Tag: UAPA

UAPA

  • Tripura: ইউএপিএ আইনে ত্রিপুরার দুই জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা কেন্দ্রের

    Tripura: ইউএপিএ আইনে ত্রিপুরার দুই জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার (Tripura) দুই জঙ্গি সংগঠন এনএলএফটি এবং এটিটিএফকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র। বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে এই দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর সহযোগী এবং শাখা সংগঠনগুলিকেও। মঙ্গলবার ইউএপিএ আইন প্রয়োগ করে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এদিন থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে।

    কেন্দ্রের নির্দেশিকা 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দুই জঙ্গি গোষ্ঠী কিংবা তাদের সহযোগী ও শাখা সংগঠনের সঙ্গে সংস্রবের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। প্রসঙ্গত, স্বাধীন ও সার্বভৌম তিপ্রাল্যান্ডের দাবিতে সক্রিয় এই দুই জঙ্গি গোষ্ঠী। ১৯৯৬ সালে বাম আমলে ত্রিপুরায় (Tripura) জন্ম হয় এই দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর। গণহত্যা, অপহরণ, চোরাচালান সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে এই দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যদের বিরুদ্ধে। এটিটিএফ নেতৃত্বের একাংশ বাম ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ উঠেছে নানা সময়।

    অভিযোগ রাশি রাশি 

    জানা গিয়েছে, এই দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে উত্তর-পূর্বের (Tripura) একাধিক নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগ রয়েছে। হিংসামূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকা, দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার জন্য ক্ষতিকর, নিরাপত্তা বাহিনী ও সাধারণ মানুষকে হত্যা, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্রশস্ত্র রাখার লক্ষ্যে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ তোলা হয়েছে সদ্য নিষিদ্ধ এই দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: শুধু সবরীমালা নয়, অযোধ্যার রামমন্দির ওড়ানোর ছকও কষেছিল ধৃত আইএস জঙ্গিরা!

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে হয় ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে গ্রেটার তিপ্রাল্যান্ডের দাবিতে সুর চড়িয়েছিল তিপ্রা মথা। দলের প্রধান ত্রিপুরা রাজপরিবারের সদস্য প্রদ্যোতকিশোর দেববর্মা জানান, তিপ্রাল্যান্ডের সাংবিধানিক সমাধান না করলে কোনও দলকেই সমর্থন করবেন না তাঁরা। দলের কেউ যোগ দেবেন না সরকারেও। তিপ্রা মথার নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করতে গিয়ে প্রদ্যোতকিশোর বলেছিলেন, “প্রয়োজনে আমরা বিরোধী আসনে বসব। কিন্তু কয়েকটা মন্ত্রিপদ পাওয়ার লোভে আমরা আমাদের মূল দাবি থেকে সরে আসব না।” তবে তাঁরা যে ত্রিপুরাকে (Tripura) ভাঙতে চান না, তাও জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তিপ্রাল্যান্ডের দাবিতে অবশ্য সশস্ত্র আন্দোলন করছিল জঙ্গি গোষ্ঠী এনএলএফটি এবং এটিটিএফ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • NewsClick: খবরের আড়ালে চিনের প্রচার! গ্রেফতার নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা প্রবীর পুরকায়স্থ 

    NewsClick: খবরের আড়ালে চিনের প্রচার! গ্রেফতার নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা প্রবীর পুরকায়স্থ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনে নিউজক্লিকের সাংবাদিক প্রবীর পুরকায়স্থকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। দিনভর তল্লাশির পর, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘নিউজক্লিক’-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রধান সম্পাদক প্রবীর পুরকায়স্থ-সহ দুজনকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখা। বেআইনি কর্মকাণ্ড (প্রতিরোধ) আইন বা ইউপিএ (UAPA)-র আওতায় এই নিউজ পোর্টালের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে দিল্লি পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে সংস্থার এইচআর প্রধান অনিন্দ্য চক্রবর্তীকেও। চিনের হয়ে প্রচারের জন্য বিদেশ থেকে তহবিল গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে এই অনলাইন পোর্টালটির বিরুদ্ধে। তল্লাশির পর ওই দুই সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয় এবং নিউজক্লিকের অফিসও সিল করে দেওয়া হয়েছে।

    কী বলছে পুলিশ

    দিল্লি পুলিশ বলেছে, “মোট ৩৭ জন সন্দেহভাজন পুরুষকে জেরা করা হয়েছে। পাশাপাশি ৯ জন সন্দেহভাজন মহিলার বাড়িতে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ডিজিটাল যন্ত্র, নথিপত্র ইত্যাদি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।” তদন্তের অংশ হিসেবেই প্রবীর পুরকায়স্থ এবং অনিন্দ্য চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের প্রথমে  জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লি পুলিশের দক্ষিণ দিল্লির এক কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে দিল্লি পুলিশের এক ফরেনসিক দলও উপস্থিত ছিল।

    কত টাকা এসেছিল চিন থেকে

    সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক টাইমস একটি অন্তর্তদন্তমূলক রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল চিনের পক্ষে প্রচার করার জন্য তারা ফান্ডিং পাচ্ছে। এরপরই শুরু হয় অভিযান। এর আগে দিল্লি এনসিআর, মুম্বইতে অন্তত ২০টি জায়গায় পুলিশ অভিযানে নামে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, নিউজ ক্লিক প্রায় ৩৮ কোটি টাকা চিনের এক সূত্র থেকে পেয়েছিল। এই ওয়েবসাইটটি মূলত চিনের পক্ষে খবর করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। ২৯ কোটি এক্সপোর্ট সার্ভিস হিসাবে পেয়েছিল এই সংস্থা। আর ৯ কোটি পেয়েছিল এফডিআই হিসাবে। এই ফান্ড তিস্তা শীতলাবাদ ও গৌতম নবলাখার মধ্যেও ভাগ করা হয়েছিল বলে খবর।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coimbatore Blast: কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার ইউএপিএ ধারায় মামলা পুলিশের

    Coimbatore Blast: কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার ইউএপিএ ধারায় মামলা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ (Coimbatore Blast)-কাণ্ডে এবার ইউএপিএ (UAPA) ধারায় মামলা করল পুলিশ। স্বাভাবিকভাবেই এর পর তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) পুলিশের হাত থেকে এই তদন্তের ভার নিতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। রবিবার সকালে কোয়েম্বাতুরের কোট্টাই ঈশ্বরান মন্দিরের কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় গাড়িতে থাকা বছর পঁচিশের যুবক জামেজা মুবিনের। ওই ঘটনার পরে পরেই তাঁর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। বাজেয়াপ্ত হয় প্রচুর বিস্ফোরক। তদন্তকারীদের অনুমান, ভবিষ্যতে বড় ধরনের নাশকতার ছক ছিল। বছর কয়েক আগেও একবার মুবিনকে জেরা করেছিল এনআইএ।

    গাড়ি বিস্ফোরণের (Coimbatore Blast) ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এঁরা হলেন মহম্মদ তালকা, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, মহম্মদ রিয়াজ, ফিরোজ ইসমাইল এবং মহম্মদ নওয়াজ ইসমাইল। প্রত্যেকেরই বয়স কুড়ির কোঠায়। জানা গিয়েছে, এঁদের মধ্যে কয়েকজনকে ২০১৯ সালে একবার জেরা করেছিল এনআইএ। তামিলনাড়ুর সিটি পুলিশ কমিশনার ভি বালাকৃষ্ণণ জানান, ধৃতদের কাজকর্ম খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তিনি জানান, ইউএপিএ, ষড়যন্ত্র সহ আইপিসি সেকশনে মামলা করা হয়েছে। এর আগে তামিলনাড়ু বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ধৃত পাঁচজন সম্পর্কে পুলিশ কেন কোনও নির্দিষ্ট কারণ দর্শাচ্ছে না, কোনও ধারায় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তা বলছে না কেন?

    আরও পড়ুন: কোয়েম্বাতুরে মন্দিরের সামনে গাড়ি বিস্ফোরণে যুবকের মৃত্যু, নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ?

    জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে (Coimbatore Blast) মৃত মুবিনের সঙ্গে আজহারউদ্দিনের কোনও সংযোগ ছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শ্রীলঙ্কার চার্চে ইস্টার সানডে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল ২০১৯ সালে। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ২৫০রও বেশি মানুষের। ওই ঘটনায় আজহারউদ্দিনের নাম জড়িয়েছিল। তাই তার সঙ্গে মুবিনের যোগ কতটা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বালাকৃষ্ণণ বলেন, যেহেতু বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, তাই ইউএপিএ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পুলিশ কমিশনার জানান, সিসিটিভির ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে ঘটনার আগে আগে মুবিন দুটি এলপিজি সিলিন্ডার, দুটি ছোট ড্রাম বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। এই ড্রামের মধ্যে থাকা পদার্থই ফরেনসিক তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, এই জিনিসগুলি মুবিনকে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল যে তিনজন, তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মুবিনকে গাড়ি দেওয়ায় গ্রেফতার করা হয়েছে আরও একজনকে। বিস্ফোরণের কারণ জানতে সম্ভাব্য সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে, জানান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Umar Khalid: উমর খালিদের জামিন খারিজ, দিল্লির হিংসার ঘটনায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    Umar Khalid: উমর খালিদের জামিন খারিজ, দিল্লির হিংসার ঘটনায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উমর খালিদের (Umar Khalid) জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লি হিংসা (Delhi Riots) মামলায় গ্রেফতার হন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নেতা উমর খালিদ। ইউএপিএ (UAPA) এবং অস্ত্র আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ২৪ মার্চ ট্রায়াল কোর্ট তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। এর পরেই দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) দ্বারস্থ হন উমর খালিদ। মঙ্গলবার সেখানেও হতাশ হতে হল তাঁকে। এদিন খারিজ হয়ে গেল তাঁর জামিনের আবেদন। দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ খারিজ করে দেয় তাঁর জামিনের আবেদন।

    এদিন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রজনীশ ভাটনগর রায় দিতে গিয়ে বলেন, জামিনের আবেদনের কোনও মেরিট আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। তাই জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হল। ২০২০ সালে গ্রেফতার হন উমর খালিদ (Umar Khalid)। জামিনের আবেদনে তিনি বলেন, হিংসায় কোনও দুষ্কৃতীর ভূমিকা তাঁর ছিল না, ষড়যন্ত্রের যোগও ছিল না। অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যা রয়েছে।  জামিনের আবেদনে উমর খালিদ (Umar Khalid) বলেন, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অমরাবতীতে তিনি যে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, যা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, সেই বক্তৃতায় তিনি বিপ্লব কথাটির উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এই বিপ্লব শব্দটি কোনও হিংসাত্মক কথা নয় কিংবা হিংসায় উসকানি দেয় না।

    আরও পড়ুন: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    যদিও দিল্লি পুলিশ তাঁর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেন। পুলিশের দাবি, খালিদ (Umar Khalid) যে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, তা খুব হিসেব কষেই। তার জেরেই  বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, কাশ্মীর, মুসলমানদের দমনের অভিযোগ, সিএএ এবং এনআরসির মতো ইস্যুগুলি লালিতপালিত হয়। পুলিশের যুক্তি, হিংসার ঘটনা ঘটেছিল দু দফায়। প্রথমটি ২০১৯ সালে। আর দ্বিতীয়টি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। হিংসার সময় ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় রাস্তা অবরোধ, পুলিশ কর্মীদের ওপর আক্রমণ এবং আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানদের ওপর আক্রমণ এবং অ-মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় হিংসার ঘটনা ঘটে। মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Yasin Malik: “কাশ্মীরে নাশকতা কার্যকলাপে জড়িত”, আদালতে স্বীকারোক্তি ইয়াসিন মালিকের

    Yasin Malik: “কাশ্মীরে নাশকতা কার্যকলাপে জড়িত”, আদালতে স্বীকারোক্তি ইয়াসিন মালিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ বছরের পুরনো একটি সন্ত্রাসের মামলায় আদালতে দোষ স্বীকার (plead guilty) করল কাশ্মীরের (Kashmir) বিচ্ছিন্নতাবাদী (JKLF) নেতা মহম্মদ ইয়াসিন মালিক (Yasin Malik)। ২০১৭ সালে সন্ত্রাসের ঘটনায় (2017 Terrorism Case) মালিকের বিরুদ্ধে ইউএপিএ (UAPA) আইনের ধারা ১৬, ১৭, ১৮ এবং ২০-তে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এছাড়াও ভারতীয় দণ্ডবিধির (Indian Penal Code) ১২০বি এবং ১২৪এ ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (criminal conspiracy) এবং দেশদ্রোহিতার (treason) মামলা রুজু হয় মালিকের বিরুদ্ধে।

    তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, কোনও আইনজীবী ছিল না মালিকের। এমনকী নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেনি মালিক। দিল্লির একটি আদালতের সামনে তিনি সন্ত্রাসবাদী (terrorism) কার্যকলাপে যুক্ত থাকা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে তাঁর যোগসাজশের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন বলে খবর মিলেছে। আদালতে মালিক জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি আনা হয়েছে, সেগুলির বিরুদ্ধে সে আদালতে লড়াই করবে না।

    ইয়াসিন ছাড়াও কাশ্মীরের আরও অনেক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা যেমন ফারুক আহমেদ দার, শাব্বির শাহ, মাসারত আলম, মহম্মদ ইউসুফ শাহ, আফতাব আহমেদ শাহ, আলতাফ আহমেদ শাহ, নইম খান, নাভাল কিশোর কাপুর, বশির আহমেদ ভাটদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে এই আদালত। গত মার্চ মাসে চার্জগঠনের সময় আদালত প্রাথমিক তদন্তে জানায় শাব্বির শাহ, ইয়াসিন মালিক, রশিদ ইঞ্জিনিয়ার, আলতাফ ফান্টুশ-সহ হুরিয়ত নেতৃত্ব সরাসরি সন্ত্রাস কার্যকলাপে অর্থ সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রেও লিপ্ত ছিল তারা। উপত্যকায় বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে এরা। যার ফলে হিংসা-অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনাও ঘটেছে। 

    আদালত জানিয়েছে, মালিক গোটা বিশ্বে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করত। সেই টাকা দিয়ে ভূস্বর্গে হিংসা-হানাহানি, বিক্ষোভ এবং বেআইনি কার্যকলাপ করা হত। সেই অপরাধমূলক কার্যকলাপকে কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামের নাম দিয়েছিল ইয়াসিন মালিক, এমনটাই দাবি আদালতের। বিশেষ আদালতের বিচারক প্রবীন সিং মামলাটি আবার ১৯ মে শুনবেন বলে জানা গিয়েছে। সেখানে সাজা ঘোষণা করা হতে পারে। এই অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে যাবজ্জীবন কারাবাস। 

     

     

LinkedIn
Share