Tag: tmc leader

tmc leader

  • Murshidabad: শাগরেদের সঙ্গে আদালতে দেখা করাই হল খুনির কাল, পুলিশের জালে গ্রেফতার

    Murshidabad: শাগরেদের সঙ্গে আদালতে দেখা করাই হল খুনির কাল, পুলিশের জালে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে গত ৭ জানুয়ারিতে নির্মীয়মাণ বহুতলে উঠে তিনজন দুষ্কৃতী গুলি করে খুন করেছিল তৃণমূল নেতা সত্যেন চৌধুরিকে। তিন দুষ্কৃতীদের মধ্যে একজনের মাথায় হেলমেট পড়া ছিল। তবে মাথা ঢাকা থাকলেও রেহাই পায়নি খুনি। শাগরেদের সঙ্গে আদলাতে দেখা করাই কাল হল খুনির। মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ আদালত চত্বর থেকে ধরে ফেলে এই অভিযুক্ত খুনিকে। ধৃত দুষ্কৃতীর নাম রহিম শেখ।

    ফাঁদ পেতে পাকড়াও করা হয় খুনিকে (Murshidabad)

    বহরমপুর (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা সত্যেন চৌধুরিকে খুন করতে সুপারি কিলার হিসাবে খুনিদের ভাড়া করা হয়েছিল। তাই তাকে খুন করতে অত্যন্ত কাছ থেকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুটি মোবাইল নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। এরপর গ্রেফতার ঠেকাতে বাংলাদেশে গা ঢাকা দিতে চেয়েছিল অভিযুক্ত প্রধান খুনি রহিম শেখ। সীমান্তের ওপারে যেতে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে আদালত চত্বরে আসে রহিম। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাকে ধরার জন্য ফাঁদ পেতে রাখে। আদালত চত্বরে পৌঁছালেই সঙ্গে সঙ্গে পাকড়াও করে রহিমকে পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার তাকে আদলাতে তোলা হয়। বিচারক, এই অভিযুক্ত খুনিকে ১০ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার পুলিশ প্রধান সূর্য প্রতাপ এই খুনের পরিপ্রেক্ষিতে জানিয়েছেন, “খুনের পর ঘটনাস্থলের পাশে থাকা দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত খুনিদের তল্লাশি করার কাজ শুরু হয়েছিল। বেশ কিছু অভিযুক্তদের পাকড়াও করে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে। খুনের পিছে আর কে কে আছে তাদের খোঁজ করা হচ্ছে।”

    কল লিস্ট থেকে মিলেছে তথ্য

    খুন হওয়া সত্যেনের (Murshidabad) একটি মোবাইল উদ্ধারের পর কল লিস্ট থেকে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পুলিশের অনুমান ছিল খুনে অভিযুক্তরা নওদা হয়ে নদিয়ার সীমান্তে আত্মগোপন করে রয়েছে। পাশাপাশি মোবাইলের সূত্র ধরে নদিয়ার এক যুব তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তার নাম মুস্তাফা শেখ। এই তৃণমূল নেতার বাড়ি হল তেহট্ট-১ ব্লকের কানাইনগরে। তিনি এই অঞ্চলের অঞ্চল যুব তৃণমূলের সহ-সভাপতি। এরপর বাকি অভিযুক্তদের ধরার প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ। পরে অবশ্য মুস্তাফা জামিন পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: তৃণমূলের কার্যালয় থেকে বিলি করা হল সরকারি কম্বল! জেলাজুড়ে শোরগোল

    Jalpaiguri: তৃণমূলের কার্যালয় থেকে বিলি করা হল সরকারি কম্বল! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কম্বল বিতর্কে জড়াল তৃণমূল। এবার সরকারি কম্বল দলীয় দফতর থেকে বিলি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় বিরোধীদের পাশাপাশি নিন্দায় সরব হয়েছে তৃণমূলেরই একাংশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ির মাধবডাঙ্গা ১নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

    তৃণমূলের কার্যালয় থেকে কম্বল বিতরণ (Jalpaiguri)

    ১২জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন ছিল। ঘটা করে বিবেকানন্দের জন্মদিন পালন করে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ির মাধবডাঙ্গা ১নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় থেকে বেশ কিছু কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এই কম্বল কিছুদিন আগে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতিতে এসেছিল। এই কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ময়নাগুড়ি দুই নম্বর ব্লকের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শিব শংকর দত্ত, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পঞ্চমী মোহন্ত সহ অন্যান্যরা। কম্বল যে দলীয় কার্যালয় থেকে বিতরণ করা হয়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন পঞ্চমী মহন্ত। কিন্তু শিব শংকর দত্ত জানিয়েছেন, দলীয় কার্যালয় থেকে নয় ওই এলাকার একটি জায়গা থেকে বিলি করা হয়েছে। যার কিছুটা সামনেই দলীয় দফতর ছিল। 

    কম্বল বিলি নিয়ে দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব সামনে এসেছে

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতিতে রাজ্য থেকে প্রায় ৮০০ কম্বল এসেছে। ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির ৪৭ জন সদস্যের মধ্যে এই কম্বল বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে। ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির ৪৭ জন সদস্যার মধ্যে আট জন বিজেপির। প্রত্যেক সদস্যকে সমান ভাবে কম্বল দেওয়া হয়েছে। সেই কম্বল কিভাবে দলীয় কার্যালয় থেকে বিতরণ হয় তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা ২ নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি মনোজ দেবনাথ বলেন, তিনি কেন এমনটা করলেন তা তার জানা নেই। রাজ্য থেকে শীতকালীন বস্ত্র পাঠিয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এ কম্বল দলীয় কার্যালয় থেকে বিতরণ করা ঠিক হয়নি। যে করেছে সে অন্যায় করেছে। অন্যদিকে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা পঞ্চমী মোহন্ত বলেন, আমরা স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন পালন করেছিলাম। এর পরেই দলীয় কার্যালয় থেকে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এই কম্বলগুলি আমাদের ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির থেকে দেওয়া হয়েছিল।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিষয়টি নিয়ে বিজেপির জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) জেলা সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ বলেন, এই রাজ্যে এটাই দস্তুর। তৃণমূল আর রাজ্য প্রশাসন মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। তৃণমূল যেভাবে বলবে প্রশাসন সেই ভাবেই চলবে এবং তাদের কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। তাই এই ঘটনায় অবাক হওয়ার কোনও ব্যাপার নেই, এটাই স্বাভাবিক। যদি দেখা যায় সব সরকারি দফতরে তৃণমূলের ঝান্ডা লাগিয়ে কাজ হচ্ছে তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তাই এদের নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: ‘জামাল কুদু’ গানে মদের গ্লাস মাথায় নিয়ে তৃণমূল নেতার চটুল নাচ

    Panihati: ‘জামাল কুদু’ গানে মদের গ্লাস মাথায় নিয়ে তৃণমূল নেতার চটুল নাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অ্যানিম্যাল’ সিনেমার ‘জামাল কুদু’ গান এখন সুপারহিট। সোশ্যাল মিডিয়ায় সাড়া ফেলে দিয়েছে এই গান। অনেকেই মদের গ্লাস মাথায় নিয়ে সেই নাচের ছবি আপলোডও করছেন। কয়েকদিন আগে পরিচালক শ্রীজিত মুখোপাধ্যায়কে একটি পার্টিতে এই গানের তালে মদের গ্লাস মাথায় নিয়ে নাচ করতে দেখা গিয়েছিল। যদিও শেষে সেই গ্লাস মাথা থেকে নীচে পড়ে বিপত্তি বেধে যায়। এই খবর নিয়ে টলিউডে বেশ চর্চা হয়েছিল। এবার সেই বিখ্যাত জামাল কুদু-র গানের তালে মদের গ্লাস নিয়ে নাচ করতে দেখা গেল পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বুথ সভাপতি বাবু পালকে। ভিডিও ঘুরছে লোকজনের ফোনে ফোনে। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। পানিহাটি জুড়ে তৃণমূল নেতার এই চটুল নাচ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল, কী বললেন দলীয় কাউন্সিলর? (Panihati)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ওয়ার্ডের বুথ সভাপতি বাবু পাল। সঙ্গে ছিলেন বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী। বার্ষিক অনুষ্ঠানের মধ্যেই শুরু হয় হিন্দি গান। আর ‘জামাল কুদু’ গান বাজতেই সেই অনুষ্ঠানের ভাইরাল ভিডিওতে মাথায় মদের গ্লাস নিয়ে নাচতে দেখা গিয়েছে বাবু পালকে। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই চরম অস্বস্তিতে পড়ে যায় তৃণমূল। কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কাউন্সিলর সুভাষ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল তা ঠিক মতোই হয়েছে। কেউ হয়তো এটা করে ফেলেছে। তবে, এটা ঠিক হয়নি, অন্যায় করেছে। আমি দেখব এই মানুষগুলো যেন পার্টির সামনে না আসে। যদিও ঘটনায় বাবু পালের এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি নেতা জয় সাহা বলেন, এই দলটাই তো জামাল কুদুর দল। সেই দলের কর্মীরা মদের গ্লাস নিয়ে নাচবে না তো কী করবে! দলটাই তো চলছে মাতালদের নিয়ে। দলের ওপর কারও নিয়ন্ত্রণ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে সরানো হল শাহজাহানকে

    Sheikh Shahjahan: জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে সরানো হল শাহজাহানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ও তাঁর বাহিনী ইডি আধিকারিকের ওপর হামলা করে নিজের দাপট দেখিয়েছেন। আগে অপকর্ম করেই কিছুদিন গা ঢাকা দিয়ে ফের স্বমহিমায় দলে ক্ষমতা দেখাতেন। সেই পুরানো ছকে ঘটনার পর থেকে উধাও হয়ে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু, তাঁর এই কুকর্মের জন্য শাসক দল চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে। তাই, এবার আর পিঠ চাপড়ে বাহবা না দিয়ে দল তাঁকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। তারই প্রতিফলন হল, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষর পদ থেকে শাহজাহানকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল। সূত্রের খবর, শাহজাহানের পরিবর্তে এখন থেকে ওই পদ সামলাবেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী। তবে, কি শাহজাহানের ডানা ছাঁটা শুরু করল দল? এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।

    জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে সরানো হল শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)

    ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে সন্দেশখালি থেকে তৃণমূলকে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিল শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বাহিনী। ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর পরই তিনজন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। বিজেপি কর্মীদের পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশে গা ঢাকা দিয়েছিলেন কিছুদিনের জন্য। পরে, মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে একই মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। মাথায় মন্ত্রীর হাত থাকায় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার সাহস দেখায়নি। তিনি শুধু আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। বিজেপি কর্মীদের খুন করার পুরস্কার হিসেবে পঞ্চায়েত সদস্য থেকে জেলা পরিষদের টিকিট পান। আর বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এবার ইডি কাণ্ডে দলের মুখ পুড়িয়েছেন শাহজাহান। তাই দলও তাঁর পাশ থেকে সরে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল।

    পরিবারের লোকজনকে জেরা করা হতে পারে!

    বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ছবি দিয়ে ইতিমধ্যে বিএসএফকে সতর্ক করেছে ইডি। শাহজাহান পালিয়ে গেলেও তাঁর বাড়িতে ফের তল্লাশি অভিযান চালানোরও প্রস্তুতি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। শাহজাহানের খোঁজ পেতে তাঁর পরিবারের লোকজনকেও জেরা করা হতে পারে। তবে তার আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আধা সামরিক বাহিনীর কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন ইডি কর্তারা। হতে পারে এরপর থেকে আরও বড় বাহিনী নিয়ে তল্লাশি চালানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার মদতে সরকারি জায়গা দখল করার অভিযোগ। আর সেই জায়গা দখল করেই চলেছে পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। আর কেউ প্রতিবাদ করলেই জুটছে হুমকি। আরামবাগের (Arambagh) কাষ্টদহী এলাকায় এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ (Arambagh) মহকুমার মায়াপুর ২ নং পঞ্চায়েতের কাষ্টদহী এলাকা। সেখানেই গ্রামের পাকা রাস্তার মোড়ে হঠাৎ করেই দেখা যায়, রাস্তার ধারে রাতের অন্ধকারে সরকারি জায়গা দখল করে শুরু হয় পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। অভিযোগ, স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেই অন্যের নামে এই বাড়ি তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও ঘটনার খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন আরামবাগের মহকুমা শাসক সুভাষিনী ই।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওই সরকারি জায়গা দেখিয়ে সজলধারা প্রকল্পের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু, গ্রামের উন্নয়নমূলক কাজের পরিবর্তে রাজনৈতিক ক্ষমতা বলে সেখানেই তৈরি হচ্ছে নেতার দোকান ঘর। যা কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তাই আমরা একজোট হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি দখল প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক বলেন, আমি পেশায় রাজমিস্ত্রী। ওই এলাকার এক ব্যক্তি আমার থেকে জমি বিক্রির টাকা পেত। সেই টাকার পরিবর্তে আমি তাঁকে বাড়ি করে দিচ্ছি। সরকারি জমি দখল করে কেন বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিজের নামে আমি কোনও জায়গা দখল করিনি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একটা জায়গাকে তিনবার বিক্রি করা, সরকারি সম্পত্তি দখল করা এটা তৃণমূল নেতাদের বৈশিষ্ট্য। আগামী আর কয়েক মাসের মধ্যে তৃণমূল দলটা আর থাকবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন, আতঙ্ক

    Murshidabad: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়া, আমডাঙার পর এবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabd)  দাপুটে তৃণমূল নেতাকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বহরমপুর থানার চালতিয়া এলাকায়। দিনের বেলায় প্রকাশ্যে দুষ্কৃতীরা এসে তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সত্যেন চৌধুরী। তিনি তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabd)  

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্যেনবাবু তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ (Murshidabd) জেলার সাধারণ সম্পাদক হলেও সক্রিয় রাজনীতি ইদানিং করতেন না। নিজের ব্যবসার কাজে তিনি বেশি যুক্ত থাকতেন। চালতিয়া এলাকায় নিজের পাড়াতেই একটি আবাসন তৈরি করছিলেন। সেখানেই তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় বাইকে করে তিনজন তাঁর কাছে আসে। খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি করে জনবহুল এলাকা দিয়ে জোরে বাইক চালিয়ে পালিয়ে যায়। হামলাকারীদের কেউ ধরতে পারেননি। সত্যেনবাবুর হাতে, ঘাড়ে গুলি লাগে। মাটিতে তিনি লুটিয়ে পড়েন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা কী বললেন?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্যেনবাবু এক সময় কংগ্রেস করতেন। অধীর চৌধুরীর তিনি ছায়াসঙ্গী ছিলেন। বহরমপুর এলাকায় সত্যেনের এক সময় বিশাল বাহিনী ছিল। তাঁর দাপটে কারও কথা বলার সাহস ছিল না। পরবর্তীকালে অধীরের সঙ্গে দুরত্ব তৈরি হয়। তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। তিনি নিজের এলাকায় বিশাল কালীপুজো করতেন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে তাঁকে রাখা হলেও দলের মিটিং-মিছিলে তাঁকে আর খুব বেশি দেখা যেত না। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ঘটনার এক মিনিট আগে আমি সত্যেনদার সঙ্গেই ছিলাম। কিছুক্ষণ গল্প করে বাড়িতে সবে খেতে বসব। তারপরই এই ঘটনা শুনলাম। ছুটে গিয়ে দেখি দাদা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: গরিবের ত্রিপলও লুট করেছেন তৃণমূল নেতা শাহজাহান! প্রমাণ মিলল গ্যারাজে

    Sandeshkhali: গরিবের ত্রিপলও লুট করেছেন তৃণমূল নেতা শাহজাহান! প্রমাণ মিলল গ্যারাজে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরে তোলাবাজি, দখলদারি, বিজেপি কর্মীদের খুনের অভিযোগ ছিল। রেশন দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ায় বালু ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূল নেতার। সেই দুর্নীতির তদন্তে ইডি তাঁর ডেরায় হানা দিতেই হামলার মুখে পড়ে। শাহজাহানের বাহিনীর হাতে আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। ঘটনার পর থেকে উধাও শাহজাহান। গরিবের জন্য বরাদ্দ ত্রিপল লুট করার অভিযোগ সামনে এসেছে তৃণমূলের এই দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়ার আকুঞ্জপাড়ায় শেখ শাহজাহানের বাড়ি। সবমিলিয়ে তাঁর পাঁচটি বাড়়ি। একটি বাড়িতে মা থাকেন। বাকি চারটি বাড়িতে শাহজাহান ও তাঁর তিন ভাই থাকেন। শাহজাহানের দুধ সাদা রংয়ের দোতলা বাড়ি। অট্টালিকা বললেই ভাল। গ্রামের মধ্যে এরকম বাড়ি আর দুটি নেই। এই বাড়িতে যাওয়ার রাস্তার ডানদিকে একটি গ্যারাজ রয়েছে। সেই গ্যারাজের চারিদিক ইটের দেওয়াল। উপরে অ্যাসবেসটার্সের ছাউনি রয়েছে। তার ঠিক নীচেই রয়েছে রাজ্য সরকারের দেওয়া ত্রিপল। বন্যার সময় গরিব মানুষদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যে ত্রিপল দেওয়া হয়, সেই ত্রিপল দিয়ে তৃণমূলের এই নেতা নিজের গ্যারাজের ছাউনি করেছেন। এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আমফানের সময় সরকারের বিলি করা ত্রিপল চুরির অভিযোগ উঠেছিল। বিরোধীরা বার বার সরব হয়েছিল সেই বিষয়ে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও আমফানের সময় ত্রিপল চুরির অভিযোগ উঠে এসেছিল।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বলছেন?

    শাহজাহানের প্রাসাদোপম বাড়ি রয়েছে, সেখানে গরিব, দুর্গত মানুষদের সাহায্যের জন্য বিলি করার ত্রিপল কী করছে? বিপর্যয়ে দুর্গতদের জন্য বরাদ্দ ত্রিপল দিয়ে নির্মীয়মান গ্যারেজের ছাউনি গড়তে হল? স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, তৃণমূলের শেষ কথা। সরকারি ত্রিপল নিয়ে ঘরে মজুত করে রাখলেও কারও তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস নেই। পুলিশ প্রশাসন জেনেও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দলেরই নেত্রীকে ‘ফুলন দেবী’ বলার মাশুল, তৃণমূল বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর

    Hooghly: দলেরই নেত্রীকে ‘ফুলন দেবী’ বলার মাশুল, তৃণমূল বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে তৃণমূলের হুগলির (Hooghly) বলাগড়ে তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সঙ্গে জেলা পরিষদ সদস্য রুনা খাতুনের দ্বন্দ্ব কার্যত সামনে চলে আসে। সোশ্যাল মিডিয়ায় রুনা খাতুনকে তৃণমূল বিধায়ক ফুলন দেবী বলে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দেন। তারপর বিরোধ কার্যত সামনে চলে আসে।

    বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর (Hooghly)

    দলীয় নেত্রী রুনা খাতুনের উদ্দেশে মনোরঞ্জনবাবু সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, বলাগড়ের ফুলন দেবী! যে কুড়ি-পঁচিশজন সার্ফ শুটার সঙ্গে নিয়ে ঘোরে, যে আমাকে হুগলির (Hooghly) বলাগড়ে মহিপালপুরে জনসভা করে মাটিতে পুঁতে দেবে বলেছেন, হয় সে আমাকে সত্যি সত্যিই পুঁতে দেবে, আর তা না হলে আমি তাকে তার রাজনৈতিক জীবন থেকে রিটায়ার করিয়ে দেব। দেখব, তাঁর কলকাতার ‘বাবু’ তাকে কীভাবে বাঁচায়! প্রয়োজনে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে যাব। তৃণমূল বিধায়কের এই পোস্ট নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়। রাতেই তৃণমূল বিধায়কের জিরাটের অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। কাদা লেপে দেওয়া হয়। এমনকী বিধায়ক ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। মারধরও করা হয়। রুনা খাতুনের লোকজন এই হামলা চালিয়েছে বলে বিধায়ক অনুগামীদের অভিযোগ।

    বিধায়কের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তৃণমূল নেত্রী রুনা খাতুন

    হুগলি (Hooghly) জেলা পরিষদের সদস্য রুনা খাতুন বলেন, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে যান। টাকাপয়সা লাগলে আমি দেব। আমি একজন শিক্ষিকা। ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে গিয়ে বিধায়ক এত নীচে নেমে যাবেন তা ভাবতে পারিনি। আমাকে কিছু বলতে বাকি রাখেননি। অথচ আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি। আমি ও পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত। নিজেই লোক পাঠিয়ে নিজের অফিস ভেঙে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। তাই, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হলাম।

    ক্ষমা চাইলেন বিধায়ক

    কুরুচিকর ভাষা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে এবার বিধায়ক ক্ষমা চাইলেন। বিধায়ক মনোরঞ্জনবাবু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট তুলে নেন। এরপর বিধায়ক বলেন, এমনটা লেখা আমার উচিত হয়নি। ভুলে যাওয়া উচিৎ হয়নি আমি একজন লেখক। ওদের মতো নিকৃষ্ট জীব নই। তাই, আমার পাঠক, রাজ্য তথা দেশের সমস্ত পরিচিত ও অপরিচিতদের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: বেহাল রাস্তার দাবিতে অবরোধ, মহিলাকে হেনস্থা করে দাপট দেখালেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা

    Panihati: বেহাল রাস্তার দাবিতে অবরোধ, মহিলাকে হেনস্থা করে দাপট দেখালেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে বেহাল হয়ে গিয়েছে রাস্তা। প্রশাসনিক মহলে একাধিকবার দরবার করেও কোনও লাভ হয়নি। তাই স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা মিলেই রাস্তা অবরোধে নেমেছিলেন। কিন্তু, রাস্তা সারানোর প্রতিশ্রুতি তো দূরে থাক, উল্টে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের দাদাগিরি দেখলেন অবরোধকারীরা। এক মহিলার হাত ধরে টেনে তাঁকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটি (Panihati) পুর এলাকার রাসমণি মোড় সংলগ্ন আর এন এভিনিউতে।

    পুলিশের সামনেই এক মহিলাকে হেনস্থা করেন এক তৃণমূল কর্মী! (Panihati)  

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পানিহাটি (Panihati) পুরসভা এলাকার এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ। খানাখন্দে ভরে রয়েছে। সকাল থেকে রাত ধূলোয় ঢাকছে এলাকা। রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রায় প্রতিদিনই ছোটবড় দুর্ঘটনা যেমন ঘটছে, তেমনি অত্যধিক ধূলোর কারণে রাস্তা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা বিশেষ করে প্রবীণ ও শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। স্থানীয় পুরসভা সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি। প্রশাসনিক উদাসীনতার অভিযোগ তুলে ওই এলাকার বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে আর এন এভিনিউয়ের রাস্তায় বাঁশ ফেলে অবরোধে সামিল হন। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে খড়দা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বেশকিছুক্ষণ ধরে চলে অবরোধ। অভিযোগ, অবরোধ চলাকালীন আচমকা অবরোধ তোলার জন্য তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী ঘটনাস্থলে হাজির হন। তৃণমূল নেতা রাজেশ দে-র নেতৃত্বে প্রথমে তাঁরা অবরোধ তোলার জন্য বলেন। কিন্তু, অবরোধকারীরা তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কথা না শোনায় তাঁদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অবরোধকারীরা। তাদের আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই এক মহিলা অবরোধকারীকে হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে সরিয়ে দেয় তৃণমূলেরই এক কর্মী। বাধা দিতে গেলে অবরোধীকারীদের উপর চ়ড়াও হয়। উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়। বেগতিক বুঝে পুলিশ অবরোধকারীদের হটিয়ে দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    খুব শীঘ্রই রাস্তা সংস্কার করা হবে, আশ্বাস চেয়ারম্যানের

    পানিহাটি (Panihati) পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, ‘প্রথমত রাস্তাটি পুরসভার নয়, পূর্ত দফতরের রাস্তা। কাচকলের দিক থেকে ইতিমধ্যে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই তা শেষ হবে। কিন্তু, তার মধ্যেও এদিন যাঁরা অবরোধ করলেন বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বোঝাই যাচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। সাধারণ মানুষ সব কিছুই দেখতে পাচ্ছেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC leader: বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা সংসদ সভাপতির! চরম বিতর্কে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী

    TMC leader: বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা সংসদ সভাপতির! চরম বিতর্কে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মঙ্গলবার বর্ধমানের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সার্থক বংশধর বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে বলেছিলেন, ‘মমতা যথার্থ উত্তরসূরী’। এবার এই বিতর্কের মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিকে বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা করলেন হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথিরিটির চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক (TMC leader) তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর। আর তাই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কী বললেন প্রাক্তন বিধায়ক (TMC leader)?

    পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর বিধানসভা এলাকার একটি মেলায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর (TMC leader) বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষার ভার বিদ্যাসাগরের পরে যাঁর ওপর পড়েছে, তিনি হলেন হাবিবুর রহমান।” এর পরেই ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। সত্যিই কি বিদ্যাসাগরের পরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হাবিবুরকেই? উল্লেখ্য, পরে প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী ভুল স্বীকার করে নেন। তিনি বলেন, “অনেক লোকজন ছিল, তাই হয়তো একটু ভুল বলা হয়েছে।”

    প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, “পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্রের সঙ্গে আমার তুলনা ভাবা যায় না। বিদ্যাসাগরের কাছে আমি অত্যন্ত নগণ্য মানুষ। তবে তিনি (TMC leader) হয়তো অন্য কিছু বলতে চেয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষার দায়িত্বে যেহেতু বিদ্যাসাগর ছিলেন, তাই বিদ্যাসাগরের সঙ্গে এই তুলনা ঠিক নয়।”

    মমতা চৈতন্যের উত্তরসূরী

    রাজ্যে বাঙালি মহাপুরুষদের সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর তুলনা টেনে বারবার বিতর্ক তৈরি করেছেন তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা (TMC leader)। তাই বিরোধীদের অভিযোগ, এই ধরনের কথা বলে মমতার স্নেহধন্য হওয়ার একটা প্রতিযোগিতা চলছে রাজ্যে। ব্রাত্য বসু বলেছেন, মমতা চৈতন্যের ‘উত্তরসূরী’, ডাক্তার নির্মল মাজি বলেছেনে, মমতা ‘সারদা দেবী’। আবার তৃণমূলের আরও অনেক জেলার নেতা মমতাকে বলেছেন, লতা মঙ্গেশকর, সচিন, আবার কখনও ভগ্নী নিবেদিতাও। বিরোধীদের বক্তব্য, বাংলার মহাপুরুষদের সঙ্গে তুলনা করে কার্যত বাংলার সংস্কৃতিকেই ছোট করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share