Tag: Tripura

Tripura

  • Ram Mandir: ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যেই হয়ে যাবে রাম মন্দির, ত্রিপুরায় ঘোষণা শাহের

    Ram Mandir: ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যেই হয়ে যাবে রাম মন্দির, ত্রিপুরায় ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে রাম মন্দির (Ram Mandir)। বৃহস্পতিবার ত্রিপুরা সফরে গিয়ে এ কথা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৪ সালে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে যে রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে যাবে তা নিয়ে জল্পনা ছিলই। এদিন তাতেই শিলমোহর দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এবং এজন্য তিনি বেছে নিলেন ত্রিপুরার মাটিকে। কারণ চলতি বছরই রয়েছে ত্রিপুরা (Tripura) বিধানসভার নির্বাচন।

    জন বিশ্বাস যাত্রা…

    উপজাতি অধ্যুষিত ত্রিপুরার ধর্মনগরে বৃহস্পতিবার জন বিশ্বাস যাত্রার উদ্বোধন করতে বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে আসেন শাহ। সেখানেই তিনি জানিয়ে দেন রাম মন্দির নির্মাণের কাজ কবে শেষ হবে। এদিন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাহুল বাবা শুনুন, আমি রাম মন্দির তৈরি হয়ে যাওয়ার দিনক্ষণ ঘোষণা করছি। এর পরেই শাহ বলেন, অযোধ্যার রাম মন্দির তৈরি হয়ে যাবে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারিতেই।

    গত বছরের অক্টোবরের প্রথম দিকেই জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়ে দিয়েছিল, অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের কাজ অর্ধেকেরও বেশি এগিয়ে গিয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাস থেকে তা পর্যটকদের জন্য খুলে যাবে বলেও জানানো হয়েছিল ওই ট্রাস্টের তরফে। ট্রাস্ট সূত্রে খবর, ওই সময়ের মধ্যে মন্দিরে মূর্তি বসানোর কাজও শেষ হয়ে যাবে। অযোধ্যায় ২.৭৭ একর জমিতে মূলত গ্রানাইট পাথর দিয়ে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির। মন্দিরে থাকবে সিংহ দরজা। তা ছাড়াও থাকবে আরও ১২টি দরজা। স্তম্ভ থাকবে ৩৯২টি। মন্দিরে ভূমিকম্পের কোনও প্রভাব পড়বে না বলেও ট্রাস্ট সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুুন: সন্ত্রাসবাদীদের মদতদাতাদেরও নির্মূল করতে হবে, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বৈঠকে অমিত শাহ

    এদিকে, এদিন জন বিশ্বাস যাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাহ বলেন, ২০২৩ সালের ভোটে ত্রিপুরা থেকে কমিউনিস্টদের উৎখাত করাই হবে প্রধান কাজ। তিনি বলেন, আগে এখানে সাধারণ মানুষকে দিনের প্রতিটি কাজের আগে কোনও ক্যাডারের অনুমতি নিতে হত। এখন দেখুন, কোথাও কমিউনিস্টদের টিকিটি মিলবে না। শাহ বলেন, ত্রিপুরা থেকে সন্ত্রাসবাদ মুছে দিয়েছে বিজেপি। উত্তর-পূর্ব ভারতের সার্বিক উন্নতির জন্য কাজ করে চলেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। ত্রিপুরাকে আগে মানুষ মাদক পাচার, হিংসা, দেশবিরোধী কার্যকলাপের জন্য চিনত। এখন এই রাজ্যকে উন্নয়ন, অসাধারণ পরিকাঠামো, ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বিনিয়োগ এবং জৈব খামারের জন্য প্রশংসা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Biplab Deb: ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বাড়িতে লুঠপাট, আগুন, কারা লাগাল জানেন?

    Biplab Deb: ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বাড়িতে লুঠপাট, আগুন, কারা লাগাল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার (Tripura) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির  (BJP) বিপ্লব দেবের (Biplab Deb) বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। আগুন লাগানোর আগে লুঠপাট চালানো হয় বাড়িটিতে। করা হয় ভাঙচুর। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটে ত্রিপুরার উদয়পুরে, বিপ্লব দেবের পৈত্রিক ভিটেতে। বিজেপির অভিযোগ, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সূত্রের খবর, দুষ্কৃতীরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।

    বিজেপির অভিযোগ…

    ত্রিপুরা বিজেপির অভিযোগ, বিপ্লব দেবের পৈত্রিক বাড়িতে মঙ্গলবার রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ফি বছর বিপ্লব দেবের এই পৈত্রিক ভিটেতে তাঁর বাবা হিরুধন দেবের স্মৃতিতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হয়। বুধবার সেই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল স্বয়ং বিপ্লব দেবের। তার আগেই এই ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা যখন বিপ্লব দেবের (Biplab Deb) বাড়িতে হামলা চালায়, তখন সেখানে কেউ ছিলেন না। তাই ঘটেনি হতাহতের কোনও ঘটনা। তবে ওই সময় কয়েকজন পুরোহিত যাচ্ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। সেই সময় দুষ্কৃতীরা ওই পুরোহিতদের মারধর করে বলে অভিযোগ। তাঁদের যানবাহন ভেঙে দেওয়া হয়।

    তাঁদের আর্ত চিৎকারে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। তার আগেই অবশ্য চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। যাওয়ার আগে তারা স্থানীয়দের কয়েকটি দোকানও ভাঙচুর করে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশের বিশাল বাহিনী। পৌঁছান পুলিশের এসডিপিও নিরুপমা দেববর্মা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবাঞ্জন রায়। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে বিপ্লব দেবকে (Biplab Deb) দেওয়া হয় সংগঠনের কাজ। বিজেপির তরফে তাঁকে করা হয় হরিয়ানার পর্যবেক্ষক। গত বছর মে মাসে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন বিপ্লব দেব। তাঁর জায়গায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হন মানিক সাহা। সেই বিপ্লবের বাড়িতেই এদিন তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সিএএ তো হবেই, পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি-ও চাই’’, সুকান্তর বালুরঘাটে বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Tripura Murder: হাড়হিম করা কাণ্ড! মা-বোন-দাদু সহ চারজনকে কুপিয়ে খুন নবম শ্রেণির ছাত্রের, কারণটা কী?

    Tripura Murder: হাড়হিম করা কাণ্ড! মা-বোন-দাদু সহ চারজনকে কুপিয়ে খুন নবম শ্রেণির ছাত্রের, কারণটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গা শিউরে ওঠার মত ঘটনা (Tripura Murder)। মা, বোন, দাদু সহ চারজনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল এক নাবালকের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, নাবালকটি নবম শ্রেণির ছাত্র। গতকাল, রবিবার ঘটনাটি ত্রিপুরার ধলাই জেলায় ঘটেছে। খুন করার সময় আশেপাশের যাতে কেউ টের না পায় তাই তারস্বরে সাউন্ড সিস্টেম বাজিয়ে রেখে দিয়েছিল। শুধুমাত্র খুন নয়, খুনের পর মৃতদেহ লুকিয়ে রাখার জন্য বাড়ির পাশে গর্তও খুঁড়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এই ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    এক নবম শ্রেণির ছাত্র কীভাবে এমন নৃশংস খুন (Tripura Murder) করতে পারে তা শুনেই সবাই শিউরে উঠছেন। এরপরেই তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, ছেলেটি মোবাইল গেমে এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিল যে, নিজের মা, বোন কে খুন করতে একবারও হাত কাঁপেনি। মোবাইল গেম খেলার জন্য চাহিদা মতো টাকা দিতে রাজি ছিল না তার বাবা-মা৷ আর তারই ক্ষোভে এমন হাড় হিম করা কাণ্ড ঘটিয়েছে ছেলেটি। 

    আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে আর্থিক অনগ্রসরদের ১০ শতাংশ সংরক্ষণ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছিল অভিযুক্ত নাবালক৷ মাঝে মধ্যেই বাবা-মায়ের থেকে গেম খেলার জন্য টাকা চাইত সে৷ তা নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে অশান্তিও বাঁধত তার৷ সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রথমে মাথার পিছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে তারপর তিনজনকে কুপিয়ে খুন করে সে৷ ওই কিশোর যখন এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে তখনই জল খাওয়ার জন্য তাদের বাড়িতে আসেন এক প্রতিবেশী৷ তখন তাঁকেও একই ভাবে ওই কিশোর খুন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের পর বাড়ির পাশেই মৃতদেহ লোপাট করতে বিশাল গর্তও খুঁড়েছিল। আর এই খবর জানাজানি হতেই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। পরে তার চেষ্টা সফল হয়নি ও গতকাল গভীর রাতেই গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ এসে বাড়ির মধ্যে থেকে একজনের দেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে এসে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক দল। পুলিশ সূত্রে খবর, আজই অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করবে পুলিশ৷

  • Bypolls: দেশের পাঁচটি রাজ্যে উপনির্বাচন শান্তিপূর্ণ, বিক্ষিপ্ত অশান্তি কয়েকটি জায়গায়

    Bypolls: দেশের পাঁচটি রাজ্যে উপনির্বাচন শান্তিপূর্ণ, বিক্ষিপ্ত অশান্তি কয়েকটি জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পাঁচটি রাজ্যে (5 States) ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের (Union Territory) তিনটি লোকসভা এবং সাতটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব ভারতের ত্রিপুরার (Tripura) চারটি বিধানসভা আসন।

    ত্রিপুরার চারটি বিধানসভা আসনে শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে পৃথকভাবে লড়ছে তৃণমূল, বাম এবং কংগ্রেস। উল্লেখ্যযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ত্রিপুরার ((Tripura By Elections 2022) নতুন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha)। চিকিৎসকের পেশা ছেড়ে রাজনীতিতে নামা মানিক সাহাকে গত মে মাসে বিপ্লব দেবের উত্তরসূরি মনোনীত করে বিজেপি (BJP)। উপনির্বাচনে টাউন বড়দোয়ালী আসনে লড়ছেন তিনি। ২০১৮ সালে বিজেপির আশিস সাহা ওই আসনে জিতেছিলেন। এবার তিনি ইস্তফা দিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মানিকের প্রতিদ্বন্দ্বী।

    আরও পড়ুন: সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    সংঘাতের আশঙ্কায় কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ত্রিপুরার বিভিন্ন কেন্দ্রে। এদিন ভোট নেওয়া হচ্ছে আগরতলা, সুরমা, বড়দোয়ালি এবং যুবরাজনগর কেন্দ্রে। এই চারটি আসনেই লড়াই করছে তৃণমূল। ত্রিপুরায় করা হয়েছে মোট ২২১টি পোলিং স্টেশন। এর মধ্যে ৭৩টিকে উত্তেজনাপ্রবণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে আছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোটের উপর নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণ। তবে কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। ভোট গণনা হবে রবিবার, ২৬ জুন।

    আরও পড়ুন: গুজরাট ছেড়ে একনাথ শিন্ডেরা রয়েছেন আসামে, কেন জানেন?

    ত্রিপুরা ছাড়াও ভগবন্ত মান পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় সঙ্গরুরের সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি।  সেখানেও আজ উপনির্বাচন চলছে। অন্য দিকে, উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটে জেতার পর সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব ও আজম খান আজমগড় এবং রামপুরের সাংসদ পদ ছাড়েন। ফলে ওই দুই কেন্দ্রেও উপনির্বাচন হচ্ছে। আম আদমি পার্টির বিধায়ক রাঘব চাড্ডা রাজ্যসভা ভোটে জেতার ফলে দিল্লির রাজেন্দ্র নগরের আসনটি ফাঁকা হয়ে গিয়ছে। সেখানেও উপনির্বাচন হচ্ছে।  অন্যদিকে ঝাড়খণ্ডে মন্ডার আসনের জেভিএম বিধায়ক বান্ধু তিরকে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন মামলায় দোষী ঘোষিত হওয়ায় বিধায়ক পদ হারিয়েছেন। অন্ধ্রপ্রদেশের একটি আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে বিধায়কের মৃত্যুর কারণে।  

  • Madhyamik Passed Mother: স্বপ্ন পূরণ, দুই মেয়ের সঙ্গে মাধ্যমিক পাশ করলেন মা 

    Madhyamik Passed Mother: স্বপ্ন পূরণ, দুই মেয়ের সঙ্গে মাধ্যমিক পাশ করলেন মা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স যে শুধুই সংখ্যা তার প্রমাণ রেখে গিয়েছে অনেকেই। সেই খাতায় নাম লেখালেন ত্রিপুরার (Tripura) এক বাসিন্দা। স্বপ্ন পূরণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যদি জুড়ে যায় অদম্য জেদ তাহলে কোনও বাধাই যেন দমিয়ে রাখতে পারে না। আজ সেটাই করে দেখালেন পঞ্চাশোর্ধ শিলা রানি দাস (Shila Rani Das)। শৈশবের অধরা স্বপ্নকে পূরণ করলেন তিনি। জীবন পাঠশালার পাট চুকিয়ে দিলেও তাতে রাজি ছিলেন না শিলা দেবী। তাই নিজের দুই মেয়েকে পাশে নিয়ে করলেন মাধ্যমিক পাশ (secondary examination)। সঙ্গে দুই মেয়ে পেরোলেন উচ্চ মাধ্যমিকের (Higher Secondary) গণ্ডি।

    আরও পড়ুন: উপনির্বাচনে যোগীরাজ্যে গেরুয়া ঝড়, ত্রিপুরায় কুপোকাত তৃণমূল

    মাধ্যমিক পাশ করে উচ্ছ্বসিত শিলা রানি দাস জানান, “কিশোরী অবস্থায় একাধিকবার পরীক্ষায় বসার চেষ্টা করেছি। শেষবার স্বামীর মৃত্যু সবকিছু ওলটপালট করে দেয়। জেদ ছাড়িনি। তাই, আজ মাধ্যমিক পাশ করার স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পিতা-কন্যার যুগলবন্দী! ভারতীয় বায়ুসেনায় একসঙ্গে যুদ্ধবিমান চালিয়ে গড়ে তুললেন ইতিহাস      
     
    বুধবার ত্রিপুরার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বড়দোয়ালি মিলন সংঘ এলাকার বাসিন্দা শিলা রানি দাস(৫৩) এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছেন। আপাতত তিনি পুরনিগমে কর্মরত। শিলা দেবী জানান, “১৯৯৪ সালে পরীক্ষায় বসার আবেদনপত্র জমা দিয়েও, পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। এরপর আরও দুবার চেষ্টা করেছি। স্বামী যেবার মারা গেলেন সেবারও পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। সবটা ওলটপালট হয়ে গেল। স্বামীর মৃত্যুর পর আর পরীক্ষা দেওয়া হয়নি।” তাঁর কথায়, “মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার স্বপ্ন মনের মধ্যেই পুষে রেখেছিলাম। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

    নজরুল বিদ্যা মন্দির থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলেন শিলা রানি দাস। তাঁর দুই মেয়ে বাণী বিদ্যাপীঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন। মা ও দুই মেয়ের সফলতায় খুশি পরিবারের সক্কলে।


     
    ছোট মেয়ে বলেন, “মা আজ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছেন। ঠাকুরের অশেষ কৃপায় তা সম্ভব হয়েছে।” বড় মেয়ের কথায়, “শ্বশুর বাড়িতে থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি। তাই মাকে বিশেষ সাহায্য করে উঠতে পারিনি। কিন্ত আজ ফলাফলে ভীষণ খুশি হয়েছি।” শিলা রাণী দাস বলেন, “মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য দুই মেয়ে সাহস যুগিয়েছে। তাই আজ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পেরেছি।” আগামীদিনে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার ইচ্ছেও রয়েছে বলে জানিছেন শিলা দেবী।

      

  • Tripura bypoll: ত্রিপুরার ৪ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন ২৩ জুন, প্রার্থী হচ্ছেন মানিক সাহা?

    Tripura bypoll: ত্রিপুরার ৪ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন ২৩ জুন, প্রার্থী হচ্ছেন মানিক সাহা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষিত হল ত্রিপুরার চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের (Tripura bypoll) নির্ঘণ্ট। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৩ জুন চার আগরতলা, বরদোয়ালি, যুবরাজনগর আর সুরমা কেন্দ্রে উপনির্বাচবন হবে। ২৬ জুন ভোটের ফল ঘোষণা। 

    কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩০ মে, উপনির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৬ জুন । মনোনয়ন স্ক্রুটিনী হবে ৭ জুন। মনোনয়ন প্রত্যাহার করার শেষ তারিখ ৯ জুন। ২৩ তারিখ হবে ভোটগ্রহণ এবং ২৬ জুন হবে ফল ঘোষণা। কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, গোটা প্রক্রিয়াটি ২৮ জুনের মধ্যে সম্পন্ন হবে। নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ওই চার কেন্দ্রে আদর্শ আচরণবিধি লাগু হয়ে গিয়েছে। 

    বিজেপির দুই বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন এবং আশিস সাহা দলত্যাগ করায় যথাক্রমে ফাঁকা হয়ে পড়ে রয়েছে আগরতলা ও বরদোয়ালি আসন দুটি। সুরমার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ করে দেওয়া হয়। অন্য়দিকে, প্রবীণ সিপিএম বিধায়ক তথা ত্রিপুরা বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকার রমেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ মারা যাওয়ায় যুবরাজনগর আসনে উপনির্বাচন জরুরি হয়ে পড়ে।

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন বিপ্লব দেব, দায়িত্বে এলেন মানিক সাহা

    উপনির্বাচনের প্রস্তুতি জোরকদমে নিতে শুরু করে দিয়েছে বিজেপি৷  বিজেপির ত্রিপুরা ইনচার্জ তথা সাংসদ বিনোদ সোনকর ইতিমধ্যেই একাধিক বৈঠক সেরেছেন। আগামী বছর দেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তের এই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে, এই উপনির্বাচনকে সেমি-ফাইনাল হিসেবে দেখতে চাইছে গেরুয়া-শিবির। 

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) সঙ্গে দেখা করেছেন ত্রিপুরার নব-নিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Tripura CM Manik Saha)। সম্প্রতি, বিপ্লব দেবের (Biplab Deb) পরিবর্তে তাঁকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ, সাংবিধানিক নিয়ম মেনে, ৬ মাসের মধ্যে যে কোনও বিধানসভা আসন তাঁকে জিতে আসতে হবে। 

    নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূলও। সম্প্রতি, ত্রিপুরা পুরভোটে পর্যুদস্ত হয়েছে দল। ত্রিপুরার মানুষ খালি হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে তৃণমূলকে। তা সত্ত্বেও, উপনির্বাচনে যে তৃণমূল লড়াই করতে পারে, তার ইঙ্গিত মিলেছে। সাংসদ তথা উত্তর পূর্ব দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী সুস্মিতা দেব বলেছেন, ‘উপনির্বাচনের প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি৷ ত্রিপুরায় আমাদের রাজ্য দফতর খোলা হবে৷’ তৃণমূল সূত্রে খবর, উপনির্বাচনে লড়াই নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সুস্মিতা দেব, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের আলোচনাও চলছে৷

    ত্রিপুরার (Tripura) চার কেন্দ্রের পাশাপাশি পঞ্জাবের সাঙ্গরুর, উত্তরপ্রদেশের রামপুর ও আজমগড় লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে ওইদিন। এছাড়া, অন্ধ্রপ্রদেশের আত্মাকুর, দিল্লির রাজিন্দর নগর এবং ঝাড়খণ্ডের মাদার বিধানসভা কেন্দ্রেও উপনির্বাচন হবে। এই তিন আসনের ভোটগ্রহণও হবে ২৩ তারিখেই।

  • Biplab Deb: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন বিপ্লব দেব, দায়িত্বে এলেন মানিক সাহা

    Biplab Deb: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন বিপ্লব দেব, দায়িত্বে এলেন মানিক সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ইস্তফা দিলেন বিপ্লব দেব (Biplab Deb)। জানালেন, দলের নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত। এখন তিনি সংগঠনকে মজবুত করার কাজ করবেন। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন মানিক সাহা। 

    শনিবার দুপুরে রাজ্যপাল এস এ আর্যর কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন ত্রিপুরার সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। বিপ্লবের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, তা ঠিক করতে ইতিমধ্যেই বৈঠকে বসে বিজেপি নেতৃত্ব। পরে,  শনিবার সন্ধেয় বিজেপির ত্রিপুরা রাজ্য সভাপতি মানিক সাহার (Manik saha) নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    পঁচিশ বছরের বাম জমানার অবসান অন্তে ২০১৮ সালে ত্রিপুরার ক্ষমতায় আসে বিজেপি (BJP)। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় তরুণ নেতা বিপ্লব দেবকে। বিপ্লবের তুঙ্গ জনপ্রিয়তার কারণে কার্যত কোমর ভেঙে যায় বিরোধীদের। দলে দলে লোকজন বাম সহ বিভিন্ন দল ছেড়ে যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। যার জেরে ত্রিপুরা পুরনির্বাচনে জয়জয়কার হয় বিজেপির।

    [tw]


    [/tw]

    বছর ঘুরলেই ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন। সেই ভোটে বাম কিংবা তৃণমূল যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, সেজন্য কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না বিজেপি নেতৃত্ব। তাই সংগঠনের কাজে নিয়ে আসা হচ্ছে বিপ্লবকে। অন্তত ত্রিপুরার একটি সূত্রের খবর এমনই। সূত্রের খবর, খোদ অমিত শাহের নির্দেশেই এদিন রাজ্যপালের কাছে ইস্তফপত্র দেন বিপ্লব। নয়া মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করতে বৈঠকে বসেছে পদ্ম-নেতৃত্ব।

    এদিন ইস্তফা দেওয়ার পর বিপ্লব দেব বলেন, ‘দল চায় আমি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করি। দল সবার ওপরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দলের জন্য কাজ করেছি। দলের রাজ্য ইউনিটের প্রধান এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ত্রিপুরার মানুষের জন্য ন্যায়বিচারের চেষ্টা করেছি। আমি শান্তি, উন্নয়ন ও কোভিড-সঙ্কট থেকে রাজ্যকে বের করে আনার চেষ্টা করেছি। সবকিছুর একটা সময় আছে। আমি সেই সময় মেনে কাজ করি। আমাকে যেখানেই পাঠানো হয়েছে, তা সে মুখ্যমন্ত্রী হোক বা অন্য কোনও পোস্ট- সব জায়গাতেই ফিট বিপ্লব দেব।’

    [tw]


    [/tw]

    কে হবেন তাঁর উত্তরসূরি? তা নির্ধারণেই বিজেপির দুই কেন্দ্রীয় নেতা বিনোদ তাওড়ে ও ভূপেন্দ্র যাদবের উপস্থিতিতে বৈঠক বসেছিলেন বিজেপির পরিষদীয় দল। সেখানেই মানিক সাহাকে ত্রিপুরার নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেওয়া হয়। তাঁকে উত্তরীয় পড়িয়ে স্বাগত জানান সদ্য প্রাক্তনী বিপ্লব দেব। মানিক সাহা বর্তমানে ত্রিপুরার সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ। ফলে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথের ৬ মাসের মধ্যেই বিধানসভার সজস্য হয়ে আসতে হবে তাঁকে।

    [tw]


    [/tw]

     

  • Byelection results: উপনির্বাচনে যোগীরাজ্যে গেরুয়া ঝড়, ত্রিপুরায় কুপোকাত তৃণমূল

    Byelection results: উপনির্বাচনে যোগীরাজ্যে গেরুয়া ঝড়, ত্রিপুরায় কুপোকাত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ জুন উপনির্বাচন (Byelection) হয় দেশের ছয় রাজ্যের তিন লোকসভা ও সাতটি বিধানসভা আসনে। এর মধ্যে ত্রিপুরার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রও ছিল। তিনটি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে দুটির রাশ এসেছে বিজেপির (BJP) হাতে। আর পাঞ্জাবে আপকে হারিয়ে জয়ী হয়েছে অকালি দল।

    যোগী গড়ে ফের মুখ থুবড়ে পড়ল অখিলেশ সিং যাদবের সমাজবাদী পার্টি। এক সময় উত্তর প্রদেশের রামপুর ও আজমগড় দুটিই সমাজবাদী পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। মুসলিম অধ্যুষিত এই দুই কেন্দ্রে মুসলিম-যাদব তাস খেলে বহু বছর রাশ ধরে রেখেছিল সমাজবাদী পার্টি। উপনির্বাচনে এসে অখিলেশের দলের সেই জয়রথ ভেঙে পড়ল তাসের ঘরের মতো। দুই কেন্দ্রেই জয়ী হল বিজেপি।রামপুরে জয়ী হয়েছে বিজেপির ঘনশ্যাম লোধি। আজমগড়ে জয়ী হয়েছেন বিজেপির দীনেশলাল যাদব।

    আরও পড়ুন : বছর শেষেই ভোট ভূস্বর্গে? কাশ্মীরে নির্বাচন নিয়ে বড় মন্তব্য রাজনাথের

    মাত্র কয়েক মাস আগেই পাঞ্জাবে ক্ষমতায় আসে আপ। এই কয়েক মাসেই ভাটা পড়েছে আপের জনপ্রিয়তায়। পাঞ্জাবের সাংরুর লোকসভা কেন্দ্রে আপের গুরমেল সিংকে হারিয়েছেন অকালির সিমরন সিং মান। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ছিল এটি। এর আগে এই আসনেই জয়ী হয়েছিলেন ভগবন্ত মান।

    এদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাবতীয় কারিকুরিও  উড়ে গেল কর্পূরের মতো। ত্রিপুরায় পায়ের নীচে মাটি পেতে পুরসভা নির্বাচনের মতো এবারও ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তৃণমূল। শেষমেশ ফিরতে হল খালি হাতেই। ত্রিপুরার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের ফল বের হয় এদিন। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই চারটির মধ্যে তিনটির রাশ ছিল বিজেপির হাতে। বড়দোয়ালি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির মানিক সাহা।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?

    ত্রিপুরাকে পাখির চোখ করেছিল তৃণমূল। চারটি আসনের কোনওটিতেই হালে পানি পায়নি তৃণমূলের পানশি। চার কেন্দ্রেই তৃণমূল ভোট পেয়েছে গড়ে তিন শতাংশ। জব্দ জমানত। প্রত্যাশিতভাবেই অভিষেকের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠল ফের একবার।   

LinkedIn
Share