Tag: tmc leader

tmc leader

  • Murshidabad: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন, আতঙ্ক

    Murshidabad: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়া, আমডাঙার পর এবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabd)  দাপুটে তৃণমূল নেতাকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বহরমপুর থানার চালতিয়া এলাকায়। দিনের বেলায় প্রকাশ্যে দুষ্কৃতীরা এসে তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সত্যেন চৌধুরী। তিনি তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabd)  

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্যেনবাবু তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ (Murshidabd) জেলার সাধারণ সম্পাদক হলেও সক্রিয় রাজনীতি ইদানিং করতেন না। নিজের ব্যবসার কাজে তিনি বেশি যুক্ত থাকতেন। চালতিয়া এলাকায় নিজের পাড়াতেই একটি আবাসন তৈরি করছিলেন। সেখানেই তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় বাইকে করে তিনজন তাঁর কাছে আসে। খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি করে জনবহুল এলাকা দিয়ে জোরে বাইক চালিয়ে পালিয়ে যায়। হামলাকারীদের কেউ ধরতে পারেননি। সত্যেনবাবুর হাতে, ঘাড়ে গুলি লাগে। মাটিতে তিনি লুটিয়ে পড়েন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা কী বললেন?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্যেনবাবু এক সময় কংগ্রেস করতেন। অধীর চৌধুরীর তিনি ছায়াসঙ্গী ছিলেন। বহরমপুর এলাকায় সত্যেনের এক সময় বিশাল বাহিনী ছিল। তাঁর দাপটে কারও কথা বলার সাহস ছিল না। পরবর্তীকালে অধীরের সঙ্গে দুরত্ব তৈরি হয়। তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। তিনি নিজের এলাকায় বিশাল কালীপুজো করতেন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে তাঁকে রাখা হলেও দলের মিটিং-মিছিলে তাঁকে আর খুব বেশি দেখা যেত না। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ঘটনার এক মিনিট আগে আমি সত্যেনদার সঙ্গেই ছিলাম। কিছুক্ষণ গল্প করে বাড়িতে সবে খেতে বসব। তারপরই এই ঘটনা শুনলাম। ছুটে গিয়ে দেখি দাদা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: গরিবের ত্রিপলও লুট করেছেন তৃণমূল নেতা শাহজাহান! প্রমাণ মিলল গ্যারাজে

    Sandeshkhali: গরিবের ত্রিপলও লুট করেছেন তৃণমূল নেতা শাহজাহান! প্রমাণ মিলল গ্যারাজে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরে তোলাবাজি, দখলদারি, বিজেপি কর্মীদের খুনের অভিযোগ ছিল। রেশন দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ায় বালু ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূল নেতার। সেই দুর্নীতির তদন্তে ইডি তাঁর ডেরায় হানা দিতেই হামলার মুখে পড়ে। শাহজাহানের বাহিনীর হাতে আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। ঘটনার পর থেকে উধাও শাহজাহান। গরিবের জন্য বরাদ্দ ত্রিপল লুট করার অভিযোগ সামনে এসেছে তৃণমূলের এই দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়ার আকুঞ্জপাড়ায় শেখ শাহজাহানের বাড়ি। সবমিলিয়ে তাঁর পাঁচটি বাড়়ি। একটি বাড়িতে মা থাকেন। বাকি চারটি বাড়িতে শাহজাহান ও তাঁর তিন ভাই থাকেন। শাহজাহানের দুধ সাদা রংয়ের দোতলা বাড়ি। অট্টালিকা বললেই ভাল। গ্রামের মধ্যে এরকম বাড়ি আর দুটি নেই। এই বাড়িতে যাওয়ার রাস্তার ডানদিকে একটি গ্যারাজ রয়েছে। সেই গ্যারাজের চারিদিক ইটের দেওয়াল। উপরে অ্যাসবেসটার্সের ছাউনি রয়েছে। তার ঠিক নীচেই রয়েছে রাজ্য সরকারের দেওয়া ত্রিপল। বন্যার সময় গরিব মানুষদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যে ত্রিপল দেওয়া হয়, সেই ত্রিপল দিয়ে তৃণমূলের এই নেতা নিজের গ্যারাজের ছাউনি করেছেন। এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আমফানের সময় সরকারের বিলি করা ত্রিপল চুরির অভিযোগ উঠেছিল। বিরোধীরা বার বার সরব হয়েছিল সেই বিষয়ে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও আমফানের সময় ত্রিপল চুরির অভিযোগ উঠে এসেছিল।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বলছেন?

    শাহজাহানের প্রাসাদোপম বাড়ি রয়েছে, সেখানে গরিব, দুর্গত মানুষদের সাহায্যের জন্য বিলি করার ত্রিপল কী করছে? বিপর্যয়ে দুর্গতদের জন্য বরাদ্দ ত্রিপল দিয়ে নির্মীয়মান গ্যারেজের ছাউনি গড়তে হল? স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, তৃণমূলের শেষ কথা। সরকারি ত্রিপল নিয়ে ঘরে মজুত করে রাখলেও কারও তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস নেই। পুলিশ প্রশাসন জেনেও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দলেরই নেত্রীকে ‘ফুলন দেবী’ বলার মাশুল, তৃণমূল বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর

    Hooghly: দলেরই নেত্রীকে ‘ফুলন দেবী’ বলার মাশুল, তৃণমূল বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে তৃণমূলের হুগলির (Hooghly) বলাগড়ে তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সঙ্গে জেলা পরিষদ সদস্য রুনা খাতুনের দ্বন্দ্ব কার্যত সামনে চলে আসে। সোশ্যাল মিডিয়ায় রুনা খাতুনকে তৃণমূল বিধায়ক ফুলন দেবী বলে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দেন। তারপর বিরোধ কার্যত সামনে চলে আসে।

    বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর (Hooghly)

    দলীয় নেত্রী রুনা খাতুনের উদ্দেশে মনোরঞ্জনবাবু সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, বলাগড়ের ফুলন দেবী! যে কুড়ি-পঁচিশজন সার্ফ শুটার সঙ্গে নিয়ে ঘোরে, যে আমাকে হুগলির (Hooghly) বলাগড়ে মহিপালপুরে জনসভা করে মাটিতে পুঁতে দেবে বলেছেন, হয় সে আমাকে সত্যি সত্যিই পুঁতে দেবে, আর তা না হলে আমি তাকে তার রাজনৈতিক জীবন থেকে রিটায়ার করিয়ে দেব। দেখব, তাঁর কলকাতার ‘বাবু’ তাকে কীভাবে বাঁচায়! প্রয়োজনে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে যাব। তৃণমূল বিধায়কের এই পোস্ট নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়। রাতেই তৃণমূল বিধায়কের জিরাটের অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। কাদা লেপে দেওয়া হয়। এমনকী বিধায়ক ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। মারধরও করা হয়। রুনা খাতুনের লোকজন এই হামলা চালিয়েছে বলে বিধায়ক অনুগামীদের অভিযোগ।

    বিধায়কের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তৃণমূল নেত্রী রুনা খাতুন

    হুগলি (Hooghly) জেলা পরিষদের সদস্য রুনা খাতুন বলেন, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে যান। টাকাপয়সা লাগলে আমি দেব। আমি একজন শিক্ষিকা। ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে গিয়ে বিধায়ক এত নীচে নেমে যাবেন তা ভাবতে পারিনি। আমাকে কিছু বলতে বাকি রাখেননি। অথচ আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি। আমি ও পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত। নিজেই লোক পাঠিয়ে নিজের অফিস ভেঙে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। তাই, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হলাম।

    ক্ষমা চাইলেন বিধায়ক

    কুরুচিকর ভাষা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে এবার বিধায়ক ক্ষমা চাইলেন। বিধায়ক মনোরঞ্জনবাবু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট তুলে নেন। এরপর বিধায়ক বলেন, এমনটা লেখা আমার উচিত হয়নি। ভুলে যাওয়া উচিৎ হয়নি আমি একজন লেখক। ওদের মতো নিকৃষ্ট জীব নই। তাই, আমার পাঠক, রাজ্য তথা দেশের সমস্ত পরিচিত ও অপরিচিতদের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: বেহাল রাস্তার দাবিতে অবরোধ, মহিলাকে হেনস্থা করে দাপট দেখালেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা

    Panihati: বেহাল রাস্তার দাবিতে অবরোধ, মহিলাকে হেনস্থা করে দাপট দেখালেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে বেহাল হয়ে গিয়েছে রাস্তা। প্রশাসনিক মহলে একাধিকবার দরবার করেও কোনও লাভ হয়নি। তাই স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা মিলেই রাস্তা অবরোধে নেমেছিলেন। কিন্তু, রাস্তা সারানোর প্রতিশ্রুতি তো দূরে থাক, উল্টে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের দাদাগিরি দেখলেন অবরোধকারীরা। এক মহিলার হাত ধরে টেনে তাঁকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটি (Panihati) পুর এলাকার রাসমণি মোড় সংলগ্ন আর এন এভিনিউতে।

    পুলিশের সামনেই এক মহিলাকে হেনস্থা করেন এক তৃণমূল কর্মী! (Panihati)  

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পানিহাটি (Panihati) পুরসভা এলাকার এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ। খানাখন্দে ভরে রয়েছে। সকাল থেকে রাত ধূলোয় ঢাকছে এলাকা। রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রায় প্রতিদিনই ছোটবড় দুর্ঘটনা যেমন ঘটছে, তেমনি অত্যধিক ধূলোর কারণে রাস্তা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা বিশেষ করে প্রবীণ ও শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। স্থানীয় পুরসভা সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি। প্রশাসনিক উদাসীনতার অভিযোগ তুলে ওই এলাকার বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে আর এন এভিনিউয়ের রাস্তায় বাঁশ ফেলে অবরোধে সামিল হন। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে খড়দা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বেশকিছুক্ষণ ধরে চলে অবরোধ। অভিযোগ, অবরোধ চলাকালীন আচমকা অবরোধ তোলার জন্য তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী ঘটনাস্থলে হাজির হন। তৃণমূল নেতা রাজেশ দে-র নেতৃত্বে প্রথমে তাঁরা অবরোধ তোলার জন্য বলেন। কিন্তু, অবরোধকারীরা তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কথা না শোনায় তাঁদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অবরোধকারীরা। তাদের আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই এক মহিলা অবরোধকারীকে হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে সরিয়ে দেয় তৃণমূলেরই এক কর্মী। বাধা দিতে গেলে অবরোধীকারীদের উপর চ়ড়াও হয়। উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়। বেগতিক বুঝে পুলিশ অবরোধকারীদের হটিয়ে দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    খুব শীঘ্রই রাস্তা সংস্কার করা হবে, আশ্বাস চেয়ারম্যানের

    পানিহাটি (Panihati) পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, ‘প্রথমত রাস্তাটি পুরসভার নয়, পূর্ত দফতরের রাস্তা। কাচকলের দিক থেকে ইতিমধ্যে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই তা শেষ হবে। কিন্তু, তার মধ্যেও এদিন যাঁরা অবরোধ করলেন বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বোঝাই যাচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। সাধারণ মানুষ সব কিছুই দেখতে পাচ্ছেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC leader: বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা সংসদ সভাপতির! চরম বিতর্কে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী

    TMC leader: বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা সংসদ সভাপতির! চরম বিতর্কে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মঙ্গলবার বর্ধমানের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সার্থক বংশধর বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে বলেছিলেন, ‘মমতা যথার্থ উত্তরসূরী’। এবার এই বিতর্কের মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিকে বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা করলেন হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথিরিটির চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক (TMC leader) তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর। আর তাই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কী বললেন প্রাক্তন বিধায়ক (TMC leader)?

    পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর বিধানসভা এলাকার একটি মেলায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর (TMC leader) বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষার ভার বিদ্যাসাগরের পরে যাঁর ওপর পড়েছে, তিনি হলেন হাবিবুর রহমান।” এর পরেই ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। সত্যিই কি বিদ্যাসাগরের পরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হাবিবুরকেই? উল্লেখ্য, পরে প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী ভুল স্বীকার করে নেন। তিনি বলেন, “অনেক লোকজন ছিল, তাই হয়তো একটু ভুল বলা হয়েছে।”

    প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, “পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্রের সঙ্গে আমার তুলনা ভাবা যায় না। বিদ্যাসাগরের কাছে আমি অত্যন্ত নগণ্য মানুষ। তবে তিনি (TMC leader) হয়তো অন্য কিছু বলতে চেয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষার দায়িত্বে যেহেতু বিদ্যাসাগর ছিলেন, তাই বিদ্যাসাগরের সঙ্গে এই তুলনা ঠিক নয়।”

    মমতা চৈতন্যের উত্তরসূরী

    রাজ্যে বাঙালি মহাপুরুষদের সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর তুলনা টেনে বারবার বিতর্ক তৈরি করেছেন তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা (TMC leader)। তাই বিরোধীদের অভিযোগ, এই ধরনের কথা বলে মমতার স্নেহধন্য হওয়ার একটা প্রতিযোগিতা চলছে রাজ্যে। ব্রাত্য বসু বলেছেন, মমতা চৈতন্যের ‘উত্তরসূরী’, ডাক্তার নির্মল মাজি বলেছেনে, মমতা ‘সারদা দেবী’। আবার তৃণমূলের আরও অনেক জেলার নেতা মমতাকে বলেছেন, লতা মঙ্গেশকর, সচিন, আবার কখনও ভগ্নী নিবেদিতাও। বিরোধীদের বক্তব্য, বাংলার মহাপুরুষদের সঙ্গে তুলনা করে কার্যত বাংলার সংস্কৃতিকেই ছোট করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: দোকানে হামলা, ভাঙচুর, তৃণমূল নেতা-ঘনিষ্ঠ ডাম্পারের তোলাবাজিতে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা

    Khardah: দোকানে হামলা, ভাঙচুর, তৃণমূল নেতা-ঘনিষ্ঠ ডাম্পারের তোলাবাজিতে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলার টাকা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। এমনকী দোকানে ভাঙচুরও করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে খড়দা (Khardah) থানার কল্যাণনগর এলাকায়। আক্রান্ত ব্যবসায়ীর পক্ষ থেকে খড়দার রহড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীসহ দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর নাম ডাম্পার। তিনি স্থানীয় তৃণমূল নেতা গোপাল সাহার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। গোপালবাবু খড়দা (Khardah) শহর তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। গোপালের ছায়াসঙ্গী হচ্ছেন তোলাবাজিতে অভিযুক্ত ডাম্পার। তাঁর মাথায় তৃণমূল নেতার হাত থাকায় এলাকায় রমরমিয়ে তোলাবাজি করেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, খড়দার কল্যাণনগর এলাকায় রাস্তার উপরে দীপু সাহার দোকান রয়েছে। রবিবার রাতে তৃণমূল কর্মী ডাম্পার দলবল নিয়ে এসে ওই ব্যবসায়ীর দোকানে চড়াও হন। প্রথমে তিনি প্রায় পাঁচ হাজার টাকা তোলা চান বলে অভিযোগ। ব্যবসায়ী তোলার সেই টাকা দিতে অস্বীকার করায়, তাঁর দোকানের ভিতরে ঢুকে মারধর করা হয়। দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়। ব্যবসায়ী দীপু সাহা বলেন, দাদা আর আমি দোকানে ছিলাম। ওরা এসে প্রথমে টাকা দাবি করে। অতগুলো টাকা একসঙ্গে দিতে রাজি ছিলাম না। এরপরই আমার উপর চড়াও হয়। আমার দাদাকে দোকানের মধ্যে ঢুকে মারধর করে। আমার জামা ছিড়ে দেয়। দোকানের আসবাবপত্র নষ্ট করে। আমার দাদাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায়। এই ঘটনা পর আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছে। আমাদের দাবি যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যেন পুলিশ প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে, আমরা ব্যবসা চালাতে পারব না। পুলিশ প্রশাসনের অবশ্যই দেখা দরকার।

    পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান কী বললেন?

    খড়দা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সায়ন মজুমদার বলেন, গোপাল একসময় সিপিএমের কর্মী ছিলেন। এখন আমাদের দলে ঢুকেছেন। এলাকায় অপরাধমূলক কাজকর্মের সঙ্গে তিনি যুক্ত। তার জন্য এলাকা অশান্ত রয়েছে। এই ঘটনার জন্য দলের মুখ পুড়ছে। এই ঘটনার পর দলের পক্ষ থেকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ তৃণমূলের পুর চেয়ারম্যানের, কেন জানেন?

    Cooch Behar: পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ তৃণমূলের পুর চেয়ারম্যানের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে শাসকদলের দলদাস সহ নানা অভিযোগ করে বিরোধীরা। এবার সেই পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের কোচবিহার (Cooch Behar) পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। শুধু পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খুলে তিনি চুপ থেকেছেন তা নয়, তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অভিযোগ জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার জরুরি ভিত্তিতে কোচবিহার পুরসভার বোর্ড মিটিং করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কেন পুলিশের বিরুদ্ধে চটলেন তৃণমূল নেতা? (Cooch Behar)

    কোচবিহার (Cooch Behar) রাসমেলার আয়োজন করে পুরসভা। মেলার সূচনা ও সমাপ্তি- দুই পর্বই পুরসভা ঘোষণা করে। সেখানে মেলা শেষ হওয়ার তিন দিন আগে থেকেই মেলার সমাপ্তির কথা জানিয়ে মাইকে প্রচার করে পুলিশ। ২৭ নভেম্বর এ বার মেলা শুরু হয়। কুড়ি দিনের মেলা শেষ হয় ১৬ ডিসেম্বর। ব্যবসায়ীরা মেলার মেয়াদবৃদ্ধির দাবি করলেও, তা মানা হয়নি। অভিযোগ, ১৬ ডিসেম্বর রাত ১২টার পর থেকে পুলিশ দোকান ভেঙে নিতে ব্যবসায়ীদের উপরে চাপ তৈরি করে। ঐতিহ্যবাহী রাসমেলার শেষ মুহূর্তে ব্যবসায়ী ও পুরকর্মীদের উপরে অত্যাচার করেছে পুলিশ। তা নিয়ে দু’দিন ধরে কর্মবিরতি পালন করছেন কর্মীরা। তাতে শহর জুড়ে আবর্জনা ছড়িয়ে পড়েছে। রাসমেলার মাঠ, ভবানীগঞ্জ বাজারে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। এই অবস্থায় শহরে মিছিল করে পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান পুরকর্মীরা। পরে, পুরসভার চেয়ারম্যান তাঁদের কাছে কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার আবেদন করেন। চেয়ারম্যানের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে নালিশ জানান পুরকর্মীরা। এরপরই তৃণমূল নেতা তথা পুরসভার চেয়ারম্যান পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, এ বারের রাসমেলায় পুলিশের একটি অংশের ভূমিকা মোটেই ভাল ছিল না। নিরীহ ব্যবসায়ীদের মারধর করা হয়েছে। তাঁদের জিনিসপত্র নিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানাব।

    জেলা পুলিশের এক কর্তা কী বললেন?

    কোচবিহার জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, মেলা শেষ হওয়ার পরেও একটি অংশ আটকে কেনাবেচা করা হচ্ছিল। তাতে ভিড় বাড়ছিল। সে জন্যেই সবাইকে দোকান ভেঙে নিতে বলা হয়েছে। পুরকর্মীরা যে অভিযোগ করছে তা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BIRBHUM: তৃণমূল নেতাকে ১১ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! প্রতারিত ব্যক্তি কী বললেন?

    BIRBHUM: তৃণমূল নেতাকে ১১ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! প্রতারিত ব্যক্তি কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অনেকে এখন জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগেও ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে অনেকে এখন জেলের ঘাঁটি টানছেন। এরইমধ্যে অনুব্রত মণ্ডলের জেলা বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে করে ১১ লক্ষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়ার দেবব্রত ঘোষ নামে এক ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতা আসাদুর জামানের বিরুদ্ধে। তিনি বীরভূমের সাঁইথিয়ার মাঠপলশা পঞ্চায়েতের সদ্য প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি। চাকরি না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত ব্যক্তি। দেবব্রতবাবু বলেন, আমাকে স্বাস্থ্য ভবনে চাকরি পাইয়ে দেবেন বলেছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। অনেকের সঙ্গে চেনা রয়েছে। টাকা দিলেই চাকরি পাওয়া যাবে। শাসক দলের নেতা বলে আমি ওর কথায় বিশ্বাস করেছিলাম। এরপরই তৃণমূল নেতার এক মিডলম্যানকে ৬ লক্ষ এবং অন্য মিডলম্যানকে ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছি। কিন্তু, অতগুলো টাকা দেওয়ার পর আর আমি চাকরি পাইনি। বহুবার টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলেছি। মাত্র পঞ্চাশ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে। আর টাকা দেয়নি। তারপর বাকিটা চাইলেই বলছে যা পারো করে নাও। যদিও, এই বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    প্রতারণা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির বীরভূম (Birbhum) সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা  বলেন, তৃণমূল মানেই জালি দল। সেই দলের নেতা তো চিটিংবাজ হবেই। এটা স্বাভাবিক। আমরা অভিযুক্তের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ব্লক সভাপতি অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছেন। যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে, দল ব্যবস্থা নেবে। পাশে দাঁড়াবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: বিজেপি কর্মীদের ঝাঁটা মারার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার

    Paschim Medinipur: বিজেপি কর্মীদের ঝাঁটা মারার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বিজেপি কর্মীদের মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার নিদান দিয়েছিলেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বিজেপি কর্মীদের ঝাঁটা মারার নিদান দিলেন। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে বাংলায় ততই যেন চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। তার সঙ্গে কুকথার বুলি ছুটছে নেতাদের মুখে। তৃণমূল নেতার এই বক্তব্যে জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র? (Paschim Medinipur)  

    পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) চন্দ্রকোনা বিধানসভার উদ্যোগে চন্দ্রকোনার শ্রীনগর এলাকায় একটি তৃণমূলের প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সভা থেকেই কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুড় চড়ান তৃণমূলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি নিদান দেন ঝাঁটা মারার। তিনি বলেন, ‘ভোট চাইতে এলেই ঝাঁটা মেরে তাড়াবেন বিজেপি-কে। এ রাজ্য থেকে ওদের তাড়াতে আমাদের দরকার হবে না। মায়েরাই যথেষ্ট, ঝাঁটা মেরে ওদের তাড়াতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপি নেতারা বাড়িতে ভোট চাইতে এলে আগে বলবেন, দিন টাকা, না হলে মারব ঝাঁটা।’ প্রসঙ্গত, একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। এই অভিযোগ তুলে বারংবার সরব হয়েছে তৃণমূল। আগামী ১৭ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলতে দিল্লি যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় এই বঞ্চনার অস্ত্রে ধার দিয়েই ২৪-এর লোকসভা ভোটের বৈতরণী পার করতে চাইছে এ রাজ্যের শাসকদল।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    এভাবে কুকথা বলে সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায় করতে পারবে না তৃণমূল। এমনই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। চন্দ্রকোনা বিধানসভার বিজেপি নেতা সুদীপ কুশারি বলেন, তৃণমূল দলটা কেমন তা রাজ্যের মানুষ দেখতে পাচ্ছেন। এভাবে কুকথা বলে মানুষের থেকে ওরা আরও দূরে সরে যাচ্ছে। এবার লোকসভায় মানুষ ওদেরই ঝাঁটা মেরে বের করে দেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: পুলিশের পিছনে বিছুটি পাতা ঘষে দেওয়ার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Malda: পুলিশের পিছনে বিছুটি পাতা ঘষে দেওয়ার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশ শাসক দলের হয়ে কাজ করে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বার বার এই অভিযোগ করা হয়। তাই, বিরোধীদের আক্রমণের নিশানায় থাকে পুলিশ। এবার শাসক দলের দুই নেতা পুলিশকে তীব্র আক্রমণ করলেন। এর আগে পুলিশকে মেরে তার হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন একসময়ের বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল। গরু পাচার মামলায় তিনি এখন জেলে রয়েছেন। এবার পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অশালীন ইঙ্গিত করে প্রকাশ্য মঞ্চে বেলাগাম করলেন মালদার (Malda) হরিশচন্দ্রপুর এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি।

    পুলিশের পিছনে বিছুটি পাতা ঘষে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দুই তৃণমূল নেতার (Malda)

    মালদার (Malda) হরিশচন্দ্রপুর এক নম্বর ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর সদরের শহিদ মোড়ে আইএনটিটিইউসির প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সভা চলছিল। সেই সভাতেই মঞ্চ থেকে অন্যান্য জেলা ও ব্লক নেতৃত্বদের সামনেই পুলিশকে বেলাগাম আক্রমণ করলেন হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য স্বপন আলি এবং জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেতা বিকাশবাবু বলেন, যে সব পুলিশ অফিসার মানুষের জন্য কাজ করছে না তাঁদের বিছুটি পাতা ঘষে দিতে হবে। পুলিশের একাংশ বিরোধীদের হয়ে দালালি করছে। পঞ্চায়েত ভোটের সময় তৃণমূল কর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি বিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করে স্বপন আলিও পুলিশের পিছনে বিছুটি পাতা ঘষে দেওয়ার নিদান দেন। আর এই দুই শাসক নেতার মন্তব্য নিয়েই শোরগোল শুরু হয়েছে এলাকায়। এতদিন বিরোধীরা একরাশ অভিযোগ করতেন পুলিশের বিরুদ্ধে। এবার শাসকেরই রোশের মুখে পুলিশ। পরবর্তীতেও এই দুই নেতা সংবাদমাধ্যমের সামনে তাদের বক্তব্য অনড় থেকেছেন। তবে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তাঁদের বক্তব্যকে তাদের ব্যক্তিগত বক্তব্য বলে দায় এড়িয়ে গিয়েছেন।

    তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে, সরব বিজেপি

    তৃণমূলের এই বক্তব্য নিয়ে মালদার (Malda) বিজেপি নেতা কিষাণ কেডিয়ার কটাক্ষ, তৃণমূল এই সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত। আসলে রাজ্যজুড়ে ইডির হানা চলছে। হয়ত এরপর হরিশ্চন্দ্রপুরেও আসতে পারে। তাই, তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share