Tag: Uttar Pradesh

Uttar Pradesh

  • Allahabad High Court: সম্ভল মসজিদ মামলায় কমিটির আবেদন খারিজ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Allahabad High Court: সম্ভল মসজিদ মামলায় কমিটির আবেদন খারিজ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ করে দিল উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। সোমবার উত্তরপ্রদেশের সম্ভালে অবস্থিত শাহি জামে মসজিদের সমীক্ষার নির্দেশ বহাল রাখল তারা। গত নভেম্বরে ট্রায়াল কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন (Sambhal Survey Order) মসজিদ কমিটি। প্রসঙ্গত, হিন্দু পক্ষের দাবি, মুঘল যুগে একটি মন্দির ভেঙে নির্মাণ করা হয়েছিল এই মসজিদ।

    সম্ভলে ব্যাপক হিংসা (Allahabad High Court)

    গত ২৪ নভেম্বর সম্ভলে ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটে। সেদিন পাঁচশো বছরের পুরানো ওই মসজিদে সমীক্ষার কাজ চালাতে এসেছিল অ্যাডভোকেট কমিশনের দল। তাদের বাধা দেয় জনতার একাংশ। তার পরেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তাদের।ট্রায়াল কোর্টের সমীক্ষার নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে ট্রায়াল কোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অতিরিক্ত কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।

    পুজো করার অধিকার দাবি

    প্রসঙ্গত, সিভিল কোর্টে মূল মামলাটি দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন এবং আরও সাতজন। তাঁদের দাবি, এখন যেখানে মসজিদটি গড়ে উঠেছে, সেখানে আগে ছিল হরিহর মন্দির। মূল মন্দিরের জায়গায় তাঁরা পুজো করার অধিকারও চান। জানা গিয়েছে, বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের সিঙ্গল বেঞ্চের এই নির্দেশের পর সমীক্ষা মামলাটি সম্ভল জেলা আদালতে চলবে।

    মসজিদ কমিটি একটি দেওয়ানি পুনর্বিবেচনার আবেদন দায়ের করেছে। এতে জেলা আদালতে চলা বর্তমান মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়। তাদের দাবি, সমীক্ষার নির্দেশটি তড়িঘড়ি করে এবং আগে কোনও নোটিশ না দিয়েই জারি করা হয়েছিল। তারা আরও উল্লেখ করেছে, মসজিদটি ইতিমধ্যেই দু’বার সমীক্ষা করা হয়েছে – একবার নির্দেশের দিনই, আর একবার ২৪ নভেম্বর, যেদিন হিংসা ছড়িয়ে পড়েছিল (Allahabad High Court)।

    ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ আদালতে জানিয়েছে, মসজিদটিকে একটি কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। একে জনসাধারণের উপাসনার স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। কারণ এই দাবির স্বপক্ষে কোনও নথি মেলেনি।

    এদিকে, অ্যাডভোকেট কমিশনার রমেশ রাঘব, যিনি (Sambhal Survey Order) এই সমীক্ষার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তিনি ইতিমধ্যেই সিল করা সমীক্ষার রিপোর্ট জমা দিয়েছেন ট্রায়াল কোর্টে (Allahabad High Court)।

  • ISI: গোপন তথ্য দিতেন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে! এ বার গ্রেফতার উত্তরপ্রদেশের শাহজাদ

    ISI: গোপন তথ্য দিতেন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে! এ বার গ্রেফতার উত্তরপ্রদেশের শাহজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ফের গ্রেফতার করা হল একজনকে। শনিবারই উত্তরপ্রদেশের রামপুর জেলা থেকে সন্ত্রাসদমন শাখা (এটিএস) গ্রেফতার করে শাহজাদ নামের একজনকে। তাঁকে আপাতত নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, একাধিকবার পাকিস্তানেও গিয়েছেন শাহজাদ। সেখানে আইএসআই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও হত তাঁর। সন্ত্রাস দমন শাখার আরও চাঞ্চল্যকর দাবি, শাহজাদ রামপুর ও উত্তর প্রদেশের অন্যান্য অংশ থেকে সাধারণ মানুষদের পাকিস্তানে পাঠাত আইএসআই-র হয়ে কাজ করার জন্য।

    শাহজাদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ

    জানা গিয়েছে, শাহজাদ পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর (ISI) হাতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা গোপন তথ্য তুলে দিতেন। আইএসআই-এর শীর্ষকর্তাদের একাংশের সঙ্গেও তাঁর সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে বিগত কয়েক দিন ধরেই শাহজাদ নামের ওই যুবকের উপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ। শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ১৪৮ ও ১৫২ ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    শাহজাদ একাধিক বার পাকিস্তানে গিয়েছিলেন

    আরও জানা যাচ্ছে, শাহজাদ একাধিক বার পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। সেখানেই আইএসআই-এর (ISI) মদতে তিনি সীমান্ত পেরিয়ে নানা জিনিস চোরাচালান করতেন বলে জানা যাচ্ছে। চোরাচালানের কারবারের আড়ালেই এই চরবৃত্তি চলত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তরকারীরা। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানে আইএসআই-এর (ISI) লোকজনকে ভারতের সিমকার্ড দেওয়া, এদেশে আইএসআই এজেন্টদের থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    জ্যোতির পরে হরিয়ানায় গ্রেফতার নোমান ইলাহী

    জ্যোতি মলহোত্রার পরেই পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির (ISI) অভিযোগে হরিয়ানা থেকে নোমান ইলাহী নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, তিনি উত্তরপ্রদেশের শামলীর বাসিন্দা তবে কর্মসূত্রে থাকতেন হরিয়ানায়। হরিয়ানার পানিপথে একটি কারখানায় নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন নোমান। কাজের আড়ালেই চলত চরবৃত্তি। প্রসঙ্গত, চরবৃত্তির অভিযোগে কয়েক দিন আগে গ্রেফতার হয়েছেন হরিয়ানার বছর পঁচিশের এক পড়ুয়াও।

  • Train Sabotage: চালকের তৎপরতায় ভেস্তে গেল ট্রেন অন্তর্ঘাতের চেষ্টা, প্রাণে বাঁচলেন গরিব রথের যাত্রীরা

    Train Sabotage: চালকের তৎপরতায় ভেস্তে গেল ট্রেন অন্তর্ঘাতের চেষ্টা, প্রাণে বাঁচলেন গরিব রথের যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন বন্ধ থাকার পর রেলে ফের অন্তর্ঘাতের (Train Sabotage) চেষ্টা! চালকের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) দিলওয়ার নগর ও রহিমাবাদ স্টেশনের মাঝের ঘটনা। দুষ্কৃতীরা রেললাইনের ওপর কাঠের ব্লক ফেলে রেখেছিল। তাতে একটা গামছা জড়ানো। গামছায় লেখা ছিল ‘রাম’ নাম। গভীর রাতে ওই লাইনে আসছিল গরিব রথ। ট্রেন ধাক্কা খায় কাঠের ব্লকে। তবে ট্রেনটির গতি কম থাকায় এড়ানো গিয়েছে দুর্ঘটনা। চালক সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি জানান সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষকে। কর্তৃপক্ষ লখনউ থেকে আসা ০৫৫৭৭ সহরসা আনন্দ বিহার গরিব রথ নামের ওই ট্রেনটিকে থামিয়ে দেন মাহিলাবাদ স্টেশনে। ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঠের ব্লক সরিয়ে দেয় পুলিশ। উদ্ধার করা হয় রাম নাম লেখা গামছা। সন্দেহজনক এই সব জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে ১১০৯/১১ নম্বর পোলের কাছে। অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে আরপিএফ এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একটি দল। রেললাইনে পাওয়া জিনিসপত্রের ফরেনসিক পরীক্ষাও করবে পুলিশ।

    লাইনে কাঠের ব্লক (Train Sabotage)

    দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখছে। জানা গিয়েছে, গরিব রথকে লাইনচ্যুত করতে দুর্বৃত্তরা দিলাওয়ার নগর ও রহিমাবাদের মধ্যে প্রায় আড়াই ফুট লম্বা ও ছয় ইঞ্চিরও পুরু একটি কাঠের ব্লক আড়াআড়িভাবে রেখেছিল রেলওয়ে ট্র্যাকের ওপর। অন্তর্ঘাতের দিক থেকে নজর ঘোরাতে লাইনের ওপর ফেলে রাখা হয়েছিল কিছু সবুজ গাছের ডালপালাও। তদন্তকারী এক পদস্থ পুলিশ কর্তা বলেন, “যে সময়ে (রাত ২.৪৩ মিনিট), যে অবস্থানে এবং যে পদ্ধতিতে বাধাটি স্থাপন করা হয়েছিল, তাতে ব্যাপক প্রাণহানির উদ্দেশে একটি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা ছিল বলে ইঙ্গিত মিলেছে।” তিনি বলেন, “আমরা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছি এবং ঘটনাটিকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অন্তর্ঘাতের চেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করছি।”

    অন্তর্ঘাতের চেষ্টা হয়েছে আগেও

    এর আগে গত বছর একাধিকবার ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটিয়ে নাশকতার ছক কষা হয়েছিল। সময়মতো রেলকর্মী ও স্থানীয়দের তৎপরতায় সেগুলি ভেস্তে যায়।  উত্তরপ্রদেশেরই কানপুরে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পায় কালিন্দী এক্সপ্রেস। সেবার কানপুরের শিবরাজপুরের কাছে রেললাইনের ওপর রাখা ছিল রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার (Train Sabotage)। সিলিন্ডার উদ্ধারের পাশাপাশি আরপিএফ ওই জায়গা থেকে সন্দেহজনক কয়েকটি জিনিসও উদ্ধার করে। সিলিন্ডারটি যেখানে (Uttar Pradesh) রাখা ছিল, সেখানে একটি হলুদ রংয়ের পদার্থও উদ্ধার করে পুলিশ (Train Sabotage)। কখনও রায়বরেলীতে রেললাইনের ওপর সিমেন্টের ব্লক ফেলে রাখা হয়। আবার কোথাও রেললাইনে ডাঁই করা মাটি, তো কোথাও আবার মোটরসাইকেলের স্ক্র্যাপ ফেলে রাখা হয়। কোথাও ফিশপ্লেট খুলে রাখা হয়। ফের একবার, রেলে নাশকতা তৈরির ছক বানচাল করা হল।

  • Aadhaar scam: তৈরি হয়েছিল ফেক পোর্টাল! দেশব্যাপী আধার কার্ড জালিয়াতির বিরাট চক্র ধরল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    Aadhaar scam: তৈরি হয়েছিল ফেক পোর্টাল! দেশব্যাপী আধার কার্ড জালিয়াতির বিরাট চক্র ধরল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে জাল আধার কার্ড চক্রের বড়সড় পর্দাফাঁস (Aadhaar scam) করল উত্তরপ্রদেশের সম্ভলের (Sambhal Police) প্রশাসন। এই ঘটনায় চারজন অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করেছে তারা। এত বড় চক্রের পর্দা ফাঁস করে উত্তরপ্রদেশের বাহজয়ী পুলিশ স্টেশন। গত ২ মার্চ এই থানাতে একটি অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ দায়ের করেন ওই থানার অন্তর্গত বাহারওয়ালি গ্রামের বাসিন্দা চন্দ্রসেন। এই অভিযোগ দায়ের করা হয় বিনোদ সিংয়ের বিরুদ্ধে। বিনোদ ছিলেন পঞ্চম সিংয়ের ছেলে। ওই বিনোদ প্রতারণা করে একটি ট্রাক্টর নেন তাঁর অসুস্থ সন্তানের নামে। কিন্তু তাঁর সন্তানের মৃত্যুর পরে ওই ট্রাক্টরটি তিনি অবৈধভাবে বিক্রি করে দেন অন্য একজনকে। এরপরে বিনোদ তাঁর বাবার আধার কার্ড জাল (Aadhaar scam) করে আর্থিক লাভ নেওয়া শুরু করেন, প্রধানমন্ত্রীর জীবনজ্যোতি বিমার আওতায়।

    গ্রামে গ্রামে গিয়ে আধার কার্ডে তথ্য সংগ্রহ করত এই চক্র

    এরপরই অভিযোগ সামনে আসে এবং বাহজয়ী পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের হয়। শুরু হয় তদন্ত। সেখানেই ধরা পড়ে চক্র। একটি গ্যাংয়ের কথা উঠে আসে। যারা দেশজুড়ে বিভিন্ন জেলায় গ্রামে গ্রামে গিয়ে আধার কার্ড ও জনবিন্যাস সংক্রান্ত নানা সংগ্রহ করত (Aadhaar scam)। এগুলিই তারা ব্যবহার করত বিভিন্ন প্রতারণার কাজে। এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। যাদের বাড়ি উত্তরপ্রদেশের বদায়ুঁ এবং আমরোহা জেলাতে। ধৃতদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, কম্পিউটার, সিস্টেম ডিভাইস, বায়োমেট্রিক ডেটা, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের সরঞ্জাম এই সমস্ত কিছু উদ্ধার হয়েছে। এর পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে রবার (নকল) ফিঙ্গারপ্রিন্ট, জাল পাসপোর্ট, ১৩টি রাজ্যের ৪২ টি জাল জন্মের শংসাপত্র, মোবাইল ফোন, ৩৬টি প্যান কার্ড, ৪০০টি আধার এনরোলমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন উদ্ধার হয়েছে।

    আধারের ফেক প্রোফাইলও তৈরি করেছিল এই চক্র

    শুধু তাই নয়, অনলাইন আধারের জন্য যে পোর্টাল চালু রয়েছে ইউআইডিএআই, কোডিং ব্যবহার করে তারাও এরকম একটি ফেক ইউআইডিএআই পোর্টাল তৈরি করেছিল (Aadhaar scam) জালিয়াতরা। এর মাধ্যমে প্রতারণার কাজ চলত। তদন্তের সময় বিনোদের মোবাইল পরীক্ষা করে পুলিশ। সেখানেই পুলিশ দেখে যে তাঁর বাবার নামে দুটি আধার কার্ড রেজিস্টার করা আছে। এই দুটি আধার কার্ড সে ব্যবহার করত। একটি জন্ম তারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৫৫, অপরটির জন্ম তারিখ ১ জুলাই ১৯৭৬। পঞ্চম সিংয়ের আধার কার্ড লিঙ্ক ছিল বিনোদের মোবাইল ফোনের সঙ্গে (Sambhal Police)।

  • Rana Sanga: ইব্রাহিম লোদি থেকে বাবর, তাঁর হাতেই হন পরাস্ত, জানুন রানা সঙ্গের বীরত্বগাথা

    Rana Sanga: ইব্রাহিম লোদি থেকে বাবর, তাঁর হাতেই হন পরাস্ত, জানুন রানা সঙ্গের বীরত্বগাথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ রামজি লাল সুমন সম্প্রতি রানা সঙ্গ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। সংগ্রাম সিং যিনি রানা সঙ্গ (Rana Sanga) নামে পরিচিত তাঁকে বিশ্বাসঘাতক বলে উল্লেখ করেছেন সমাজবাদী পার্টির এই নেতা। এতেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। দেশজুড়ে নিন্দার ঝড়ও উঠেছে এহেন মন্তব্যের প্রতিবাদে। গত শনিবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ বলেন, ‘‘রানা সঙ্গ ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করার জন্য বাবরকে ভারতে ডেকেছিলেন।’’ এই কারণে রানা সঙ্গকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ। তবে গবেষকরা বলছেন, ‘‘সমাজবাদী পার্টির সাংসদের এমন দাবি বিকৃত তথ্যের উপর দাঁড়িয়ে আছে এবং এটা মিথ্যাচার ছাড়া কিছুই নয়।’’ বাস্তবতা হল, রানা সঙ্গ নিজেই একাধিকবার ইব্রাহিম লোদিকে পরাস্ত করতে সমর্থ হয়েছিলেন। এর বাইরে গুজরাট এবং মালোয়ার সুলতানের সেনাবাহিনীকে বেশ কয়েকবার পরাস্ত করেন এই ভারতীয় রাজা। শুধু তাই নয়, বায়নার যুদ্ধে রানা সঙ্গের কাছে পরাস্ত হন খোদ বাবরও।

    সংগ্রাম সিংয়ের দাপটে পরাস্ত হন বাবরও (Babar)

    ১৫২৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাবর ও সংগ্রাম সিংয়ের বাহিনী বায়নার যুদ্ধক্ষেত্রে মুখোমুখি হয়। এই যুদ্ধে বাবরের বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হয়। স্কটিশ ইতিহাসবিদ উইলিয়াম এরস্কাইন লিখছেন, সংগ্রাম সিংয়ের বীরত্ব সম্পর্কে আগে থেকেই জানতেন বাবর। কিন্তু বায়নার যুদ্ধে তিনি প্রথমবারের জন্য মুখোমুখি হন এই ভারতীয় রাজার। এরস্কাইনের মতে, মুঘলরা বুঝতে পেরেছিল যে রানা সংগ্রাম সিং (Rana Sanga) আফগানদের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। বায়নার যুদ্ধ সম্পর্কে মুঘল সম্রাট বাবর তাঁর আত্মজীবনী বাবরনামায় লিখছেন, ‘‘কাফেররা এত ভয়ঙ্কর যুদ্ধ করছিল যে মুঘল সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে গিয়েছিল। তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল।’’ ইতিহাসবিদ কৃষ্ণরামের মতে, সংগ্রাম সিং বাবরকে একজন অত্যাচারী এবং বিদেশি আক্রমণকারী হিসেবে বিবেচনা করতেন। তিনি দিল্লি এবং আগ্রা জয় করে এই বিদেশি আক্রমণকারীদের শেষ করতে চেয়েছিলেন। বাবরের সঙ্গে এই যুদ্ধে (বায়নার) রানা সঙ্গকে সমর্থন করেন অনেক ভারতীয় রাজা। মারওয়ারের শাসক রাও গঙ্গার পুত্র মালদেব, চান্দেরির মেদিনী রায়, মের্তার রাইমল রাঠোর, সিরোহির আখেরাজ দুদা, ডুঙ্গারপুরের রাওয়াল উদয় সিং, সালুম্বরের রাওয়াত রত্না সিং, সাদারীর ঝালা আজা প্রমুখরা রানা সঙ্গকে (Rana Sanga) সমর্থন করেন।

    একশোটিরও বেশি যুদ্ধ করেছিলেন রানা সঙ্গ (Rana Sanga)

    ব্যাপক শক্তিশালী সেনা ছিল রানা সঙ্গের। ইব্রাহিম লোদিকে একাধিকবার পরাস্ত করতে সক্ষম হন এই ভারতীয় রাজা। তাঁর দাপটের সামনে টিকতে পারতেন না অত্যাচারী সুলতানরা। এমন একজন রাজাকে কেন বাইরের কারও সাহায্য নিতে হবে? এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য রানার সঙ্গের বিরোধীরা দিতে পারেননি। এমন প্রসঙ্গ নিয়ে কোনও কথা বলতেও শোনা যায়নি সমাজবাদী পার্টির সাংসদকে। জানা যায়, ১৫০৮ সালেই মেবারের শাসক হয়ে ওঠেন রানা সঙ্গ। নিজের জীবনে ১০০টিরও বেশি তিনি যুদ্ধ করেছিলেন। এরমধ্যে একমাত্র খানুয়ার যুদ্ধে তিনি পরাস্ত হয়েছিলেন। রানা সঙ্গের এই দাপট এবং বীরত্বের জন্য তাঁকে ‘হিন্দুপত’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। জানা যায়, যুদ্ধে লড়তে গিয়ে তিনি নিজের একটি চোখ এবং একটি হাতও হারিয়েছিলেন। শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে তাঁর একটি পা নষ্ট হয়ে যায়। রানা সঙ্গের বা সংগ্রাম সিংয়ের শরীরে আশিটিরও বেশি গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানা যায়। তবুও কোনও কিছুতেই তিনি দমেননি।

    ২ লাখ পদাতিক বাহিনী, ৮০ হাজার ঘোড়া ছিল রানা সঙ্গের

    জানা যায়, সংগ্রাম সিংয়ের (Rana Sanga) আমলে মেবারের সীমানা দূর-দূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল। সে সময়ে মেবারে সীমানা ছিল পূর্বে আগ্রা, যা বর্তমানে উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত এবং দক্ষিণে গুজরাট পর্যন্ত বিস্তৃত। রাজপুতানার ইতিহাসে নিয়ে গবেষণা করেছেন কর্নেল জেমস। তিনি জানাচ্ছেন, রানা সংগ্রাম সিংয়ের ছিল ৮০ হাজার ঘোড়া, ৫০০ হাতি এবং প্রায় দু’লক্ষ পদাতিক সৈন্য। এছাড়াও কর্নেল জেমস নিজের একাধিক লেখায় উল্লেখ করেছেন, সংগ্রাম সিংয়ের অধীনে ছিলেন ৭ জন রাজা, ৯ জন রাও, ১০৪ জন রাওয়াল। গোয়ালিয়র, আজমীর, সিক্রি, চান্দেরী, রামপুরা প্রভৃতি স্থানের রাজারা সংগ্রাম সিং-কে সম্রাট বলে গণ্য করতেন।

    একাধিক যুদ্ধে পরাস্ত হন ইব্রাহিম লোদি

    জানা যায়, রানা সঙ্গ দিল্লি, মালওয়া, গুজরাটের সুলতানদের সঙ্গে ১৮টি ভয়ঙ্কর যুদ্ধে করেন। প্রত্যেকটি যুদ্ধেই তিনি জিতে যান। ১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদির সঙ্গে তাঁর যুদ্ধ হয়। যা খাটোলীর যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে এই রানা সঙ্গ ইব্রাহিম লোদিকে পরাস্ত করেন। ১৫১৮-১৯ সালে ইব্রাহিম লোদি ফের একবার আক্রমণ করে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু রাজস্থানের দোলপুরে ইব্রাহিম লোদি রানা সঙ্গকে ফের একবার পরাস্ত করেন। এরপরে আরও বেশ কয়েকটি যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদিকে রানা সঙ্গ পরাস্ত করতে সক্ষম হন। ক্রমাগত যুদ্ধে পরাস্ত হওয়ার কারণে রাজস্থানে পায়ের তলার জমি হারান ইব্রাহিম লোদি। অন্যদিকে, ১৫২০ সালে রানা সঙ্গ নিজাম খানের সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করেন। এর ফলে সমগ্র উত্তর গুজরাট নিজের দখলে আনতে পারেন রানা সঙ্গ।

    বাবরকে ভারতে কারা আমন্ত্রণ জানিয়েছিল?

    অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন যে, পাঞ্জাবের গভর্নর দৌলত খান দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদির স্থলাভিষিক্ত হতে চেয়েছিলেন। তিনি জানতেন যে আফগানিস্তান জয়ের পরে বাবর ভারতেই আসবেন। একইসঙ্গে ইব্রাহিম লোদির কাকা আলম খানও মসনদ দখল করতে চেয়েছিলেন। জানা যায়, আলম খান এবং দৌলত খান এই দুইজনে মিলে বাবরকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। জানা যায়, আলম খান বাবরের দরবারে গিয়েছিলেন। সেখানে আলম খান বাবরকে ভারতের রাজনৈতিক অস্থিরতার কথা জানান। পরবর্তীকালে বাবর তার দূতকে পাঞ্জাবে পাঠান। সেই দূতের কাছ থেকে যাবতীয় বিষয় জানার পরে বাবর ভারত জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। প্রথমে ১৫০৩, ১৫০৪ এরপর ১৫১৮ এবং তারপরে ১৫১৯ সালে তিনি ভারত আক্রমণ করেন। তবে কোনওবারই সফলতা পাননি। পরে ১৫২৬ সালে বাবর ইব্রাহিম লোদিকে আক্রমণ করেন ও পরাস্ত করেন। ইব্রাহিম লোদি এর আগে একাধিকবার রানা সঙ্গকে হাতে মার খেয়ে ব্যাপক দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। তাই পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদিকে সহজেই পরাস্ত করেন বাবর (Babar)।

  • Uttar Pradesh:‘লুটেরাদের জন্য কোনো উৎসব নয়’, সাম্ভালে মাসুদ ঘাজীর স্মরণে মেলার অনুমতি দিল না পুলিশ

    Uttar Pradesh:‘লুটেরাদের জন্য কোনো উৎসব নয়’, সাম্ভালে মাসুদ ঘাজীর স্মরণে মেলার অনুমতি দিল না পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) সাম্ভালে সৈয়দ সালার মাসুদ ঘাজীর (Syed Salar Masud Ghazi) স্মরণে মেলার অনুমতি দিল না পুলিশ। ১৭ই মার্চ, সাম্ভাল প্রশাসন দৃঢ়ভাবে এমন কোনও ইভেন্টের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা ঐতিহাসিক আক্রমণকারীদের মহিমা বাড়ায়। সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ শিরীষ চন্দ্র জানিয়েছেন যে, সাম্ভালে প্রতি বছর হোলির পর অনুষ্ঠিত নেজা মেলা এবার অনুষ্ঠিত হবে না। এই মেলা সৈয়দ সালার মাসুদ ঘাজীকে সম্মানিত করার জন্য পালন করা হয়। সালার মাসুদ ঘাজীকে আক্রমণকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।

    কেন বন্ধ হল মেলা

    এই মেলা দীর্ঘদিন ধরে সাম্ভাল জেলার মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে পালন করা হত। সম্প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা এই মেলার বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর পর, পুলিশ প্রশাসন এ বছর এই উৎসবের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রশাসনের মতে, সালার মাসুদ ঘাজী জাতির জন্য ক্ষতিকারক ছিলেন, এবং তাঁকে সম্মান জানানো এ ধরনের ইভেন্টে অশোভনীয় হবে। সাম্ভালের (Syed Salar Masud Ghazi) সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ শিরীষ চন্দ্র তিনি বলেন, “যারা সোমনাথ মন্দিরের মত স্থানে লুটপাট করেছে, তাদের সম্মাননা দেওয়া উচিত নয়। কোনো লুটেরার নামে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা হবে না। যদি কেউ এমন কিছু করার চেষ্টা করেন, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, “যারা দেশের বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, তাদের সমর্থন করা মানে দেশদ্রোহিতা করা। যারা এই ধরনের অপরাধী ব্যক্তিদের উৎসব উদযাপন করতে চান, তারা দেশ ও সমাজের ক্ষতি করতে চাইছেন।”

    কে সালার মাসুদ

    সালার মাসুদ ঘাজী (Syed Salar Masud Ghazi) ছিলেন মহমুদ গজনির আত্মীয়। উল্লেখ্য, ১১ শতকে সালার মাসুদ ভারতবর্ষে আক্রমণ চালান। বহু হিন্দু মন্দির ও মঠ ধ্বংস করেন তিনি। তাঁর অভিযান ভারতের একাধিক অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, অবশেষে ১০৩৪ খ্রিস্টাব্দে রাজা সুহেলদেবের নেতৃত্বে বাহরাইচের যুদ্ধে তার অগ্রগতি রোধ করা হয়।

  • Uttar Pradesh: সম্ভলের শাহী জামা মসজিদ জরিপের কাজে বাধা, ইট-পাথর বর্ষণ দুষ্কৃতীদের

    Uttar Pradesh: সম্ভলের শাহী জামা মসজিদ জরিপের কাজে বাধা, ইট-পাথর বর্ষণ দুষ্কৃতীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) সম্ভ্লের শাহী জামা মসজিদ জরিপ করতে গেলে ব্যাপক ভাবে পাথর বর্ষণ করল মুসলিম (Muslim) সম্প্রদায়ের একাংশ। শান্তিপূর্ণ ভাবে এই জরিপের কাজে গেলে সরকারি আধিকারিকদের উপর আচমকা হামলা করে দুষ্কৃতীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। কাঁদানে গ্যাসের শেলও ফাটানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে “সরকারি কাজে বাধা এবং সরকারি কর্মীদের ব্যাপক ভাবে আঘাত করা হয়।”

    পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে (Uttar Pradesh)

    সম্ভলে (Uttar Pradesh) মজসিদের জমি নিয়ে বিবাদ দেখা দিলে সরকার পক্ষ  সম্পূর্ণ মসজিদকে জরিপ করতে যায়। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজিপি প্রশান্ত কুমার বলেছেন, “পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। আদালতের নির্দেশে সম্বলে একটি মসজিদে সমীক্ষা চলছিল। কিন্তু স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের বেশ কিছু দুষ্কৃতী কাজে বাধা দেয় এবং লাগাতার পাথর-ইট বর্ষণ শুরু করে। যারা এই কাজের নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ শুরু করেছে। বেশ কিছু সরকারি কর্মী ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

    মসজিদ পূর্বে মন্দির ছিল!

    এই প্রসঙ্গে সিনিয়র আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈনের দায়ের করা একটি পিটিশনে দেখা গিয়েছে এই সমীক্ষা একটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল। মসজিদ মূলত পূর্বে মন্দির (Uttar Pradesh) ছিল। মন্দির ভেঙে সেই জায়গায় মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। যদিও গত ১৯ নভেম্বরে স্থানীয় পুলিশ, মসজিদ (Muslim) কমিটির সহযোগে জরিপের কাজে তদারকি শুরু হয়েছিল। যদিও স্থানীয় মানুষের কাছে কোনও রকমের কাজে বাধা এবং কোনও রকম প্ররোচনা থেকে দূরে থাকার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও রবিবার সকালে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের (Muslim) চিহ্নিত করে ধরপাকড় শুরু করেছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • The Sabarmati Report: মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশে কর মুক্ত ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’, একই পথে গোয়াও

    The Sabarmati Report: মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশে কর মুক্ত ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’, একই পথে গোয়াও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসার পরই উত্তরপ্রদেশ করমুক্ত হল ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’। এর আগে ছবিটি মধ্যপ্রদেশ ও হরিয়ানার সরকার করমুক্ত করেছে। ছবি দেখার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবির (The Sabarmati Report) প্রশংসা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘এই ছবির মাধ্যমেই সত্যি উন্মোচিত হয়েছে। খুব ভালো।’’

    উত্তরপ্রদেশে করমুক্ত ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ (The Sabarmati Report)

    বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউতে এই ছবিটির স্পেশাল স্ক্রিনিং হয়। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন ছবির (The Sabarmati Report) অন্যতম অভিনেতা বিক্রান্ত মাসে- সহ অন্যান্য কলাকুশলী। সেই অনুষ্ঠানেই সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলীদের সঙ্গে দেখা করে ছবিটি করমুক্ত করার কথা ঘোষণা করেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০০২ সালের গোধরা কাণ্ডের ঘটনা নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ সিনেমা। ছবির প্রশংসা করে রবিবার মোদি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছিলেন, ‘‘ভুয়ো তথ্য কিংবা অপপ্রচারের আয়ু বেশি দিন হয় না। সত্যিটা সবসময় সামনে বেরিয়ে আসে।’’ এই প্রথম নয় যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কোনও ছবির প্রশংসা করলেন। এর আগে ২০২২ সালে তিনি বিবেক অগ্নিহোত্রীর ‘দ্য কাশ্মীর ফাইল্স’-এর প্রশংসা করেছিলেন এবং ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-এর কথাও উল্লেখ করেছিলেন।

    বিক্রান্ত মাসে কী বললেন?

    প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ছবির প্রযোজক একতা কাপুর। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আপনি আমাদের সাহস জুগিয়েছেন। আমরা যে-সঠিক পথেই যাচ্ছি, আপনার প্রশংসাই তার প্রমাণ।’ ছবিটি (The Sabarmati Report) নিয়ে যে বিতর্ক হবে, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। তবে তার জন্য মুখ্য অভিনেতাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হবে, সেটা কেউ ভাবতে পারেননি। অভিনেতা বিক্রান্ত মাসে এএনআইকে উদ্ধৃত করে বলেছেন, ‘‘আদিত্যনাথজিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিল্ম এবং আমি সবাইকে এই ছবিটি দেখার জন্য অনুরোধ করছি।’’

    সিনেমা দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী

    অন্যদিকে, উপ-মুখ্যমন্ত্রী অরুণ সাও-এর সঙ্গে ২১ নভেম্বর রায়পুরে ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ সিনেমাটি দেখেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। মন্ত্রী পরিষদের সহকর্মী, বিজেপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবারের সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আর ছবির প্রযোজক ও শিল্পী নিয়ে ছবিটি (The Sabarmati Report) দেখেছেন তাঁরা। এই ছবিতে খোলামেলা সত্য দেখানোর সাহসী প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং চিত্তাকর্ষক। এএনআই-এর সঙ্গে কথা বলার সময় মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই ছবিটির প্রশংসা করে বলেছেন, “এটি একটি ভালো সিনেমা। আমরা সকলেই দেখলাম। গোধরা ঘটনার সত্যতা দেশ ও গোটা বিশ্ববাসী জানবে।”

    কর মুক্ত করার ভাবনা গোয়া সরকারের

    এমনিতেই দেশের একাধিক রাজ্য এই সিনেমাটি কর মুক্ত ঘোষণা করে দিয়েছে। অনেকে আবার সেই পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে, দেশজুড়ে এই সিনেমাটিকে (The Sabarmati Report)  নিয়ে বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তও ছবিটির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এটিকে গোয়ায় করমুক্ত করার কথা চিন্তাভাবনা করেছেন। তিনি বলেন, “এই সিনেমাটি দেখার পর, আমি এটিকে গোয়ায় করমুক্ত করার কথা ভাবছি। আমরা কয়েক দিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করব।” ফলে, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, ছত্তিশগড়ের পর এবার গোয়া সরকারও সেই পথে হাঁটছে। সিনেমাটির সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রমোদ সাওয়ান্ত আরও বলেন, “আজ, আমি আমার দলের রাজ্য সভাপতি এবং মন্ত্রীদের সঙ্গে সবরমতি রিপোর্ট দেখেছি। সেই সময় এই ঘটনায় গোটা গুজরাট উত্তাল হয়ে উঠেছিল। দেশবাসীর কাছে সমস্ত বিযয়টি জানার খুব প্রয়োজন ছিল। খুব কম ফিল্মমেকারই বাস্তব ঘটনার ওপর ফোকাস করেন। এই ছবিটি একটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আমি প্রযোজক এবং অভিনেতাদের তাদের প্রশংসনীয় কাজের জন্য অভিনন্দন জানাই।”

    সিনেমা দেখলেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব

    দেশের একাধিক রাজ্যে প্রশংসিত হয়েছে ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ সিনেমা। বৃহস্পতিবার বাংলার বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব এই সিনেমাটি (The Sabarmati Report) দেখেন। প্রত্যেকে সিনেমাটি প্রশংসা করেছেন। সেদিনের প্রকৃত ঘটনা দেশবাসী জানতে পারবেন বলে বঙ্গ বিজেপির নেতারা মনে করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান হল ভারতের মহাকুম্ভ মেলা। আগামী বছর মহাকুম্ভের (Kumbh Mela 2025) জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি চলছে। এই মেলায় লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হবে। তাই এই মেলা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে সবার আগে প্রয়োজন ভিড় নিয়ন্ত্রণ। এবার মেলায় ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য এআই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে বলে জানাল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ (UP Police)। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরাগুলিতে এআই ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। ক্যামেরাগুলি তাদের ফিডের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুলিশকে সতর্কবার্তা পাঠাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের বুদ্ধি একযোগে কাজ করবে। ইতিমধ্যেই মেলা সংলগ্ন অঞ্চলে ২৫টি পুলিশ স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। মেলার জন্য মোট ৫৬টি স্টেশন স্থাপন করা হবে। 

    কীভাবে কাজ করবে এআই-যুক্ত ক্যামেরা

    মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করতে, এই প্রথমবার যোগী আদিত্যনাথ সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগ করছে। সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করে নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি মেলা পরিচালনার কাজকে সহজ করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এআই-চালিত ক্যামেরাগুলি পুরো কুম্ভ মেলার নানা প্রান্তে স্থাপন করা হচ্ছে। এর ফলে বিশাল ভিড়ের উপর ২৪/৭ নজরদারি নিশ্চিত করা যাবে। এই অত্যাধুনিক ক্যামেরাগুলি শুধু নিরাপত্তা বাড়াবে না, বরং মেলার সময় যাঁরা হারিয়ে যাবেন, তাঁদের আবার একত্রিত করতেও সাহায্য করবে। মেলা এলাকায় ৩২৮টি এআই সক্ষম ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। এই ক্যামেরাগুলির  ইনস্টলেশন কাজ শীঘ্রই শেষ হবে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    হারানো ব্যক্তিদের খোঁজ

    প্রশাসন সূত্রে খবর, ফেসবুক এবং এক্স (পূর্বে টুইটার) প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করে মহাকুম্ভ মেলায় (Kumbh Mela 2025) হারানো আত্মীয়দের খোঁজ দ্রুত পাওয়া যাবে। এর ফলে তীর্থযাত্রীদের পরিবারের সদস্যদের একত্রিত করা সহজ হবে। ২০২৫ সালের মহাকুম্ভে আসা দেশি ও বিদেশি ভ্রমণকারীরা আর ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার চিন্তা করবেন না। মেলা প্রশাসন এই সমস্যা সমাধানে একটি ব্যাপক পরিকল্পনা করেছে। একটি ডিজিটাল কেন্দ্র ১ ডিসেম্বর থেকে চালু হবে, যা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে হারানো ব্যক্তিদের দ্রুত একত্রিত করতে সাহায্য করবে। মহাকুম্ভে (Kumbh Mela 2025) কোনও ব্যক্তির পরিচয় জানতে ফেস রেকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। এই অত্যাধুনিক সিস্টেমটি তাৎক্ষণিকভাবে ছবি ক্যাপচার করবে এবং ৪৫ কোটি তীর্থযাত্রীর মধ্যে হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করবে (UP Police)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: বাংলাদেশ থেকে নকল টাকা এনে মহাকুম্ভে ছড়ানোর চক্রান্ত, বাংলার জাকিরের খোঁজে পুলিশ

    Uttar Pradesh: বাংলাদেশ থেকে নকল টাকা এনে মহাকুম্ভে ছড়ানোর চক্রান্ত, বাংলার জাকিরের খোঁজে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে নকল টাকা ছড়ানোর চক্রান্ত ভেস্তে দিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড (ATS)। মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, এটিএস প্রয়াগরাজ এলাকার কাছে সারনাথ থেকে সুলেমান ও ইদ্রিশ নামে দু’জনকে আটক করে। তাদের কাছে প্রায় ১.৯৭ লক্ষ মূল্যের নকল টাকা মেলে। এদের ধরতে পারলেও পুলিশ এখন জাকিরের খোঁজ চালাচ্ছে। পুলিশের অনুমান, এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড জাকির।

    বাংলার যোগ

    উত্তরপ্রদেশ এটিএস সূত্রে খবর, জাকির পশ্চিমবঙ্গের মালদার বাসিন্দা। জাকিরই সুলেমান ও ইদ্রিশকে ভুয়ো মুদ্রা সরবরাহ করত। যেগুলি তারা উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন স্থানে বিতরণ করত। তদন্তে জানা গিয়েছে যে, জাকির ভুয়ো ভারতীয় মুদ্রা বাংলাদেশ থেকে নিয়ে আসত। সুলেমান ও ইদ্রিশ, বিহারের বৈশালী জেলার বাসিন্দা। মালদায় সুলেমানের পরিচয় হয়েছিল জাকিরের সাথে। সুলেমানকে জাল টাকা সহ আগেও বিহার পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। তখন সে হাজিপুর জেলে প্রায় ৬ মাস ছিল।

    কীভাবে অভিযান

    এটিএস-এর (ATS) ইনস্পেক্টর ভারতভূষণ তিওয়ারি সারনাথ থানায় ইতিমধ্যেই একটি মামলা নথিভুক্ত করেছেন। জানা গিয়েছে, ১৯ নভেম্বর এটিএস গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, একটি দল ভুয়ো মুদ্রা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বারাণসীতে এসেছে। পুলিশ সন্দেহভাজনদের খোঁজ করতে শুরু করে। ফরিদপুর বাইপাসে দুজন ব্যক্তিকে ব্যাগসহ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পুলিশ। পুলিশকে সামনে দেখে পালিয়ে যায় তারা। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ তাদের ধরে ফেলে। তাদের কাছে ছিল একটি মোবাইল ফোন, প্যান কার্ড, টিকিট ও নগদ টাকা। তাদের কাছ থেকে ৫০০ টাকার ভুয়ো নোটের ব্যান্ডেল উদ্ধার হয়। 

    আরও পড়ুন: মোদির মুকুটে নয়া পালক, গায়ানা-বার্বাডোজেও সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান প্রধানমন্ত্রীকে

    জেরায় সুলোমান ও ইদ্রিশ জানায়, দুই দিন আগে তারা বৈশালী থেকে মালদা এসেছিল এবং জাকির তাদের প্রায় ২ লক্ষ টাকার ভুয়ো নোট সরবরাহ করেছিল। তারা আরও জানায় যে, তারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসার পর ভুয়ো নোটগুলি বারাণসীতে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছিল এবং বাকি নোটগুলি আগামী জানুয়ারি মাসে পরবর্তী মহাকুম্ভ মেলা উপলক্ষে প্রয়াগরাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share