্রতি গাড়ি কমিশন খান তৃণমূল কাউন্সিলর। এর পিছনে বড় বড় মাথা আছে। বিষয়টি সাংসদ পার্থ ভৌমিককে আমি জানিয়েছি। অন্যদিকে, কাউন্সিলর অভিমুন্য তেওয়ারি বলেন, সৌরভ আমাকে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। আমি থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। আমি আতঙ্কে রয়েছি।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    বিষয়টি জানার পর পরই জগদ্দলের বিধায়ক সেমনাথ শ্যাম ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, আমি এলাকায় কোনও অশান্তি ছড়াতে দেব না। কাউন্সিলরকে গালিগালাজ করা ঠিক নয়। আমার জগদ্দল এলাকায় এসব চলবে না। আর কেউ খুন করার হুমকি দিয়ে থাকলে তা ঠিক করেনি।  সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি”, দলের চেয়ারম্যানকে তোপ হুমায়ুনের

    Murshidabad: “চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি”, দলের চেয়ারম্যানকে তোপ হুমায়ুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটতেই ফের দলের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন মু্র্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এতদিন ভোটের আগে ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। এবার তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন রেজিনগরের বিধায়ক তথা জেলার চেয়ারম্যান রবিউল আলম চৌধুরী। হুমায়ুনের বক্তব্য সামনে আসতেই তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি (Murshidabad)

    এমনিতেই বহরমপুর (Murshidabad) লোকসভায় ইউসুফ পাঠান প্রার্থী হতেই দলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। প্রার্থীর হয়ে খাটবেন না বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। যদিও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ তাঁর মুখ বন্ধ করা সম্ভব হয়। এরপর ভোটপর্বে ‘লক্ষ্মীছেলে’ হয়েই থেকেছেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দল বিড়ম্বনায় পরে, এমন কোনও কথা তাঁর মুখে অন্তত ভোটপর্বে শোনা যায়নি। তবে, ভোট মিটতেই আবারও দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন হুমায়ুন। হুমায়ুন বলেন, “ইউসুফকে জেতাতে আমাকে অনেক বাধা বিপত্তি পার করতে হয়েছে। জেলার সভাপতি বা জেলার যে নেতাদের হাতে ভোট পরিচালনার দায়িত্ব ছিল, তাঁরা আমার এলাকায় প্রচারে পর্যন্ত আসতে দেননি ইউসুফকে। একদিন আনা হয়, তাও ভরদুপুরে। আমার যে বিধায়ক, যিনি দলের চেয়ারম্যান হয়ে বসে আছেন, তিনি পর্যন্ত আমাদের মতো লোককে একদিনও বলেননি ইউসুফ পাঠানের হয়ে ভোটটা করতে হবে। এমনকী একদিন আসা বা কোনওভাবে সহযোগিতা করা, চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি। আমি নিজে যতটুকু পেরেছি, কর্মীদের পাশে থেকে তাঁদের সহযোগিতা করে কাজ করেছি।”

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    দলে প্রচুর প্রতিদ্বন্দ্বী আমার!

    হুমায়ুন আরও বলেন, “আমি অনেক পোড় খাওয়া রাজনীতির লোক। তাই মেনে নিয়েছি। ২০১২ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে আসি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে স্নেহ করেন, বকাঝকাও করেন। তবে, আমি মনে করি শাসন করার অধিকার তারই থাকে যিনি স্নেহও করেন। দলের মধ্যেও আমার প্রচুর প্রতিদ্বন্দ্বী আছে। তাঁরা চান না হুমায়ুন কবীর সম্মান নিয়ে দলে থাকুন। আমার ভোট করতে গিয়ে যেটা মনে হয়েছে, সেটাই বললাম।”

  • Murshidabad: ভোটের পর মুর্শিদাবাদে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব, রক্ত ঝরল তৃণমূল কর্মীর

    Murshidabad: ভোটের পর মুর্শিদাবাদে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব, রক্ত ঝরল তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বের হওয়ার পর দলীয় কর্মীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভার জলঙ্গি এলাকায়। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর নাম আন্তাজুল শেখ। তিনি জলঙ্গির হরিভক্তপুর এলাকার তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হিসাবে পরিচিত। এই ঘটনায় তৃণমূলের আদি এবং নব্য তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আক্রান্তের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    শনিবার জলঙ্গির (Murshidabad) হরিভক্তপুর এলাকায় সকাল ৯টা নাগাদ বাজার করতে বেরিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী আন্তাজুল শেখ। হাসপাতাল মোড়ের কাছে তাঁকে টোটো থেকে নামিয়ে আচমকাই মারধর শুরু করেন তৃণমূলের কয়েক জন। বাঁশ এবং লাঠি দিয়ে পেটানো হয় তাঁকে। মারের চোটে মাথা ফাটে তাঁর। মুর্শিদাবাদ লোকসভার তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দেননি ওই কর্মী। এই সন্দেহের বশে ভরা বাজারে তাঁকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে দলের অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর বক্তব্য, সিপিএম ছেড়ে সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া কয়েক জন আমার ওপর হামলা করেছেন। আমরা পুরানো তৃণমূল কর্মী। আমরা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছি কি না, সন্দেহ করে ওরা হামলা চালিয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রসঙ্গত, জলঙ্গি বিধানসভা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে বিধায়ক গোষ্ঠী বনাম ব্লক সভাপতির গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব চলছে। লোকসভা নির্বাচনের মুখে ব্লক সভাপতির নেতৃত্বে বেশ কয়েক জন বামকর্মী তৃণমূলে যোগ দেন। এই নব্য তৃণমূলীরাই হামলা চালিয়েছে।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের (Murshidabad) তৃণমূলের প্রধান মহবুল ইসলাম বলেন, দুপক্ষই আমাদের দলের কর্মী। কোনও ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে, দলে কোনও কোন্দল নেই। আমরা দুপক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে সমস্যা মিটিয়ে ফেলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “আপনাকে যতটা চেনার আমি চিনতে পেরেছি”, প্রসূণকে তোপ মনোজের, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Howrah: “আপনাকে যতটা চেনার আমি চিনতে পেরেছি”, প্রসূণকে তোপ মনোজের, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটে জয়ী হওয়ার পরও হাওড়ায় (Howrah) তৃণমূলের কোন্দল থামছে না। আর আক্রমণের তির এবারও সেই সদ্য জয়ী তৃণমূল সাংসদ প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। ভোট মিটতেই এবার শিবপুর কেন্দ্রের বিধায়ক মনোজ তেওয়ারির রোষের মুখে পড়তে হল তাঁকে। আর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের ঘরোয়া দ্বন্দ্ব একাবারে সামনে চলে এসেছে।

    ঠিক কী বলেছেন মনোজ তেওয়ারি? (Howrah)

    লোকসভা নির্বাচনের সময় প্রচারে গিয়ে আদি তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল হাওড়া (Howrah) লোকসভা কেন্দ্রের জয়ী তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবার দলীয় বিধায়কের রোষের মুখে পড়তে হল তাঁকে। তৃণমূল বিধায়ক মনোজ তেওয়ারি বলেন, ভোটের সময় আমরা প্রসূনকে জেতাতে যথেষ্ট সহায়তা করেছিলাম। কিন্তু, নির্বাচন মিটতেই আর নাকি যোগাযোগ রাখেননি হবু সাংসদ। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন মনোজ। তাতে তিনি বলেন, “প্রসূনদা আপনি ফোন বন্ধ রেখেছেন। ৮ তারিখ হয়ে গেল একটা ফোন এল না। এটা ঠিক করলেন না। যতটা সম্মান করতাম আর হয়ত করতে পারবো না। আপনাকে যতটা চেনার আমি চিনতে পেরেছি।” প্রসঙ্গত, এই নিয়ে চতুর্থবার হাওড়া সদর কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেছেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, নির্বাচনী প্রচারের প্রথম দিন থেকেই তাঁকে ঘিরে তৃণমূল কর্মী- সমর্থকদের একাংশের অভিযোগ ছিল, এলাকায় দেখা যায় না প্রসূনকে। এই নিয়ে বিক্ষোভের মুখেও পড়েছিলেন তিনি। প্রার্থীকে নিয়ে দলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভও ছিল। মনোজ তিওয়ারি আরও বলেন, এই সব কিছু উপেক্ষা করেই আমি ও আমার কর্মী-সমর্থকরা প্রসূনদাকে জেতাতে দিনরাত এক করে প্রচার করেছিলাম। ২০১৯ এর তুলনায় অনেক বেশি ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন তিনি। এমনকী, শিবপুর কেন্দ্র থেকেও এবারে ভোটের মার্জিন অনেকটাই বেশি রয়েছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর থেকে ভাবী সাংসদের পক্ষ থেকে আর যোগাযোগ করা হয়নি আমার সঙ্গে। পরিবর্তে তৃণমূল সাংসদ তাঁদের বেশি সময় দিচ্ছেন যাঁরা নির্বাচনের আগে তাঁর বিরোধিতা করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা (Howrah) তৃণমূলের এক নেতা বলেন, বিষয়টি কী হয়েছে তা জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আর সাংসদ প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি। তবে, দলীয় বিধায়কের এই ভিডিও বার্তা শাসক দল বেশ কিছুটা চাপে রয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন মিটতেই ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সালার এলাকা। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা মহম্মদ আজাহারউদ্দিন ওরফে সিজারের বাড়িতে বোমাবাজি করার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, তৃণমূলের ভরতপুর-২ ব্লকের সভাপতির অনুগামীরা ওই বোমাবাজি করেছে। আর ভোট মিটতেই দলীয় নেতার ওপর ব্লক সভাপতির লোকজনের এই বোমাবাজি করার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী! (Murshidabad)

    সিজার তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর-২ ব্লক (Murshidabad) প্রাক্তন সভাপতি। বর্তমানে তিনি তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। শনিবার সাত সকালে সালার থানার উজুনিয়া গ্রামে বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর-২ ব্লক প্রাক্তন সভাপতি মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী বোমাবাজি শুরু করে। সেই সময় তৃণমূল নেতার বাড়ির লোকজন তালাবন্ধ করে ভিতরেই থেকে যায়। বোমাবাজির খবর পেয়ে সালার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় বোমার আঘাতে এক পুলিশকর্মী জখম হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শাসকদলের ব্লক সভাপতি অত্যাচারে প্রাণ নাশের আশঙ্কায় আতঙ্কিত প্রাক্তন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা আজহারউদ্দিন সিজার। ইতিমধ্যেই তিনি থানায় অভিযোগ জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের গরম, কলকাতার পারদ ছুঁল ৩৮ ডিগ্রি! কবে বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    ব্লক সভাপতি আমাকে খুন করার চেষ্টা করছে

    তৃণমূল নেতা সিজার (Murshidabad) বলেন, ভোট মিটতেই পরিকল্পিতভাবেই দলের ব্লক সভাপতি আমাকে খুন করার ছক কষেছে। ও নিজেকে একজন খুনের মামলায় অভিযুক্ত। দুষ্কৃতীদের দিয়ে এসব করেছে। যে ভাবে আমার বাড়িতে হামলা হয়েছে, তাতে আমাকে খুন করা ব্লক সভাপতির উদ্দেশ্য তা পরিষ্কার। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    অভিযুক্ত ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, সিজার সব সময় দুষ্কৃতীদের নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। গ্রামের কোনও বিষয় নিয়ে গন্ডগোল হয়েছে। তারপরই এসব বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের সামনেই হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনওভাবেই জড়িত নই। সবটাই মিথ্যা অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: দলীয় প্রার্থী প্রসূনকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের, ভোটের মুখে কোন্দল প্রকাশ্যে

    Howrah: দলীয় প্রার্থী প্রসূনকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের, ভোটের মুখে কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে হাওড়ায় (Howrah) তৃণমূলের কঙ্কালসার চেহারা আবার প্রকাশ্যে চলে এল। সোমবার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কার্যত বিক্ষোভের মুখে পড়লেন হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। হুডখোলা জিপে প্রচার করার সময় পুরনো কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এতেই ধৈর্য হারান তিনি। আর ভোটের মুখে এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার হাওড়া (Howrah) এলাকায় প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় হুডখোলা জিপে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে ছিল। প্রচার চলাকালীন সেই সময় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী তৃণমূল প্রার্থীর দিকে এগিয়ে যান। জগৎ দাস নামে এক তৃণমূল কর্মী বলেন, “১৯৯৮ সাল থেকে আমরা দুলাল সেনের নেতৃত্বে পার্টিটা করি। আমরা এতদিন ধরে পার্টি করে আসছি। বিক্রম সরকারকে আমরা জিতিয়েছি। প্রসূনবাবুকেও তিনবার জিতিয়েছি। হঠাৎ এই পুরনো টিমটাকেই বাদ দিয়ে দিল। নতুন নতুন ছেলে মনোজ তিওয়ারির মতো লোকজন এসেছে। এরা আমাদের বাদ দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও বুথ স্লিপ আসেনি। এটা বিরোধিতা নয়। আপনাদের অ্যাটেনশনের জন্য বলছি। এভাবে চলতে থাকলে কর্মীরা বসে যাবে। দলীয় প্রার্থীকে জেতানোর উৎসাহ হারিয়ে যাবে।” অবিলম্বে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার তাঁরা আর্জি জানান। তবে, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু, বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের ক্ষোভ একটুও কমেনি।

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর, রাস্তা অবরোধ, আসানসোলে শাসক দলের দাপাদাপি

    বিজেপি প্রার্থী ঘটনার তীব্র কটাক্ষ করেন

    হাওড়া (Howrah) সদরের বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী এই ঘটনার তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “যেভাবে শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় তোলাবাজি সহ নানা ধরনের কাটমানির খেলা চলছে। তাতে মন্ত্রী এবং সাংসদ দুজনেই দায়ী। সাংসদ এবং মন্ত্রী দুজনেই দুর্নীতিতে যুক্ত। আজ মানুষ ক্ষোভ চেপে রাখতে না পেরে তারা বিক্ষোভ দেখান। ভোট যত এগিয়ে আসবে এই ঘটনা তত বাড়বে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share