Tag: Uttar Pradesh

Uttar Pradesh

  • Krshina Janmabhumi: শ্রীকৃষ্ণের মন্দির ভেঙে মসজিদ করেছিলেন মুঘল শাসক ঔরঙ্গজেব, এএসআই রিপোর্টে দাবি

    Krshina Janmabhumi: শ্রীকৃষ্ণের মন্দির ভেঙে মসজিদ করেছিলেন মুঘল শাসক ঔরঙ্গজেব, এএসআই রিপোর্টে দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মথুরায় মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করেছিলেন মুঘল শাসক ঔরঙ্গজেব। কাশীর জ্ঞানব্যাপী মসজিদ ছিল আদি বিশ্বনাথের মন্দির, এই খবরের পর ভগবান কৃষ্ণের জন্মভূমি (Krshina Janmabhumi) সম্পর্কে বড় খবর প্রকাশ্যে এল। এই সংক্রান্ত রিপোর্ট দিয়েছে এএসআই। শাহি ইদগাহ মসজিদের উপর রিপোর্ট তলব করে আরটিআই করলে তার সাপেক্ষে এএসআই এই ঐতিহাসিক সত্যকে উত্তরপত্রে উল্লেখ করে। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বিভাগ তথা এএসআই, কৃষ্ণ জন্মভূমির মন্দির কমপ্লেক্সের ১৯২০ সালের একটি গেজেটের তথ্য প্রকাশ করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলেছে এএসআই (Krshina Janmabhumi)?

    ১৯২০ সালের নভেম্বর মাসে গেজেট থেকে আরটিআই-এর উত্তর দিয়ে তারা জানিয়েছে, “কাটরা ঢিবির অংশগুলি নাজুল প্রজাদের দখলমুক্ত ছিল। এক সময় সেখানে কেশবদেবের একটি মন্দির (Krshina Janmabhumi) ছিল। পরবর্তী সময়ে ওই মন্দির ভেঙে মসজিদ করা হয়। এই জায়গায় মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে মসজিদ নির্মাণ করা হয়।”

    আরটিআই করে তথ্য জানা গিয়েছে

    মন্দির ভাঙা বিষয়ে উত্তরপ্রদেশের ময়নপুরীর বাসিন্দা অজয় প্রতাপ নিজে আরটিআই করেন। এই আরটিআই-এর মাধ্যমে জানতে চান, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানের (Krshina Janmabhumi) বিষয়ে তথ্য। এরপর তৎকালীন ব্রিটিশ শাসিত ভারতের ১৯২০ সালের গেজেটের রিপোর্টের তথ্য উল্লেখ করা হয়। রিপোর্টে স্পষ্ট করে বলা হয়, এখন যেখানে মসজিদ, সেখানে আগে কাটরা কেশবদের মন্দির ছিল। এরপর মন্দির ভেঙে মসজিদ করা হয়। একই ভাবে অজয় প্রতাপ খুব স্পষ্ট করে জানতে চেয়েছিলেন, মন্দির ভাঙা হয়েছিল কিনা। কিন্তু আরটিআই-এর উত্তরে কৃষ্ণ জন্মভূমি শব্দের উল্লেখ না করলেও মসজিদের জমি যে কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির কমপ্লেক্সের, একথা বলা হয়েছে। মুঘল সম্রাট এই কেশবদেবের মন্দির ধ্বংস করে মসজিদ নির্মাণের কথা উত্তরপত্রে স্পষ্ট করে বলা হয়। ফলে এএসআইয়ের রিপোর্টকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চাল্যকর তথ্য উঠে আসে।

    কৃষ্ণ জন্মভূমি মুক্তি নিয়াস সংগঠনের বক্তব্য

    কৃষ্ণ জন্মভূমি (Krshina Janmabhumi) মুক্তি নিয়াসের সভাপতি আইনজীবী মহেন্দ্রপ্রতাপ সিং বলেন, “ব্রিটিশ শাসনকালে গণপূর্তি বিভাগ বিল্ডিং ও সড়ক বিভাগকে দেওয়া হয়েছিল উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন স্থানের ৩৯টি স্মৃতিস্তম্ভের তালিকা। এরপর তাকে রেকর্ড করা হয় গেজেটে। ১৯২০ সালে এলাহবাদ হাইকোর্টে প্রকাশ করা হয় এই রিপোর্ট। এই তালিকার ৩৭ নম্বরে উল্লেখ করা হয় কেশবদেবের মন্দিরকে। এই তথ্যকে বর্তমান সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টে তা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাই এই প্রামাণ্য তথ্যের উপর নির্ভর করে একটি কমিশন গঠনের জন্য আবেদন করা হবে।”

    শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমির মূল বিবাদ কী?

    শ্রীরামের জন্মস্থান অযোধ্যা, বাবা বিশ্বনাথের আদি মন্দির জ্ঞানব্যাপীর মতো ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি (Krshina Janmabhumi) নিয়েও বিরাট বিবাদ তৈরি হয়েছে। হিন্দুদের দাবি, অযোধ্যায় রাম জন্মভূমির মন্দিরকে যেমন বাবরের সেনাপতি মীরবাকি ভেঙে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেছিল, ঠিক একই ভাবে মুঘল শাসক ঔরঙ্গজেব ১৬৭০ সালে শ্রীকৃষ্ণের কেশবদেবের মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করেছেন। এই এলাকার মোট বিবদমান জমির পরিমাণ ১৩.৩৭ একর। যার মধ্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানের জমির পরিমাণ ১০.৯ একর। বাকি আড়াই একরে রয়েছে শাহি ইদগাহ মসজিদ। উল্লেখ্য কংসের যে কারাগারে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সেই কারাগারের গা ঘেঁষেই মসজিদ নির্মাণ হয়। ফলে কারাগার এবং যমুনা নদী পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ মসজিদের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে বলে দাবি হিন্দু পক্ষের। তাই পুরো জমিটাই শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান। এখানে মসজিদ অবৈধ নির্মাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram temple: অযোধ্যায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে মুসলিম সদ্যোজাতের নাম রাখা হল ‘রাম রহিম’ 

    Ram temple: অযোধ্যায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে মুসলিম সদ্যোজাতের নাম রাখা হল ‘রাম রহিম’ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram temple) উদ্বোধনের দিনে জন্ম নেওয়া নিজের সদ্যোজাত সন্তানের নাম ‘রাম রহিম’ রাখলেন উত্তরপ্রদেশের এক মুসলিম মহিলা। ২২ জানুয়রি দিনটি ছিল এক ঐতিহাসিক ‘শুভ মুহূর্ত’। প্রায় ৫০০ বছরের আন্দোলন-সংঘর্ষের পর রাম জন্মভূমিতে পুনর্নির্মিত মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল। এই মাহেন্দ্রক্ষণে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের সন্তানকে ভূমিষ্ঠ করতে এমন এক পবিত্র দিনকেই বেছে নিয়েছিলেন অনেক মা। তাঁদেরই একজন ফিরোজাবাদের ফারজানা।

    ফিরোজাবাদের ডাক্তারের বক্তব্য(Ram temple)

    মন্দিরে (Ram temple) রামলালার অভিষেক অনুষ্ঠানের দিনেই সোমবার ফিরোজাবাদে ফারজানা নামে এক মুসলিম মহিলা হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের বার্তা দিতে তাঁর সন্তানের নামের সঙ্গে প্রভু রামের নাম জুড়ে দিলেন। জেলা মহিলা হাসপাতালের ইনচার্জ ডাঃ নবীন জৈন জানান, “সোমবার ফারজানা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। এখন মা এবং সন্তান উভয়েই ভালো রয়েছেন। এই সন্তানের ঠাকুরমা হোসনা বানু জানান, “মায়ের ইচ্ছায় সদ্যোজাতের নাম রাখা হয়েছে রাম রহিম। এই নামের মধ্যে রয়েছে হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যের প্রতীক।”

    কানপুরে ২৫ শিশুর জন্ম

    রামলালার (Ram temple) অভিষেকের দিন কানপুরেও জন্ম নেওয়া শিশুদের ঘিরে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। কানপুরের গণেশ শঙ্কর বিদ্যার্থী মেমোরিয়াল মেডিক্যাল কলেজের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ সীমা দ্বিবেদী জানিয়েছেন, “গতকাল প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার ‘শুভ মুহূর্তে’ এই হাসপাতালে মোট ২৫টি শিশুর জন্ম হয়েছে। তবে ২৫টি শিশুর মধ্যে ১০টি মেয়ে এবং বাকিরা ছেলে। এখন সকলেই সুস্থ এবং স্বাভাবিক রয়েছে।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “ভারতী মিশ্র নামে যিনি একটি ছেলের জন্ম দিয়েছেন, তার নাম রাখা হয়েছে রাম। তাঁদের বিশ্বাস এই দিনে জন্মের ফলে নবজাতক শিশুর ব্যক্তিত্বের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মায়েরা তাঁদের সদ্যজাত সন্তানদের নাম রেখেছেন প্রভু রামের নামানুসারে। তাদের নামকরণ হয়েছে নাম রাঘব, রাঘবেন্দ্র, রঘু ইত্যাদি। একই ভাবে মেয়ে সদ্যজাতদের নাম রাখা হয়েছে জানকী বা সীতা।

    ভাদোহিতে ৩৩ শিশুর জন্ম

    অনেক মা নিজেদের সন্তান প্রসবের জন্য রামলালার (Ram temple) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনকেই বেছে নিয়ে ডাক্তারদের অনুরোধ করেছিলেন। ডাঃ বন্দনা সাক্সেনা নামক এক নার্সিংহোমের মালিক বলেছেন, “অযোধ্যায় ভগবান শ্রীরামের অভিষেকের দিনে আমার নার্সিং হোমের ডেলিভারি রুম এবং নবজাতক শিশুর ঘরটিকে গেরুয়া রঙে সাজিয়ে ছিলাম। প্রভু রামের আশীর্বাদ আমাদের কাম্য ছিল।” পাশাপাশি ভাদোহিতে মোট মন্দির উদ্বোধনের দিনে ৩৩টি শিশু জন্মগ্রহণ করেছে হাসপাতালে। ভাদোহির চিফ মেডিক্যাল অফিসার সন্তোষ কুমার চাক বলেছেন, “এই মায়েদের মধ্যে অনেকেই হাসপাতাল প্রশাসনের কাছে ২২ জানুয়ারী অযোধ্যার রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনেই তাঁদের সন্তানের জন্ম দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: মমতার রাজত্বে এ কী হাল! গঙ্গাসাগর মেলায় যাওয়ার পথে সাধুদের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

    Purulia: মমতার রাজত্বে এ কী হাল! গঙ্গাসাগর মেলায় যাওয়ার পথে সাধুদের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগরগামী তিন সাধুর আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে রাজ্যে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার (Purulia) কাশিপুরে। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা তিন সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর চালানো হয় তাঁদের গাড়িতে। পরে, কাশিপুর থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো শুক্রবার রাত্রে কাশিপুরে গিয়ে থানা থেকে তিন সাধুকে নিজের বাসভবনে নিয়ে আসেন। শনিবার তাদের পুরুলিয়ার চকবাজারের বড় কালী মন্দিরে নিয়ে গিয়ে সসম্মানে গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জেলা বিজেপি সূত্রে খবর।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত তিন সাধু উত্তরপ্রদেশ বেরিলির বাসিন্দা। সেখান থেকেই একটি গাড়ি করে বাংলায় এসেছিলেন। তাঁদের যাওয়ার কথা গঙ্গাসাগরে। সেখানে যাওয়ার পথে রাঁচির জগন্নাথ মন্দির দর্শন করেন তাঁরা। এরপর পুরুলিয়ায় (Purulia) ঢোকেন। কাশিপুরের কাছে গোবরডিঙ্গা গ্রামে আনোয়ার নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ার গুজব তৈরি করে এলাকার মানুষদের খেপিয়ে দেন বলে অভিযোগ। এরপরই তিন সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। তাঁদের লাঠিপেটা করা হয়। তাঁদের উপর শারীরিকভাবে চরম নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁদের সঙ্গে থাকা গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। আক্রান্ত সাধুরা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যদিও পুলিশ জানতে পেরে আক্রান্ত সাধুবাবাদের উদ্ধার করে কাশিপুর থানায় নিয়ে যায়।

    আমাদের পিটিয়ে মেরে ফেলত, বললেন আক্রান্ত সাধুবাবা

    আক্রান্ত সাধুবাবা মধুর মহারাজ বলেন, আমরা কোনও ভাষা বুঝতে পারছিলাম না। তাঁর আগেই আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। পুলিশ কয়েক মিনিট দেরি করে ঘটনাস্থলে আসলে ওরা আমাদের পিটিয়ে মেরে দিত। আমাদের কী দোষ তা আমরা বুঝতেই পারিনি। অকারণে আমাদের ওপর ওরা হামলা চালাল। গাড়ি ভাঙচুর করা হল।

    মুখ্যমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ট্যুইট করলেন অমিত মালব্য

    এই ঘটনার পর জেলা বিজেপি নেতৃত্ব আইন শৃঙ্খলা নিয়ে সরব হয়। মাফিয়াদের কাছে সাধু সন্তরাও নিরাপদ নন বলে দাবী করেন। সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত বলেন, শেখ আনোয়ারের নেতৃত্বে এই গুজব ছড়িয়ে সাধুদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এক তৃণমূল নেতাও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্ররোচনামূলক পোস্ট করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গেরুয়া পোশাক পড়ে আছে বলেই বিজেপি তকমা দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা হয়েছে। বিজেপি-র রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা আইটি সেলের সর্বভারতীয় ইনচার্জ  অমিত মালব্য মমতার পুলিশের কড়া সমালোচনা করেন। আনোয়ার নামে এই সিভিক ভলান্টিয়ারের নেতৃত্ব এই হামলা হয়েছে বলে ট্যুইটও করেন।

     

     

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি কী বললেন?

    জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া অবশ্য এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আমাদের দল এই ঘটনাকে সমর্থন করে না। সাধুদের পুলিশ রক্ষা করেছে। না হলে আরও বড় ঘটনা ঘটতে পারত। বিজেপি এই ঘটনাকে নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে।

    জেলা পুলিশ সুপারের কী বক্তব্য?

    পুরুলিয়ার (Purulia) পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গুজবকে কেন্দ্র করেই সাধুদের ওপর হামলা হয়। পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর কারা জড়িত রয়েছে, তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যায় বাড়ির ছাদে ছাদে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ পতাকা, এ যেন হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র!

    Ram Mandir: অযোধ্যায় বাড়ির ছাদে ছাদে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ পতাকা, এ যেন হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র!

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা

    ২২ জানুয়ারি তো এখনও ঢের দেরি। নয় নয় করে আরও ২৮ টা দিন। কিন্তু সোমবার অযোধ্যায় (Ram Mandir) পা রাখতেই মনে হল, উৎসব শুরুই হয়ে গেছে। পুণ্যভূমির সর্বত্র শুধু ভগবান শ্রীরামচন্দ্র। দোকানে, বাড়ির দেওয়ালে, এমনকী বাড়ির দরজাতেও। বুঝতে অসুবিধা হল না, গোটা অয্যোধ্যা এখন রামচন্দ্রময়। জলে, স্থলে, আকাশে, বাতাসে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে একটাই ধ্বনি, ‘জয় শ্রীরাম’। আগের অযোধ্যার সঙ্গে ফারাকও বিস্তর। ২২ জানুয়ারির সেই শুভ মুহূর্তটা যত এগিয়ে আসছে, কর্মব্যস্ততা ততই বাড়ছে। কারণ, প্রশাসনও জানে, ক’টা দিন পরই গোটা বিশ্ব হয়ে উঠবে অযোধ্যামুখী। তাঁদের আকৃষ্ট করতে প্রশাসনের চেষ্টার খামতি নেই।

    রামের ঘরে ফেরা (Ram Mandir)

    ২৮টা দিন অয্যোধ্যাবাসীর কাছে অবশ্য কিছু নয়। অনেকের সঙ্গে কথা বলেই বোঝা গেল, তাঁদের কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। রাস্তাঘাট থেকে পুরাতন বাড়ি, সব জায়গায় চলছে সংস্কার। আমার মতো অযোধ্যায় পা রেখে যে কারও মনে হতেই পারে, হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছে অযোধ্যা (Ram Mandir)। বাড়ির দেওয়াল থেকে পার্ক, সর্বত্রই ছাপ সনাতন সংস্কৃতির। দোকানের দরজাতেও লেখা ‘জয় শ্রীরাম’। দেদার বিক্রি হচ্ছে রামচন্দ্র-হনুমানের ছবি আঁকা গৈরিক পতাকা। এ যেন সত্যিই রামের ঘরে ফেরা।

    ভগবান রাম যেন সবার (Ram Mandir)

    এখানকার মানুষ একটা বিষয় নিয়ে বেজায় খুশি। তা হল, এ শুধু রামের ঘরে ফেরাই নয়, অযোধ্যার (Ram Mandir) অর্থনীতিরও আমূল পরিবর্তন আসছে। রামসীতা-হনুমানের মূর্তি তৈরি করেন জনৈক সন্তোষ শর্মা। তাঁর চোখেমুখে যেন খুশি ঝরে পড়ছে। তাই প্রতিবেদককে অকপটেই বলে দিলেন, ‘‘আগের থেকে বিক্রি বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে।’’ রামনগরীতে ঢোকার মুখে দিব্য কুণ্ড জলাশয় বাঁধানোর কাজ চলছে। দেখলাম, সেটাও প্রায় শেষের দিকে। শ্রমিকরা বললেন, ‘‘গত ১ বছর ধরেই চলছে কাজ। আর কয়েক দিনেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।’’ প্রশাসনও নিরাপত্তার নিরিখে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। তাই পথের মোড়ে মোড়ে চোখে পড়ল পুলিশি ব্যারিকেড। বুঝলাম, নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে রামনগরী। অযোধ্যার অলি-গলি-তস্য গলি চষে বেড়িয়ে দেখলাম, কমবেশি সব বাড়ির ছাদেই উড়ছে শ্রীরামের ছবি বসানো পতাকা। কোনও ধনী-দরিদ্র ভাগ নেই। ভগবান রাম যেন সবার হয়ে উঠেছেন।

    ফিরে পেয়েছে পুরনো মর্যাদা (Ram Mandir)

    ২০০৭ সালে সুপ্রিম কোর্টে এফিডেফিট দাখিল করে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জানিয়েছিল, রামের অস্তিত্ব নেই। কিন্তু অযোধ্যার রাস্তাঘাট, পার্ক, জলাশয়, দোকান, বাড়ির ছাদ সবেতেই দেখা যাচ্ছে রামচন্দ্রকে। সন্ধ্যায় পুণ্যতোয়া সরযূ নদীর ধারে ভক্ত সমাগমই বলে দিচ্ছে আধ্যাত্মিক ভূমির (Ram Mandir) মাহাত্ম্য। জানা গেল, এখানে রোজই চলে সরযূ আরতি। চলতি বছরের দীপাবলি থেকে শুরু হয়েছে অযোধ্যায় লেজার শো। গোটা রামায়ণকে লাইট শো-এর মাধ্যমে প্রতিদিন সরযূ আরতির পরে দেখানো হয়। অযোধ্যা কি বদলে গিয়েছে? প্রতিবেদকের এমন প্রশ্ন শুনে সরযূ-আরতি সমিতির সভাপতি মহারাজ শশীরকান্ত দাস বললেন, ‘‘আগে তো কেউই অযোধ্যা আসতেন না। দেশ থেকে পর্যটকদের ভিড় সেভাবে দেখাও যেত না। কারণ সবাই ভীত ছিলেন কখন ঝামেলা শুরু হয়ে যাবে! তখন অযোধ্যার প্রতি সবাই ছিলেন একেবারেই উদাস। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। মন্দির নির্মাণ হচ্ছে, যার অবদান, কৃতিত্ব অবশ্যই নরেন্দ্র মোদির। বদলেছে অযোধ্যা। পাঁচশো বছর পরে নগরী ফিরে পেয়েছে পুরনো মর্যাদা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ক্ষমতায় এসে দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করব, গ্যারান্টি দিলাম”, বললেন মোদি

    PM Modi: “ক্ষমতায় এসে দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করব, গ্যারান্টি দিলাম”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করব। এই গ্যারান্টি দিলাম।” সোমবার বারাণসীতে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার দু’দিনের সফরে নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র বারাণসীতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করার গ্যারান্টি দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আর কয়েক মাসের মধ্যেই দেশজুড়ে হবে সাধারণ নির্বাচন। এবং মোদি আপনাদের গ্যারান্টি দিচ্ছে, তৃতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিকে পরিণত করবে। আপনাদের জন্য দেশকে এই গ্যারান্টি দিচ্ছি। বারাণসীবাসী আমার পাশে দাঁড়াবেন। তাঁরাই আমায় শক্তিশালী করবেন।”

    উন্নয়নের জোয়ার

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পরেই দেশে কার্যত আসে উন্নয়নের জোয়ার। যার জেরে ইতিমধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখল করে রেখেছিল ব্রিটেন। তালিকায় ভারতের জায়গা ছিল ১০ নম্বরে। মোদি (PM Modi) জমানায় ব্রিটেনকে নিচে নামিয়ে পাঁচ নম্বর জায়গাটি দখল করে মোদির ভারত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের মহিলা, যুব, কৃষক এবং দরিদ্রদের উন্নয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার কাছে এরাই হল চারটি সম্প্রদায়। যদি এই চার সম্প্রদায় শক্তিশালী হয়, তাহলে দেশও শক্তিশালী হবে।” তিনি বলেন, “দশকের পর দশক ধরে উপেক্ষিত ছিল দেশের পূর্বাঞ্চল। সেই এলাকায়ও উন্নয়ন করা হয়েছে। মহাদেবের আর্শীবাদে আমি রয়েছি আপনাদের সেবায়।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পরাধীনতার সময় যে অত্যাচারীরা ভারতকে দুর্বল করতে চেয়েছিল, তারা প্রথমেই আমাদের প্রতীককেও টার্গেট করেছিল। স্বাধীনতার পরে আমাদের সাংস্কৃতিক এই প্রতীককে পুনর্নির্মাণ করা জরুরি ছিল। আমরা যদি আমাদের সাংস্কৃতিক অস্বিত্বকে শ্রদ্ধা করতাম, তাহলে আমাদের ঐক্য ও আত্ম-শ্রদ্ধা আরও শক্তিশালী হত। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এটা হয়নি। স্বাধীনতার পরে সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণের বিরোধিতাও করা হয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ এখন মনের ক্রীতদাসত্বের মুক্তির বার্তা দিচ্ছে। ভারত তার ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত।” তিনি (PM Modi) বলেন, “সোমনাথ থেকে যে কাজ শুরু হয়েছে, সেটাই এখন প্রচার করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, কী বলল হাইকোর্ট?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adulterated Ghee: ভেজাল ঘি তৈরির জন্য পাঁচ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড উত্তরপ্রদেশে

    Adulterated Ghee: ভেজাল ঘি তৈরির জন্য পাঁচ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড উত্তরপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেজাল ঘি তৈরির দায়ে পাঁচ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হল। তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল উত্তরপ্রদেশের জেলা আদালত। ১৪ বছরের পুরনো এই মামলায় দোষীদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। শনিবার এই সাজা শুনিয়েছেন বরেলীর অতিরিক্ত জেলা বিচারক অরবিন্দ কুমার।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের মামলায় দেশের মধ্যে এখনও পর্যন্ত এটিই সবচেয়ে বড় সাজা বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। পুলিশ সূত্রে খবর, দোষীদের মধ্যে চার জন বুলন্দশহরের এবং অন্য জনের বাড়ি বরেলীতে। পাঁচ জনই ভেজাল ঘি তৈরির কারবারে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের হেফাজত থেকে প্রায় ২৬ কেজি ভেজাল ঘি, রিফাইনড তেল এবং বনস্পতি ঘি উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এর পর ২০০৯ সালে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছিল। এই মামলার সরকারি কৌঁসুলি তেজপাল সিং রাঘব জানিয়েছেন, ক্ষতিকারক রাসায়নিক মিশিয়ে ভেজাল ঘি তৈরি করতেন ওই পাঁচ জন। তবে এই মামলায় অভিযুক্ত দু’জনকে প্রমাণাভাবে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তেজপাল বলেন, ‘‘গত ১৪ বছর ধরে এই মামলার শুনানি চলছে। শুনানি চলাকালীন আট জনকে আদালতে হাজির করানো হয়েছিল।’’

    আরও পড়ুন: আপনি সিনেপ্রেমী! দেখে নিন অগাস্টে কী কী রয়েছে আপনার জন্য?

    ঘি একটি সুপারফুড, এখন বিদেশীরাও এই সত্যটি মেনে নিয়েছে। ভারতীয় বাড়িতে এটি এত গুরুত্বপূর্ণ যে এটি পূজাতেও ব্যবহৃত হয়। ঘি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, অনেক পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এটি শরীরে গুড কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। বাড়ন্ত শিশুদের জন্য ঘি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তবে, ভেজাল ঘি শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করে। উদ্ভিজ্জ তেল এবং পশুর শরীরের চর্বি ঘিতে মেশানো হয় যা দেখতে হুবহু ঘি-র মতো হয়। এছাড়া হাড়ের ধুলো, সীসা ইত্যাদির মতো আজকাল অনেক কিছু মেশানো হচ্ছে যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Yogi Adityanath: যোগী আদিত্যনাথ সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য, ধৃত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন

    Yogi Adityanath: যোগী আদিত্যনাথ সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য, ধৃত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য, সেই অভিযোগে গ্রেফতার করা হল এক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিনকে। শনিবার উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) পুলিশ সূত্রে একথা জানা গিয়েছে। কোতোয়ালি থানার আধিকারিক অজয়কুমার শেঠ জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে করা মন্তব্যটি গত ৪ অগাস্ট সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ।  ওই মন্তব্য নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসতে থাকে পুলিশের কাছে। তারপরেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। 

    ধৃতের নাম শাহাবুদ্দিন আনসারি

    জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম শাহাবুদ্দিন আনসারি। তবে যে ওই মন্তব্যটি হোয়াটসঅ্য়াপ গ্রুপে করেছিল, তাকে এখনও পর্যন্ত পুলিশ ধরতে পারেনি বলেই জানা গিয়েছে। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে গ্রুপটির নাম ‘নগর পালিকা পরিষদ ভাদোহি’, গ্রুপটি সরকারি নামের হলেও তা সরকারের নয়। এটা স্পষ্টভাবেই জানিয়েছে পুলিশ।  তবে ওই গ্রুপে অধিকাংশই কাউন্সিলার রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং অপরাধমূলক আইনের (সংশোধিত) বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে (Uttar Pradesh) জানা গিয়েছে,  ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কাজ ছিল জনগণের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনা এবং তার সমাধান করা। কিন্তু সেখানে মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়।

    কয়েকদিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে হিংসা নিয়ে সরব হন যোগী আদিত্যনাথ

    “যাঁরা বড় বড় কথা বলেন, তাঁরা দেখুন, উত্তরপ্রদেশ আর বাংলায় কীভাবে নির্বাচন হয়। ওঁরা গোটা দেশকে পশ্চিমবঙ্গ বানাতে চান!” একটি বেসরকারি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি দিন কয়েক আগেই বলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। তিনি বলেন, “দেখুন, কীভাবে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন করিয়েছে তৃণমূল সরকার। সবাই দেখেছে, বাংলায় কীভাবে বিরোধীদের হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়ে কেউ কিছু বলছে না, সবাই চুপ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Religious Conversion: ফের ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠল যোগী রাজ্য উত্তর প্রদেশে

    Religious Conversion: ফের ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠল যোগী রাজ্য উত্তর প্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ৪০০ জনেরও বেশী মানুষকে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ নিয়ে শোরগোল যোগী রাজ্য উত্তরপ্রদেশে।স্থানীয় গরিব বস্তিবাসীকে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠল ৯ জন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।কোভিড কালে মেরঠ জেলার মঙ্গতপুরমের মালিন গ্রামে গরীব মানুষদের সাহায্যের প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল।ভুক্তভোগীরা জানান, অবৈধভাবে ধর্মান্তরণ করা হচ্ছিল তাদের অভাবের সুযোগ নিয়ে। এমনকী এই ৯ ব্যক্তি তাদের ঘরে রাখা হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি গুলিও নষ্ট করতে বলেন।পূজো বন্ধ করে চার্চে যাবার নির্দেশ দেন।

    এক বস্তিবাসী বিষয়টি জানানোর পরেই গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ঘটনাটি জানার পরেই বিজেপি নেতারা ভুক্তভোগীদের সাথে ব্রহ্মপুত্রী থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, মঙ্গতপুরের প্রায় ৪০০ জনকে ধর্মান্তরণের অভিযোগে তাঁরা পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেছে। তাঁরা আরও জানান খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ওই ৯ জন ব্যক্তি ধর্মপরিবর্তন করার পাশাপাশি তাদের জোরপূর্বক আধার কার্ডে নাম পরিবর্তন করার জন্য চাপ দেয়। এমনকি অভিযুক্তরা দীপাবলী পূজোর দিন বাড়িতে ঢুকে মূর্তি ভাঙ্গচুর করার চেষ্টা করে। তারা এর প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে তাদের প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তাদের কাছে ২ লক্ষ টাকা করে জনপ্রতি দাবী করে অভিযুক্তরা।

    [tw]


    [/tw]

    রাজ্যে শাসকদল বিজেপি সরকার এই ঘটনায় যথেষ্ট চাপে পড়ে গিয়েছে। বিজেপির জেলা সভাপতি দীপক শর্মা দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে ব্রহ্মপুরী থানায় বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভে বজরং দল এবং অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের নেতা কর্মীরাও এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হন। গরীব ওই বস্তিবাসী তাদের এফআইআরে ৯ জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন যথাক্রমে ছাবিলি ওরফে শিবা, বিনওয়া, অনিল, সর্দার, নিক্কু, বসন্ত, প্রেমা, তিতলি এবং রানী।

    ওই বস্তিবাসী আরও অভিযোগ করেছেন, না জানিয়ে কৌশলে তাঁদের ধর্মান্তকরণ হয়েছিল। যদিও তাঁরা হিন্দু ধর্মে থাকতে চান। পুলিশের কাছে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    এদিকে এই খবরটি প্রকাশ্যে আসার পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, ২০ থেকে ২৫ বছর আগে কয়েকটি আদিবাসী পরিবার মঙ্গতপুরমের একটি সরকারী ও ব্যক্তিগত মিলিয়ে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় বসতি স্থাপন করেন কিন্তু সময়ের সাথে সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই পরিত্যক্ত জমিটির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এই জমিটি কেউই আর খালি করতে চায় না। ফলে কিছু অসাধু ব্যক্তি বিভিন্ন ভাবে এই জায়গাটি দখলের চেষ্টা করেছে। তাই ধর্মান্তরণের চেষ্টার সাথে জমি দখলের বিষয়টিও উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

    পুলিশ সুপার পীষূষ সিং জানিয়েছেন, শুক্রবার কিছু ব্যক্তি থানায় তাদের ধর্মান্তরণের বিরুদ্ধে ৯ জনের নামে এফআইআর দিয়েছেন।বিষয়টি তদন্ত করে প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও উত্তরপ্রদেশে মুসলিম মৌলবীদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠেছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Lok Sabha Elections 2024: “উন্নয়নের আলোয় ঝলমল করছে আজমগড়”, যোগীভূমে দাবি প্রধানমন্ত্রীর

    Lok Sabha Elections 2024: “উন্নয়নের আলোয় ঝলমল করছে আজমগড়”, যোগীভূমে দাবি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজমগড় আজ উন্নয়নের আলোয় ঝলমল করছে।” রবিবার উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের সভায় (Lok Sabha Elections 2024) এ কথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনের সভায় ৩৪ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    সেই সভায়ই তিনি বলেন, “আজ কেবল উত্তরপ্রদেশের আজমগড় নয়, উন্নয়ন হচ্ছে দেশজুড়ে। অথচ একটা সময় ছিল, যখন দেশের এই অংশে কোনও উন্নয়ন হত না। এখন পরিস্থিতির বদল হয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আজমগড় উন্নয়নের আলোয় ঝলমল করছে। একটা সময় ছিল যখন দিল্লিতে কোনও প্রকল্পের সূচনা হত, গোটা দেশ থেকে লোককে আসতে হত। আর আজ আজমগড়েই উদ্বোধন হচ্ছে প্রকল্পের। আর দেশের বিভিন্ন অংশের মানুষ এতে অংশ গ্রহণ করছেন (Lok Sabha Elections 2024)।”

    ‘আজমগড়ে নতুন ইতিহাস’

    তিনি বলেন, “আজ শুধু আজমগড় নয়, দেশজুড়ে চলছে উন্নয়নের জোয়ার। আজমগড়ে নতুন ইতিহাস লেখা হচ্ছে। এখানকার মানুষ একটা সময় মাফিয়ারাজ দেখেছেন। আর আজ এখানকার মানুষ আইনের শাসন দেখছেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত ভারতে পরিণত করার জন্য কাজ করে চলেছে মোদি সরকার। আজ কৃষকদের এমএসপির পরিমাণ বহুগুণ বেড়েছে।”

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথেরও ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর মুখে। তিনি বলেন, “যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে গত সাত বছরে অনেক কাজ হয়েছে রাজ্যে। যাঁরা মাফিয়া শাসন ও চরমপন্থা দেখেছেন, তাঁরা এখন আইনের শাসনও দেখছেন।” তিনি বলেন, “দেশ যতই উন্নয়নের সাক্ষী থেকেছে, বিরোধীরা প্রতিদিন মোদিকে গালি দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, মোদির নিজের পরিবার নেই। তাঁরা ভুলে যাচ্ছেন দেশের ১৪০ কোটি মানুষ মোদির পরিবার।”

    এদিন আজমগড়, চিত্রকূট এবং আলিগড় বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আজমগড়ে মহারাজা সুহেল দেব স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনাও করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকারের আমলে যেসব ঘোষণা করা হত, তা মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য। আমি যখন বিশ্লেষণ করতে বসি, তখন দেখি, এসব ঘোষণা ৩০-৩৫ বছর আগে করা হয়েছে। নির্বাচন এলেই তারা একটা করে ফলক পুঁতে দিত। নির্বাচন-পর্ব মিটলেই তা উধাও হয়ে যেত। বেপাত্তা হয়ে যেতেন নেতারাও। আর আজ দেশ দেখছে, মোদি অন্য ধাতুতে গড়া (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • UP Court: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তাকির রাজাকে ফের তলব কোর্টের

    UP Court: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তাকির রাজাকে ফের তলব কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তৌকির রাজা। উত্তরপ্রদেশের অতিরিক্ত দায়রা আদালত (UP Court) তাঁকে তলব করল ১১ মার্চ। ওই হিংসায় অভিযুক্ত ছিলেন রাজা। ২০১০ সালের ওই হিংসায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল বরেলি শহরের।

    হিংসার আগুন বরেলিতে (UP Court)

    ২০১০ সালের ২ মার্চ হিংসার আগুন জ্বলে বরেলিতে। ছাবাইয়ে ফারাওয়াফতের শোভাযাত্রার রুটকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। বির্তক হয়েছিল হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে। তার জেরে শুরু হয় হিংসা। দাবানলের মতো যা ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে পাথর ছোড়া, ভাঙচুর মায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছিল আকছার। মিছিলের আয়োজক ছিলেন (UP Court) সুন্নি মুসলমানেরা। বরেলি সেক্টরের মিলাদ-উন-নবি সংস্কৃতি বহন করেন এই সম্প্রদায়ের মুসলমানরা। প্রথমে যে রুটে যাওয়ার কথা ছিল শোভাযাত্রার, পরে তা বদলে দেওয়া হয়। তার জেরে এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। পরে হিংসা শুরু হলে অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দ্রুত নামানো হয় বাহিনী। অবশ্য তার আগেই জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছিল বহু বাড়ি, দোকানপাট।

    গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজাকেও

    পরে পরিস্থিতির খানিক উন্নতি হলে শুরু হয় ধরপাকড়। গ্রেফতার করা হয় মৌলানা তৌকির রাজাকেও। অভিযোগ, জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিয়ে হিংসায় ইন্ধন জুগিয়েছিলেন তিনি। রাজা গ্রেফতার হতেই শুরু হয় প্রতিবাদ আন্দোলন। পাল্টা হিংসাও শুরু হয়। ফের নামানো হয় বাহিনী। তার পরেই স্বাভাবিক হয় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। প্রবীণ পুলিশ সুপার এমকে ভাসারকে বদলি করে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওায়া হয় পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল রাজীব সাভারওয়ালকে। তিনি ছিলেন স্টেট অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াডের ডিআইজি। সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল আশিস কুমারকেও। তাঁর বদলে জেলাশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয় অনিল গর্গকে।

    আরও পড়ুুন: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    এক প্রবীণ পুলিশ কর্তা বলেন, “আমরা যদি হিংসার ঘটনাপ্রবাহের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব হিংসার পক্ষে যথেষ্ঠ প্রমাণ রয়েছে। হিংসার ধরণ দেখলেও বোঝা যায়, দুই সম্প্রদায়ের মানুষ একবারও প্রত্যক্ষভাবে হিংসায় জড়িয়ে পড়েনি। ২ মার্চও মানুষ পাথর ছুড়ছিল। তার পরেই সংগঠিত একদল লোক বাড়িঘর-দোকানদানিতে আগুন লাগাচ্ছিল, ভাঙচুর করছিল। হিংসার দ্বিতীয় পর্যায়েও যুক্ত ছিলেন না দুই সম্প্রদায়ের মানুষ। ছিল সংগঠিত দু’দল জনতা। আর ছিল প্রশাসন (UP Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share