Tag: Uttar Pradesh

Uttar Pradesh

  • Ayodhya Ram Mandir: অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

    Ayodhya Ram Mandir: অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় (Ayodhya) প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর (foundation stone) স্থাপন করলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী (Uttar Pradesh cm) যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। এই উপলক্ষে মঙ্গলবার হয় বিশেষ প্রার্থনাসভা ও পুজোপাঠ। উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত পূজারি এবং সাধু-সন্ন্যাসীরা। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে এদিন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঢেকে দেওয়া হয় মন্দির চত্বর। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ দিনটি অতি পবিত্র। এই পবিত্র দিনেই মন্দিরের গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হল।

    ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ ভারতবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

    তার পর থেকে মন্দির নির্মাণের কাজ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। আজ হল গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। তিনি বলেন, মন্দির নির্মাণের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক বছরের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে ভারতবাসীর এই স্বপ্নের মন্দির। দর্শনার্থীদের জন্য মন্দির খুলে দেওয়া হবে আগামী বছরের ডিসেম্বরে।

    আরও পড়ুন : ১৮৬২টি মন্দির ভেঙে বদলে দেওয়া হয়েছে মসজিদে! তালিকা প্রকাশ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের

    মন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, অযোধ্যার এই মন্দিরটি হবে ত্রিতল বিশিষ্ট। পুরোটাই হবে গ্রানাইট পাথর দিয়ে। মন্দির তৈরি করতে লাগবে ১৭ হাজার গ্রানাইট পাথর। প্রতিটি পাথর লম্বায় পাঁচ ফুট, চওড়ায় আড়াই ফুট। রাজস্থানের ভরতপুর থেকে নিয়ে আসা হয়েছে পাথর। আট একর জমির ওপর তৈরি হচ্ছে মন্দির। গত রবিবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছিলেন, রাম মন্দির নির্মাণের পাশাপাশি কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Viswanath) সহ অন্যান্য মন্দির সংস্কারের কাজে হাত দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন : ভোজশালার সরস্বতী মন্দির ভেঙেও গড়ে উঠেছিল মসজিদ?

    ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হয় রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিবাদের (Ram Janmabhoomi-Babri Masjid dispute)। হিন্দুদের দাবি ছিল, যে জায়গায় বাবরি মসজিদ রয়েছে, সেখানেই জন্মেছিলেন ভগবান রাম। তাই দীর্ঘদিন ধরেই রাম মন্দিরের পক্ষে সওয়াল করছিলেন হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন।

    শেষমেশ প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের (Ranjan Gogoi) নেতৃত্বে আদালতের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ অযোধ্যা মামলার রায় দেয়। বিচারপতি সব পক্ষকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে রায় পড়ে শোনান। তিনটি পক্ষই আদালতে সওয়াল-জবাব করেছে। তাদের প্রত্যেকের সওয়াল-জবাবকেই মান্যতা দিয়ে তার পক্ষে বিপক্ষে মতামত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তার পরেই জমিটি রাম লালার বলে রায় দেয় শীর্ষ আদালত।

     

  • Mathura Mosque: এবার মথুরার শাহি ইদগাহে উঠল আজান বন্ধের দাবি

    Mathura Mosque: এবার মথুরার শাহি ইদগাহে উঠল আজান বন্ধের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার লাউডস্পিকার ব্যবহার করে আজান নিষিদ্ধ করার দাবি উঠল মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদে। বৃহস্পতিবার নতুন করে মথুরা আদালতে আবেদন করে হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠন।

    মথুরার একটি জমিতে রয়েছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মন্দির। ওই জমিরই একাংশে রয়েছে শাহি ইদগাহ মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, যে জায়গায় মসজিদটি রয়েছে, সেখানেই জন্মেছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। তাই শাহি ইদগাহ অপসারণের দাবি জানিয়ে দায়ের হয় মামলা। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মথুরার একটি দেওয়ানি আদালত এই মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে।

    পরে, ওই বছরেরই ২০ অক্টোবর মথুরা জেলা আদালত ফের মামলাটি গ্রহণ করে। পরবর্তীকালে রঞ্জনা অগ্নিহোত্রী নামে একজন দাবি করেন শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি প্রভুর জন্মস্থান। দেওয়ানি আপিলে তিনি এবং আরও কয়েকজন দাবি করেন, শ্রীকৃষ্ণের উপাসক হওয়ায় তাঁদের ধর্মের অধিকার রয়েছে। ভগবানের প্রকৃত জন্মস্থানে দর্শন ও পুজো করার অধিকার তাঁদের দিতে হবে। তাঁদের দাবি, এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, তার ঠিক নীচেই রয়েছে কৃষ্ণের জন্মভূমি।

    আরও পড়ুন : ম্যাঙ্গালুরুর বিতর্কিত সেই মসজিদে ধর্মীয় আচার পালন ভিএইচপি, বজরং দলের

    আদালতে আরও একটি আবেদন করেছিলেন অল ইন্ডিয়া হিন্দু মহাসভার জাতীয় কোষাধ্যক্ষ দীনেশ কৌশিক। সিভিল জজ সিনিয়র ডিভিশন মথুরার কাছে একটি আবেদনে দাবি করেন শাহি ইদগাহ মসজিদের ভিতরে থাকা লাড্ডু গোপালকে পবিত্র করার এবং সেখানে নিয়মিত পুজো করার অনুমতি দেওয়া হোক।

    বৃহস্পতিবার আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে। অখিল ভারত হিন্দু কোষাধ্যক্ষ দীনেশ শর্মার দাবি, যেহেতু ইদগাহটি ছিল ভগবান কৃষ্ণের গর্ভগৃহ, তাই এখানে আজান হওয়া ঠিক না। তিনি বলেন, মসজিদের আশেপাশে যাঁরা বসবাস করেন, আজানের ফলে তাঁদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।দীনেশ বলেন, যেহেতু লাউডস্পিকারে আজান বন্ধের ওপর স্থগিতাদেশ রয়েছে, তাই এখানেও মাইকে আজান না হওয়াই উচিত।  

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদে পাওয়া ‘শিবলিঙ্গ’ বিশ্বেশ্বরের! দাবি কাশীর প্রধান মহন্তর

    এর আগেও বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন মথুরার আদালতে মসজিদ সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে ১০টি পিটিশন দাখিল করেছিল। এই মসজিদ লাগোয়া একটি কৃষ্ণের মন্দিরও রয়েছে, কাটরা দেব মন্দির। মসজিদের এলাকা আগে কেশব দেব মন্দিরের ছিল বলেও দাবি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বিতর্কের রেশ এখনও মিলিয়ে যায়নি। এর মধ্যেই ক্রমশ মাথাচাড়া দিচ্ছে মথুরার মসজিদ বিতর্ক।

  • National Anthem: মাদ্রাসাগুলিতে প্রার্থনার সময় গাইতে হবে জাতীয় সঙ্গীত, উত্তরপ্রদেশের পথে হরিয়ানাও?

    National Anthem: মাদ্রাসাগুলিতে প্রার্থনার সময় গাইতে হবে জাতীয় সঙ্গীত, উত্তরপ্রদেশের পথে হরিয়ানাও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসা (madrassa) বা স্কুলগুলিতে প্রার্থনার পর জাতীয় সঙ্গীত গাইলে কারোর কোনও সমস্যা হতে পারে না, অভিমত হরিয়ানার (Haryana) শিক্ষামন্ত্রী কানোয়ার পালের। এই বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সরকারের সঙ্গে একমত তিনি। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের সব মাদ্রাসায় প্রার্থনার পর জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) বাধ্যতামূলক করেছে যোগী সরকার। এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে কানোয়ার জানান, হরিয়ানাতেও সব মাদ্রাসা বা স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে সরকার।

    কানোয়ার বলেন, “জাতীয় সঙ্গীত সব জায়গায় গাওয়া যেতে পারে। এটা দেশবাসীর কাছে গর্বের। স্কুল হোক বা মাদ্রাসা, জাতীয় সঙ্গীত গাইলে কারোর বাধা দেওয়া উচিত নয়।” উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরপ্রদেশের সমস্ত মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত “জন গণ মন” গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের তরফ থেকে বৃহস্পতিবার এই মর্মে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। 

    নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রতিটি মাদ্রাসায় সকালে হয় জাতীয় সঙ্গীতের সুর বাজাতে হবে না হলে গাইতে হবে। এই নির্দেশিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার এস এন পান্ডেও সমস্ত মাদ্রাসায় এই নির্দেশ জারি করেছেন বলে জানা গিয়েছে।       

    নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ক্লাস শুরুর আগে, রাজ্যের সমস্ত স্বীকৃত, সাহায্যপ্রাপ্ত এবং অ-সহায়ক মাদ্রাসায় আসন্ন শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষক এবং ছাত্রদের দ্বারা জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হবে। কিছু কিছু মাদ্রাসায় অবশ্য জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। তবে এবার প্রতিটি মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত বাধ্যতামূলক করে দিল যোগী সরকার।  

    হরিয়ানাতেও কী এধরনের পদক্ষেপ করা হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরে কানোয়ার জানান “জন গণ মন” গাওয়াতে কোনও সমস্যা নেই। হরিয়ানা সরকার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। হরিয়ানা সরকারের ক্লাস নাইনের ইতিহাস বইতে তথ্য বিকৃতির অভিযোগ করেছিল কংগ্রেস। সেই দাবি খারিজ করে দিয়ে কানোয়ার জানান, কোনও দলের ইচ্ছানুসারে ইতিহাস রচনা করা যায় না।

  • Gyanvapi Mosque Update: জ্ঞানবাপী মামলার রায়দান স্থগিত মঙ্গলবার পর্যন্ত

    Gyanvapi Mosque Update: জ্ঞানবাপী মামলার রায়দান স্থগিত মঙ্গলবার পর্যন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এদিনের মতো শুনানি শেষ হল কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (kashi viswanath temple)- জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) মামলার। আগামিকাল পর্যন্ত রায়দান মুলতুবি রেখেছে বারাণসী জেলা আদালত (Varanasi district court)। আদালতে মোট ৩টি পিটিশন দাখিল করা হয়েছে, যার ওপর এদিন হয় শুনানি। শুনানি হয় জেলা বিচারক অজয় কুমার বিশ্বেশার এজলাসে। শুনানি চলে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে।

    মুসলিমদের তরফে আবেদন করেছে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। আর হিন্দুদের পক্ষ থেকে আবেদন করেছেন লক্ষ্মীদেবী, রাখি সিং, সীতা সাহু, মঞ্জু ব্যাস এবং রেখা পাঠক।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে মিলল পুরনো মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, হিন্দু মোটিফ!

    সোমবার শুনানির সময় ১৯ জন আইনজীবী এবং ৪ জন আবেদনকারী সহ মোট ২৩ জনকে আদালত কক্ষে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছিল। অশান্তির আশঙ্কায় আদালত চত্বরে ব্যবস্থা করা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তার। বারাণসী আদালতে উভয় পক্ষের তরফে মোট ৭টি দাবি পেশ করা হয়েছে। হিন্দুদের দাবি পাঁচটি। আর মুসলমানদের তরফে দাবি করা হয়েছে দুটি। হিন্দুদের দাবি, শৃঙ্গার গৌরীতে (Shringar Gauri) নিত্যদিন পুজোর অনুমতি দিতে হবে। ওজুখানার জলাধারে পাওয়া শিবলিঙ্গের (shivling) পুজোর অনুমতি দিতে হবে। বিকল্প ওজুখানার (Wazukhana) ব্যবস্থা করতে হবে। নন্দীর সামনের দেওয়াল ভেঙে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করতে হবে। এবং শিবলিঙ্গের দৈর্ঘ্য ও প্রস্ত জরিপ করতে হবে।

    আরও পড়ুন : ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, জ্ঞানবাপী মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    এদিকে, একটি পিটিশন দাখিল করে মুসলিম পক্ষ দাবি করেছে দুটি। তারা ওজুখানা সিল করার বিরোধিতা করেছে। সেই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, জ্ঞানবাপী জরিপ (Gyanvapi survey) ও ১৯৯১ সালের প্রার্থনাস্থল  আইনে (Places of Worship Act, 1991) মামলা নিয়ে। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বারাণসী আদালতকে শুনানির জন্য চার সপ্তাহ সময় দিয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে শুনানি শেষ করতে বলেছে।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরেই রয়েছে জ্ঞাপবাপী মসজিদ। হিন্দুদের দাবি, মসজিদ তৈরি হয়েছিল মন্দির ভেঙে, ষোড়শ শতকে। পরে বর্তমান মন্দিরটি তৈরি করেন রানি অহল্যাবাই। আর মুসলিম পক্ষের দাবি হল, ভারতীয় সংবিধানে উপাসনা স্থান সংক্রান্ত বিশেষ বিধান। এই আইনে বলা হয়েছে, ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্টের আগে তৈরি হওয়া উপাসনালয়ের ধর্মীয় চরিত্র অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। সেই কারণেই জ্ঞানবাপী মসজিদে হস্তক্ষেপে বাধা দিচ্ছে মুসলিম পক্ষ।

     

  • Sri krishna Janmabhoomi: কৃষ্ণ জন্মভূমিতে মসজিদ মামলা গ্রহণ করল মথুরার আদালত

    Sri krishna Janmabhoomi: কৃষ্ণ জন্মভূমিতে মসজিদ মামলা গ্রহণ করল মথুরার আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষ্ণ জন্মভূমির (Sri krishna Janmabhoomi) জমিতে শাহি ইদগাহ মসজিদ (shahi idgah mosque) গড়ে ওঠার অভিযোগ জানিয়ে যে মামলা দায়ের হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য। এমনটাই জানাল মথুরার আদালত (Mathura court)। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে মামলাটি খারিজ করে দেওয়া সিভিল কোর্টের আদেশও বাতিল করে দিয়েছে জেলা আদালত।

    মথুরার একটি জমিতে রয়েছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মন্দির। ওই জমিরই একাংশে রয়েছে শাহি ইদগাহ মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, যে জায়গায় মসজিদটি রয়েছে, সেখানেই জন্মেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। তাই শাহি ইদগাহ অপসারণের দাবি জানিয়ে দায়ের হয়েছিল মামলা। আবেদনে দাবি করা হয়, ১৩.৩৭ একর জমি মন্দিরের। ফলে, মসজিদ সরিয়ে ওই জমি মন্দিরকে হস্তান্তর করা হোক।

    ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মথুরার একটি দেওয়ানি আদালত এই মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। ওই বছরেরই ২০ অক্টোবর মথুরা জেলা আদালত ফের মামলাটি দায়ের করা হয়। পরবর্তীকালে রঞ্জনা অগ্নিহোত্রী নামে একজন দাবি করেন, শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি প্রভুর জন্মস্থান। দেওয়ানি আপিলে তাঁরা দাবি করেছিলেন, শ্রীকৃষ্ণের উপাসক হওয়ায় তাঁদের ধর্মের অধিকার রয়েছে। ভগবানের প্রকৃত জন্মস্থানে দর্শন ও পুজো করার অধিকার তাঁদের দিতে হবে। তাঁদের দাবি, এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, তার ঠিক নীচেই রয়েছে কৃষ্ণের জন্মভূমি। দু’পক্ষের শুনানি শেষে আদলত রায় সংরক্ষণ করে।

    আরও পড়ুন : ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, জ্ঞানবাপী মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    আদালতে আরও একটি আবেদন করেছিলেন অল ইন্ডিয়া হিন্দু মহাসভার জাতীয় কোষাধ্যক্ষ দীনেশ কৌশিক। দায়রা বিচারক সিনিয়র ডিভিশন মথুরার কাছে একটি আবেদনে তিনি দাবি করেন, শাহি ইদগাহ মসজিদের ভিতরে থাকা লাড্ডু গোপালকে পবিত্র করার এবং সেখানে নিয়মিত পুজো করার অনুমতি দেওয়া হোক।

    ভারত দীর্ঘকাল মুসলমান শাসকের অধীনে ছিল। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের অভিযোগ, ওই সময়কালে বহু মন্দির ভেঙে গড়ে উঠেছে মসজিদ। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে সবচেয়ে বেশি মন্দির ধ্বংস হয়েছিল বলে ইতিহাসবিদদের একাংশের দাবি। তাঁদের দাবি, এই সময়ই বারাণসীতে কাশী বিশ্বনাথের মন্দির ভেঙে তৈরি হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ। এই মসজিদে শিবলিঙ্গ মিলেছে বলে দাবি এক আইনজীবীর। মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে যে মসজিদ তৈরি হয়েছিল, তাও প্রমাণও মিলেছে এক ইতিহাস বইতে।

    আরও পড়ুন : মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    এহেন আবহে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদ নিয়ে বিতর্ক। গত ১৭ তারিখ এই বিতর্কিত ইদগাহ চত্বর সিল করার দাবিও মথুরার একটি আদালতে করেছিল আবেদনকারীরা। বিতর্কিত জায়গাটি সিল করা না হলে পরিবর্তিত হবে সম্পত্তির ধর্মীয় চরিত্র। মসজিদ চত্বরে নিরাপত্তার দাবিও জানানো হয়। 

    আবেদনে শাহী ইদগাহ মসজিদ প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা বাড়ানো, যে কোনও ধরনের চলাচল নিষিদ্ধ এবং নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগের দাবিও জানানো হয়। পাশাপাশ, জ্ঞানবাপীর মতো এখানেও আদালত নিযুক্ত কমিশনারের নেতৃত্বে গোটা চত্বরে ভিডিও সমীক্ষা চালানো হোক বলেও দাবি করা হয়েছে। আগামী ১ জুলাই এই আবেদনের শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

     

  • Yogi Adityanath: যোগীর ট্যাটু বুকে নিয়ে ঘুরছেন উত্তরপ্রদেশের মুসলিম যুবক, কেন জানেন?

    Yogi Adityanath: যোগীর ট্যাটু বুকে নিয়ে ঘুরছেন উত্তরপ্রদেশের মুসলিম যুবক, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রিয় নায়ক কিংবা নায়িকার ছবি ট্যাটু (Tattoo) করতে দেখা যায় অনেককেই। তবে কোনও রাজনীতিবিদ বা মুখ্যমন্ত্রীর (CM) জন্মদিনে নিজের শরীরে ট্যাটু করানোর ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না। তবে এবার দেখা গেল। উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) ছবি বুকে ট্যাটু করিয়ে ঘুরছেন এক যুবক। শুনতে অবাক লাগলেও, এমন ঘটনাই ঘটেছে। হয়েছে ভাইরালও। জানা গিয়েছে, ছবিতে যে যুবককে দেখা যাচ্ছে, তাঁর নাম ইয়ামিন সিদ্দিকী। বছর তেইশের ওই যুবক মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকেই তাঁর আদর্শ বলে মনে করেন। তাঁর বাড়ি উত্তরপ্রদেশের সরাই আগস্তে।  

    দিন দুয়েক আগেই দ্বিতীয় দফায় একশো দিন পেরল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। প্রথম দফার পরে দ্বিতীয় দফায়ও যোগী আদিত্যনাথের কাজের ধরন ও জনগণের জন্য তাঁর নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে মুগ্ধ ইয়ামিন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি তাঁর আবেগ এতটাই যে ৫ জুন যোগীর জন্মদিনে নিজের বুকে আদিত্যনাথের ট্যাটু করিয়েছেন তিনি।ইয়ামিন মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম অন্ধ ভক্ত। আদিত্যনাথের সঙ্গে এখনও দেখা হয়নি তাঁর। তবে তিনি চান, শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে। দেখাতে চান বুকে আঁকা আদিত্যনাথের ছবি।

    আরও পড়ুন :যোগী সরকারের দ্বিতীয় দফায় ১০০ দিনের রিপোর্ট কার্ড পেশ

    নিজের শরীরে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ট্যাটু করানোর পরে কম গঞ্জনা সইতে হয়নি ইয়ামিনকে। তাঁর মুসলিম বন্ধুরা যখন বিষয়টি জেনেছিলেন, তখন তাঁরা ইয়ামিনের সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন। তাতে অবশ্য দমে যাননি ওই তরুণ। বলেন, উত্তর প্রদেশে যোগী সরকার গঠনের পর থেকেই বদলে গিয়েছে রাজ্যের ছবি। যোগী সরকারের বিভিন্ন স্কিম গরিবদের জন্যও। কেউ কখনও বৈষম্যের শিকার হননি। হিন্দু বা মুসলিম প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন সবাই সমানভাবে।

    হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মার বক্তব্যের পরে পাথর ছোড়া ও রাজ্যে অশান্তি প্রসঙ্গে ইয়ামিন বলেন, যোগী আদিত্যনাথ ভাল সরকার চালাচ্ছেন। তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিরোধীরা ষড়যন্ত্র করে পাথর ছোঁড়ে, তাণ্ডব চালায়।

    আরও পড়ুন : “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

  • Lucknow: লখনউ- এর নাম বদলে লক্ষ্মণপুরী? যোগীর ট্যুইটে নয়া জল্পনা 

    Lucknow: লখনউ- এর নাম বদলে লক্ষ্মণপুরী? যোগীর ট্যুইটে নয়া জল্পনা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারে আসার প্রথম পাঁচ বছরেই উত্তরপ্রদেশবাসীর বহুদিনের দাবি ফৈজাবাদ এবং এলাহাবাদের নাম পরিবর্তন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi)। ফৈজাবাদের নাম বদলে করা হয়েছে অযোধ্যা এবং এলাহাবাদের নতুন নাম প্রয়াগরাজ। উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয়বারের জন্যে ক্ষমতায় এসেছেন যোগী। তাহলে এবার কী নাম পরিবর্তনের পালা লখনউ- এর? যোগীর সাম্প্রতিক ট্যুইট ঘিরে এমনই বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Modi) লখনউতে স্বাগত জানিয়ে একটি ট্যুইট করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ”শেষ অবতার ভগবান লক্ষ্মণের পবিত্র নগরীতে আপনাকে স্বাগত জানাই।” লখনউকে (Lucknow) ‘লক্ষ্মণের নগরী’ (Laxmanpuri) বলে ট্যুইটে উল্লেখ করাতেই জল্পনা শুরু হয়। তবে কী এবার লখনউয়ের নাম বদল করে ‘লক্ষ্মণপুরী’ করতে চলেছেন যোগী?     

    [tw]


    [/tw]

    জনশ্রুতি রয়েছে, লক্ষ্মণ থেকে বিকৃত হয়ে লখনউ নামটি এসেছে। ধর্মীয় বিশ্বাস, রামের ভাই লক্ষ্মণের নামেই রাখা হয়েছিল শহরটির নাম। পরবর্তীতে তা উচ্চারণ বিকৃতিতে বদলে যায়। বহুদিন ধরেই তাই বিজেপির দাবি লখনউ-এর নাম বদলে ‘লক্ষ্মণপুরী’ করা হোক। যোগীর ট্যুইটের পরেই সেই জল্পনার পালে আবার হাওয়া লেগেছে।  

    লখনউ- এর মেয়র সংযুক্তা ভাটিয়া এর আগে জানিয়েছিলেন, ”লক্ষ্মণের ১৫১ ফুট উঁচু মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে লখনউতে। তার জন্যে ১৫ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই বরাদ্দ করেছে সরকার। শহরের কোন জায়গায় বসানো হবে মূর্তিটা সেই সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি।”  ভাটিয়া আরও জানান, মূর্তিটি জাদুঘরের আদলে তৈরি করা হবে। সেখানে লক্ষ্মণপুরীর ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হবে। 

    প্রথমবার যোগী মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসার পরেই বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা এবং রাজস্থানের বর্তমান রাজ্যপাল কালরাজ মিশ্র লখনউ- এর নাম বদলে লক্ষ্মণপুরী করার দাবি জানিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য এর ফলে মানুষ ভারতীয় সংস্কৃতিকে বুঝতে পারবে। 

    এর আগেও বেশ কিছু জায়গার নাম পরিবর্তন করেছেন যোগী। সুলতানপুর, মির্জাপুর, আলিগড়, ফিরোজাবাদেরও নাম বদল করার প্রস্তাব দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। প্রস্তাব গৃহীত হলে সুলতানপুরের নাম হবে কুশ ভবনপুর, মেইনপুর হবে মায়া নগরী, আলিগড় হবে হরিগড়, ফিরোজাবাদ হবে চন্দ্রানগর এবং মির্জাপুর হবে বিন্ধধাম। সেকারণেই যোগীর এই নয়া ট্যুইটে লখনউ-এর নাম বদল নিয়ে জল্পনা দানা বেঁধেছে। 

     

  • Jammu & Kashmir: কাশ্মীরে ‘হাইব্রিড’ সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মৌলবীরা?

    Jammu & Kashmir: কাশ্মীরে ‘হাইব্রিড’ সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মৌলবীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে (Kashmir) অশান্তির জন্য কাঠগড়ায় বিহার (Bihar) ও উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মৌলবীরা (Maulvi)। উপত্যকায় ‘হাইব্রিড’ সন্ত্রাসের (Hybrid Terrorism) জন্য তারাই দায়ী বলে দাবি করা হয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে (intel note)। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের দৌলতে প্রকাশ্যে এসেছে সেই নোট। তাতে বলা হয়েছে, কাশ্মীরি যুবকদের বিভ্রান্ত করতে তারা গোপনে কোরান সম্পর্কে তাদের সীমিত জ্ঞানকে কাজে লাগায়।

    নয়ের দশকের গোড়ার দিক থেকেই অশান্তির আঁচ পুড়তে থাকে কাশ্মীর। হিন্দু পণ্ডিতদের নির্বিচারে নিধন করে উপত্যকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করতে উদ্যোগী হয় বিজেপি। উনিশের ভোটের পর কাশ্মীর থেকে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। তার পরে ক্রমেই নিভতে থাকে অশান্তির আঁচ। সম্প্রতি ফের কাশ্মীরে মাথাচাড়া দিয়েছে সন্ত্রাস। আর এই সন্ত্রাসের শিকড় খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করেন গোয়েন্দারা। তাতেই জানা যায়, উপত্যকার তরুণদের ‘মাথা খাচ্ছে’ বিহার ও উত্তরপ্রদেশের মৌলবীদের একাংশ।

    প্রকাশ্যে আসা গোয়েন্দা নোট থেকে জানা যাচ্ছে, বিহার ও উত্তরপ্রদেশের মৌলবীরা জীবিকার খোঁজে কাশ্মীরে যান। সেখানে অনায়াসেই মিলে যায় ইমামের চাকরি। তারপরেই শুরু হয় আসল খেলা। ধর্মশিক্ষার নামে তৈরি হতে থাকে হাইব্রিড জঙ্গি (hybrid terrorist)।

    হাইব্রিড সন্ত্রাসবাদী কারা? গোয়েন্দাদের মতে, যারা জঙ্গি-তালিকাভুক্ত নয়, কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও একটি জঙ্গি হামলার জন্য নিয়োগ করা হয় তাদের বলা হয়ে থাকে হাইব্রিড জঙ্গি। এর সুবিধা হল, এভাবে সহজেই নিরাপত্তরক্ষীদের চোখে ধুলো দেওয়া যায়।

    গোয়েন্দাদের ওই নোটে বলা হয়েছে, এই মৌলবীরা প্রথমে ইসলাম সম্পর্কে ওই তরুণদের জ্ঞান পরীক্ষা করে। পরে ‘ভাল মুসলিম’ না হওয়ার জন্য তরুণদের উপহাস করে। পরে জেহাদের জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করা হয়।

    আরও পড়ুন : অফিসে ঢুকে গুলি করে খুন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে, ফের অশান্ত ভূস্বর্গ

    এই মৌলবীরা (maulvis) যে তরুণদের মাথা খাচ্ছে, তার উদাহরণ দিতে গিয়ে নোটে কাশ্মীরের শাঙ্গুশের উল্লেখ করা হয়েছে। এক সময় অনন্তনাগের এই তহশিল ছিল অন্যতম শান্তিপূর্ণ এলাকা। এলাকার তরুণরা সেনাবাহিনী, আধা-সামরিক বাহিনী সহ সরকারি নানা বিভাগে কাজ করত। ২০১২-১৩ সালে এখানকার মসজিদে ‘বহিরাগত’ মৌলবীদের নিয়োগ করা হয়।

    নোটে বলা হয়েছে, তার জেরে বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরে হিংস্র হয়ে ওঠে শাঙ্গুস। পরে পুলিশ ওই মৌলবীদের তুলে নিয়ে গিয়ে জেলার বাইরে পাঠায়। তার জেরে আপাতত শান্ত ওই এলাকা। একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে পুলওয়ামা, ওয়াচি, কুলগাম এবং শোপিয়ানেও।

     

  • Suvendu Thanks Yogi: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    Suvendu Thanks Yogi: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় (UP Assembly) চাঁচাছোলা ভাষায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi)। উত্তরপ্রদেশে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শুক্রবার বিধানসভার ভাষণে যোগী বলেন, “উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের সময় সমাজবাদী পার্টিকে সমর্থন করতে বাংলা থেকে এক দিদি এসেছিলেন। বাংলায় ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস হয়েছে ১২,০০০। বাংলায় ২৯৪টি আসনের মধ্যে ১৪২টি আসনে হিংসার ঘটনা ঘটে। বাংলার জনসংখ্যা উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক। উত্তরপ্রদেশে ভোট চলাকালীন ও ভোট পরবর্তী কোনও হিংসা হয়নি।”  

    অখিলেশ যাদবকেও (Akhilesh Yadav) এদিন একহাত নেন যোগী। তিনি বলেন, “ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সাফল্য মেনে নিতে অস্বীকার করছে অখিলেশ যাদবের দল। বিজেপির জয়ও অস্বীকার করছে। তারা জিতলে সব ঠিক আছে। কিন্তু বিজেপি জিতলে ইভিএমে (EVM) কিছু ত্রুটি আছে। এটা আসলে মানুষের অপমান।”

    যোগীর এদিনের মমতাকে কটাক্ষ করার ঘটনায় খুশি এরাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। ট্যুইট করে যোগীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু লেখেন, “যোগী আদিত্যনাথকে বাংলার ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের নির্মম চিত্র তুলে ধরার জন্য আমি অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই।”

    [tw]


    [/tw]
     
    যোগী এদিন পরিসংখ্যান দিয়ে দাবি করেন, “বাংলায় ১৪২টি আসনে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২৫ হাজার বুথ প্রভাবিত হয়েছে। রাজনৈতিক হিংসার কারণে বিজেপির প্রায় দশ হাজার কর্মী শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। খুন হয়েছেন ৭৫ জন।” এর পরেই উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তুলনা টেনে বলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “উত্তরপ্রদেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা অর্ধেক। রাজ্যের  লোকসংখ্যা বেশি হওয়া সত্ত্বেও উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের আগে ও পরে কোনও হিংসার ঘটেনি। এই হল সুষ্ঠু আইনশৃঙ্খলার উদাহরণ।”  

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের ভোট পরবর্তী হিংসা প্রসঙ্গে সরব হয়েছিল বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। মামলাও হয় তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। মামলাটি এখন বিচারাধীন। তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে সিবিআই। এদিন সেই প্রসঙ্গই বিধানসভায় তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আক্রমণ শানালেন যোগী আদিত্যনাথ।  

     

  • Ghaziabad Hijab Row: গাজিয়াবাদের কলেজে হিজাব-বিতর্ক, নির্দিষ্ট পোশাক পরতে বলায় প্রতিবাদ ছাত্রীদের

    Ghaziabad Hijab Row: গাজিয়াবাদের কলেজে হিজাব-বিতর্ক, নির্দিষ্ট পোশাক পরতে বলায় প্রতিবাদ ছাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি গাজিয়াবাদের (Ghaziabad) একটি কলেজের বাইরে কয়েকজন হিজাব (Hijab Row) পরিহিতা ছাত্রীর প্রতিবাদ করার একটি ভিডিও ভাইরাল (viral video) হয়েছে। ভিডিওটি মোদিনগরের গিন্নি দেবী কলেজের। কলেজটিতে ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছিল। অভিযোগ, কিছু ছাত্রী হিজাব পরে আসায় তাদের হাতে ট্যাবলেট তুলে দিতে অস্বীকার করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। আর তার জেরেই এই অশান্তির সূত্রপাত।

    গাজিয়াবাদ পুলিশের বক্তব্য, খবর পাওয়ার পরেই তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং ছাত্রীদের বাড়ি পাঠানো হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিক্রিয়া দিয়ে জানিয়েছে, কলেজ চত্বরের বাইরে কী হচ্ছে তা দেখা তাদের দায়িত্ব নয়। তাদের কথায়, “ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছিল। ৬৯ টি ট্যাবলেট দেওয়া বাকি ছিল। কিছু ছাত্রী কলেজের পোশাক পরে আসেনি। তাদের কলেজের নিয়ম মেনে চলতে বলাতেই তারা ক্ষেপে ওঠে। কলেজ থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর তারা কলেজ চত্বরের বাইরে কী করেছে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়।”

     

LinkedIn
Share