Tag: Tripura

Tripura

  • Dengue Update: গত বছরের তুলনায় দেড়গুণ বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা! রাজ্যে ডেঙ্গির কবলে ৪,৪০১ জন

    Dengue Update: গত বছরের তুলনায় দেড়গুণ বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা! রাজ্যে ডেঙ্গির কবলে ৪,৪০১ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহর থেকে জেলা ভয়াবহ ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতি। স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) রিপোর্ট অনুযায়ী, গতবছরের থেকে প্রায় দেড় গুণ বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৪০১। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে উল্লেখ, গতবছর এই সময় রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৫০। 

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধুমাত্র গত সপ্তাহেই রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue Update) আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন। গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ৭২ শতাংশ, শহর এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ২৮ শতাংশ। নদিয়ার ডেঙ্গি আক্রান্তদের সংখ্যা সবথেকে বেশি। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টই বলছে, চলতি বছরে শুধু জুলাই মাসেই রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর মৃতের সংখ্যা ৮ বলে দাবি করেছেন। এমনকি বিধাননগরের মতো ঝকঝকে শহুরে এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। হাতে হাতে প্ল্যাকার্ড, নিজেদের মশারিতে ঢেকে, প্রতীকী মশা নিয়ে রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতির জন্য বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি বিধায়করা।

    বিরোধী দলনেতার দাবি 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভয়াবহ ডেঙ্গি (Dengue Update)  পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই তথ্য। কতজনের টেস্ট করিয়েছেন? কতজন পজিটিভ, মুখ্যমন্ত্রী এখন সাহায্য চাইছেন, কী সাহায্য করব? হসপিটাল ভরে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী গোলগোল কথা বলার জন্য এসেছেন রাজনীতি করতে। আমরা তথ্য চাইব না? জানতে চাই কতজন হাসপাতালে? কতজন মারা গেছে? যেমন মুখ্যমন্ত্রী তেমন মেয়র। ১০ লক্ষ আক্রান্ত।’

    আরও পড়ুন: ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে! ডেঙ্গি রুখতে ফিভার ক্লিনিক কি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে?

    ত্রিপুরায় ডেঙ্গি রোধে আগাম সতকর্কতা

    গত কয়েকদিন ধরেই ডেঙ্গির (Dengue Update) প্রকোপ দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তে ত্রিপুরার সিপাইজলার সোনামুড়া একাকায়। বাংলাদেশের ভয়াবহ আকার ধারণ করছে ডেঙ্গি। এই সময়েই ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দেওয়ার পরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ত্রিপুরার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সিপাইজলার ধনপুর এলাকাতেই গত দুদিনে অন্তত ৭৫জন ডেঙ্গি আক্রান্ত ধরা পড়েছে। সেখানের জেলাশাসক বিশাল কুমার জানান, তারপরেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে ওই এলাকায়। সীমান্তের ওই এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দেওয়া পরেই, বাংলাদেশী নাগরিকদের রক্ত পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sourav Ganguly: বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছেন সৌরভ! কী বললেন মহারাজ?

    Sourav Ganguly: বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছেন সৌরভ! কী বললেন মহারাজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার পর্যটন দফতরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সূত্রের খবর, দিন কয়েক আগেই এই প্রস্তাব মহারাজের কাছে আসে। মঙ্গলবার আলোচনার পর রাজি হয়েছেন মহারাজ। কাজ শুরু হবে জুন মাস থেকেই। এদিন ত্রিপুরার পর্যটনকে বাড়ানোর লক্ষ্যে রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী, সুশান্ত চৌধুরীর সঙ্গে দেখাও করেন সৌরভ। কথা হয়েছে মানিক সাহার সঙ্গেও। এবিষয়ে মহারাজ জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রস্তাবেই তিনি রাজি হয়েছেন। পর্যটন দফতরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবেই কাজ করবেন।

    মঙ্গলবারই কলকাতায় পা রাখেন ত্রিপুরার পর্যটন মন্ত্রী

    প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে (Sourav Ganguly) পর্যটন ক্ষেত্রের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করতে মঙ্গলবার কলকাতায় আসেন ত্রিপুরার পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। বেহালার বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনাও সারেন পর্যটনমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে সুশান্তবাবুর পাশাপাশি হাজির ছিলেন ত্রিপুরা পর্যটন দফতরের সচিব উত্তমকুমার চাকমা এবং ওই দফতরের শীর্ষ আধিকারিক তপনকুমার দাস। মহারাজের বাড়িতে ত্রিপুরার মন্ত্রী এবং আমলারা তাঁর হাতে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের একটি ছোট্ট মডেল তুলে দেন।

    কথা মানিক সাহার সঙ্গেও…

    মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা পরে ফোনে কথা বলেন মহারাজের (Sourav Ganguly) সঙ্গে। পরে ট্যুইট করে বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘‘খুব গর্বের সঙ্গে জানাতে চাই যে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ত্রিপুরা পর্যটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। আজকে তাঁর সঙ্গে ফোনে আমার কথা হয়েছে। আমি নিশ্চিত যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় রাজ্যের পর্যটন ক্ষেত্রে উন্নতি হবে।’’

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manik Saha: কলকাতায় আসছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী, সংবর্ধনা দেবে বঙ্গ বিজেপি

    Manik Saha: কলকাতায় আসছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী, সংবর্ধনা দেবে বঙ্গ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় আসছেন ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির (BJP) মানিক সাহা (Manik Saha)। চলতি মাসের ৮ তারিখে আসবেন তিনি। সেদিনই রাজ্য বিজেপির তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হবে তাঁকে। ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় অবসান ঘটে বাম জমানার। ক্ষমতায় আসে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন বিপ্লব দেব। পরে বিপ্লবকে দলের কাজে লাগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় মানিক সাহাকে। মানিকের নেতৃত্বেই বাম নেতা মানিক সরকার ও তিপ্রা মোথার প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মার চ্যালেঞ্জ সামলে জয় পায় বিজেপি। ফের সরকার গড়ে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন মানিক। তবে দ্বিতীয়বার বিজেপি জয় পাওয়ার পর জল্পনা ছড়ায় মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হবে প্রতিমা ভৌমিককে।

    মানিক সাহা (Manik Saha)…

    বর্তমানে প্রতিমা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিপিএমের মানিক সরকারের আগের কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। ১৯৯১ সাল থেকে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রতিমা। তবে শেষমেশ মানিককেই বসানো হয় মুখ্যমন্ত্রী পদে। মানিক (Manik Saha) পেশায় দাঁতের ডাক্তার। পাটনার সরকারি ডেন্টাল কলেজ ও লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডেন্টাল সার্জারিতে মাস্টার ডিগ্রি পেয়েছিলেন তিনি। ত্রিপুরা মেডিক্যাল কলেজে ডেন্টাল সার্জারির প্রফেসর হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। আগরতলায় ডাঃ বিআরএএম টিচিং হাসপাতালেও শিক্ষকতা করতেন তিনি। ২০১৬ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। দলের রাজ্য সভাপতি পদেও ছিলেন বেশ কয়েকদিন। ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিও ছিলেন মানিক। এহেন মানিককে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসায় বিজেপি।

    ১৬ ফেব্রুয়ারি হয় ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন। ভোট পড়ে ৮৭.৬ শতাংশ। ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের ত্রিপুরার রাশ হাতে নেয় বিজেপি। ৩২টি আসনে জয় পায় পদ্ম শিবির। যদিও ৬০ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভায় ম্যাজিক সংখ্যা ৩১। বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে এ রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তৃণমূল সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উঠছে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ। প্রত্যাশিতভাবেই জনসমর্থন সরতে শুরু করেছে তৃণমূলের পাশ থেকে। ক্রমেই পায়ের নিচে মাটি খুঁজে পাচ্ছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এমতাবস্থায় মানিককে (Manik Saha) সংবর্ধনা দিয়ে এ রাজ্যেও তৃণমূল জমানার অবসানের শঙ্খনাদ বাজিয়ে দিতে চাইছে পদ্ম শিবির।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tripura: ত্রিপুরার রায়— কীভাবে জনজাতি মানুষের মন জয় করেছে বিজেপি

    Tripura: ত্রিপুরার রায়— কীভাবে জনজাতি মানুষের মন জয় করেছে বিজেপি

    সোমেশ্বর

    ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচন ও ভোট গণনার আগে বেশ কিছু ভিডিও ক্লিপ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ঘুরতে দেখা যাচ্ছিল। দেখা যাচ্ছিল ত্রিপুরা সিপিএমের সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী এখানে-ওখানে ঘুরছেন, সঙ্গে দলীয় সদস্য-সমর্থক, কোথাও বা কংগ্রেস নেতা–কর্মীরা। পুলিশ বা সরকারী কর্মীদের বিভিন্ন সময়ে ধমকাচ্ছেন, কখনও বাংলায়, বেশি রেগে ইংরাজিতে বলছেন, ‘‘জানেন আমি কে?’’ এও দেখা যাচ্ছিল সেইসব পুলিশ বা সরকারী কর্মীরা তাঁর সামনে জড়সড় হয়ে কিছু বলার চেষ্টা করছেন এবং ধমক খেয়ে চুপ করে যাচ্ছেন। এসব দেখে অনেকেই ভাবতে শুরু করেছিলেন যে, বিজেপি এবার ত্রিপুরা থেকে যাচ্ছেই আর বাম-কংগ্রেস সরকারের মুখ্যমন্ত্রী তথা দশরথ দেবের পর ত্রিপুরার দ্বিতীয় জনজাতি মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন জিতেন্দ্র চৌধুরী। 

    ত্রিপুরার রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে বাম-কংগ্রেস জোটের প্রবক্তা ছিলেন জিতেন্দ্রবাবু এবং চার বারের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এই জোটের বিরুদ্ধে থাকা সত্ত্বেও দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জিতেন্দ্রবাবুর ওপর ভরসা করেছিলেন। ফল প্রকাশের পর দেখা গেল দলের হাল যা হবার হয়েছে। তিনি নিজেই সাব্রুমের মতো একটি জনজাতি অধ্যুষিত কেন্দ্র থেকে দ্বিমুখী লড়াইয়ে মাত্র ৩৯৬ ভোটে জিতেছেন যেখানে তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন একজন অ-জনজাতীয়— শঙ্কর রায়। এখানে তিপ্রামোথা কোনও  প্রার্থী দেয়নি। নোটায় ভোট পড়েছে ১২৪৮টি। 

    ঠিক যে কারণে মহম্মদ সেলিমকে পশ্চিমবঙ্গে সামনে আনা হয়েছে সম্ভবত সেই কারণেই জিতেন্দ্র চৌধুরীকে তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের ফলে দেখা গেল— বাম নয়, বিজেপি এবং তিপ্রামোথা-ই জনজাতিদের আস্থা অর্জনে বেশি সফল হয়েছে। বিজেপি জোটে ৭ জন জনজাতীয় বিধায়ক, বাম–কংগ্রেস জোটে মাত্র একজন— জিতেন্দ্রবাবু নিজে। তিপ্রামোথার তেরো জনই জনজাতীয় সমাজের। এর মধ্যে চরিলাম কেন্দ্রে জিষ্ণু দেববর্মা তিপ্রামোথার প্রার্থীর থেকে মাত্র ৮৫৮ ভোট কম পেয়েছেন আর আম্বাসা কেন্দ্রে বিজেপি তিপ্রামোথার কাছে ৪৯৩ ভোটে হেরেছে।

    উত্তরপূর্ব ভারতের আর ছটা রাজ্যের থেকে ত্রিপুরা খানিকটা ভিন্ন। অন্যত্র সেখানকার জনজাতিরা সংখ্যায় অধিক কিন্তু ত্রিপুরায় দেশভাগের পর বন্যার মতো আসা বাঙালি উদ্বাস্তুদের আগমনে সেখানকার জনজাতিরা ক্রমশ সংখ্যালঘু হয়ে পড়েন। যদিও ত্রিপুরার রাজ পরিবার একটি হিন্দু রাজপরিবার ছিল এবং সেখানকার পাহাড়বাসী, বনবাসী প্রজারাও সনাতন সংস্কৃতির অনুসারী ছিলেন কিন্তু হঠাৎ আসা বাঙালি হিন্দুদের আধিপত্য তাঁদের মধ্যে খানিকটা হলেও ক্ষোভের সঞ্চার করেছিল। এই ক্ষোভকে কাজে লাগিয়েই শুরু হয় একদিকে জনজাতি রাজনীতি অন্য দিকে মিশনারীদের মদতে উগ্রপন্থা। 

    ত্রিপুরার বামপন্থী মুখ্যমন্ত্রী বিবিসি-র প্রতিনিধি সুবীর ভৌমিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, ব্যাপটিস্ট  মিশনারীরা ওই রাজ্যে উগ্রপন্থী সংগঠন এনএলএফটিকে-কে মদত দিচ্ছে। ত্রিপুরার রাজ পরিবার স্বাধীন রাজ্য হিসাবে কিম্বা ভারতভুক্তির পর কখনও জনজাতি রাজনীতি করেনি। বর্তমান ‘রাজা’ প্রদ্যোৎ কিশোর দেব— ‘বুবাগ্রা’র ঠাকুরদা, বাবা এবং মা সবাই সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থেকে সংসদীয় রাজনীতি করেছেন। ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজপরিবারের সঙ্গে এমনকি গোয়ালিয়রের সিন্ধিয়া পরিবারের সঙ্গেও ত্রিপুরা রাজপরিবারের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এমন একটা পরিবারের সদস্য হিসাবে ‘বুবাগ্রা’ নিজেকে আঞ্চলিক রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়েছেন। বলাই বাহুল্য মোথার আগামীদিনের রাজনীতি যত বেশি জনজাতিকেন্দ্রিক হবে ত্রিপুরায় জনজাতি ও বাঙালিদের মধ্যে সৌহার্দ্য ততটাই বিঘ্নিত হবে এবং ত্রিপুরার উন্নয়ন ব্যহত হবে।

    তিপ্রা মোথার নেতাদের যদি শুভবুদ্ধির উদয় হয় এবং তাঁরা যদি কোনও সর্বভারতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জনজাতি স্বার্থের দিকে নজর রাখে তবে সবদিক দিয়েই ভাল হয়। সুখের কথা তিপ্রা মোথা শুরু থেকেই সংসদীয় রাজনীতির পথে আছে। আজকে মোথার যিনি সভাপতি সেই বিজয় রাঙ্খল তাঁর মধ্য চল্লিশে উগ্রপন্থী সংগঠন টিএনভি গড়েছিলেন। জনজাতিদের একটা বড় অংশ যাঁরা শিক্ষিত, সচেতন এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েছেন তাঁরা বুঝেছেন পৃথক তিপ্রাল্যান্ডের দাবি নিয়ে কিছু লোক নেতা হয়ে গিয়েছে মাত্র কিন্তু বাস্তবে এটা হওয়ার নয়। একারণেই জনজাতি এলাকাতেও বিজেপি একাধিক আসনে জিতেছে।

    উত্তরপূর্ব ভারতের বিভিন্ন অংশের মানুষের মধ্যে ভারত বিরোধিতা নিরসন করতে নিঃশব্দে তিনটি সংগঠন কাজ করে গেছে। এগুলি হল— রামকৃষ্ণ মিশন, কন্যাকুমারী ভিত্তিক বিবেকানন্দ কেন্দ্র এবং আরএসএস প্রভাবিত বনবাসী কল্যাণ আশ্রম। এক সময় এইসব রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে সেবার আড়ালে ধর্মান্তরণ করে জনজাতিদের মধ্যে ভারত বিরোধিতার বীজ বপন করত বিভিন্ন মিশনারী সংস্থা। কিন্তু যখন থেকে উক্ত তিনটি সংগঠন কাজে নামে তখন থেকেই ধীরে ধীরে এইসব রাজ্যের জনজাতি এলাকার মানুষের মধ্যে চেতনা ফিরে আসতে থাকে। ত্রিপুরার প্রত্যন্ত গ্রামে বনবাসী কল্যাণ আশ্রম বেশ কয়েক দশক ধরে কাজ করে চলেছে। 

    ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের উগ্রপন্থী সংগঠন ‘টিএনভি’-র সঙ্গে হওয়া চুক্তির সুফল হিসাবে আগরতলার কাছে বিবেক নগরে প্রায় পনেরো একর জায়গার ওপর একটি বহুমুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে, ওই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে জনজাতি ছেলেরা সেখানে ভর্তি হয়, হোস্টেলে থাকতে শুরু করে। এমনকি ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান জনজাতির মানুষের বহু ছেলে এখানে ভর্তি হয়। তিরিশ বছরের বেশি সময় ধরে এখান থেকে পাশ করে যারা জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তারা ভারত বিরোধিতার আগে বা বিছিন্নতাবাদী আন্দোলনের আগে দুবার ভাববে। আর শিলংয়ের বিদেশি মিশনারীদের স্কুলে যারা পড়ে আসবে তাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় সনাতন সংস্কৃতির প্রতি সেই টান থাকবে না। আশা করা যায় পরপর দুবার ক্ষমতাসীন ত্রিপুরার বিজেপি সরকার জাতীয়তাবাদী এইসব সংগঠনগুলোকে সমর্থন দেবে। নির্বাচনের ফল অন্যরকম হলে আবার ভারত-বিরোধী শক্তি ওই রাজ্যে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করত।

    ত্রিপুরা নির্বাচনের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য বিষয় সেই বাংলাভাষীরা যারা দীর্ঘদিন ধরে ওই রাজ্যে বামেদের টিকিয়ে রেখেছিল তারা একবার নয় দ্বিতীয়বার বিজেপিকে ভোট দিতে দ্বিধা করেনি। ত্রিপুরার শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের ছেলেমেয়েদের একটা বড় অংশ এখন পড়াশোনা, জীবন জীবিকার জন্য রাজ্যের বাইরে থাকে। তাদের মাধ্যমে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ার সেখানকার বাঙালিরা বুঝতে পারছে কীভাবে একটা রাজ্যকে দীর্ঘসময় অনুন্নত করে রাখা হয়েছিল। একসময় যারা অত্যাচারিত হয়ে পূর্ববঙ্গ ছেড়ে এই রাজ্যে বসত করেছিল তাদের আজকের প্রজন্ম বুঝতে পারছে সীমান্তবর্তী এই রাজ্যকে নিরাপদে রাখতে হলে কেমন সরকার প্রয়োজন। 

    ‘বুবাগ্রা’ যত যাই করুন তাঁর ‘রাজনৈতিক দর্শন’ বিধানসভার কুড়িটা আসনের বাইরে তাকে খুব একটা কিছু দেবে না। দ্বিতীয় বিজেপি সরকারের এমন কিছু করা উচিত যাতে তিরিশ শতাংশ জনজাতির সঙ্গে সত্তর শতাংশ বাঙালিও সমানভাবে সরকারি সুযোগ–সুবিধা পেতে পারে। সেই সঙ্গে সেখানকার জনজাতিদের এটা বোঝাতে হবে তথাকথিত জনজাতি সংগঠনগুলো এক আধজন– বিজয় রাঙ্খল, শ্যামাচরণ ত্রিপুরা বা প্রদ্যোৎ কিশোরদের উচ্চাসনে পৌঁছে দেবে কিন্তু সামগ্রিকভাবে জনজাতি সমাজের কোনও বিকাশ হবে না।

  • Pratima Bhoumik: প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পাবে ত্রিপুরা?

    Pratima Bhoumik: প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পাবে ত্রিপুরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বারের জন্য ত্রিপুরার (Tripura) কুর্সিতে ফিরেছে বিজেপি (BJP)। তবে কে বসবেন মুখ্যমন্ত্রীর তখতে, তা ঠিক করতে রবিবার বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তবে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার পাশাপাশি আরও একটি নাম ভেসে আসছে মুখ্যমন্ত্রী পদে। তিনি প্রতিমা ভৌমিক (Pratima Bhoumik), কেন্দ্রীয় সোশ্যাল জাস্টিস অ্যান্ড এমপাওয়ামেন্ট দফতরের প্রতিমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম নির্বাচিত হলে, তিনিই হবেন ত্রিপুরার প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রতিমাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর লক্ষ্যে ধনপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়।

    প্রতিমা ভৌমিক (Pratima Bhoumik)…

    মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সিপিএমের মানিক সরকার দীর্ঘদিন এই ধনপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন। ১৯৯৮ থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত তিনি ছিলেন ওই কেন্দ্রের বিধায়ক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ওই কেন্দ্রে এবার জয়ী হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থী প্রতিমা (Pratima Bhoumik)। শনিবার মোদি-স্তুতি শোনা গিয়েছে প্রতিমার গলায়। তিনি বলেন, এক সময় উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি আইডেনটিটি ক্রাইসিসে ভুগছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই রাজ্যগুলিকে আইডেনটিটি দিয়েছেন।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ৬০ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে ৩২টিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ভোট প্রাপ্তির হার প্রায় ৩৯ শতাংশ। ১৩টি আসনে জয়ী হয়ে এ রাজ্যে দ্বিতীয় হয়েছে তিপ্রা মথা পার্টি। ১১টি আসন পেয়েছে সিপিএম। মাত্র ৩টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। একটি আসনে জয়ী হয়ে রাজ্যে খাতা খুলেছে আইপিএফটি।

    আরও পড়ুুন: মাত্র ৫ আসনে জয়, নাগাল্যান্ডে টাকা উড়িয়ে জয়োৎসব এনপিপি-র

    ধনপুর কেন্দ্রে জয়ী বিজেপি প্রার্থী প্রতিমা ভৌমিক (Pratima Bhoumik) ত্রিপুরার দিদি নামে পরিচিত। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের হার ৪২.২৫ শতাংশ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের কৌশিক চন্দকে ৩ হাজার ৫০০ ভোটে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন প্রতিমা। ধনপুর কেন্দ্রে আগেও লড়েছেন প্রতিমা। একবার ১৯৯৮ ও পরেরবার ২০১৮ সালে। দু বারই সিপিএমের মানিক সরকারের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। এবার জয়ী হয়েছেন সিপিএম প্রার্থীকেই হারিয়ে। প্রসঙ্গত, এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি মানিক সরকার।

    বিজ্ঞানে স্নাতক প্রতিমা বিজেপি করছেন ১৯৯১ সাল থেকে। ব্লক, জেলা ও রাজ্যস্তরে খো খো-ও খেলেছেন এক সময়। তিনি বলেন, আমি দলের একজন অনুগত সৈনিক। দলের নির্দেশে আমি বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছি। দল আমার কাছে মায়ের মতো। দল যা বলবে, তাই করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Amit Malviya: ‘উত্তর-পূর্ব মমতাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, এবার পশ্চিমবঙ্গের পালা’, কটাক্ষ অমিত মালব্যর

    Amit Malviya: ‘উত্তর-পূর্ব মমতাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, এবার পশ্চিমবঙ্গের পালা’, কটাক্ষ অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার বাইরে এবারও শাখা বিস্তারে ব্যর্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে কার্যতই মুখ থুবড়ে পড়ল তৃণমূল। প্রায় একবছর ধরে সেখানে পড়ে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, নির্বাচনের আগে সভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও (Mamata banerjee)। তার পরও সেখানে খাতা খুলতে পারল না তৃণমূল। এমনকী নোটার চেয়েও কম ভোট পেল তারা। ফলে উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল আসতেই এবারে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য।

    গেরুয়া শিবিরের জয়

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ত্রিপুরায় সরকারে ফিরছে বিজেপি। জোটসঙ্গী এনডিপিপি-কে নিয়ে তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে নাগাল্যান্ডেও। ফলাফল ঘোষণার পরে বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেরই জনতা এবং বিজেপির নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটে ত্রিপুরার জন্য তাঁর বার্তা, “শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে এই ভোট। রাজ্যকে বৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে বিজেপি কাজ করে যাবে।” অন্যদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য জয়ের পর ট্যুইটে উত্তর-পূর্ব রাজ্যের বিজেপি কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন:উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেই সরকারে পদ্ম! মেঘালয়ে এনপিপি-কে সমর্থন বিজেপির

    উল্লেখ্য, ত্রিপুরায় খাতা খুলতে ব্যর্থ হলেও মেঘালয়ে পাঁচটি আসন জিতে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “ছ’মাস আগে আমরা সেখানে শুরু করেছিলাম, ১৫% ভোট পেয়েছি। জাতীয় দলের তকমা পেতে সাহায্য করবে। প্রধান বিরোধী হিসাবে কাজ করব।”

    তৃণমূল সুপ্রিমোকে কটাক্ষ মালব্যর

    অন্যদিকে ত্রিপুরার ফলপ্রকাশের পর বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে তৃণমূলের অবস্থান দেখে মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখান করেছে। এবারে পশ্চিমবঙ্গের পালা। তিনি ট্যুইট করেও তৃণমূল কংগ্রেসের পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেছেন, “বাম কংগ্রেস জোট এবং টিএমসি থাকা সত্ত্বেও বিজেপিকে ত্রিপুরা ধরে রেখেছে। টিএমসি নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়েছে। টিএমসি মেঘালয়ে ১২ জন বিধায়ককে নিয়েছিল। কিন্তু সংখ্যাটা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৫-এ। উত্তর-পূর্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। এরপর হবে পশ্চিমবঙ্গে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • PM Modi: ‘‘ওরা বলছে মর যা মোদি, দেশ বলছে মৎ যা মোদি’’, একথা কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: ‘‘ওরা বলছে মর যা মোদি, দেশ বলছে মৎ যা মোদি’’, একথা কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্বের লোকেরা বুঝতে পেরেছেন যে তাঁদের উপেক্ষা করা হয় না। বিজেপি শাসনে তাঁদের সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। আমি খুশি যে আমরা তাঁদের হৃদয়ে জায়গা পেয়েছি। ত্রিপুরা (Tripura), নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে বিজেপির (BJP) জয়ের পর একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উত্তর পূর্বের তিন রাজ্যজয়ের পর যে বিজেপির আত্মবিশ্বাস একলপ্তে অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে, এদিন তা প্রকাশ পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কথায়ও। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু কট্টর লোক বলছেন, মর যা মোদি (মরে যা মোদি)। আর দেশ বলছে, মৎ যা মোদি (চলে যাস না মোদি)।

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন…

    বৃহস্পতিবার ৩৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ড ধরে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এমন একটা সময়ে কিছু লোক মোদির কবর খোঁড়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু যেখানেই সুযোগ রয়েছে, সেখানেই পদ্মফুল ফুটেই চলেছে। মোদি বলেন, উত্তর পূর্ব ভারত দিল্লির থেকে দূরে নেই। হৃদয়েরও দূরে নেই। ভোটে জেতার থেকেও হৃদয় জিতেছি, এটা বড় পাওয়া। তিনি বলেন, এটা বিজেপি কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। আজকের রায় ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভরসা জুগিয়েছে।

    পদ্ম শিবিরের এহেন সাফল্যের নেপথ্যে কী রয়েছে, এদিন তাও স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, শিবের যেমন ত্রিনয়ন রয়েছে, তেমনি আমাদের কাছে রয়েছে ত্রিবেণী, তিন শক্তি। প্রথম শক্তি হল, বিজেপি সরকারের কাজ, দ্বিতীয় শক্তি হল বিজেপি সরকারের কর্মসংস্কৃতি এবং তৃতীয় শক্তি হল বিজেপি কর্মীদের সেবাদান। তিনি বলেন, তাঁদের সেবা, শ্রম, সমর্পণ অতুলনীয়। এই তিন শক্তি মিলেই বিজেপি এগিয়ে চলেছে। এদিন কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার কোনও কাজ করেনি। গরিবদের কথা ভাবেনি। শুধু ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করেছে। যার জন্য দেশ ভুগেছে। ছোট রাজ্যকে ঘৃণার চোখে দেখার কারণেই কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব ভেঙে খান খান, অতঃ কিম? ভাবছে তৃণমূল

    বাম-কংগ্রেসের জোটকেও এদিন কটাক্ষ করেছেন তিনি। বলেন, কিছু দল পর্দার পিছনে জোট করছে। সেটা জনতা দেখছে। তিনি বলেন, এক রাজ্যে কুস্তি, অন্য রাজ্যে দোস্তি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, সংখ্যালঘুদের কয়েক বছর ধরে বিজেপি সম্পর্কে ভয় দেখানো হচ্ছিল। কিন্তু নাগরিকরা আসল ঘটনা ধরে ফেলেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও তিন রাজ্যে বিজেপির জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এই দিনটিকে তিনি ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন। বাংলায় তাঁর ট্যুইট, উন্নয়নমুখী রাজনীতির পক্ষে ভোট দিয়েছেন সকলে। এই জয় উন্নয়নের জয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Meghalaya Assembly Polls: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেই সরকারে পদ্ম! মেঘালয়ে এনপিপি-কে সমর্থন বিজেপির

    Meghalaya Assembly Polls: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেই সরকারে পদ্ম! মেঘালয়ে এনপিপি-কে সমর্থন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেই সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি-আইপিএফটি জোট। রাজ্যের ৬০টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৩২ টি আসনে জিতেছে বিজেপি। ওই রাজ্যে ম্যাজিক ফিগার হল ৩১। নাগাল্যান্ডেও সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সংখ্যা ৩১। ইতিমধ্যেই বিজেপি-এনডিপিপি (BJP NDPP) জোট ৩৫টি আসন জিতে গিয়েছে এবং আরও ২টি আসনে এগিয়ে আছে এনডিপিপি। কাজেই নাগাল্যান্ডে (Nagaland) বিজেপির জোট সরকার গঠন নিশ্চিত। মেঘালয়ে (Meghalaya Assembly Polls) আসন সংখ্যা কম হলেও এনপিপি-র সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়তে চলেছে গেরুয়া শিবির (BJP’s 3/3)।

    মেঘালয়েও বিজেপির জোট

    মেঘালয়ে (Meghalaya Assembly Polls) বিজেপির ফল খুব একটা ভাল হয়নি। তারপরও মেঘালয়ের জনগনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অমিত শাহ। ট্যুইট করে তিনি বলেছেন, ‘বিজেপিকে সমর্থন ও আশীর্বাদের জন্য মেঘালয়ের জনগণকে ধন্যবাদ। মেঘালয়ে বিজেপির পদচিহ্ন প্রসারিত করার জন্য রাজ্যের বিজেপি কর্মীরা যে কঠোর পরিশ্রম করেছেন, তার জন্য আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনে জনগণের সেবা এবং তাদের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরিতে বিজেপি (BJP’s 3/3) কোনও প্রচেষ্টা ছাড়বে না।’ নাগাল্যান্ডের ফলাফলের প্রসঙ্গে ট্যুইট বার্তায় অমিত শাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএকে পুনরায় ক্ষমতায় নির্বাচিত করে শান্তি ও অগ্রগতির পথ বেছে নেওয়ার জন্য আমি নাগাল্যান্ডের জনগণকে আমার হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রী নিফিউ রিও-র যুগলবন্দি রাজ্যে শান্তি ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে এবং জনগণের সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে।’

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট করে বলেন, ‘মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে (Meghalaya Assembly Polls) যারা বিজেপিকে সমর্থন করেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমরা মেঘালয়ের উন্নয়নের গতিপথ বাড়ানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাব এবং রাজ্যের জনগণের ক্ষমতায়নের দিকে মনোনিবেশ করব। আমি আমাদের দলের কর্মীদেরও কৃতজ্ঞতা জানাই।’ মেঘালয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে কনরাড সাংমার এনপিপি পেয়েছে ২৬টি আসন। মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বলেন, ‘আমাদের ভোট দেওয়ার জন্য রাজ্যের জনগণকে ধন্যবাদ আমরা জানাতে চাই। আমাদের কাছে এখনও কয়েকটি আসন সংখ্যা কম আছে, তাই আমরা চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছি।’

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরায় জয়ী বিজেপি, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়ে মুখ পোড়াল তৃণমূল

    বিজেপি ইতিমধ্যেই তাদের দুই বিধায়কের সমর্থন পত্র কনরাড সাংমাকে পাঠিয়ে দিয়েছে। সেই চিঠি পেয়ে নিজের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কনরাডও। পুরনো ফর্মুলাতেই সরকার গঠিত হতে চলেছে মেঘালয়ে (Meghalaya Assembly Polls)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি আর্নেস্ট মাওরি জানিয়ে দেন, দিল্লি থেকে জেপি নাড্ডার নির্দেশ অনুযায়ী তারা রাজ্যে এনপিপিকে সরকার গঠনে সাহায্য করবে। এদিকে বিজেপির সমর্থন পেলেও ম্যাজিক ফিগার থেকে এখনও ৩ ধাপ দূরে রয়েছে এনপিপি। এই বিষয়ে আর্নেস্টকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, গত সরকারের (মেঘালয় ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স) সব দল ফের একবার একজোট হবে বলে তিনি আশা করছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Election Result 2023: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যে আজ ভোট গণনা, কারা গড়বে সরকার?

    Election Result 2023: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যে আজ ভোট গণনা, কারা গড়বে সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপূর্বের ৩ রাজ্যে আজ ভোট গণনা (Election Result 2023)। বুথ ফেরত সমীক্ষাগুলিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি জোট। ত্রিপুরা ও ন্যাগাল্যান্ডে বিজেপি জোটকে এগিয়ে রাখা হলেও মেঘালয়ে ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে বিরোধীরা সেখানে ২২টি আসন পেতে পারে। মেঘালয়ে খাতা খুলতে পারে তৃণমূলও। ত্রিপুরায় ভোট নেওয়া হয়েছিল ১৬ ফেব্রুয়ারি, নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে ভোটগ্রহণ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। আজ ৩  রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ। সকাল ৮ টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে।

    ত্রিপুরায় আসন সংখ্যা ৬০, মেঘালয় ৫৯ এবং নাগাল্যান্ডে ৫৯। কোহিমায় ডিসি অফিসে শুরু হয়েছে ভোটগণনা (Election Result 2023)। আগে পোস্টাল ব্যালট খোলা হবে। তারপর ব্যালট। নিরাপত্তায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিস। এনডিপিপি ও বিজেপি কার ভাগ্য খোলে এখন সেটাই দেখার। উল্লেখ্য, ত্রিপুরা বর্তমানে বিজেপির দখলে রয়েছে। নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে যথাক্রমে ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি সরকার রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগণনা! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয় কোন শিবিরের?

    ত্রিপুরায় ৬০টি আসনের মধ্যে ৪৮টি আসনের ট্রেন্ড এসেছে। ৩৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। বাম ৮টি, টিএমপি ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। নাগাল্যান্ডে ৬০টি আসনের মধ্যে ৩২টির ট্রেন্ড এসেছে। এনডিপিপির সঙ্গে বিজেপির জোট ২৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, এনপিএফ ২টি আসনে, কংগ্রেস ১টিতে এবং অন্যরা ৩টি আসনে (Election Result 2023) এগিয়ে রয়েছে। মেঘালয়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার দল এনপিপি ৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে বিজেপি ও এনপিপি। প্রাথমিক প্রবণতায় ত্রিপুরায় বিজেপি এগিয়ে আছে বলে মনে করা হচ্ছে। ৬০টি আসনের মধ্যে ১৬টিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। একইসঙ্গে টিএমপি এগিয়ে রয়েছে ৩টি আসনে। নাগাল্যান্ডে বিজেপি জোটের সঙ্গে এনডিপিপি এগিয়ে রয়েছে ৬টি আসনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Exit Polls 2023: ত্রিপুরা-নাগাল্যান্ডে বিজেপিকেই এগিয়ে রাখছে বুথ ফেরত সমীক্ষা, মেঘালয়ে ত্রিশঙ্কু!

    Exit Polls 2023: ত্রিপুরা-নাগাল্যান্ডে বিজেপিকেই এগিয়ে রাখছে বুথ ফেরত সমীক্ষা, মেঘালয়ে ত্রিশঙ্কু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ডে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি জোট। এমনটাই বলছে বুথ ফেরত সমীক্ষা (Exit Polls 2023)। তবে মেঘালয়ের ছবিটা অন্যরকম হলেও হতে পারে। এমনই আভাস পাওয়া যাচ্ছে। মেঘালয়ে ত্রিশঙ্কু ফলের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ১৯৭২ সাল থেকেই মেঘালয়ে কোনও একটি দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় না। এবারও বজায় থাকবে সেই ধারা, এমনই পূর্বাভাস বুথ ফেরত সমীক্ষায়। একজিট পোল জানাচ্ছে, মেঘালয়ে খাতা খুলতে পারে তৃণমূলও। যদিও সবটাই জানা যাবে ২ মার্চ।

    ত্রিপুরা (Tripura Exit Polls 2023)

    অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া-র বুথফেরত সমীক্ষা (Exit Polls 2023) বলছে, ত্রিপুরায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবির ৩৬-৪৫টি, টিপ্রা মোথা ৯-১৬টি ও বামেরা ৬-১১টি আসন পেতে পারে বলে সমীক্ষার রিপোর্টে বলা হয়েছে।

    ম্যাট্রিজ-জি নিউজের সমীক্ষাতেও (Exit Polls 2023) গেরুয়া শিবিরকেই এগিয়ে রাখা হয়েছে। সেই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ত্রিপুরার ৬০ আসনের মধ্যে গেরুয়া জোট পেতে পারে ২৯-৩৬টি আসন। এসডিএফ পেতে পারে ১৩-২১টি আসন, টিপ্রামোথা ১১-১৬টি, অন্যরা একটি আসন।

    জন কি বাত-এর সমীক্ষা (Exit Polls 2023) বলছে বিজেপি জোট পেতে পারে ২৯-৪০টি আসন। টিপ্রামোথা ১০-১৪, সিপিএম জোট ৯-১৬ এবং অন্যরা একটি আসন।

    নাগাল্যান্ড (Nagaland Exit Polls 2023)

    বুথ ফেরত সমীক্ষার পূর্বাভাস, নাগাল্যান্ডে মসনদে ফিরছে বিজেপি জোট। জন কি বাত-এর সমীক্ষা (Exit Polls 2023) রিপোর্ট বলছে, বিজেপি পেতে পারে ২৫-৩৫টি আসন। এনপিএফ ৬-১০ এবং অন্যরা ৯- ১৫টি আসন।

    ম্যাট্রিজ-জি নিউজের সমীক্ষা (Exit Polls 2023) অনুযায়ী, বিজেপি জোট পেতে পারে ৩৫-৪৩টি আসন। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ১০-১৪টি আসন, এনপিএফ ৩-৮টি, কংগ্রেস ১-২টি এবং অন্যান্যরা ৫-১৫টি। বিজেপি জোট পেতে পারে ২৮-৩৪টি আসন।

    মেঘালয় (Meghalaya Exit Polls 2023)

    মেঘালয়ে ত্রিশঙ্কু হতে পারে বিধানসভা (Exit Polls 2023)। ম্যাট্রিজ-জি নিউজের রিপোর্ট বলছে, শাসক এনপিপি ২১-২৬টি, বিজেপি ৬-১১টি, কংগ্রেস ৩-৬টি, তৃণমূল ৮-১৩টি এবং অন্যরা ১০-১৯টি আসন পাবে।

    অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার রিপোর্ট (Exit Polls 2023) অনুযায়ী, এনপিপি ১৮-২৪টি, বিজেপি ৪-৮টি, তৃণমূল ৫-৯টি, কংগ্রেস ৬-১২টি আসন পেতে পারে।

    জন কি বাতের বুথফেরত সমীক্ষা (Exit Polls 2023) অনুযায়ী, ১১-১৬ টি আসনে এনপিপি, ৩-৭ বিজেপি, কংগ্রেস ৬-১১ ও অন্যরা ৫-১২টি আসন পেতে পারে।

    আরও পড়ুন: অ্যাডিনো-আতঙ্ক! অযথা কলকাতায় রেফার নয়, জেলা হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ

    গত পাঁচ বছর এই তিন রাজ্যেই শাসন করছে বিজেপির জোট সরকার। মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডে ভোটগ্রহণ হয় গত সোমবার। ত্রিপুরায় ভোটগ্রহণ হয় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি। এ বছরই প্রথম মেঘালয়ে লড়ে তৃণমূল। কংগ্রেস সমস্ত আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি। নাগা পিপলস ফ্রন্টের চাপ বাড়ছে নাগাল্যান্ডে। অন্যদিকে, ত্রিপুরায় টিপ্রা মোথার জন্য পরিস্থিতিও জটিল। ২ মার্চ তিন রাজ্যের ফল ঘোষণা। সেদিনই জানা যাবে, কোন দলের ভাগ্য কী রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
LinkedIn
Share