Tag: tmc leader

tmc leader

  • BJP: বন্দরে আটক ২০০ কোটি টাকার হেরোইন আসছিল তৃণমূল নেতার জন্য?

    BJP: বন্দরে আটক ২০০ কোটি টাকার হেরোইন আসছিল তৃণমূল নেতার জন্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগে কলকাতা বন্দরে (Calcutta Port) আটক হয়েছিল ২০০ কোটি টাকার হেরোইন। ওই হেরোইন দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক তৃণমূল (TMC) নেতাকে সরবরাহ করার জন্যই নিয়ে আসা হয়েছিল বলে দাবি বিজেপির (BJP)। হেরোইন (Heroin) এসেছিল শরিফুল এন্টারপ্রাইজের নামে। গিয়ার বক্সে লুকিয়ে কন্টেনার ভর্তি করে নিয়ে আসা হয়েছিল মাদক। বৃহস্পতিবার দলের রাজ্য  দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে এই অভিযোগ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।

    যে পথে পাচার…

    তাঁদের দাবি, শরিফুল এন্টারপ্রাইজের মালিক শরিফুল ইসলাম মোল্লা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত। বিজেপির দাবি, শরিফুল সন্দেশখালি এক ও দুই নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি শিবু হাজরা ও শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ। সম্প্রতি বন্দরে ধরা পড়ে ৪০ কিলোগ্রামে হেরোইন। যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকা। বিজেপির এই দুই রাজ্য কর্তার দাবি, এই মাদক পাচারের সঙ্গে রাজ্যের দুই মন্ত্রীও যুক্ত। যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসক দল।   

    আরও পড়ুন: গার্ডেনরিচে তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য

    চলতি মাসের ৯ তারিখে গুজরাট পুলিশের এটিএফ তল্লাশি চালায় কলকাতা বন্দরে। বাজেয়াপ্ত হয় দুশো কোটি টাকার হেরোইন। বিজেপির দাবি, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ওই পরিমাণ হেরোইন বুক করা হয়েছিল। মোট ৬০৫টি প্যাকেটে এবং আড়াই হাজার কিলোগ্রাম স্পেয়ার পার্টেসের সঙ্গে লুকিয়ে আনা হয়েছিল ওই মাদক। বন্দরে মাদক পড়ে রইলেও, শরিফুল তা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিয়ে যাননি। পদ্ম শিবিরের দাবি, দূষণ সংক্রান্ত সার্টিফিকেটের সমস্যার কথা জানিয়ে বন্দর থেকে ওই মাদক ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়নি। পরে বাজেয়াপ্ত করা হয় কন্টেনার। বিজেপির অভিযোগ, এর পরে পরেই হাওয়া হয়ে যান শরিফুল। তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গেরুয়া নেতৃত্ব।

    সুকান্ত বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন সিবিআইয়ের থেকে রাজ্যের সিআইডি বেশি কার্যকর। সেই কারণে আমি চাইব, শরিফুল কোথায় আছেন, রাজ্যই তা খুঁজে বার করুক। জানা গিয়েছে, শরিফুলের এক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সন্দেশখালির ব্লক ২ এর তৃণমূল সভাপতি শেখ শাহজাহান রাজ্যের এক মন্ত্রীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেন। দুর্নীতির কারণে সম্প্রতি ওই মন্ত্রীর দফতর বদল হয়েছে বলেও মনে করিয়ে দেন বিজেপির ওই দুই নেতা। মাদক ব্যবসার জন্য একশো কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল। শরিফুল ওই টাকা কোথায় পেয়েছিলেন, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার বলেও দাবি করেন সুকান্ত। শরিফুলের সঙ্গে তৃণমূলের দুই নেতার ফোনে কথাবার্তার রেকর্ডিং তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান সুকান্ত ও জগন্নাথ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Anubrata Mondal: সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যায় হেফাজত,  রাতেই  নিজাম প্যালেস! বৃহস্পতিবার অনুব্রতর সারা দিন

    Anubrata Mondal: সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যায় হেফাজত, রাতেই নিজাম প্যালেস! বৃহস্পতিবার অনুব্রতর সারা দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সকালে গ্রেফতার। সন্ধ্যায় সিবিআই হেফাজত। আপাতত দশ দিন সিবিআই হেফাজতে রাখার নির্দেশ অনুব্রত মণ্ডলকে। রাত পৌনে তিনটে নাগাদ অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই নিয়ে এল কলকাতায় নিজাম প্যালেসে। এই নিজাম প্যালেসেই বারবার তলব করা হয়েছিল বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতিকে। কিন্তু ৯ বার এই ডাক এড়িয়ে যান তিনি। তাই বৃহষ্পতিবার সকালেই অনুব্রতর বাড়ি ঘিরে ফেলে সিবিআই। গেট বন্ধ থাকায় প্রায় আধ ঘণ্টার ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হয় গোয়েন্দাদের। তারপর গেট খুলিয়ে ঢুকতে হয়। গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতকে। বিকেল পাঁচটায় হাজির করানো হয় আসানসোলের বিশেষ আদালতে। সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শেষ হয় শুনানি। তারপর বিচারক জানান, ২০ আগস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকবেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই সঙ্গেই আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, হেফাজতে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্য কোথাও নয়, অনুব্রতকে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। 

    হাসপাতাল নয়, গেস্ট হাউসেই অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সোজা আসানসোলে (Asansol)। আসানসোলের কুলটিতে ECL-এর গেস্ট হাউসে থামে সিবিআইয়ের গাড়ি। সেখানেই তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। শীতলপুর গেস্ট হাউসে অনুব্রতের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করেন স্থানীয় কোলিয়ারির সাঁকতরিয়া হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। তাঁর রক্তচাপ মাপা হয় এবং বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দেওয়া হয় বলেও সূত্রের খবর। গেস্ট হাউসের বাইরে অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকে। অক্সিজেন সিলিন্ডারও মোতায়েন রাখা হয়। বীরভূমের এই দাপুটে নেতার (Anubrata Mondal) শারীরিক যে কোনও সমস্যার মোকাবিলা করতে যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা প্রস্তুত তা এই আগাম প্রস্তুতি থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়।

    ওই গেস্ট হাউসে অনুব্রতর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পরই তাঁকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। অনুব্রতর বিরুদ্ধে ৪১ পাতার চার্জশিট তৈরি করা হয়। তবে, হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে ECL-এর গেস্ট হাউসে কেন অনুব্রতর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সঙ্গে ওই গেস্ট হাউসে মোতায়েন ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। কেন্দ্রীয় জওয়ানরা পুরো গেস্ট হাউস বাইরে থেকে ঘিরে রাখেন। গ্রেফতারি মেমোতে কেষ্টকে সই করিয়ে বৃহস্পতিবারই সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা বীরভূমের তৃণমূল নেতাকে আদালতে তোলেন।

    আরও পড়ুন: গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    অনুব্রতকে আটক করা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। তবে অনুব্রতের আইনজীবী সঞ্জীব দাঁ বলেন, ‘‘অনুব্রতবাবুকে ৪১-এ ধারায় নোটিস দেওয়া হয়েছে। এই নোটিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়। গ্রেফতার নয়। ওঁকে আটক করা হয়েছে। আমার মক্কেল তদন্তে সহযোগিতা করবেন। তাতে সিবিআই সন্তুষ্ট হবে আশা রাখি।’’

  • Anubrata Mondal: ১০ দিনের সিবিআই হেফাজত অনুব্রতের! জানেন কী বলল আদালত

    Anubrata Mondal: ১০ দিনের সিবিআই হেফাজত অনুব্রতের! জানেন কী বলল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) গ্রেফতার বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই রায় শোনান বিচারক। এদিন আদালতে অনুব্রতর জামিনের আবেদনই করেননি তাঁরা আইনজীবী। সিবিআই তাঁকে ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে চায়। সূত্রের খবর, আজ রাতেই অনুব্রতকে কলকাতায় নিয়ে আসতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা।

    বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতারির পর বীরভূমের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতাকে বিকেল ৫টা নাগাদ আসানসোলে সিবিআই-এর বিশেষ আদালতে তোলা হয়। বিচারপতি রাজেশ চক্রবর্তী ধৃত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে পাঠান। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন বিচারপতি। আদালতের নির্দেশ, কোনও কারণে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজন পড়লে, অনুব্রতকে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে দেখাতে হবে। ওই সময় তাঁর দু’জন আইনজীবীকে সঙ্গে রাখতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ বি ধারা এবং আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনের ৭,১০,১১ এবং ১২ নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    অনুব্রতকে আদালতে নিয়ে পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়ায়। আদালত চত্বরে ‘চোর’, ‘গরুচোর’ বলে চিৎকার করে ওঠে উপস্থিত জনতা। অনেকে চটি হাতে তেড়ে যায়। বিক্ষোভ হয় আদালত ভবনের ভিতরেও। এর পর কোনওক্রমে অনুব্রতকে কোর্ট লকআপে ঢোকায় সিবিআই। অনুব্রতর আইনজীবী জানান, অনুব্রত অসুস্থ। তা সত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তখন অনুব্রতর কাছে তাঁর অসুস্থতার ব্যাপারে জানতে চান বিচারক। বিচারককে অনুব্রত বলেন, তাঁর শ্বাসকষ্ট রয়েছে। বুকে ব্লকেজ, ব্যথা রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপ, ফিসচুলা, কিডনিক সমস্যা এবং পা ফুলে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি।

    পালটা সওয়ালে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তাঁদের কাছে একাধিক প্রমাণ রয়েছে। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে তাতে মোটা টাকার লেনদেন হয়েছে। অনুব্রতকে জেরা করলে অনেক নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তাই তাঁকে ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে চায় সিবিআই। দুপক্ষের বক্তব্য শুনে অনুব্রত মণ্ডলকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। আগামী ২০ অগাস্ট ফের তাঁকে আদালতে পেশ করতে হবে।

  • Tapan Dutta: তৃণমূল নেতা তপন দত্ত খুনে সিবিআই হাইকোর্টের, ফাঁসতে পারেন কারা?

    Tapan Dutta: তৃণমূল নেতা তপন দত্ত খুনে সিবিআই হাইকোর্টের, ফাঁসতে পারেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ বালির তৃণমূল (tmc) নেতা তপন দত্ত (tapan dutta) খুনে সিবিআই (cbi) তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta highcourt)। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, এরপর থেকে তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যাবে সিবিআই। তাঁর আরও নির্দেশ, যেখানে তদন্ত করা প্রয়োজন, সেখানে ফের তদন্ত করবে সিবিআই। আদালতের নির্দেশ যারপরনাই খুশি নিহত তপনের স্ত্রী প্রতিমা দত্ত। তিনি বলেন, ১২ বছর পর সিবিআই পেলাম। আমার মনে হল এই প্রশাসনের মুখে থাপ্পড় মারতে পারলাম। 

    আরও পড়ুন : এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    জলাভূমি ভরাটের প্রতিবাদ করায় ২০১১ সালের ৬ মে খুন হন বালির তৃণমূল নেতা তপন দত্ত। ঘটনায় নাম জড়ায় তৃণমূলের স্থানীয় নেতাকর্মী সহ ১৩ জনের। ওই বছরই ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের তখতে এসেছে তৃণমূলের সরকার। স্বাভাবিকভাবেই দলীয় নেতা খুনে শোরগোল গোটা রাজ্যে। প্রথমে বালি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও, পরে তদন্তভার গিয়ে বর্তায় সিআইডির ওপর। তার পর কেটে গিয়েছে প্রায় এক যুগ। তার পরেও কিনারা হয়নি তপন খুনের। এদিন প্রতিমা বলেন, সিবিআইয়ের প্রতি আস্থা রয়েছে। ঘরে বন্দি থাকি। অপরাধীরা বাইরে ঘুরে বেড়ায়।

    আরও পড়ুন : একুশের ভোটে বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী আদতে বাংলাদেশি নাগরিক? বলছে হাইকোর্টের রায়

    তপন খুনের সাত দিনের মাথায় রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ২০১১ সালের ৩০ অগাস্ট মামলার চার্জশিট পেশ করে সিআইডি। চার্জশিটেও নাম ছিল হাওড়ার একাধিক তৃণমূল নেতার। ওই বছরেরই ২৬ সেপ্টেম্বর সিআইডি আদালতে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করে। সেখানে কোনও কারণ না দেখিয়েই বাদ দেওয়া হয় ন’জনের নাম। এঁরা প্রত্যেকেই হাওড়ার তৃণমূল নেতা। ২০১৪-র ডিসেম্বরে তথ্যপ্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পেয়ে যান চার্জশিটে নাম থাকা বাকি পাঁচ অভিযুক্তও। প্রতিমার দাবি, খুনের ঘটনায় হাওড়ার তৃণমূল নেতা (তথা রাজ্যের মন্ত্রী) অরূপ রায়, কল্যাণ বসু, ষষ্ঠী গায়েন-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা ও বিধায়ক জড়িত রয়েছেন। প্রথম চার্জশিটে অরূপের নাম ছিল বলেও জানান তিনি। এদিন হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পরে প্রতিমা বলেন, আশা করছি, এবার ন্যায়বিচার হবে। অপরাধীরা শাস্তি পাবে।

    প্রথম থেকেই সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিলেন প্রতিমা। ওই দাবিতে মামলা নিম্ন আদালত, কলকাতা হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে ফের কলকাতা হাইকোর্টে আসে। এদিন বিচারপতি বলেন, হাওড়া আদালত নয়, এরপর থেকে এই মামলার শুনানি হবে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে। সিআইডির কাছে মামলা সংক্রান্ত যেসব নথি, তথ্যপ্রমাণ রয়েছে, তা সিবিআইকে দিতে হবে। তদন্তে কোনও খামতি থাকলে তাও ফের করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

LinkedIn
Share