Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • North 24 Parganas: জয়নগরের পর আমডাঙা! প্রকাশ্যে বোমা মেরে তৃণমূলের প্রধানকে খুন করল দুষ্কৃতীরা

    North 24 Parganas: জয়নগরের পর আমডাঙা! প্রকাশ্যে বোমা মেরে তৃণমূলের প্রধানকে খুন করল দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ভরসন্ধ্যায় খুন হলেন উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙা পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান রূপচাঁদ মণ্ডল। রাত ৮টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে আমডাঙা থানার সোনাডাঙা এলাকায়। তৃণমূলের প্রধানকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম অবস্থায় তড়িঘড়ি উদ্ধার করে পুলিশ আমডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই রূপচাঁদের মৃত্যু হয়। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে দাপুটে তৃণমূল নেতাকে প্রকাশ্যে খুন করার ঘটনা ঘটে। এক সপ্তাহের মধ্যে পর পর দুজন শাসক দলের নেতা খুন হওয়ার ঘটনায় রাজ্যে পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যাবেলা উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার কামদেবপুর হাটে ছিলেন রূপচাঁদবাবু। আচমকা সেই সময় তাঁর কাছে একটা ফোন আসে। ফোন পাওয়া মাত্রই তিনি রাস্তা পার হতে যান। অভিযোগ, সেই সময় কেউ বা কারা তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে। রাস্তাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে বারাসতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান সাংসদ অর্জুন সিং, স্থানীয় বিধায়ক রফিকুর রহমান সহ একাধিক ব্লক নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, রাতেই জাতীয় সড়ক অবরোধ করে তৃণমূল কর্মীরা হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এই হামলার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল দায়ী, জমি বেচাকেনার ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে বিবাদের জেরে এই ঘটনা-এমনই অভিযোগ বিরোধীদের।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    খুনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের সব অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এলাকায় কোনও গোষ্ঠীকোন্দলের বিষয় নেই।’ কিন্তু, কেন তাঁকে বোমা মারা হল, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কোনও কিছু বলতে পারেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: মমতা সরকারকে উৎখাত করার ডাক দিলেন প্রবীণ তৃণমূল নেতা, ঠিক কী বলেছেন তিনি?

    Alipurduar: মমতা সরকারকে উৎখাত করার ডাক দিলেন প্রবীণ তৃণমূল নেতা, ঠিক কী বলেছেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা সরকারকে উৎখাত করতে হবে। রাজ্যে একটা ফ্যাসিস্ট সরকার চলছে। এটা বিরোধী কোনও রাজনৈতিক দলের নেতার কোনও বক্তব্য নয়। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে মমতার ঘনিষ্ঠ আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) প্রবীণ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা প্রশান্ত নারায়ণ (জহর) মজুমদার এই মন্তব্য করেন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি একথা জানিয়েছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন বর্ষীয়ান ওই তৃণমূল নেতা? (Alipurduar)

    নিজের হাতে তৈরি করা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কার্যকলাপের বিতশ্রদ্ধ হয়ে এদিন মমতা সরকারকে উৎখাত করতে আমজনতাকেও জোটবদ্ধ হওয়ার ডাক দিয়েছেন জহরবাবু। জহরবাবু একসময় বিধানসভার প্রার্থী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলা সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন। পাশাপাশি তিনি সরকারি আইনজীবীও ছিলেন। লোকসভা ভোটের আগে শাসক দলের বিরুদ্ধে জহরবাবুর মতো একজন ৮২ বছরের বর্ষীয়ান নেতার এ ধরনের মন্তব্যে জেলার রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, উদ্যান পালন দফতরে আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্তের দাবি জানিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই ঘটনার তদন্ত কিছুই হয়নি। উলটে কেন তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন তারজন্য প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন এই তৃণমূল নেতা। তিনি অভিযোগ জানিয়ে বলেন, সরকারি আর্থিক তছরুপ নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে কোনও সুবিচার হয় না। এ রাজ্যে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। গণতন্ত্রকে ফেরাতে বিরোধী সব দলকে সব মানুষকে একজোট হতে হবে। যেখানে যে দল শক্তিশালী সেই দলকে শক্তিশালী করে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। জহরবাবু দাবি করেন, দলে পুরানোদের কোনও মর্যাদা নেই। যারা শাসক দলে এখনও রয়েছেন তাদের ৭০ শতাংশ মানুষও এই দলের উপর তিতিবিরক্ত হয়ে রয়েছেন। ওই মানুষগুলো সামনের লোকসভা ভোটে শাসক দলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠবেন।

    কী বললেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি?

    তৃণমূল কংগ্রেসের আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইক  বলেন, জহর বাবু শ্রদ্ধেয় মানুষ। তিনি ঠিক কি বলেছেন, তা আমার জানা নেই। তাই তাঁকে নিয়ে আগেভাগে কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jaynagar: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুনে নদিয়া থেকে গ্রেফতার ‘মাস্টারমাইন্ড’

    Jaynagar: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুনে নদিয়া থেকে গ্রেফতার ‘মাস্টারমাইন্ড’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে (Jaynagar) তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনার সময় যত গড়িয়েছে ততই পরিষ্কার হয়ে উঠছে এই খুনের কারণ। গত সোমবার বাড়ির কাছেই খুন হন তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন। এরপর থেকেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় জয়নগর এলাকায়। তবে নেতা খুনের ঘটনায় দলুয়াখাঁকির যোগ রয়েছে বলে এখনও পর্যন্ত তদন্তে এমনটাই উঠে এসেছে। এই গোটা ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন আনিসুর লস্কর এমনটাই পুলিশ সূত্রে দাবি। মৃত তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে যে এফআইআর করা হয়েছিল তাতে নাম আছে তার। তাঁর বাড়ি দলুয়াখাঁকি এলাকায়। তিনি এলাকায় সিপিএম কর্মী হিসেবে পরিচিত। নদিয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সেখানেই তিনি গা ঢাকা দিয়েছিলেন।

    কেন খুন করা হল সইফুদ্দিনকে? (Jaynagar)

    পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, সুপারি কিলার দিয়েই জয়নগরে (Jaynagar) তৃণমূল নেতাকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাই, সবকিছুই পরিকল্পনা মতো হয়েছিল। কারণ হিসেবে উঠে আসছে দুটি তথ্য- ১) ক্রমশ এলাকায় সইফুদ্দিন শেষ কথা হয়ে উঠেছিলেন। এমনকী তিনি শাসকদলের নেতা হওয়ায় এলাকায় বিরাট অট্টালিকা থেকে শুরু করে প্রচুর টাকা-পয়সা করে ফেলেছিলেন। ২) একটি জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের ঝামেলা চলছিল। এমনকী পারিবারিক বিবাদও ছিল দীর্ঘদিনের। এমনটাই মনে করছে পুলিশ। প্রায় ১ লক্ষ টাকা সুপারি দেওয়া হয়েছিল। তবে এই গোটা বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই জয়নগর, বকুলতলা, কুলতলি, বারুইপুর, মন্দিরবাজার পুলিশ অফিসারদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এমনকী একটি স্পেশাল পুলিশ টিমও গঠন করা হয়েছে। টিমের মাথায় রয়েছেন পুলিশ সুপার পলাশচন্দ্র ঢালি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষ।

    খুন কাণ্ডে বড় ভাইয়ের নাম সামনে আসছে, কে সে?

    এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ধৃত সাহারুল লস্করকে জিজ্ঞাসাবাদে যে বড় ভাইয়ের নাম উঠে এসেছে, সেই বড় ভাই কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এখনও পর্যন্ত জয়নগর (Jaynagar) খুন কাণ্ডে পুলিশের সামনে নাসির হালদার এবং আলাউদ্দিন নামে দুজনের নাম সামনে এসেছে। এই আলাউদ্দিন নাকি নাসির বড় ভাই, তা এখনও পর্যন্ত  পুলিশ তা জানতে পারেনি। তবে, দুজনের বাড়ি মন্দিরবাজার থানার টেকপাঁজা এলাকায় বলে জানা গেছে। পাশাপাশি ধৃত সাহারুল ঘটনার পর চালতাবেড়িয়ার বাসিন্দা মোতালেফ নামে যে ব্যক্তির বাড়িতে আত্মগোপন করেছিল তিনিও এলাকায় সিপিএম কর্মী বলেই পরিচিত। তবে, ঘটনার পর থেকে সবাই ঘরছাড়া রয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, এরা একদিকে যেমন সিপিএম কর্মী বা সমর্থক বলে এলাকায় পরিচিত ছিল, ঠিক তেমনি কেউ দর্জির কাজ, আবার কেউবা ফেরির কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তবে এই ঘটনায় যে সমস্ত অভিযুক্তের নাম উঠে আসছে তা তাদের সঠিক নাম কিনা তা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নাকি পারিবারিক শত্রুতার কারণে খুন করা হয়েছে সইফুদ্দিনকে গোটা বিষয়ের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্টহীন বীরভূমে প্রশ্নের মুখে এবার তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী

    Anubrata Mondal: কেষ্টহীন বীরভূমে প্রশ্নের মুখে এবার তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর পর বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন সব রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কমবেশি করা হয়। ক্ষমতায় আসার পর থেকে তৃণমূল এই কর্মসূচি ঘটা করেই পালন করে। আর তৃণমূলের বীরভূম জেলার ‘বেতাজ বাদশা’ অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) তাঁর খাসতালুকে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করতেন জাঁকজমক করে। কেষ্ট হীন বীরভূমে এবার দুর্গাপুজোর পর কালীপুজো পেরিয়ে গেলেও তৃণমূল বিজয়া সম্মিলনীক আয়োজন করতে পারল না বলে দলের অন্দরেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

    গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহ ভাড়া করে হত কেষ্ট-র বিজয়া সম্মিলনী (Anubrata Mondal)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) প্রতি বছর বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহ ভাড়া করে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করতেন। জেলার সাংসদ, বিধায়ক, ব্লক সভাপতি, জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহসভাপতি, প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং দলের শাখা সংগঠনের নেতারা থাকতেনই। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ থাকলেও জেলা স্তরে এখনও বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করতে পারেননি বর্তমান জেলা নেতৃত্ব। কবে হবে সেই আয়োজন, স্পষ্ট নয় সেটাও। দলের কর্মীদের একাংশের দাবি, এর থেকেই পরিষ্কার, অনুব্রত এক বছরের বেশি সময় ধরে না-থাকলেও এখনও দলের ‘ছন্নছাড়া’ ভাবটা কাটেনি। কেষ্ট অনুগামী এক তৃণমূল নেতা বলেন, কেষ্টদা থাকলে এসব ভাবা যেত না। গতবারও বিজয়া সম্মিলনী হয়েছিল সুন্দরভাবে। এবার সেটা হল না। এমনিতেই তিহার জেলে কেষ্ট থাকার পরও দল এতদিন তাঁর উপর আস্থা রেখেছিলেন। কিন্ত, এবার জেলা সভাপতি ও চেয়ারম্যানেদের নামের যে তালিকা দলের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হয়েছে, তাতে অনুব্রত মণ্ডলের নাম নেই। ফলে, তাঁকে ছেঁটে ফেলা হল বলেই মনে করছেন অনুব্রতের অনুগামীরা। জানা গিয়েছে, শুধু বিজয়া সম্মিলনী নয়, নিজেদের মধ্যে সমন্বয়, বোঝাপড়ার অভাব, জেলার বিভিন্ন সাংগঠনিক সমস্যা নিয়ে আলোচনাও বকেয়া। সেই জন্য আগামী ২৩ নভেম্বর বৈঠক হতে পারে কোর কমিটির। তার পরেই সিদ্ধান্ত সামনে আসার সম্ভাবনা।

    জেলা তৃণমূলের এক নেতার কী বক্তব্য?

    জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী  বলেন, অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) থাকাকালীন বিজয়া সম্মিলনী জেলা স্তরেই সীমাবদ্ধ ছিল। এবার সেটা ব্লক ও অঞ্চল স্তরে নামানো হয়েছে। সেইজন্য দেরি হচ্ছে। আমরা শীঘ্রই বৈঠক করে এ ব্যাপারে দিনক্ষণ চূড়ান্ত করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “আমাদের দলেও কিছু কুলাঙ্গার ছেলে-মেয়ে রয়েছে”, দুর্নীতি ইস্যুতে বেপরোয়া তৃণমূলের মন্ত্রী

    Malda: “আমাদের দলেও কিছু কুলাঙ্গার ছেলে-মেয়ে রয়েছে”, দুর্নীতি ইস্যুতে বেপরোয়া তৃণমূলের মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যেন সমার্থক। তৃণমূল আছে, অথচ অন্তর্কলহ নেই, কাদা ছোড়াছুড়ি নেই, এটাও যেন আজ আর ভাবাই যায় না। এই তো কদিন আগের কথা। প্রত্যন্ত জেলা নয়, খাস কলকাতায় বসে দীর্ঘদিনের সাংসদ সৌগত রায়ের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন তোপ দাগেন তৃণমূল বিধায়ক তথা তৃণমূলের ‘কালারফুল’ নেতা মদন মিত্র। হুমায়ুন কবীর তো উঠতে বসতে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে যা নয় তাই বলেন। এবার সেই ভূমিকাতেই দেখা গেল তৃণমূলের এক মন্ত্রীকে। তিনি হলেন রাজ্যের সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। কয়েকদিন আগে মালদা (Malda) জেলার কালিয়াচকের আলিনগরে তৃণমূল এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছিল। ১০০ দিনের কাজে টাকা না মেলাই ছিল মূল ইস্যু। সেখনে ভাষণ দিতে গিয়ে দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই খড়্গহস্ত হতে দেখা গেল তাঁকে।

    কী বললেন মন্ত্রী? (Malda)

    যে ইস্যুতে তৃণমূলের একের পর এক নেতা-মন্ত্রী জেলের ঘানি টানছেন, যে ইস্যুতে জনতার দরবারে তৃণমূলকে নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছে, সাবিনা ইয়াসমিন এদিন তাকেই হাতিয়ার করেন। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদেরকে বলব, আমাদের ভুল বুঝবেন না। আমরা যা করি আপনাদের জন্যই করি। এবার কেউ যদি কোনও দোষ করে থাকে, ভুলের ভাগীদার সে একা হবে। তার শাস্তি হোক এটাই আমরা চাই। আমার বাড়িতে যদি কোনও কুলাঙ্গার ছেলে থাকে, পুলিশ যদি তাঁকে গ্রেফতার করে, তবে বাপ-মা কী করবে! শাসন করার পরও ছেলে শুধরচ্ছে না। ঠিক তেমনি আমাদের পার্টিতেও কিছু কুলাঙ্গার ছেলে-মেয়ে রয়েছে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে পাপ করবে, প্রায়শ্চিত্তও তাকেই করতে হবে। কোনও ভুলের জন্য দল দায়ী নয়। দল কি কাউকে চুরি করার জন্য বলেছে? কেউ একজন দাঁড়িয়ে বলুন তো, কারও থেকে কখনও কোনও টাকা-পয়সা নিয়েছি আমি? হ্যাঁ কখনও চা খেয়েছি। টাকার বিনিময়ে কোনও কাজ আমি (Malda) আমার রাজনৈতিক জীবনে করিনি। দল কখনও টাকার বিনিময়ে কাজ করার কথা বলেনি। কেউ যদি টাকার বিনিময়ে কাজ করে, তবে সে দায়ী। আমি আপনাদের বলব, কোনও কাজের জন্য কাউকে টাকা দেবেন না। আমাদের সরকার মানুষের জন্য সব ধরনের সুবিধা করে দিয়েছে। দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গেলেই সব কাজ হয়ে যায়।’

    জেলার রাজনীতিতে চাঞ্চল্য (Malda)

    মালদা জেলায় (Malda) তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কলহ নতুন কিছু নয়। এই নিয়ে জেলায় গন্ডগোল, ঝামেলা, খুনখারাবি লেগেই থাকে। এবার সেই বিতর্ককে আরও উস্কে দিলেন মন্ত্রী। ফলে ফের নতুন বিতর্ক শুরু হল। যদিও এই বিতর্কে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব আগের মতোই এখনও চুপই রয়েছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুন গোষ্ঠী কোন্দলেই? ‘গণপিটুনি’তে মৃতের স্ত্রীর বয়ানে ঘুরে গেল ‘খেলা’

    South 24 Parganas: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুন গোষ্ঠী কোন্দলেই? ‘গণপিটুনি’তে মৃতের স্ত্রীর বয়ানে ঘুরে গেল ‘খেলা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর (South 24 Parganas) এখনও উত্তপ্ত। শাসকদলের রোষানলে পুড়েছে দোলুয়াখাঁকির নস্কর পাড়া এলাকার প্রচুর ঘরবাড়ি। গ্রাম জুড়ে এতটাই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে যে, অনেকেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূল নেতা তথা বামনগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং একইসঙ্গে বামনগাছি অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সইফুদ্দিন লস্কর খুন হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে তৃণমূলীদের তাণ্ডব। এলাকা দখলের উদ্দেশ্যে সিপিএমই এই খুন করিয়েছে, এমন তত্ত্ব সোমবার সকাল থেকেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ঘটনার দিন রাতেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন ওইদিন গণপিটুনিতে মৃত্যু হওয়া সহাবুদ্দিন শেখের স্ত্রী। তিনি যা বললেন, তাতে এটাই পরিষ্কার হয়ে গেল, ওই খুন আসলে শাসকদলের অভ্যন্তরের দ্বন্দ্বেরই ফল।

    কী বলেছেন সহাবুদ্দিনের স্ত্রী? (South 24 Parganas)

    মৃতের স্ত্রী দাবি করেন, তাঁর স্বামী তৃণমূল করতেন। তার পর তিনি আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনেছেন। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, সইফুদ্দিন খুনের ঘটনা জানাজানি হতেই কয়েকজন তাঁদের বাড়ি আসে। সেই সময় তাঁর স্বামী বাড়িতেই ছিলেন। তাঁকে বারবার ভয় দেখনো হয় এবং জানতে চাওয়া হয়, কারা এই খুন করেছে। কিন্তু স্বামী কিছু জানি না বলাতেই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যাপক মারধর শুরু করে। চোখের সামনে তাকে টানতে টানতে বাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সবার সামনে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। অন্যদিকে, পুলিশ (South 24 Parganas) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মৃত সহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধেও থানায় অনেক অভিযোগ আছে।

    কী ঘটেছিল সেদিন (South 24 Parganas)

    ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে, রোজকার মতো সোমবার ভোরে ওই তৃণমূল নেতা নমাজ পড়তে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই তাঁকে কাছ থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দেখেন, ওই নেতা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে কাতরাচ্ছেন। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এর পরই শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের তাণ্ডব। তারা অভিযোগ করতে থাকে, এলাকা দখলের জন্য সিপিএমই এই হত্যাকাণ্ড করিয়েছে। গুলি করে পালানোর সময় দুজন তাদের হাতে ধরা পড়ে যায়, যার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় গণপিটুনিতে। সোমবার এদের পরিচয় জানা যায়নি। অবশেষে জানা গেল, মৃত ব্যক্তিও তৃণমূল কর্মী ছিলেন।  

    বগটুইয়ের ছায়া?

    এই ঘটনার সঙ্গে অনেকেই বগটুইয়ের মিল খুঁজে পাচ্ছেন। এখানেও বেছে বেছে বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের (South 24 Parganas) ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে দীর্ঘক্ষণ দমকলের গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। বাড়ির পর বাড়ি দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বহু বাড়ি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fertilizers: সারের কালোবাজারিতেও তৃণমূলের দুর্নীতি! কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীকে চিঠি দিচ্ছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    Fertilizers: সারের কালোবাজারিতেও তৃণমূলের দুর্নীতি! কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীকে চিঠি দিচ্ছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে চলছে সারের (Fertilizers) কালোবাজারি। এই চক্রে জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তাঁর অভিযোগ, “শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদের মদত ছাড়া কালোবাজারি করা সম্ভব নয়। না হলে পুলিশ একদিনেই এই কালোবাজারি বন্ধ করে দিতে পারত। তাই এর পূর্ণাঙ্গ তদন্তে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চাই।”

    কী বলছেন কৃষকরা? (Fertilizers)

    বালুরঘাটের কৃষক সুবল মণ্ডল বলেন, ‘যখনই আলু কিংবা অন্য ফসল চাষের সময় আসে, তখনই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রত্যেক বছরই সরকারি সার কালোবাজারি হচ্ছে। প্রশাসনের তরফে লোক দেখানো সার ব্যবসায়ীদের শো-কজ করা হচ্ছে। কিন্তু সারের (Fertilizers) দাম কিছুতেই কমছে না।’ বালুরঘাট ব্লক কৃষি দফতরের তরফে এই ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের নানা জায়গায় মজুত সারের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। তবুও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে এখনও পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৬২ জন সার ব্যবসায়ীকে শো-কজ করেছে জেলা কৃষি দফতর। এছাড়া চার ব্যবসায়ীকে সার বিক্রি না করার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    কী বললেন সুকান্ত? (Fertilizers)

    সারের কালোবাজারি নিয়ে বিরক্ত সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘গঙ্গারামপুরে এসসি মোর্চার সদস্যরা সারের কালোবাজারির কথা বলেছে। সবটা শুনেছি। আমি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীকে চিঠি দেব। তাঁরা এসে সব খতিয়ে দেখুন। সারের ক্ষেত্রেও কতটা দুর্নীতি হচ্ছে, তা দেখুন। সারের কালোবাজারিতে পুলিশ ও শাসকদল সরাসরি যুক্ত রয়েছে।’

    কী প্রতিক্রিয়া তৃণমূল এবং সরকারি আধিকারিকদের? (Fertilizers)

    সারের কালোবাজারি কথা অকপটে স্বীকার করে তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার জানিয়েছেন, ‘যে সারের চাহিদা তুঙ্গে, সেই সারেই কালোবাজারির অভিযোগ পেয়েছি। বিকল্প সার ব্যবহারের জন্য প্রচারের ব্যবস্থা করা দরকার।’ তাঁর দাবি, “যেখানে যেখানে সারের কালোবাজারির খবর মিলছে, সেখানেই প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে। পাশাপাশি, ১০:২৬ সারের বদলে অন্য সার ব্যবহারেও একই ফলন পাওয়া যে সম্ভব, তা নিয়ে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে।’ জেলা কৃষি আধিকারিক প্রণবকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত ২৫২টি সারের (Fertilizers) দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে।’ বালুরঘাট ব্লক কৃষি আধিকারিক তনয় সাহার বক্তব্য, ‘কয়েক মাস ধরেই সারের কালোবাজারি নিয়ে কৃষক সংগঠনগুলি সরব হয়েছে। জেলায় এনপিকে (২৬:২৬:২৬) সারের চাহিদা সব থেকে বেশি। এই সারের দাম সবচেয়ে বেশি। ওই সারের পরিবর্তে এনপিকে (১৫:১৫:১৫, ১৬:১৬:১৬, ১৬:২০:০:১৩) এই বিকল্প সারগুলি বিক্রি করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: “লোকসভা নির্বাচন এলেই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো”, চ্যালেঞ্জ সুকান্ত মজুমদারের

    Dakshin Dinajpur: “লোকসভা নির্বাচন এলেই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো”, চ্যালেঞ্জ সুকান্ত মজুমদারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পঞ্চায়েত নির্বাচনে গুন্ডামি করে ভোটে জিতেছে তৃণমূল। সেসব পর্ব চলে গিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে গুন্ডামি করতে চাইলে তাদের জায়গা হবে জেলে। সুকান্ত মজুমদার সেই গ্যারান্টি দিয়ে যাচ্ছে। আপনারা ভয় পাবেন না। আমি আপনাদের পাশে আছি।” গঙ্গারামপুর ব্লকের (Dakshin Dinajpur) গোচিয়ার এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনে এসে শাসকদলকে এই হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর অত্যাচারে এই এলাকায় আমাদের কর্মীরা কাজ করতে পারেন না। কোনও গুন্ডামি বরদাস্ত করা হবে না। আপনারা গুন্ডাদের তালিকা তৈরি করুন, আমরা ব্যবস্থা নেব।” লোকসভা নির্বাচনের এখনও দেরি। কিন্তু নির্বাচনী ফসল ঘরে তুলতে ইতিমধ্যে ঘর সাজাতে শুরু করেছে সব রাজনৈতিক দল। কর্মী ও সমর্থকদের মনোবল দৃঢ় করতে এদিন শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, লোকসভা নির্বাচন এলেই এই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো।”

    এজির পদত্যাগ

    পাশাপাশি তিনি রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে এদিন কথা বলেন। এক সরকারের আমলে বদল তিন এজির। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Dakshin Dinajpur) বলেন, “সৌমেন্দ্রনাথ মুখার্জী প্রথিতযশা একজন আইনজীবী। তাঁর পক্ষে এই অশিক্ষিত সরকারের সঙ্গে বেশি দিন কাজ করা সম্ভব নয়। অনেকেই আগে ছেড়ে দিয়েছেন, এবার সৌমেন্দ্রবাবু ছেড়ে গেলেন। এর আগে গোপালবাবু নামে একজন ছিলেন, যিনি প্রকাশ্যে কোর্টে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে এই ধরনের আচরণ রাজ্য সরকারের শোভা পায় না। অর্থাৎ এই সরকারের সঙ্গে শিক্ষিত মানুষরা বেশিদিন একসাথে চলবে না।”

    ধান কেনায় কেলেঙ্কারি

    ধান কেনার কেলেঙ্কারির তদন্তে ইডি স্ক্যানারে কলকাতা পুলিশ। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Dakshin Dinajpur) বলেন, “যে মামলায় প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন, সেই মামলার সূচনা হয়েছিল রাজ্য পুলিশের দ্বারাই। কোনও এক জায়গায় বেআইনি চাল ও চালের গুঁড়ো পাওয়া গিয়েছিল। তার তদন্তে নামে বেঙ্গল পুলিশ এবং সেটা দ্রুত ধামাচাপা দেওয়া হয়। অভিযোগ যায় ইডির কাছে। ইডি যাতে তদন্ত করতে না পারে, তার জন্য রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছি, কিন্তু কিছু হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইডি খাদ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। এখন শুধু পুলিশ কেন, বেশ কিছু আমলা এবং আধিকারিকেরও জেল হবে।”

    কী বলল তৃণমূল?

    এদিকে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির রাজ্য সভাপতির জমানত জব্দ করবেন বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার। তিনি বলেন, “পঞ্চায়েত ভোট অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি মিথ্যে অভিযোগ করে বেড়াচ্ছেন। তিনি নিজের এলাকায় (Dakshin Dinajpur) হেরেছেন। জেলা পরিষদে একটি আসনও পায়নি তাঁর দল। তাই তিনি এসব ভুলভাল বকছেন। তাঁর উচিত রাজ্য রাজনীতিতে নজর দেওয়া। কারণ, জেলার মানুষ তাঁকে পছন্দ করে না। তাঁকে চায় না। রাজ্য সভাপতির এই হুমকির জবাব আগামী নির্বাচনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেবে মানুষই। ক্ষমতা থাকলে তিনি এবার বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে থেকে দাঁড়ান। যদি তাঁর জামানত জব্দ করতে না পারি, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: ক্লাবে এসে কালীপুজোর চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর নির্মাণের কাজ বন্ধ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Raiganj: ক্লাবে এসে কালীপুজোর চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর নির্মাণের কাজ বন্ধ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর চাঁদা দিতে ক্লাব প্রাঙ্গনে না আসায় রায়গঞ্জের এক বিশিষ্ট ব্যাবসায়ীর বহুতল নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত এক পুজো কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ওই ব্যবসায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়গঞ্জ (Raiganj) থানায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রের প্রতিলিপি রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের পাশাপাশি বণিক সংগঠনের কাছেও পাঠিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে শহর জুড়ে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Raiganj)

    রায়গঞ্জের (Raiganj) ওই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জয়প্রকাশ আগরওয়াল পুলিশের কাছে করা অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন কয়েকদিন আগে রায়গঞ্জ শহরের মিলনপাড়ায় অবস্থিত ‘বয়েজ সুকান্ত’ ক্লাবের সভাপতি সহ কয়েকজন সদস্য তাঁর অফিসে এসে আন্তরিকতার সঙ্গে আমন্ত্রণপত্র দিয়ে চাঁদা দেওয়ার অনুরোধ করেন। সেই প্রস্তাবে রাজিও হন এই ব্যবসায়ী। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুরে ক্লাবের কয়েকজন যুবক তাঁর নির্মীয়মান বহুতলে আসেন। সংস্থার ম্যানেজারের কাছে পুজোর চাঁদার বিষয়ে জানতে চান। ম্যানেজারের ফোন থেকে ক্লাবের এক সদস্য জয়প্রকাশবাবুকে ফোনে জানান, পুজোর চাঁদা ক্লাবে গিয়ে দিয়ে আসতে হবে। সেই প্রস্তাব প্রত্যাখান করেন জয়প্রকাশবাবু। চাঁদার জন্য নিজের অফিসে ক্লাব সদস্যদের আসতে বলেন তিনি। এরপরেই ক্ষুব্ধ ক্লাব সদস্যরা কর্মরত শ্রমিকদের জোর করে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ। বন্ধ হয়ে যায় বহুতল নির্মাণের কাজ। জয়প্রকাশ বাবুকে বলা হয় পুনরায় কাজ শুরু করতে হলে ক্লাবের মূল কর্মকর্তা রন্তু দাসের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ততক্ষন বন্ধ থাকবে বহুতল নির্মাণের কাজ। উল্লেখ্য, রন্তুবাবু জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সভাপতির পাশাপাশি পুজো কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা ও বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর অতি ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।

    কী বললেন ব্যবসায়ী?

    এদিন জয়প্রকাশবাবু বলেন, হুমকির মুখে স্থানীয় শ্রমিকেরা ভয় পেয়ে পালিয়ে গিয়েছে। এতো বড় প্রজেক্ট। নিয়ম মেনে রেজিষ্ট্রেশন, প্ল্যান পাস, জি এস টি সহ সমস্ত টাকা সরকারকে দিয়েছি। তারপরেও এধরণের ঘটনা ঘটলে কী ভাবে কাজ করবো? কাজ যাতে পুনরায় শুরু করতে পারি সেজন্য প্রশাসনিক সহযোগিতা চাইছি।

    তৃণমূল পরিচালিত ক্লাব কমিটির কর্মকর্তার কী বক্তব্য?

    যদিও গোটা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ক্লাবের সভাপতি নব্যেন্দু ঘোষ। তিনি বলেন,আমাদের ক্লাব কখনও চাঁদা নিয়ে জুলুমবাজি করে না। স্বেচ্ছায়,ভালোবেসে যে যা চাঁদা দেয় সেটাই নেওয়া হয়। জয়প্রকাশবাবু যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Madan Mitra: ‘লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে যাচ্ছেন সৌগত’, কেন বললেন মদন?

    Madan Mitra: ‘লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে যাচ্ছেন সৌগত’, কেন বললেন মদন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে নাজেহাল অবস্থা তৃণমূল পরিচালিত কামারহাটি পুরসভার। ইডি-র ডাকে বার বার সিজিওতে ছুটতে হচ্ছে পুর চেয়ারম্যান গোপাল সাহাকে। এরই মধ্যে বিজয়া সম্মেলনীতে প্রকাশ্যে গোপালকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। গোপালের পাশে দাঁড়িয়ে কার্যত বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের মতো দলের বিধায়ক তথা ‘কালারফুল বয়’ মদন মিত্র (Madan Mitra) বেলাগাম আক্রমণ করেছেন। সৌগতবাবুর মতো বর্ষীয়ান নেতাকে যে ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে. বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারাও সেই ঢঙে কথা বলেন না। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই কি কামারহাটি কাণ্ড নিয়ে দমদম লোকসভায় তৃণমূলের চেহারা বেআব্রু হয়ে গেল। সাংসদের নাম করে বিধায়ক মদনের কড়া সমালোচনার ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এল।

    কামারহাটি নিয়ে সৌগত রায় ঠিক কী বলেছেন?

    কামারহাটিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মেলনীর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে হাজির ছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। মঞ্চে উপস্থিত গোপাল সাহার পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, কামারহাটি পুরসভায় ঠিকমতো কাজ হচ্ছে না। কোন অর্ডার পাস হচ্ছে না। মানুষ কোনও পরিষেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ জানাচ্ছেন। পরিষেবা দেওয়াটা সবার আগে দরকার। এই পুরসভায় এত কাউন্সিলার আছে, নিজেদের মধ্যে অন্য গল্প না করে নাগরিক পরিষেবা যাতে আরও উন্নত করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা করা উচিত। এমনকী পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহাকে নাগরিক পরিষেবা উন্নত করার জন্য ধমক দেন তিনি।

    সৌগত রায়কে নিয়ে ঠিক কী বলেছেন মদন? (Madan Mitra)

    সৌগত রায়ের বক্তব্য সামনেই আসতেই মুখ খুলেছেন তৃণমূলের ‘কালারফুল বয়’ (Madan Mitra)। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, ওনার (সৌগত রায়) একটাই উদ্দেশ্য, যেই গোপালকে ইডি ডাকল, তখন উনি বলতে শুরু করলেন, ঠাকুর ঘরে কে? আমি তো কলা খাইনি’। ‘কী বোঝাতে চাইছেন? পুর দুর্নীতিতে আমি নেই! গোপালরা দুর্নীতি করেছে? যা বলার স্পষ্ট বলুন’। ‘আর ৯ বছরে এসব চোখে পড়ল না, এসব ভোটের আগে ঠিক মনে হল আপনার, কোথায় একটা গন্ধ আছে মনে হচ্ছে’। ‘দলের খাবেন আর সুযোগ পেলেই দলের পিছনে পিন বাজি? অথচ, আপনার বাংলোটা শ্রেষ্ঠ বাংলো, আপনি মন্ত্রী থাকাকালীন ম্যানেজ করে নিয়েছেন, আর এখন গোপাল ভূত, আর আপনি রাজা হয়ে গেলেন’। ‘কিছু বলার থাকলে পার্টির মধ্যে বলুন, তবে আপনার গুণ আছে, পিসি সরকারের ম্যাজিকের মত পাল্টি খাওয়া’।

    লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে যাচ্ছেন সৌগত, দাবি মদনের

    তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেন, ‘সৌগত রায় ১৫ বছরে ১০টা ছেলে দেখান, যারা আপনার কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছে’। ‘বেশি কিছু বলবেন না, দিনকাল ভালো নয় তো’। ‘হঠাৎ আপনি মেরুকরণ করে গিরগিটির মতো পাল্টাচ্ছেন কেন? জেনে রেখে দেবেন, মদন মিত্র আছে’। ‘আপনার ডানদিকে বাঁদিকে যাঁরা ঘোরেন, ওরা তো সব চোর’ । কংগ্রেস আমলে পুরানো ইতিহাস মনে করিয়ে দিয়ে মদন বলেন,  ‘লোকে জানে আপনি শিক্ষিত, কিন্তু ৭৭ সালে এমন রিগিং করেছিলেন, যে এসডিপিওকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তারপর থেকে বারাকপুর হাতছাড়া হয়ে গেল’। এরপর এসব বলার জন্য দল ব্যবস্থা নেবে ধরে নিয়ে মদন মিত্র বলেন. ‘পার্টির কাছে ক্ষমা চাইছি, এইসব কথা বলার জন্য আমার শাস্তি হতে পারে, উত্তর চাইতে পারে, কিন্তু উত্তর আমি দেব’। ‘তবে এটাও বলে রাখি, স্পেসিফিক কিছু না পেলে মদন মিত্ৰ বলে না’। ‘ওনার (সৌগত রায়) বলার স্টাইলটা যেন মনে হচ্ছে, লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে এগোচ্ছে। তবে, কিছু যায় আসে না, তুড়ি মারব, উড়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share