Tag: tmc

tmc

  • RG Kar Case: “আসলদের বাঁচানোর জন্য আমাকে ফাঁসিয়েছে”, বিস্ফোরক ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয়

    RG Kar Case: “আসলদের বাঁচানোর জন্য আমাকে ফাঁসিয়েছে”, বিস্ফোরক ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আসলদের বাঁচানোর জন্য আমাকে ফাঁসিয়েছে।” আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Case) চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় প্রিজন ভ্যান থেকে চিৎকার করে এই কথা বলেছেন। সোমবার শিয়ালদা আদালতে তাঁকে তোলা হয়। ধৃতের বিরুদ্ধে এদিন চার্জ গঠন করা হয়েছে। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে ধৃতের এদিন বক্তব্য ছিল স্পষ্ট। আরজি করের চেস্ট ডিপার্টমেন্ট নিয়ে তিনি আরও যে দাবি করেছেন, তা যদি সত্যি হয়, তাহলে তো রাজ্য সরকারের মুখ পুড়তে বাধ্য। কারণ, এটা স্পষ্ট যে এর মধ্যে প্রশাসনের একাংশ জড়িত। এদিন কড়া নিরাপত্তায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকে শিয়ালদা আদালতে নিয়ে আসা হয় সঞ্জয়কে। অন্যদিকে, বিজেপি এদিন এই ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে।

    ঠিক কী বললেন সিভিক (RG Kar Case)?

    আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Case) ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার বলেন, “আমি কিন্তু পুরোপুরি নির্দোষ। আসলদের বাঁচানোর জন্য আমাকে ফাঁসিয়েছে। আমি এত দিন চুপচাপ ছিলাম। আমি কিন্তু রেপ (ধর্ষণ) অ্যান্ড (এবং) মার্ডার (খুন) করিনি। আমার কথা শুনছে না। সরকারই আমাকে ফাঁসাচ্ছে। আমায় সব জায়গায় ভয় দেখাচ্ছে যে, তুমি কিছু বলবে না। আমার ডিপার্টমেন্টও আমায় ভয় দেখিয়েছে। আমি কিন্তু নির্দোষ।” রাজ্যের প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্যে প্রশাসনের একাংশ এখন কাঠগড়ায়। যদিও মামলায় প্রথম থেকেই পুলিশ এবং ডাক্তার সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে ছিল।

    বিচারকের সামনেও বলেন নির্দোষ 

    উল্লেখ্য সোমবার দুপুর ২ টো নাগাদ ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্ত সিভিকের (RG Kar Case) বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঘটনার ৮৭ দিন এবং সিবিআইয়ের চার্জশিট পেশের ২৮ দিনের মাথায় মামলায় চার্জ গঠন হয়। এর পর শুরু হবে মামলায় বিচার প্রক্রিয়া। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিচারকের সমানেও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন অভিযুক্ত ধৃত সিভিক।

    চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছিল, ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারই (RG Kar Case) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় জড়িত। তার একাধিক প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে। সংগৃহীত বয়ান, ভিডিয়ো এবং ফরেন্সিক বা সায়েন্টিফিক রিপোর্টের ভিত্তিতে ধৃতের বিরুদ্ধে মোট ১১টি ‘প্রমাণ’-এর উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। পাশাপাশি চার্জশিটে ছিল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের নামও। সেই সঙ্গে বলা হয় গোটা ঘটনার নেপথ্যে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ধৃত সঞ্জয় রায়ের (RG Kar Case) বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এটা প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ষণ-খুন। তিলোত্তমা এমন কিছু জেনে ফেলেছিল, তাকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিল মমতা ঘনিষ্ঠ ডাক্তাররা। সঞ্জয় যা বলেছে, সেটা বঙ্গবাসীও মনে করে। ওপরতলার চাপে প্রমাণ লোপাট করতে বাধ্য হয়েছে পুলিশের নিচুতলা। এর জন্য দায়ী স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী। আমরা মমতার পদত্যাগ চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কান্দিতে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, তাজা বোমা! তীব্র চাঞ্চল্য

    Murshidabad: কান্দিতে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, তাজা বোমা! তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দিতে তৃণমূল নেতার (TMC Leader) বাড়ি থেকে উদ্ধার একটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি কার্তুজ এবং তাজা বোমা। শনিবার রাতে কান্দি থানার কুমারষণ্ড গ্রামপঞ্চায়েতের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য আলিমুল শেখের বাড়ি থেকে ওই সব আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা পলাতক বলে জানা গিয়েছে। তবে এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

    ওয়ান শটার বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার (Murshidabad)!

    কান্দি (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম ইলু আহম্মেদ, নাজমুল হক এবং তাজমুল শেখ। সকলেরই বাড়ি কান্দি থানার গোকর্ণ বিজয়নগর অঞ্চলে। ধৃতদের কাছ থেকেও চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কেন এই আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা মজুত করা হয়েছিল এবং কোন উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করা হবে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কোনও রকম নাশকতা মূলক ছক রয়েছে কিনা, কোথা থেকে আনা হয়েছে এই অস্ত্র, এই বিষয়েও তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।

    আবার স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “পুলিশি অভিযানের খবর পেয়ে আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা (TMC Leader)। গতকাল রাতে তার বাড়িতে হানা দিয়ে বোমা, বন্দুক ও গুলি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় ওই তৃণমূল নেতার তিন অনুগামীকেও। তাদের কাছ থেকে ওয়ান শটার বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি ও ৪টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ এখনই ঠান্ডার আমেজ নয়, থাকবে কুয়াশা! রাজ্যে শীত নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    বহরমপুর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের (TMC Leader) সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “কী উদ্ধার হল, না হল তা প্রশাসনের দেখার কাজ। আমরা শান্তির জন্য লড়াই করি। আর শান্তির জায়গায় যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তা হলে পুলিশকে রাজনৈতিক রং না দেখেই আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলব। পুলিশ-প্রশাসনের ওপর ভরসা রয়েছে আমাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Awas Yojana scheme: আবাস যোজনায় ফের ‘দুর্নীতি’! জেলায় জেলায় ব্যাপক ক্ষোভ ‘বঞ্চিতদের’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Awas Yojana scheme: আবাস যোজনায় ফের ‘দুর্নীতি’! জেলায় জেলায় ব্যাপক ক্ষোভ ‘বঞ্চিতদের’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার আবাস যোজনায় (Awas Yojana scheme) নতুন করে দুর্নীতির অভিযোগ দেগঙ্গায়। গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে রাজ্যের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। ঘটনা ঘটেছে দেগঙ্গা থানার বেড়াচাঁপা ২ পঞ্চায়েতের পশ্চিম যাদবপুর গ্রামে। মূলত আবাস যোজনার সমীক্ষা করতে গেলে দুর্নীতির ইস্যুতে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা ব্যাপক ক্ষোভের মুখে পড়েন। ঘটনায় তৃণমূল অত্যন্ত চাপের মুখে। পাল্টা বিজেপি এক হাত নিয়েছে চুরি নিয়ে। উল্লেখ্য একই ভাবে সোমবারও পুরুলিয়া-জলপাইগুড়ি-বীরভূমে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল।

    যাঁদের বাড়ি দরকার তাঁদের বাড়িতে সমীক্ষা হয়নি (Awas Yojana scheme)

    মমতা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আবাস যোজনার (Awas Yojana scheme) পরিকল্পনায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। ক্যাগ রিপোর্টের ভিত্তিতে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে যে, তৃণমূল সরকার আবাস যোজনায় প্রচুর পরিমাণে আর্থিক নয়-ছয় করেছে। লোকসভার ভোটের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিক বার আবাসে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। দুর্নীতির কারণে রাজ্যের বরাদ্দ অর্থও কমিয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র।

    মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনায় সমীক্ষার কাজে গেলে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা ক্ষোভের মুখে পড়েন। স্থানীয়দের বক্তব্য, “তৃণমূলের নেতারা মানুষের ন্যায্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে। প্রকৃত প্রাপকরা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের কারণে। যাঁদের বাড়ি দরকার তাঁদের বাড়িতে সমীক্ষা হয়নি। যাঁদের দুটো তিনটে বাড়ি আছে তাঁদের বাড়িতেই সমীক্ষা করেছে রাজ্য সরকারের জনপ্রতিনিধি এবং আধিকারিকরা। প্রকল্পের সুবিধা থেকে গরিবদের বঞ্চনা করা হয়েছে।” এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “পুরনো তালিকা অনুযায়ী আবাসের (Awas Yojana scheme) সমীক্ষা হচ্ছে। তালিকা চূড়ান্ত হলে সব কিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে।” 

    পুরুলিয়া-জলপাইগুড়ি-বীরভূমে ব্যাপক ক্ষোভ

    একই ভাবে পুরুলিয়া জেলার মানবাজার ১ ব্লকে বিক্ষোভ দেখান মহিলারা। অভিযোগে ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত সোনাইজুড়ি পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়ে দেন। আবার পঞ্চায়েতকে অন্ধকারে রেখে সরকারি সমীক্ষা করছেন বলে অভিযোগ তুলে কয়েকদিন আগে তৃণমূল পরিচালিত বাঘমুণ্ডি ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত অযোধ্যায় তালা ঝুলিয়ে দেন দলেরই কর্মীরা। আবার জলপাইগুড়ির সদর ব্লকে আরবিন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের করলাভ্যালি চা বাগানের শ্রমিক মহল্লার বঞ্চিতরা বিডিও-র দ্বারস্থ হয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি করেন। অন্যদিকে, বীরভূমের ইলামবাজারের মঙ্গলডিহি পঞ্চায়েতের সামনে আবাস যোজনার সমীক্ষা চালাতে গিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন ব্লকের আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুনঃ কালীপুজোয় আরও রাত পর্যন্ত চলবে মেট্রো, কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর রুটের সূচি পরিবর্তন

    শুভেন্দুর তোপ

    আসানসোলে একটি কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আবাসে ব্যাপক রাজনীতি হচ্ছে। তৃণমূল অনেকদিন খেতে পায়নি। তাই প্রকল্প বিক্রি করতে পথে নেমেছে। প্রথমত এই তালিকাতেই কয়েক লক্ষ যোগ্য লোকের নাম নেই ৷ দ্বিতীয়ত, যে নাম এসেছে, অধিকাংশই তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেদের নাম৷ যাঁদের পাকাবাড়ি (Awas Yojana scheme) আছে, পাওয়ার যোগ্য নয়৷ আমি অন্তত ১০০টা ছবি দেখাতে পারি।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘দলে টানতেই পারে তৃণমূল’’, তন্ময়কাণ্ড নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘দলে টানতেই পারে তৃণমূল’’, তন্ময়কাণ্ড নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্রেফ একটা অভিযোগ। সেই অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগের স্বপক্ষে লালপার্টির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোরালো (Tanmoy Bhattacharya) কোনও প্রমাণও এখনও অব্দি নেই। অথচ, সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তড়িঘড়ি সিপিএম সাসপেন্ড করে দিল প্রবীণ বামপন্থী নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যকে। আর এই গোটা কাণ্ড নিয়ে কার্যত হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    তন্ময় তৃণমূলে!

    রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে তন্ময় তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে চাউর হয়ে গিয়েছিল। আলিমুদ্দিনের কর্তাদের কাছেও হয়তো তেমনই একটা বার্তা গিয়েছিল। তার জেরেই তন্ময়কে সাসপেন্ড করে দিল ক্ষয়িষ্ণু সিপিএম। যে দলের ঠাঁই হতে চলেছে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির তালিকায়, সেই দলেরই এক প্রবীণ নেতাকে সাসপেন্ড করায় ক্ষোভ দানা বাঁধছে সিপিএমের অন্দরেও। তবে তন্ময় (Tanmoy Bhattacharya) যে তৃণমূলের দিকে ঝুঁকেছিলেন, সে দাবি করেছে বিজেপি (BJP)। বিধানসভা নির্বাচনে বরানগর কেন্দ্রে বাম প্রার্থী ছিলেন তন্ময়। এই কেন্দ্রে বিজেপির জয়ের প্রবল সম্ভাবনা ছিল। পদ্মের বরানগর জয়ের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ান তন্ময়। ভোট কেটে তৃণমূল প্রার্থীকে বিধানসভায় পাঠানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি।

    কী বললেন শুভেন্দু 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বরানগরে তন্ময় ভট্টাচার্য ভোট কেটেই তৃণমূল কংগ্রেসকে জেতার পথ তৈরি করে দিয়েছিলেন। এলাকায় তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তিও রয়েছে।” তিনি বলেন, কেবল বরানগর নয়, তন্ময়ের প্রভাব রয়েছে সুদূর দমদম পর্যন্ত। তাই তন্ময়কে দলে টানতেই পারে তৃণমূল কংগ্রেস।” রাজনীতি সচেতন মানুষের একাংশের দাবি, তন্ময়ের মতো প্রবীণ রাজনীতিককে দলে টেনে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট বৈতরণী উতরোতে চাইছে তৃণমূল।

    ঋতব্রত-কাণ্ড মনে করালেন শুভেন্দু

    স্বমত প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) সিপিএমের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও টানেন। বলেন, ঋতব্রতও মহিলা হেনস্থাকাণ্ডে অভিযুক্ত ছিলেন। সেই ঘটনার ছবিও ছিল। সিপিএম বহিষ্কারও করে। তারপর তৃণমূল ঋতব্রতকে বড় পদ দিয়ে দলে টেনে নিয়েছিল। তন্ময় ভট্টাচার্যের ঘটনাও তেমন হতে পারে।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “দক্ষিণ দিনাজপুরে ঋতব্রতর মহিলাঘটিত যে ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, সেই ছবি ভাইরাল হয়েছিল। ঘটনার প্রমাণও ছিল। কিন্তু দেখা গেল, তৃণমূলের উন্নত ওয়াশিং মেশিনে ঋতব্রতকে দলে নিয়ে আরও বড় নেতা করা হল। ওরা হয়ত তন্ময়কেও (Tanmoy Bhattacharya) তাই করতে চায়।”

    আরও পড়ুন: রোজগার প্রকল্পে ৫১ হাজার যুবক-যুবতীকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    সজলের পথের কাঁটা

    বরানগরে বিজেপি প্রার্থী হয়েছিলেন সজল ঘোষ। ভোট কাটাকুটির খেলা না হলে সজলের জেতার সম্ভাবনাও ছিল। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “বরানগরে সজল ঘোষ গত বিধানসভা নির্বাচনে যে লড়াইটা করেছিল, সেই লড়াই তৃণমূলকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। তন্ময় ভট্টাচার্য ভোট কেটে তৃণমূলকে জিততে সাহায্য করেছিল।” তিনি বলেন, “স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল প্রথমে বাজার গরম করবে। তারপর আউট অফ সাইট, আউট অফ মাইন্ড হবে। তারপর একদিন দেখা যাবে, তৃণমূলের আরও উন্নতমানের ওয়াশিং মেশিন, যেটা ভাইপো আমেরিকা বা দুবাই থেকে নিয়ে এসেছে, তাতে তন্ময় ভট্টাচার্যের (Tanmoy Bhattacharya) ধোলাই হবে, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরবে। তারপর বরানগর, পানিহাটি, কামারহাটি, রাজারহাট-গোপালপুর, দমদম সাউথ ও দমদমের আসনগুলি বাঁচানোর চেষ্টা করবে।”

    বিজেপি বিরোধিতা তন্ময়ের 

    বিধানসভা কিংবা লোকসভা নির্বাচনে সিপিএমের প্রচারের মূল সুরই ছিল, ‘নো ভোট টু বিজেপি’, ‘নো ভোট টু মোদিজি’। সে প্রসঙ্গেরও অবতারণা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক । শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “সিপিএম বিরোধী কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ওরা ‘নো ভোট টু বিজেপি’, ‘নো ভোট টু মোদিজি’ প্রচার করে সিপিএম আদতে তৃণমূলেরই জয়ের পথ প্রশস্ত করেছে।” সিপিএম হিন্দুদের ভোট কাটছে বলেও অভিযোগ করেন পোড়খাওয়া এই রাজনীতিক (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ সত্য না মিথ্যে, তা বলবে সময়। তবে একটা কথা ঠিক, তন্ময় ভট্টাচার্যের (Tanmoy Bhattacharya) ক্ষেত্রে সিপিএমের পক্ককেশ নেতৃত্ব যেভাবে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিলেন, তাতে মনে হতেই পারে, প্লট সাজানোই ছিল। তন্ময়কে সরানোর শুধু একটা ছুতোর প্রয়োজন ছিল। এক মহিলা সাংবাদিকের করা অভিযোগই সেই ছুতোর কাজ করে। যার জেরে দ্রুত সাসপেন্ড করে দেওয়া হয় তন্ময়কে।

    কলঙ্ক মোচন

    প্রসঙ্গত, সিপিএমের এই প্রবীণ নেতার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন এক মহিলা সাংবাদিক। জামিন অযোগ্য ধারায় দায়ের হয়েছে মামলা। তন্ময়কে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে পুলিশ। এখন দেখার, তন্ময় (Tanmoy Bhattacharya) গ্রেফতার হন কিনা, নাকি তৃণমূলকে বরানগর পাইয়ে দেওয়ার পুরস্কারের টোপ গিলে ডুব দেন তৃণমূল-গঙ্গায়! যে গঙ্গায় ডুব দিলেই কলঙ্ক মোচন হয়! যেমন হয়েছে ঋতব্রতর, যেমনটা হয়েছে আরও অনেকের ক্ষেত্রেই। সব ক্ষেত্রেই যে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে, তা নয়। কারও বিরুদ্ধে উঠেছে বালি পাচারের অভিযোগ, কেউ আবার গরু পাচারে অভিযুক্ত। কারও গায়ে লেগে রয়েছে কয়লা পাচারের মলিন দাগ। কেউ আবার রেশন-কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে দিন কাটাচ্ছেন গারদের আড়ালে। ‘দিদিবাদী’ হওয়ায় এঁরা অবশ্য এখনও রয়েছেন তৃণমূলেই। সিপিএমের মতো (Tanmoy Bhattacharya) এঁদের সাসপেন্ড করার দুঃসাহস দেখায়নি (Suvendu Adhikari) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

    ঠক বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাওয়ার ভয়ে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nandigram: নন্দীগ্রামে ফের তৃণমূলকে গোল দিলেন শুভেন্দু, সমবায়ে জয়ী বিজেপি

    Nandigram: নন্দীগ্রামে ফের তৃণমূলকে গোল দিলেন শুভেন্দু, সমবায়ে জয়ী বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে (Nandigram) তৃণমূলকে ফের দাঁড়িয়ে গোল দিলেন রাজ্যের বিরোধিতা দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সমবায় সমিতির নির্বাচনে তৃণমূলকে কার্যত ‘একঘরে’ করে দিলেন তিনি। সমবায় সমিতির ১২টি আসনের মধ্যে বিজেপি (BJP) পেয়েছে ১১টি। ঘাসফুলের ঝুলিতে গিয়েছে একটি আসন। রবিবারের এই নির্বাচন নিয়ে সকাল থেকেই টানটান উত্তেজনা ছিল নন্দীগ্রামে। ফল প্রকাশ হতেই দেখা গেল, শেষ হাসি হাসলেন সেই শুভেন্দুই। উচ্ছ্বাসে মাতলেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।

    শুভেন্দু হারিয়েছিলেন মমতাকে (Nandigram)

    এই নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রেই খোদ তৃণমূল নেত্রীকে ঘোল খাইয়ে ছেড়েছেন শুভেন্দু। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯০০ এরও বেশি ভোটে তাঁকে পর্যুদস্ত করেছিলেন শুভেন্দু। সেই হার নিয়ে কত কাণ্ডই না হল! শেষমেশ কলকাতার একটি কেন্দ্রে জিতে মুখরক্ষা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। হন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সেই নন্দীগ্রামেই আরও একবার তৃণমূলকে পর্যুদস্ত করে ছাড়লেন শুভেন্দু।

    দফায় দফায় উত্তেজনা

    এদিন নন্দীগ্রামের ওই সমবায় সমিতি নির্বাচন নিয়ে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের শুরু থেকে একে অন্যের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলতে থাকে। তৃণমূলের নন্দীগ্রাম-১ ব্লক সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গের অভিযোগ, সমবায় নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিজেপি গন্ডগোলের চেষ্টা করছে। বিজেপির সহ সভাপতি সাহেব দাস বলেন, “আমাদের শিবির থেকে ১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যেই তৃণমূল ক্যাম্প করেছিল। এ নিয়ে পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। তাই উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অশান্তিতে ইন্ধন দিচ্ছে রাজ্যের শাসকদলই।”

    আরও পড়ুন: “মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণ প্রয়োজন”, বললেন ইসরো কর্তা

    ভোটের ফল বেরলে দেখা যায়, ১২টি আসনের মধ্যে ১১টিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। বিজেপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে হইচই করতে থাকে ঘাসফুল শিবির। পাল্টা (Nandigram) সন্ত্রাসনের অভিযোগ তোলে পদ্ম শিবির। তমলুক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মেঘনাথ পাল বলেন, “নন্দীগ্রামজুড়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চায় তৃণমূল। ওদের লাগামছাড়া দুর্নীতিতে মানুষ বীতশ্রদ্ধ। মহেশপুর সমবায় নির্বাচনে অকারণে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে তৃণমূল। বিজেপির ক্যাম্প অফিসের কাছে গিয়ে ক্যাম্প করেছে তৃণমূল। সেখান থেকে লাগাতার প্ররোচনার চেষ্টা (BJP) করা হয়েছে। কিন্তু আমরা জানতাম, জয় আমাদের হবেই (Nandigram)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “হরিয়ানায় জিতেছি, ঝাড়খণ্ড-মহারাষ্ট্রেও জিতব, তার পরেই লক্ষ্য বাংলা”, প্রত্যয়ী শাহ

    Amit Shah: “হরিয়ানায় জিতেছি, ঝাড়খণ্ড-মহারাষ্ট্রেও জিতব, তার পরেই লক্ষ্য বাংলা”, প্রত্যয়ী শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালি থেকে আরজি করের মতো ঘটনা বিজেপি ক্ষমতায় এলে বন্ধ হয়ে যাবে”, প্রতিশ্রুতি অমিত শাহের (Amit Shah)। রবিবার সল্টলেকের ইজেটসিসিতে ‘সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচির সূচনা করে এমনই বার্তা দিলেন দেশের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বক্তৃতায় একাধিকবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কথা উঠে এসেছে। উল্লেখ্য, গত লোকসভা ভোটের পরে এই প্রথম বঙ্গ সফরে এসেছেন অমিত শাহ। তিনি দলের কর্মীদের স্পষ্টভাবে বলেন, “এক কোটি সদস্য সংগ্রহ করতে পারলেই বঙ্গে বিজেপি সরকার গড়বে।”

    চাকরি পেতে গেলে কাউকে টাকা দিতে হবে না (Amit Shah)

    রাজ্যে বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কর্মীদের উৎসাহ দেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “আমরা হরিয়ানায় জিতেছি, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্রেও জিতব। তারপর আমাদের লক্ষ্য হবে বাংলা। মমতা দিদি বলছেন, কেন্দ্র ১০০ দিনের টাকা দিচ্ছে না কিন্তু কেন্দ্র টাকা দিলে তৃণমূলের সিন্ডিকেট খেয়ে নিচ্ছে। তাই বাংলাকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে সকলে বিজেপিতে যোগদান করুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে গরুপাচার, কয়লাপাচার বন্ধ হবে। চাকরি পেতে গেলে আর কাউকে টাকা দিতে হবে না। অপরাধের রাজত্ব বন্ধ হবে।”

    আরও পড়ুনঃ “মমতাকে উৎখাত করে বিজেপির সরকার গড়ুন, অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেব”, বললেন অমিত শাহ

    সরকার গড়া আরও নিশ্চিত হবে

    ইন্ডিজোটকেও নিশানা করেন শাহ। এই জোটেই রয়েছে তৃণমূলও। তিনি (Amit Shah) বলেন, “ইউপিএ সরকারের তুলনায় বিজেপি সব ক্ষেত্রে বাজেট এবং অনুদান বৃদ্ধি করেছে। লোকসভায় বিজেপি কয়েকটি আসন কম পাওয়ায় মমতাদি খুব খুশি হয়েছেন। কিন্তু মনে রাখবেন, বিজেপি সেই দল যারা ২ থেকে ২৭০ আসনে পৌঁছেছে।” এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তীও। দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত এই অভিনেতা বলেন, “রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা চরম শিখরে। লোকসভার ফলে আমাদের কিছু আসন কমেছে ঠিকই, কিন্তু সদস্য সংখ্যা ১ কোটি হলে বিজেপির সরকার গড়া আরও নিশ্চিত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “মমতাকে উৎখাত করে বিজেপির সরকার গড়ুন, অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেব”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “মমতাকে উৎখাত করে বিজেপির সরকার গড়ুন, অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেব”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) রবিবার একদিনের বঙ্গসফরে এসে তৃণমূল শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। বনগাঁয় বিএসএফ-এর এক অনুষ্ঠানে যোগদান করেন তিনি। সেখানেই বলেন, “রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ হবে। ২০২৬ সালে বিজেপি এই রাজ্যে সরকার গড়বে।” একই ভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে (Mamata Banerjee) একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, আগামী ১৩ নভেম্বর রাজ্যের ৬ বিধানসভার আসনে উপনির্বাচন। ফলে ভোটের প্রচারেও সরগরম বাংলা। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দলকে ২০২৬ সালের আগে আরও শক্তিশালী করতে বঙ্গ বিজেপির নেতারা তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন।

    ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর সেই খেদ মিটিয়ে দেবে (Amit Shah)

    এদিন বনগাঁয় পেট্রাপোল সীমান্তে যাত্রী টার্মিনাল ভবন এবং মৈত্রী দ্বার উদ্বোধন করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশ জুড়ে অনেক কাজ করেছেন। বাংলার মানুষের কিছু খেদ আছে। কিন্তু চিন্তা নেই, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর সেই খেদ মিটিয়ে দেবে বিজেপি সরকার। পশ্চিমবঙ্গের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ খুব ভালো কাজ করছে। গোটা এলাকা জুড়ে উন্নয়নের কাজ চলছে। আমাকে শান্তনু ঠাকুর বলেছেন, বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে পাঁচ-ছ’হাজার রোগী প্রতিদিন কল্যাণী এইমসে চিকিৎসার জন্য আসেন। ২০২৬ সালে আপনারা রাজনৈতিক পরিবর্তন করুন রাজ্যে। মমতাকে (Mamata Banerjee) উৎখাত করে বিজেপির সরকার গড়ুন। বেআইনি অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেবো। উন্নয়নই হল মোদি সরকারের একমাত্র লক্ষ্য।”

    আরও পড়ুনঃ কলকাতায় অমিত শাহ, সুকান্তর বাসভবনে একসঙ্গে ‘মন কি বাত’ শুনলেন শুভেন্দু

    মোদিজির দেওয়া টাকা বাংলায় লুট হয়েছে

    এই প্রসঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) আরও বলেন, “গত ১০ বছরে রাজ্যে কী দিয়েছেন মমতা? তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে রয়েছে। বিগত ইউপিএ জোট ক্ষমতায় থেকে ৭.৭৪ কোটি টাকা দিয়েছে। আর বিজেপি সরকার ১০ বছরে ৭.৭৪ কোটি টাকা দিয়েছে। মোদিজির দেওয়া টাকা বাংলায় লুট হয়েছে। বাংলার ভালো দিন আর দেরি নেই। বাংলাকে আমরা আরও উন্নত সুজলা সুফলা করব। মোদি সরকারের আমলে বাংলাদেশের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বহুগুণ বেড়েছে। যখন মোদিজি প্রথম ক্ষমতায় এসেছিলেন তখন এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৮ হাজার কোটি টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। ব্যবসা, কাজ এবং কর্মসংস্থানও বেড়েছে এই পরিসরে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyan Banerjee: তৃণমূলের কল্যাণকে বরখাস্ত করার সুপারিশ বিজেপির, স্পিকারকে চিঠি তিন সাংসদের

    Kalyan Banerjee: তৃণমূলের কল্যাণকে বরখাস্ত করার সুপারিশ বিজেপির, স্পিকারকে চিঠি তিন সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও তিনি (Kalyan Banerjee) উপরাষ্ট্রপতিকে নকল করেন। কখনও আবার লোকসভায় সটান গিয়ে বসে পড়েন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আসনে। আবার কখনও সুর করে ‘চু-কিতকিতকিত’ বলতে থাকেন। কখনও আবার কাচের বোতল ভেঙে নিজেই জখম হন ভাঙা কাচের টুকরোয়। লোকসভার ভেতরে কিংবা লোকসভা চত্বরে তাঁর ‘গুণপনা’র শেষ নেই। এহেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বরখাস্ত করার দাবিতে বুধবার লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিলেন বিজেপি (BJP) সাংসদরা।

    কাচের বোতল ভেঙে বিপত্তি ঘটান কল্যাণ (Kalyan Banerjee) 

    এই সাংসদরা সবাই ওয়াকফ বিল সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির সদস্য। এই বৈঠকে বসেই উত্তেজিত হয়ে কাচের বোতল ভেঙে বিপত্তি ঘটান তিনি। ঘটনার জেরে একদিনের জন্য সাসপেন্ডও করা হয় তৃণমূল নেতা তথা শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণকে। সংসদীয় বিধি মেনে কল্যাণের বিরুদ্ধে পুলিশে এফআইআর দায়ের করার আর্জিও জানানো হয়েছে ওয়াকফ বিল সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির বিজেপি সদস্যদের তরফে।

    যৌথ সংসদীয় কমিটির সুপারিশ

    যৌথ সংসদীয় কমিটির বিজেপির তিন সদস্য হলেন সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, নিশিকান্ত দুবে এবং অপরাজিত সারঙ্গি। এঁরা শ্রীরামপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে সংসদীয় বিধির ৩১৬ বি(এ) ধারায় লোকসভার এথিক্স কমিটিকে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। বিজেপির তিন সাংসদ চিঠিতে লিখেছেন, কল্যাণের (Kalyan Banerjee) আচরণ ক্ষমার অযোগ্য হিংসাত্মক ছিল। এ ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে বিজেপি সদস্যদের সুপারিশ, এথিক্স কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে শ্রীরামপুরের সাংসদকে বরখাস্ত করা উচিত।

    আরও পড়ুন: বিক্ষোভকারীদের চাপের মুখে নতি স্বীকার, বাংলাদেশে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ

    বিজেপির অভিযোগ, মঙ্গলবার ওয়াকফ বিল সংক্রান্ত বৈঠক চলাকালীন কাচের বোতল ভেঙে জেপিসির চেয়ারম্যান তথা বিজেপি সাংসদ জগদম্বিকা পালের দিকে ছুড়ে মেরেছিলেন কল্যাণ। এই ঘটনার জেরে কল্যাণের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইন অনুযায়ী পদক্ষেপের দাবিও তুলেছেন বিজেপি সদস্যরা। তাঁরা লিখেছেন, গুন্ডামি, হিংসা ও প্রাণঘাতী আক্রমণের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে দক্ষ আইন প্রণয়নকারী সংস্থার সাহায্যে তদন্ত করানো যেতে পারে।

    প্রসঙ্গত, লোকসভার এথিক্স কমিটির সুপারিশে সাংসদ পদ খোয়াতে হয়েছিল মহুয়া মৈত্রকে। তিনিও তৃণমূলের টিকিটে জিতে লোকসভায় গিয়েছিলেন। ’২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে অবশ্য ফের (BJP) জিতে সংসদে গিয়েছেন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া (Kalyan Banerjee) মহুয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Rajeev Chandrasekhar: “তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের আচরণ গণতন্ত্রের লজ্জা!” তোপ বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখরের

    Rajeev Chandrasekhar: “তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের আচরণ গণতন্ত্রের লজ্জা!” তোপ বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস রাজনীতির এক নতুন ধারার জন্ম দিয়েছে, যা হল হিংসার রাজনীতি। এমনই অভিমত ব্যক্ত করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে রাজীব বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সংবিধান এবং গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে এর বিপরীত কাজ করছে। তাদের রাজনীতি এখন নতুন স্তরে পৌঁছেছে, যা সহিংসতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।”

    রাজীবের অভিমত

    রাজীব বলেন, “যাঁরা গণতন্ত্র বা সংবিধানের কথা বলছেন, তাঁরাই প্রতিদিন এর অসম্মান করছেন। সংসদে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের আচরণ গণতন্ত্রের লজ্জা। গণতন্ত্রকে এইভাবে নিচে নামাচ্ছে তৃণমূল, এর থেকে নিকৃষ্ট উদাহরণ আমরা দেখিনি।” রাজীব চন্দ্রশেখর আরও জানান, “তৃণমূল কংগ্রেস সংসদের জন্য একটি বাজে নিদর্শন তৈরি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ক্যাল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল ২০২৪-এর যৌথ সংসদীয় কমিটির সভা থেকে এক দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। জানা গিয়েছে, তিনি আলোচনার সময় অতিরিক্ত কথা বলতে চান, কিন্তু বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে আপত্তি জানান, যা একটি তীব্র বিতর্কের রূপ নেয়। এই সময় কল্যাণ জলের একটি কাচের বোতল তুলে নিয়ে টেবিলের উপর মারেন এবং আহত হন। পরে তিনি ভাঙা বোতল চেয়ারম্যানের দিকে ছুড়ে দেন, যার ফলে সভা মুলতুবি করতে হয়।

    আরও পড়ুন: বন্ধুত্বের উষ্ণতা, অনুবাদক ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী মোদির কথা বোঝেন পুতিন!

    ওয়াকফ বোর্ডের সমালোচনা

    ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল ২০২৪-এর উদ্দেশ্য হ রেকর্ডের ডিজিটাইজেশন, কঠোর অডিট, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং অবৈধভাবে দখলকৃত ওয়াকফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া। ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে আয়োজিত যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠক বয়কট করার জন্য আগেই বিরোধী দলগুলির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। কর্ণাটকে সংঘটিত গুরুতর ওয়াকফ জমি কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি এই সমালোচনা করেন। কিছু রাজনীতিবিদ কীভাবে ওয়াকফ জমি কেলেঙ্কারিতে লাভবান হয়েছেন, তাও বলেন রাজীব। দরিদ্র মুসলমানদের জন্যই ওয়াকফ বোর্ডের কাজ করা উচিত। কিন্তু, ওয়াকফ বোর্ড তা করছে না বলেও অভিযোগ রাজীবের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ivory Smuggling Case: বালি-কয়লা-গরুর পর এবার হাতির দাঁত পাচারে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    Ivory Smuggling Case: বালি-কয়লা-গরুর পর এবার হাতির দাঁত পাচারে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারে নাম জড়িয়েছিল তৃণমূলের (TMC)। নাম জড়িয়েছিল গরু পাচারেও। বালি পাচারেও কাঠগড়ায় সেই তৃণমূল। এবার হাতির দাঁত পাচারেও (Ivory Smuggling Case) নাম জড়াল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের। তবে কয়লা এবং গরু পাচারে যেহেতু দলের হেভিওয়েট নেতাদের নাম জড়িয়েছে, তাই তাঁদের বহিষ্কার করার ‘দুঃসাহস’ দেখায়নি রাজ্যের শাসক দল। আর হাতির দাঁত পাচারে যেহেতু দলের এক ‘ছোট’ নেতার নাম জড়িয়েছে, তাই কলঙ্ক এড়াতে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল।

    গ্রেফতার তৃণমূল নেতা (Ivory Smuggling Case)

    হাতির দাঁত পাচারে অভিযুক্ত নেতার নাম অশোককুমার ঝা। জানা গিয়েছে, পুলিশ ও বনবিভাগের আধিকারিকরা হানা দেন বক্সারের রাহপুর থানার দেবকুলি গ্রামের একটি বাড়িতে। সেখান থেকে উদ্ধার হয় দুটি বড় হাতির দাঁত। ওজন ২০ কেজিরও বেশি। দাঁত দুটির বাজার দর লক্ষাধিক টাকা। এই ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যেই রয়েছেন অশোকও। অশোক উত্তর কলকাতার ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের যুব সংগঠনের সভাপতি। বর্তমানে (Ivory Smuggling Case) তিনি রয়েছেন তৃণমূলের হিন্দি সেলের সহ-সভাপতি পদে। জোড়াসাঁকোর তৃণমূল বিধায়ক বিবেক গুপ্তর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তিনি। জানা গিয়েছে, বক্সারের যে বাড়িটি থেকে হাতির দাঁত দুটি উদ্ধার হয়েছে, সেই বাড়ির মালিক অশোক। হাতির দাঁত পাচারে অশোকের নাম জড়ানোর পরেই তড়িঘড়ি তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল।

    সাফাই দিচ্ছে দল!

    দলের গা থেকে কলঙ্ক মুছতে অশোককে বহিষ্কার করার পাশাপাশি সাফাইও গাইতে শোনা গিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বকে। বিবেক বলেন, “শুনেছি ওরা (অশোক) বাড়িতে হাতি পুষত। বিহারের অনেকেই বাড়িতে হাতি পোষেন। সম্প্রতি ওদের একটি হাতি মারা যায়। সেই মরা হাতিটি ওরা বিক্রি করে দিয়েছিল। হাতির দাঁত দুটি রেখে দিয়েছিল বাড়িতে। এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। দল এবং দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাকে।”

    আরও পড়ুন: “ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে শান্তি ফেরাতে আগ্রহী ভারত”, বললেন মোদি

    অশোককে তৃণমূলের নতুন ‘বীরাপ্পন’ বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি বলেন, “এতদিন ওরা বালি, কয়লা, গরু, চাকরি চুরি করত (TMC)। এখন ওরা হাতির দাঁতের চোরাচালানেও সিদ্ধহস্ত (Ivory Smuggling Case)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share