Tag: Tollywood

Tollywood

  • Sonali Chakraborty: চিরঘুমের দেশে ‘খড়ির জেঠিমা’ তথা অভিনেত্রী সোনালি চক্রবর্তী, শোকস্তব্ধ বিনোদন জগত

    Sonali Chakraborty: চিরঘুমের দেশে ‘খড়ির জেঠিমা’ তথা অভিনেত্রী সোনালি চক্রবর্তী, শোকস্তব্ধ বিনোদন জগত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টলিউড জগতে ফের গভীর শোকের ছায়া। চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন প্রতিভাময়ী অভিনেত্রী সোনালি চক্রবর্তী (Sonali Chakraborty)। তিনি শংকর চক্রবর্তীর (Shankar Chakraborty) স্ত্রী। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। গত দুই দিন ধরে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এরপর আজ, সোমবার ভোর চারটে নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। এই মুহূর্তে প্রয়াত অভিনেত্রীর মরদেহ বাসভবনে নিয়ে আসা হয়েছে। পরিবার সূত্রে খবর, অভিনেত্রীর শেষকৃত্য হবে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে।

    একটা সময় দাপটের সঙ্গে বাংলা ছবিতে অভিনয় করেছেন সোনালি চক্রবর্তী। খলনায়িকা হিসেবে একটা সময় খুব জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। সিনেমা ছাড়াও তাঁকে ছোটপর্দাতেও দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি গাঁটছড়া নামক সিরিয়ালে তিনি খড়ির জেঠিমার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, কিন্তু হঠাৎই সিরিয়ালে তাঁকে আর দেখা যায়নি। শারীরিক অসুস্থতার কারণেই খুব বেশিদিন শ্যুটিং করতে পারেননি বলে জানা গিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: আগামী বছরেই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে একগুচ্ছ ওয়েব সিরিজ

    এর আগেও সোনালি দেবী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন লিভারের সমস্যা নিয়েই। তারপর ছেড়েও দেওয়া হয়। ছাড়া পাওয়ার পর তিনি আবার শুটিংয়ের কাজও শুরু করেছিলেন। পরে তাঁর পেটে হঠাৎ ফ্লুইড জমা হওয়ার কারণে আবার অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুক্রবার হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল তাঁকে। ক্রমশই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ফলে শেষ রক্ষা করা গেল না। জানা গিয়েছে, অসুস্থতার কারণে শেষের দিকে বাড়িতেই থাকতেন সোনালী দেবী।

    আজ তাঁর মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়াতে নিশ্চিত করেন অভিনেত্রীর স্বামী তথা শংকর চক্রবর্তী। তিনি পোস্টে লেখেন, “ভরা থাক স্মৃতি সুধায়”।

    অন্যদিকে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেছেন, ‘‘ বিশিষ্ট অভিনেত্রী সোনালি চক্রবর্তীর প্রয়াণে আমি গভীর শোকপ্রকাশ করছি। তাঁর মৃত্যু অভিনয় জগতের এক বড় ক্ষতি। আমি সোনালি চক্রবর্তীর স্বামী শংকর চক্রবর্তী সহ অন্যান্য পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’’

  • Abir Chatterjee: এবারে ডেঙ্গির থাবা টলিউডেও! আক্রান্ত আবির চট্টোপাধ্যায়, কেমন আছেন তিনি?

    Abir Chatterjee: এবারে ডেঙ্গির থাবা টলিউডেও! আক্রান্ত আবির চট্টোপাধ্যায়, কেমন আছেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণের হার গত কয়েক বছরের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। করোনার তেমন দাপট না থাকলেও উৎসবের মরশুমের আগে থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত তা কমার নাম নেই। ফলে পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। আর এবারে ডেঙ্গি থাবা বসাতে শুরু করেছে টলিপাড়াতেও। আজই খবর সামনে এসেছে যে, অভিনেতা আবির চ্যাটার্জি (Abir Chatterjee) ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অনুরাগীদের মন খারাপ। দ্রুত সুস্থতার জন্য তাঁর অনুরাগীরা কামনাও করেছেন।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, অভিনেতার (Abir Chatterjee) পরিবারের তরফে জানানো হয়, রবিবার রাত থেকেই জ্বরে কাবু ছিলেন অভিনেতা। আবিরের স্ত্রী নন্দিনী চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এরপরই তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নেন এবং দেরি না করে সোমবারই তাঁর রক্তপরীক্ষা করানো হয়। তাতেই ডেঙ্গি রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে এখন সবারই এক প্রশ্ন কেমন আছেন ও কোথায় আছেন তিনি? তাঁর স্ত্রী জানিয়েছেন, আপাতত বাড়িতেই আছেন আবির। গায়ে জ্বর থাকলেও চিকিৎসকরা বলেছেন, চিন্তার কোনও কারণ নেই। অভিনেতার শারীরিক অবস্থাও বর্তমানে স্থিতিশীল। আপাতত এক সপ্তাহ বিশ্রামের প্রয়োজন তাঁর।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গিতে আক্রান্ত সলমন খান,শারিরীক অসুস্থতায় শুটিং বন্ধ

    পুজোর পর ছুটি শেষ হয়ে টলিপাড়ায় শ্যুটিং শুরু হয়ে গিয়েছে। আর তারপর থেকেই একের পর এক অভিনেতা-তারকাদের ডেঙ্গি (Dengue) হওয়ার খবর সামনে এসেছে। আর সেই তালিকা থেকে বাদ গেলেন না পর্দার ‘ব্যোমকেশ’ও (Abir Chatterjee) । প্রসঙ্গত, টলিউডের পাশাপাশি বলিউডেও ডেঙ্গি থাবা বসিয়েছে। কিছুদিন আগেই বলিউডের ‘ভাইজান’ সলমান খানও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছিল, অভিনেতার গুরুতর কোনও সমস্যা হয়নি। তিনি বাড়িতেই চিকিৎসাধীন আছেন।

    প্রসঙ্গত, আবিরকে (Abir Chatterjee) শেষ ‘কর্ণসুবর্ণের গুপ্তধন’ ছবিতেই দেখা গিয়েছিল। বেশ কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে অভিনেতার বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘কর্ণসুবর্ণের গুপ্তধন’। প্রতিবারের মতো এবারেও প্রফেসার সুবর্ণ সেন ওরফে ‘সোনাদা’র চরিত্রে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন অভিনেতা। চলতি বছরে মুক্তি পাওয়া বাংলা ছবির মধ্যে এই ছবি সবচেয়ে এগিয়ে। প্রথম তিন দিনে ছবির অ্যায় প্রায় ২ কোটির কাছাকাছি ছিল।

  • Tarun Majumdar: ‘চাওয়া-পাওয়া’ থেকে ‘ভালোবাসার বাড়ি’! শেষ হল এক যুগ

    Tarun Majumdar: ‘চাওয়া-পাওয়া’ থেকে ‘ভালোবাসার বাড়ি’! শেষ হল এক যুগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলা সিনেমা জগতে নক্ষত্র পতন। শেষ হল এক স্বর্ণ যুগের। কিংবদন্তী পরিচালক তরুণ মজুমদার চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ৯১ বছর বয়সে হাসপাতালেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন বাংলা তথা ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা পরিচালক তরুণ মজুমদার (Tarun Majumdar) তাঁর প্রয়াণে শিল্পী মহলে শোকের ছায়া পড়ে গিয়েছে। গত ২২ বছর ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তরুণ মজুমদার। এছাড়াও বর্ষীয়ান পরিচালকের শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা ও ডায়াবেটিস রোগও ছিল। একাধিক জটিলতা নিয়েই SSKM-এ ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে।

    তরুণ মজুমদারের জন্মস্থান আধুনা বাংলাদেশের অন্তর্গত বগুড়া। সালটা ছিল ৮ জানুয়ারি, ১৯৩১ সাল। তাঁর বাবা বীরেন্দ্রনাথ মজুমদার ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী। পড়াশোনা সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল মিশন কলেজ এবং স্কটিশ চার্চ কলেজে। রসায়নের স্নাতকের ছাত্র হয়েও পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন সিনেমা তৈরিকে। তিনি গত পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্র পরিচালনা করে আসছেন। তিনি তাঁর পরিচালিত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মূলত বাঙালি সমাজ এবং সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। তিনি তাঁর জীবনে মোট চারটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়াও সাতবার সম্মানিত হয়েছিলেন বিএফজিএ সম্মানে ও পাঁচটি ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ডও রয়েছে তাঁর। ১৯৯০ সালে আনন্দলোক সম্মানেও সম্মানিত হয়েছিলেন তিনি এবং এই বছরেই ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করে।

    আরও পড়ুন: চলচ্চিত্র জগতে নক্ষত্রপতন, প্রয়াত পরিচালক তরুণ মজুমদার

    তাঁর প্রথম সিনেমা ‘চাওয়া-পাওয়া’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫৯ সালে। এই ছবির নায়ক-নায়িকা ছিলেন উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন। তবে এই ছবিটির পরিচালনায় আসলে ছিল ‘যাত্রিক’ নামে একটি গোষ্ঠী। যার সদস্য ছিলেন শচীন মুখোপাধ্যায়, দিলীপ মুখোপাধ্যায় এবং তরুণ মজুমদার। ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত এই ‘যাত্রিক’-এর সঙ্গেই ছবির পরিচালনা করেছেন তিনি। ‘পলাতক’ ছবিটির পরেই এই গোষ্ঠী ভেঙে যায় ও এরপর থেকে আলাদা ভাবে ছবি পরিচালনা করতে শুরু করেছিলেন। ১৯৬২ সালে এই যাত্রিকের পরিচালনাতেই ‘কাচের স্বর্গ’ ছবিটি তৈরি হয়। এই ছবির জন্যই ১৯৬২ সালে জাতীয় সম্মানে সম্মানিত হয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও ‘নিমন্ত্রণ’, ‘গণদেবতা’ এবং ‘অরণ্য আমার’ ছবিগুলির জন্যই তিনি জাতীয় পুরস্কার পান৷

    তরুণ মজুমদার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন সিনেমা হল- ‘বালিকা বধূ’,  ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ফুলেশ্বরী’, ‘দাদার কীর্তি’, ‘ভালবাসা ভালবাসা’, ‘সংসার সীমান্তে’, ‘গণদেবতা’, ‘শহর থেকে দূরে’, ‘পথভোলা’, ‘চাঁদের বাড়ি’, ‘আলো’ ইত্যাদি। চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবে তরুণ মজুমদার সকলের নজরে আসেন ‘পলাতক’ (১৯৬৩), ‘নিমন্ত্রণ’ (১৯৭১), ‘সংসার সীমান্তে’ (১৯৭৫), ‘গণদেবতা’ (১৯৭৮) এইসব ছবির মাধ্যমে। ১৯৯৪ সালের পর থেকেই আর কোনও সিনেমা বানাননি তিনি। কিন্তু ২০০৩ সালে তিনি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে নিয়ে তৈরি করেছিলেন ‘আলো’। যা ফের বক্স অফিসে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। ‘ভালোবাসার বাড়ি’  ছিল তরুণ মজুমদার পরিচালিত শেষ ছবি। যেটি ২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল। আর এই সিনেমা করেই তিনি তাঁর ‘ভালোবাসার বাড়ি’ ছেঁড়ে পাড়ি দিলেন না ফেরার দেশে।

     

  • Pallavi Dey Death: দক্ষিণ কলকাতার আবাসন থেকে টেলি অভিনেত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুন না আত্মহত্যা? 

    Pallavi Dey Death: দক্ষিণ কলকাতার আবাসন থেকে টেলি অভিনেত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুন না আত্মহত্যা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মহত্যা নাকি খুন? উঠতি অভিনেত্রীর রহস্য মৃত্যুতে বিভক্ত টলি পাড়া। রবিবারে যখন ছুটির মেজাজে কলকাতা তখনই আকাশ ভেঙে পড়ল টলি পাড়ায়। খবর এল তাদেরই এক সহকর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁরই ফ্ল্যাট থেকে। এই তো কালই কথা হল মেয়েটার সাথে, সোশ্যাল মিডিয়াতেও তো কাল রাতেও অ্যাক্টিভ ছিল, হেসে হেসে পোজ দিচ্ছিল ক্যামেরায়। এক রাতে এমন কী হল প্রাণবন্ত মেয়েটার? সবার মনে তখন একটাই প্রশ্ন।      

    রবিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার গড়ফার আবাসন থেকে টেলি অভিনেত্রী পল্লবী দের (Pallavi Dey) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। আত্মহত্যা নাকি খুন তা নিয়েই কাল চলল দিনভরের টানাপোড়েন। পল্লবীর পরিবার তাঁর লিভ-ইন পার্টনারের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে গড়ফা থানায়। তাদের বক্তব্য, ‘খুনই করা হয়েছে ওকে। কেউ যদি আত্মহত্যা করার কথা ভাবে, তার আগে কি নতুন কোনও রান্না শিখতে চায়?’ পল্লবীর প্রেমিক তথা লিভ-ইন পার্টনার সাগ্নিক চক্রবর্তীর যদিও দাবি,  যদিও পল্লবীর লিভ-ইন সঙ্গীর দাবি, আত্মহত্যা করেছেন তিনি। প্রাথমিক ময়না তদন্তের রিপোর্টেও দাবি, আত্মহত্যা করেছেন পল্লবী।  

    গড়ফার আবাসন থেকে ‘আমি সিরাজের বেগম’-এর ‘লুৎফা’-র নায়িকার ঝুলন্ত দেহ যখন উদ্ধার করা হয়, তখন তাঁর গলায় বিছানার চাদর জড়ানো ছিল। দরজা ভেঙে ঢুকে  ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান বলে দাবি করেন পল্লবীর লিভ-ইন সঙ্গী সাগ্নিক চক্রবর্তী। তারপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ।  

    রবিবার সন্ধ্যায় পল্লবীর ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট এসেছে। তাতে আত্মহত্যার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফে মুখ খোলা হয়নি। আপাতত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ। সেই রিপোর্ট হাতে পেলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে সূত্রের খবর।

    পল্লবীর পরিবার বার বার অভিনেত্রীকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করেছে। হাওড়ার রামরাজাতলার মেয়ে পল্লবীর বাবার দাবি, শনিবারই নাকি ফোন করে মায়ের কাছে ডালনার রেসিপি জানতে চেয়েছিলেন পল্লবী। তারপরই তাদের প্রশ্ন, কেউ যদি আত্মহত্যা করার কথা ভাবেন, তার আগে কি নতুন কোনও রান্না শিখতে চান? অভিনেত্রীর বাবা আরও বলেন, পল্লবী খুব বুঝদার মেয়ে ছিলেন। আত্মহত্যা করার মতো মানুষ নন তিনি।  

    সাগ্নিক যদিও নিজের দাবিতে অনড়। তাঁর বক্তব্য আত্মহত্যাই করেছেন পল্লবী। তাঁর সহকর্মী এবং বন্ধুদেরও দাবি পল্লবী আত্মহত্যা করার মতো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন না। পল্লবীর পরিচিত অনেকেই দাবি করেছেন, পল্লবীর সাথে প্রেমিকের বেশ কিছুদিন ধরেই সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। সেটাই মৃত্যুর কারণ কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।    

     

     

LinkedIn
Share