Tag: tmc leader

tmc leader

  • Jahangir Khan: মানুষকে ভয়মুক্ত করতে ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গিরকে হাফ প্যান্টে হাঁটিয়ে আদালতে নিয়ে গেল পুলিশ

    Jahangir Khan: মানুষকে ভয়মুক্ত করতে ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গিরকে হাফ প্যান্টে হাঁটিয়ে আদালতে নিয়ে গেল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ধৃত ডায়মন্ড হারবারের ১ নম্বর ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি জাহাঙ্গির খানকে (Jahangir Khan) নিয়ে চরম চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ তাঁকে হাফ প্যান্ট ও গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় হেঁটে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় একটি বিতর্কিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফলতার (Falta) একজন কুখ্যাত এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাকে এই অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই তীব্র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। সমর্থকদের চেয়ে বিরোধীমহলে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

    পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ (Jahangir Khan)

    গত শনিবার রাতে ডায়মন্ড হারবার স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পুলিশি অভিযানের সময় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের ওপর চড়াও হওয়া, সরকারি গাড়ি ভাঙচুর এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জাহাঙ্গির খান (Falta) ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে জাহাঙ্গির সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে। এরপর রবিবার ধৃত তৃণমূল নেতাকে ডায়মন্ড হারবার আদালতে পেশ করার সময় এক নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা যায়। সাধারণত নিরাপত্তা ও আইনি প্রক্রিয়ার খাতিরে ধৃতদের পুলিশের গাড়িতে করে আদালতে নিয়ে যাওয়া হলেও, জাহাঙ্গির খানের (Jahangir Khan) ক্ষেত্রে পুলিশ তাঁকে থানা থেকে আদালত পর্যন্ত হেঁটে নিয়ে যায়। সেই সময় তাঁর পরনে ছিল একটি সাধারণ হাফ প্যান্ট এবং গেঞ্জি। ফলতার (Falta) নেতা গ্রেফতার হতেই ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে।

    আইন সবার জন্য সমান

    এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিরোধীদের একাংশের মতে, আইন সবার জন্য সমান এবং অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী পুলিশ পদক্ষেপ করেছে। বিজেপির অবশ্য দাবি, এইরকম দাগি দুষ্কৃতীকে প্রকাশ্যে এনে ভয় দেখানোর পরিবেশ থেকে জনসাধারণকে মুক্ত করাই একমাত্র কাজ। অন্যদিকে, একজন ব্লক স্তরের প্রথম সারির রাজনৈতিক নেতাকে প্রকাশ্য রাস্তায় এভাবে নিয়ে যাওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত (Jahangir Khan) বা এর পেছনে কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে দলের অন্দরে ও বাইরে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বিশেষ কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ঘটনার জেরে ডায়মন্ড হারবার এলাকায় (Falta) রাজনৈতিক উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকেতনে’ গেলেন ইডি আধিকারিকরা, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব

    Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকেতনে’ গেলেন ইডি আধিকারিকরা, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (Teacher Recruitment Scam) তদন্তে ফের বড়সড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বুধবার বিকেলে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দক্ষিণ কলকাতার বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ হাজির হন ইডি আধিকারিকরা। তবে সে সময় অভিষেক বাড়িতে ছিলেন না; তিনি কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তদন্তকারীরা কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সুরক্ষাকর্মীদের মাধ্যমে সমনের নোটিসটি দিয়ে আসেন।

    রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে কেন্দ্রীয় তৎপরতা (Abhishek Banerjee)

    বুধবার দিনভর রাজ্য রাজনীতি উত্তাল ছিল বিধানসভার অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও ৫৮ জন বিধায়কের স্বাক্ষর সহ চিঠি এবং নতুন বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বর সরগরম হয়ে ওঠে। এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) মিলে দলের সমস্ত রাজ্য কমিটি ও শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই সাংগঠনিক রদবদলের পর্যালোচনার জন্য বিকেল গড়াতেই কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছান অভিষেক। ঠিক তার পরপরই বিকেল ৫টা নাগাদ ইডির দু’জন উচ্চপদস্থ আধিকারিক একটি ফাইল হাতে অভিষেকের বাসভবনে পৌঁছান এবং সেখানে তাঁকে না পেয়ে কালীঘাটের ঠিকানায় গিয়ে সমন (Teacher Recruitment Scam) দিয়ে আসেন।

    সিআইডি বনাম অভিষেক স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলা ও আইনি লড়াই

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Teacher Recruitment Scam) ইডির এই নতুন সমনের সমান্তরালে, রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)-র সঙ্গেও অভিষেকের একটি মামলা পিছু ছাড়ছে না। তবে মনে করা হচ্ছে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংক্রান্ত নথিপত্র এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই ইডি ফের নতুন করে এই সমন পাঠিয়েছে। তবে এই কেন্দ্রীয় তৎপরতা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা অভিষেকের শিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও রকম প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

    সিআইডি-র তলব ও হাজিরা এড়ানো

    বিধানসভায় জমা পড়া একটি চিঠিতে বিধায়কদের সই জালিয়াতির অভিযোগে গত সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনের সিআইডি সদর দফতর সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে তিনি সেই হাজিরা এড়িয়ে যান এবং পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৫ দিনের সময় চেয়ে লিখিত আবেদন করেন।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক

    সিআইডি-র এই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হয়। আইনজীবীর দাবি, সিআইডি-র এই নোটিস আইনত বৈধ নয়, তাই এটি খারিজ করা হোক। আদালত মামলা দায়েরের (Teacher Recruitment Scam) অনুমতি দিয়েছে এবং আগামী ৫ জুন এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত

    বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচন সংক্রান্ত একটি চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। স্বাক্ষর জালিয়াতির এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিধানসভার পক্ষ থেকে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, যার তদন্তভার বর্তমানে সিআইডি-র হাতে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তের আতসকাচে অভিষেক

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর পরিবারকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিক মামলায় (Teacher Recruitment Scam) তাঁকে ও তাঁর সংস্থাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

  • Jay Prakash Majumdar: এবার পুলিশের জালে জয়প্রকাশ মজুমদার, ১৪ বছর ধরে ফ্ল্যাট জবরদখল ও বৃদ্ধা মালকিনকে হুমকির অভিযোগ

    Jay Prakash Majumdar: এবার পুলিশের জালে জয়প্রকাশ মজুমদার, ১৪ বছর ধরে ফ্ল্যাট জবরদখল ও বৃদ্ধা মালকিনকে হুমকির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিদায়ী শাসকদলের প্রভাবশালী নেতাদের আইনি বিপাকে পড়ার ধারা অব্যাহত। এবার ফ্ল্যাট জবরদখল, বৃদ্ধা মালকিনকে কটূক্তি ও হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল (Tmc Leader) নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। বুধবার সল্টলেকের বিধাননগর এলাকার একটি আবাসনকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানে জয়প্রকাশকে (Jay Prakash Majumdar) ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমে তাঁকে আটক করে এবং পরে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট ও দীর্ঘস্থায়ী আবাসন বিতর্ক (Jay Prakash Majumdar)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই আইনি বিরোধের সূত্রপাত প্রায় এক দশক আগে। মামলার বিবরণ নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো-

    • ● ভাড়ার চুক্তি: ২০১২ সালে বিধাননগরের এই-৩৩৭ নম্বর ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন জয়প্রকাশ মজুমদার। ফ্ল্যাটটির মূল মালকিন আরতি রায়চৌধুরী নামের এক বৃদ্ধা।
    • ● চুক্তির মেয়াদোত্তীর্ণ: ২০১৫ সালে ওই ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। অভিযোগ, এরপর দীর্ঘ ৯ বছর কেটে গেলেও জয়প্রকাশ নতুন কোনো চুক্তি করেননি বা পুরনো চুক্তির নবীকরণও করাননি।
    • ● আইনি নোটিস অমান্য: ফ্ল্যাটের মালকিন আরতি রায়চৌধুরী তাঁকে একাধিকবার আইনি নোটিস পাঠিয়ে ফ্ল্যাটটি খালি করে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, বিদায়ী শাসকদলের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় জয়প্রকাশ সেই নোটিসে কর্ণপাত করেননি; উল্টো বৃদ্ধা মালকিনকে কটূক্তি ও হুমকি দেওয়া হয়।

    রাজনৈতিক পটভূমি

    তৃণমূল কংগ্রেস (Tmc Leader) ক্ষমতায় থাকাকালীন জয়প্রকাশ মজুমদারের রাজনৈতিক দাপটের কারণে আরতি রায়চৌধুরীর পরিবার আইনি পথে লড়াই করেও ফ্ল্যাটটি উদ্ধার করতে পারেনি। তবে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটেছে এবং বিজেপি প্রথমবার সরকার গঠন করেছে। এই ক্ষমতার পালাবদলের পরেই আরতি রায়চৌধুরীর পরিবার নিজেদের সম্পত্তি ফিরে পেতে নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠে।

    বুধবারের উত্তেজনা ও গ্রেফতারি

    কয়েক দিন আগেই আরতি রায়চৌধুরী কিছু অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে যান। সে সময় জয়প্রকাশ (Jay Prakash Majumdar) বাড়িতে না থাকায় তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বচসা হয় এবং আরতিদেবী জয়প্রকাশের স্ত্রীকে চড় মারেন বলেও একটি পাল্টা অভিযোগ ওঠে। এর রেশ ধরে বুধবার পুনরায় ওই ফ্ল্যাটের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে জড়ো হন বেশ কিছু মানুষ। দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, বিক্ষোভকারীদের ওপর জয়প্রকাশ মজুমদার চড়াও হন এবং হাত তোলেন। ঘটনার খবর পেয়েই বিধাননগর উত্তর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌঁছায়। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝখান থেকেই জয়প্রকাশকে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ফ্ল্যাট জবরদখল ও হুমকির অপরাধে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

  • South 24 Parganas: ক্যানিংয়ে হাসপাতালের ওটি থেকে তৃণমূল নেতার প্রচুর পরিমাণে টাকা, সোনা উদ্ধার, কীভাবে পৌঁছল?

    South 24 Parganas: ক্যানিংয়ে হাসপাতালের ওটি থেকে তৃণমূল নেতার প্রচুর পরিমাণে টাকা, সোনা উদ্ধার, কীভাবে পৌঁছল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিং পূর্বের মঠেরদিঘি গ্রামীণ হাসপাতালে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনায় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করেছে পুলিশ। হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের (OT) ভেতর থেকে একটি সুটকেস উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।  যার কাছে এই টাকা উদ্ধার হয়েছে তিনি তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ হোসেন গাজি (TMC Leader) বলে জানা গিয়েছে।

    সুটকেসটি তল্লাশি করে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার (South 24 Parganas)

    নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে একটি পরিত্যক্ত সুটকেস লক্ষ্য করা যায়। খবর পেয়ে জীবনতলা (South 24 Parganas) থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সুটকেসটি তল্লাশি করে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা নগদ, প্রচুর পরিমাণে স্বর্ণালঙ্কার, বেশ কিছু আধার কার্ড এবং একটি গাড়ির চাবি উদ্ধার করে। সরকারি হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল স্থানে কীভাবে এই বিপুল সম্পত্তি পৌঁছাল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রাথমিক তদন্ত ও চিকিৎসককে আটক

    হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শাহরুখ হোসেন বলেন, “স্থানীয় তৃণমূল বুথ সভাপতির সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক থাকার সুবাদে সভাপতির ছেলেই এই ব্যাগটি আমার কাছে রেখে গিয়েছিলেন।” বিজেপির দাবি, ডাক্তার শাহরুখ হোসেন এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত অত্যন্ত প্রভাবশালী চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। তিনি হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজের চেয়ে তৃণমূল নেতাদের নির্দেশ পালনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন।

    পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালেরই (South 24 Parganas) এক অ্যাম্বুলেন্স চালক ওই সুটকেসটি সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের এক চিকিৎসকের জিম্মায় রাখতে দিয়েছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসককে আটক করেছে। সংশ্লিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স চালককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক সংযোগ ও অভিযোগ

    বিজেপির অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া এই বিপুল সম্পত্তি স্থানীয় এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ হোসেন গাজির। ভোটের ফল প্রকাশের পর লুটের আশঙ্কায় বা আইনি জটিলতা এড়াতে ওই নেতা তাঁর ঘনিষ্ঠ লোকজনের মাধ্যমে হাসপাতালের নিরাপদ স্থানে সম্পদ গচ্ছিত রেখেছিলেন। বর্তমানে ওই তৃণমূল নেতা (TMC Leader) এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা (South 24 Parganas) হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থের উৎস এবং এর নেপথ্যে কাদের হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব দ্রুত এই রহস্যের কিনারা করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।

  • Birbhum News: নয়ডায় ভুয়ো থানা খুলে শ্রীঘরে একদা অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা, নাম জড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতিতেও

    Birbhum News: নয়ডায় ভুয়ো থানা খুলে শ্রীঘরে একদা অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা, নাম জড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতিতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum News) বিভাস অধিকারী ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাঁর নাম জড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতিতে। এবার উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় আস্ত একটা ভুয়ো থানা খোলার জন্য গ্রেফতার করা হল বীরভূমের এই প্রাক্তন তৃণমূল নেতাকে (Bivas Adhikari)। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে আরও পাঁচজনকে। রয়েছে তাঁর ছেলেও। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে নয়ডায় একটা অফিস খুলে প্রতারণা চালাচ্ছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা। একদা তৃণমূল নেতার এই অফিসের সামনে বোর্ড লাগানো ছিল ‘ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অ্যান্ড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’।

    ভুয়ো আধিকারিক সেজে লোকের কাছে টাকা তুলত (Birbhum News)

    শুধু তাই নয়, লোকজনকে তাঁরা আন্তর্জাতিক তদন্তকারী সংস্থার অফিসার হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সে ক্ষেত্রে তৈরি করা হয়েছিল ভুয়ো পরিচয়পত্র। কী না হত না! পুলিশ অফিসার, আবার কখনও বা তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক সেজে মানুষকে ভয় দেখানো হত, আর এরপরে টাকা তোলা হত। গোপন সূত্রে এই খবর পায় পুলিশ। তারপরেই তারা অভিযানে নামে। এরপরেই গ্রেফতার করা হল একদা তৃণমূল নেতা বিভাস অধিকারী এবং তাঁর ছেলে সহ ছয় অভিযুক্তকে।

    তৃণমূল ছেড়ে খুলেছিলেন সর্বভারতীয় আর্য মহাসভা নামের সংগঠন

    প্রসঙ্গত, বীরভূমের (Birbhum News) নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের সভাপতি ছিলেন বিভাস অধিকারী (Bivas Adhikari)। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম উঠে এসেছিল তাঁরও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় বিভাস অধিকারীকে। পরে অবশ্য তৃণমূল ছেড়ে সর্বভারতীয় আর্য মহাসভা নামে একটি নতুন দল গঠন করেন বিভাস অধিকারী। আসলে একদা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থাকা মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারের পর এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিভাসের নাম উঠে আসে। মানিক ভট্টাচার্যের ফ্ল্যাটে যখন তল্লাশি চালানো হয় (Birbhum News), তখনই ইডি তদন্তকারীদের হাতে আসে বিভাস অধিকারীর নাম। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল যখন গ্রেফতার হন, তখনই তৃণমূল ছেড়ে দেন বিভাস অধিকারী। নয়ডার একজন পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, এই গ্রুপের সদস্যরা নিজেদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ করার কাজ করত এবং সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াত। দেখা গিয়েছে, জাতীয়-আন্তর্জাতিক কিছু জাল নথি এবং পুলিশের লোগোও তারা ব্যবহার করত প্রতারণার কাজে।

    কী বলছেন সেন্ট্রাল নয়ডার ডিসিপি

    সেন্ট্রাল নয়ডার ডিসিপি শক্তি মোহন অবস্থি বলেন, “এরা সকলেই গত ৪ জুন তাদের ভুয়ো অফিস খোলার জন্য একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল ৷ সেখানে একটি বোর্ড লাগিয়ে এক সপ্তাহ ধরে কাজও করছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে দেখা যায়, তারা ‘ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অ্যান্ড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’-এর নামে নিজেদেরকে সমান্তরাল পুলিশ ব্যবস্থা হিসেবে তুলে ধরে মানুষকে বিভ্রান্ত করছিল।”ডিসিপি আরও বলেন, “অভিযুক্তদের ব্যবহৃত পুলিশের লোগোটি আসলটির সঙ্গে অনেকাংশেই মিলে যায় ৷ তাদের লোগোর কোনও কপিরাইট, ট্রেডমার্ক বা রেজিস্টেশন পাওয়া যায়নি ৷ মূলত মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যই এই লোগো ব্যবহার করেছে তারা।” উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, এদের কাছ থেকে ১৭টি স্ট্যাম্প, নয়টি মোবাইল ফোন, নয়টি পরিচয়পত্র, ছয়টি চেক বই, একটি প্যান কার্ড, একটি ভোটার আইডি কার্ড, ছয়টি এটিএম কার্ড, তিনটি ভিজিটিং কার্ড, মন্ত্রক থেকে প্রাপ্ত সার্টিফিকেট, কম্পিউটার এবং চারটি আন্তর্জাতিক পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত ব্যুরোর বোর্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

  • TMC Leader: বাড়িতে মিলল তেজস্ক্রিয় ‘ক্যালিফোর্নিয়াম’, সেনা নথি পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    TMC Leader: বাড়িতে মিলল তেজস্ক্রিয় ‘ক্যালিফোর্নিয়াম’, সেনা নথি পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল প্রাণঘাতী তেজস্ক্রিয় মৌল। দার্জিলিংয়ের নকশালবাড়ির তৃণমূল নেতা (TMC Leader) ফ্রান্সিস এক্কার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ‘ক্যালিফোর্নিয়াম’ নামে বহুমূল্য ওই তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক। দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত সন্দেহে নকশালবাড়ির (Naxalbari) বেলগাছি চা বাগান থেকে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল সেনাবাহিনী। শাসক দলের নেতার বাড়িতে এই ধরনের তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক কী করে এল তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কে এই ফ্রান্সিস? (TMC Leader)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলগাছি চা বাগানে শ্রমিকের কাজ করতেন ধৃত তৃণমূল নেতা (TMC Leader) ফ্রান্সিসের স্ত্রী অমৃতা এক্কা। গত মহকুমা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়ে নকশালবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তিনি। অপ্রচলিত শক্তি বিভাগের কর্মাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর বাগানের কাজ ছেড়ে দেন অমৃতা। স্বামী ফ্রান্সিস স্ত্রীর সুবাদেই বাগানে থাকেন। সূত্রের খবর, নেপালে ফ্রান্সিসের যাতায়াত ছিল। সম্প্রতি তাঁর চালচলন-পোশাকে নাকি বড় পরিবর্তন হয়েছিল। যা চোখে পড়েছিল প্রতিবেশীদেরও। তবে, তিনি তৃণমূল নেতা হওয়ায় কেউ কোনও প্রশ্ন তোলেননি।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আজ সংসদে বিবৃতি দেবেন জয়শঙ্কর

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    তিনদিন আগে আচমকা বাগানের চার্চ লাইনে ফ্রান্সিসের (TMC Leader) বাড়ির সামনে বেশ কিছু গাড়ির কনভয় এসে দাঁড়ানোয় সবাই চমকে ওঠেন। আপাদমন্তক ঢাকা ‘হ্যাজমাত স্যুট’ পরা বেশ কিছু লোকজন এবং প্রচুর পুলিশ দেখে কেউই আর এগিয়ে আসার সাহস পাননি। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে গোটা বাড়িতে তন্নতন্ন করে তল্লাশি চালায় সেনা ও এনডিআরএফ। বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজরদারি করে পানিঘাটা ফাঁড়ির পুলিশ। অপারেশন শেষে উদ্ধার হওয়া সমস্ত সামগ্রী সহ ফ্রান্সিসকে নিয়ে চলে যায় সেনা। ভোরে তাঁকে পানিঘাটা ফাঁড়ির পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কার্শিয়াংয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায় বলেন, “সেনাবাহিনী ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আমাদের হাতে দিয়েছে। একটি অভিযোগও দায়ের করেছে। যে সমস্ত সরঞ্জাম ধৃতের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে, সেগুলি সেনাবাহিনী নিয়ে গিয়েছে।” তবে, এই ক্যালিফোর্নিয়াম এবং ডিআরডিও-র নথি আসল না নকল সেটা সেনাবাহিনী পরীক্ষার পরই বলতে পারবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    কী অভিযোগ রয়েছে?

    ফ্রান্সিসের (TMC Leader) বাড়ি থেকে রেডিওঅ্যাক্টিভ বা তেজস্ক্রিয় পদার্থ ক্যালিফোর্নিয়াম (Californium) এবং প্রচুর ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (DRDO) প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে। দেশের নামীদামি বিজ্ঞানীরা এখানে দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে বিভিন্ন গবেষণা করেন। সেই সমস্ত গবেষণাপত্র পাচারের অভিযোগ রয়েছে ফ্রান্সিসের বিরুদ্ধে। সেই নথি কীভাবে তাঁর হাতে এল, সেই চর্চা শুরু হয়েছে এলাকায়। তবে, গবেষণাপত্রগুলি আসল না নকল তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না সেনা। সেনা সূত্রে খবর, আন্তর্জাতিক বাজারে মাত্র এক গ্রাম ক্যালিফোর্নিয়ামের মূল্য প্রায় ১৭ কোটি টাকা। সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, ডিআরডিও’র প্রচুর নথি এবং ক্যালিফোর্নিয়াম নামক রেডিওঅ্যাক্টিভ পদার্থ ভর্তি কনটেনার পাওয়া গিয়েছে ফ্রান্সিসের কাছে। মাস তিনেক আগে বিহার থেকেও এই ক্যালিফোর্নিয়াম সহ তিনজন ধরা পড়েছিল। এই চক্রের সঙ্গে ফ্রান্সিসের যোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কী এই ক্যালিফোর্নিয়াম?

    সেনাকর্তারা বলছেন, “গবেষণাগারে কিউরিয়াম এবং আলফার মিশ্রণে ল্যাবরেটরিতে ক্যালিফোর্নিয়াম তৈরি করা হয়। এটা মানুষের দ্বারা তৈরি একটি সিন্থেটিক পদার্থ। আন্তর্জাতিক বাজারে যার এক গ্রামের দাম কয়েক কোটি টাকা। ভারতে সাধারণ মানুষের এই রেডিওঅ্যাক্টিভ ব্যবহার নিষিদ্ধ। মূলত নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে এগুলি ব্যবহৃত হয়।” এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্তা আরকে দাস। তিনি বলেন, “ক্যালিফোর্নিয়াম অত্যন্ত সেন্সিটিভ, ডেঞ্জারাস। একটা সাধারণ মানুষের (TMC Leader) বাড়িতে কীভাবে এল, সেই প্রশ্ন তো উঠবেই। এই রাসায়নিক খুব গোপনভাবে ব্যবহার হয়। এই ক্ষেত্রে নিরাপত্তার গাফিলতি সামনে আসছে। এটা দেশের জন্য চিন্তার বিষয়।”

    কী বললেন অর্জুন সিং?

    কয়েকদিন আগেই বিজেপি নেতা অর্জুন সিং দাবি করেছিলেন, রাশিয়া থেকে রাসায়নিক আনা হয়েছে তাঁকে খুন করার জন্য। এই ঘটনার পর ফের মুখ খুললেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, “অসাধু চক্রের সঙ্গে যে তৃণমূলের (TMC Leader) যোগ আছে, সেই প্রমাণ আগেই মিলেছে। এবার সেটাই আরও একবার প্রমাণিত হল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কান্দিতে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, তাজা বোমা! তীব্র চাঞ্চল্য

    Murshidabad: কান্দিতে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, তাজা বোমা! তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দিতে তৃণমূল নেতার (TMC Leader) বাড়ি থেকে উদ্ধার একটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি কার্তুজ এবং তাজা বোমা। শনিবার রাতে কান্দি থানার কুমারষণ্ড গ্রামপঞ্চায়েতের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য আলিমুল শেখের বাড়ি থেকে ওই সব আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা পলাতক বলে জানা গিয়েছে। তবে এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

    ওয়ান শটার বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার (Murshidabad)!

    কান্দি (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম ইলু আহম্মেদ, নাজমুল হক এবং তাজমুল শেখ। সকলেরই বাড়ি কান্দি থানার গোকর্ণ বিজয়নগর অঞ্চলে। ধৃতদের কাছ থেকেও চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কেন এই আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা মজুত করা হয়েছিল এবং কোন উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করা হবে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কোনও রকম নাশকতা মূলক ছক রয়েছে কিনা, কোথা থেকে আনা হয়েছে এই অস্ত্র, এই বিষয়েও তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।

    আবার স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “পুলিশি অভিযানের খবর পেয়ে আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা (TMC Leader)। গতকাল রাতে তার বাড়িতে হানা দিয়ে বোমা, বন্দুক ও গুলি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় ওই তৃণমূল নেতার তিন অনুগামীকেও। তাদের কাছ থেকে ওয়ান শটার বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি ও ৪টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ এখনই ঠান্ডার আমেজ নয়, থাকবে কুয়াশা! রাজ্যে শীত নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    বহরমপুর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের (TMC Leader) সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “কী উদ্ধার হল, না হল তা প্রশাসনের দেখার কাজ। আমরা শান্তির জন্য লড়াই করি। আর শান্তির জায়গায় যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তা হলে পুলিশকে রাজনৈতিক রং না দেখেই আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলব। পুলিশ-প্রশাসনের ওপর ভরসা রয়েছে আমাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalna: বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে চড়-থাপ্পড়! ভাইরাল ভিডিও, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    Kalna: বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে চড়-থাপ্পড়! ভাইরাল ভিডিও, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালনার (Kalna) শ্বাসপুর দেবনাথ পাড়া এলাকায় একটি জায়গাতে পাঁচিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে, এক মহিলা সহ তাঁর পরিবারের লোকজনদেরকে ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক গোপাল তেওয়ারি ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ তুলেছেন ওঁই মহিলা। সোশ্যাল মিডিয়াতে মারধরের এই ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। এরপর তৃণমূল নেতাকে (TMC leader) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। রবিবার রাতেই তাঁকে কালনা মহকুমা আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    নির্যাতিতার বক্তব্য (Kalna)

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছ, একজন মহিলাকে ব্যাপক ভাবে চড়-থাপ্পড় মারছেন তৃণমূল নেতা (TMC leader)। পুরো বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন দেবনাথ পাড়া এলাকার আক্রান্ত গৃহবধূ সুজাতা পাল। এদিন শনিবার কালনার (Kalna) হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে বলেছেন, “আমাদের বাড়ির পাশে একটি জমি রয়েছে সেই জমিতে পাঁচিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিবাদ বাধে। এরপর তৃণমূল নেতা গোপাল তিওয়ারি এবং তাঁর দলবল শনিবার আমার শাশুড়িকে খুব মারধর করেন। পরের দিন রবিবার সকালে আবার বাড়িতে ঢুকে আমাকে বেশ কয়েকজন মিলে মারধর করে। পুরো বিষয়টি নিয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছি।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    যদিও তৃণমূল নেতা গোপালকে তেওয়ারি বলেছেন, “আমার কেনা জায়গায় পাঁচিল দিয়েছিলাম আর সেই ওয়ালকে ওঁরা ভেঙে দিয়েছিল। এমনকী আজ সকালে বলতে গেলে আমাকেই উল্টে মারধর করেছেন তাঁরা। পুরো বিষয়টি নিয়ে থানার দারস্থ হবো।” এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুখপাত্র তথা বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ বলেছেন, “আইন কারো হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়, পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। যে দোষী তাঁকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ চোখ রাঙাচ্ছে ম্যালেরিয়া! পুরুলিয়াতেই ১৬৬ জন আক্রান্ত, আতঙ্ক

    বিজেপির বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা (Kalna) সহ-সভাপতি সুভাষ পাল বলেছেন, “যে ঘটনা ঘটেছে তার তীব্র নিন্দা জানাই। তৃণমূল নেতাদের এই ধরনের দাদাগিরিতে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন। রাজ্যের মহিলারা সুরক্ষিত নন।” সম্প্রতি তৃণমূল নেতাদের নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। চোপড়ায় জেসিবি, আড়িয়াদহের জয়ন্ত সিং, সন্দেশখালির শেখ শাহজাহান, সোনারপুরের জামালউদ্দিন সহ একাধিক তৃণমূল নেতার নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনায় শাসক দল চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “সংখ্যালঘুরা বোমা তৈরি করবে, সংখ্যাগুরুরা বড় দায়িত্বে থাকবে, হতে পারে না”, বিস্ফোরক তৃণমূল নেতা

    Birbhum: “সংখ্যালঘুরা বোমা তৈরি করবে, সংখ্যাগুরুরা বড় দায়িত্বে থাকবে, হতে পারে না”, বিস্ফোরক তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমানেই ২১ জুলাই, তৃণমূলের বড় কার্যক্রম। আর তাকে কেন্দ্র করে বিশেষ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল বীরভূম (Birbhum) জেলার মাঠপালশা গ্রাম পঞ্চায়েতে। এই পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শেখ ইউনিস মুসলমান ভোট এবং অধিকার নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, “সংখ্যালঘুরা বোমা তৈরি করবে, সংখ্যাগুরুরা বড় দায়িত্বে থাকবে, হতে পারে না।”  

    তৃণমূল নেতা ঠিক কী বললেন (Birbhum)?

    তৃণমূল নেতা শেখ ইউনিস (Birbhum) বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যা লঘুদের একমাত্র পথ হল তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা দিদি আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। কাজল শেখ নানুরে এবং সিউড়ি ২ নম্বর ব্লকে নেতৃত্ব দেখিয়েছেন। ৬৭ হাজার ভোটারদের মধ্যে তৃণমূল ২৭ হাজার ভোটে লিড দিয়েছে। মুসলমানেরা ঢেলে ভোট দিয়েছে তৃণমূলকে। তাই আমাদের সংগঠিত হতে হবে। সংখ্যাগুরু হয়ে যাঁরা বড় বড় পদ নিয়ে বসে আছেন, তাঁদের নিয়েও ভাবতে হবে। সংখ্যালঘু মুসলমানেরা কোথায় যাবেন? এই সব নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। কোর কমিটি মেম্বারদের আঙুল তুলে বুঝিয়ে দিতে হবে, বুথেই জিততে পারছেন না, জেলায় আবার কীসের দায়িত্ব নেবেন। বোমা বাঁধা থেকে লাঠি সব আমরা করব, আর পদের বেলায় শুধু সংখ্যাগুরু! এই সবকিছু ভাবতে হবে। এই সিস্টেম মানা যাবে না।”

    আর কী বললেন?

    তৃণমূল নেতা শেখ ইউনিস (Birbhum) আরও বলেছেন, “যদি বিজেপি ৪০০ আসন পেতো তাহলে কি আমরা ঠিক মতো নামাজ পড়তে পারতাম? ইসলামি ধর্মীয় আচার ঠিক করে পালন করতে পারতাম তো? উত্তর প্রদেশের যোগী দাবি করেছেন এখনে মসজিদে মাইক বাজে না, রাস্তায় কেউ নামাজ পড়েন না। কিন্তু বিজেপি ২৪০ আসনে আটকে গিয়েছে। অযোধ্যা থেকে শুরু করে রামের যাত্রা পথে যেখানে যেখানে বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে, সেখানে সেখেনে হেরেছে। তাই সংখ্যাগুরুদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে। মোদি ৭৩ শতাংশ হিন্দু সমাজকে একত্রিত করতে চেয়েছিলেন। আমরা কত? কোথাও ২৭ বা ২৫ শতাংশ মুসলমান, বাকি তো সব সংখ্যাগুরু। তাই ভাবতে হবে, ওরা জিতে গেলে আমাদের কী অবস্থা হতো? তৃণমূল একমাত্র আমাদের পথ।”

    আরও পড়ুনঃ যুবক-যুবতীকে ‘ছেলেধরা’ সন্দেহে গুজব! পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা গ্রামবাসীর, উত্তেজনা আসানসোলে

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির জেলা সভাপতি (Birbhum) ধ্রুবকুমার সাহা বলেছেন, “তার মানে নির্বাচনে তৃণমূলের অস্ত্র সংখ্যালঘু। তারাই বোমা বাঁধে, লাঠি ধরে। আসল সত্য ফাঁস হয়েছে। সংখ্যালঘুদের বোধোদয় হয়েছে। ২০২৬ সালে তাদের মনে শুভবুদ্ধির উদয় হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ৫০ লক্ষ টাকা তোলা না পেয়ে মালদায় বেসরকারি বিএড কলেজে তালা! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Malda: ৫০ লক্ষ টাকা তোলা না পেয়ে মালদায় বেসরকারি বিএড কলেজে তালা! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন মালদার (Malda) বেসরকারি বিএড কলেজের মালিক। তৃণমূল নেতা নিজের দাপট দেখাতে বিএড কলেজে তালাও ঝুলিয়েছেন। যদিও পরে পুলিশ প্রশাসনকে বলার পর কলেজ গেটে তালা খোলা হয়। তবে, তৃণমূল নেতার কারণে চরম আতঙ্কে রয়েছেন বিএড কলেজের মালিক।

    ৫০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি তৃণমূল নেতার (Malda)

    জানা গিয়েছে, তোলার টাকা না পেয়ে এক বেসরকারি বিএড কলেজের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মালদা (Malda) জেলার মোথাবাড়ি বিধানসভার সংখ্যালঘু সেলের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা নাসির আহমেদ ওরফে ভাস্করের বিরুদ্ধে। বিএড কলেজের মালিক মাজেদ আলি বলেন, তৃণমূল নেতা নাসির আহমেদ আমার কাছে ৫০লক্ষ টাকা তোলা চান। আমি তা দিতে অস্বীকার করায় এই মাসের এক তারিখে ওই নেতার নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিইনি। এবার মালদা থানায় মাধাইপুর এলাকায় অবস্থিত আমার বিএড কলেজে ভাঙচুর করে এবং  গেটে তালা মেরে দেয়। এরপর আমি পুলিশের দারস্থ হই। গেটের তালা ভেঙে বিএড কলেজটি দখলমুক্ত করি। তবে, ঘটনার পর চরম আতঙ্কে রয়েছি। যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে বারংবার ফোন করা হয়। কিন্তু, ফোনে তাঁকে পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মালদা জেলার পুলিশ প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বাংলাজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে (Trinamool Congress) নেতারা এমন দাদাগিরি করে চলেছে। কল কারখানা থেকে যে কোনও প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে হুমকি দিয়ে তোলাবাজি করা তৃণমূল কংগ্রেসের এখন রেওয়াজ। আমরা দোষীর শাস্তি দাবি করছি। তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) মালদা জেলার মুখপাত্র আশিস কুণ্ডু বলেন, দল এমন তোলাবাজি বা দাদাগিরি করার অনুমতি দেয় না। কেউ যদি দলের নাম করে এই সব করে তবে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। দল কোন হস্তক্ষেপ করবে না।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share