Tag: Tollywood

Tollywood

  • Swarup Biswas: যৌন হেনস্থা মন্তব্য! স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির মামলা ২৩৩ জন পরিচালকের

    Swarup Biswas: যৌন হেনস্থা মন্তব্য! স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির মামলা ২৩৩ জন পরিচালকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আবহে উত্তপ্ত টলিউড। ৬০ শতাংশ পরিচালক-প্রযোজক নাকি যৌন হেনস্থার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত, গত সেপ্টেম্বরে পুজোর আগে এমনই অভিযোগ এনেছিলেন ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিসিয়ান্স অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas)। তাঁর আরও একটা পরিচয় রয়েছে, রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই। এমন মন্তব্যের কারণে টলিউডের ২৩৩ জন পরিচালক এবার স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির (Defamation Case) মামলা করলেন।

    আরও পড়ুন: ব্রাজিলে জি২০ সম্মেলনে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন সুকান্ত মজুমদার

    দুর্গাপুজো মিটতেই মানহানির মামলা (Defamation Case) করা হল

    প্রসঙ্গত, আরজি করের ঘটনার পরেই, গত অগাস্ট মাস থেকে উত্তাল হয় সারা রাজ্য। যৌন নির্যাতন, শ্লীলতাহানি, মহিলাদের ওপর যে কোনও অত্যাচারের প্রতিবাদে সরব হয়ে রাস্তায় নামতে দেখা যায় মানুষকে। এরই মধ্যে বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেন স্বরূপ বিশ্বাস। বিতর্কিত মন্তব্যে তিনি (Swarup Biswas) বলেন, ‘‘টলিউডের ৬০ শতাংশ পরিচালক যৌন হেনস্থা করেন।’’ এমন মন্তব্যের কারণেই নড়েচড়ে বসেন টলিউডের পরিচালকরা। এই তালিকায় ছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, অপর্ণা সেন, অঞ্জন দত্ত, সুদেষ্ণা রায়-সহ ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। এরপরে দুর্গাপুজো মিটতেই মানহানির মামলা করা হল স্বরূপের বিরুদ্ধে।

    এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি স্বরূপ (Swarup Biswas)

    এনিয়ে ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সুব্রত সেন জানিয়েছেন, পরিচালকরা একজোট হয়ে এমন পদক্ষেপ করেছেন। সুব্রতর নিজের ভাষায়, “কোনও সংগঠন এই রকম পদক্ষেপ করতে পারে না। পরিচালকরা এক জোট হয়ে ব্যক্তিগত স্তর থেকে এই পদক্ষেপ করেছেন।”  তবে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ পরিচালকরা স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন কি না সে বিষয়ে কিছু স্পষ্ট জানা যাচ্ছে না। পরিচালক রাজ চক্রবর্তী তৃণমূলের বিধায়কও বটে। তাই তাঁর কী মন্তব্য স্বরূপ বিশ্বাসের কথার প্রসঙ্গে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। আবার স্বরূপ বিশ্বাসও এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Debraj Roy: টলিউডে নক্ষত্র পতন, প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা তথা সংবাদ পাঠক দেবরাজ রায়

    Debraj Roy: টলিউডে নক্ষত্র পতন, প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা তথা সংবাদ পাঠক দেবরাজ রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা তথা সংবাদ পাঠক দেবরাজ রায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। বেশ কিছুদিন আগে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অভিনেতা। দীর্ঘদিন কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। বড়পর্দা ও ছোটপর্দার পাশাপাশি দূরদর্শনে সংবাদপাঠেও তাঁর কণ্ঠ সকলকে আকৃষ্ট করত। 

    দীর্ঘদিন অসুস্থ, শোকাহত পরিবার

    মঞ্চ, পর্দা হয়ে দূরদর্শনে সংবাদ পাঠ — সব ক্ষেত্রেই আলাদা মাত্রা যোগ করেছিলেন প্রয়াত অভিনেতা দেবরাজ রায়। তাঁর স্ত্রী অনুরাধা রায়ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। স্বামী তথা বন্ধুর প্রয়াণে একরাশ মন খারাপ নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি চাই ওর শেষ ইচ্ছাটা পূরণ হোক।’ তাঁর কথায়, “গত মাস দেড়েক ধরে একটু বেশিই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ২০১৭ সালে সেরিব্রাল অ্যাটাক হয়েছিল। তার পর থেকে যে একেবারে সুস্থ হয়ে গিয়েছিল তা বলা যায় না। গত ২১ তারিখে আচমকাই পড়ে গিয়েছিলে। যার ফলে ফিমার বোন ভেঙে যায়। অস্ত্রোপচারও করা হয়েছিল। তার পরেই ওর শরীরটা আরও ভেঙে যায়। মাঝে খুব জ্বর হয়েছিল। তখনই হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম। গত দেড় মাসে পাঁচ বার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল ওকে। অনেক ভাবে চেষ্টা করে হয়েছে। কিন্তু শরীরের আর কিছু নেওয়ার ক্ষমতা ছিল না। কিডনি কাজ করাও বন্ধ করে দিয়েছিল। ও বেঁচে থাকতে তো সে ভাবে স্বীকৃতি পেল না। আমি চাই ওর চলে যাওয়ার সংবাদ যেন সকলের কাছে পৌঁছায়।” 

    আরও পড়ুন: কৃষ্ণনগরে তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন! সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টে নির্যাতিতার মা

    দেবরাজ রায়ের কাজ

    ১৯৫০ সালের ৯ ডিসেম্বর জন্ম অভিনেতার। ১৯৭০-এ সত্যজিৎ রায়ের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ ছবি দিয়ে অভিনয় জীবনের শুরু। পরের বছর, ১৯৭১ সালে তিনি মৃণাল সেনের ‘কলকাতা ৭১’-এ অভিনয় করেন। এই ছবি তাঁকে বিপুল জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছিল। দেবরাজের নাম তখন সকলের মুখে। এ ভাবেই তিনি অভিনয় করেন তপন সিনহা, তরুণ মজুমদার, বিভূতি লাহা-সহ সেই সময়ের খ্যাতনামী পরিচালকদের সঙ্গে। তপনবাবুর ‘রাজা’ ছবিতে তাঁর অভিনয় মনে রাখার মতো। পাশাপাশি, ১৯৭৩-এ দীনেন গুপ্ত পরিচালিত ‘মর্জিনা আবদুল্লা’ ছবিতে মিঠু মুখোপাধ্যায়ের বিপরীতে তাঁর অভিনয় আরও জনপ্রিয় করেছিল তাঁকে। পর্দার পাশাপাশি মঞ্চেও তিনি অভিনয় করেছেন। দূরদর্শনের সংবাদপাঠক হিসেবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। ১৯৭৬ সালে তিনি বিয়ে করেন অনুরাধা রায়কে। অনুরাধাও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন বিনোদন থেকে দূরে ছিলেন দেবরাজ রায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tollywood: টলিউডেও কি ‘থ্রেট কালচার’? কাজ না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা কেশসজ্জা শিল্পীর

    Tollywood: টলিউডেও কি ‘থ্রেট কালচার’? কাজ না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা কেশসজ্জা শিল্পীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে থ্রেট কালচারের অভিযোগে সরগরম হয়েছে বাংলা। ঠিক এই আবহে টলিউডেও (Tollywood) কি থ্রেট কালচার চলছে? এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ দীর্ঘদিন কাজ না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন টলিপাড়ার এক হেয়ার ড্রেসার। অভিযোগ, তনুশ্রী দাস নামের ওই শিল্পীর (Hairdresser) হাত থেকে একের পর এক কাজ কেড়ে নিতে থাকে হেয়ার ড্রেসার গিল্ড ও ফেডারেশনের লোকজন। কাজ হারিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অবসাদে ভুগছিলেন। সেই হতাশা থেকেই শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই শিল্পী, এমনটাই অভিযোগ তাঁর পরিবারের লোকজনের। গতকাল শনিবার রাত ঠিক আটটা নাগাদ বাড়ির বাথরুম ঢুকেছিলেন ওই শিল্পী (Tollywood)। কিন্তু, দীর্ঘক্ষণ সেখান থেকে না বেরনোয় সন্দেহ হয় তনুশ্রী দেবীর মেয়ে অঙ্কিতার! বাথরুমে দরজার কাছে যেতে কেরোসিনের গন্ধ পাওয়া যায়, দরজা ভেঙে অঙ্কিতা উদ্ধার করেন নিজের মাকে। গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন ওই শিল্পী। বর্তমানে তিনি ভর্তি রয়েছেন বাঙ্গুর হাসপাতালে।

    তিন মাস সাসপেন্ড করেছিল গিল্ড (Tollywood)

    খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান পরিচালক সুদেষ্ণা রায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী, চৈতি ঘোষাল, মানালি দে, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়রা। এই আবহে গর্জে ওঠেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী। আরজি কর কাণ্ডেও সরব হয়েছিলেন সুদীপ্তা। এনিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘ওই কেশসজ্জা শিল্পীর কথা (Hairdresser) অনুযায়ী, ওঁকে অকারণে ১ জুলাই থেকে তিন মাস সাসপেন্ড করেছিল ওঁদের গিল্ড। তার পর কাজে ফিরলেও বাইরের কাজ করতে পারছিলেন না। সেই অভিযোগ আমার কাছে করেন। রবিবার মৈনাকের কাজটি হাতছাড়া হওয়ার পর সম্ভবত নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি তিনি।’’

    শিল্পীর বক্তব্য, বাড়িতে অসুস্থ স্বামী, মেয়ের পড়াশোনার খরচও রয়েছে!

    এরইমধ্যে একটি পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবির জন্য বড় কাজের অফার পান ওই শিল্পী। যদিও শেষ পর্যন্ত সেখানেও বাধা আসে! গতকাল শনিবারই প্রোডাকশন ম্যানেজার ফোন করে ওই শিল্পীকে জানান, গিল্ড থেকে ফোনে বলা হয়েছে তাঁকে যেন কাজটি না দেওয়া হয়। এর পর তিনি যোগাযোগ করেন ফেডারেশন সম্পাদকের সঙ্গে। তিনিও জানান, গিল্ড ফোন করে তাঁকে অনুমতি না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কাজ খুইয়ে দিশাহারা ওই কেশসজ্জা শিল্পী হতাশায় ভেঙে পড়েন। সেই হতাশা থেকেই গায়ে কেরোসিন তেল ঢালেন। শিল্পীর (Tollywood) বক্তব্য, বাড়িতে অসুস্থ স্বামী। মেয়ের পড়াশোনার খরচ রয়েছে। মাত্র এক শিফ্টে কাজ করে দেনা শোধ, সংসার চালানো কোনও মতেই সম্ভব নয়।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ

  • Tollywood: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর তুঘলকি কাণ্ডে ৫০০ কোটির ক্ষতি টলিপাড়ার! তাও চুপ রাজ্য

    Tollywood: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর তুঘলকি কাণ্ডে ৫০০ কোটির ক্ষতি টলিপাড়ার! তাও চুপ রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন। কয়েক দিন ধরে এই শব্দগুলি শোনা যায়নি টলি-পাড়ায় (Tollywood)। প্রতিবাদের আঁচ পড়েছিল স্টুডিও পাড়ায়। সিনেমা-সিরিয়াল টু ওটিটি- সব শুটিং ছিল বন্ধ। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে নাকি কাজ শুরু হল স্টুডিও পাড়ায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরিচালক-টেকনিশিয়ানদের বৈঠকের পর সমাজমাধ্যমে তারকা-সাংসদ দেব জানিয়েছিলেন ফেডারেশনের সঙ্গে পরিচালকদের দ্বন্দ্বে দাঁড়ি পড়তে চলেছে। কিন্তু আদতে কি দাঁড়ি পড়ল নাকি টালিগঞ্জের প্রযোজক-পরিচালকরা একপ্রকার বাধ্য হলেন তাঁদের ক্ষতিটা মেনে নিতে? আসলে ফেডারেশনের তথাকথিত যেসব ‘নিয়ম’ নিয়ে সরব হয়েছিলেন টলিপাড়ার পরিচালক এবং প্রযোজকেরা সেসব নিয়ম-কানুন পাল্টে যাবে, এমনটাই আশ্বাস মিলেছে। কিন্তু সেই নিয়ম পাল্টাবেন কে? ফেডারেশনের সমস্ত রকমের নিয়ম কানুন নিয়ে একটি রিভিউ কমিটি তৈরি হচ্ছে। সেই কমিটির মাথায় রয়েছেন রাজের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি আবার ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) দাদা। অতএব ক্ষমতার অদলবদল হল না আদপে পাট্টা রইল “বিশ্বাস ব্রাদার্সের” হাতেই!

    অনিশ্চিত কাজের পরিবেশ

    বুধবার টালিগঞ্জের (Tollywood) কলাকুশলীদের সংগঠনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas)  জানান, পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়ের বিষয়ে তাঁদের আরও কিছু আলোচনা বাকি রয়েছে। তার জন্য কয়েকদিন প্রয়োজন। ফেডারেশনের আওতাভুক্ত টেকনিশিয়ানরা রাহুলের পরিচালনায় কাজ করবেন কি না মূলত সেই বিষয়ে আলোচিত হবে আগামী কয়েকদিনের ফেডারেশনের বৈঠকে। বক্তব্য শেষে স্বরূপ আরও জানান, ৫ অগাস্ট নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাবে ফেডারেশন। অতএব এখনও কিন্তু কোনও নিশ্চয়তা নেই। 

    স্বজনপোষণ

    যে বিষয়গুলি এখনও অস্পষ্ট, তা হল স্রেফ স্বজনপোষণের ভিত্তিতেই কি চলতে থাকবে গিল্ডের কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়া? না কি যোগ্যতার নিরিখে বিচার করা শুরু হবে?  আর তা যদি না হয়, তাহলে  মেধাবী ছাত্ররা যেমন চলে যাচ্ছেন, সে রকম মেধাবী পরিচালকরাও বাংলা ছেড়ে ভিন্-রাজ্যে পাড়ি দেবেন। না, ফেডারেশনের সভাপতি কোনও দিনই ‘ব্যানড’ শব্দটি সমর্থন করেন না। পরিবর্তে, অসহযোগ নীতিকেই টেকশিয়ানদের আন্দোলনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চান। ফলে, পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায় যখন ফেডারেশনকে লুকিয়ে বাংলাদেশে শুটিং করেন, তখন ফেডারেশনের তরফে রাহুলের বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে লেখা, “চিরন্তন মুখোপাধ্যায় (রাহুল) ফেডারেশনের নিয়মবিরুদ্ধ কাজ করেছেন। সেই সূত্রে ডিরেক্টর অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া (ডিএইআই) তাঁকে শুটিং সংক্রান্ত কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছে।”

    বাজেট বেশি

    ফেডারেশনের মতে, এক একটা শুটিংয়ে গড়ে ১২০ জন টেকশিয়ান নিতে হবে। অর্থাৎ, মানুষ বেশি, ছবির বাজেট বড়। ছবির বাজেট ছোট হলে চলবে না। কিন্তু এই বাজেট দিতে রাজি হন না কোনও প্রযোজক। অতএব সমস্যায় পড়েন পরিচালকরা। ফেডারেশনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’ কলকাতা থেকে চলে গেল। স্বরূপ ওরফে ফেডারেশনের দাবি, বাংলাদেশ হল ‘বিদেশ’। তাই এখানকার টেকনিশিয়ানরা কাজ করার জন্য চারগুণ বেশি অর্থ নেবেন। স্বাভাবিক ভাবেই ‘চরকি’ সেই টাকা দেবে না, ফলে তারা বাইরে চলে গেল। ধরা যাক, একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বছরে ১২টি ছবি ও ১২টি ওয়েব সিরিজ নিয়ে আসে। ওয়েব সিরিজের খরচ ধরা যাক গড়ে ১.৫ কোটি। তা হলে ১২টি ওয়েব সিরিজের খরচ ১৮ কোটি। গড়ে একটি ওটিটি ছবির খরচ যদি ১ কোটি হয়, তা হলে ১২টি ছবির হিসেবে ১২ কোটি। অতএব, ‘চরকি’ চলে যাওয়ায় মোট ৩০ কোটির আর্থিক ক্ষতি হল পশ্চিমবঙ্গে! ‘চরকি’ কলকাতায় শুটিং করতে পারলে আরও অনেক ওটিটির শুটিং হত এখানে। যদি কম করে তিনটি ওটিটির শুটিং হত, তা হলে অঙ্ক দাঁড়াত মোটামুটি দেড়শো কোটি! 

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে শুক্রবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় বৃষ্টির সতর্কতা

    কত টাকার ক্ষতি

    কলকাতায় কোনও হিন্দি ছবি শুট করা হলে চোখ বন্ধ করে ৬.৫ কোটি বাজেট থাকে টেকশিয়ানদের জন্য। তামিল, তেলুগু ছবির ক্ষেত্রেই একই হিসেব। যদি ৫টি হিন্দি ছবি আর ৫টি দক্ষিণী ছবি কলকাতায় হয় তা হলে অঙ্ক দাঁড়ায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি। মাঝেমধ্যে তা ১০০ কোটিও ছুঁয়ে ফেলে। হিন্দি ওটিটির শুটিং সব বাইরে চলে গিয়েছে। হিন্দি ওটিটি থেকে কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকার ব্যবসা হতে পারত। শুধুমাত্র ফেডারেশনের কঠোর নিয়মাবলির কারণে তা সম্ভব হয়নি।

    বাংলা ছবি কমেছে

    আগে বছরে ১৪০টি বাংলা (Tollywood) ছবি হত। এই বছরে তা ৬৫ থেকে ৭০। প্রতিটি ছবি যদি ১.৫ কোটির হয়, তা হলে প্রায় মোট প্রায় একশো কোটি। যদি বিজ্ঞাপনী ফিল্মের কথা বলা হয়, কলকাতার বিজ্ঞাপনী ফিল্মের বাজেট থাকে ২৫ লক্ষ, মুম্বইয়ের ক্ষেত্রে তা ৭০ লক্ষ। আগে পুজোর সময় অধিকাংশ বিজ্ঞাপনী ফিল্মের শুটিং হত কলকাতায়। ঠিক যে রকম আইপিএলের মরসুমে শুটিং হয় মুম্বইয়ে। সে ক্ষেত্রে হিসেব করলে আয় হতে পারত একশো কোটি। ফেডারেশনের পরিকাঠামোর জন্য সেই পথও বন্ধ! নানাদিক দিয়ে হিসেব করলে দেখা যাবে বিশ্বাস ব্রাদার্সের তৈরি নানান নিয়মে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে টলিপাড়ার। তবু উদাসীন রাজ্য সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahool-Federation conflict: রাহুল-ফেডারেশন জটে মঙ্গলবারেও স্তব্ধ টলিপাড়া! কাঠগড়ায় তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই

    Rahool-Federation conflict: রাহুল-ফেডারেশন জটে মঙ্গলবারেও স্তব্ধ টলিপাড়া! কাঠগড়ায় তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টালিগঞ্জে জট এখনও কাটেনি। সোমাবারের পর মঙ্গলবারও রইল টলিপাড়া স্তব্ধ। বন্ধ শুটিং, বৈঠক পাল্টা বৈঠকেও কোনও সমাধানের ইঙ্গিত মিলছেনা। ভারতলক্ষ্মী স্টুডিওতে গিয়ে দেখা গেল জনশূন্য। সোমবার ১২০ থেকে ১৩০ জন পরিচালক ডিরেক্টরস গিল্ডের পক্ষ থেকে শুটিং ফ্লোরে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন দেন। প্রতিবাদী পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়কে (Rahool-Federation conflict) নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বাংলা টলিডের ফেডারেশন। এই ফেডারেশনের মাথায় সভাপতি হিসেবে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁর অবশ্য স্পষ্ট বক্তব্য, “ফেডারেশনের এখানে কিছু করার নেই। পরিচালকদের সঙ্গে কথা হবে সামনাসামনি। নচেৎ সিদ্ধান্ত আগের জায়গায় স্থির থাকবে।” রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে দৌরাত্ম্য এবং আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। তবে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ পরিচালক বা কলাকুশলীরা রাজনৈতিক রঙ না দেখার কথা বলেছেন। অপরে প্রতিবাদী পরিচালকেরা রাহুলের পাশে দাঁড়িয়ে শুটিং বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছেন। তবে সেই সঙ্গে তাঁরা এটাও জানিয়েছেন আলোচনার পথ খোলা রয়েছে।

    ফেডারেশনের চাপে বন্ধ কাজ (Rahool-Federation conflict)

    সোমবার রাত ৮টায় ডিরেক্টরস গিল্ডের বৈঠকে পরিচালকদের পক্ষ থেকে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, অঞ্জন দত্ত, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, রাজ চক্রবর্তী। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, “এই বিষয়ে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ফ্লোরে কাজ বন্ধ থাকুক এটা কেউ চান না, কিন্তু আমাদের চাপ দিয়ে বন্ধ করানো হয়েছে শুটিং। ফেডারেশনের দৌরাত্ম্যে কাজ রীতিমতো বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছে।” যদিও সোমবার সকালে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ফেডারেশনকে (Rahool-Federation conflict) আলোচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন পরিচালকেরা। কিন্তু শুটিং বন্ধের দায় প্রতিবাদী পরিচালকদের ঘাড়ে চাপিয়েছেন তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, “সম্পূর্ণ বিষয় কিছু পরিচালকদের ষড়যন্ত্র।”

    আরও পড়ুনঃ মাথায় তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই, ফেডারেশনের ‘দৌরাত্ম্যে’ টলিপাড়ায় বন্ধ শুটিং

    ফেডারেশন একক ভাবে আইন তৈরি করেছে

    চিত্র পরিচালক অঞ্জন দত্ত বলেছেন, “রাহুলকে কেন্দ্র করে সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল, এখন এর সঙ্গে আরও ৪০০ পরিচালকের সমস্যা যুক্ত হয়েছে। ফেডারেশন (Rahool-Federation conflict) একক ভাবে আইন তৈরি করেছে ফলে বিনিয়োগে সমস্যা হবে।” পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, “আমরা আর টেকনিশিয়ানরা আলাদা, সেটা আজ প্রথম জানলাম। তবে এখানে আমরা-ওরা তত্ত্ব নিয়ে নয়, সমস্যার সমাধান খুঁজতে একজোট হয়েছি।” আবার রাজ চক্রবর্তী বলেছেন, “ফেডারেশন কাজ বন্ধের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কথা টেনেছে। তবে এই কথা প্রসঙ্গে কাজ বন্ধ করা হয়নি। আমাদের ফ্লোরে না ঢুকতে দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rituparna Sengupta: ‘‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    Rituparna Sengupta: ‘‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আবারও নয়া মোড়। মঙ্গলবার ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পরই ৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চেয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। 

    আগে কী ঘটেছিল? (Ration Scam) 

    রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গত ১৯ জুন ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যান অভিনেত্রী। পাঁচ ঘণ্টা পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতর থেকে থেকে বেরিয়ে ঋতুপর্ণা দাবি করেছিলেন, ‘রেশন দুর্নীতি’র সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর কাছে যা নথি চাওয়া হয়েছিল, তা তদন্তকারীদের দিতেই তিনি এসেছেন। ইডি সূত্রের খবর, ব্যাঙ্কে লেনদেনের তথ্যর উপর নির্ভর করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিনেত্রীকে ইডি তলব করেছিল। কারন, রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি আধিকারিক। ওই সূত্র মারফত আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি। কিন্তু এর দুসপ্তাহের মধ্যেই এবার ৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাওয়ার কথা জানালেন ঋতুপর্ণা। 

    আরও পড়ুন: মস্কো সফরের পরেই ভিয়েনা যাওয়ার পরিকল্পনা মোদির! কেন জানেন?

    ঋতুপর্ণার বক্তব্য (Rituparna Sengupta) 

    এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী ইডি আধিকারিকদের জানিয়েছেন, সিনেমার পারিশ্রমিক বাবদ তিনি ওই টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু ওই টাকা যে রেশন দুর্নীতির (Ration Scam), তা তিনি জানতেন না। আইনজীবী মারফত তিনি ইডির আধিকারিকদের টাকা ফেরতের বিষয়ে জানিয়েছেন বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। তবে শুধু ঋতুপর্ণাই নয়, এর আগে অভিনেত্রী শতাব্দী রায়, অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত এবং সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীও ইডিকে টাকা ফেরত দিয়েছেন।   
    উল্লেখ্য, এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির আর্থিক নয়ছয়ের মামলায় নাম জড়িয়েছিল অভিনেত্রীর (Rituparna Sengupta)। ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলায় তাঁকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সেসময় তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। আর এবার রেশন দুর্নীতিতে নাম জড়িয়ে ইডির মুখোমুখি অভিনেত্রী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউটাউনের রেস্তোরাঁ মালিককে নিগ্রহের ঘটনায় এবার জল গড়াল আদালতে। অভিনেতা তথা চণ্ডীপুরের বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক আনিসুল আলম। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না পুলিশ। এ বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন‍্‍হার একক বেঞ্চ মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিককে। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    সোহমের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রেস্তোরাঁর মালিক (Soham Chakraborty) 

    রেস্তোরাঁ মালিক আনিসুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের হুমকির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ। এমন অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা ও যথাযথ তদন্তের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিক। একইসঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে মামলাকারী পক্ষের। আনিসুলের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেল এবং পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন ওই জনপ্রতিনিধি। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। সেই প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সোহমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, চলতি মাসেই দায়িত্ব গ্রহণ

    হোটেল মালিকের অভিযোগ 

    অনিসুল অভিযোগ করেন, “ঘটনার পর তাঁকে থানায় ডেকে বিষয়টি মিটমাট করে নিতে চাপ দেওয়া হয়। তাতে রাজি না হওয়ায় তৃণমূল বিধায়কের (Soham Chakraborty) পক্ষ থেকে তাদের নানা রকম হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও এসেছে। সমস্ত কথা পুলিশকে জানালেও সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না থানা। তার জেরেই তিনি হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” যদিও পরে অভিনেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?  

    গত শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা শুটিং করতে গিয়ে নিউটাউন সাপুরজি এলাকার একটি রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে। এরপর মারধরের অভিযোগ স্বীকার করে সোহম দাবি করেছিলেন, বচসা চলাকালীন হোটেল মালিক তাঁর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কটূক্তি করেন। এতেই রেগে যান তিনি। আর তখনই সূত্রপাত হয় এই ঘটনার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট প্রচারে বেরিয়ে কাঞ্চনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলেন কল্যাণ

    Lok Sabha Election 2024: ভোট প্রচারে বেরিয়ে কাঞ্চনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলেন কল্যাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মুখে আবার সামনে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ভোটের প্রচারে বেরিয়ে উত্তরপাড়ার বিধায়ক তথা অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিককে গাড়ি (campaign car) থেকে নামিয়ে দিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল প্রার্থী বিদায়ী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই মনমরা হয়ে কাঞ্চন বেরিয়ে গেলেন কল্যাণের প্রচার (election campaign) ছেড়ে। এই ঘটনার জেরে শুরুতেই তাল কাটে কল্যাণের প্রচারের।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Lok Sabha Election 2024) 

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার সকালে কোন্নগর নবগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ভোট (Lok Sabha Election 2024) প্রচার ও জনসংযোগে বের হন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (kalyan bandhopadhyay)। এই প্রচারে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক এবং অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক (kanchan mallick)। কিন্তু প্রচার শুরু হতেই ঘটে বিপত্তি। গাড়ি থেকে নেমে যেতে বলা হয় বিধায়ককে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, কাঞ্চনকে দেখলেই গ্রামের মহিলারা ‘ভীষণ রিয়্যাক্ট’ করছেন। তাই তিনি কাঞ্চনকে তাঁর সঙ্গে গ্রামে প্রচারে যেতে মানা করেছেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”আমি ওঁকে আগেই বলে দিয়েছিলাম, গ্রামে এসো না। আমি ব্যক্তি বিশেষের জন্য নই, আমি সমষ্টিগত মানুষের সুখের জন্য। একজনের সুখের জন্য আমি সমষ্টিগত মানুষকে কষ্ট দিতে পারব না।”এরপর কাঞ্চন এক দলীয় কর্মীর বাইকের পিছনে বসে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। কাঞ্চনের অনুগামীদের সূত্রে খবর, ঘটনার পর তিনি কলকাতায় ফিরে গেছেন।

    আরও পড়ুন: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    কাঞ্চনের বিয়ে নিয়েই শোরগোল টলিপাড়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায়

    প্রসঙ্গত, কাঞ্চন টলিউডের (tollywood actor) একজন জনপ্রিয় অভিনেত। কিন্তু, বর্তমানে ব্যক্তিগত কারণে শিরোনামে  আছেন তিনি। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর খুব সম্প্রতি আবারো বিয়ে করেছেন অভিনেতা-বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক। আর কাঞ্চনের এই বিয়ে নিয়েই শোরগোল টলিপাড়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্র। আর এদিনের প্রচারে কাঞ্চনকে দেখে সেই নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে দাবি কল্যাণের। যদিও কল্যাণ স্পষ্ট করেননি, গ্রামের মহিলারা ঠিক কোনও কারণে কাঞ্চনকে নিয়ে আপত্তি করছেন। অন্যদিকে গোটা ঘটনায় কাঞ্চন মল্লিকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sreela Majumdar: তিন বছরের লড়াই শেষ! না ফেরার দেশে চলে গেলেন শ্রীলা মজুমদার

    Sreela Majumdar: তিন বছরের লড়াই শেষ! না ফেরার দেশে চলে গেলেন শ্রীলা মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যানসারে ভুগছিলেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলা মজুমদার (Sreela Majumdar) । তিন বছর ধরে মারণরোগের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে হার মানলেন তিনি। না ফেরার দেশে চলে গেলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন তাঁর পরিবারের লোকজন। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ টলিপাড়া।

    তিন বছর আগে অভিনেত্রীর শরীরে মারণরোগ থাবা বসায় (Sreela Majumdar)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন বছর আগে তাঁর (Sreela Majumdar) শরীরে মারণরোগ থাবা বসায়। নিয়মিত তিনি চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। তবে, গত বছর নভেম্বর মাস নাগাদ তাঁর শারীরীক অবস্থার অবনতি হয়েছিল। পরে, চিকিৎসা করিয়ে তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে, চলতি মাসে তাঁর ফের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে টাটা মেডিক্যাল ক্যানসার সেন্টারে ভর্তি করা হয়। ২০ জানুয়ারি তাঁকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তখন থেকে তিনি বাড়িতেই ছিলেন। তাঁর স্বামী এসএনএম আব্দি তাঁর দেখাশুনা করছিলেন। তাঁর ছেলে সোহেল আব্দি পড়াশুনার জন্য লন্ডনে থাকেন। তিনিও মায়ের শারীরীক অবস্থার অবনতি হওয়ার খবর পেয়ে আগেই বাড়ি ফিরে এসেছেন। শনিবার রাতে কেওড়াতলা শ্মশানে অভিনেত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। টলি পাড়ার অনেকেই শোক প্রকাশ করেন।

     মৃনাল সেনের হাত ধরে প্রথম টলিউডে পা রাখেন অভিনেত্রী

    টলিপাড়া ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বনামধন্য পরিচালক মৃনাল সেনের হাত ধরেই শ্রীলা মজুমদারের (Sreela Majumdar)টলিপাড়ায় আত্মপ্রকাশ। বয়স তখন তাঁর মাত্র ১৬ বছর। একটি নাটকের মহড়া থেকে সিনেমার জগতে তাঁকে নিয়ে এসেছিলেন পরিচালক মৃণাল সেন। ১৯৮০ সালে মৃণাল সেন পরিচালিত ‘পরশুরাম’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে তিনি প্রথম পা রাখেন। তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’। অঞ্জন চৌধুরির ‘পূজা’, হরনাথ চক্রবর্তীর ‘প্রতিবাদ’। এই সব সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁচ্ছে গিয়েছিলেন। বাংলার পাশাপাশি বলিউডের নামজাদা তারকা শাবানা আজমি, নাসিরুদ্দিন শাহ, স্মিতা পাটিলের সঙ্গেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। শ্রীলা মজুমদারের অভিনয় কেরিয়ারের আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল, ২০০৩ সালে চোখের বালি সিনেমায় ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের জন্য বাংলায় কণ্ঠ দিয়েছিলেন। শেষবার কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পালান’ সিনেমায় তাঁকে দেখা গিয়েছিল। মারণরোগ থাবা বসাতে কাজ তিনি কিছুটা কমিয়ে দিয়েছিলেন। তবে, তাঁর অনুরাগীদের বক্তব্য, এরকম প্রতিভাময়ী অভিনেত্রীকে ঠিকমতো ব্যবহার করা হয়নি। এটা নিয়ে তাঁর অভিমান ছিল। তবে, তিনি এই বিষয় নিয়ে কারও কাছে অভিযোগও কোনওদিন করেননি। স্বর্ণযুগের সমান্তরাল ছবির নায়িকা শ্রীলা মজুমদারের অকাল প্রয়াণে গভীরভাবে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parambrata-Piya Marriage: জল্পনাই সত্যি হল, অনুপমের প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে ঘর বাঁধছেন পরমব্রত!

    Parambrata-Piya Marriage: জল্পনাই সত্যি হল, অনুপমের প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে ঘর বাঁধছেন পরমব্রত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুঞ্জন অনেক ধরেই চলছিল (Tollywood Tales)। অবশেষে প্রকাশ্যে এল, ২৭ নভেম্বর অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় (Parambrata-Piya Marriage) এবং মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী পিয়া চক্রবর্তীর বিয়ের খবর। বর ও কনে পক্ষের সূত্রে অবশ্য জানা গিয়েছে, নিমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা খুব বড় কিছু হবে না। সোমবার বিকালে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের পর্ব সারবেন পরমব্রত-পিয়া। ইন্ডাস্ট্রি থেকে সেভাবে আমন্ত্রিত নন কেউই, তবে ব্যক্তিগতভাবে দুজনের বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু সেখানে হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    অনুপম রায়ের সঙ্গে ডিভোর্স হয় পিয়া চক্রবর্তীর

    পরমব্রতর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা পিয়া চক্রবর্তী (Parambrata-Piya Marriage) অবশ্য আগে ছিলেন গায়ক অনুপম রায়ের ঘরণী। বছর দুই আগেই তাঁদের ডিভোর্স হয়। ২০২১ সালে অনুপম রায় এবং পিয়া দুজনেই সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করে সে কথা জানান। তখনই কোনও কোনও মহল থেকে শোনা গিয়েছিল এই বিচ্ছেদের জন্য তৃতীয় ব্যক্তি হলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। তবে পরমব্রত একথা বারবারই নাকচ করেছেন এবং বলেছেন যে পিয়া তাঁর খুব ভালো বন্ধু। পরমব্রত তখন বলেন, ‘‘দুটো মানুষ বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেছে, সেখানে হামলে পড়ে একটা তৃতীয় ব্যক্তিকে নিয়ে সেনসেশন তৈরি করাটা কাঙ্খিত নয়। …. প্রথমে শুনে খুব বিরক্ত হয়েছিলাম। খুব খারাপ লেগেছিল।’’ সেসময় নাকচ করলেও পিয়া (Parambrata-Piya Marriage) ও তাঁর সম্পর্কের নাম যে শুধু ভালো বন্ধু নয়, তা আজ বোঝা গেল (Tollywood Tales)।

    নেদারল্যান্ডসের চিকিৎসকের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন পরমব্রত

    এর আগে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় (Parambrata-Piya Marriage) অবশ্য দীর্ঘদিন লিভ-ইন রিলেশনে ছিলেন নেদারল্যান্ডসের চিকিৎসক ইকার সঙ্গে (Tollywood Tales)। করোনার সময়েই পরমব্রত এবং ইকার সম্পর্ক ভেঙে যায়। ৪৩ বছর বয়সী পরমব্রত ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম ব্যস্ত অভিনেতা বলেই পরিচিত। এর পাশাপাশি ছবি পরিচালনার কাজও করেন তিনি। টলিউডের পাশাপাশি এখন তাঁকে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে বলিউডেও। টালিপাড়ার অন্দরে কান পাতলে শোনা যায়, লন্ডনে পরমব্রতর শুটিংয়ে উড়ে গিয়েছিলেন পিয়া। আবার পার্ক স্ট্রিটের এক নামী রেস্তোরাঁয় পিয়া ও তাঁর মা এবং পরমব্রতকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share