Tag: Up

Up

  • Noida Violence: নয়ডার শিল্পাঞ্চল কাঁপানো সহিংস শ্রমিক বিক্ষোভের মূল চক্রী গ্রেফতার

    Noida Violence: নয়ডার শিল্পাঞ্চল কাঁপানো সহিংস শ্রমিক বিক্ষোভের মূল চক্রী গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডার শিল্পাঞ্চল কাঁপিয়ে দেওয়া সহিংস শ্রমিক (Noida Violence) বিক্ষোভের মূল ষড়যন্ত্রী আদিত্য আনন্দ গ্রেফতার। গৌতম বুদ্ধ নগর পুলিশ এবং উত্তরপ্রদেশ স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গ্রেফতার করে তাকে। শনিবার তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি রেলওয়ে স্টেশনে তাকে আটক করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার (Mastermind Arrested)। পুলিশ আধিকারিকদের মতে, ১৩-১৪ এপ্রিল বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেওয়ার পর থেকেই আনন্দ পলাতক ছিল।

    মাথার দাম ছিল লাখ টাকা (Noida Violence)

    তার বিরুদ্ধে ফেজ-২ থানায় একটি জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা জারি করা হয়। তার খোঁজ দিতে পারলে ১ লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণাও করা হয়। জানা গিয়েছে, পালানোর আগে সে চুল-দাড়ি কেটে নিজের লুক বদলে নেয়। এনআইটি জামশেদপুর থেকে বি-টেক পাশ আদিত্য আনন্দকে তদন্তকারীরা মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবেই বর্ণনা করেছেন। শ্রমিক সংগঠন ‘বিগুল মজদুর দস্তা’র সঙ্গে যুক্ত আনন্দ উসকানিমূলক কার্যকলাপ সংগঠিত করা, কিউআর কোড ব্যবহার করে একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে হাজার হাজার শ্রমিককে সংগঠিত করা এবং নয়ডার ফেজ-২ শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের ধর্না ও বিক্ষোভ চলাকালীন উত্তেজনাপূর্ণ বক্তৃতা দিয়ে হিংসা উস্কে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত (Noida Violence)। পুলিশের দাবি, এই অস্থিরতা ছিল পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যেখানে আনন্দ ও তার সহযোগীরা ৩১ মার্চ থেকে ১ এপ্রিলের মধ্যে জেলায় ঢোকে।

    তিনদিনের মধ্যে ৮০টিরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি!

    কমিশনার লক্ষ্মী সিংয়ের মতে, ৩১ মার্চ এবং ১ এপ্রিল নয়ডার অভ্যন্তরে যাতায়াতের জন্য সমন্বয় সাধন করা হয়েছিল। ৯ ও ১০ এপ্রিল কিউআর কোড পাঠিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়। ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ শৈব্যা গয়াল জানান, শ্রমিক বিক্ষোভের আগের তিনদিনের মধ্যে ৮০টিরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়। গয়ালের মতে, এই গ্রুপগুলিতে শ্রমিকদের প্রকৃত দাবি—যেমন মজুরি বৃদ্ধি ও কাজের পরিবেশ উন্নতি—নিয়ে আলোচনা হয়নি। বরং শ্রমিকদের উসকে দেওয়া, ভিড় সংগঠিত করা এবং কারখানায় ভাঙচুর করার বার্তা ছড়ানো হচ্ছিল (Mastermind Arrested)। এই বিক্ষোভে ফেজ-২, সেক্টর ৬০, ৬২ এবং ৮৪-সহ ৮০টিরও বেশি শিল্পাঞ্চল থেকে প্রায় ৪০,০০০–৪৫,০০০ শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘদিনের কম মজুরি ও শোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত। শ্রমিকরা প্রতিবেশী হরিয়ানার সঙ্গে মজুরির সমতা দাবি করেন, যেখানে এপ্রিলের শুরুতে ৩৫ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছিল (Noida Violence)।

    উচ্চস্তরের কমিটি

    এর প্রেক্ষিতে উত্তরপ্রদেশ শ্রমদফতর একটি উচ্চস্তরের কমিটি গঠন করে, যা গৌতম বুদ্ধ নগর ও গাজিয়াবাদের ৭৪টি নির্ধারিত কর্মসংস্থানে ২১ শতাংশ মজুরি সংশোধনের সুপারিশ করে এবং তা কার্যকর করা হয়। এই বৃদ্ধি ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে পূর্বপ্রযোজ্য হিসেবে কার্যকর এবং ৭ থেকে ১০ মে-এর মধ্যে তা দেওয়া হবে (Noida Violence)। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষ শ্রমিকদের মাসিক মজুরি ১৩,৯৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬,৬৬৮ টাকা হয়েছে। অতিরিক্ত ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে দ্বিগুণ হারে বাধ্যতামূলক ওভারটাইম, অননুমোদিত কাটছাঁট নিষিদ্ধ করা (Mastermind Arrested), সাপ্তাহিক ছুটি ও বোনাস কঠোরভাবে নিশ্চিত করা এবং নিয়মভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া (Noida Violence)।

     

  • Varanasi: আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের সঙ্গে যোগ! বারাণসীতে চিকিৎসকের বাড়িতে এটিএস অভিযান

    Varanasi: আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের সঙ্গে যোগ! বারাণসীতে চিকিৎসকের বাড়িতে এটিএস অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের আদমপুর থানা এলাকার পাঠানি টোলায় অবস্থিত ডা. আরিফ আনসারির (Dr Arif Ansari) বাসভবনে মুম্বই এবং বারাণসী অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)-এর যৌথ টিম অভিযান চালিয়েছে। ডা. আরিফ আনসারি এক শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তাঁর ছেলে আবু বকর বর্তমানে নিট (NEET) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদেরকে একটি সন্ত্রাসবাদী অর্থায়ন মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই অভিযানে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ বিভিন্ন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত

    অধিকারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ত্রাসে অর্থ জোগান এবং আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগ সংক্রান্ত একটি তদন্তের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা তল্লাশিতে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল তথ্য ও ব্যক্তিগত সামগ্রী খতিয়ে দেখা হয়। এটিএস সূত্রে খবর, দুই টিমের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানটি ছিল অত্যন্ত গোপনীয় ও সুনির্দিষ্ট। মুম্বই এটিএসের একটি দল বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে বারাণসী এটিএসের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযানে অংশ নেয়। পাঠানি টোলা এলাকাটি আদমপুর পুলিশ স্টেশনের আওতাধীন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালের দিকে বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে পুলিশ বাহিনী এসে এলাকাটি ঘিরে ফেলে। বাড়ির ভেতরে তল্লাশি চলাকালীন বাইরে ছিল কড়া নিরাপত্তা।

    আইএসআই যোগের সন্দেহ

    তদন্তকারীদের মতে, এই দুজনের সঙ্গে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগ ছিল। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এই যোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রমাণ মেলেনি। আবু বকরকে প্রায় ৬ থেকে ৯ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তার সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, আর্থিক লেনদেন এবং অনলাইন কার্যকলাপ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি কোনও উগ্রপন্থী মতাদর্শ বা নেটওয়ার্কের প্রভাবে পড়েছেন কি না, তাও তদন্তের আওতায় রয়েছে। অভিযান চলাকালীন ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য স্টোরেজ ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি, তবে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এই অভিযান ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েক মাসে মুম্বই, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটসহ বিভিন্ন জায়গায় এটিএস ও জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) একাধিক ‘হোয়াইট কলার’ সন্ত্রাসবাদী মডিউল ভেঙে দিয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন র‌্যাডিক্যালাইজেশন, অর্থায়ন এবং বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আধিকারিকরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ ধরনের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করা সহজ হয়েছে।

  • Noida Violence: ভুয়ো খবর ছড়ানো হয় পাকিস্তানি সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থেকে! নয়ডার শ্রমিক বিক্ষোভে হিংসার ঘটনায় নয়া তথ্য

    Noida Violence: ভুয়ো খবর ছড়ানো হয় পাকিস্তানি সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থেকে! নয়ডার শ্রমিক বিক্ষোভে হিংসার ঘটনায় নয়া তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডার সাম্প্রতিক শ্রমিক বিক্ষোভ (Noida Violence) ছিল একটি “পরিকল্পিত ও বহুস্তরীয় ষড়যন্ত্র”। এমনই দাবি উত্তরপ্রদেশ পুলিশের। নয়ডায় যে হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল, তা ছিল সীমান্তপারের চক্রান্ত। পুলিশের মতে, পাকিস্তান থেকে পরিচালিত দুটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশ কমিশনার লক্ষ্মী সিং জানান, শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলনকে বাইরের কিছু শক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে হাইজ্যাক করে।

    পাক অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর

    পুলিশ কমিশনার বলেন, “বর্তমানে নয়ডায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। গত দু’দিন ধরে শান্তি বজায় রয়েছে। পুলিশ ফ্ল্যাগ মার্চ ও পিকেটিং করেছে, সব শিল্প ইউনিট খুলেছে এবং শ্রমিকরা কাজে ফিরেছেন।” উত্তরপ্রদেশ সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটির সুপারিশ মেনে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং একটি ওয়েজ বোর্ড গঠনের ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর শ্রমিকরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন বলে জানান কমিশনার। তবে গত, ১৩ এপ্রিল একদল ব্যক্তি পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর পরেই দুটি সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থেকে পুলিশের গুলিতে একাধিক শ্রমিকের মৃত্যুর ভুয়ো খবর ছড়ানো হয়। তদন্তে জানা যায়, এই অ্যাকাউন্টগুলি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হচ্ছিল।

    কীভাবে ছড়ানো হয়েছিল বিক্ষোভ

    পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় তিনজন মূল ষড়যন্ত্রীকে চিহ্নিত করা হয়েছে—রূপেশ রাই, মনীষা চৌহান এবং আদিত্য আনন্দ। এদের মধ্যে রাই ও চৌহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আদিত্য আনন্দ পলাতক। পুলিশের দাবি, এই তিনজন শুধু নয়ডায় উপস্থিতই ছিলেন না, বরং শ্রমিকদের উস্কানি দিয়ে ভিড়কে হিংসাত্মক করে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল এই ষড়যন্ত্রের ছক কষা হয়। ৯ ও ১০ এপ্রিল কিউআর কোডের মাধ্যমে মানুষকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয়। ১০ এপ্রিল বিক্ষোভ শুরু হয়, ১১ এপ্রিল রাস্তায় অবরোধ হয় এবং ১৩ এপ্রিল পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ

    পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ৬২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই স্থানীয় শ্রমিক নন, বরং বাইরের লোক। তদন্তে সহায়তা করছে ইন্টেলিজেন্স বুরো এবং অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, প্রয়োজনে জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করা হতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নয়ডার শিল্পাঞ্চল, বিশেষত ফেজ-২ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সাধারণ শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ইচ্ছাকৃতভাবে হিংসার দিকে ঠেলে দেয়।

  • Noida Protests: হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই কষা হয়েছিল নয়ডার বিক্ষোভের ছক!

    Noida Protests: হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই কষা হয়েছিল নয়ডার বিক্ষোভের ছক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার মজুরি সংক্রান্ত বিষয়ে নয়ডায় যে হিংসাত্মক বিক্ষোভ (Noida Protests) দেখানো শুরু হয়েছিল, রাতারাতি (Planned Overnight) তা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই করা হয়েছিল বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে কিউআর কোডের মাধ্যমে প্রতিবাদকারীদের বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয় এবং বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন নামে একাধিক গ্রুপ খুঁজে পেয়েছেন, যার মধ্যে একটি ছিল ‘ওয়ার্কার্স মুভমেন্ট’ নামে। আধিকারিকদের মতে, বিক্ষোভ তীব্র করতে এসব গ্রুপে উত্তেজনাপূর্ণ ও উসকানিমূলক বার্তা ছড়ানো হয়েছিল।

    নয়ডায় বিক্ষোভ (Noida Protests)

    হরিয়ানা সরকারের ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দ্রুতই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির রূপ নেয়। ৪০,০০০-এরও বেশি বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক নিরাপত্তা বাহিনীর মুখোমুখি হয়। বিক্ষোভকারীদের আন্দোলনের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সব সড়ক। এই সময় জোরদার করা হয় নিরাপত্তা। নয়ডার ফেজ-২ এবং সেক্টর ৬৩-তে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় বিক্ষোভকারীরা গাড়ি ও সম্পত্তিতে আগুন লাগায়, ছোড়ে পাথর। তার জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ওই দিন সন্ধে পর্যন্ত অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে আটক করা হয় ৩০০-রও বেশি বিক্ষোভকারীকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে আরও ১০০ জনকে। আজ, মঙ্গলবারও চলছে বিক্ষোভ। সেখানে সেক্টর ৮০-তে শ্রমিকরা পুলিশের দিকে পাথর ছোড়ে।

    পুলিশের বক্তব্য

    পুলিশ জানিয়েছে, শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর কিছু বাইরের লোক নয়ডায় অশান্তি উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে (Noida Protests)। গৌতম বুদ্ধ নগর পুলিশের কমিশনার লক্ষ্মী সিং বলেন, “শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে চলে যাওয়ার পর জেলার বাইরের একটি দল পাশের জেলাগুলির সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে। তারা ঘুরে বেড়িয়ে উত্তেজনা ছড়ানো ও হিংসা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে। আমরা এই দলের কিছু সদস্যকে আটক করেছি। বাকিদেরও চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে (Planned Overnight)।” উত্তরপ্রদেশের শ্রমমন্ত্রী অনিল রাজভড় জানান, সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত গ্রেফতারের প্রেক্ষিতে নয়ডার অশান্তিতে সম্ভাব্য পাকিস্তানি যোগের তদন্ত চলছে (Noida Protests)।

    পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র

    এই বিক্ষোভকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। দিন কয়েক আগেই মীরাট ও নয়ডা থেকে চারজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের যোগাযোগ ছিল পাকিস্তানে থাকা পরিচালকদের সঙ্গে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা আরও জোরদার হয়। গোটা বিষয়টি নিয়ে সংস্থাগুলি তদন্ত করছে (Planned Overnight)।” তাঁর দাবি, এই অশান্তির উদ্দেশ্য হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুজফফরনগরের কর্মসূচি ব্যাহত করা। তিনি বলেন, “দেশবিরোধী শক্তি রাজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। মানুষ যেন কোনও ভ্রান্ত তথ্য বা উসকানিতে প্রভাবিত না হয় এবং শান্তি বজায় রাখে। বিশৃঙ্খলা বা আক্রমণাত্মক বিক্ষোভ কোনও সমস্যার সমাধান নয়। সরকার শ্রমিকদের সব সমস্যার কথা শুনতে প্রস্তুত (Noida Protests)।”

    উত্তরপ্রদেশে বাড়ল ন্যূনতম মজুরি  

    এদিকে, হিংসাত্মক বিক্ষোভের একদিন পর, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকার অদক্ষ, অর্ধদক্ষ ও দক্ষ শ্রমিকদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে। তবে মাসিক ন্যূনতম মজুরি ২০,০০০ টাকা করা হয়েছে—এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে সরকার। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা অনুযায়ী, গৌতম বুদ্ধ নগর ও গাজিয়াবাদে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে— অদক্ষ শ্রমিক মাসে পাবেন ১৩,৬৯০ টাকা, অর্ধদক্ষ শ্রমিক পাবেন ১৫,০৫৯ টাকা, দক্ষ শ্রমিক পাবেন ১৬,৮৬৮ টাকা।
    রাজ্য সরকারের মতে, শ্রম কোডের অধীনে জাতীয় স্তরে ন্যূনতম (Planned Overnight) মজুরি সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে (Noida Protests)।

     

  • Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডা ফেজ-২-এ শ্রমিকদের যে বিক্ষোভ চলছে, তাতে নকশালবাদ (Naxal Conspiracy) পুনরুজ্জীবিত করার একটি বড় ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ। নূন্যতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত চারদিন ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন শ্রমিকরা। এই অস্থিরতার আবহেই মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী শক্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি (Yogi)

    লখনউতে রবিবার রাতে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর জারি করা বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ বলেন, “শ্রমিক কল্যাণ সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিছু শক্তি শ্রমিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করতে পারে।” তিনি বলেন, “দেশে নকশালবাদ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে একে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে।” চলতে থাকা বিক্ষোভের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, গৌতম বুদ্ধ নগর, গাজিয়াবাদ, কানপুর, মীরাট, ফিরোজাবাদ, মোরাদাবাদ, বারাণসী এবং গোরখপুর-সহ শিল্পাঞ্চলগুলিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে (Yogi)। মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন, শিল্পোন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা করতে বলেছেন। তিনি বলেন, “প্রকৃত শ্রমিক সমস্যাগুলির সময়মতো এবং স্বচ্ছ পদ্ধতিতে সমাধান করা উচিত।”

    হিংসাত্মক বিক্ষোভ

    প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে নয়ডার বিভিন্ন শিল্প ইউনিটের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁরা বেতন বৃদ্ধির দাবি জানান। দেন এ সংক্রান্ত স্লোগানও। খানিকক্ষণের মধ্যেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, পাথর ছোড়ে, একটি গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, হরিয়ানা সরকার ন্যূনতম মজুরি ১৪,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯,০০০ করেছে। উত্তরপ্রদেশে এর পরিমাণ ১৩,০০০ টাকা থাকায় ফেজ-২ এলাকায় বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, গৌতম বুদ্ধ নগর কমিশনারেটের অধীনে শিল্প এলাকাগুলিতে যথেষ্ট নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
    প্রশাসন জনগণকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছে এবং জানিয়েছে, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
    মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, শ্রমিক প্রতিনিধিত্বের আড়ালে যারা অশান্তি (Naxal Conspiracy) ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের চিহ্নিত করতে এবং শিল্পাঞ্চলে নজরদারি (Yogi) বাড়াতে।

     

  • Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বহু বছর পর হরিয়ানার কাইথল জেলার সোঁগাল গ্রামে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ হয়েছে। এটি এই জায়গার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।” শনিবার কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    সোঁগাল গ্রামে এক ধর্মসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই পবিত্র স্থানে সমবেত সাধুসন্ত ও ভক্তদের আশীর্বাদ গ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি।” তিনি বলেন, “বহু বছর পর সোঁগালে এমন বিশাল সংখ্যক সাধুসন্ত ও ভক্ত উপস্থিত হয়েছেন। এই পবিত্র ভূমি, যা প্রতিটি যুগে নিজের প্রভাব দেখিয়েছে, সেখানে আজ এই পবিত্র ভাণ্ডারা ও ধর্মসভার মাধ্যমে আপনাদের দর্শন পাওয়ার এবং আপনাদের মাধ্যমে সেই মহান ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।”

    আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

    আদিত্যনাথ সোঁগালের ভূমিকে আধ্যাত্মিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেন, “এই জায়গাটি বহু বছর ধরে ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।” তাঁর মতে, সাধুসন্ত ও ভক্তদের এই ধরনের সমাবেশ দেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করে এবং মানুষকে ধর্মবিশ্বাস ও সেবার পথে চলতে প্রাণিত করে। তিনি এও বলেন, “এই ধরনের অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে না, বরং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষকে একত্রিত করে ভক্তদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে।” তিনি ধর্মসভা ও ভাণ্ডারা আয়োজনের জন্য আয়োজক ও স্থানীয় ভক্তদের প্রশংসা করেন। এই ধর্মসভায় বিপুল সংখ্যক সাধু, আধ্যাত্মিক নেতা ও অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বক্তৃতার পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছিল ভোজের। ভক্তরা একত্রিত হয়ে প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক আলোচনায় অংশ নেন।

    বাজপেয়ীর স্বপ্ন পূরণে কাজ

    মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধুসন্তদের শ্রদ্ধা জানান এবং ফের তুলে ধরেন ভারতের সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্বের কথা। এর আগে শুক্রবার, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও লখনউয়ের সাংসদ রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে লখনউয়ে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্রিন করিডর প্রকল্পের দু’টি ধাপের উদ্বোধন করেন। এটি রাজ্যের রাজধানীতে নগর পরিবহণ উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি আসন্ন আরও দু’টি ধাপের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজ্য সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করছে।

     

  • Ram Mandir: ধর্মীয় নগরী থেকে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে অযোধ্যা, কীভাবে জানেন?

    Ram Mandir: ধর্মীয় নগরী থেকে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে অযোধ্যা, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাম জন্মভূমি (Ram Mandir) মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি হয় এর উদ্বোধন। এই ঐতিহাসিক আয়োজন শুধু ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনাকেই পুনর্জাগরিত করেনি, বরং অযোধ্যাকে (Ayodhya) কেবল ধর্মীয় নগরী থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করেছে। এর পেছনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিশেষভাবে অবদান রেখেছে।

    কর্মসংস্থানের সুযোগ (Ram Mandir)

    শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভারতীয় মন্দিরগুলি শুধু আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই নয়, বরং স্থানীয় অর্থনীতি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিকাঠামো বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিরুপতি, বৈষ্ণোদেবী ও শিরডির মতো তীর্থস্থানগুলি তার উদাহরণ। এখন অযোধ্যাও আধুনিক অগ্রগতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমন্বয়ের এক নতুন মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (আইআইএম), লখনউ “দ্য ইকোনমিক রেনেসাঁ অব অযোধ্যা, ইন্ডিয়া: এ কেস স্টাডি অন শ্রী রাম মন্দির” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে এই পবিত্র স্থানটি অযোধ্যার অর্থনীতিকে বদলে দিচ্ছে (Ram Mandir)।

    মন্দির অর্থনীতি

    মন্দির অর্থনীতি বলতে মন্দিরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সব অর্থনৈতিক কার্যকলাপকে বোঝায়—দর্শনার্থীদের আগমন, তীর্থ পর্যটন, মন্দির পরিচালনা, প্রসাদ, ফুলের মালা, আবাসন, পরিবহণ-সহ অন্যান্য পরিষেবা। প্রাচীনকালে স্থানীয় অর্থনীতি যখন প্রধান ছিল, তখন মন্দিরগুলি আশপাশের জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করত। তীর্থযাত্রা দোকানদার, কারিগর, পুরোহিত, গাইড-সহ বহু মানুষের জীবিকা নিশ্চিত করত। বারাণসী, মাদুরাই, পুষ্কর ও উজ্জয়িনীর মতো শহরগুলি বড় শিল্পনগরী হিসেবে নয়, বরং মন্দির ও তীর্থকেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত (Ayodhya)। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই মন্দিরকেন্দ্রিক অর্থনীতি এসব শহরকে টিকিয়ে রেখেছে। প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থেও উল্লেখ রয়েছে যে মন্দিরগুলিকে সমাজের সব স্তরের, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতে হবে।

    কী বলছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা

    স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (এসবিআই) এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, ভারতের মন্দির অর্থনীতি প্রতিবছর প্রায় ৩.০২ লক্ষ কোটি থেকে ৬ লক্ষ কোটি টাকা অবদান রাখে, যা দেশের মোট জিডিপির প্রায় ২.৩ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ। একইভাবে রাম মন্দির অযোধ্যার অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে এবং শহরটিকে বিশ্বব্যাপী শীর্ষ তীর্থস্থানগুলির তালিকায় লিপিবদ্ধ করেছে (Ram Mandir)। রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত সময়ে সরকারকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা কর দিয়েছে। এর মধ্যে ২৭০ কোটি টাকা জিএসটি এবং ১৩০ কোটি টাকা অন্যান্য কর হিসেবে জমা হয়েছে। মন্দির থেকে সরকার প্রায় ৪০০ কোটি টাকা জিএসটি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে (Ayodhya)।

    অযোধ্যার অর্থনৈতিক প্রভাব

    মন্দির উদ্বোধনের পর অযোধ্যার অর্থনৈতিক প্রভাব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মীয় পর্যটন পরিবহণ, হোটেল, খাদ্য, ব্যবসা ও দান-খয়রাতিকে  বিশেষভাবে চাঙা করেছে। আইআইএম লখনউয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৩.৭৭ কোটি ভক্ত অযোধ্যা পরিদর্শন করেছেন এবং বছরের শেষে এই সংখ্যা ১৬–১৮ কোটিতে পৌঁছায়। তুলনায় ইতালির ভ্যাটিকান সিটি প্রতিবছর প্রায় ০.৯ কোটি দর্শনার্থী পায়। মুসলমানদের পবিত্রতম তীর্থস্থান মক্কায় প্রায় ২ কোটি মানুষ যান। অযোধ্যাও অন্যান্য ধর্মীয় কেন্দ্রকে ছাড়িয়ে ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি পর্যটন আয় অর্জন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে (Ram Mandir)।

    অর্থনৈতিক প্রভাব ৪ লাখ কোটি টাকারও বেশি

    এসবিআইয়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবর্ষে অযোধ্যায় তীর্থযাত্রা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের অর্থনৈতিক প্রভাব ৪ লাখ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। এতে পর্যটন, আতিথেয়তা, খুচরো ব্যবসা ও পরিবহণ খাতে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের পর একদিনেই দানের পরিমাণ ৩ কোটিরও বেশি হওয়ায় মন্দিরের জনপ্রিয়তা স্পষ্ট হয়। উত্তরপ্রদেশ সরকার ২০২৫ অর্থবর্ষে অতিরিক্ত প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা কর রাজস্ব পেয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। ফলে উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ছে (Ayodhya)। অযোধ্যায় হোটেল ও লজ খাতে দ্রুত উন্নয়ন হচ্ছে। ১৫০টির বেশি হোটেল ও লজ নির্মিত হয়েছে বা নির্মাণাধীন। তাজ হোটেলস, রেডিসন ও ওয়ো-র মতো ব্র্যান্ড সেখানে বিনিয়োগ করছে। সারা বছর হোটেলের গড় দখলের হার ৬০–৭০ শতাংশ, আর উৎসবের মরশুমে তা ১০০ শতাংশ (Ram Mandir)। ডোমিনোজ ও পিৎজা হাটের মতো আন্তর্জাতিক খাদ্যচেইনও শাখা খুলেছে।

    ব্যাপক কর্মসংস্থান

    মন্দির নির্মাণ ও পরিচালনায় সরাসরি ১,০০০-এর বেশি মানুষ কাজ করছেন। মন্দির নির্মাণের সময় ৫০,০০০-এর বেশি শ্রমিক যুক্ত ছিলেন। মন্দির সম্পন্ন হওয়ার পর প্রায় ১.২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। জমির মূল্য ২০২০ সালের আগে যেখানে প্রতি বর্গফুট ৪০০–৮০০ টাকা ছিল, ২০২৪ সালে তা বেড়ে ৪,০০০–১০,০০০ টাকায় পৌঁছেছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। অযোধ্যা মাস্টার প্ল্যান ২০৩১-এর আওতায় ৮৫,০০০ কোটিরও বেশি বিনিয়োগ ঘোষণা করা হয়েছে। সড়ক, ড্রেনেজ, স্মার্ট ট্রাফিক, বাস টার্মিনাল ও নগর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। মহর্ষি বাল্মীকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চালু হয়। ২০২৫ অর্থবর্ষে ১.১ কোটি যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেছে। এ ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পরিমাণ ৪২৩ শতাংশ। ভবিষ্যতে বছরে ১০ কোটি যাত্রী পরিবহণের পরিকল্পনা রয়েছে (Ayodhya)।

    অযোধ্যা ধাম জংশন আধুনিকীকরণ

    অযোধ্যা ধাম জংশন আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। লখনউ, বারাণসী, প্রয়াগরাজ ও গোরখপুরের সঙ্গে নতুন এক্সপ্রেসওয়ে সংযোগ স্থাপন হয়েছে। ই-রিকশার সংখ্যা ৫০০ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭,০০০। হোটেলের সংখ্যা ২০ থেকে বেড়ে হয়েছে ২০০। ব্যাঙ্কের শাখা ১৫ থেকে ৬০ (Ram Mandir)। ইলেকট্রনিক্স দোকান ১০৮ থেকে ৪০১। পেট্রোল ও সিএনজি পাম্প ৫০-এর কম থেকে ৭৫-এর বেশি। ফুটপাতে বিক্রেতার সংখ্যা ৫০০ থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় ২,০০০। ফৈজাবাদ, বস্তি, সুলতানপুর, আমেঠি, লখনউ ও গোরখপুরেও অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। হোটেল, গেস্ট হাউস, ধর্মশালা এবং লজিস্টিক সেবার সম্প্রসারণ ঘটেছে। সব মিলিয়ে স্পষ্ট যে, মোদি ও যোগী সরকার শুধু রাম মন্দির নির্মাণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং অযোধ্যাকে বিশ্বমানের তীর্থনগরী (Ayodhya) হিসেবে গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনায় কাজ করছে (Ram Mandir)।

     

  • Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর জেলায় পাঁচটি জিমকে কেন্দ্র করে চলা একটি ইসলাম ধর্মান্তর চক্রের (Mirzapur Gym Conversion Racket) পর্দাফাঁস করেছে পুলিশ। দুই হিন্দু নারী আলাদা আলাদা অভিযোগ (Police) দায়ের করে জানান, মুসলিম জিম প্রশিক্ষকেরা তাঁদের যৌন হয়রান করেছে, অর্থ আদায় করেছে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে চাপ দিয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, ভাদোহির এক পুলিশ কনস্টেবল ইরশাদ খানও এই ধর্মান্তর চক্রের সঙ্গে জড়িত।

    ফরিদ আহমেদ (Mirzapur Gym Conversion Racket)

     জিআরপি  তার সহযোগী ফরিদ আহমেদ ‘আয়রণ ফায়ার’ ও ‘কেজিএন ২.০’ নামের জিম চালানোর আড়ালে ৫০ জনেরও বেশি তরুণীকে ফাঁদে ফেলেছিল বলে অভিযোগ। এর আগে মির্জাপুর কোতওয়ালি দেহাত পুলিশ মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। খারঞ্জা ফলসের কাছে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশের গুলি গিয়ে লাগে ফরিদের পায়ে। ফরিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে মির্জাপুর পুলিশ।

    লাকি আলি খান 

    এদিকে, চক্রটির মূল হোতা আশফাক ওরফে লাকি আলি খান এবং তার ভাই ইমরান খানের বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করা হয়েছে, যাতে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে। একই সঙ্গে পুলিশ দুই ভাইয়ের প্রত্যেকের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, কনস্টেবল ইরশাদ খান অবৈধ তোলাবাজি থেকে অর্জিত অর্থে দামি গাড়ি চালাতেন এবং একাধিক জিমের একটি চেইন গড়ে তুলেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)। অভিযুক্ত মুসলিমদের পরিচালিত জিমে যেসব হিন্দু নারী যেতেন, তাঁদের বিশ্বাস অর্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘সান্নো’ নামের এক মুসলিম নারীকে (Police)।

    ‘কেরালা স্টোরি’

    একটি তথাকথিত ‘কেরালা স্টোরি’ ধাঁচের ঘটনায়, সান্নো নামের ওই মুসলিম মহিলা চক্রটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং হিন্দু মেয়েদের বিশ্বাস অর্জন করে তাঁদের ফাঁদে ফেলার কাজ করতেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিত। কোনও ‘শিকার’ যদি একটি জিমে ফাঁদে না পড়তেন, তাহলে তাঁকে ফাঁদে ফেলার দায়িত্ব ন্যস্ত হত অন্য জিমের হাতে। ইসলামে ধর্মান্তরের লক্ষ্যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার অভিযোগে পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচটি জিম— কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন ৩.০, বি-ফিট এবং আয়রন ফায়ার সিল করে দিয়েছে, যাতে প্রমাণ লোপাট না করা যায় (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    জেলাশাসকের বক্তব্য 

    জেলাশাসক পবন কুমার গঙ্গওয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারা অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব জিম পরিচালনার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর জিমগুলি সিল করে দেওয়া হয় (Police)। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে পুলিশ শত শত ছবি, ভিডিও ও চ্যাট-সহ গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ পেয়েছে। পুলিশ এই জিম-কেন্দ্রিক ইসলামি ধর্মান্তর চক্রের আর্থিক লেনদেনের সূত্রও খতিয়ে দেখছে। কেজিএন ২.০ জিমের মালিক অমিত দুবে জানান, জিমটি এই ধরনের বেআইনি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল, তা তিনি জানতেন না। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই জিমের দামি যন্ত্রপাতি ধর্মান্তরের মাধ্যমে অর্জিত অর্থে কেনা হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গভীর রাত পর্যন্ত জিমে যাতায়াত ছিল মহিলাদের এবং সেখানে পার্টির আয়োজনও হত (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    মির্জাপুরের পুলিশ সুপার সোমেন ভার্মা বলেন, “এটি কোতওয়ালি দেহাত এলাকার একটি মামলা। দুই মহিলা তাঁদের জিমের মালিক ও প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিমের মালিক ও অন্যদের বিরুদ্ধে নারীদের শোষণ, তোলাবাজি এবং অবৈধভাবে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আমরা বর্তমানে এই মামলার সব অভিযোগ তদন্ত করছি।” এদিকে, সিটি এএসপি নীতিশ সিং জানান, পাঁচটি জিমের মধ্যে চারটি পরিচালনা করতেন তিন ভাই ও তাঁদের এক জামাই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বহু ভুক্তভোগীর মধ্যে দুজন অভিযোগ দায়ের করার পর। মির্জাপুর পুলিশ তৎক্ষণাৎ অভিযান চালিয়ে তিনটি জিম সিল করে এবং মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে (Police)।

    পৃথক অভিযোগ

    কোতওয়ালি দেহাত থানায় পৃথক অভিযোগে দুই হিন্দু মহিলা জানান, মির্জাপুরে জিম ট্রেনার হিসেবে কর্মরত অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা প্রথমে তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, পরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। এমনকি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও তৈরি করেও ব্ল্যাকমেল করা হয় এবং শেষে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়া হয় (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ২০ জানুয়ারি নটওয়ান মিল্লত নগরের বাসিন্দা মহম্মদ শেখ আলি আলম এবং গোসাই তালাব এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। জিজ্ঞাসাবাদ ও ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ জাহির ও শাদাব নামের আরও দু’জনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ও আটক সকল অভিযুক্তই বিভিন্ন জিমের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং একটি সংগঠিত ‘লাভ জেহাদ’ নেটওয়ার্ক চালাচ্ছিল।

    ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত

    অভিযুক্ত জাহির কেজিএন-১ জিমের মালিক। তবে তিনি যুক্ত ছিলেন কেজিএন-২, কেজিএন-৩ এবং আয়রন ফায়ার জিমের সঙ্গেও। যাঁরা অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁরা আগে কেজিএন জিমে যেতেন, সেখানেই অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষদের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়। বি-ফিট জিমে যাওয়া এক অভিযোগকারী জানান, অভিযুক্ত শেখ আলি তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ধীরে ধীরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। পরে তাকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা আদায় করা হয়। এমনকি তার নামে ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত অভিযুক্তরা (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ভুক্তভোগীর দাবি, শেখ আলি আলম একাধিকবার তাকে বোরখা পরিয়ে ছবি তুলেছে এবং দিনে পাঁচবার নামাজ পড়তে বাধ্য করেছে। তাকে দরগায় নিয়ে গিয়ে কালমা পড়তে বাধ্য করা হয় এবং জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করানো হয়। ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে শেখ আলি আলম তাঁকে গালিগালাজ করে, অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, জিম ট্রেনার ফয়সাল ও তার সহযোগীরাও এই ধর্মান্তর চক্রে যুক্ত।

    ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা

    পুলিশের দাবি, এখন পর্যন্ত সিল করা পাঁচটি জিমে প্রায় ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলে শোষণ ও ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে এবং তাদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের চেষ্টা চলছিল। এখন পুলিশ শুধু অভিযুক্তদের কল ডেটা রেকর্ডই নয়, জিমগুলির অর্থায়নের উৎসও তদন্ত করছে। যদিও জিম ট্রেনারদের বেতন ছিল মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা, তবু তারা দামি ব্র্যান্ডের পোশাক ও জুতো এবং দামী মোবাইল ফোন ব্যবহার করত।  রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মির্জাপুরের কয়েকজন (Police) প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিও এসব জিমে বিনিয়োগ করেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

     

  • Uttar Pradesh: বাংলাদেশের পরিস্থিতি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান যোগীর, জাত–ধর্মভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

    Uttar Pradesh: বাংলাদেশের পরিস্থিতি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান যোগীর, জাত–ধর্মভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের ধ্বংস করে দেবে, যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে।” প্রয়াগরাজে (Uttar Pradesh) জগতগুরু রামানন্দাচার্যের ৭২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (CM Yogi)। জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া সতর্কবার্তাও দেন তিনি। বলেন, “এ ধরনের বিভাজন সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়, বাংলাদেশ তার জ্বলন্ত উদাহরণ।”

    ধ্বংস করে দেবে (Uttar Pradesh)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের ধ্বংস করে দেবে, যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিংসার শিকার হচ্ছেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।” বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে যোগী আদিত্যনাথ তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষদেরও কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যা ঘটছে, তা নিয়ে কেউ কথা বলছে না। যারা নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করে এবং হিন্দু সমাজকে বিভক্ত করার চেষ্টা করে, তারা বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হওয়া নির্যাতনের বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব (Uttar Pradesh)।”

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে (CM Yogi)। বিরোধীদের কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওঁদের মুখে যেন ফেভিকল লাগানো রয়েছে,  অথবা কেউ সেলোটেপ এঁটে দিয়েছে। কারও মুখ থেকে একটি কথাও বেরোচ্ছে না” (Uttar Pradesh)।এদিন ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন জগদগুরু রামানন্দাচার্যকে। তিনি বলেন, “প্রায় ৭০০ বছর আগে জগদগুরু রামানন্দাচার্য ভগবান সব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ঈশ্বরের শরণ নেওয়ার অধিকার প্রত্যেক মানুষের রয়েছে। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি বিভিন্ন জাতের শিষ্যও গ্রহণ করেছিলেন।”

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    এদিকে, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান- ঐক্য পরিষদের এক বিবৃতি অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশে অন্তত ৫১টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে, ১০টি খুন, ১০টি চুরি ও ডাকাতির ঘটনা, ২৩টি বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও জমি দখল, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা, ৪টি ক্ষেত্রে ধর্ম অবমাননা ও ‘র’-এর এজেন্ট তকমা দিয়ে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার এবং নির্যাতন,  ১টি ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা এবং ৩টি শারীরিক হামলার ঘটনা। হিংসার এই প্রবণতা নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেও অব্যাহত রয়েছে বলে খবর। ৩ জানুয়ারি, শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে হত্যা করার পর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় (Uttar Pradesh)।

    এদিনই ভোরবেলায় চট্টগ্রামের বোয়ালখালি উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মিলন দাসের পরিবারকে ডাকাতির সময় বন্দি করে রাখা হয়। ওই দিনই কুমিল্লার হোমনা এলাকায় সোনু দাসের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ১০ ভরি সোনার গয়না, ১২ ভরি রুপো এবং নগদ ২০ হাজার টাকা লুট করা হয় বলে অভিযোগ (CM Yogi)।

  • Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১৮ অক্টোবর যোগী রাজ্য থেকে ডেলিভারি হবে ব্রহ্মসের (Brahmos Missiles) প্রথম ব্যাচের। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় পাকিস্তানের রাতের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছিল এই ব্রহ্মস। শক্তিশালী এই সুপারসনিক মিসাইলের ঘায়ে ছারখার হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের অন্দরমহল। উত্তরপ্রদেশ ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডরের ভাটগাঁও এলাকায় রয়েছে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের লখনউ (Lucknow) ইউনিট। গত ১১ মে, জাতীয় প্রযুক্তি দিবসে এই ইউনিটটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    কী বলেছিলেন রাজনাথ? (Brahmos Missiles)

    ব্রহ্মস ইন্টিগ্রেশন ও টেস্টিং ফ্যাসিলিটি সেন্টারের ভার্চুয়াল উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, “অপারেশন সিঁদুর শুধুমাত্র একটি সামরিক অভিযানই ছিল না, এটি ছিল ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক ও কৌশলগত দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক।” লখনউয়ের এই ইউনিটটি তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই মিসাইল প্রথম দিকে বছরে ৮০-১০০টি তৈরি করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। পরে এই লক্ষ্যমাত্রাই বাড়িয়ে করা হয় ১৫০টি। এই কারখানায় যেমন একদিকে মিসাইল উৎপাদন হয়, ঠিক তেমনই একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং তার চূড়ান্ত মানও নির্ণয় করা হয়। শনিবার, ধনতেরাসের দিন এই কারখানা থেকে বের হবে ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচ। জানা গিয়েছে, শুধু ভারতের জন্য মিসাইল উৎপাদন নয়, অস্ত্র রফতানির জন্যও ব্রহ্মস উৎপাদন করা হবে। বিশ্ব বাণিজ্যে সমরাস্ত্র রফতানিতে নয়া বাজার ধরতে চাইছে ভারত (Brahmos Missiles)।

    অনুষ্ঠানসূচি

    জানা গিয়েছে, এদিন মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে উদ্বোধন করা হবে বুস্টার ভবনের। বুস্টার ডকিং প্রক্রিয়ার একটি প্রদর্শনীতেও যোগ দেবেন যোগ এবং রাজনাথ। এয়ারফ্রেম এবং এভিওনিক্স, ওয়ারহেড ভবনে পিডিআই এবং ব্রহ্মস সিমুলেটর সরঞ্জামের ওপর অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীও ঘুরে দেখবেন তাঁরা। পালিত হবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও। একটি স্টোরেজ ট্রলি প্রদর্শনী, জিএসটি বিল উপস্থাপনা এবং মোবাইল অটোনমাস লঞ্চারও প্রদর্শিত হবে। প্রসঙ্গত, লখনউয়ের ব্রহ্মস উৎপাদন ইউনিটটি ২০১৮ সালের গ্লোবাল ইনভেস্টরস সম্মেলনে ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয় ওই প্রকল্পের। এই প্রতিরক্ষা করিডরে ছ’টি কেন্দ্র রয়েছে। এগুলি হল (Lucknow), লখনউ, কানপুর, আলিগড়, আগ্রা, ঝাঁসি এবং চিত্রকূট (Brahmos Missiles)।

LinkedIn
Share