Tag: tmc

tmc

  • Purba Medinipur: দলের মণ্ডল সম্পাদকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিজেপির ১২ ঘণ্টার বন‍্‍ধ

    Purba Medinipur: দলের মণ্ডল সম্পাদকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিজেপির ১২ ঘণ্টার বন‍্‍ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিথ্যা অভিযোগে পুলিশ বিরোধী দলের কর্মীদের গ্রেফতার করছে, এ রাজ্যে এটা কোনও নতুন ঘটনা নয়। বিজেপির অভিযোগ, খেজুরির বাঁশগোঁড়ায় (Purba Medinipur) ‘হার্মাদমুক্ত দিবস’ পালনকে ঘিরে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল দলের মণ্ডল সম্পাদক রবীন মান্নাকে। এবার এই গ্রেফতারের বিরুদ্ধে আজ সোমাবার বিজেপি খেজুরিতে ১২ ঘণ্টার বন‍্‍ধ পালন করল। বিজেপির দাবি, ধৃত বিজেপি নেতাকে নিঃশর্তে মুক্তি দিতে হবে। উল্লেখ্য, কয়লা পাচার-গরু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের মিথ্যা গাঁজা কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ার কথা বলতেন। সেই কথা সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিল এক সময়। বিরোধীদেরকে বারবার শাসক দলের অঙ্গুলি হেলনে পুলিশ মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে অত্যাচার করে, এই অভিযোগে ফের একবার শোরগোল পড়ল রাজ্য রাজনীতিতে।

    কেন গ্রেফতার করা হয়েছিল (Purba Medinipur)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৩ নভেম্বর খেজুরির বাঁশগোঁড়ায় (Purba Medinipur) ‘হার্মাদমুক্ত দিবস’ পালন করতে গেলে ব্যাপক গোলমাল বাধে। বিজেপির মণ্ডল সম্পাদক রবীন মান্নাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। গ্রেফতারের খবর শুনে শনিবার রাত সাড়ে দশটায় কাঁথি ফেরার সময় শুভেন্দু অধিকারী হাজির হন থানায়। এরপর কোনও কারণ ছাড়া বিজেপি কর্মীকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে তা জানতে চান তিনি। এমনকী গ্রেফতারের সময় অ্যারেস্ট মেমোতে সই করা হয়েছিল কিনা তাও জানতে চান। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “এটা অ্যারেস্ট নয়, পুলিশ অপহরণ করছে। আমি ওঁর স্ত্রীকে দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা করাবো।”

    খেজুরিতে বিজেপির বন‍্‍ধ

    মিথ্যা অভিযোগে বিজেপি কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করার প্রতিবাদে সোমবারে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে (Purba Medinipur) ১২ ঘণ্টার বন‍্‍ধ ডাকা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে ১৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। বিজপির মূল দাবি, “রবীন মান্নার নিঃশর্তে মুক্তি চাই”। এলাকায় সকাল থেকেই বিজেপি মিছিল করছে। বেশ কিছু রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পুলিশ বিজেপি কর্মীদের রাস্তা অবরোধ থেকে সরাতে গেলে পাল্টা রাস্তার মধ্যেই বিক্ষোভে বসেন।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Medinipur) তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, তাঁরা এলাকায় কর্মনাশা বন‍্‍ধ চান না। সকলকে দোকানপাট, বাজার খোলা রাখার আবেদন জানিয়েছি। সকলকে আমরা এলাকায় শান্তি রাখার আবেদন করেছি।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: আদালতের নির্দেশে ধরা পড়ল তৃণমূলের আবাস-দুর্নীতি! কী হয়েছে জানলে চমকে উঠবেন

    South 24 Parganas: আদালতের নির্দেশে ধরা পড়ল তৃণমূলের আবাস-দুর্নীতি! কী হয়েছে জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে যখন রাজ্যের শাসকদল শিক্ষা থেকে শুরু করে রেশন দুর্নীতির কাঁটায় বিদ্ধ, তখন ফের আবাস যোজনার দুর্নীতির ছবি উঠে এল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘি বিধানসভা এলাকায়। আদালতের নির্দেশে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। তদন্তে নেমে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় শাসকের দুর্নীতি নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগে সিলমোহর দিলেন মথুরাপুর ২ নং ব্লকের বিডিও।

    কীভাবে হয়েছিল এই আবাস দুর্নীতি? (South 24 Parganas)

    প্রতারিত উপভোক্তাদের বক্তব্য, আবাস যোজনায় নাম থাকা ব্যক্তির একটি করে আইডি নম্বর করা হয়েছিল বিডিও অফিস থেকে। তোলা হয়েছিল তাঁদের ভাঙা ঘরের ছবি। সেই আইডি নম্বরের পাশে বসানো হয়েছিল সেই ভাঙা ঘরের ছবিটি। পরে, তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ঠ লোকজনের একটা করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ওই আইডির সঙ্গে যোগ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে, প্রকৃত প্রাপকের পরিবর্তে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঢুকে যায় তৃণমূল নেতাদের অ্যাকাউন্টে। আর এতে সহযোগিতা করেছিল বিডিও অফিস ও পঞ্চায়েতের কিছু অসৎ আধিকারিক।

    আবাস দুর্নীতির বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নিলেন বিডিও?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুর দু নম্বর ব্লকের নগেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৭ জন গরিব মানুষের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকায় নাম উঠেছিল। আর সেই এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা শাসক দল আর প্রশাসনের আধিকারিকদের সহযোগিতায় অন্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে কে বা কারা তুলে নেয়। অবশেষে এই বিষয় নিয়েই নগেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের স্থানীয় বাসিন্দা দীপু বর নামে এক ব্যক্তি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এরপরই আদালতের নির্দেশে তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়। এই বিষয় নিয়ে মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক সেই এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা করে ফেরত দেওয়ার নোটিশ দিয়েছেন। এমনকী টাকা ফেরত না দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও কথা জানিয়েছেন বিডিও। তবে ইতিমধ্যে সাত-আটজনকে টাকা ফেরত দিতে নোটিশ পাঠালে তাঁদের মধ্যে অনেকেই জানান, কীভাবে তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছিল তাঁরা তা জানেন না। তাঁরা সেই টাকা দিয়ে ঘর করেছেন, এখন কোথা থেকে সেই টাকা ফেরত দেবেন। তবে, এই ২৭ জনের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন শাসকদলের ঘনিষ্ঠ কিংবা তাঁদের আত্মীয়স্বজন।

    দুর্নীতি ছাড়া তৃণমূল থাকতে পারে না, তোপ বিজেপির জেলা সভা

    মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি নবেন্দুসুন্দর নস্কর বলেন, জল ছাড়া যেমন মাছ থাকতে পারে না, ঠিক তেমনি দুর্নীতি ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেস থাকতে পারে না। শুধুমাত্র নগেন্দ্রপুরই নয়। গোটা রায়দিঘি বিধানসভা জুড়েই এরকম ভুরি ভুরি আবাস দুর্নীতি রয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের রায়দিঘির বিধায়ক অলক জলদাতা বলেন, পুরোটাই কোর্টের বিষয়। আমি এই বিষয়ে সেই ভাবে কোনও কিছু মন্তব্য করবো না। তবে, আমি এইটুকুই বলতে পারি, লিস্ট ওপর থেকে হয়ে আসে, এখানে কেন্দ্রীয় সরকারেরও দোষ রয়েছে। তবে, যারা যারা উপভোক্তা নয়, তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। তারা অবিলম্বে টাকাটা ফেরত দিয়ে দিক। তাহলে হয়তো বিষয়টা মিটে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: বিজেপি-র সভায় গেলে এলাকাছাড়া করে দেওয়া হবে, তৃণমূলের হুমকি-পোস্টার!

    Hooghly: বিজেপি-র সভায় গেলে এলাকাছাড়া করে দেওয়া হবে, তৃণমূলের হুমকি-পোস্টার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় ‘শাহি সমাবেশে’ বিপুল জমায়েতের ডাক দিয়েছে বিজেপি। আর সেই সভায় যাতে জমায়েত কম হয়, তা রজন্য উঠেপড়ে লেগেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। আড়ালে আবডালে নয়, একেবার প্রকাশ্যে পোস্টার দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সমাবেশে যাতে মানুষ যোগ না দেন, তার জন্য ভয় দেখাচ্ছে জোড়াফুল শিবির। সভায় গেলে এলাকাছাড়া করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।  চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) চুঁচুড়া পুরসভা এলাকায়। এখানকার এক নম্বর ওয়ার্ডের কেওটা বটতলা এলাকায় এই ধরনের পোস্টার দেখা যায়।

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে? (Hooghly)  

    ২৯ নভেম্বর ‘কলকাতা চলো’র ডাক দিয়েছে বিজেপি। ওই দিন ধর্মতলায় হবে প্রতিবাদ সভা। সেই সভায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে পোস্টার লাগানো হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। হুগলির (Hooghly) চুঁচুড়া-ব্যান্ডেলেও পোস্টার মারা হয়। বিজেপির সেই পোস্টারের উপর সাদা কাগজে ছাপানো লেখা পোস্টার মারা হয়েছে। তাতে লেখা, ‘কেন্দ্র আমাদের আবাসের টাকা দিচ্ছে না। এলাকা থেকে যাঁরা এই সভায় যাবেন, তাঁদের এলাকাছাড়া করে দেওয়া হবে। তলায় লেখা জয় বাংলা। স্থানীয়দের নজরে পড়ে এই পোস্টার। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    তৃণমূল ভয় পেয়ে এসব করছে, সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিজেপির হুগলি (Hooghly) সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, ‘তৃণমূল ভয় পেয়েছে। তাই এসব করছে। ওরা মানুষের আবাসের টাকা, একশো দিনের কাজের টাকা খেয়েছে। মানুষ এর জবাব দেবে। আর আমাদের প্রতিবাদ সভা বন্ধ করতে হাইকোর্টে গেল, কোনও কাজ হল না। এখন ভয় দেখাচ্ছে সভায় যাতে লোক না হয়। এসব করে কোনও লাভ হবে না। ধৰ্মতলা সভায় বহু মানুষের ভিড় হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, ‘বিজেপি পোস্টারের উপর নিজেরাই পোস্টার মেরে প্রচার চাইছে। ওদের সঙ্গে তিনগাছা লোক নেই। তৃণমূলের খেয়েদেয়ে কাজ নেই পোস্টার মারতে যাবে। মানুষ সব দেখছে বুঝছে, ২৪ সালে সব জবাব দিয়ে দেবে।’

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: লোকসভার আগে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বিজেপির, সুকান্তর হাত ধরে যোগদান

    Sukanta Majumdar: লোকসভার আগে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বিজেপির, সুকান্তর হাত ধরে যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। প্রায় শতাধিক কর্মী, সমর্থক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। বামফ্রন্ট থেকে বহু কর্মী, সমর্থকও বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি ব্লকের ভেটাহার এবং বেরোইল এলাকায় এই যোগদান কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিনের যোগদান কর্মসূচিতে সুকান্ত মজুমদার ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী  সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।

    এলাকায় উন্নয়ন করেনি তৃণমূল, সরব দলত্যাগী কর্মীরা

    এই বিষয়ে এক যোগদানকারী বলেন, আমাদের ভেটাহার এবং বেরোইল এলাকার রাস্তা খুবই খারাপ। কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে আমরা হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারিনা। আমরা আজ তৃণমূল ও বামফ্রন্ট ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলাম। আমরা জানি বিজেপি আমাদের গ্রামে উন্নয়ন করবে। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন,সবাই এখন বিজেপিতে যোগদান করবে। কারণ সবাই এখন বুঝতে পেরেছে বিজেপি এখন দেশটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেই কারণে এখন বিজেপিতে সবাই যোগাদান করছে।

    বীরভূমে তৃণমূলের বৈঠককে কটাক্ষ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    বীরভূমে তৃণমূলের গোষ্ঠীদন্দ্ব বিবাদ মেটাতে ময়দানে মমতা। নেত্রীর নির্দেশে তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকা নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, মমতা তৃণমূল এবং ভাইপো তৃণমূলের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই আছে। বীরভূম ব্যতিক্রম নয়, আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে এই দ্বন্দ্ব আরও বেশি প্রকট হবে। ওরা খেলা করবে আমরা খেলা দেখব।

    ভর্তুকি গ্যাসে এবার বায়োমেট্রিক নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষকে তোপ সুকান্তর

    ভর্তুকি গ্যাসে এবার বায়োমেট্রিক, লক্ষ্য আধার যাচাই, বিরোধীদের কটাক্ষ, আবার সাধারণ মানুষের হয়রানি বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিরোধীদের লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদির দেওয়া সাধারণ মানুষের জন্য গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে সেখান থেকে টাকা রোজগার করা। বিরোধীরা জানে যে নরেন্দ্র মোদি কাজ করছেন, দেশের স্বার্থে গ্যাস সিলিন্ডারের ভর্তুকি যত সাধারণ মানুষের কাছে যায় সেটা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এটা দেখা গেছে সাধারণ গ্যাস ব্যবহৃত হয় কমার্শিয়াল ক্ষেত্রে। এটা বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ।

     রাজ্যের হাসপাতালের বেহাল অবস্থা নিয়ে সরব সুকান্ত

    মুখ্যমন্ত্রীর শিলান্যাস করা হাসপাতালে ঝুলছে তালা এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এটাতো নতুন কিছু নয়, রাজ্যের প্রত্যেকটা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হাল বেহাল। মেডিকেল কলেজের নামে নীল সাদা বিল্ডিং করে দিয়েছে। কোনও ডাক্তার নেই। কোনও যন্ত্রপাতি নেই। গোটা রাজ্য জুড়েই একই চিত্র, শুধু নীল সাদা বিল্ডিং হয়েছে স্বাস্থ্য বলে কিছু নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    Durgapur: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে।” দুর্গাপুরের গোপালমাঠে চায়ে পে চর্চার অনুষ্ঠানে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি, সাংসদ দিলীপ ঘোষ। সেই সঙ্গে দুর্গাপুরের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যে যত কেলেঙ্কারি হচ্ছে, তার মাথায় মাননীয়া। যদি সবার শাস্তি হয় তাহলে কেন নয় মুখ্যমন্ত্রীর? তাই অপেক্ষা করুন, সব কেলেঙ্কারির তথ্য এবার সামনে আসবে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশির ভোট না পেলে তৃণমূল জিতবে না। বাংলাদেশের ওপর ভর করে তৃণমূল বেঁচে আছে।” সেই সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে তিনি বলেন, “মহুয়া সংসদে ইংরেজিতে গালিগালাজ করেন, টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন করেন। লিপস্টিক, পাউডার, স্নো নিয়েছেন।”

    পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর চক্রান্ত (Durgapur)

    দুর্গাপুরের জনসভায় বনগাঁর তৃণমূল নেত্রীর মন্তব্যকে ঘিরে দিলীপ ঘোষ কড়া সমালোচনা করেন। শুক্রবার বারাসতের জনসভায় বাংলাদেশিদের ভোটার কার্ড করে দেওয়ার প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী রত্না বিশ্বাস মন্তব্য করেছিলেন। শনিবার দুর্গাপুরের মায়াবাজার এলাকায় বিজেপির একটি কার্যালয়ে বিজায় সম্মেলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে এদিন বিকেলে ভারতীয় জনতা পার্টির সাংসদ দিলীপ ঘোষ যোগদান করেন। সেই সঙ্গে একটি জনসভাও করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ই। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাংলাদেশিদের ভোট না পেলে তৃণমূল জিতবে না। ওখান থেকে ভোটের প্রচার করতে খালি ভোটার নয়, নায়ক-নায়িকাদেরও নিয়ে আসা হয়। বাংলাদেশ থেকে টাকা আসছে, সোনা আসছে অনেক কিছু চলছে তৃণমূলের রাজত্বে। তার মধ্যে ভাগও আছে তৃণমূলের নেতাদের। সেই জন্য বাংলাদেশের ওপর ভর করে তৃণমূল জিততে চাইছে। আমরা বারবার বলছি, পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে। রত্না বিশ্বাস তারই উজ্জ্বল প্রমাণ।”

    মহুয়ার পাপের ঘড়া পূর্ণ!

    দুর্গাপুরে (Durgapur) সভাপতি দিলীপ ঘোষ বাংলাদেশিদের ভোটার কার্ড করার সমালোচনার পর, কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে বলেন, “ছবি দেখুন আপনারা। তাঁর কালো চশমার দাম জানেন? দুই লাখ টাকার গগলস! ভ্যানিটি ব্যাগের দাম এক লাখ টাকা! ঘড়ির দাম তিন লাখ টাকা! শুনেছেন কোনও দিন। সবই উপহার নিয়েছেন। তাঁর দিল্লির কোয়ার্টারে কোটি কোটি টাকা খরচ করে সংস্করণ করেছেন। বিনিময়ে দেশের সুরক্ষাকে বিক্রি করছেন মহুয়া। ওঁর পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এবার সিবিআই তদন্ত শুরু করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন জিনিস তৈরি করে দিল্লিতে পাঠিয়ে বাংলার নাক-কান কেটেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারল দলেরই লোকজন, কোন্দল প্রকাশ্যে

    South 24 Parganas: কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারল দলেরই লোকজন, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই তৃণমূল কর্মী সমর্থককে বেধড়ক মার অন্য গোষ্ঠীর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুর-১ নম্বর ব্লকের ঢোলা থানার ভগবানপুর এলাকায়। আর সেই সিসি টিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই অস্বস্তিতে তৃণমূল শিবির।

    সিসি টিভি ফুটেজে কী দেখা হল? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভগবানপুর এলাকায় স্থানীয় একটি কাঠের মিলের মধ্যে কয়েকজন দুষ্কৃতী ঢুকে কাঠ মিলের কর্মীদেরকে বেধড়ক মারধর করে। সেই হামলার ছবি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। সিসিটিভি ফুটেছে দেখা যাচ্ছে, একদল দুষ্কৃতী  ওই কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করছে। তবে, এই সিসিটিভি ফুটেজ এর সত্যদার যাচাই করেনি মাধ্যম নিউজ। ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন নিজাম উদ্দিন মোল্লা ও সাজিদুল রহমান মোল্লা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের প্রথমে কুলপি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হলে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক রঙ লেগেছে।

    পঞ্চায়েতে সিপিএমকে সমর্থন করার অপরাধে হামলা

    জখম তৃণমূল কর্মী নিজাম উদ্দিন মোল্লা ও সাজিদুল রহমান মোল্লার বক্তব্য, আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের পুরনো কর্মী। দলে সন্মান, গুরুত্ব না পেয়ে পঞ্চায়েতে সিপিআইএমকে সমর্থন করেছিলাম। এটাই ছিল অপরাধ। তারজন্যই ভগবানপুর এলাকার তৃণমূলের সদস্য নইম সাহার ঘনিষ্ঠ মইমুর পিয়াদা ও তাঁর নেতৃত্বে দুষ্কৃতী বাহিনী আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল সদস্য নইম সাহার সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বলেন, ‘নিজাম উদ্দিন মোল্লা ও সাজিদুর রহমান মোল্লাই মইমুর পিয়াদাকে বেধড়ক মারধর করেছে। তিনিও গুরুতর জখম হয়ে ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’ তবে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে ঢোলা থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে গোটা বিষয়ের তদন্ত শুরু করেছে ঢোলা থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatar: প্রকাশ্য সভায় বদলার নিদান তৃণমূল বিধায়কের মুখে, বিতর্ক

    Bhatar: প্রকাশ্য সভায় বদলার নিদান তৃণমূল বিধায়কের মুখে, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের সমাবেশ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো আগেই সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীদের উদ্দেশে। মূলত টার্গেট ছিল বিজেপি। তৃণমূল নেত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ৪ জনের বদলে ৮ জনকে জেলে ঢোকাবেন। এবার সেই সুরেই কার্যত সুর মেলালেন ভাতারের (Bhatar) তৃণমূল বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘বদল নয়, এবার বদলা চাইব’। তৃণমূল বিধায়কের এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

     ঠিক কী বলেছেন বিধায়ক? (Bhatar)

    ভাতাড়ের সিপিএমের পক্ষ থেকে ইনসাফ যাত্রা করা হয়েছিল। তার পাল্টা হিসাবে শুক্রবার ভাতারের (Bhatar) বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর নেতৃত্বে ভাতারের বলগোনা বাজার থেকে ভাতার বাজার পর্যন্ত একটি পদযাত্রা করা হয়। পদযাত্রা শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানগোবিন্দ অধিকারী বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমাদের নেত্রী সেদিন বলে দিয়েছেন, আমাদের চারজনকে জেলে ঢোকালে, আমরা আটজনকে ঢোকাবো। উনি আগে বলেছিলেন বদলা নয়, বদল চাই। কিন্তু এবার বদলা চাইব।’ এরপরেই সিপিএমকে নিশানা করে বিধায়ক বলেন, তোমরা কি করেছো সেটা তো আমরা জানি। এখনকার ১৯ বছরের যুবকরা জানে না তোমরা কি করেছো। কিন্ত, আমরা জানি, সেই হিসাব আমরা চাই।

    বাম আমলে সিপিএমের অত্যাচারের কথা স্মরণ করালেন তৃণমূল বিধায়ক

    ভাতারের (Bhatar) তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ২০১০ এর ১০ই জানুয়ারি বনপাস স্কুলের কাছে টোটন মল্লিককে মারা হয়েছিল বোম মেরে। পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী সে নিজের বোমাতেই নিজে মারা গিয়েছে। এরপর তিনি বলেন, ‘২০১১ সালের ৩০ শে জানুয়ারি তেঁতুলতলায় আমাকে গুলি করা হয়েছিল, তখন পুলিশগুলিটাকে বাজেয়াপ্ত করেছিল। এক পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম গুলিটা কি হল,যেটা বাজেয়াপ্ত করেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, বড় সাহেবের নির্দেশে গুলিটা দেখায়নি। ইনসাফ তো আমরা চাই, তোমরা কি চাইবে?’

    বামেদের পাশে লোক দেখে তৃণমূল আতঙ্কিত, সরব সিপিএম নেতৃত্ব

    সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য অচিন্ত্য মল্লিক বলেন, ‘বদলার রাজনীতি, স্বৈরাচারী রাজনীতি নিয়ে চলছে, তৃণমূল ভয় পেয়েছে বামেদের পাশে লোক দেখে তাঁরা আতঙ্কিত।’ তাঁর কথায়, ১২ বছর ধরে ইনসাফ চাইতে পারলো না,এখন বলছে ইনসাফ চায়। এসব আর ওদের মানায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shyamnagar: তৃণমূল কাউন্সিলারের দাদা বলেই কি এত বেপরোয়া! কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে কী করেছেন জানেন?

    Shyamnagar: তৃণমূল কাউন্সিলারের দাদা বলেই কি এত বেপরোয়া! কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে কী করেছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ ছাত্রীকে বাড়িতে একা পেয়ে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল ভাটপাড়া পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলারের দাদার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শ্যামনগর (Shyamnagar) বাসুদেবপুর দিঘির পাড় এলাকায়। নির্যাতিতা জগদ্দল থানায় ওই তৃণমূল নেতার দাদা ভূদের ব্রহ্মের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় শাসক দল চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Shyamnagar)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কাউন্সিলার অরুণ ব্রহ্ম এলাকার দাপুটে কাউন্সিলার। ভাই শাসক দলের কাউন্সিলার বলে দাদা এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায়। এমনই অভিযোগ শ্যামনগর (Shyamnagar) বাসুদেবপুর দিঘিরপাড় এলাকাবাসীর। গত ২০ নভেম্বর সন্ধের ঘটনা। অভিযোগ, বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘরে ঢুকে পড়েন স্থানীয় কাউন্সিলর অরুণ ব্রহ্মের দাদা ভূদেব ব্রহ্ম ওরফে ভুট্টো। ফাঁকা বাড়িতে একা পেয়ে কুপ্রস্তাব দেন। কিন্তু, তাতে রাজি না হওয়ায় ওই কলেজ ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করেন তিনি। ভয়ে পরিবারের কাউকে জানাননি ওই কলেজ ছাত্রী। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। মেয়ের আচরণ দেখে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। তাঁরা চেপে ধরতেই পরিবারের লোকজনের কাছে সমস্ত বিষয়টি তিনি জানান। পরে, শনিবার মা-কে সঙ্গে নিয়ে জগদ্দল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই কলেজ ছাত্রী। পুলিশ ওই কলেজ ছাত্রীর বয়ানও রেকর্ড করেছে।

    প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকি, সরব নির্যাতিতা

    নির্যাতিতার বক্তব্য, বাবা, মা একটি কাজে বাড়ির বাইরে ছিলেন। আমি একাই ছিলাম। লঙ্কা চাইতে এসেছিলেন তিনি। আমি লঙ্কা দিতে দরজা খুলতেই তিনি আমাকে খারাপ প্রস্তাব দেন। রাজি না হলে তিনি আমার শ্লীলতাহানি করেন। আর বিষয়টি কাউকে বললে খুন করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। আমি ভয়ে কাউকে কিছু বলিনি। আমি এই ঘটনার বিচার চাই। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে জগদ্দল থানার পুলিশ।

      আইন আইনের পথে চলবে, সাফাই  তৃণমূল কাউন্সিলারের

    গোটা ঘটনায় ভাটপাড়া পুরসভা ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরুণ ব্রহ্ম চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন। শ্যামনগরের (Shyamnagar) রাস্তাঘাটে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করেছেন। এই ঘটনার পর তৃণমূল কাউন্সিলার বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। আমার দাদা যদি অপরাধ করেন আইন অনুযায়ী যা ব্যবস্থা নেওয়ার পুলিশ তা নেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “সব খেয়েছে হাওয়াই চটি, আসল চোর মমতা” তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Bankura: “সব খেয়েছে হাওয়াই চটি, আসল চোর মমতা” তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) কোতুলপুরে এসে পুলিশ সুপারকে গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি দিলেন নন্দী গ্রামের বিধায়ক। উল্লেখ্য, এই সভা নিয়ে প্রথমে রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি এরপর মামলা গড়ায় হাইকোর্টে। পরবর্তীতে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে শনিবার পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কোতুলপুরে হাঁটলেন। হাঁটার পথেই করলেন জনসংযোগ। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। মুখ্যমন্ত্রীকে দুর্নীতি নিয়ে করলেন কড়া আক্রমণ। তিনি বললেন, “সব খেয়েছে হাওয়াই চটি, আসল চোর মমতা”।

    নম্বর দিয়ে বালি চুরির ফটো পাঠাতে বললেন শুভেন্দু

    আজকে প্রশাসনের ব্যাপক নজর শুভেন্দুর সভা এবং মিছিলে ছিল। মিছিল শেষে কোতুলপুরের (Bankura) নেতাজি মোড়ে চাচা ছোলা বক্তব্য রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। কোতুলপুরে বিধায়ক থেকে বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার কাউকে রেয়াত দিলেন না। তিনি ঘোষণা করে বললেন, “বাঁকুড়ার আগামী কর্মসূচি ১১ ডিসেম্বর, পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাও করা হবে।” জনসভার খোলা মঞ্চে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে বালিচুরির ছবি পাঠাতে বললেন তিনি। কোতুলপুরের বিধায়ক হরকালী প্রতিহারের বিরুদ্ধে ছয় লাখ টাকা খেপে খেপে ধার নেওয়ার অভিযোগও তুললেন তিনি। এরপর জনসভা শেষে শুভেন্দু অধিকারী কামারপুকুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন।

    সারের কালোবাজারি নিয়ে কী বলেন (Bankura)?

    রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু কোতুলপুরে (Bankura) বলেন, “মোদিজী সারের ভর্তুকি নামিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাংলার কৃষকদের ১২০০ টাকার সারকে ২৫০০ টাকা দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। সারের কালোবাজারি করা চোরেদের নেত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলুর বস্তা কম দামে শাসক দলের চোরেরা তুলে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা গরিব চাষিদের পাশে রয়েছি। ভাইপো বলেছেন এখানে নাকি বিজেপি শেষ হয়ে গিয়েছে। সব বিজেপি নাকি তৃণমূলে চলে গেছে। তাই বিজয়া সম্মেলনের দিনে লেজ দেখিয়ে ছিলাম, আজ দেহ দেখালাম এবং এরপর ১১ তারিখে পুরো সিনেমা দেখাবো। এখানে এলাকার মানুষ ডবল ইঞ্জিনের স্বপ্নে মোদিজীর হাত শক্ত করার কথা ভেবে ভোট দিয়ে জিতিয়েছিলেন কিন্তু ভাইপোর দলে ঢুকে মানুষের স্বপ্নকে ভঙ্গ করছেন বিধায়ক।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে শুভেন্দু আরও বলেন, “সব খেয়েছে হাওয়াই চটি, আসল চোরের মমতা। চাকরি চোর, বালি চোর, আবাস চোর, রেশন চোর, কয়লা চোর, মিড ডে মিলের টাকার চোরদের ধরতে কলকাতা যাবেন তো। এই রাজ্যে রাজনৈতিক ভাবে মমতাকে সারবো আমরা। সব হিসাব হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatpara: ভাটপাড়ায় সিবিআই, কথা বললেন নিহত তৃণমূল কর্মী ভিকির বাড়ির লোকজনের সঙ্গে

    Bhatpara: ভাটপাড়ায় সিবিআই, কথা বললেন নিহত তৃণমূল কর্মী ভিকির বাড়ির লোকজনের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়া (Bhatpara) পুরসভা এলাকার তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তরা এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। এরই মধ্যে ভিকির ঘনিষ্ঠের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের জেরা এবং সন্দেহ সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হলেন ভিকি ঘনিষ্ঠ যুবক। এমনই অভিযোগ মৃতের পরিবারের। ভিকির খুনে যুক্ত না থাকা সত্ত্বেও বারংবার পুলিশের জেরায় দিশেহারা হয়ে নিজের ঘরেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন তিনি। যুবকের নাম হরেরাম সাউ (২২)। তাঁর ঘরের ভিতর থেকে সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি শনিবার ভিকির বা়ড়িতে যায় সিবিআইয়ের এক প্রতিনিধি দল। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। সেই সাক্ষী খুন হওয়ার বিষয়টি দেখছে সিবিআই। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কি না তা নিয়ে চর্চা চলছে।

    সুইসাইড নোটে কী লেখা রয়েছে? (Bhatpara)

    শুক্রবার ভিকি ঘনিষ্ঠ হরেরাম সাউ ভাটপাড়ায় (Bhatpara) নিজের বাড়িতে আত্মঘাতী হয়েছেন। তাঁর দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সুইসাইড নোটে লেখা রয়েছে, ‘আমি ভিকি যাদবের খুনের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নই। আমাকে মিথ্যে সন্দেহ করা হচ্ছে। আমি, ভিকি এবং আকাশ যাদবের কাছে চললাম। ভাই, মাকে দেখিস।’ হ্যান্ড রাইটিং এক্সপার্ট কে ডাকা হয়েছে সুইসাইড নোট পরীক্ষা করার জন্য।

    সুপারি কিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ধৃত অঙ্কিত‍!

    ভাটপাড়া (Bhatpara) শ্যুট আউট কাণ্ডে সুপারি কিলারদের সঙ্গে অঙ্কিত সিং ওরফে রিঙ্কুর যোগাযোগ করেছিল। পুলিশি জেরায় তা স্বীকার করেছে সে। তবে, শুটাররা সকলেই পলাতক। প্রাথমিক তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, সুপারি কিলারদের বাড়ি বিহারে। তবে, ঘটনার পর থেকে শনিবার পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তদের খোঁজ পায়নি পুলিশ। এদিন রিঙ্কুদের আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে, ২০২১ সালের ২ মে খুন হয়েছিলেন আকাশ যাদব। এই খুনের কেসের মামলা নিয়েছিল সিবিআই। সেই খুনের প্রধান সাক্ষী ছিলেন ভিকি যাদব। ২১ নভেম্বর গুলিতে ঝাঁঝরা করে দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেন। সেই ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের নাম অঙ্কিতকুমার সিংহ ওরফে রিঙ্কু এবং রহিস আলি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share