Tag: tmc leader

tmc leader

  • Ex TMC MLA: ক্যানিংয়ে সরকারি জমি দখল করে ক্যাফে, তৃণমূলের ইমরান মোল্লার ‘ব্যবসা কেন্দ্রে’ বুলডোজার অভিযান

    Ex TMC MLA: ক্যানিংয়ে সরকারি জমি দখল করে ক্যাফে, তৃণমূলের ইমরান মোল্লার ‘ব্যবসা কেন্দ্রে’ বুলডোজার অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের মৌখালিতে সরকারি জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল ক্যাফে। এই অভিযোগে ক্যাফে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন (Matla River Encroachment)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বুলডোজার দিয়ে ‘অরণ্যের কূলে’ নামের ওই ক্যাফের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। ক্যাফেটির মালিকানা রয়েছে তৃণমূল নেতা তথা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার নামে (Ex TMC MLA)।

    গড়াগড়ি খাচ্ছে ইমরানের সাধের ক্যাফে (Ex TMC MLA)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, মৌখালি সেতুর কাছাকাছি মাতলা নদীর চর এবং সেচ দফতরের জমির ওপর অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল ক্যাফেটি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট দফতর বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারপরেই নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে জারি করা হয় নোটিশ। শেষমেশ ভেঙে দুরমুশ করে দেওয়া সরকারি জমি দখল করে গড়ে তোলা ব্যবসার কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন ইমরানকে ক্যাফের বৈধ নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য মহকুমাশাসকের দফতরে ডাকা হয়েছিল। প্রশাসনের দাবি, জমা পড়া নথি যাচাই করে দেখা যায়, ক্যাফে নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনের কোনও বৈধ প্রমাণ মেলেনি। সরকারি জমি দখলের অভিযোগও প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। এরপরই জারি করা হয় ক্যাফে ভাঙার নির্দেশ।

    বুলডোজার অভিযান

    ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় এনআইএর হাতে শওকত গ্রেফতার হওয়ার পর তদন্তের সূত্র ধরেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জমির নথি ও নির্মাণের বৈধতা খতিয়ে দেখা হয় (Ex TMC MLA)। অভিযান চলাকালীন এলাকায় যাতে অপ্রীতিকর কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, তাই ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার। বুলডোজার অভিযান চলাকালীন সময়ে ঘটনাস্থলে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ক্যানিং মহকুমা পুলিশের আধিকারিক, জীবনতলা থানার কর্তারা এবং প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিক। মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রচুর জওয়ানকে।

    অবৈধ জমির ওপর কারবার!

    ক্যাফে ভাঙার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিতে ব্যবসা চললেও, এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই সময় যত গড়িয়েছে, ততই ফুলে ফেঁপে উঠেছে অবৈধ জমির ওপর গড়ে তোলা কারবার। প্রশাসনের দাবি, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই আইন অনুযায়ী এই (Matla River Encroachment) পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ক্যাফে ভাঙার কাজ শেষ হওয়ার পর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়াও (Ex TMC MLA)।

  • Jahangir Khan: জাহাঙ্গির-রেজিনার নামে ৬০টিরও বেশি সম্পত্তির হদিশ, মালিকানার উৎস খতিয়ে দেখছে সিট

    Jahangir Khan: জাহাঙ্গির-রেজিনার নামে ৬০টিরও বেশি সম্পত্তির হদিশ, মালিকানার উৎস খতিয়ে দেখছে সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফলতার একদা দাপুটে তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan) এবং তাঁর স্ত্রী রেজিনা বিবি ওরফে সারিকা বিবির নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছে পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল, সংক্ষেপে সিট। তদন্তকারী দল সূত্রে খবর, এ পর্যন্ত অন্তত ৬০টি সম্পত্তির দলিল (Property Deeds) উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে জমি, ফ্ল্যাট এবং আবাসন-সহ একাধিক স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এই সম্পত্তিগুলি কীভাবে জাহাঙ্গির ও তাঁর স্ত্রীর নামে হয়েছে এবং কেনাবেচার ক্ষেত্রে অর্থের উৎস কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রতিটি সম্পত্তির প্রকৃত মালিকানা, ক্রয়মূল্য, পূর্ববর্তী মালিক এবং লেনদেন সংক্রান্ত নথি যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আর্থিক লেনদেনের সম্পূর্ণ তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। তদন্তকারীদের মতে, উদ্ধার হওয়া দলিলগুলি মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Jahangir Khan)

    বর্তমানে জাহাঙ্গির এবং তাঁর স্ত্রী রেজিনা দু’জনেই পৃথক মামলায় গ্রেফতার। জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, ভয় দেখানো-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আর, স্বামীকে পুলিশের হাত থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে থানায় অশান্তি করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন রেজিনা। জাহাঙ্গির বর্তমানে রয়েছেন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে, তাঁর স্ত্রী পুলিশি হেফাজতে। জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি গড়ে তোলা এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা বিধান পাড়ুই। একই অভিযোগ পুলিশ সুপার এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই জাহাঙ্গির এবং তাঁর পরিবারের সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার উৎস নিয়ে উঠেছে গুচ্ছের প্রশ্ন (Jahangir Khan)।

    জাহাঙ্গিরের উত্থানের শুরু

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনীতিতে জাহাঙ্গিরের উত্থানের শুরু ২০১৩ সালে। ওই বছর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি বেলসিংহা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। পরে হন ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। ২০২৩ সালের পর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণও বেড়েছে রকেটের মতো গতিতে।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ফলতায় তৃণমূল প্রার্থী করেছিল জাহাঙ্গিরকে। নির্বাচনের দিন অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। তবে পুনর্নির্বাচনের আগে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর একাধিক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হন। গ্রেফতারি এড়াতে নেপালের দিকে পালিচ্ছিলেন। যদিও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, উদ্ধার হওয়া সমস্ত নথি (Property Deeds) খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য, মালিকানা এবং অর্থের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ (Jahangir Khan)।

     

  • Sabyasachi Dutta: পার্থর পরে সব্যসাচী! ধৃত তৃণমূল নেতার বান্ধবীর বাড়ি থেকে উদ্ধার কেজি কেজি সোনা

    Sabyasachi Dutta: পার্থর পরে সব্যসাচী! ধৃত তৃণমূল নেতার বান্ধবীর বাড়ি থেকে উদ্ধার কেজি কেজি সোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা নগদের পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছিল পাঁচ কিলো সোনা! চার বছর পরে তারই একটি ঝলক দেখা গেল রাজ্যে। এবার সল্টলেকের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সব্যসাচী দত্তের (Sabyasachi Dutta) বান্ধবীর বাড়িতে বিপুল সোনার খোঁজ পেল পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে সব্যসাচীকে নিয়ে নদীয়ার করিমপুরের কিশোরপুরে টিনা ভৌমিক সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালায় বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, সেখানে মোট ৩ থেকে সাড়ে তিন কিলো সোনার গয়না মিলেছে। যার বাজার মূল্য কোটি টাকার উপরে। ইতিমধ্য়েই সামনে এসেছে উদ্ধার হওয়া সোনার ছবি।

    কীভাবে নজরে এল সোনা

    গত ৮ জুন তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হন সব্যসাচী দত্ত। আজ, মঙ্গলবার তাঁর পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর এরই মধ্য়ে নতুন তথ্য সামনে এল। জানা গিয়েছে, সব্যসাচীকে সঙ্গে নিয়ে নদিয়ার তেহট্ট ও করিমপুরে তল্লাশি চালায় বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। তল্লাশি চলে তৃণমূল নেত্রী তথা সব্যসাচী ঘনিষ্ঠ টিনা ভৌমিক সাহার বাপের বাড়ি ও শ্বশুর বাড়িতে। পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্তে উঠে এসেছে যে সব্যসাচীর টাকাতেই ওই সোনা কিনে রাখা ছিল টিনার বাড়িতে। উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই ধৃত সব্যসাচীর বাড়ি থেকে ৫০ কেজি সোনা কেনার রশিদ মিলেছে। তারপরই শুরু হয় তল্লাশি। টিনার দুই বাড়ি থেকে তিন কেজি অর্থাৎ ৪ কোটি টাকা বেশি মূল্যের সোনা উদ্ধার করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শাঁখা বাঁধানো, পলা বাঁধানো, চওড়া হার, চুড়ি, লকেট, চূড় সবই রয়েছে। এছাড়াও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু জমির কাগজপত্র। বৃহস্পতিবার টিনাকে বিধাননগর থানায় সশরীরে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয়।

    তৃণমূল জেলা পরিষদের সদস্য টিনা

    নদিয়া তৃণমূল জেলা পরিষদের সদস্য টিনা সাহা ভৌমিক। এছাড়া নদিয়া জেলায় তৃণমূলের বঙ্গজননীর সভানেত্রী ছিলেন তিনি। সব্যসাচীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে জানা যায়। বিধায়ক তাপস সাহার সঙ্গে টিনার দ্বন্দ্ব ছিল বলেও চর্চা রয়েছে। বিধায়কের অভিযোগ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বেশ কয়েকজনকে চাকরি দিয়েছিলেন এই টিনা। তৃণমূল নেত্রীর দাবি, রাজনৈতিক কারণে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। রাজনৈতিক সম্পর্ক ছাড়া সব্যসাচী দত্তর সঙ্গে তাঁদের আর কোনও সম্পর্ক নেই। ২০২৫ সালে পরিচয় বলে জানান টিনা। বার চারেক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়েছেন সব্যসাচী দত্ত। টিনার অভিযোগ, তাঁর মা, ভাইয়ের স্ত্রী সহ পরিবারের সাত মহিলার সব গয়না বাজেয়াপ্ত করেছে। তিনি আইনি পথে হাঁটবেন।

    রাতভর তল্লাশি, কী বলছে পুলিশ

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাতভর তল্লাশি অভিযান চালিয়ে টিনার বাড়ি থেকে তিন কেজি সোনার গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, যে বাড়ি থেকে সোনা উদ্ধার হয়েছে, সেটি টিনার বাবা কাঞ্চন ভৌমিকের। সোমবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ ওই বাড়িতে যায় বিধাননগর উত্তর এবং করিমপুর থানার পুলিশের একটি দল। ওই দলে ছিলেন ৭ জন পুলিশ আধিকারিক। ২১ জন পুলিশকর্মী গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেন। রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ একটি লাল স্করপিও গাড়িতে করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় সব্যসাচীকে। এত পরিমাণ সোনা কিভাবে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তের নিউটাউনের ফ্ল্যাট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার সোনা কেনার রসিদ পেয়েছিল পুলিশ। মোট কত টাকার সোনা কিনেছেন, সেই টাকার উৎস কী, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাঁর ফ্ল্যাট থেকে ৭০-৮০ গ্রাম সোনার গয়নাও উদ্ধার হয়। এরাব বিপুল সোনা মিলল তাঁর বান্ধবীর বাড়ি থেকে।

    তোলাবাজির টাকা দিয়ে সোনা কিনতেন সব্যসাচী

    গত ৮ জুন তোলাবাজির অভিযোগে সব্যসাচীকে গ্রেফতার করেছিল বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। তার পর তৃণমূল নেতাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। এর আগে সব্যসাচীর রাজারহাটের ফ্ল্যাট এবং ব্যাঙ্কের লকার মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কেজি সোনার সন্ধান পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন যে, তোলাবাজির টাকা দিয়ে সোনা কিনে রাখতেন সব্যসাচী। এর আগে সব্যসাচী এবং তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রানী দত্তের পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত (ফ্রিজ়) করেছে পুলিশ। পুলিশের তরফে জানানো হয়, ওই পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, মেয়াদি আমানত (ফিক্সড ডিপোজ়িট), নগদ মিলিয়ে ৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই বিপুল টাকার উৎস কী, তা জানতে তথ্য জোগাড় করছে পুলিশ।

    টিনার সব সম্পত্তি খতিয়ে দেখার আর্জি

    তোলাবাজি সংক্রান্ত মামলায় এর আগে সব্যসাচী-‘ঘনিষ্ঠ’ টিনাকে তলব করেছিল পুলিশ। কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। তার মধ্যে তাঁর পৈতৃক বাড়়িতে তল্লাশি অভিযান চালাল পুলিশ। টিনার বাবা কাঞ্চন নাজিরপুর বাজারে একটি কাপড়ের দোকান চালান। স্থানীয়দের দাবি, এই বিপুল সোনার মালিক টিনা। যদিও এই বিষয়ে টিনার বক্তব্য জানা যায়নি। তবে কাঞ্চন বলেন, “এগুলি আমাদের পরিবারের গয়না। এর মধ্যে মেয়ের কিছু গয়না থাকলেও থাকতে পারে। সেটা ওর মা ভাল বলতে পারবে।” এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতা সৌমেন সরকার বলেন, “সব্যসাচীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন টিনা। শুধুমাত্র সোনা নয়, নদিয়ার নাজিরপুর এলাকা জুড়ে তাঁর বিপুল সম্পত্তি আছে। কলকাতায় চারটি ফ্ল্যাট আছে। সব বিষয়সম্পত্তি তদন্তের আওতায় এনে খতিয়ে দেখা হোক।”

  • Jahangir Khan: মানুষকে ভয়মুক্ত করতে ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গিরকে হাফ প্যান্টে হাঁটিয়ে আদালতে নিয়ে গেল পুলিশ

    Jahangir Khan: মানুষকে ভয়মুক্ত করতে ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গিরকে হাফ প্যান্টে হাঁটিয়ে আদালতে নিয়ে গেল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ধৃত ডায়মন্ড হারবারের ১ নম্বর ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি জাহাঙ্গির খানকে (Jahangir Khan) নিয়ে চরম চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ তাঁকে হাফ প্যান্ট ও গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় হেঁটে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় একটি বিতর্কিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফলতার (Falta) একজন কুখ্যাত এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাকে এই অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই তীব্র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। সমর্থকদের চেয়ে বিরোধীমহলে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

    পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ (Jahangir Khan)

    গত শনিবার রাতে ডায়মন্ড হারবার স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পুলিশি অভিযানের সময় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের ওপর চড়াও হওয়া, সরকারি গাড়ি ভাঙচুর এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জাহাঙ্গির খান (Falta) ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে জাহাঙ্গির সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে। এরপর রবিবার ধৃত তৃণমূল নেতাকে ডায়মন্ড হারবার আদালতে পেশ করার সময় এক নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা যায়। সাধারণত নিরাপত্তা ও আইনি প্রক্রিয়ার খাতিরে ধৃতদের পুলিশের গাড়িতে করে আদালতে নিয়ে যাওয়া হলেও, জাহাঙ্গির খানের (Jahangir Khan) ক্ষেত্রে পুলিশ তাঁকে থানা থেকে আদালত পর্যন্ত হেঁটে নিয়ে যায়। সেই সময় তাঁর পরনে ছিল একটি সাধারণ হাফ প্যান্ট এবং গেঞ্জি। ফলতার (Falta) নেতা গ্রেফতার হতেই ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে।

    আইন সবার জন্য সমান

    এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিরোধীদের একাংশের মতে, আইন সবার জন্য সমান এবং অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী পুলিশ পদক্ষেপ করেছে। বিজেপির অবশ্য দাবি, এইরকম দাগি দুষ্কৃতীকে প্রকাশ্যে এনে ভয় দেখানোর পরিবেশ থেকে জনসাধারণকে মুক্ত করাই একমাত্র কাজ। অন্যদিকে, একজন ব্লক স্তরের প্রথম সারির রাজনৈতিক নেতাকে প্রকাশ্য রাস্তায় এভাবে নিয়ে যাওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত (Jahangir Khan) বা এর পেছনে কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে দলের অন্দরে ও বাইরে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বিশেষ কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ঘটনার জেরে ডায়মন্ড হারবার এলাকায় (Falta) রাজনৈতিক উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকেতনে’ গেলেন ইডি আধিকারিকরা, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব

    Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকেতনে’ গেলেন ইডি আধিকারিকরা, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (Teacher Recruitment Scam) তদন্তে ফের বড়সড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বুধবার বিকেলে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দক্ষিণ কলকাতার বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ হাজির হন ইডি আধিকারিকরা। তবে সে সময় অভিষেক বাড়িতে ছিলেন না; তিনি কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তদন্তকারীরা কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সুরক্ষাকর্মীদের মাধ্যমে সমনের নোটিসটি দিয়ে আসেন।

    রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে কেন্দ্রীয় তৎপরতা (Abhishek Banerjee)

    বুধবার দিনভর রাজ্য রাজনীতি উত্তাল ছিল বিধানসভার অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও ৫৮ জন বিধায়কের স্বাক্ষর সহ চিঠি এবং নতুন বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বর সরগরম হয়ে ওঠে। এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) মিলে দলের সমস্ত রাজ্য কমিটি ও শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই সাংগঠনিক রদবদলের পর্যালোচনার জন্য বিকেল গড়াতেই কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছান অভিষেক। ঠিক তার পরপরই বিকেল ৫টা নাগাদ ইডির দু’জন উচ্চপদস্থ আধিকারিক একটি ফাইল হাতে অভিষেকের বাসভবনে পৌঁছান এবং সেখানে তাঁকে না পেয়ে কালীঘাটের ঠিকানায় গিয়ে সমন (Teacher Recruitment Scam) দিয়ে আসেন।

    সিআইডি বনাম অভিষেক স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলা ও আইনি লড়াই

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Teacher Recruitment Scam) ইডির এই নতুন সমনের সমান্তরালে, রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)-র সঙ্গেও অভিষেকের একটি মামলা পিছু ছাড়ছে না। তবে মনে করা হচ্ছে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংক্রান্ত নথিপত্র এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই ইডি ফের নতুন করে এই সমন পাঠিয়েছে। তবে এই কেন্দ্রীয় তৎপরতা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা অভিষেকের শিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও রকম প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

    সিআইডি-র তলব ও হাজিরা এড়ানো

    বিধানসভায় জমা পড়া একটি চিঠিতে বিধায়কদের সই জালিয়াতির অভিযোগে গত সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনের সিআইডি সদর দফতর সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে তিনি সেই হাজিরা এড়িয়ে যান এবং পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৫ দিনের সময় চেয়ে লিখিত আবেদন করেন।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক

    সিআইডি-র এই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হয়। আইনজীবীর দাবি, সিআইডি-র এই নোটিস আইনত বৈধ নয়, তাই এটি খারিজ করা হোক। আদালত মামলা দায়েরের (Teacher Recruitment Scam) অনুমতি দিয়েছে এবং আগামী ৫ জুন এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত

    বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচন সংক্রান্ত একটি চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। স্বাক্ষর জালিয়াতির এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিধানসভার পক্ষ থেকে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, যার তদন্তভার বর্তমানে সিআইডি-র হাতে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তের আতসকাচে অভিষেক

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর পরিবারকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিক মামলায় (Teacher Recruitment Scam) তাঁকে ও তাঁর সংস্থাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

  • Jay Prakash Majumdar: এবার পুলিশের জালে জয়প্রকাশ মজুমদার, ১৪ বছর ধরে ফ্ল্যাট জবরদখল ও বৃদ্ধা মালকিনকে হুমকির অভিযোগ

    Jay Prakash Majumdar: এবার পুলিশের জালে জয়প্রকাশ মজুমদার, ১৪ বছর ধরে ফ্ল্যাট জবরদখল ও বৃদ্ধা মালকিনকে হুমকির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিদায়ী শাসকদলের প্রভাবশালী নেতাদের আইনি বিপাকে পড়ার ধারা অব্যাহত। এবার ফ্ল্যাট জবরদখল, বৃদ্ধা মালকিনকে কটূক্তি ও হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল (Tmc Leader) নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। বুধবার সল্টলেকের বিধাননগর এলাকার একটি আবাসনকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানে জয়প্রকাশকে (Jay Prakash Majumdar) ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমে তাঁকে আটক করে এবং পরে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট ও দীর্ঘস্থায়ী আবাসন বিতর্ক (Jay Prakash Majumdar)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই আইনি বিরোধের সূত্রপাত প্রায় এক দশক আগে। মামলার বিবরণ নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো-

    • ● ভাড়ার চুক্তি: ২০১২ সালে বিধাননগরের এই-৩৩৭ নম্বর ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন জয়প্রকাশ মজুমদার। ফ্ল্যাটটির মূল মালকিন আরতি রায়চৌধুরী নামের এক বৃদ্ধা।
    • ● চুক্তির মেয়াদোত্তীর্ণ: ২০১৫ সালে ওই ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। অভিযোগ, এরপর দীর্ঘ ৯ বছর কেটে গেলেও জয়প্রকাশ নতুন কোনো চুক্তি করেননি বা পুরনো চুক্তির নবীকরণও করাননি।
    • ● আইনি নোটিস অমান্য: ফ্ল্যাটের মালকিন আরতি রায়চৌধুরী তাঁকে একাধিকবার আইনি নোটিস পাঠিয়ে ফ্ল্যাটটি খালি করে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, বিদায়ী শাসকদলের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় জয়প্রকাশ সেই নোটিসে কর্ণপাত করেননি; উল্টো বৃদ্ধা মালকিনকে কটূক্তি ও হুমকি দেওয়া হয়।

    রাজনৈতিক পটভূমি

    তৃণমূল কংগ্রেস (Tmc Leader) ক্ষমতায় থাকাকালীন জয়প্রকাশ মজুমদারের রাজনৈতিক দাপটের কারণে আরতি রায়চৌধুরীর পরিবার আইনি পথে লড়াই করেও ফ্ল্যাটটি উদ্ধার করতে পারেনি। তবে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটেছে এবং বিজেপি প্রথমবার সরকার গঠন করেছে। এই ক্ষমতার পালাবদলের পরেই আরতি রায়চৌধুরীর পরিবার নিজেদের সম্পত্তি ফিরে পেতে নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠে।

    বুধবারের উত্তেজনা ও গ্রেফতারি

    কয়েক দিন আগেই আরতি রায়চৌধুরী কিছু অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে যান। সে সময় জয়প্রকাশ (Jay Prakash Majumdar) বাড়িতে না থাকায় তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বচসা হয় এবং আরতিদেবী জয়প্রকাশের স্ত্রীকে চড় মারেন বলেও একটি পাল্টা অভিযোগ ওঠে। এর রেশ ধরে বুধবার পুনরায় ওই ফ্ল্যাটের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে জড়ো হন বেশ কিছু মানুষ। দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, বিক্ষোভকারীদের ওপর জয়প্রকাশ মজুমদার চড়াও হন এবং হাত তোলেন। ঘটনার খবর পেয়েই বিধাননগর উত্তর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌঁছায়। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝখান থেকেই জয়প্রকাশকে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ফ্ল্যাট জবরদখল ও হুমকির অপরাধে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

  • South 24 Parganas: ক্যানিংয়ে হাসপাতালের ওটি থেকে তৃণমূল নেতার প্রচুর পরিমাণে টাকা, সোনা উদ্ধার, কীভাবে পৌঁছল?

    South 24 Parganas: ক্যানিংয়ে হাসপাতালের ওটি থেকে তৃণমূল নেতার প্রচুর পরিমাণে টাকা, সোনা উদ্ধার, কীভাবে পৌঁছল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিং পূর্বের মঠেরদিঘি গ্রামীণ হাসপাতালে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনায় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করেছে পুলিশ। হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের (OT) ভেতর থেকে একটি সুটকেস উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।  যার কাছে এই টাকা উদ্ধার হয়েছে তিনি তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ হোসেন গাজি (TMC Leader) বলে জানা গিয়েছে।

    সুটকেসটি তল্লাশি করে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার (South 24 Parganas)

    নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে একটি পরিত্যক্ত সুটকেস লক্ষ্য করা যায়। খবর পেয়ে জীবনতলা (South 24 Parganas) থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সুটকেসটি তল্লাশি করে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা নগদ, প্রচুর পরিমাণে স্বর্ণালঙ্কার, বেশ কিছু আধার কার্ড এবং একটি গাড়ির চাবি উদ্ধার করে। সরকারি হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল স্থানে কীভাবে এই বিপুল সম্পত্তি পৌঁছাল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রাথমিক তদন্ত ও চিকিৎসককে আটক

    হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শাহরুখ হোসেন বলেন, “স্থানীয় তৃণমূল বুথ সভাপতির সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক থাকার সুবাদে সভাপতির ছেলেই এই ব্যাগটি আমার কাছে রেখে গিয়েছিলেন।” বিজেপির দাবি, ডাক্তার শাহরুখ হোসেন এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত অত্যন্ত প্রভাবশালী চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। তিনি হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজের চেয়ে তৃণমূল নেতাদের নির্দেশ পালনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন।

    পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালেরই (South 24 Parganas) এক অ্যাম্বুলেন্স চালক ওই সুটকেসটি সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের এক চিকিৎসকের জিম্মায় রাখতে দিয়েছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসককে আটক করেছে। সংশ্লিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স চালককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক সংযোগ ও অভিযোগ

    বিজেপির অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া এই বিপুল সম্পত্তি স্থানীয় এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ হোসেন গাজির। ভোটের ফল প্রকাশের পর লুটের আশঙ্কায় বা আইনি জটিলতা এড়াতে ওই নেতা তাঁর ঘনিষ্ঠ লোকজনের মাধ্যমে হাসপাতালের নিরাপদ স্থানে সম্পদ গচ্ছিত রেখেছিলেন। বর্তমানে ওই তৃণমূল নেতা (TMC Leader) এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা (South 24 Parganas) হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থের উৎস এবং এর নেপথ্যে কাদের হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব দ্রুত এই রহস্যের কিনারা করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।

  • Birbhum News: নয়ডায় ভুয়ো থানা খুলে শ্রীঘরে একদা অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা, নাম জড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতিতেও

    Birbhum News: নয়ডায় ভুয়ো থানা খুলে শ্রীঘরে একদা অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা, নাম জড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতিতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum News) বিভাস অধিকারী ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাঁর নাম জড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতিতে। এবার উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় আস্ত একটা ভুয়ো থানা খোলার জন্য গ্রেফতার করা হল বীরভূমের এই প্রাক্তন তৃণমূল নেতাকে (Bivas Adhikari)। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে আরও পাঁচজনকে। রয়েছে তাঁর ছেলেও। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে নয়ডায় একটা অফিস খুলে প্রতারণা চালাচ্ছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা। একদা তৃণমূল নেতার এই অফিসের সামনে বোর্ড লাগানো ছিল ‘ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অ্যান্ড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’।

    ভুয়ো আধিকারিক সেজে লোকের কাছে টাকা তুলত (Birbhum News)

    শুধু তাই নয়, লোকজনকে তাঁরা আন্তর্জাতিক তদন্তকারী সংস্থার অফিসার হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সে ক্ষেত্রে তৈরি করা হয়েছিল ভুয়ো পরিচয়পত্র। কী না হত না! পুলিশ অফিসার, আবার কখনও বা তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক সেজে মানুষকে ভয় দেখানো হত, আর এরপরে টাকা তোলা হত। গোপন সূত্রে এই খবর পায় পুলিশ। তারপরেই তারা অভিযানে নামে। এরপরেই গ্রেফতার করা হল একদা তৃণমূল নেতা বিভাস অধিকারী এবং তাঁর ছেলে সহ ছয় অভিযুক্তকে।

    তৃণমূল ছেড়ে খুলেছিলেন সর্বভারতীয় আর্য মহাসভা নামের সংগঠন

    প্রসঙ্গত, বীরভূমের (Birbhum News) নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের সভাপতি ছিলেন বিভাস অধিকারী (Bivas Adhikari)। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম উঠে এসেছিল তাঁরও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় বিভাস অধিকারীকে। পরে অবশ্য তৃণমূল ছেড়ে সর্বভারতীয় আর্য মহাসভা নামে একটি নতুন দল গঠন করেন বিভাস অধিকারী। আসলে একদা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থাকা মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারের পর এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিভাসের নাম উঠে আসে। মানিক ভট্টাচার্যের ফ্ল্যাটে যখন তল্লাশি চালানো হয় (Birbhum News), তখনই ইডি তদন্তকারীদের হাতে আসে বিভাস অধিকারীর নাম। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল যখন গ্রেফতার হন, তখনই তৃণমূল ছেড়ে দেন বিভাস অধিকারী। নয়ডার একজন পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, এই গ্রুপের সদস্যরা নিজেদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ করার কাজ করত এবং সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াত। দেখা গিয়েছে, জাতীয়-আন্তর্জাতিক কিছু জাল নথি এবং পুলিশের লোগোও তারা ব্যবহার করত প্রতারণার কাজে।

    কী বলছেন সেন্ট্রাল নয়ডার ডিসিপি

    সেন্ট্রাল নয়ডার ডিসিপি শক্তি মোহন অবস্থি বলেন, “এরা সকলেই গত ৪ জুন তাদের ভুয়ো অফিস খোলার জন্য একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল ৷ সেখানে একটি বোর্ড লাগিয়ে এক সপ্তাহ ধরে কাজও করছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে দেখা যায়, তারা ‘ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অ্যান্ড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’-এর নামে নিজেদেরকে সমান্তরাল পুলিশ ব্যবস্থা হিসেবে তুলে ধরে মানুষকে বিভ্রান্ত করছিল।”ডিসিপি আরও বলেন, “অভিযুক্তদের ব্যবহৃত পুলিশের লোগোটি আসলটির সঙ্গে অনেকাংশেই মিলে যায় ৷ তাদের লোগোর কোনও কপিরাইট, ট্রেডমার্ক বা রেজিস্টেশন পাওয়া যায়নি ৷ মূলত মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যই এই লোগো ব্যবহার করেছে তারা।” উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, এদের কাছ থেকে ১৭টি স্ট্যাম্প, নয়টি মোবাইল ফোন, নয়টি পরিচয়পত্র, ছয়টি চেক বই, একটি প্যান কার্ড, একটি ভোটার আইডি কার্ড, ছয়টি এটিএম কার্ড, তিনটি ভিজিটিং কার্ড, মন্ত্রক থেকে প্রাপ্ত সার্টিফিকেট, কম্পিউটার এবং চারটি আন্তর্জাতিক পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত ব্যুরোর বোর্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

  • TMC Leader: বাড়িতে মিলল তেজস্ক্রিয় ‘ক্যালিফোর্নিয়াম’, সেনা নথি পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    TMC Leader: বাড়িতে মিলল তেজস্ক্রিয় ‘ক্যালিফোর্নিয়াম’, সেনা নথি পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল প্রাণঘাতী তেজস্ক্রিয় মৌল। দার্জিলিংয়ের নকশালবাড়ির তৃণমূল নেতা (TMC Leader) ফ্রান্সিস এক্কার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ‘ক্যালিফোর্নিয়াম’ নামে বহুমূল্য ওই তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক। দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত সন্দেহে নকশালবাড়ির (Naxalbari) বেলগাছি চা বাগান থেকে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল সেনাবাহিনী। শাসক দলের নেতার বাড়িতে এই ধরনের তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক কী করে এল তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কে এই ফ্রান্সিস? (TMC Leader)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলগাছি চা বাগানে শ্রমিকের কাজ করতেন ধৃত তৃণমূল নেতা (TMC Leader) ফ্রান্সিসের স্ত্রী অমৃতা এক্কা। গত মহকুমা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়ে নকশালবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তিনি। অপ্রচলিত শক্তি বিভাগের কর্মাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর বাগানের কাজ ছেড়ে দেন অমৃতা। স্বামী ফ্রান্সিস স্ত্রীর সুবাদেই বাগানে থাকেন। সূত্রের খবর, নেপালে ফ্রান্সিসের যাতায়াত ছিল। সম্প্রতি তাঁর চালচলন-পোশাকে নাকি বড় পরিবর্তন হয়েছিল। যা চোখে পড়েছিল প্রতিবেশীদেরও। তবে, তিনি তৃণমূল নেতা হওয়ায় কেউ কোনও প্রশ্ন তোলেননি।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আজ সংসদে বিবৃতি দেবেন জয়শঙ্কর

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    তিনদিন আগে আচমকা বাগানের চার্চ লাইনে ফ্রান্সিসের (TMC Leader) বাড়ির সামনে বেশ কিছু গাড়ির কনভয় এসে দাঁড়ানোয় সবাই চমকে ওঠেন। আপাদমন্তক ঢাকা ‘হ্যাজমাত স্যুট’ পরা বেশ কিছু লোকজন এবং প্রচুর পুলিশ দেখে কেউই আর এগিয়ে আসার সাহস পাননি। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে গোটা বাড়িতে তন্নতন্ন করে তল্লাশি চালায় সেনা ও এনডিআরএফ। বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজরদারি করে পানিঘাটা ফাঁড়ির পুলিশ। অপারেশন শেষে উদ্ধার হওয়া সমস্ত সামগ্রী সহ ফ্রান্সিসকে নিয়ে চলে যায় সেনা। ভোরে তাঁকে পানিঘাটা ফাঁড়ির পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কার্শিয়াংয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায় বলেন, “সেনাবাহিনী ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আমাদের হাতে দিয়েছে। একটি অভিযোগও দায়ের করেছে। যে সমস্ত সরঞ্জাম ধৃতের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে, সেগুলি সেনাবাহিনী নিয়ে গিয়েছে।” তবে, এই ক্যালিফোর্নিয়াম এবং ডিআরডিও-র নথি আসল না নকল সেটা সেনাবাহিনী পরীক্ষার পরই বলতে পারবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    কী অভিযোগ রয়েছে?

    ফ্রান্সিসের (TMC Leader) বাড়ি থেকে রেডিওঅ্যাক্টিভ বা তেজস্ক্রিয় পদার্থ ক্যালিফোর্নিয়াম (Californium) এবং প্রচুর ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (DRDO) প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে। দেশের নামীদামি বিজ্ঞানীরা এখানে দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে বিভিন্ন গবেষণা করেন। সেই সমস্ত গবেষণাপত্র পাচারের অভিযোগ রয়েছে ফ্রান্সিসের বিরুদ্ধে। সেই নথি কীভাবে তাঁর হাতে এল, সেই চর্চা শুরু হয়েছে এলাকায়। তবে, গবেষণাপত্রগুলি আসল না নকল তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না সেনা। সেনা সূত্রে খবর, আন্তর্জাতিক বাজারে মাত্র এক গ্রাম ক্যালিফোর্নিয়ামের মূল্য প্রায় ১৭ কোটি টাকা। সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, ডিআরডিও’র প্রচুর নথি এবং ক্যালিফোর্নিয়াম নামক রেডিওঅ্যাক্টিভ পদার্থ ভর্তি কনটেনার পাওয়া গিয়েছে ফ্রান্সিসের কাছে। মাস তিনেক আগে বিহার থেকেও এই ক্যালিফোর্নিয়াম সহ তিনজন ধরা পড়েছিল। এই চক্রের সঙ্গে ফ্রান্সিসের যোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কী এই ক্যালিফোর্নিয়াম?

    সেনাকর্তারা বলছেন, “গবেষণাগারে কিউরিয়াম এবং আলফার মিশ্রণে ল্যাবরেটরিতে ক্যালিফোর্নিয়াম তৈরি করা হয়। এটা মানুষের দ্বারা তৈরি একটি সিন্থেটিক পদার্থ। আন্তর্জাতিক বাজারে যার এক গ্রামের দাম কয়েক কোটি টাকা। ভারতে সাধারণ মানুষের এই রেডিওঅ্যাক্টিভ ব্যবহার নিষিদ্ধ। মূলত নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে এগুলি ব্যবহৃত হয়।” এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্তা আরকে দাস। তিনি বলেন, “ক্যালিফোর্নিয়াম অত্যন্ত সেন্সিটিভ, ডেঞ্জারাস। একটা সাধারণ মানুষের (TMC Leader) বাড়িতে কীভাবে এল, সেই প্রশ্ন তো উঠবেই। এই রাসায়নিক খুব গোপনভাবে ব্যবহার হয়। এই ক্ষেত্রে নিরাপত্তার গাফিলতি সামনে আসছে। এটা দেশের জন্য চিন্তার বিষয়।”

    কী বললেন অর্জুন সিং?

    কয়েকদিন আগেই বিজেপি নেতা অর্জুন সিং দাবি করেছিলেন, রাশিয়া থেকে রাসায়নিক আনা হয়েছে তাঁকে খুন করার জন্য। এই ঘটনার পর ফের মুখ খুললেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, “অসাধু চক্রের সঙ্গে যে তৃণমূলের (TMC Leader) যোগ আছে, সেই প্রমাণ আগেই মিলেছে। এবার সেটাই আরও একবার প্রমাণিত হল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কান্দিতে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, তাজা বোমা! তীব্র চাঞ্চল্য

    Murshidabad: কান্দিতে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, তাজা বোমা! তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দিতে তৃণমূল নেতার (TMC Leader) বাড়ি থেকে উদ্ধার একটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি কার্তুজ এবং তাজা বোমা। শনিবার রাতে কান্দি থানার কুমারষণ্ড গ্রামপঞ্চায়েতের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য আলিমুল শেখের বাড়ি থেকে ওই সব আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা পলাতক বলে জানা গিয়েছে। তবে এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

    ওয়ান শটার বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার (Murshidabad)!

    কান্দি (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম ইলু আহম্মেদ, নাজমুল হক এবং তাজমুল শেখ। সকলেরই বাড়ি কান্দি থানার গোকর্ণ বিজয়নগর অঞ্চলে। ধৃতদের কাছ থেকেও চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কেন এই আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা মজুত করা হয়েছিল এবং কোন উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করা হবে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কোনও রকম নাশকতা মূলক ছক রয়েছে কিনা, কোথা থেকে আনা হয়েছে এই অস্ত্র, এই বিষয়েও তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।

    আবার স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “পুলিশি অভিযানের খবর পেয়ে আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা (TMC Leader)। গতকাল রাতে তার বাড়িতে হানা দিয়ে বোমা, বন্দুক ও গুলি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় ওই তৃণমূল নেতার তিন অনুগামীকেও। তাদের কাছ থেকে ওয়ান শটার বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি ও ৪টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ এখনই ঠান্ডার আমেজ নয়, থাকবে কুয়াশা! রাজ্যে শীত নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    বহরমপুর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের (TMC Leader) সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “কী উদ্ধার হল, না হল তা প্রশাসনের দেখার কাজ। আমরা শান্তির জন্য লড়াই করি। আর শান্তির জায়গায় যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তা হলে পুলিশকে রাজনৈতিক রং না দেখেই আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলব। পুলিশ-প্রশাসনের ওপর ভরসা রয়েছে আমাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share