Tag: tmc

tmc

  • Durgapur: কাজ করছে না তৃণমূল পঞ্চায়েত! ঘেরাও করে বিক্ষোভ আন্দোলনে বিজেপি

    Durgapur: কাজ করছে না তৃণমূল পঞ্চায়েত! ঘেরাও করে বিক্ষোভ আন্দোলনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় এক বছর আগে পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। কিন্ত, উন্নয়ন করার বিষয়ে কোনও উদ্যোগই চোখে পড়ছে না। এমনই অভিযোগ তুলে পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর (Durgapur) মহকুমার কাঁকসা গ্রাম পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। এলাকায় উন্নয়ন করারও দাবি জানানো হয়।

    তৃণমূল বোর্ডের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ? (Durgapur)

    দুর্গাপুর (Durgapur) মহকুমার এই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এলাকার রাস্তাঘাট, নিকাশি, আলো সব কিছু দেখার কথা। কিন্তু, বাস্তবে সেই বিষয়ে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ। তাই, দীর্ঘদিন ধরে বেহাল পানাগড়ের অফিসপাড়া থেকে মাধবমাঠ পর্যন্ত নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। পঞ্চায়েতের অধিকাংশ রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। পাশাপাশি পানাগড় বাজারসহ আশেপাশের এলাকার যে সমস্ত হাইমাস্ট আলো লাগানো হয়েছিল, সেই আলোও এখন ঠিকমতো জ্বলে না। ফলে, সন্ধ্যা হলেই এলাকা অন্ধকারে ডুবে থাকে। এলাকায় উন্নয়নের একগুচ্ছ দাবি নিয়ে শুক্রবার সকাল ১১ টা থেকে কাঁকসা গ্রাম পঞ্চায়েত ঘেরাও করে সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এদিন যোগ দেন বর্ধমান সদরের বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি রমেন শর্মা, গলসি ৬ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পরিতোষ বিশ্বাস, কাঁকসা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যরা, বিজেপি নেতা পঙ্কজ জয়সওয়াল সহ অন্যান্যরা। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে অবস্থান করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পরে, কাঁকসা থানার পুলিশ পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের উঠিয়ে দেয়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    গলসি ছয় নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পরিতোষ বিশ্বাস বলেন, গত পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ার পর থেকে এলাকায় কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। একাধিক রাস্তাঘাট বেহাল, বেহাল হয়ে রয়েছে এলাকার একাধিক নিকাশি-নালা। পঞ্চায়েত বোর্ড নাগরিক পরিষেবা উন্নত করার বিষয়ে নজর দিচ্ছে না।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    কাঁকসা ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য বলেন, নিকাশি নালা পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে করা সম্ভব নয়। এলাকার মানুষকে সচেতন হতে হবে। তবে, বাকি সব উন্নয়ন পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। ওরা রাজনীতি করার জন্য এসব করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে প্রণামের জের! সুবল মান্নাকে সরাতে অনাস্থার অস্ত্রে শান তৃণমূলের

    Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে প্রণামের জের! সুবল মান্নাকে সরাতে অনাস্থার অস্ত্রে শান তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতা শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) প্রণাম করার মাশুল এভাবে দিতে হবে, তা ভাবতে পারছেন না কাঁথি পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবল মান্না। তাঁকে পদ থেকে সরাতে পুরসভার একটি বড় অংশের কাউন্সিলরদের নিয়ে ইতিমধ্যে বৈঠকও সেরে ফেলেছেন শাসকদলের নেতারা। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Sisir Adhikari)

    কয়েকদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে সাংসদ শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari) হাজির ছিলেন। সেখান সুবলবাবুও আমন্ত্রিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখিয়ে তিনি সকলের সামনে শিশিরবাবুকে প্রণাম করে রাজনৈতিক ‘গুরু’ করে সম্বোধন করেন। এটা সামনে আসতেই জোর বিতর্ক তৈরি হয়। দলের পক্ষ থেকে প্রথমে তাঁকে শো-কজ করা হয়। পরে, তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। শুধু তাই নয় ইতিমধ্যেই দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকও করেছেন তিনি। কিন্তু, কোনও নির্দেশই নাকি টলাতে পারছে না সুবলবাবুকে। পদত্যাগ করা তো দূরের কথা, নিয়মিত অফিসে যাচ্ছেন এই তৃণমূল নেতা। তাই এবার কড়া পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সুবলবাবুর স্পষ্ট বক্তব্য, আমি রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখিয়েছি। সেই বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বকে আমি বলেছি।

    অনাস্থার পথে দলীয় কাউন্সিলররা!

    কাঁথি পুরসভায় মোট কাউন্সিলরের সংখ্যা ২১। সুবল মান্নাকে নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলর রয়েছেন ১৭ জন। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পীযূষ পণ্ডা এক জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে ১৬ জন কাউন্সিলর হাজির ছিলেন। রাত সাড়ে ৯ টা নাগাদ শুরু হয় সেই বৈঠক, চলে রাত প্রায় ১১ টা পর্যন্ত। প্রত্যেকেই সুবলের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে সম্মত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শীর্ষ নেতৃত্বের সবুজ সংকেত মিললেই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হতে পারে। ফলে, সুবলকে সরাতে দলের অন্দরে জোর তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভাঙড়ে জোর করে জমি দখল! অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: ভাঙড়ে জোর করে জমি দখল! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোর পূর্বক জমি দখল করে সেই জমিতে বিল্ডিং তৈরি করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনারে (South 24 Parganas) ভাঙড়ের লেদার কমপ্লেক্স থানার হাতিশালা এলাকায়। আর শাসক দল হওয়ায় কেউ এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)  

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড়ের হাতিশালা দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা সমীর ঘোষ। তিনি বলেন, ১৯৫৪ সালে আমি জমি কিনেছিলাম। সেই জমি আমাদের দখলেই রয়েছে। কিন্তু, সেই জমি জোর করে দখল করে নেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল নেতা রশিদ মোল্লা, রিন্টু মোল্লা ও ছুন্নত মোল্লা সহ তাঁর  দলবল জোর করে জমি দখল করে সেই জমিতে বিল্ডিং তৈরি করার কাজ করছেন। জানা গিয়েছে, এই রশিদ মোল্লা হচ্ছেন ভাঙড় দু নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ তুহিনা বিবির স্বামী। এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা তিনি। তাঁর নেতৃত্বের জোর করে জমি দখল করার অভিযোগ উঠেছে। কাজ বন্ধ করার জন্য নিষেধ করলেও তা উপেক্ষা করে কাজ করছেন। এ বিষয়ে কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদ সদস্য হাকিমূল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি। যদি এরকম ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে দলের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দল এই ধরনের ঘটনাকে সমর্থন করে না।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি নেতা বিকাশ সর্দার বলেন, তৃণমূল নিজেদের ক্ষমতা দেখাচ্ছে। তৃণমূলের অত্যাচারে নিজের জমিও রাখতে পারছে না। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। রাজ্যজুড়ে এসব চলছে। এই ধরনের ঘটনা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অবিলম্বে জমি হাঙরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: নির্মল ঘোষের পানিহাটি উৎসবে মহিলা পুলিশকর্মীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীরা অধরা

    Panihati: নির্মল ঘোষের পানিহাটি উৎসবে মহিলা পুলিশকর্মীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীরা অধরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কিংবা উৎসবে ভিড়ের মধ্যে শ্লীলতাহানি বা কোনও অপরাধ রুখতে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের উদ্যোগে বিশেষ বাহিনী তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মীরা তো রয়েইছে। এসবের পরও এক মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের শ্লীলতাহানির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে পানিহাটিতে (Panihati)। তিনি বর্তমানে রাজ্য পুলিশের র‍্যাফে কর্মরত রয়েছেন। ইতিমধ্যেই নির্যাতিতা পুলিশকর্মী খড়দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু, ঘটনা ঘটার পর প্রায় এক সপ্তাহ হতে চলল, পুলিশ অভিযুক্তদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    গত ২৩ ডিসেম্বর পানিহাটি (Panihati) উৎসবে ডিউটিতে গিয়েছিলেন ওই পুলিশকর্মী। গায়ে উর্দি পরেছিলেন তিনি। ঘড়িতে তখন রাত আনুমানিক দশটা থেকে সাড়ে দশটা। অভিযোগ, সেই সময় একদল মদ্যপ যুবক র‍্যাফের ওই মহিলা কর্মীর সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। অভিযুক্তরা স্থানীয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। ওই মহিলা পুলিশকর্মীর শ্লীলতাহানিও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে মহিলা পুলিশকর্মী বলেছিলেন, আমাকে সেখানে গালিগালাজ করা হয়েছিল। এমনকী ধাক্কাধাক্কির সময় অভব্য আচরণও করা ও হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যে সেখানে কর্তব্যরত অন্যান্য পুলিশ অফিসাররা এসে আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করেছিলেন। এরপরই খড়দা থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ জানাই।

    বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সরব হয়েছেন

    এই বিষয় নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার স্যোশাল মিডিয়ায় মহিলার অভিযোগপত্র তুলে ধরে লিখেছেন, বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ পরিচালিত পানিহাটি (Panihati) উৎসবে তৃণমূলের এক কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এক মহিলা পুলিশকর্মীকে হুমকি, গালিগালাজ ও শ্লীলতাহানি করা হয়। ৬দিন হতে চলল পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। রাজ্যে নারী সুরক্ষার হাল এতটাই খারাপ যে সাধারণ মহিলা তো বটেই , কর্তব্যরত মহিলা পুলিশও ছাড় পান না তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত থেকে।

    অভিযোগে কী লিখেছেন মহিলা পুলিশ কর্মী?

    অভিযোগপত্রে মহিলা পুলিশকর্মী কাউকে চিনতে না পারার কারণে, কারও নাম উল্লেখ করেননি। এফআইআর-ও দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ থেকে শুরু করে সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা, কর্তব্যরত সরকারি কর্মীর উপর চড়াও হওয়া-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত চালাচ্ছে খড়দা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় আতঙ্কিত সাধারণ মহিলারা। তাঁদের বক্তব্য, পুলিশ কর্মী সুরক্ষিত না হলে সাধারণ মহিলাদের নিরাপত্তা কে দেবে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “ধান্দাবাজ, জমি মাফিয়া, চোর, তোলাবাজ”, পোস্টারে তৃণমূল বিধায়কের ‘কাজের স্বীকৃতি’

    Howrah: “ধান্দাবাজ, জমি মাফিয়া, চোর, তোলাবাজ”, পোস্টারে তৃণমূল বিধায়কের ‘কাজের স্বীকৃতি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হাওড়ার ডোমজুড়ে পোস্টার-বিতর্কে ঝড় উঠল দিনভর। বুধবার সকালেই ডোমজুড়ের (Howrah) বাঁকড়া ১, ২, ৩-তিনটি অঞ্চলেই বেশ কিছু জায়গায় বিধায়ক কল্যাণ ঘোষের নাম জড়িয়ে ছাপানো ফ্লেক্স-পোস্টার দেখা যায়। উল্লেখ্য, বছরখানেক আগেও কল্যাণের নামে এরকম পোস্টার পড়ায় বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এদিনের পোস্টারে সকলকে ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি কল্যাণ ঘোষের নামে ধান্দাবাজ, জমি মাফিয়া, চোর, তোলাবাজ ইত্যাদি বিশেষণ যুক্ত করা হয়েছে। পোস্টারে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৩ সালে সাধারণ মানুষের কোনও কাজ করা হয়নি। কিন্তু বিধায়ক নিজের প্রভাব খাটিয়ে সলপ হাই রোডে রাস্তার ওপর ১০টা বড় জমি দখল করে নিয়েছেন। পোস্টারের নীচে প্রচারে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীবৃন্দ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিরোধীরা আড়ালে বলছেন, এ তো তৃণমূল বিধায়কের কাজেরই স্বীকৃতি। 

    কোন্দলেরই ফল? (Howrah)

    এই পোস্টারের বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিরোধীদের দিকে আঙুল তোলা হচ্ছে। কিন্তু বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট ভাবে ঘটনায় তাদের কোনও হাত নেই বলে জানানো হয়েছে। তৃণমূলেরই অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জন্য কল্যাণের বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজন এই ঘটনায় যুক্ত থাকতে পারে বলে তারা দাবি করেছে। সিপিএম নেতা (Howrah) উত্তম বেরা বলেন, ‘এর আগেও কল্যাণ ঘোষকে কোণঠাসা করার জন্য ওঁর বিরোধী গোষ্ঠী সক্রিয় ছিল। ওঁকে জেলা পরিষদ আসনে গোঁজ প্রার্থী দিয়ে ভোট লুট করে হারানো হয়েছিল, একথা সবাই জানে। ওদের দলের কোন্দল রয়েছে। তারই ফল এই পোস্টার।’

    “জমি মাফিয়ারা কুৎসা রটাচ্ছে”

    কিন্তু যাঁর বিরুদ্ধে এই পোস্টার, সেই কল্যাণ ঘোষ বিরোধী বা দলের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর কারও নাম নেননি। তাঁর বক্তব্য, ‘তিনি বিধায়ক (Howrah) হওয়ার আগের দশ বছরে জমি মাফিয়া ও তোলাবাজরা একতরফা প্রচুর তোলা তুলেছে ও জমি দখল করেছে। তিনি বিধায়ক হওয়ার পর সেসব বন্ধ করেছেন বলেই তাঁর ওপর আক্রোশ থেকে সেইসব জমি মাফিয়ারাই কুৎসা রটাচ্ছে। এতে লাভ কিছু হবে না বলেও আত্মবিশ্বাসী তৃণমূলের হাওড়া সদরের সভাপতি কল্যাণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC leader: বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা সংসদ সভাপতির! চরম বিতর্কে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী

    TMC leader: বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা সংসদ সভাপতির! চরম বিতর্কে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মঙ্গলবার বর্ধমানের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সার্থক বংশধর বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে বলেছিলেন, ‘মমতা যথার্থ উত্তরসূরী’। এবার এই বিতর্কের মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিকে বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা করলেন হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথিরিটির চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক (TMC leader) তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর। আর তাই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কী বললেন প্রাক্তন বিধায়ক (TMC leader)?

    পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর বিধানসভা এলাকার একটি মেলায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর (TMC leader) বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষার ভার বিদ্যাসাগরের পরে যাঁর ওপর পড়েছে, তিনি হলেন হাবিবুর রহমান।” এর পরেই ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। সত্যিই কি বিদ্যাসাগরের পরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হাবিবুরকেই? উল্লেখ্য, পরে প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী ভুল স্বীকার করে নেন। তিনি বলেন, “অনেক লোকজন ছিল, তাই হয়তো একটু ভুল বলা হয়েছে।”

    প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, “পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্রের সঙ্গে আমার তুলনা ভাবা যায় না। বিদ্যাসাগরের কাছে আমি অত্যন্ত নগণ্য মানুষ। তবে তিনি (TMC leader) হয়তো অন্য কিছু বলতে চেয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষার দায়িত্বে যেহেতু বিদ্যাসাগর ছিলেন, তাই বিদ্যাসাগরের সঙ্গে এই তুলনা ঠিক নয়।”

    মমতা চৈতন্যের উত্তরসূরী

    রাজ্যে বাঙালি মহাপুরুষদের সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর তুলনা টেনে বারবার বিতর্ক তৈরি করেছেন তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা (TMC leader)। তাই বিরোধীদের অভিযোগ, এই ধরনের কথা বলে মমতার স্নেহধন্য হওয়ার একটা প্রতিযোগিতা চলছে রাজ্যে। ব্রাত্য বসু বলেছেন, মমতা চৈতন্যের ‘উত্তরসূরী’, ডাক্তার নির্মল মাজি বলেছেনে, মমতা ‘সারদা দেবী’। আবার তৃণমূলের আরও অনেক জেলার নেতা মমতাকে বলেছেন, লতা মঙ্গেশকর, সচিন, আবার কখনও ভগ্নী নিবেদিতাও। বিরোধীদের বক্তব্য, বাংলার মহাপুরুষদের সঙ্গে তুলনা করে কার্যত বাংলার সংস্কৃতিকেই ছোট করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি করায় নেই সরকারি সাহায্য! শীতে রাত কাটছে খোলা আকাশের নীচে

    South 24 Parganas: বিজেপি করায় নেই সরকারি সাহায্য! শীতে রাত কাটছে খোলা আকাশের নীচে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করার ‘অপরাধে’ খোলা আকাশের নীচে দিন কাটাতে হচ্ছে বৈদ্য পরিবারকে। রাজ্যে বিরোধী রাজনীতি করাটা যেন অন্যায়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) শাসকদল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল বিরোধীরা। এমনকী একাধিক জায়গায় বোমা বিস্ফোরণ এবং রাজনৈতিক হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল জেলার রাজনীতি। এবার ফের একবার কেবলমাত্র বিজেপি করার জন্য সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। 

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার কোথায় ঘটেছে (South 24 Parganas)?

    এলাকায় (South 24 Parganas) জল প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে ভাঙা পড়েছে আস্ত বাড়ি। এরপর থেকেই শীতে খোলা আকাশের নীচে অসহায় ভাবে বাস করতে হচ্ছে গোটা পরিবারকে। প্রশাসনকে জানিয়েও মেলেনি কোনও সুরাহা। অগত্যা শীতকালে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার থানা এলাকার গাববেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রামেশ্বরপুর গ্রামের বৃদ্ধা স্বর্ণলতা বৈদ্য ও তাঁর পরিবার।

    পরিবারের বক্তব্য

    অসহায় পরিবারের (South 24 Parganas) পক্ষে বিধবা বৃদ্ধা স্বর্ণলতা বৈদ্য অভিযোগ করেন, “এলাকায় জলের পাইপ লাইনের কাজ করার সময় গত নভেম্বর মাসের ৩০ তারিখ আমাদের বাড়িটি ভেঙে পড়ে গিয়েছিল। এখন তাই থাকতে হচ্ছে খোলা আকাশের নীচে। সমস্যার কথা স্থানীয় পঞ্চায়েতকে জানালে, পঞ্চায়েত থেকে মাত্র একটি ত্রিপল দেওয়া হয়েছিল। এলাকায় বিজেপি করি বলে প্রশাসন সহযোগিতা করছে না। এখন আমাদের দরকার একটি বাড়ির।” পরিবারের আরও এক সদস্য জয়ন্ত বৈদ্য বলেন, “স্থানীয় প্রশাসন, শাসকদলের নির্দেশেই সাহায্য করছে না। কিন্তু প্রশাসন যদি তাদের সাহায্য করে, তাহলে হয়তো শীত থেকে একটু নিস্তার পেতে পারেন তাঁরা।

    সরব বিজেপি

    এলাকার (South 24 Parganas) বিজেপি নেতা রণজিৎ হালদার বলেন, “ওই বৃদ্ধার পরিবারের লোকজন বিজেপি কর্মী। তাই ইচ্ছাকৃত ভাবে তাদের বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও সাহায্য করছে না।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অবশ্য এই ঘটনায় গাববেড়িয়া (South 24 Parganas) পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান সুবীর সর্দার বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ওই বৃদ্ধাকে আপৎকালীন একটি ত্রিপল দেওয়া হয়েছে। তবে যেহেতু পিএইচই=র পক্ষ থেকে কাজ করা হচ্ছে, ফলে এখানে কিছুই করার নেই। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে যতটা সম্ভব সাহায্য করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: শিশির অধিকারীকে প্রণাম করেই পদ খোয়ালেন তৃণমূল পুরসভার চেয়ারম্যান

    Purba Medinipur: শিশির অধিকারীকে প্রণাম করেই পদ খোয়ালেন তৃণমূল পুরসভার চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা সাংসদ শিশির অধিকারীকে প্রণাম করার কড়া মাশুল দিতে হল তৃণমূল পরিচালিত কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান সুবল মান্নাকে। এক প্রণামেই নিজের পদ খোয়ালেন তিনি। কারণ, দল স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, পদে তাঁকে ইস্তফা দিতে হবে। আর এই নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরে (Purba Medinipur) রাজনীতির আঙ্গিনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঘটনা কেন ঘটল (Purba Medinipur)?

    উল্লেখ্য তৃণমূল দলের তরফ থেকে প্রথমে ঘটনার কারণ দর্শাতে বলা হয়। এরপর তাঁকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিতে বলা হয়। যদিও চেয়ারম্যানের প্রথমে বক্তব্য ছিল, ‘আমি পদত্যগের বিষয়ে কিছুই জানি না’। পরে অবশ্য পদত্যাগ করেছেন। সবটা মিলিয়ে জেলার বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এমনটা করা হয়েছে।

    তৃণমূলের অন্দরে অনেক অভিযোগ

    সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল দলের ভিতরেই এই কাঁথির (Purba Medinipur) পুরপ্রধান সুবল মান্নাকে নিয়ে আগে অনেক অভিযোগ উঠেছে। এলাকায় একনায়কতন্ত্রের অভিযোগে স্থানীয় তৃণমূলের কাউন্সিলররা সরব হয়েছেন। দলের সঙ্গে একপ্রকার দূরত্বও তৈরি হয়েছে মান্নার। এই রকম অবস্থার মধ্যে এক অনুষ্ঠানে হাত উঁচু করে প্রথমে নমস্কার করেন এবং এরপর শিশিরবাবুর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন তিনি। সেই ছবিকে ঘিরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এরপর দল এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় বলে জানা যায়।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের পুরপ্রধান (Purba Medinipur) সুবল বিশ্বাস বলেন, “আমি একজন বয়স্ক মানুষকে সম্মান জানাতে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছি। কেবলমাত্র সম্মান দেখানোর জন্যই আমার এই সৌজন্য। কিন্তু আমার দলের লোকেরা বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। তাই ওই দিন শো-কজ করা হয়েছে আমাকে।” পরে অবশ্য জানা গিয়েছে, সুবলবাবু নিজে দলের নির্দেশে কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি নিজে সংবাদ মাধ্যমকে বিবৃতি দিয়ে আরও বলেন, “দলের প্রত্যেক কথা মেনেছি। দলের বাইরে গিয়ে তেমন কাজ করিনি। দলের কাছে বিনম্র ভাবে বলব, আমার কোনও কাজে ক্ষুন্ন হলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।”

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যকে হাঁসুয়ার কোপ! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Malda: শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যকে হাঁসুয়ার কোপ! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে তৃণমূলের এক  নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বাবা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) মোথাবাড়ি থানার উত্তর পঞ্চানন্দপুর এলাকায়। আক্রান্ত পঞ্চায়েত সদস্যের নাম রথীন সরকার এবং তাঁর বাবার নাম শ্যামল সরকার। এই ঘটনায় আক্রান্ত পঞ্চায়েত সদস্য হামলাকারী তৃণমূল নেতা বাপি সরকার ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    আক্রান্তকারী পুলিশকে কী বললেন? (Malda)

    আক্রান্ত তৃণমূল নেতার বাড়ি মালদার (Malda) মোথাবাড়ি থানার উত্তর পঞ্চানন্দপুর এলাকায়। পুলিশকে অভিযোগকারী আক্রান্ত তৃণমূল নেতা রথীন সরকার বলেন, ‘এলাকায় দলীয় একটি কর্মসূচির জন্য ফ্ল্যাগ ও ফেস্টুন টাঙানোর কাজ চলছিল। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আমিও সেখানে ছিলাম। সেই সময় তৃণমূল নেতা বাপি সরকার তাঁর দলবল নিয়ে এসে গোলমাল শুরু করেন। প্রতিবাদ করলে হাঁসুয়া দিয়ে আমার ওপর হামলা চালান। মাথায় কোপ মারতে গেলে হাত দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করি। আমার বাবা ঘটনাটি দেখতে পেয়ে ছুটে আসে। ওরা বাবাকেও মারধর করে। তারপর আমার চিৎকার শুনে স্থানীয় তৃণমূলের কার্যালয় থেকে কর্মীরা ছুটে আসলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পুরো বিষয়টি নিয়ে হামলাকারী বাপি সরকার ও তাঁর ভাই টনি সরকার-সহ দলবলের বিরুদ্ধে মোথাবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।’

    হামলাকারী কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই তৃণমূল নেতা বাপি সরকার বলেন,’ঘটনাটি মিথ্যা। এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। বরং, রাস্তা ঘিরে ওরা কাজ করছিল। প্রতিবাদ করাতেই পাল্টা তৃণমূলের নির্বাচিত পঞ্চায়েতে সদস্যের দলবল আমার ওপর হামলা চালায়। মোথাবাড়ি থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।’

    জেলা নেতৃত্ব কী বললেন?

    তৃণমূলের মালদা (Malda) জেলা সহ- সভাপতি দুলাল সরকার বলেন, ‘অন্যায়ভাবে দলের এক নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: দলীয় কর্মীকেই ধান তুলতে বাধা! তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির ফতোয়ায় কোন্দল প্রকাশ্যে

    Paschim Medinipur: দলীয় কর্মীকেই ধান তুলতে বাধা! তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির ফতোয়ায় কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠেই পড়ে রয়েছে পাঁচ বিঘা জমির ধান। সেই ধান কাটা যাবে না তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির অনুমতি ছাড়া! এবার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঘটনাটি  ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur)  শালবনি ব্লকের শালবনি ৩ নম্বর অঞ্চলের সিদাডিহি গ্রামে। তৃণমূল কর্মীকে তৃণমূল নেতারই ফতোয়া দেওয়ার ঘটনায় দলের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি (Paschim Medinipur) 

    পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) সিদাডিহি গ্রামে বাড়ি কৃষক তথা তৃণমূলের আদি কর্মী চিরঞ্জীব খানের। তিনি বলেন, প্রায় এক মাস বিঘা পাঁচেক জমির ধান কাটতেই দিচ্ছেন না দলেরই নেতা তথা অঞ্চল সভাপতি অসিত ঘোষ। ধান কাটার জন্য আগে অনুমতি নিতে হবে, তবেই ঘরে উঠবে ধান। ফলে মাঠের ধান পেকে গেলেও তা মাঠেই পড়ে রয়েছে। বারবার আমি ধান কাটার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলেই হুমকি দিচ্ছেন অঞ্চল সভাপতি। জেলা নেতৃত্ব থেকে পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানালেও কোনও সুরাহা হয়নি। ব্লক নেতৃত্ব নেপাল সিংহ সরাসরি ঘটনা স্বীকার না করলেও তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি সঠিক কী ঘটেছে জানা নেই, তবে আমরা অভিযোগ পাওয়ার পরেই উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। শুনেছি তিনি কিছু ধান বাড়িতে তুলেছেন। বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি।’ অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি অসিত ঘোষ বলেন, এই ধরনের ফতোয়া কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। আমি চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখুক।

    জেলা তৃণমূলের সভাপতি কী বললেন?

    পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, এরকম ঘটনা ঘটে থাকলে তিনি জেলা কার্যালয়ে এসে অভিযোগ জানান। আমাদের দল বা আমাদের নেত্রী এমন দলবিরোধী কাজে বিশ্বাসী নয়। তিনি যে দলেরই কর্মী হোন না কেন অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না। ওই ব্যক্তি তাঁর চাষের ধান যাতে বাড়িতে তুলতে পারেন আমরা তাঁর ব্যবস্থা করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share