Tag: tmc

tmc

  • Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিষবৃক্ষে ফলতে শুরু করেছে বিষময় ফল! তার জেরে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল-শাসিত (TMC) রাজ্যের একাধিক জায়গায় ব্যাহত হয়েছে বার্ষিক হিন্দু উৎসব সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja)। শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ছিল সরস্বতী পুজো। উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি শহরে শাসক দল তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে বাধা সৃষ্টি হয় সরস্বতী পুজোয়।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে মন্দিরে তালা (Saraswati Puja)

    সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেলঘরিয়া সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা চৌক সোসাইটি মন্দিরটিতে তৃণমূলের এক গোষ্ঠী তালা ঝুলিয়ে দেয়। এর ফলে স্থানীয় হিন্দু মহিলারা সরস্বতীর আরাধনা করতে পারেননি। সমস্যার সমাধান করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট টিএমসি কাউন্সিলরও। পুলিশ জানিয়েছে, টিএমসির বিবদমান দুই গোষ্ঠী কোনও সমঝোতায় না পৌঁছনো পর্যন্ত তারা তালা ভাঙবে না বা হস্তক্ষেপ করবে না। স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “আমরা চাই এই মন্দিরটি সকলের জন্য একটি সাধারণ উপাসনাস্থল হোক। এখানে একটি মাত্র তালা থাকবে, যার দুটি চাবি থাকবে, একটি ওদের কাছে, অন্যটি আমাদের কাছে।” আর এক মহিলা বলেন, “এটি কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি সবার।”

    পুজো বন্ধ কলেজ-স্কুলেও

    এদিকে, দক্ষিণ কলকাতার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজের এক ছাত্রী জানান, সরস্বতী পুজোর আয়োজন করার জন্য তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, হুমকি দেওয়া টিএমসি নেতার নাম দাউদ আলম মোল্লা। ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে ওই ছাত্রী বলেন, “দাউদ আলম মোল্লা বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে আমায় হুমকি দিয়েছে যে সে আমার এলএলএম (LLM) নষ্ট করে দেবে।” উল্লেখ্য, যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল’ কলেজই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী (TMC), কীভাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ শব্বির আলি সরস্বতী পুজোর আয়োজন করলে ছাত্রছাত্রীদের ধর্ষণ ও খুনের হুমকি দিয়েছিলেন।

    এদিন, কোচবিহার জেলার দিনহাটা কলেজে টিএমসির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে সরস্বতী পূজার মণ্ডপ পরিত্যক্ত হয়ে যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে তলব করা হয়। খবর পেয়ে দিনহাটা থানার ওসি এবং এসডিপিও কলেজ চত্বরে পৌঁছন (Saraswati Puja)। পুজোয় অংশ নিতে আসা হিন্দু ভক্তদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া দৃশ্যে দেখা যায়, শাসক দলের দুষ্কৃতীরা কলেজ ক্যাম্পাসকে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত শহরের আর একটি ঘটনায়, স্কুল চত্বরে সরস্বতী পুজো আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের। জানা গিয়েছে, ওই স্কুলে ৫০ শতাংশের বেশি মুসলিম ছাত্রছাত্রী থাকায় পুজোর অনুমতি নাকচ করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ আধিকারিকরা ছাত্রছাত্রীদের দেবী সরস্বতীর পুজো করতে বাধা দিচ্ছেন।

    ফুটপাতে পুজোর আয়োজন!

    শেষ পর্যন্ত হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের স্কুল প্রাঙ্গণের বাইরে, ফুটপাতে পুজোর আয়োজন করতে বাধ্য করা হয় (Saraswati Puja)। প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি বলেন, “তারা বলেছে, এই স্কুলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হওয়ায় এখানে পুজো করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে থাকা হিন্দুদের অবস্থা আর বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই (TMC)।” তিনি এও বলেন, “পুলিশ দেবী সরস্বতীকেও স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে, ফলে ছাত্রছাত্রীদের রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ফুল দিতে হয়েছে।” এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। টুইট-বার্তায় তাঁর প্রশ্ন, “পশ্চিমবঙ্গ কি এখন বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে?” তিনি এও লেখেন, “এই ঘটনা আমাদের একটি বিষয় শেখায়, যদি হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে যায়, তাহলে তাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হবে।” উপরোক্ত চারটি ঘটনা স্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায়ই যেমন দেখা যায়, হিন্দুদের অধিকার সংক্রান্ত বহু খবরই মূলধারার সংবাদমাধ্যমে উপেক্ষিত থেকে যায়। তাই সরস্বতী পুজো ব্যাহত হওয়ার ঘটনার সংখ্যা (TMC) কয়েক ডজন ছাড়িয়ে গেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না (Saraswati Puja)।

  • TMC: ব্যর্থ মমতা, তৃণমূল রাজ্যের লগ্নি টেনে নিয়ে গেল বিজেপির ওড়িশা

    TMC: ব্যর্থ মমতা, তৃণমূল রাজ্যের লগ্নি টেনে নিয়ে গেল বিজেপির ওড়িশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৫ বছর গদি আঁকড়ে পড়ে থেকে তৃণমূলের (TMC) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা পারেননি, মাত্র দু’দিনের বঙ্গ সফরেই তার চেয়েও ঢের বেশি কাজ করে দেখালেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির মোহন মাঝি। যার জেরে সেই বাম জমানা থেকে তৃণমূলের শাসনকাল (Syndicate Raj) পর্যন্ত ক্রমেই অধঃপাতে চলে যাচ্ছে রাজ্যের দশা। আর ওড়িশার উত্থান হচ্ছে রকেট গতিতে।

    পশ্চিমবঙ্গের অবনতি (TMC)

    পশ্চিমবঙ্গের এই অবনতি কোনও ঐতিহাসিক দুর্ঘটনা নয়। এটি সরাসরি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক অবক্ষয় এবং এমন এক শাসনব্যবস্থার ফল, যেখানে উন্নয়নের চেয়ে নিয়ন্ত্রণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এক সময় ভারতের শিল্পক্ষেত্রের গর্ব হিসেবে পরিচিত বাংলা আজ পরিণত হয়েছে একটি অর্থনৈতিক সতর্কবার্তায়, যা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, কীভাবে মতাদর্শ, তোষণমূলক রাজনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি মিলিয়ে কয়েক দশকের অগ্রগতিকে ধ্বংস করে দেওয়া যায়। তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে বাংলা যখন ক্রমেই স্থবিরতার অতলে তলিয়ে যাচ্ছে, তখন পাশের রাজ্য ওড়িশায় একেবারেই ভিন্ন চিত্র। এক সময় অর্থনৈতিকভাবে বাংলার থেকে পিছিয়ে থাকা ওড়িশা এখন দ্রুত এগিয়ে চলেছে, বিনিয়োগ টানছে, তৈরি করছে কর্মসংস্থান, এবং তরুণদের সামনে খুলে দিচ্ছে নতুন আশার দিগন্ত। আজ আর পূর্ব ভারতের উন্নয়নের গল্প কলকাতায় লেখা হচ্ছে না, নতুন করে তা লেখা হচ্ছে ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরে।

    পশ্চিমবঙ্গ ছিল শিল্পের সমার্থক নাম

    স্বাধীনতার পর কয়েক দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ ছিল শিল্পের সমার্থক নাম। হাওড়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কেন্দ্র থেকে শুরু করে দুর্গাপুরের ইস্পাত কারখানা, কলকাতা বন্দর থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সব মিলিয়ে বাংলা ছিল পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড। দক্ষ শ্রমশক্তি, শিক্ষাগত উৎকর্ষ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উদ্যোক্তা মানসিকতা, সবই ছিল। যে জিনিসটি বাংলার টিকে থাকা নিশ্চিত করতে পারেনি, তা হল শিল্প-বিরোধী শাসনের দীর্ঘ ইতিহাস, যার চূড়ান্ত রূপ দেখা যায় তৃণমূলের রাজত্বে। এখানে মতাদর্শগত কঠোরতার জায়গায় এসেছে আরও বিধ্বংসী এক বাস্তবতা, দৃষ্টিহীন বিশৃঙ্খলা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বাংলার শিল্পের গতি কেবল মন্থর হয়নি, বরং পরিকল্পিতভাবেই তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে (Syndicate Raj)।

    পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন লগ্নিকারীরা

    ২০১১ সালের পর থেকে ৬,৬৮৮টি সংস্থা তাদের রেজিস্ট্রিকৃত অফিস পশ্চিমবঙ্গের বাইরে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এই একটিমাত্র তথ্যই তৃণমূলের উন্নয়নের দাবির অন্তঃসারশূন্যতা তুলে ধরে। কোনও কারণ ছাড়া কোনও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রাজ্য থেকে পাততাড়ি গুটোয় না। তারা লোটাকম্বল নিয়ে তখনই সরে যায়, যখন নীতিনির্ধারণ অনিশ্চিত, আইনশৃঙ্খলা দুর্বল এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ টিকে থাকার পূর্বশর্ত হয়ে (TMC) দাঁড়ায়। বিনিয়োগকারীরা যেসব পরিচিত কারণের কথা বলেন, সেগুলি হল, ‘দলীয় অনুদানে’র-এর নামে তোলাবাজি, চুক্তি ও পরিবহণে সিন্ডিকেট রাজ, স্থানীয় স্তরে রাজনৈতিক হুমকি, প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অভাব, দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতার ওপর সম্পূর্ণ অনাস্থা, এবং এটি ‘গরিবপন্থী’ শাসন নয়, এটি উন্নয়নবিরোধী শাসন।

    তৃণমূল রাজ

    তৃণমূলের রাজত্বে পশ্চিমবঙ্গে গড়ে উঠেছে এক সমান্তরাল অর্থনীতি, যেখানে কমিশন ছাড়া কিছুই এগোয় না। আর রাজনৈতিক আশীর্বাদ ছাড়া কোনও প্রকল্প টিকে থাকে না। কুখ্যাত ‘কাটমানি’ সংস্কৃতি রাজ্যের শাসনের সমার্থক হয়ে উঠেছে, যা পঞ্চায়েত স্তর থেকে শুরু করে বড় পরিকাঠামো প্রকল্প পর্যন্ত সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ক্ষয়িষ্ণু করেছে। এখানে উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে নয়, বরং শোষণের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখা হয়। এমন পরিবেশে উদ্ভাবন বিকশিত হয় না, দমবন্ধ হয়ে মারা যায়। ফলস্বরূপ, একসময় ভারতের বৌদ্ধিক গর্ব হিসেবে পরিচিত বাংলার যুবসমাজ আজ মর্যাদা ও সুযোগের সন্ধানে রাজ্যের বাইরে পাড়ি দিচ্ছে কাজের খোঁজে। যে রাজ্য প্রতিভা রফতানি করে আর ঋণ ছাড়া কিছুই আমদানি করে না, সে রাজ্য এগোচ্ছে না, সে ভেঙে পড়ছে (TMC)।

    তৃণমূল শাসিত রাজ্যের পক্ষে অপমানজনক

    ওড়িশার সঙ্গে তুলনা তৃণমূল শাসিত একটি রাজ্যের পক্ষে আরও অপমানজনক (Syndicate Raj)। সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি কলকাতায় মাত্র দু’দিনের বৈঠকেই ১.০৩ লক্ষ কোটি টাকার লগ্নির প্রতিশ্রুতি আদায় করে ফিরে গিয়েছেন। এগুলি কোনও প্রতীকী ঘোষণা নয়, বরং সময়সীমা ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা-সহ বাস্তব শিল্প চুক্তি। জানা গিয়েছে, ২৭টি মউয়ের মাধ্যমে ৮১,৮৬৪ কোটি টাকা, ৯০,০০০-এর বেশি যুবকের কর্মসংস্থান, ইস্পাত, আইটি, উৎপাদন ও সবুজ শক্তি খাতে বিনিয়োগ, এবং ২০৩৬ সালের মধ্যে ‘সমৃদ্ধ ওড়িশা’র স্পষ্ট রোডম্যাপ দিয়ে গিয়েছেন। এটাই আত্মবিশ্বাস, স্পষ্টতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তিতে পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা। এই তিনটি গুণ আজ পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। বাংলার নিজস্ব শিল্পপতিরাও এখন গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন ওড়িশাকেই।

    সিন্ডিকেট রাজ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে তুলেছেন আন্দোলন, বাধা ও সংঘাতের রাজনীতির ওপর ভিত্তি করে। তাঁর সরকার ধারাবাহিকভাবে বিকল্প না দিয়ে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করেছে, প্রশাসন ও পুলিশি ব্যবস্থায় রাজনীতিকরণ করেছে, শাসনের বদলে ব্যক্তিকেন্দ্রিক নাটককে প্রাধান্য দিয়েছে। উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন স্থিতিশীলতা। লগ্নিকারীরা চান আশার আলো। বাংলা কোনওটাই দেয় না (TMC)। ভারতের পূর্বাঞ্চলের পুনরুত্থান, ‘পূর্বোদয়ে’র স্বাভাবিক নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পশ্চিমবঙ্গের। অথচ আজ সেই রাজ্যই নিজের অগ্রগতির সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে (Syndicate Raj) দাঁড়িয়েছে। ওড়িশার উত্থান নির্মমভাবে বাংলার ব্যর্থতা উন্মোচন করে দেয়। এটি প্রমাণ করে, ভৌগোলিক অবস্থানই ভাগ্য নয়, আর ইতিহাস কোনও নিশ্চয়তা দেয় না। আসল বিষয় হল যোগ্য নেতৃত্ব।

    বাংলায় শিল্পায়নই ব্যর্থ

    যে রাজ্য একসময় অসংখ্য সুবিধা নিয়ে এগিয়ে ছিল, সে যদি এমন একটি রাজ্যের কাছে পিছিয়ে পড়ে, যাকে সে একসময় ছাপিয়ে গিয়েছিল, তবে লগ্নিকারীদের রায় স্পষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল শুধু বাংলায় শিল্পায়নেই ব্যর্থ হননি, তাঁরা সক্রিয়ভাবে এর অর্থনৈতিক ভিত্তিও ধ্বংস করে দিয়েছেন। সিন্ডিকেট সংস্কৃতিকে স্বাভাবিক করে, কাটমানিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে এবং বিনিয়োগকারীদের তাড়িয়ে দিয়ে তাঁরা ভারতের অন্যতম (Syndicate Raj) সম্ভাবনাময় রাজ্যকে পরিণত করেছেন শিল্পের কবরস্থানে (TMC)।

  • RSS Swayamsevak: ফের খবরে বীরভূমের নানুর, এবার আরএসএসের স্বয়ংসেবককে অপহরণের অভিযোগ

    RSS Swayamsevak: ফের খবরে বীরভূমের নানুর, এবার আরএসএসের স্বয়ংসেবককে অপহরণের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আতঙ্কের মেঘে ঢেকে গিয়েছে বীরভূমের নানুরের আকাশ। এই সেই জায়গা, যেখানে নৃশংসভাবে সিপিএমের হার্মাদদের হাতে খুন হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন কৃষক (Mamata Govt)। সেই নানুরই ফের চলে এল খবরের শিরোনামে। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বীরভূম জেলার আঙ্গোরা গ্রামের বাসিন্দা, আরএসএসের স্বয়ংসেবক রিন্টু পাল (RSS Swayamsevak)। তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে সমালোচকেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে তৃণমূল কংগ্রেসের ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

    আরএসএস কর্মীদের অভিযোগ (RSS Swayamsevak)

    স্থানীয় বাসিন্দা এবং আরএসএস কর্মীদের অভিযোগ, রিন্টুকে তৃণমূল কংগ্রেস-ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা অপহরণ করে জোরপূর্বক একটি দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে ভয় দেখানো হয়, করা হয় অপমান। হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রিন্টুর একমাত্র ‘অপরাধ’ আরএসএসের সঙ্গে তাঁর আদর্শগত সম্পর্ক। এটি ভারতের সংবিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত। জানা গিয়েছে, রিন্টুকে যেসব হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেগুলি স্পষ্ট ও ভয়াবহ। অভিযোগ, রিন্টুকে জনতার হাতে মারধর খাওয়ানো এবং ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, যদি তিনি আরএসএসের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। প্রাণভয়ের আশঙ্কায় তাঁকে জোর করে আরএসএস থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করার বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ। এই ঘটনা যদি প্রমাণিত হয়, তবে (Mamata Govt) তা এক ভয়ঙ্কর বাস্তবতাকে সামনে আনে—পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশে এখন আদর্শগত পরিচয়ই নিপীড়নের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে (RSS Swayamsevak)।

    নানুর রয়েছে নানুরেই

    নানুরের বহু মানুষের কাছে এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয়, বরং নিয়মে পরিণত হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে বিরোধী দলের সমর্থক, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন আদর্শগত সংগঠন অভিযোগ করে আসছে যে, স্থানীয় তৃণমূল ক্যাডাররা কার্যত রাষ্ট্রক্ষমতার সম্প্রসারিত হাত হিসেবে কাজ করছে এবং ভয়ের মাধ্যমে আনুগত্য চাপিয়ে দিচ্ছে। সামাজিক বয়কট থেকে শুরু করে শারীরিক হুমকি পর্যন্ত, ভিন্নমতকে অভিযোগ অনুযায়ী ব্যালট বাক্সে পৌঁছানোর অনেক আগেই দমন করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ভূমিকা নিয়েও তীব্র সমালোচনা হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ বারবার সামনে আসা সত্ত্বেও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে অস্বীকার, নীরবতা বা নির্বাচনী পদক্ষেপের অভিযোগ উঠছে। সমালোচকদের মতে, এই নীরবতাই স্থানীয় দাপুটে নেতাদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে, কারণ তারা বিশ্বাস করে রাজনৈতিক সুরক্ষা তাদের সমস্ত পরিণতি থেকে রক্ষা করবে।

    আরএসএস নেতৃত্বের বক্তব্য

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে প্রায়ই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন। কিন্তু নানুরের মতো ঘটনা কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে এনে দেয়। বিশ্বাসের জন্য যদি কোনও নাগরিককে অপহরণ করা হয়, তবে স্বাধীনতার অর্থ কী? আর গণতন্ত্রই বা কী, যখন রাজনৈতিক আনুগত্য নির্ধারিত হয় ভয়ের দ্বারা, পছন্দের (RSS Swayamsevak) দ্বারা নয়? জনরোষ আরও বেড়েছে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে। সমালোচকদের অভিযোগ, শাসক দলের স্বার্থ জড়িত থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী (Mamata Govt) বাহিনী দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে চায় না। প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতার এই কথিত অবক্ষয় নানুরকে শাসনব্যবস্থার এক সতর্কতামূলক উদাহরণে পরিণত করেছে, যেখানে ন্যায়বিচারের চেয়ে ক্ষমতার প্রাধান্যই বেশি। আরএসএস নেতৃত্ব জানিয়েছেন, প্রশাসনিক উদাসীনতা আর সহ্য করা হবে না। ন্যায়বিচার না মিললে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ আরও জোরদার হবে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা। গণআন্দোলনের ডাক ক্রমশ জোরালো হলেও, দায়িত্বশীল মহল মনে করছে, পরিস্থিতি যাতে আরও উত্তপ্ত না হয়, তার জন্য দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে রাজ্যের ওপরেই বর্তায় (RSS Swayamsevak)।

  • PM Modi: “তৃণমূল শিশু ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “তৃণমূল শিশু ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ব্যাপক আন্দোলনের জেরে ১৮ বছর আগে সিঙ্গুর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছিল টাটারা। রবিবার ১৮ বছর পরে সেই সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়েই তৃণমূলকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “তৃণমূল শিশু ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে। গরিবদের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল সরকার। মৎস্যজীবীদের নথিভুক্তকরণে সাহায্য করছে না। এতে কেন্দ্রীয় সরকারের সুবিধা পান না তাঁরা। যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়েও খেলছে তৃণমূল।”

    বিদ্যাসাগর-রামমোহন-বিবেকানন্দ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায়, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীকে জাতীয়স্তরে পালন করার উদ্যোগও নিয়েছে আমাদের সরকার।” তিনি বলেন, “বিজেপি বিকাশ এবং ঐতিহ্য উভয়কেই গুরুত্ব দেয়। এই দুয়ের মডেলেই বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের বিকাশে গতি দেবে। পশ্চিমবঙ্গের অনেক সামর্থ্য রয়েছে। অনেক বড় বড় নদী রয়েছে। বিশাল উপকূল রেখা রয়েছে। উর্বর জমি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় কিছু না কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। এখানকার সাধারণ মানুষের বুদ্ধি, প্রতিভা, সামর্থ্য রয়েছে। বিজেপি প্রত্যেক জেলার হিসেবে পরিকল্পনা তৈরি করবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট জেলার মানুষই সব চেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই জেলায় ধনিয়াখালি শাড়ি রয়েছে, এখানে পাট আছে, হস্তশিল্পের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সামগ্রীও রয়েছে। বিজেপির এক জেলা, এক পণ্য প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক জেলার এমন পণ্যে উৎসাহ দেবে। রাজ্যে বিজেপি সরকার এলেই প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে কড়া নীতি গৃহীত হবে। পাট শিল্পকে আরও উৎসাহিত করা হবে।” সিঙ্গুরের আলু-পেঁয়াজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গোটা পৃথিবীতে টাটকা সবজির চাহিদা রয়েছে। প্রক্রিয়াজাত সবজিরও বিশাল বাজার রয়েছে।”

    অনুপ্রবেশকারী ইস্যু

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেও শোনা গিয়েছে অনুপ্রবেশকারী ইস্যু। তিনি বলেন, “তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গে দাঙ্গাকারী, মাফিয়া, লুটতরাজে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এখানে সব কিছুতেই সিন্ডিকেট ট্যাক্স বসানো হয়। এই সিন্ডিকেট ট্যাক্স, মাফিয়া ট্যাক্সকে বন্ধ করবে রাজ্যে বিজেপির সরকার এলে। এটা মোদির গ্যারান্টি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের সেবা করাই আমার লক্ষ্য। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রের প্রকল্পের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছতে দেয় না। রাজ্যবাসীর সঙ্গে শত্রুতা করছে তৃণমূল সরকার।”

    মহা-জঙ্গলরাজের পতন

    তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে মহা-জঙ্গলরাজের পতন ও বিজেপির ক্ষমতায় আসা অত্যন্ত জরুরি। তৃণমূল সরকারের আমলে মহিলারা সুরক্ষিত নন। মাফিয়া ও দুর্নীতিবাজদের কবজায় রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা (PM Modi)। যতদিন তৃণমূল ক্ষমতায় থাকবে, কেউ চাকরি পাবেন না। এখানে কলেজে ধর্ষণ, হিংসার ঘটনা বন্ধ হোক।” তৃণমূল সরকারকে ‘নির্মম’ আখ্যাও দেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে শিল্প না আসার কারণও এদিন জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হলেই পশ্চিমবঙ্গে শিল্প আসবে, পশ্চিমবঙ্গে দুষ্কৃতি-পুলিশ সবাই এক। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সিন্ডিকেট-রাজ খতম করবে, এটা মোদির গ্যারান্টি।” এদিন প্রধানমন্ত্রী সভা শুরু করেন বাংলায় সম্ভাষণ করে। তিনি বলেন, “সিঙ্গুরের এই পবিত্রভূমিকে আমার প্রণাম। পশ্চিমবঙ্গে আসল পরিবর্তন চাইছেন মানুষ। সবাই ১৫ বছরের মহাজঙ্গলরাজের পতন চায়। সিঙ্গুরের এই পবিত্রভূমিকে আমার প্রণাম, সিঙ্গুরের এই উৎসাহ দেখে আমি অভিভূত (PM Modi)।”

     

  • PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ সকালে আমি মা কামাখ্যার মাটিতে ছিলাম। এখন বাবা তারকনাথের মাটিতে আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।” রবিবার সিঙ্গুরের (Singur Meeting) জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন অবশ্য তিনি বক্তৃতা শুরু করেন শ্রীরামকৃষ্ণ এবং মা সারদাকে দিয়ে। তার পরেই চলে আসেন মা কামাখ্যা এবং বাবা তারকনাথের অনুষঙ্গে। সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের। সিঙ্গুরের সরকারি মঞ্চ থেকে হুগলির বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেমের শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ (PM Modi)

    এদিন সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যের ট্রেন যোগাযোগের ক্ষেত্রে গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ। গত ১০০ বছরে এত কাজ হয়নি।” এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, কেন্দ্রের দুই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং শান্তনু ঠাকুর, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ আগেই ৬টি অমৃত ভারত ট্রেন পেয়েছে। আজ আরও ৩টি অমৃত ভারত ট্রেন পেল পশ্চিমবঙ্গ।” জয়রামবাটি-বড়গোবিন্দনাথপুর-ময়নাপুর নয়া রেললাইনের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী। যাত্রার সূচনা করেন তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের এবং একটি নয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেনের (PM Modi)।

    রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রত্যাশিতভাবেই এসেছে রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান। তিনি বলেন, “আমাদের আসল পরিবর্তন চাই। সকলে এই মনোভাব নিয়েই আজ সভায় এসেছেন। সকলেই ১৫ বছরের মহাজঙ্গলরাজকে বদলাতে চাইছেন। বন্দে মাতরম হুগলিতেই লেখা হয়েছিল। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই মাটিতেই লিখেছিলেন।” তিনি বলেন, “বিহারে এনডিএ জঙ্গলরাজ আরও একবার আটকে দিয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গও টিএমসির মহাজঙ্গলরাজকে বিদায় করতে প্রস্তুত।” রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সুরও এদিন বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (Singur Meeting)। তিনি বলেন, “পাল্টানোর দরকার, চাই বিজেপি সরকার।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুরো সংসদ, পুরো দেশ ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে। হুগলি এবং বন্দেমাতরমের সম্পর্ক তো আরও গুরুত্বপূর্ণ। বলা হয়, এখানেই ঋষি বঙ্কিমজি বন্দেমাতরমকে পূর্ণতা দিয়েছেন।”

    কর্তব্যপথে নেতাজি

    তিনি বলেন, “বিজেপি সরকারই দিল্লিতে কর্তব্যপথে ইন্ডিয়া গেটের সামনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি বসিয়েছে। প্রথমবার লালকেল্লা থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজের অবদানকে স্মরণ করা হয়েছে (PM Modi)। আন্দামান নিকোবরে নেতাজির নামে দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছে। আগে ২৬ জানুয়ারির কর্মসূচি ২৪-২৫ তারিখ থেকে শুরু হত। শেষ হত ৩০ তারিখে। আমরা তা বদলে দিয়েছি। এখন ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষবাবুর জন্মজয়ন্তী থেকে শুরু করেছি। মহাত্মা গান্ধীর পূণ্যতিথিতে তা পূরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি মনে করিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে। এর পরেই তৃণমূলকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিতে পাচ্ছেন না রাজ্যের মানুষ। এজন্য তৃণমূল সরকার দায়ী। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেও লাভ হয় না। জেলেদের জন্য কেন্দ্রীয় যোজনায় বাংলার জেলেদের রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হচ্ছে না।” তিনি বলেন, “জেলেরা বঞ্চিত (Singur Meeting) হচ্ছেন। যুব সমাজের সঙ্গে ছেলেখেলা করছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার (PM Modi)।”

     

  • IPAC Raid Case: আইপ্যাক-মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা তৃণমূলের, ইডি-র বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ

    IPAC Raid Case: আইপ্যাক-মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা তৃণমূলের, ইডি-র বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক মামলায় (IPAC Raid Case) সুপ্রিম দুয়ারে অ্যাডভান্টেজ ইডি। ইডির বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা এফআইআরের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি, পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত পুলিশি তদন্তের উপরেও স্থগিতাদেশ দিল শীর্ষ আদালত। মামলায় সব পক্ষকে (ইডির বিরুদ্ধে মামলাকারী সব পক্ষ) নোটিস জারি করেছে দুই বিচারপতির বেঞ্চ। দু’সপ্তাহের মধ্যে তাদের আদালতে হলফনামা জমা দিতে হবে। যে দুই এলাকায় ইডি তল্লাশি চালিয়েছে, সেখানে এবং তার আশপাশের এলাকার সব সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    পুলিশের এফআইআর-এ স্থগিতাদেশ

    কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবিই বৈধতা পেল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। শেক্সপিয়র সরণী এবং সল্টলেকের ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় ইডি-র (IPAC Raid Case) বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া চারটি এফআইআর-এই স্থগিতাদেশ দিল আদালত। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বজায় থাকবে। অর্থাৎ ওই সময়কাল পর্যন্ত পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর ভিত্তিতে কোনও তদন্ত হবে না। আদালত জানিয়েছে, উপযুক্ত অনুমতি এবং নথি নিয়ে কেউ তদন্ত করতে চায়, তাহলে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্নের জায়গা থাকে না। এই ঘটনার শুরু থেকেই ইডি (IPAC Raid Case) দাবি করছিল, যেভাবে তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশ এবং বিধাননগর পুলিশের এফআইআর দায়ের করেছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নিয়ম মেনেই তদন্ত করতে গিয়েছিলেন ইডি-র অফিসাররা। তথ্য নষ্ট করতে, ইডি-র অফিসারদের হেনস্থা করতেই পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে। তাই পুলিশের দায়ের করা এফআইআরগুলির উপর স্থগিতাদেশ দিতে এদিন আদালতে আর্জি জানায় ইডি। সেই মতোই চারটি এফআইর-এ স্থগিতাদেশ জারি করল আদালত।

    মমতার নিয়ে যাওয়া নথি সংরক্ষণের নির্দেশ

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তল্লাশির মাঝে সেদিন প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে যে সমস্ত জিনিস, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে গিয়েছিলেন, তা সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তা যাতে কোনওভাবে বিকৃত করা না হয়, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে তদন্তকারীকে। পাশাপাশি এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বড় পর্যবেক্ষণ, কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার যেমন নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে হস্তক্ষেপ কাম্য নয়, তেমনই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি যদি স্থানীয় থানার অনুমোদনপত্র হাতে নিয়ে বৈধ তদন্ত করে, তাহলেও তা আইনসিদ্ধ।

    ইডি-র তদন্ত আইনসিদ্ধ

    রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ইডি (ED At Supreme Court) তাদের নির্বাচনী তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে গোড়া থেকে দাবি করে আসছিল তৃণমূল। যদিও ইডি-র দাবি ছিল, রাজনীতির সঙ্গে তাদের তদন্তের কোনও সংযোগ নেই। কয়লাপাচার নিয়ে তদন্ত চলছে। সেই নিয়ে এদিন শীর্ষ আদালত জানায়, উপযুক্ত অনুমতি এবং নথি নিয়ে তদন্ত করতে গেলে, সেই সংস্থার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ থাকে না। অর্থাৎ ইডি যদি উপযুক্ত তথ্য়ের ভিত্তিতে, আইন মেনে তদন্ত চালায়, তাহলে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না।

    রাজ্যের হস্তক্ষেপ গুরুতর বিষয়

    সুপ্রিম কোর্ট এদিন জানিয়েছে, ইডি (ED At Supreme Court) বা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির কাজে রাজ্যের সংস্থার হস্তক্ষেপ গুরুতর বিষয়। প্রত্যেক সংস্থা যাতে স্বতন্ত্রভাবে তদন্ত করতে পারে, তা দেখতে হবে। দেশে আইনের শাসন বজায় রাখা এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সংস্থা যাতে স্বাধীন ভাবে নিজের কাজ করতে পারে, তার জন্য এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা অত্যন্ত জরুরি। এটা দেখা দরকার— যাতে কোনও অপরাধী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার আড়ালে লুকিয়ে রক্ষা না পেয়ে যান। এই মামলায় বহু বড় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িয়ে আছে। এই প্রশ্নগুলোর যদি মীমাংসা না হয়, তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে এবং দেশের এক বা একাধিক রাজ্যে আইন না মানার অবস্থা তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার চালাচ্ছে।

    ইডি সৎ উদ্দেশ্যেই কাজ করেছে

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, এটা ঠিক যে, কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থারই কোনও রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কাজে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। আবার একই সঙ্গে আদালতের প্রশ্ন, যদি কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা সৎ উদ্দেশ্যে কোনও গুরুতর অপরাধের তদন্ত করে, তাহলে কি শুধুমাত্র এটা দলের কাজ এই অজুহাতে তাদের তদন্ত চালানোর ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করা যেতে পারে? পিএমএলএ আইনের ৬৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী যদি ইডি অফিসারেরা অনুমোদনপত্র নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে থাকেন, তা হলে ধরে নেওয়া যায় যে তাঁরা সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করছিলেন।

    সব পক্ষকেই নোটিস

    এই মামলায় সব পক্ষকেই নোটিস দিয়েছে আদালত। পশ্চিমবঙ্গ সরকার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি রাজীব কুমার, কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা, দক্ষিণ কলকাতার ডেপুটি কমিশনার প্রিয়ব্রত রায়ের আইনজীবীকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে সকলকে। পাশাপাশি, প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতর এবং তার আশেপাশের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সমস্ত নথিপত্রও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। সব পক্ষের বক্তব্য শুনে চূড়ান্ত রায়দান করবে আদালত।

    মমতার প্যাটার্ন

    বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র স্পষ্ট করে বলে দেন, এই মামলা অত্যন্ত সংবেদনশীল। ইডি- বা কোনও তদন্তকারী সংস্থার হাতে যদি ‘অথরাইজেশন লেটার’ থাকে, তাহলে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবেন। অর্থাৎ প্রতীক জৈন কিংবা এই তদন্ত যাঁদের বিরুদ্ধে হচ্ছে, তাঁদের কোনও নিরাপত্তার মোড়ক দেওয়া হয়নি। অর্ডার দেওয়ার আগে বিচারপতি এও তুলে ধরেন, কীভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগেও কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাজে হস্তক্ষেপ করেছেন। কার্যত এটা একটা প্যাটার্নে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি। একই সঙ্গে কলকাতায় ইডি-সিবিআই অফিসারদের তদন্তের বিরুদ্ধে যেভাবে ধরনা হয়েছে, বিক্ষোভ হয়েছে, সেটাও অর্ডার দেওয়ার আগে বিচারপতি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি, হাইকোর্টে কেন শুনানি শুনানি হবে না, সেই প্রশ্ন তোলা হয় রাজ্যের তরফে। তবে আদালত জানিয়েছে, বৃহত্তর প্রশ্ন জড়িয়ে রয়েছে। তাই সুপ্রিম কোর্টেই শুনানি হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি ৩ ফেব্রুয়ারি।

  • ED At Supreme Court: রাজীবকে সাসপেন্ড করার আর্জি! “এমন কী ছিল, যা লুকোনোর জন্য তৎপর মুখ্যমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন ইডির

    ED At Supreme Court: রাজীবকে সাসপেন্ড করার আর্জি! “এমন কী ছিল, যা লুকোনোর জন্য তৎপর মুখ্যমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক মামলায় (IPAC ED Raid) কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি রাজীব কুমার (DGP Rajeev Kumar), কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার বর্মা (CP Manoj Verma) এবং দক্ষিণ কলকাতার ডিসিপি প্রিয়ব্রত রায়কে সাসপেন্ড করার আবেদন জানাল ইডি। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় (IPAC ED Raid) শুনানির শুরুতেই এই আর্জি দাখিল করা হয় ইডির পক্ষ থেকে। দুর্ব্যবহার এবং অসহযোগিতার অভিযোগে রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের আর্জি জানানো হল ইডি-র তরফে। একই সঙ্গে ইডি জানতে চায়, “এমন কী ছিল, একটা অফিসে, যা লুকোনোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী পুরো পুলিশবাহিনী নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়লেন? ”

    সুপ্রিম দুয়ারে ইডির আর্জি

    শীর্ষ আদালতে ইডি-র দাবি, আইন মেনে তল্লাশি চালানোর সময় নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, তল্লাশিতে তুলকালাম নিয়ে আর্জিতে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান তদন্তপ্রক্রিয়ায় নাক গলিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন সরকারি আধিকারিক ও সঙ্গী-সাথীরা। কেন্দ্রীয় কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতর ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতে দায়ের করা নতুন আর্জিতে জানাল ইডি। গত সপ্তাহে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটির (I-PAC) কলকাতা অফিসে ইডি তল্লাশি অভিযান চালায়। কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় (Coal Smuggle Case) চলা ওই তল্লাশির সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আইপ্যাকের অফিসে (IPAC Kolkata Office) হাজির হন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের শীর্ষস্তরের নেতারা। তাঁরা ইডি অফিসারদের কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। ‌সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দাখিল করা অভিযোগে ইডি বলেছে, তল্লাশির জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি এবং কিছু ডকুমেন্ট সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সংস্থার কাজে বাধা দেওয়ার শামিল। এদিন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি পিকে মিশ্র ও বিপুল পাঞ্চোলির এজলাসে মামলাটির শুনানি শুরু হয়েছে।

    কোনও নথি সরানো হয়নি

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) দায়ের করা আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। শুনানির সময় ইডি-র তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের ফ্ল্যাট কিংবা সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতর থেকে ইডি (ED Raid at IPAC) কোনও নথি বা ডিজিটাল এভিডেন্স বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর দাবি, যে কাগজপত্র ওই জায়গাগুলি থেকে সরানো হয়েছে, তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই করা হয়েছে। এই বক্তব্য শোনার পর তৃণমূলের আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামী আদালতে জানান, ইডি (ED) যদি অন রেকর্ড স্বীকার করে যে তারা কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেনি, তা হলে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) এই মামলাটি নিষ্পত্তি করতে পারে। জবাবে এসভি রাজু ফের বলেন, ইডি কোনও নথি বা ডিজিটাল প্রমাণ বাজেয়াপ্ত করেনি – এই অবস্থান তারা অন রেকর্ডেই জানাচ্ছে।

    ইডি কোনও সাধারণ সংস্থা নয়

    ইডির হয়ে সলিসিটর জেনারল মেহতার সওয়াল, “পিএমএলএ আইনের ৮ নম্বর ধারা অনুসারে, ইডি শুধু সরকারের একটি সাধারণ দফতর নয়। ইডির একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে। ইডি অবৈধ ভাবে উপার্জিত সম্পত্তি চিহ্নিত করে, তা বাজেয়াপ্ত করে এবং দখলে নেয়।” সুপ্রিম কোর্টে ইডির সওয়াল, “আমাদের বিরুদ্ধে উল্টে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ মুছে দেওয়া হয়েছে।” ইডি বলে, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশের তরফে ইডির বিরুদ্ধে তিনটি এফআইআর করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে যে ইডি বেআইনি কাজ করেছে, মানুষকে ভয় দেখিয়েছে ইত্যাদি। এই এফআইআরগুলির ভিত্তিতেই না কি ইডি অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”

    কী লুকোতে চান মুখ্যমন্ত্রী?

    ইডির আইনজীবী আরও সওয়াল করেন, “এমন কী ছিল, যা লুকোনোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী পুরো পুলিশবাহিনী নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়লেন? পুলিশ অফিসারদের পুরো বিষয়টি বুঝিয়ে বলার সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সেখানে প্রবেশ করেন। তাঁকে হস্তক্ষেপ না করার অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তা মানেননি। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। এই মামলায় সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।” ইডির সওয়াল, “ওরা বলছে আমরা না কি সেখানে গিয়েছিলাম এসআইআর-এর তথ্য সংগ্রহ করতে। কিন্তু যে কেউ বুঝবে—এসআইআর-এর তথ্য তো ওয়েবসাইটেই পাওয়া যায়। সেটা আনতে সেখানে যাওয়ার কোনও মানে নেই। এমন কাজ কোনও বোকা লোকও করবে না। অবৈধ কয়লা পাচার মামলার তদন্তে আইপ্যাক-এ তল্লাশি করতে গিয়েছিল। কয়লা কেনাবেচার টাকা নগদে লেনদেন করা হত। ইডি যে সমন পাঠিয়েছিল, তার কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। তদন্তে দেখা গিয়েছে, একটি হাওয়ালা চ্যানেল মারফত প্রায় ২০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।” মেহতা আদালতে বলেন, “ইডি আগেই ইমেল করে রাজ্যের আধিকারিকদের জানিয়ে দিয়েছিল। আমাদের কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না।” ওই দিনের ঘটনার ছবি দেখতে চান বিচারপতি।

  • Calcutta High Court: আইপ্যাক-কাণ্ডে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য! হাইকোর্টে খারিজ তৃণমূলের মামলা, ইডির দাবি মানল আদালত

    Calcutta High Court: আইপ্যাক-কাণ্ডে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য! হাইকোর্টে খারিজ তৃণমূলের মামলা, ইডির দাবি মানল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। ইডির বিরুদ্ধে করা তৃণমূলের মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। তৃণমূলের যুক্তি টিকলই না আদালতে। হাইকোর্টে ইডি স্পষ্ট জানায়,কয়লা পাচার মামলার তল্লাশিতে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সংস্থার দফতর থেকে কিছুই বাজেয়াপ্ত করেনি তারা। বুধবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে মামলার শুনানিতে ইডির পক্ষে আইনজীবী তথা অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু জানান, যা নেওয়ার নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আইপ্যাক তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা৷ দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি।

    কেন মামলা খারিজ

    এদিন, অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু হাইকোর্টে যুক্তি দেন, তল্লাশি চালানো হয়েছে আইপ্যাক সংস্থার ডিরেক্টরের দফতর ও বাড়িতে। কিন্তু সেক্ষেত্রে আপত্তি জানিয়ে আদালতে এলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশীস চক্রবর্তী। অথচ তিনি তল্লাশির সময় ছিলেন না। তাহলে যে যে তথ্য তিনি আদালতে দিয়েছেন তা কীসের উপর ভিত্তি করে দিলেন? ফলে মিথ্যের উপর দাঁড়িয়ে থেকে কোনও মামলা করা যায় না। যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে তৃণমূলের উচিত মমতার বিরুদ্ধে মামলা করা। সেক্ষেত্রে ইডির আইনজীবীরা তাঁদের সমর্থন করবেন। এরপরই এই বক্তব্যের উপর ভিত্তি করে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ মামলা খারিজ করে দেন।

    ভয় পেয়েছে তৃণমূল!

    ইডির দায়ের করা মামলা মুলতুবি করা হয়েছে হাইকোর্টে। এ প্রসঙ্গে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মিস্টার রাজু বলেছেন, তৃণমূলের কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত হয়নি। তাই বিচারপতি এই মামলা খারিজ করে দিয়েছেন।” অপরদিকে, আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, “ইডি পরিষ্কার বলেছে, তাঁরা কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করতে পারেনি কারণ তা ডাকাতি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল যে কাগজের দাবি করেছিল ইডি সেই প্রসঙ্গে বলেছেন আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পার্টি করুন। কারণ, উনি সব নথি নিয়ে চলে গিয়েছেন। এই সব কথা শুনে ম্যাটার অন্য দিকে ঘুরে যাবে দেখে তৃণমূলের তরফে বলা হয় যদি কোনও নথি বাজেয়াপ্ত না করা হয়ে থাকে তাহলে মামলা পেনডিং রেখে লাভ নেই। তারপর মামলা খারিজ হয়।”

    বৃহস্পতিবার সুপ্রিম দুয়ারে শুনানি

    আইপ্যাকে ইডি তল্লাশি (IPAC ED Raid) ঘিরে আইনি টানাপড়েনের জল আগেই গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। জানা গেল, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) দায়ের করা মামলার শুনানি বৃহস্পতিবার হবে শীর্ষ আদালতে। আইপ্যাকে ইডি অভিযানের (IPAC ED Raid) পর আগেভাগেই সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছিল রাজ্য সরকার। তার পরপরই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি। বুধবারই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হবে।

  • Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata)। সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের জন্য গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীকে আইনজীবী মারফত একটি মানহানির নোটিস পাঠান তিনি। কিসের ভিত্তিতে মমতা ওই মন্তব্য করেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রামাণ্য নথি চেয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার দেওয়া ওই সময়সীমা ইতিমধ্যে অতিক্রম করেছে। কিন্তু সেই চিঠির উত্তর মেলেনি। এবার তাই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন শুভেন্দু।

    ‘আদালতে দেখা হবে

    সমাজমাধ্যমে শুভেন্দু (Suvendu Attacks Mamata) লেখেন, “তাঁকে (মুখ্যমন্ত্রীকে) দেওয়া সময়সীমা এখন অতিক্রম হয়ে গিয়েছে, এবং মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আচরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন যে আমার নাম কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে তাঁর কল্পিত অভিযোগগুলির কোনও স্পষ্ট প্রমাণ নেই ওনার কাছে, অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত তাই বিপাকে পড়ে তিনি কোনও উত্তর দিতে পারেননি।” বিরোধী দলনেতার দাবি, কী জবাব দেবেন, তা হয়তো মুখ্যমন্ত্রী বুঝে উঠতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে তিনি আরও লেখেন, “এবার উনি আদালতে আইনি পরিণতির সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার আপনার সাথে আদালতে দেখা হবে।”

    কেন শুভেন্দুর আইনি চিঠি

    অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীকে কয়লা দুর্নীতির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata) জড়িয়ে মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই এই আইনি চিঠি নন্দীগ্রামের বিধায়কের। চিঠিতে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আই প্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যমে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। যদিও ইডি বিবৃতি দিয়ে জানায়, কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় এই তল্লাশি চলছিল। গোটা দেশের ১০ জায়গায় তল্লাশি চলছিল। তার মধ্যে ৬টি বাংলায় ও চারটি দিল্লিতে। ইডির বক্তব্য, এই তদন্তে হাওয়ালা-যোগও উঠে আসে। আর এখানেই উঠে আসে আইপ্যাকের নাম। ইডির দাবি, ইন্ডিয়ান প্যাক কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড, অর্থাৎ আইপ্যাকের মাধ্যস্থতার হাওয়ালায় ১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। অভিযুক্ত বেশ কয়েকজনের বয়ানে এই প্রতীক জৈনের নাম উঠে এসেছে। সেই কারণেই তল্লাশি।

  • IPAC: “পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    IPAC: “পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ জানুয়ারি কোর্টরুমে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার জেরে ভেস্তে গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে আইপ্যাক (IPAC) অভিযান হানা নিয়ে ইডির দায়ের করা মামলার শুনানি। হট্টগোল না থামায় এজলাস থেকে বেরিয়ে যান বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। এই মমলার পরবর্তী শুনানি হবে দিন সাতেক পরে। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূলকেই নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তৃণমূলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাটের স্ক্রিনশট তুলে ধরে এই দাবি করা হয়েছে। যদিও সেই স্ক্রিনশটের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। শুভেন্দুর দাবি, এটা পরিকল্পনা করেই করেছে তৃণমূল। এই পরিপ্রেক্ষিতে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাট ভাইরাল হয়েছে। তাতে লেখা, কোর্ট নম্বর ৫-এ সবাই চলে আসবেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, এরই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কক্ষে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তৃণমূলপন্থী আইনজীবীরা।

    বিচারপতির বক্তব্য (IPAC)

    বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, আদালতের পরিবেশ শুনানির (Suvendu Adhikari) উপযোগী ছিল না। বিচারপতির বক্তব্য (IPAC), “এজলাসে আইনজীবী থেকে শুরু করে উপস্থিত অন্যরা গোলযোগ সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁদের বারবার অনুরোধ করা হয় আদালতের মর্যাদা ও শিষ্টাচার রক্ষা করার জন্য। কিন্তু সেই অনুরোধ কারও কানে পৌঁছয়নি। তাই বাধ্য হয়েই আদালত মুলতুবি করা হল। আগামী ১৪ জানুয়ারি নতুন করে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হল।” কথাগুলি বলেই এজলাস ছেড়ে চলে যান বিচারপতি।

    কবুল কল্যাণের

    এদিন তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনিও বলেন, “খুব হইচই হচ্ছিল। বিচারপতি বলেছেন, ওই পরিবেশে তিনি শুনানি করেন না।” যদিও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এজলাসে ভিড় করে রাখা হয়েছিল। আর সেটা করেছিল তৃণমূল। শাসক দল অবশ্য সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে যে অর্ডার কপি সামনে এসেছে, তাতে বিচারপতি নিজে জানিয়েছেন শুক্রবার কোর্টরুমের ভেতরে ঠিক কী হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় (Suvendu Adhikari) শনিবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আবেদন করেছে ইডি। যদিও তার আগেই রাজ্যের তরফে ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে (IPAC)।

LinkedIn
Share