Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • North 24 Parganas: মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে অপহরণের চেষ্টা! তৃণমূল নেত্রীর ছেলেকে গণপিটুনি

    North 24 Parganas: মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে অপহরণের চেষ্টা! তৃণমূল নেত্রীর ছেলেকে গণপিটুনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা তৃণমূল নেত্রী বলে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ান ছেলে। এবার এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার ছেলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বাগদার আষাঢ় বাজার এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর ছেলের নাম মিঠুন বালা। আর তাঁর মায়ের নাম মাধুরী বালা। তিনি সিন্দ্রনী গ্রাম পঞ্চায়েতের মাগুরকোনা গ্রামের তৃণমূল সদস্যা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (North 24 Parganas)  

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আষাঢ় বাজারে বিউটি পার্লার বন্ধ করে ফিরছিলেন এক মহিলা। সেই মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মিথুন বালার বিরুদ্ধে। পরে, গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের পাশ থেকে মহিলাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ারও নাকি চেষ্টা করেন মিঠুন। মহিলা চিৎকার শুরু করেন। সেই সময় তাঁর চিৎকার বন্ধ করার জন্য মহিলাকে মারধরও করা হয়। যদিও মহিলার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। চোখের সামনে মহিলার সঙ্গে অভব্য আচরণ করতে দেখে উত্তেজিত জনতা মিঠুনকে ধরে গণপিটুনি দেয়। তৃণমূল নেত্রীর ছেলেকে মারধরের মুহূর্তের ভিডিও এখন সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। মিঠুনের নামে বাগদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। সেই অনুযায়ী তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    অভিযুক্ত যুবক কী সাফাই দিলেন?

    মিঠুন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আসলে আমাকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমি কথা বলতে গেলে আচমকা মারধর শুরু করে। আমার বিরুদ্ধে পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমার মা যেহেতু তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, সেই কারণেই মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমি কাউকে অপহরণ বা মারধর করিনি।

    রাজনৈতিক ষড়ষন্ত্র, দাবি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার

    এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেই দাবি সিন্দ্রানি গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত সদস্যা মাধুরী বালার। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখুক। আমার ছেলে দোষী হলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা আমি মেনে নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার, কেন জানেন?

    North 24 Parganas: চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকি পুরসভায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যানের মধ্যে দ্বন্দ্ব বহুদিন ধরেই চলছিল। যত দিন যাচ্ছে, সেই সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। এবার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি, বেআইনিভাবে জমি হস্তান্তর-সহ একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ আনলেন ভাইস চেয়ারম্যান। শুধু অভিযোগ নয়, উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) বসিরহাট মহকুমার টাকি পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজি-সহ তৃণমূলের ১২ জন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন। বৃহস্পতিবার অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল।

    মহকুমা শাসকের দফতরে জমা পড়ল অনাস্থা প্রস্তাব (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) টাকি পুরসভায় মোট আসন সংখ্যা ১৬টি। এর মধ্যে ১৪টি আসন তৃণমূলের দখলে রয়েছে। আর ২টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ১৪টি আসনের মধ্যে ১২জন তৃণমূল কাউন্সিলার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে। স্বাভাবিকভাবে চেয়ারম্যান আসন সংখ্যার বিচারে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন। ফলে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে না পারলে চেয়ারম্যানের সরে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। তবে, অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান কোনও মন্তব্য করতে চাননি। টাকি পুরসভা তৃণমূলের কাউন্সিলারদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এল এদিন। বসিরহাট মহকুমা শাসকের দফতরে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করলেন ভাইস চেয়ারম্যান-সহ ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার। ইতিমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাশাসক  শরৎ কুমার দ্বিবেদীর দফতরে তা পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বসিরহাট বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, ‘টাকি পৌরসভায় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেখানে বেআইনিভাবে জমি হস্তান্তর থেকে চুরি করে সরকারি জমি দখল করা, এমনকী স্বজনপোষণ-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তৃণমূলের এক পক্ষের বিরুদ্ধে আর এক পক্ষ অনাস্থা এনেছে। এবার আপনারাই ভাবুন এই দলটা কেমন। আমরা চাই, দুর্নীতিমুক্ত টাকি পুরসভা।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো গ্রেফতার, সাংসদ-বিধায়কের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Barrackpore: তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো গ্রেফতার, সাংসদ-বিধায়কের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ার তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে এবার সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বারাকপুর (Barrackpore) কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতরে। সেখানেই পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করা হয়। পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী ও তাঁর অনুগামীরা বিক্ষোভের ফেটে পড়েন। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    জগদ্দল এর বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে অর্জুন সিং এর দ্বন্দ্ব নতুন নয়। প্রকাশ্য মঞ্চে একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগার ঘটনার সাক্ষী রয়েছেন বারাকপুরবাসী (Barrackpore)। গত নভেম্বর মাসেই তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় বেশ  কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। দুদিন আগেই ভিকি যাদবের মা সহ ভাটপাড়া পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু সদস্য মিছিল করে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে হাজির হন। মূল অভিযুক্ত গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন তাঁরা। এই প্রতিবাদ মিছিলের পিছনেও সোমনাথের হাত রয়েছে বলে তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজনের মত। জানা গিয়েছে, বছরখানেক আগে রাজেন পান্ডে নামে একজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই মামলায় অর্জুনের ভাইপো পাপ্পুর নাম জড়ায়। গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরা সেই ঘটনার তদন্তে বৃহস্পতিবার তলব করেন পাপ্পুকে। আইনজীবী রাকেশ সিং সহ বেশ কয়েকজন অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে পাপ্পু গোয়েন্দা বিভাগে আসেন। পুরানো মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসতেই তাঁকে ভিকি যাদব খুনে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়। এরপর এই গোয়েন্দা প্রধান শ্রীহরি পাণ্ডের সঙ্গে পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবির রাকেশ সিংয়ের রীতিমতো বচসা হয়। পাপ্পুর অনুগামীরা  রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে  বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাপ্পু সিং গ্রেফতার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় জগদ্দলে। সেখানে পাপ্পু সিং অনুগামীরা ও রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। আর এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে আসে।

    সোমনাথ শ্যাম পাপ্পুকে গ্রেফতার করিয়েছেন, সরব আইনজীবী

    পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী রাকেশ সিং বলেন, পাপ্পুকে অন্য একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। অথচ তাঁকে খুনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হল। সোমনাথ শ্যাম পুলিশকে দিয়ে এসব করিয়েছে। পাপ্পু এলাকায় জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা। সেটা কখনও মেনে নিতে পারছেন না সোমনাথ। তাই তাঁকে হেনস্তা করতেই তাঁর নামে এভাবে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। অর্জুন সিং বলেন, ষড়যন্ত্র করে পাপ্পুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমনাথকে নিয়ে কী বললেন অর্জুন?

    বারাকপুরের (Barrackpore) সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, দিন কুড়ি আগে থেকে সোমনাথ শ্যাম বলছে ভিকি যাদবকে খুন করিয়েছে আমার ভাইপো পাপ্পু। এদিকে, এই খুনের ঘটনায় ধৃত পঙ্কজ, যাকে পুলিশ মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে জানিয়েছে তার জন্মদিন সোমনাথ শ্যাম পালন করছে, বিধায়কের পাশে দাঁড়িয়ে পঙ্কজ কেক কাটছে। সেই কেক সোমনাথ শ্যামকে খাওয়াচ্ছে। সেই ভিডিও, ছবি দেখে সবাই বুঝতে পেরেছে দুজনের কতটা গভীর সম্পর্ক। এই পঙ্কজ সোমনাথ শ্যামের লোক না হয়ে পাপ্পু সিংয়ের লোক হয়ে গেল? আসলে চক্রান্ত করে পাপ্পুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    খুনের পিছনে অর্জুন যোগ, প্রশ্ন সোমনাথের?

    সোমনাথ শ্যাম বলেন, “ভিকি যাদবকে খুন করার অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী ছিল পাপ্পু। তার বিরুদ্ধে একাধিক খুনের অভিযোগ রয়েছে। এই পাপ্পু প্রকাশ্যেই বলতো, কাকা অর্জুন সিংয়ের কথা ছাড়া কোনও কাজ করিনা। তাহলে কোথাও না কোথাও কি এই খুনের পিছনে অর্জুন সিংও জড়িত আছে? এটাই আমার প্রশ্ন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: সংখ্যালঘু এলাকায় বেহাল রাস্তা সারায়নি তৃণমূল, তারপর কী হল জানেন?

    Arambagh: সংখ্যালঘু এলাকায় বেহাল রাস্তা সারায়নি তৃণমূল, তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৫ বছর পার হয়ে গেলেও হাল ফেরেনি গ্রামের ২ কিমি কাঁচা রাস্তার। এক হাঁটু কাদা পেরিয়েই তিনটি গ্রামের বাসিন্দাদের এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এই চিত্র আরামবাগের (Arambagh) গৌরহাটি-১ নং পঞ্চায়েতের সাঁপড়োজোল গ্রামের। এই গ্রামে ঢোকে না কোনও অ্যাম্বুল্যান্স, অসুস্থ রোগীকে নিয়ে যেতে ভরসা সেই খাটিয়া। এমনই অভিযোগ বাসিন্দাদের। এলাকাটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। তৃণমূল পঞ্চায়েতকে বার বার বলেও কোনও কাজ হয়নি। তাই, এবার ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি, বেহাল রাস্তা সংস্কার করার জন্য তৃণমূলের উপর নির্ভর না করে গ্রামবাসীরা নিজেরাই কোদাল হাতে রাস্তা মেরামতির কাজে হাত লাগান।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)

    আরামবাগের (Arambagh) গৌরহাটির সাঁপড়োজোল থেকে বেয়ুড় গ্রাম প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা। প্রায় ১৫ বছর ধরে রাস্তাটি বেহাল অবস্থা। তিনটি গ্রামের মানুষের ভরসা এই রাস্তা। যার ফলে যতদিন পেড়িয়েছে, ততই খারাপ হয়েছে রাস্তার হাল। বর্ষা ছাড়াও বৃষ্টি হলেই রাস্তায় এক হাঁটু সমান কাদা পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয় বলে অভিযোগ। এলাকার মানুষের অভিযোগ, এই রাস্তায় কোনও গাড়ি চলাচল করা যায় না। বেশিরভাগ সময় কাদা পেরিয়ে, সাইকেল কাঁধে নিয়ে পার হতে হয়। ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে যেতে চরম অসুবিধা হয়। গ্রামে ঢোকেনা অ্যাম্বুল্যান্স। অসুস্থ রোগীদের খাটিয়া করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।  সম্প্রতি ওই রাস্তায় কৃষি কাজে ট্রাক্টর ঢোকায় ফেটে যায় জলের পাইপ। তার জেরে জলমগ্ন হয়ে যায় রাস্তা। গর্ত হয়ে যায় রাস্তা। তারপরও রাস্তা সংস্কারে তৃণমূল পঞ্চায়েত এগিয়ে আসেনি। তাই, গ্রামের বাসিন্দারা নিজেরাই নিজেদের রাস্তা মেরামতের কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    এবিষয়ে তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিশির সরকার বলেন, আমি আগে ওই রাস্তা সংস্কারের কাজ করেছি। পঞ্চায়েতকে মোড়াম করার জন্য বলেছিলাম, তা করেছে কি না তা আমি জানি না। তবে, এবারে পথশ্রীর জন্য ওই রাস্তার নাম পাঠিয়েছি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এবিষয়ে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, ওই এলাকায় আমি গিয়েছিলাম। ওই কাঁচা রাস্তা একেবারেই বেহাল দশা। এলাকায় বহু সংখ্যক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। এতদিন শুধু তৃণমূল কংগ্রেসকেই ভোট দিয়ে এসেছেন। অন্য দলকে ভোট দেয় নি। তৃণমূল দল কেমন তা ওরা এখন বুঝতে পারছেন। একবার বিজেপিকে ভোট দিয়ে রাস্তা সংস্কার হয় কি না দেখুক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ‘চোর কাটমানি খোরদের সাম্রাজ্য আমি ধ্বংস করবই’, কেন বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    Hooghly: ‘চোর কাটমানি খোরদের সাম্রাজ্য আমি ধ্বংস করবই’, কেন বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী বিলিকে কেন্দ্র করে দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। যা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। পরে, বেশ কিছুদিন তিনি চুপচাপ ছিলেন। দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে তাঁকে মুখ খুলতে দেখা যায়নি। এবার ফের বেসুরো তিনি। নাম না করে দলের নেতা-নেত্রীদের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Hooghly)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে হুগলির (Hooghly) বলাগড় বিধানসভা এলাকায় টিকিট বিলিবন্টন নিয়েও বিরোধ হয়েছে তৃণমূল নেতা তপন দাস, রুনা খাতুনের গোষ্ঠীর সঙ্গে মনোরঞ্জনের। এখানেই শেষ নয়, বলাগড় কলেজ পরিচলন সমিতি আগে ছিল বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। বর্তমানে তা রয়েছে মনোরঞ্জন ব্যপারীর। ফলত সেই কলেজে অন্য কেউ মাথা হয়ে উঠুক তা মোটেই পছন্দ নয় বিধায়কের তাই দলের একাংশকে তোপ দেগেছেন বলেন রাজনৈতিক মহল মনে করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘এতো ট্রেলর হ্যায়,পিকচার অভি বাকি হ্যায় দোস্ত। একটু অপেক্ষা কর সব কিছু পরিষ্কার হবে। চোর কাটমানি খোরদের সাম্রাজ্য আমি ধ্বংস করবই। আমি দিদির আশীর্বাদ নিয়ে বলাগড়ে এসেছি। চোর মাটি মাফিয়া জুয়া বোর্ডের মালিক যে যা পারিস করে নে।’

    পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    জিরাট পঞ্চায়েতের প্রধান তপন দাস বলেন,বিধায়ক এর আগেও বলাগড়ের প্রায় সব নেতার বিরুদ্ধে কিছু না কিছু বলেছেন। বাদ ছিলাম আমি। বিধায়কের আমার বিরুদ্ধে কোনও বক্তব্য থাকলে দলের ভিতর বলতে পারতেন, এভাবে কেন করলেন জানি না। তাঁর সঙ্গে আমার কোনও সমস্যা নেই। তবে ফেসবুকে যা সব লিখেছেন তিনি তাতে বলাগড়বাসীর মাথা লজ্জায় হেঁট হয়ে গিয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এসব নিয়ে আমার আর কিছু বলার নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: নদীর চর দখল করে পাকা বাড়ি! অভিযুক্ত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ শিক্ষক

    South 24 Parganas: নদীর চর দখল করে পাকা বাড়ি! অভিযুক্ত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার পাথরপ্রতিমা ব্লকের  শিবশক্তি ব্রিজ সংলগ্ন নদীর চরে গড়ে উঠছে পাকা বাড়ি। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এক শিক্ষক তৈরি করছেন পাকা বাড়ি। মূলত, তৃণমূলের মদতেই সবুজকে ধ্বংস করে চলছে বেআইনি কারবার। এসবের জন্যই দেখেও দেখছে না প্রশাসন, এমনই অভিযোগ বিরোধীদের।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)  

    নদীবাঁধ রক্ষায় মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বেশি করে ম্যানগ্রোভ লাগানোর কথা বলছেন, সেখানেই এমন ছবি ধরা পড়ল। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার (South 24 Parganas) পাথরপ্রতিমা ব্লকের শিবশক্তি ব্রিজ সংলগ্ন অপর পাড়ের নদীর চরের এক প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক নদী চরের গাছ কেটে তৈরি করছেন পাকা বাড়ি। এই স্কুলশিক্ষক স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এই বিষয় নিয়ে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক শ্যামসুন্দর ডাকুয়া বলেন, বাড়ি তৈরি করার কাগজপত্র রয়েছে, সেই কারণেই তিনি ঘর তৈরি করছেন। তবে, বাড়ি তৈরির কোনও কাগজপত্র তিনি দেখাতে পারেননি। কোনও অনুমতি ছাড়াই কী করে ঘর তৈরি হচ্ছে বা জলা জমিতে বাড়ি তৈরি করতে দেওয়া হচ্ছে তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। কীভাবে সরকারি নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকার কাগজপত্র থাকতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এ বিষয়ে রামগঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান প্রভাতকুমার সেনাপতি বলেন, চর দখল করে বাড়ি তৈরি করার কোনও অনুমতি কেউ নেয়নি। কেউ নিজের ইচ্ছে মতো এসব বেআইনি কাজ করতে পারেন। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ওরা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক কী বললেন?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) পাথরপ্রতিমা ব্লকের বিএলআরও অপূর্ব পান্ডা বলেন, চর দখল করে বাড়ি তৈরি করার অভিযোগ পেয়েছি। এটা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ওই শিক্ষকের কাছে কী কাগজ রয়েছে তা জানা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ বলেই শিক্ষকের এত সাহস!

    এই বিষয় নিয়ে বিজেপির মথুরাপুর সংগঠনিক জেলা কনভেনর অরুণাভ দাস বলেন, এই সমস্ত বিষয়ের সঙ্গে শাসকদল জড়িত। ওই শিক্ষক শাসকদলের ঘনিষ্ঠ না হলে এত বড় সাহস তিনি দেখাতে পারতেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: পার্থর যেমন ছিলেন অর্পিতা, বালুরও তেমন ছিলেন নন্দিনী! হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন স্বামীই

    Jyotipriya Mallick: পার্থর যেমন ছিলেন অর্পিতা, বালুরও তেমন ছিলেন নন্দিনী! হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন স্বামীই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অর্পিতার সম্পর্কের কথা আজ আর কারও অজানা নয়। অনেকেই আড়ালে বলাবলি করছেন, তৃণমূলের প্রতিটি ‘সফল’ ব্যক্তির পিছনেই নাকি একজন ‘নারীর’ অবদান থাকে। আর তৃণমূল নেতাদের উত্থানের সঙ্গে এমন ‘নারী’দের জড়িয়ে থাকার ঘটনার খবরও তো আকছা্র হচ্ছে। তাহলে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) মাথায় কার স্নেহমাখা হাত? এমন একটা গুঞ্জন গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। এবার সেই রহস্যেরও কিনারা হল। হ্যাঁ, জানা গেল, জ্যোতিপ্রিয় তথা বালুরও বান্ধবী ছিলেন, যিনি কিনা তাঁর সঙ্গে দার্জিলিং পর্যন্ত ঘুরে এসেছেন। আবার এই তথ্য যে কারও দেওয়া, এমনটা নয়, হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন ওই মহিলারই স্বামীই।

    কী তথ্য সামনে এল? (Jyotipriya Mallick)

    বিধাননগর পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নন্দিনী বন্দ্যোপাধ্যায়ই এখানে মূখ্য চরিত্র। তাঁর স্বামী হলেন জয়ব্রত। এক ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, ২০১৭ সাল থেকেই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল। তাঁর একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে ফেলেই স্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) সঙ্গে চলে গিয়েছিলেন দার্জিলিং ঘুরতে। এমনকী সেই সম্পর্কের জেরেই তিনি বিধাননগর পুরসভার টিকিট পেয়ে কাউন্সিলর পর্যন্ত হয়ে যান। এখানেই থেমে থাকেননি। ‘বালুদা’র জন্য বাড়ির তৈরি খাবার নিয়ে যাওয়া, মুড়ি মেখে নিয়ে যাওয়া এসব তো চলতই। এভাবেই ধীরে ধীরে বালুর প্রিয়জন হয়ে উঠেছিলেন তিনি। পুরস্কার হিসেবে মেলে ফ্ল্যাটও। এরপরই তাঁর আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ে। তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব বাড়াতে থাকেন। স্বামীকে তাঁর ফ্ল্যাটে আসতেও বারণ করেন। স্বামীর অভিযোগ, গত সেপ্টেম্বরে স্ত্রীর নতুন ফ্ল্যাটে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেন। ভিডিও বার্তায় তাঁর দাবি, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুরও আবেদন জানিয়েছেন।

    কী বললেন অভিযুক্ত কাউন্সিলার?

    ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই চারদিকে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বাধ্য হয়ে মুখ খুলেছেন কাউন্সিলার নন্দিনী। তিনি সংবাদ মাধ্যমে বলেন, তাঁর স্বামী যা যা বলেছেন সবটাই মিথ্যা। তাছাড়া বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। এভাবে আমাকে উনি অসম্মান করেছেন। এর বিরুদ্ধেও আমি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। তিনি আরও বলেছেন, তিনি এবং জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) একসঙ্গে জেলায় রাজনীতি করেছেন। তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক এইটুকুই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bayron Biswas: আয়কর কর্তাদের জেরার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বাইরন! বাড়ি থেকে উদ্ধার ৭২ লক্ষ

    Bayron Biswas: আয়কর কর্তাদের জেরার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বাইরন! বাড়ি থেকে উদ্ধার ৭২ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের বাড়িতে দিনভর চলে আয়কর দফতরের আধিকারিকদের তল্লাশি। বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসকে (Bayron Biswas) জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। আর জেরার মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে বাড়িতে চিকিৎসক এনে চিকিৎসা করা হয়। পরে, অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যার পর সাগরদিঘির বিধায়ককে নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক হারে কমে যাওয়ার কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিধায়ক।

    বাড়ি থেকে উদ্ধার ৭২ লক্ষ টাকা (Bayron Biswas)

    বুধবার সকাল ৬টা নাগাদ বাইরনের সামশেরগঞ্জের বাড়িতে যান আয়কর আধিকারিকেরা। তখন থেকে বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলছে। রাতের দিকেও বাইরনের (Bayron Biswas) বাড়িতে আয়কর কর্তারা তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যান। রাতের দিকে বিধায়কের বাড়িতে টোটোতে বালিশ, কম্বল নিয়ে আসা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আয়কর কর্তাদের জন্যই আনা হয়েছে এগুলি। কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর, বাইরনের বাড়ি থেকে এখনও পর্যন্ত নগদ ৭২ লক্ষ টাকার হদিশ মিলেছে। বাড়ি ছাড়াও আয়কর আধিকারিকদের কয়েক জন বিধায়কের বিড়ি কারখানা, স্কুল ও হাসপাতালে গিয়ে তল্লাশি চালান। বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলাকালীন বিধায়কের পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।  

    আয়কর হানা নিয়ে মুখ খুললেন বিধায়কের বাবা

    আয়কর হানার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিধায়ক অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু, আয়কর আধিকারিকদের অভিযান নিয়ে মুখ খুললেন বিধায়কের (Bayron Biswas) বাবা বাবর বিশ্বাস। তিনি বলেন, আয়কর আধিকারিকদের কেউ কেউ আমাকে নিজের বাবার মতো মনে করে সম্মান দিয়েছেন। আমার খুব ভালো লেগেছে। আমাদের পারিবারিক ব্যবসা নিয়ে অনেক কথা বলেছেন তাঁরা। এলাকার গরিব মানুষের উন্নতিসাধনে আমাদের যা অবদান, তার প্রশংসাও করেছেন তাঁরা। আমাকে খুব ভালো লোক, খুব দয়ালু লোক বলেছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। আমাদের স্কুলে অনেক গরিব ছেলে ফ্রি- তে পড়াশোনা করে। গরিব মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাঁর প্রশংসা করেছেন আয়কর কর্তারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ তৃণমূলের পুর চেয়ারম্যানের, কেন জানেন?

    Cooch Behar: পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ তৃণমূলের পুর চেয়ারম্যানের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে শাসকদলের দলদাস সহ নানা অভিযোগ করে বিরোধীরা। এবার সেই পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের কোচবিহার (Cooch Behar) পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। শুধু পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খুলে তিনি চুপ থেকেছেন তা নয়, তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অভিযোগ জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার জরুরি ভিত্তিতে কোচবিহার পুরসভার বোর্ড মিটিং করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কেন পুলিশের বিরুদ্ধে চটলেন তৃণমূল নেতা? (Cooch Behar)

    কোচবিহার (Cooch Behar) রাসমেলার আয়োজন করে পুরসভা। মেলার সূচনা ও সমাপ্তি- দুই পর্বই পুরসভা ঘোষণা করে। সেখানে মেলা শেষ হওয়ার তিন দিন আগে থেকেই মেলার সমাপ্তির কথা জানিয়ে মাইকে প্রচার করে পুলিশ। ২৭ নভেম্বর এ বার মেলা শুরু হয়। কুড়ি দিনের মেলা শেষ হয় ১৬ ডিসেম্বর। ব্যবসায়ীরা মেলার মেয়াদবৃদ্ধির দাবি করলেও, তা মানা হয়নি। অভিযোগ, ১৬ ডিসেম্বর রাত ১২টার পর থেকে পুলিশ দোকান ভেঙে নিতে ব্যবসায়ীদের উপরে চাপ তৈরি করে। ঐতিহ্যবাহী রাসমেলার শেষ মুহূর্তে ব্যবসায়ী ও পুরকর্মীদের উপরে অত্যাচার করেছে পুলিশ। তা নিয়ে দু’দিন ধরে কর্মবিরতি পালন করছেন কর্মীরা। তাতে শহর জুড়ে আবর্জনা ছড়িয়ে পড়েছে। রাসমেলার মাঠ, ভবানীগঞ্জ বাজারে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। এই অবস্থায় শহরে মিছিল করে পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান পুরকর্মীরা। পরে, পুরসভার চেয়ারম্যান তাঁদের কাছে কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার আবেদন করেন। চেয়ারম্যানের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে নালিশ জানান পুরকর্মীরা। এরপরই তৃণমূল নেতা তথা পুরসভার চেয়ারম্যান পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, এ বারের রাসমেলায় পুলিশের একটি অংশের ভূমিকা মোটেই ভাল ছিল না। নিরীহ ব্যবসায়ীদের মারধর করা হয়েছে। তাঁদের জিনিসপত্র নিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানাব।

    জেলা পুলিশের এক কর্তা কী বললেন?

    কোচবিহার জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, মেলা শেষ হওয়ার পরেও একটি অংশ আটকে কেনাবেচা করা হচ্ছিল। তাতে ভিড় বাড়ছিল। সে জন্যেই সবাইকে দোকান ভেঙে নিতে বলা হয়েছে। পুরকর্মীরা যে অভিযোগ করছে তা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BIRBHUM: তৃণমূল নেতাকে ১১ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! প্রতারিত ব্যক্তি কী বললেন?

    BIRBHUM: তৃণমূল নেতাকে ১১ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! প্রতারিত ব্যক্তি কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অনেকে এখন জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগেও ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে অনেকে এখন জেলের ঘাঁটি টানছেন। এরইমধ্যে অনুব্রত মণ্ডলের জেলা বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে করে ১১ লক্ষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়ার দেবব্রত ঘোষ নামে এক ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতা আসাদুর জামানের বিরুদ্ধে। তিনি বীরভূমের সাঁইথিয়ার মাঠপলশা পঞ্চায়েতের সদ্য প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি। চাকরি না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত ব্যক্তি। দেবব্রতবাবু বলেন, আমাকে স্বাস্থ্য ভবনে চাকরি পাইয়ে দেবেন বলেছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। অনেকের সঙ্গে চেনা রয়েছে। টাকা দিলেই চাকরি পাওয়া যাবে। শাসক দলের নেতা বলে আমি ওর কথায় বিশ্বাস করেছিলাম। এরপরই তৃণমূল নেতার এক মিডলম্যানকে ৬ লক্ষ এবং অন্য মিডলম্যানকে ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছি। কিন্তু, অতগুলো টাকা দেওয়ার পর আর আমি চাকরি পাইনি। বহুবার টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলেছি। মাত্র পঞ্চাশ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে। আর টাকা দেয়নি। তারপর বাকিটা চাইলেই বলছে যা পারো করে নাও। যদিও, এই বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    প্রতারণা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির বীরভূম (Birbhum) সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা  বলেন, তৃণমূল মানেই জালি দল। সেই দলের নেতা তো চিটিংবাজ হবেই। এটা স্বাভাবিক। আমরা অভিযুক্তের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ব্লক সভাপতি অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছেন। যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে, দল ব্যবস্থা নেবে। পাশে দাঁড়াবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share