Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Himanta Biswa Sarma: “অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে”, কড়া বার্তা হিমন্তের

    Himanta Biswa Sarma: “অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে”, কড়া বার্তা হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনা মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইতের সমর্থনে চুটিয়ে প্রচার করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে তিনি তৃণমূলকে তুলোধনা করেন। অসমের সঙ্গে রাজ্যের অবস্থার তিনি তুলনা করেন। পাশাপাশি দেশে আবারও মোদি সরকার ফিরে আসবেন বলে তিনি জানান।

    অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে (Himanta Biswa Sarma)

    চলতি বছরের প্রথমেই সন্দেশখালিতে ইডির ওপর শেখ শাহজাহান বাহিনীর হামলার ঘটনা সামনে আসতেই রাজ্য জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে অত্যাচারের ঘটনা সামনে আসে। মঙ্গলবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপ রামগোপালপুর হরেন্দ্র নগরে মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইতের সমর্থনে এক প্রকাশ্য জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, আমি সন্দেশখালিতে গিয়েছিলাম। দেখলাম সন্দেশখালি মা বোনদের ওপর কীভাবে শেখ শাহজাহান অত্যাচার করেছেন। পশ্চিমবাংলা বলে দিদির প্রশ্রয়ে এই কাজ করতে পেরেছেন। এটা অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি জানিয়েছেন, আপনাদের ভোট দিদির দরকার নেই, দিদির দরকার শাহজাহানের ভোট। তাই, শাহজাহানকে তিনি এতদিন ছেড়ে রেখেছিলেন। একইসঙ্গে অসমের সঙ্গে বাংলার পেট্রোল-ডিজেলের দামের তুলনা করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা নিয়ে সরব

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma) এদিন বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকার যদি ৪০০ আসন নিয়ে লোকসভাতে আসতে পারেন তাহলে ভারতের যে দুটি অংশ পাকিস্তানে আছে, সেই দুটি তিনি ফিরিয়ে আনবেন। এছাড়া রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রাজ্যের যে সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আছে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে  হামলা, মহারাজদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে আক্রমণ করেছেন এটা মেনে নেওয়া যায় না। শাসক দলের পাপ পূর্ণ হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ট্রলি পিছু ১০০ টাকা ভাগ তৃণমূল নেতার! মালদায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার

    Malda: ট্রলি পিছু ১০০ টাকা ভাগ তৃণমূল নেতার! মালদায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুলহর নদী থেকে বালি খনন করা হচ্ছে। প্রায় ৮-১০ ফিট গর্ত করে বালি খনন করা হচ্ছে। এর ফলে নদীর ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পাশেই রয়েছে আর্সেনিক জলের প্লান্ট এবং নদী বাঁধ। দুটোই ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) রতুয়ার কাহালা গ্রাম পঞ্চায়েতের শিবপুর ঘাটে। আর এই কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে রাজু সিংহ নামে এক তৃণমূল নেতার।

    বালির ট্রলি পিছু ১০০ টাকা ভাগ তৃণমূল নেতার (Malda)

    জানা যাচ্ছে, রাজু সিংহ নামে ওই তৃণমূল নেতা রতুয়া-১ ব্লক (Malda) তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন। মূলত তাঁর মদতেই নদীর বুক থেকে খনন করা হচ্ছিল বালি। সেই বালি ট্র্যাক্টরে বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অন্যত্র। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, “বিগত কয়েকদিন ধরে ফুলহর নদী থেকে বালি খনন করা হচ্ছে। এর ফলে নদীর ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। তৃণমূল নেতা রাজু সিংহ ট্রলি পিছু ১০০ টাকা করে নিচ্ছেন। তৃণমূলের মদত থাকার কারণে প্রশাসন কিছু করে না।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার সাফাই

    অভিযোগ অস্বীকার করে রতুয়া-১ ব্লক (Malda) তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাজু সিংহ বলেন, “আমাদের কাহালা আসুটোলা থেকে বাহারাল পর্যন্ত তিন কিলোমিটার পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। ফুলহর নদী সংলগ্ন এলাকায় জমিতে প্রচুর পরিমাণে বালি জমে যায়। এর ফলে জমির মালিকরা চাষবাস করতে পারে না। সেই জমির ওপরের বালি অংশটা তাঁদেরকে কেটে ফেলতে হয়। এই পথশ্রী প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার জমির মালিকের কাছে ন্যায্যমূল্য এবং সরকারি খাজনা কেটে বালি কিনে নিচ্ছেন। আর আমি কোনও টাকা নিইনি। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ।”

    বালি তোলার জন্য কেউ আবেদন করেনি

    রতুয়া-১ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক সৌমিত্র কুমার বলেন, “মাটি কাটার পূর্বে নির্ধারিত একদিন আগে ভূমি ও ভূমি দফতরে আবেদন করতে হবে। সঙ্গে দিতে হবে জমির মালিকের সম্মতিপত্র এবং যেখান থেকে মাটি তোলা হবে এবং যেখানে মাটি ফেলা হবে উক্ত জমির কাগজপত্র। এখন অনলাইনের মাধ্যমে চালান কাটতে হয়। তবে আমাদের কাছে বালি কাটার জন্য কাহালা অঞ্চল থেকে কোনও আবেদন জম পড়েনি। নদী, ব্রিজ এবং বাঁধ সংলগ্ন এলাকা থেকে কোনওমতেই বালি এবং মাটি খনন করা যাবে না। এটা আইনত অপরাধ। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: অগ্নিমিত্রার সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে ছোড়া হল ইট-বোতল, দাদাগিরি তৃণমূলের!

    Mithun Chakraborty: অগ্নিমিত্রার সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে ছোড়া হল ইট-বোতল, দাদাগিরি তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পলের সমর্থনে রোড শো করছিলেন মিঠুন। আর সেই প্রচারে বেরিয়ে (Mithun Chakraborty) কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। অভিযোগ, আচমকাই  বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে ইট-বোতল ছোড়া হয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের সামনেই তৃণমূলের লোকজন হামলা চালিয়েছে বলে বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ করে। একইসঙ্গে বিজেপির দাবি, তৃণমূলের লোকজন পরিকল্পিতভাবে মিছিলে হামলা চালিয়েছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে চায়নি রাজ্যের শাসকদল।

    অগ্নিমিত্রার সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে ছোড়া হল ইট-বোতল (Mithun Chakraborty)

    মঙ্গলবার হুড খোলা গাড়িতে মেদিনীপুর শহরে প্রচার করছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) । পাশে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। জানা গিয়েছে, ভালোভাবেই চলছিল রোড শো। তার মাঝেই ঘটল বিপত্তি। রোড শো ঘিরে আচমকাই উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপি কর্মী- সমর্থকদের অভিযোগ, যে রাস্তা দিয়ে রোড শো হওয়ার কথা ছিল সেই সময় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা মিঠুনকে উদ্দেশ্য করে কিছু ব্যানার-পোস্টার লিখে এনেছিলেন। সেই বিষয়টি নিয়ে বচসা বাধে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে। পুলিশের সামনেই মিছিলে ইট, প্লাস্টিকের জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ইট ছোড়া হয় মিঠুন চক্রবর্তীকে লক্ষ্য করে। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পুলিশের সামনেই তৃণমূলের হামলা,সরব বিজেপি

    পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে গাড়ি থেকে অগ্নিমিত্রা আবেদন জানান, বোতল ছুড়বেন না। যদিও এই আবেদনে কোনও লাভ হয়নি। এদিকে মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) বাঁচাতে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা শিল্ড ব্যবহার করেন। কোনওক্রমে রক্ষা পান মিঠুন-অগ্নিমিত্রা। পুলিশের সামনেই তৃণমূল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মিছিলে যোগদানকারী বিজেপি কর্মীরা। অন্যদিকে, এদিন সকালে যাদবপুরের সিপিএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্যের মিছিলেও হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে গড়িয়া এলাকায় হুডখোলা গাড়ি চেপে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সৃজন। পিছনে অটো-বাইকে ছিলেন বাম কর্মী-সমর্থকেরা। পঞ্চসায়র থানা এলাকায় মিছিল পৌঁছতেই সৃজনের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Arjun Singh: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম দফার ভোট শেষ হতেই রক্ত ঝরল ভাটপাড়ায়। ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত হলেন তিনজন বিজেপি কর্মী। সোমবার ভোট শেষ হতে না হতেই বিজেপির বুথ কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ভাটপাড়া পুরসভার এলাকায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের তিনি দেখতে যান। হামলার বিষয় নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arjun Singh)

    ভাটপাড়া পুরসভায় অধিকাংশ সংখ্যালঘু এলাকায় এজেন্ট দিয়েছিল বিজেপি। ভোট পর্ব শেষ হবার পরেই ভাটপাড়ার ১৬ নম্বর ওয়ার্ড, ২২ নম্বর ওয়ার্ড, ৯ নম্বর ওয়ার্ড এই তিনটি ওয়ার্ডের বিজেপির বুথ কর্মীকে ভোট শেষ হওয়ার পরই তৃণমূল কর্মীরা মারধর করে। এমনটাই অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের। সামসুদ্দিন আনসারি নামে বিজেপির  এক বুথ কর্মীকে রড দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। ফিরোজ আলম আনসারি নামে এক বিজেপি বুথ কর্মী  বলেন, ভোট শেষ হওয়ার পর আমরা পাড়াতেই বসেছিলাম। বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিলাম। তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী এসে হামলা চালায়। ঘটনার পর পরই অর্জুন সিং (Arjun Singh) আক্রান্ত কর্মীদের দেখা করেন। সামসুদ্দিন আনসারিকে নিজে উদ্যোগী হয়ে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত, সপ্তাহভর বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, এই লোকসভায় তৃণমূল হারছে। পার্থ ভৌমিক সেটা বুঝতে পেরেছেন, তা থেকেই ওরা এই হামলা চালিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি বলিয়েছি। অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে। এই ঘটনা প্রমাণ করে তৃণমূল দলেই গুন্ডা রয়েছে। যদিও সমস্ত বিষয় অস্বীকার করে ভাটপাড়া তৃণমূল টাউন সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ। তিনি বলেন,তৃণমূল  এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করে না। যদিও এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে, প্রশাসন ঠিক ব্যবস্থা নেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baranagar: ভোটের মুখে বিজেপির সভায় তৃণমূলের হামলা, তুলকালাম বরানগর

    Baranagar: ভোটের মুখে বিজেপির সভায় তৃণমূলের হামলা, তুলকালাম বরানগর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী হওয়ার পর থেকে বিজেপি নেতা সজল ঘোষকে বরানগরে (Baranagar) নানাভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করেছে তৃণমূল। এবার বিজেপির দলীয় সভায় হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বরানগর বিধানসভা এলাকায়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Baranagar)

    স্থানীয় ও বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, বরানগর (Baranagar) বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের সমর্থনে বরানগরে একটি জনসভার আয়োজন করেছিল গেরুয়া শিবির। সন্ধ্যা সাড়ে আটটা নাগাদ জনসভা যখন চলছে তখন সেখানে আচমকা এসে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি মিছিল। সভার মধ্যে ঢুকে পড়ে সভাতে থাকা বিজেপি নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে তৃণমূলের লোকজন কটূক্তি করতে শুরু করেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। এরপরই বিজেপি কর্মীরা প্রতিবাদ করলে তৃণমূল হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হল। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এপ্রসঙ্গে বরানগর (Baranagar) বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ বলেন, “আমাদের সভা চলাকালীন আচমকা তৃণমূলের মিছিল ঢুকে পড়ে। তারপর চেঁচামেচি শুরু করে দেয়। এর ফলে আমাদের সভায় ব্যাঘাত হচ্ছিল। বিষয়টির প্রতিবাদ করায় ওরা আমাদের কর্মীদের ওপর চড়াও হয়। ওখানকার সাধারণ মানুষ সব দেখেছে। আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই এভাবে গুণ্ডামি করে কিছু হয় না। যা হবে তা মানুষের রায়েই হবে।” অন্যদিকে এই গণ্ডগোলের জন্য বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়কেই দায়ী করছেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। এপ্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতা বলেন, “তাপস রায় যখন এখানকার তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন তখন তো দুর্নীতি বা এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কোনও কথা বলেননি। আজ দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তিনি সবকিছুতেই দুর্নীতি দেখছেন। আজকের এই গণ্ডগোল তাঁর জন্যই হয়েছে। আমরা বিজেপির সভায় কোনও হামলা চালাইনি। সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: শান্তনু ঠাকুরের বাইক র‍্যালিতে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Shantanu Thakur: শান্তনু ঠাকুরের বাইক র‍্যালিতে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ দিনের প্রচার ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নদীয়ার কল্যাণী। দলীয় প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) বাইক র‍্যালিতে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বিজেপি এলাকায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করছে পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার কল্যাণী থানার গয়েশপুর এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shantanu Thakur)

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন। আজ ছিল প্রচারের শেষ দিনের সময়সীমা। সেই শেষ দিনটিতে প্রতিটি রাজনৈতিক দল সকাল থেকে প্রচার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এদিন কল্যাণীর গয়েশপুর এলাকায় একটি বাইক র‍্যালিতে  মাধ্যমে প্রচার শুরু করেন বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে বিশাল একটি বাইক মিছিল বের হয়। জানা যায়, শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) বাইক র‍্যালি যখন গয়েশপুরে গিয়ে পৌঁছায় তখন তৃণমূলের তরফে ওই এলাকায় একটি প্রচার কর্মসূচি করছিল। তৃণমূলের তরফ থেকে ওই এলাকায় বিজেপির মাইক কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখতে বলে। তাই নিয়েই শুরু হয় দু পক্ষের মধ্যে  কথা কাটাকাটি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত হাতাহাতিতে পৌঁছায় বিবাদ। খবর পেয়ে কেন্দ্র বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে কল্যাণী থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণ উত্তেজনা চলার পর পুলিশ কোনও রকম ভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর বিজেপির বাইক মিছিল সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) বলেন, তৃণমূল হারবে এখানে। তারা বুঝতে পেরেছে তাদের তলায় আর মাটি নেই। বিশেষ করে গয়েশপুরের তারা বুঝতে পেরেছে বিজেপি দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে। তাই, এই হামলা চালিয়েছে। তবে, এই হামলার জবাব মানুষ আগামী ২০ তারিখে ভোট বাক্সের মাধ্যমে দেবে। অন্যদিকে, ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী গোসাই কর্মকারের পাল্টা অভিযোগ, আমাদের তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে একটি প্রচার কর্মসূচি চলছিল, আমরা সেই কারণে কিছুক্ষণের জন্য বিজেপির কর্মীদের মাইকটা বন্ধ রাখার অনুরোধ করি। তখনই আমাকে ওরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিতে থাকে এবং পরে মারধর শুরু করে দেয়। আমরা হামলা চালাইনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের নারী নির্যাতন! ঘরে ঢুকে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের নারী নির্যাতন! ঘরে ঢুকে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের অত্যাচার এবং পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাত জাগা শুরু করেছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলা আন্দোলনকারীরা। গত বৃহস্পতিবার রাতেই এক মহিলা আন্দোলনকারীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    জানা যাচ্ছে, ওই স্কুল ছাত্রীর ঘরে ঢুকে মুখ চেপে ধরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। কোনও ভাবে নিজেকে বাঁচাতে চিৎকার করে ওই নাবালিকা। তার আওয়াজে ছুটে আসেন পরিবারের লোকজন। সঙ্গে-সঙ্গে চম্পট দেয় অভিযুক্ত। পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক তৃণমূল সমর্থক। নির্যাতিতার পরিবার বিজেপি সমর্থক হওয়ায় তার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করেছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার পুলিশ। নির্যাতিতার দিদা বলেন, “ঘরে আমার নাতনি ঘুমোচ্ছিল। ছেলেটা ঘরের পিছন থেকে ঢোকে। তারপর আমার নাতনির শ্লীলতাহানি করে। নাতনি চিৎকার করে বলে, দিদা আমায় বাঁচাও। আমায় মেরে ফেলে দিল। ততক্ষণে ছেলেটা পালিয়ে গিয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে তৃণমূল নেতার ছেলে করছে। তৃণমূলের মিটিংয়ে ডাকা হয়েছিল, আমরা যাইনি। সেই রাগে এই কাজ করেছে বলে মনে করা হয়। আমরা এখন বিজেপি-র সমর্থক।”

    আরও পড়ুন: ফের গরম, কলকাতার পারদ ছুঁল ৩৮ ডিগ্রি! কবে বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    অভিযুক্তের বাবার কী বক্তব্য?

    অভিযুক্ত ছেলেটির বাবা বলেন, ঘটনাটি কিছুই জানি না। রাত্রিবেলা এই ঘটনা ঘটে থাকলেও কোনও চিৎকার বা কিছুই হয়নি। তাই জানি না। তাছাড়া আমার ছেলে তো রাতে ঘরেই ছিল। তবে এটা একটা চক্রান্ত চলছে বুঝতেই পারছি। কারণ যারা বিজেপি করে তারা বলেছিল যে আমাদের দল কর। কিন্তু, ছেলে যায়নি বলে ওকে ফাঁসানো হচ্ছে। এসব ঘটনার সঙ্গে আমরা কোনওভাবেই জড়িত নই। ওরা ভোটের আগে এসব করে পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন মিটতেই ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সালার এলাকা। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা মহম্মদ আজাহারউদ্দিন ওরফে সিজারের বাড়িতে বোমাবাজি করার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, তৃণমূলের ভরতপুর-২ ব্লকের সভাপতির অনুগামীরা ওই বোমাবাজি করেছে। আর ভোট মিটতেই দলীয় নেতার ওপর ব্লক সভাপতির লোকজনের এই বোমাবাজি করার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী! (Murshidabad)

    সিজার তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর-২ ব্লক (Murshidabad) প্রাক্তন সভাপতি। বর্তমানে তিনি তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। শনিবার সাত সকালে সালার থানার উজুনিয়া গ্রামে বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর-২ ব্লক প্রাক্তন সভাপতি মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী বোমাবাজি শুরু করে। সেই সময় তৃণমূল নেতার বাড়ির লোকজন তালাবন্ধ করে ভিতরেই থেকে যায়। বোমাবাজির খবর পেয়ে সালার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় বোমার আঘাতে এক পুলিশকর্মী জখম হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শাসকদলের ব্লক সভাপতি অত্যাচারে প্রাণ নাশের আশঙ্কায় আতঙ্কিত প্রাক্তন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা আজহারউদ্দিন সিজার। ইতিমধ্যেই তিনি থানায় অভিযোগ জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের গরম, কলকাতার পারদ ছুঁল ৩৮ ডিগ্রি! কবে বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    ব্লক সভাপতি আমাকে খুন করার চেষ্টা করছে

    তৃণমূল নেতা সিজার (Murshidabad) বলেন, ভোট মিটতেই পরিকল্পিতভাবেই দলের ব্লক সভাপতি আমাকে খুন করার ছক কষেছে। ও নিজেকে একজন খুনের মামলায় অভিযুক্ত। দুষ্কৃতীদের দিয়ে এসব করেছে। যে ভাবে আমার বাড়িতে হামলা হয়েছে, তাতে আমাকে খুন করা ব্লক সভাপতির উদ্দেশ্য তা পরিষ্কার। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    অভিযুক্ত ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, সিজার সব সময় দুষ্কৃতীদের নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। গ্রামের কোনও বিষয় নিয়ে গন্ডগোল হয়েছে। তারপরই এসব বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের সামনেই হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনওভাবেই জড়িত নই। সবটাই মিথ্যা অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: “পরিবর্তন দরকার, নাহলে রাজ্যের অবস্থা ভয়ঙ্কর হবে”, বললেন মিঠুন

    Mithun Chakraborty: “পরিবর্তন দরকার, নাহলে রাজ্যের অবস্থা ভয়ঙ্কর হবে”, বললেন মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সমর্থনে রোড শো করে প্রচারে ঝড় তুললেন বলিউড সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। শুক্রবার সন্ধ্যায় বীজপুর বিধানসভার হালিশহরে দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে রোড শো করে মিঠুন। সুপারস্টারকে দেখতে রাস্তার দুধারে সাধারণ মানুষের ভিড় উপচে পড়েছিল। বিশেষ করে মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

    অর্জুনের সমর্থনে রোড শোয়ে মিঠুন (Mithun Chakraborty)

    আগামী সোমবার রাজ্যের অন্যতম নজর কাড়া কেন্দ্র বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে নির্বাচন। তার আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারে সরগরম হয়ে উঠেছে। এই কেন্দ্রে লড়াই হবে মূলত ত্রিমুখী। তবে, বারাকপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে বিদায়ী সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এবং তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিকের মধ্যে। আর এই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর প্রচারে বারাকপুরে আসছেন একের পর এক হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রী থেকে সেলেবরা। শেষ মুহূর্তের প্রচারে শুক্রবার সন্ধ্যায় বারাকপুর কেন্দ্রে নেমেছিল তারাদের মেলা। এদিন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এর জন্য প্রচার করলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। এদিন সন্ধ্যায় হালিশহর থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। সেই শোভাযাত্রায় প্রার্থী অর্জুন সিং এর সঙ্গে প্রচার চালালেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। মনোজ ঘোষ নামে এক বাসিন্দা বলেন, এদিন মহাগুরুকে দেখার জন্য আমি বিকাল থেকে রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলাম। মোবাইলে তাঁর ছবিও তুলেছি। কিন্তু, রাস্তায় এত ভিড় ছিল যে আমি মহাগুরুর সঙ্গে হ্যান্ডসেক করতে পারিনি। এই আফশোস থেকে গেল।

    আরও পড়ুন: ফের গরম, কলকাতার পারদ ছুঁল ৩৮ ডিগ্রি! কবে বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    পরিবর্তন দরকার, নাহলে রাজ্যের অবস্থা ভয়ঙ্কর হবে, বললেন মিঠুন

    রোড শো শেষে মিঠুন (Mithun Chakraborty) বলেন, মানুষের মধ্যে যে উৎসাহ আর ভিড় দেখছি তাতে আমি আশাবাদী যে এবারও অর্জুন সিং বারাকপুর নিজে দখলে রাখবে। আর পশ্চিম বঙ্গে পরিবর্তন দরকার। নইলে আগামী দিনে এই রাজ্যের অবস্থা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে।”  এদিনের বিজেপির এই শোভা যাত্রা হালিশহর থেকে বের হয়ে বলদে ঘাটা পর্যন্ত যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev: চাকরি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত দেবের প্রতিনিধি, টাকা ফেরত পেলেন অভিযোগকারী

    Dev: চাকরি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত দেবের প্রতিনিধি, টাকা ফেরত পেলেন অভিযোগকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ দেবের (Dev) প্রতিনিধি রামপদ মান্নাকে আশা কর্মীর চাকরির জন্য ২ লক্ষ দিয়েছিলেন ঘাটালের ক্ষীরপাই এলাকার বাসিন্দা গঙ্গেশ সাঁতরা। মেয়ে মৌসুমী সাঁতরার চাকরির জন্য তিনটি কিস্তিতে সেই টাকা দিয়েছিলেন। ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের কর্মী সত্য ঘোষের মাধ্যমে রামপদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছিল। কিন্তু দেড় বছর হয়ে গেলেও চাকরি পাননি মৌসুমী। তা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টেও মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল হতেই অভিযোগকারী দাবি করলেন, ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা তিনি ফেরত পেয়ে গিয়েছেন।

    ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছেন অভিযোগকারী

    চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েছিলেন। তা-ও পাননি। এই অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হন গঙ্গেশ। হাইকোর্টে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চেও মামলা হয়। ভোটের আবহে এই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় হয় ঘাটালের রাজনীতি। শোরগোলের মধ্যেই শুক্রবার গঙ্গেশ দাবি করলেন, চাকরির জন্য দেওয়া টাকা ফেরত পেয়েছেন তিনি। ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আমি হাতে পেয়েছি। আমি খুবই খুশি।  বাড়ির সকলেই খুশি।’ কিন্তু টাকা ফেরত দিলেন কে? গঙ্গেশের দাবি, সত্য ঘোষই তাঁর টাকা ফেরত দিয়ে গিয়েছেন। মৌসুমীর স্বামী নির্মল হাজরাও বলেন, “সত্য ঘোষ আমাদের টাকা ফেরত দিয়ে গিয়েছেন। আমাদের আর কোনও অভিযোগ নেই। আদালত থেকে মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি চলছে।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    দেবের (Dev) প্রতিনিধি কী বললেন?

    গঙ্গেশের টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে অবশ্য কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন রামপদ। তিনি বলেন, “আমি জানি না কার থেকে কে টাকা নিয়েছিল আর কে কাকে ফেরত দিয়েছে। আমার নাম করে কেউ কিছু করেছে কি না, সেটা জানব কী করে! ওই ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানা নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share