Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের নারী নির্যাতন! ঘরে ঢুকে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের নারী নির্যাতন! ঘরে ঢুকে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের অত্যাচার এবং পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাত জাগা শুরু করেছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলা আন্দোলনকারীরা। গত বৃহস্পতিবার রাতেই এক মহিলা আন্দোলনকারীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    জানা যাচ্ছে, ওই স্কুল ছাত্রীর ঘরে ঢুকে মুখ চেপে ধরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। কোনও ভাবে নিজেকে বাঁচাতে চিৎকার করে ওই নাবালিকা। তার আওয়াজে ছুটে আসেন পরিবারের লোকজন। সঙ্গে-সঙ্গে চম্পট দেয় অভিযুক্ত। পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক তৃণমূল সমর্থক। নির্যাতিতার পরিবার বিজেপি সমর্থক হওয়ায় তার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করেছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার পুলিশ। নির্যাতিতার দিদা বলেন, “ঘরে আমার নাতনি ঘুমোচ্ছিল। ছেলেটা ঘরের পিছন থেকে ঢোকে। তারপর আমার নাতনির শ্লীলতাহানি করে। নাতনি চিৎকার করে বলে, দিদা আমায় বাঁচাও। আমায় মেরে ফেলে দিল। ততক্ষণে ছেলেটা পালিয়ে গিয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে তৃণমূল নেতার ছেলে করছে। তৃণমূলের মিটিংয়ে ডাকা হয়েছিল, আমরা যাইনি। সেই রাগে এই কাজ করেছে বলে মনে করা হয়। আমরা এখন বিজেপি-র সমর্থক।”

    আরও পড়ুন: ফের গরম, কলকাতার পারদ ছুঁল ৩৮ ডিগ্রি! কবে বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    অভিযুক্তের বাবার কী বক্তব্য?

    অভিযুক্ত ছেলেটির বাবা বলেন, ঘটনাটি কিছুই জানি না। রাত্রিবেলা এই ঘটনা ঘটে থাকলেও কোনও চিৎকার বা কিছুই হয়নি। তাই জানি না। তাছাড়া আমার ছেলে তো রাতে ঘরেই ছিল। তবে এটা একটা চক্রান্ত চলছে বুঝতেই পারছি। কারণ যারা বিজেপি করে তারা বলেছিল যে আমাদের দল কর। কিন্তু, ছেলে যায়নি বলে ওকে ফাঁসানো হচ্ছে। এসব ঘটনার সঙ্গে আমরা কোনওভাবেই জড়িত নই। ওরা ভোটের আগে এসব করে পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন মিটতেই ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সালার এলাকা। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা মহম্মদ আজাহারউদ্দিন ওরফে সিজারের বাড়িতে বোমাবাজি করার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, তৃণমূলের ভরতপুর-২ ব্লকের সভাপতির অনুগামীরা ওই বোমাবাজি করেছে। আর ভোট মিটতেই দলীয় নেতার ওপর ব্লক সভাপতির লোকজনের এই বোমাবাজি করার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী! (Murshidabad)

    সিজার তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর-২ ব্লক (Murshidabad) প্রাক্তন সভাপতি। বর্তমানে তিনি তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। শনিবার সাত সকালে সালার থানার উজুনিয়া গ্রামে বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর-২ ব্লক প্রাক্তন সভাপতি মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী বোমাবাজি শুরু করে। সেই সময় তৃণমূল নেতার বাড়ির লোকজন তালাবন্ধ করে ভিতরেই থেকে যায়। বোমাবাজির খবর পেয়ে সালার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় বোমার আঘাতে এক পুলিশকর্মী জখম হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শাসকদলের ব্লক সভাপতি অত্যাচারে প্রাণ নাশের আশঙ্কায় আতঙ্কিত প্রাক্তন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা আজহারউদ্দিন সিজার। ইতিমধ্যেই তিনি থানায় অভিযোগ জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের গরম, কলকাতার পারদ ছুঁল ৩৮ ডিগ্রি! কবে বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    ব্লক সভাপতি আমাকে খুন করার চেষ্টা করছে

    তৃণমূল নেতা সিজার (Murshidabad) বলেন, ভোট মিটতেই পরিকল্পিতভাবেই দলের ব্লক সভাপতি আমাকে খুন করার ছক কষেছে। ও নিজেকে একজন খুনের মামলায় অভিযুক্ত। দুষ্কৃতীদের দিয়ে এসব করেছে। যে ভাবে আমার বাড়িতে হামলা হয়েছে, তাতে আমাকে খুন করা ব্লক সভাপতির উদ্দেশ্য তা পরিষ্কার। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    অভিযুক্ত ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, সিজার সব সময় দুষ্কৃতীদের নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। গ্রামের কোনও বিষয় নিয়ে গন্ডগোল হয়েছে। তারপরই এসব বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের সামনেই হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনওভাবেই জড়িত নই। সবটাই মিথ্যা অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: “পরিবর্তন দরকার, নাহলে রাজ্যের অবস্থা ভয়ঙ্কর হবে”, বললেন মিঠুন

    Mithun Chakraborty: “পরিবর্তন দরকার, নাহলে রাজ্যের অবস্থা ভয়ঙ্কর হবে”, বললেন মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সমর্থনে রোড শো করে প্রচারে ঝড় তুললেন বলিউড সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। শুক্রবার সন্ধ্যায় বীজপুর বিধানসভার হালিশহরে দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে রোড শো করে মিঠুন। সুপারস্টারকে দেখতে রাস্তার দুধারে সাধারণ মানুষের ভিড় উপচে পড়েছিল। বিশেষ করে মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

    অর্জুনের সমর্থনে রোড শোয়ে মিঠুন (Mithun Chakraborty)

    আগামী সোমবার রাজ্যের অন্যতম নজর কাড়া কেন্দ্র বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে নির্বাচন। তার আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারে সরগরম হয়ে উঠেছে। এই কেন্দ্রে লড়াই হবে মূলত ত্রিমুখী। তবে, বারাকপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে বিদায়ী সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এবং তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিকের মধ্যে। আর এই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর প্রচারে বারাকপুরে আসছেন একের পর এক হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রী থেকে সেলেবরা। শেষ মুহূর্তের প্রচারে শুক্রবার সন্ধ্যায় বারাকপুর কেন্দ্রে নেমেছিল তারাদের মেলা। এদিন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এর জন্য প্রচার করলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। এদিন সন্ধ্যায় হালিশহর থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। সেই শোভাযাত্রায় প্রার্থী অর্জুন সিং এর সঙ্গে প্রচার চালালেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। মনোজ ঘোষ নামে এক বাসিন্দা বলেন, এদিন মহাগুরুকে দেখার জন্য আমি বিকাল থেকে রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলাম। মোবাইলে তাঁর ছবিও তুলেছি। কিন্তু, রাস্তায় এত ভিড় ছিল যে আমি মহাগুরুর সঙ্গে হ্যান্ডসেক করতে পারিনি। এই আফশোস থেকে গেল।

    আরও পড়ুন: ফের গরম, কলকাতার পারদ ছুঁল ৩৮ ডিগ্রি! কবে বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    পরিবর্তন দরকার, নাহলে রাজ্যের অবস্থা ভয়ঙ্কর হবে, বললেন মিঠুন

    রোড শো শেষে মিঠুন (Mithun Chakraborty) বলেন, মানুষের মধ্যে যে উৎসাহ আর ভিড় দেখছি তাতে আমি আশাবাদী যে এবারও অর্জুন সিং বারাকপুর নিজে দখলে রাখবে। আর পশ্চিম বঙ্গে পরিবর্তন দরকার। নইলে আগামী দিনে এই রাজ্যের অবস্থা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে।”  এদিনের বিজেপির এই শোভা যাত্রা হালিশহর থেকে বের হয়ে বলদে ঘাটা পর্যন্ত যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev: চাকরি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত দেবের প্রতিনিধি, টাকা ফেরত পেলেন অভিযোগকারী

    Dev: চাকরি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত দেবের প্রতিনিধি, টাকা ফেরত পেলেন অভিযোগকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ দেবের (Dev) প্রতিনিধি রামপদ মান্নাকে আশা কর্মীর চাকরির জন্য ২ লক্ষ দিয়েছিলেন ঘাটালের ক্ষীরপাই এলাকার বাসিন্দা গঙ্গেশ সাঁতরা। মেয়ে মৌসুমী সাঁতরার চাকরির জন্য তিনটি কিস্তিতে সেই টাকা দিয়েছিলেন। ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের কর্মী সত্য ঘোষের মাধ্যমে রামপদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছিল। কিন্তু দেড় বছর হয়ে গেলেও চাকরি পাননি মৌসুমী। তা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টেও মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল হতেই অভিযোগকারী দাবি করলেন, ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা তিনি ফেরত পেয়ে গিয়েছেন।

    ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছেন অভিযোগকারী

    চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েছিলেন। তা-ও পাননি। এই অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হন গঙ্গেশ। হাইকোর্টে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চেও মামলা হয়। ভোটের আবহে এই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় হয় ঘাটালের রাজনীতি। শোরগোলের মধ্যেই শুক্রবার গঙ্গেশ দাবি করলেন, চাকরির জন্য দেওয়া টাকা ফেরত পেয়েছেন তিনি। ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আমি হাতে পেয়েছি। আমি খুবই খুশি।  বাড়ির সকলেই খুশি।’ কিন্তু টাকা ফেরত দিলেন কে? গঙ্গেশের দাবি, সত্য ঘোষই তাঁর টাকা ফেরত দিয়ে গিয়েছেন। মৌসুমীর স্বামী নির্মল হাজরাও বলেন, “সত্য ঘোষ আমাদের টাকা ফেরত দিয়ে গিয়েছেন। আমাদের আর কোনও অভিযোগ নেই। আদালত থেকে মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি চলছে।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    দেবের (Dev) প্রতিনিধি কী বললেন?

    গঙ্গেশের টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে অবশ্য কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন রামপদ। তিনি বলেন, “আমি জানি না কার থেকে কে টাকা নিয়েছিল আর কে কাকে ফেরত দিয়েছে। আমার নাম করে কেউ কিছু করেছে কি না, সেটা জানব কী করে! ওই ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানা নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: তৃণমূল নেতার মদতেই সক্রিয় মাফিয়ারা, রমরমিয়ে চলছে বালি-পাথর পাচার

    Jalpaiguri: তৃণমূল নেতার মদতেই সক্রিয় মাফিয়ারা, রমরমিয়ে চলছে বালি-পাথর পাচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা যেন বালি -পাথর মাফিয়াদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ভোট পার হতেই ফের সক্রিয় বালি-পাথর মাফিয়ারা। এই মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য এতটাই যে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের মারধর, তাঁদের গাড়ি ভাঙচুর সহ প্রাণে মারার হুমকিও দিচ্ছে। তৃণমূল নেতাদের মদতেই এই বেআইনি কারবার চলছে। ভূ-ততত্ত্ববিদদের আশঙ্কা,  বালি -পাথর উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনই যদি লাগাম না টানা হয় তাহলে আগামীদিনে ভয়ংকর বিপর্যয়ের মুখে পড়বে গোটা ডুয়ার্স সহ গোটা জলপাইগুড়ি জেলা।

    মাফিয়াদের হাতে বার বার আক্রান্ত প্রশাসনের কর্মীরা (Jalpaiguri)

    বৃহস্পতিবারও বালি,পাথর বোঝাই ওভারলোডিং ডাম্পারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ধূপগুড়ির (Jalpaiguri)  ভূমি রাজস্ব দফতরের এক রেভিনিউ অফিসার। দিন দুয়েক আগেও অবৈধ বালি  পাচার করা রুখতে গিয়ে ময়নাগুড়ির এক রেভিনিউ আধিকারিককে বালি মাফিয়ারা মারধর ও তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। সব কিছু জেনেও প্রশাসন এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেনি এই মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, মাল ব্লকের লিস, ঘিষ সহ বিভিন্ন নদী থেকে সারাদিন বালি এবং পাথর উত্তোলন করে চলেছে একদল বালি ও পাথর মাফিয়া। অভিযোগ, মাফিয়ারা পাহাড়ের গা ঘেষে বিভিন্ন মেশিন বসিয়ে পাহাড় কেটে পাথর নিয়ে পাচার করছেন। দিনভর নদীতে বালি উত্তোলন করে রাতে শুরু হয় তার পাচার। রাত বাড়তেই মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি থেকে কোচবিহারের চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত পর্যন্ত রাস্তার দখল নেয় বালি ও পাথর বোঝাই ডাম্পার। যে এলাকা থেকে বালি ও পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে প্রকাশ্যেই তা দেখা যাচ্ছে। প্রশাসন এখানে ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করছেন। প্রতিদিন কয়েকশ গাড়ি বালি এবং পাথর পাচার করছে তারা।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    জেলা তৃণমূল নেতার মদতেই চলছে এই কারবার!

    একটি সূত্রের খবর, শাসক দলের এক জেলা (Jalpaiguri) নেতার সক্রিয় মদতে এই পাচার চলছে। শুধু তাই নয় তাঁর মাথায় রাজ্যের এক মন্ত্রীর হাত আছে বলেও জানা  গিয়েছে। ওই জেলা নেতার বেশ কয়েকটি ডাম্পার, আর্থ মুভারসহ বিভিন্ন রকম খনন করার যন্ত্র রয়েছে। সেইসব যন্ত্রপাতি নদী বক্ষে নামিয়ে দিয়ে খনন করা হয়। যা কিনা পুরোপুরি বেআইনি। কিন্তু বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাধবে কে? কার সাধ্য আছে? মাথায় যে মন্ত্রীর হাত রয়েছে। তাই মালবাজার থানা, ক্রান্তি থানা, ময়নাগুড়ি থানা এলাকা পেড়িয়ে বুক চিতিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছে যাচ্ছে গাড়ি গুলি। রাতে পাচারের বড় সুবিধা সেই সময় রাস্তায় শুধু পুলিশ থাকে, ভূমি ও রাজস্ব দফতরের আধিকারিকরা থাকে না। তাই রাতের সময়টাকেই বেছে নেয় পাচারকারীরা।

    পাচারে যুক্ত তৃণমূলের লোকজন, স্বীকার শাসক দলের নেতার

    এই বিষয়ে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তমাল ঘোষ বলেন, এই পাচারের ব্যবসায় আমাদের দলের লোক সরাসরি জড়িত। দলের এক জেলা কমিটির সদস্যের সক্রিয়তায় এই পাচার চক্র চলে। তিনি এখন বালি পাথরের মাফিয়ায় পরিণত হয়েছেন। যার ফলে দল বিপাকে পড়ছে। অন্যদিকে, এই বিষয়ে বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ বলেন, গোটা পাচার চক্র চলছে তৃণমূলের মদতে। তাই সরকারি আধিকারিকদের গায়ে হাত তোলার সাহস পায় মাফিয়ারা। আর পুলিশ তাদের দেখতেই পায়না। তাই পাচারকারীরাও বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “১ লক্ষ ১৪ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতবেন অর্জুন”, রোড শোয়ে ভিড় দেখে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “১ লক্ষ ১৪ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতবেন অর্জুন”, রোড শোয়ে ভিড় দেখে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ লক্ষ ১৪ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে  অর্জুন সিং জয়ী হয়ে দিল্লি যাবেন। ভোটের ফলাফলের পর আওয়াজ বন্ধ হবে অভিষেকের দাবি সুকান্ত মজুমদারের। হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন, তারপরেই বারাকপুর কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে প্রচারে ঝড় তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এমনিতেই এই লোকসভায় তৃণমূল বিজেপি, বাম সকলেই চুটিয়ে প্রচার করছে। বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর পর আবারও প্রার্থীর প্রচারে এলেন হেভিওয়েট নেতা।

    অর্জুনের সমর্থনে রোড শো (Sukanta Majumdar)

    বারাকপুরের দলীয় প্রার্থী অর্জুন সিংকে সঙ্গে নিয়ে হুড খোলা গাড়িতে চেপে রোড শো করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন তিনি দলীয় প্রার্থীকে পাশে নিয়ে পলতা বাসস্ট্যান্ড থেকে রোড-শো শুরু করেন। এরপর ঘোষপাড়া রোড ধরে লালকুঠি,বারাকপুর স্টেশন হয়ে এস এন ব্যানার্জ্জী রোড ধরে চিড়িয়া মোড়ে গিয়ে রোড শো শেষ করেন। এদিন রাস্তার দুধারে ভিড় উপচে পড়ে। মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পলতা, বারাকপুর সর্বত্র রাস্তায় জনগনের ভিড়ের কারণে রাস্তায় যান চলাচল বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: জেরক্সের দোকানে জাল আধার-ভোটার কার্ড সক্রিয়, সিমবক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ!

    ১ লক্ষ ১৪ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতবেন অর্জুন

    বর্নাঢ্য মিছিল শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, রোড শোয়ে ভিড় উপচে পড়েছে। এর থেকেই প্রমাণ গতবার অর্জুন সিং ১৪ হাজার ভোটে জিতেছিলেন। এবার ১ লক্ষ ১৪ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়লাভ করে অর্জুন সিং দিল্লি যাবেন। রাজ্য সভাপতি দাবি, অভিষেক বন্দোপাধ্যায় এখন বড় বড় কথা বলছেন। ভোটের ফলাফল বের হলে তাঁর মুখ দিয়ে আওয়াজ বের হবে না। কারণ, মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফল, বের হলেই তা টের পাবে। তাছাড়া রাজ্যে কেন্দ্রীয় এজেন্সির নিশানায় অনেক ধেঁরে ইঁদুর আছে। তার মধ্যে একটা মোটাসোটা ইঁদুর এবার জেলে যাবে। তবে,সেটা কে তা তিনি স্পষ্ট করেননি। তাঁর কথায়,বাংলায় তৃণমূল সরকার আর থাকবে না। শীঘ্রই বিদায় নেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বিজেপি করার অপরাধ! কল-পুকুরের সামনে কড়া পাহাড়া, ভোটের দিন থেকে বন্ধ পানীয় জল

    Birbhum: বিজেপি করার অপরাধ! কল-পুকুরের সামনে কড়া পাহাড়া, ভোটের দিন থেকে বন্ধ পানীয় জল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ গ্রামের বেশ কয়েকটি পরিবার মোদির ওপর আস্থা রেখে বিজেপি দল করেন। বহু চেষ্টা করেও তৃণমূলে ফেরাতে পারেননি এলাকার শাসক দলের মাতব্বররা। আর তাই, নির্বাচনের দিন থেকে গ্রামে জল নিতে দেওয়া  হচ্ছে না বিজেপি পরিবারগুলিকে। এই অভিযোগ ঘিরে শোরগোল বীরভূমের (Birbhum) ইলামবাজারে।

    পুকুর-কল পাহাড়া দিচ্ছে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা (Birbhum)

    বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীদের বক্তব্য, লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর সন্দেশখালির মতো করে দেওয়া হবে ইলামবাজারের (Birbhum) মুর্গাবনি গ্রামকে। এমনই হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল। ইলামবাজারের মুর্গাবনি গ্রামে ভোটের দিন থেকেই বিজেপি করার অপরাধে ৩০ টি পরিবারকে পানীয় জল নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গ্রামে বিক্ষোভ দেখান ওই পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমরা বিজেপি করি। তাই নির্বাচনের পর দিনই থেকেই তাঁদের ওপর নিগ্রহ করা হচ্ছে। এমনকী গ্রামের কল থেকে তাঁদের জল নিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি। অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ রবি মুর্মুর নেতৃত্বে এলাকায় তাণ্ডব চালানো হচ্ছে। অভিযোগ সকাল থেকে পানীয় জলের জায়গাগুলিতে বসে থাকছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এলাকার পুকুরগুলিতেও পাহার দিচ্ছেন তাঁরা। পাঁচ দিন ধরে তীব্র জলকষ্টে ভুগছে এই এলাকার বিজেপি সমর্থকদের পরিবারগুলি।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে কেশপুরে বিজেপি নেতাকে রাস্তায় ফেলে মার, স্বরূপনগরে আক্রান্ত কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা সুব্রত বিশ্বাস বলেন, “বরাবর এই এলাকায় বিজেপি জিতে এসেছে। তাই ওদের এত রাগ। জলও বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকী প্রশাসনের সামনেই হুমকি দিচ্ছে, পানীয় জল দেব না। দ্বিতীয় সন্দেশখালি করে দেব।” স্থানীয় তৃণমূলের নেতা রবি মুর্মু বলেন, “এরকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি। সুপরিকল্পিতভাবে মিথ্যা বলছে। কারোর জল বন্ধ করা হয়নি। আদিবাসীদের বিষয়। এখন পায়ের তলার মাটি হারিয়ে যাচ্ছে, তাই বিজেপি এই ধরনের অভিযোগ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “স্ট্রংরুমে সিসি ক্যামেরা বন্ধ, পঞ্চায়েত ভোটের মতো তৃণমূল কারচুপি করবে!” আশঙ্কা বিজেপি প্রার্থীর

    Ranaghat: “স্ট্রংরুমে সিসি ক্যামেরা বন্ধ, পঞ্চায়েত ভোটের মতো তৃণমূল কারচুপি করবে!” আশঙ্কা বিজেপি প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানাঘাট (Ranaghat) কলেজে স্ট্রংরুমে বন্ধ সিসিটিভি! পঞ্চায়েত ভোটের মতো কারচুপির ছায়া দেখছে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। যদিও ক্যামেরা বন্ধ নিয়ে পাল্টা অভিযোগ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী। ভোট মিটে যাওয়ার পর অভিযোগ পাল্টা অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    স্ট্রংরুমের পাঁচটি সিসিটিভি ক্যামেরায় বন্ধ (Ranaghat)

    গত ১৩ই এপ্রিল ভোট গ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে নদিয়ার রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রে। এই ভোট গ্রহণের ইভিএম এবং ভি ভি প্যাড  রানাঘাট কলেজের স্ট্রংরুমে রাখা হয়েছে। করা হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে, বুধবার রাতে সিসিটিভি বন্ধ নিয়ে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেরই প্রার্থী এদিন স্ট্রংরুম পরিদর্শন করেন। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী বলেন, আরও-র অনুমতি ছাড়া মহকুমা শাসক কী কারণে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারকে স্ট্রং রুমে যেতে দিয়েছিলেন। তার কিছুক্ষণ আগে যদিও তৃণমূল প্রার্থী স্ট্রংরুমের কাছে এসেছিলেন এবং সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পরবর্তীতে তাঁর কাছে খবর যেতেই তিনি এসে উপস্থিত হন রানাঘাট কলেজে। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন জগন্নাথ সরকারকে যখন ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল তখন স্ট্রংরুমের পাঁচটি সিসিটিভি ক্যামেরায় বন্ধ ছিল। আর এখানেই তার সন্দেহ মহকুমা শাসক কোনও ফন্দি এঁটেছেন বিজেপির সঙ্গে। তবে এই চিত্র নতুন নয় উত্তরপ্রদেশেও এ চিত্র দেখা গিয়েছে বলে তৃণমূল প্রার্থীর দাবি।

    আরও পড়ুন: দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    স্ট্রংরুমে সিসি ক্যামেরা বন্ধ, তৃণমূল কারচুপি করবে! আশঙ্কা বিজেপি প্রার্থীর

    পাল্টা অভিযোগ করেছেন রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীও রয়েছে সংখ্যায় কম। আমাকে জানানো হয়েছিল, প্রার্থীদের কে যেতে দেওয়া হবে স্ট্রংরুমে। তখন তার জন্য সময় বরাদ্দ করেনি কোনও আধিকারিক। পরবর্তীতে  স্ট্রং রুমে যাওয়ার কথা জানালে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হতে হয় আমাকে। পরবর্তীতে আমি যখন আদালতে যাওয়ার হুমকি দিই, তখন আমাকে স্ট্রংরুমের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়। গিয়ে দেখেন স্ট্রং রুমের পাঁচটি সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ। আর তাতেই আমার সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। পঞ্চায়েত ভোটে হারা প্রার্থীকে প্রশাসনের মদতে জিতিয়েছে, এবারও সেরকমই অভিসন্ধি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে, কমিশনের উচিত স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সক্রিয় করা। যদিও শাসকবিরোধী দুই শিবিরের অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটের মুখে কেশপুরে বিজেপি নেতাকে রাস্তায় ফেলে মার, স্বরূপনগরে আক্রান্ত কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ভোটের মুখে কেশপুরে বিজেপি নেতাকে রাস্তায় ফেলে মার, স্বরূপনগরে আক্রান্ত কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে ‘আক্রান্ত’ বিজেপির (BJP) মণ্ডল সভাপতি। গুরুতর আহত অবস্থায়  মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেশপুরে মণ্ডল সভাপতিকে রাস্তায় ফেলে পেটাল তৃণমূল (BJP)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার কেশপুর ১৪ নম্বর অঞ্চল ঝেতলার কুশপাতাতে বিজেপির (BJP) একটি মিটিং ছিল। সেখানে বাইকে যাচ্ছিলেন কেশপুর ৪নম্বরের মণ্ডল সভাপতি শুভেন্দু সামন্ত। অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁকে বাইক থেকে রাস্তায় ফেলে লাঠি বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে ভয় দেখানো হয়। ঘটনার খবর জানতে পেরে বিজেপি কর্মীরা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা চলে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় শুভেন্দুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু কেন এই হামলা? আক্রান্ত বিজেপি নেতা শুভেন্দু সামন্ত বলেন, প্রকাশ্য বৈঠকেই আমি বলেছিলাম ‘এবার দেব হারবে আর হিরণ জিতবে’। আর সেই কারণেই তৃণমূলের এই হামলা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্তমানে শুভেন্দু ভর্তি রয়েছেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে আক্রান্ত বিজেপি কার্যকর্তার সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ।

    বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির (BJP) ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ বলেন, নির্দিষ্টভাবে তৃণমূল নেতৃত্বের নামে থানায় অভিযোগ করা হবে। যদি পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে জেলা জুড়ে বৃহত্তর আন্দোলন করবে বিজেপি। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটা তাদের আদি ও নব্য বিজেপির গোলমাল। এখানে তৃণমূলকে দোষারোপ করে লাভ নেই।

    আরও পড়ুন: দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    তৃণমূলে ভোট না দিলে বিজেপি কর্মীকে খুন করার হুমকি

    তৃণমূলের মিটিং এ না যাওয়ার কারণে বিজেপি (BJP) কর্মী ও তাঁর মাকে মারধরের অভিযোগ উঠল স্বরূপনগর এলাকায়। জানা গিয়েছে,  সরূপনগরের তেতুলিয়া খালদার এলাকার ভীম বিশ্বাস নামে ওই বিজেপি কর্মীকে বুধবার রাতে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় তাঁর মা বাসন্তী বিশ্বাস ছেলেকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারধর করা হয় এবং শাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ অভিযোগ। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই স্বরূপনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বাসন্তী বিশ্বাস নামে ওই মহিলা। তিনি বলেন, আমরা বিজেপি করি। তৃণমূলের মিটিংয়ে যাইনি বলে মেরেছে। তৃণমূলে ভোট না দিলে কেটে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ভোটের আবহে বালি পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের উপ প্রধানের, শোরগোল

    Balurghat: ভোটের আবহে বালি পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের উপ প্রধানের, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও লোকসভা ভোটের তিনটি দফা বাকি। তার মধ্যেই বালি পাচারের সঙ্গে নাম জড়াল তৃণমূল নেতার। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার কুশমণ্ডিতে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    গঙ্গারামপুর ব্লকের পর অবৈধ বালি পাচারের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে কুশমণ্ডি ব্লক (Balurghat) ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরও। সহযোগিতায় রয়েছে কুশমণ্ডি থানার পুলিশ। টাঙন নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার সময় একটি আর্থমুভার আটক করে পুলিশ ও ভূমি সংস্কার দফতর। তাতেই নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার। যে আর্থমুভারটি আটক করা হয়েছে তাঁর মালিক বংশীহারী ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত এলাহাবাদ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আতাউর রহমান। ওই মেশিনটি লিজ নিয়ে তিনি অবৈধভাবে নদী থেকে বালি তুলছিলেন। ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক প্রীতম দাস শর্মা বলেন, ‘ কালিকামরা গ্রামে টাঙন নদীর ঘাট থেকে অবৈধভাবে বালি পাচার করার খবর আসে। কুশমণ্ডি থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তৎক্ষণাৎ সেখানে যৌথ অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় একটি আর্থমুভার। ওই মেশিনের মালিককে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’ কালিকামরা গ্রামের বেশকিছু বাসিন্দার অভিযোগ, গত এক সপ্তাহ ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তুলছিলেন একজন ঠিকাদার। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিবাদীদের হুমকি দেওয়া হত। এর পিছনে শাসকদলেরই মদত রয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রাতের অন্ধকারে আন্দোলনকারী মহিলাকে বাড়ি থেকে অপহরণের চেষ্টা !

    বালি পাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার হুমকি দিল বিজেপি

    এনিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আতাউর রহমানের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অবৈধভাবে নদীর বালি পাচার বন্ধ করতে প্রশাসন যে পদক্ষেপ নিচ্ছে আমরা তাকে সমর্থন জানাচ্ছি। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।’ বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক তাপস রায় বলেন, তৃণমূল দলটাই চোর। বালি পাচার করে ওদের সংসার চলে। দলের নেতাদের কাছেও পাচারের টাকা চলে যায়। ভোটের ফল বের হওয়ার পর আমরা আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share