Tag: Uttarakhand

Uttarakhand

  • Kedarnath Yatra: উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ধসে মৃত ৩, এখনও নিখোঁজ ১৭, চলছে উদ্ধারকার্য

    Kedarnath Yatra: উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ধসে মৃত ৩, এখনও নিখোঁজ ১৭, চলছে উদ্ধারকার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে শুক্রবার যে ধস নেমেছিল, সেই ধসের কবলে মৃত ৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। জেলা সূত্রে খবর, কেদারনাথ (Kedarnath Yatra) থেকে ১৬ কিমি দূরে অবস্থিত গৌরীকুণ্ডে এই ধসের বিপর্যয় ঘটেছে। ধসে রাস্তা অবরুদ্ধ থাকার কারণে আপাতত কেদারনাথ যাত্রা বন্ধ। 

    কীভাবে ঘটেছিল ধস (Kedarnath Yatra)?

    গত বৃস্পতিবার রাত থেকেই ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে শক্রবার সকালে এই ধসের ঘটনা ঘটে। এরফলে কেদারনাথ যাত্রা (Kedarnath Yatra) আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। রাস্তার পাশেই থাকা দোকান এবং তাতে থাকা মানুষজন ধসের নিচে চাপা পড়েছেন। ধসের ফলে পাহাড়ের পাথর উপর থেকে নিচে মন্দাকিনী নদীর মধ্যে গিয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার থেকেই উদ্ধার কাজে তৎপর হয়েছিল বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। কিন্তু অত্যধিক বৃষ্টিপাতের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাপক বাধাপ্রাপ্ত হয়। সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় কয়েকজন স্থানীয় এবং বেশ কিছু নেপালের মানুষ ছিলেন। বর্তমানে এসডিআরএফ দল ঘটনা স্থলে পৌঁছে উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই গঙ্গোত্রী জাতীয় সড়ক ধসের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। উত্তরাখণ্ড সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই বছর বর্ষায় এখনও পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, ৩১ জন নিখোঁজ হয়েছেন এবং মোট ১১৭৬টি বাড়ি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা

    প্রবল বৃষ্টিপাত এবং ধসের ফলে এই কেদারনাথ যাত্রা আপাতত বন্ধ হয়ে পড়েছে। আগামী নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে এই পুণ্যার্থীদের কেদারনাথ যাত্রা চলার কথা। এই শ্রাবণ মাসেই কেদারনাথ মন্দিরে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়। কেদারনাথ (Kedarnath Yatra) যাওয়ার পথে গৌরীকুণ্ডে বিশেষ বিশ্রামাগার নেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা থাকে। দেবী পার্বতীর নামে এই জায়গার নাম গৌরীকুণ্ড। এখানে রাস্তার পাশে প্রচুর দোকান ছিল। কিন্তু রাতভর অতিভারি বৃষ্টির ফলে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain: ভারী বৃষ্টির জের! বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল, তেলঙ্গানায় মৃত ৯

    Heavy Rain: ভারী বৃষ্টির জের! বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল, তেলঙ্গানায় মৃত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডে ভারী বৃষ্টিতে (Heavy Rain) বিপর্যস্ত জনজীবনের চিত্র যেন কিছুতেই বদলাচ্ছেনা। শুক্রবার সকালেও দেবভূমির বেশ কিছু জায়গায় ধস নামার খবর মিলেছে। ধসের কারণে গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী জাতীয় সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। একই চিত্র হিমাচলেরও। সেখানেও ধস নেমেছে। যার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে জাতীয় সড়ক। অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতের তেলঙ্গানা রাজ্যেও একই পরিস্থিতি। একাধিক নদী সেখানে বিপদসীমা অতিক্রম করে বইছে। ইতিমধ্যে সেখানে ১৯০০ বন্যা (Heavy Rain) দুর্গতকে উদ্ধার করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। সবমিলিয়ে তেলঙ্গানার পরিস্থিতি বেশ খারাপ।

    ধসের কারণে উত্তরাখণ্ড ও হিমাচলে বন্ধ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক

    উত্তরাখণ্ডে ধস ক্রমশই সেখানকার জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এ প্রসঙ্গে সে রাজ্য়ের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘বিভিন্ন এলাকায় ধস নামায় এবং রাস্তার উপর ধ্বংসস্তূপ এসে পড়ায় শুক্রবার সকালে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী জাতীয় সড়ক। ধ্বংসস্তূপ পড়ায় ধরসু এলাকায় বন্ধ করা হয়েছে গঙ্গোত্রী জাতীয় সড়ক।’’ ভারী বৃষ্টি (Heavy Rain), ধস, মেঘভাঙা বৃষ্টি, বন্যার জেরে একেবারে বিপর্যস্ত দেবভূমি। অন্যদিকে একই ছবি হিমাচলপ্রদেশেও দেখা যাচ্ছে। কয়েকটি সংবাদ সংস্থার দাবি, ভারী বৃষ্টিতে ধস নামছে ব্যাপক। যার জেরে শিমলা এবং কিন্নর জেলায় ৫ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গত মঙ্গলবার কুলুতে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে দু’টি সেতু জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে। তবে হতাহতের খবর মেলেনি।

    বন্যায় বিপর্যস্ত তেলঙ্গানা

    ভারী বর্ষণের (Heavy Rain) জেরে তেলঙ্গানার বহু জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একাধিক নদী বিপদসীমা পেরিয়ে জনপদে চলে এসেছে। রাজ্যের কয়েকটি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি হয়ে রয়েছে রাজ্যের জয়শঙ্কর ভূপালপল্লি জেলাতে। এই জেলার স্থানীয় গ্রাম মোরাঞ্চাপল্লি বর্তমানে ১৫ ফুট জলের নিচে চলে গিয়েছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ গাছের উপরে, বাড়ির ছাদে আশ্রয় নিয়েছেন। বন্যার কারণে গতকাল থেকে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে এই নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯। সে রাজ্যে হনুমানকোণ্ডায় বি প্রেম সাগর নামে এক কিশোর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গিয়েছে বলে খবর। জলমগ্ন রাস্তা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যাওয়াতেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার রাতেই এনডিআরএফ এর দল উদ্ধারের কাজে নামে মোরাঞ্চাপল্লি গ্রামে। বায়ুসেনার দু’টি হেলিকপ্টারও নামাতে হয় দুর্গতদের উদ্ধার (Heavy Rain) করতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Badrinath: বন্ধ বদ্রীনাথ! প্রবল বৃষ্টিতে ভেসে গেল জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশ

    Badrinath: বন্ধ বদ্রীনাথ! প্রবল বৃষ্টিতে ভেসে গেল জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা ও ধসে বিধ্বস্ত উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশ। টানা বৃষ্টির জেরে ধুইয়ে গেল জাতীয় সড়ক। সোমবার উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) চামোলি জেলার ঋষিকেশ-বদ্রীনাথ জাতীয় সড়কে (Hrishikesh-Badrinath) ধস নেমেছে। নদীর জলের তোড়ে ধুয়ে গিয়েছে জাতীয় সড়কের একাংশ। যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যমুনোত্রী হাইওয়ে। ফলে বদ্রীনাথ ও যমুনোত্রী যাত্রা আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। মাঝপথে আটকে পড়েছেন বহু পুণ্যার্থী।

    যান চলাচল ব্যাহত

    উত্তরাখণ্ড প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালে বদ্রীনাথ জাতীয় সড়কের একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। চামোলি জেলার পুলিশ প্রশাসন সূত্রে খবর, বদ্রীনাথ জাতীয় সড়কে নন্দপ্রয়াগ এবং পুরসারির মাঝে ধস নেমেছে। ওই এলাকার ধসের একটি ভিডিয়োও শেয়ার করা হয়েছে।  এই সময়ে চারধাম যাত্রা চলছে।  জাতীয় সড়কগুলির উপর বিভিন্ন জায়গায় ধস নেমে আসায় যান চলাচলও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আটকে রয়েছেন পুণ্যার্থীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, রাস্তা থেকে ওই ধস সরিয়ে যান চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। উত্তরাখণ্ডে দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বৃষ্টির তাণ্ডব চলছে। এর আগেও বদ্রীনাথ জাতীয় সড়কে এই মরসুমে একাধিক বার ধস নেমেছে। যার জেরে ব্যাহত হয়েছে বদ্রীনাথ যাত্রাও। আবার ধস নামায় এই পুণ্যযাত্রায় প্রভাব পড়েছে।

    আরও পড়ুন: ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গে তুলনা! ‘ইন্ডিয়া’ জোট নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির

    ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    চামোলি প্রশাসন সূত্রে খবর, অবিরাম বৃষ্টির জেরে বদ্রীনাথ হাইওয়ের ৬০-৭০ মিটার ধুয়ে গিয়েছে। এছাড়া বহু বাড়ি, রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চামোলি জেলা পুলিশের আধিকারিক। তবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা উত্তরকাশী জেলার। উত্তরকাশীর জেলাশাসক জানান, উত্তরকাশী জেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার অন্তত ৫০টি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং চাষজমি ধুইয়ে গিয়েছে। প্রায় ৪০টি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লিতে যমুনা নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। এর উপর নতুন করে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, এখনই বৃষ্টি কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। তারা জানিয়েছে, ২৫ এবং ২৬ জুলাই ভারী বৃষ্টি হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: টানা বর্ষণ, মেঘভাঙা বৃষ্টি, জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত দেবভূমি  

    Uttarakhand: টানা বর্ষণ, মেঘভাঙা বৃষ্টি, জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত দেবভূমি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বর্ষণ, তার ওপর আবার  মেঘভাঙা বৃষ্টি। জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত দেবভূমি (Uttarakhand)। ভাঙন দেখা দিয়েছে উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন নদীতে। ধসের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বেশ কিছু এলাকা। দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। প্রবল জলের তোড়ে একটি সড়কের ১৫০ মিটার এলাকা ভেসে গিয়েছে। এই সড়ক ধরেই বঙ্গপানি থকে জরাজিবালি যাওয়া যায়। এদিকে, শুক্রবার উত্তরাখণ্ডের সাতটি জেলায় ২৪ ঘণ্টার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। শনিবার বিকেল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে হরিদ্বার, উত্তরকাশী, তেহরি, পাউরি, দেরাদুন, পিথোরগড়, বাগেশ্বর এবং চম্পাওয়ায়। প্রবল বর্ষণের জেরে উত্তরকাশীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বারকোটের কাছে রাজতার গাংনানী এলাকায় বৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এলাকাটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কত, তা জানা যায়নি।

    বন্ধ বদ্রীনাথ ধাম যাত্রা

    প্রবল ধারাপাতের (Uttarakhand) জেরে ধস নেমেছে বদ্রীনাথ ধামে যাওয়ার রাস্তায়। তার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বদ্রীনাথ ধাম যাত্রা। চামোলি জেলার কাছে ধস নামায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে জাতীয় সড়ক। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শুক্রবার দিনভর ভারী বৃষ্টির জেরে চামোলি জেলার কালিমতির কাছে ১০৯ নম্বর জাতীয় সড়কের প্রায় ১৫ মিটার অংশ ভেঙে গিয়েছে। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে কর্ণপ্রয়াগ ও নৈনিতাল।

    বিপর্যয়-প্রবণ

    এদিকে, এদিন রাজ্যের (Uttarakhand) পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামী। হরিদ্বারে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ খতিয়ে দেখেন তিনি। জলমগ্ন এলাকাগুলিকে বিপর্যয়-প্রবণ বলে ঘোষণা করা হয়। সরকারের তরফে আগামী তিন মাসের জন্য বিদ্যুতের বিল, জলের বিল সহ অন্য সরকারি পরিষেবার জন্য প্রদত্ত বকেয়া বিল পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে বন্যা রুখতে নদীগুলির গতিপথ পরিষ্কার ও অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করা হবে। স্থায়ী ত্রাণ শিবিরও তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়েছে সরকারের তরফে।

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ এএসআইকে, কোন শর্তে জানেন?

    ভারী বর্ষণের জেরে উত্তরকাশী জেলার কস্তুরবা ইন্টার কলেজ স্কুল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। রেসিডেন্সিয়াল এই স্কুল থেকে পড়ুয়াদের উদ্ধারের কাজ করছে স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের লোকজন। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই স্কুলটির সব পড়ুয়াকেই উদ্ধার করা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, স্কুলটিতে আটকে পড়েছিলেন ১৫০ পড়ুয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mount Kailash: আর নয় চিনের রাস্তা, এবার ভারত থেকেই সোজা কৈলাস-মানস সরোবর! রুট চালু শীঘ্রই

    Mount Kailash: আর নয় চিনের রাস্তা, এবার ভারত থেকেই সোজা কৈলাস-মানস সরোবর! রুট চালু শীঘ্রই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সেপ্টেম্বর থেকে পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে কৈলাস যাত্রার পথ। ভারত হয়েই কৈলাসে যেতে পারবেন পুণ্যার্থীরা। মানস সরোবর (Kailash Mansarovar) যাত্রার আকাশছোঁয়া খরচের কারণে প্রস্তুতি নিয়েও অধিকাংশ সময় পিছিয়ে আসেন ভক্তরা। সেই সমস্যারই এবার সমাধান করল মোদি সরকার। এবার থেকে কৈলাস যাওয়ার জন্য আর অন্য শি জিনপিং সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে হবে না।ভারত চিন সীমান্ত দিয়ে তৈরি হচ্ছে কৈলাস মানস সরোবর পৌঁছনোর রাস্তা। 

    ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্য দিয়েই কৈলাস

    ভারত থেকে সরাসরি কৈলাস মানস সরোবর (Kailash Mansarovar) যাওয়ার রাস্তা নেই। চিন অধিকৃত তিব্বতের (Tibet) মধ্য দিয়ে সেখানে যেতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই কৈলাস-মানস সরোবর যাওয়ার জন্য প্রচুর খরচ হয়। ফলে ইচ্ছা থাকলেও অনেকে যেতে পারেন না। তারপর করোনা মহামারীর সময় কৈলাস যাত্রা স্থগিত করে দেয় বেজিং। এখনও সেটা চালু করেনি। ফলে আর্থিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নেওয়া থাকলেও এখন আর কেউই কৈলাস যেতে পারছেন না। তবে কৈলাস যাওয়ার জন্য আর অন্য দেশের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে হবে না। এবার ভারতের ভূ-খণ্ডের মধ্য দিয়েই পৌঁছনো যাবে শিবের আবাসস্থল, কৈলাস। 

    আরও পড়ুুন: মমতার ভাষণে ২১ জুলাইয়ের কোনও কথাই নেই, শুধুই মণিপুর আর ১০০ দিনের বকেয়া!

    কোথা দিয়ে কৈলাস যাত্রার পথ

    উত্তরাখণ্ডের প্রশাসন সূত্রে খবর, বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন (বিআরও)-এর কর্মীরা ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন। পিথোরাগড়ের নভিধাংয়ের কেএমভিএন হাট থেকে ভারত-চিন সীমান্তে লিপুলেখ পাস পর্যন্ত রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। বিআরও সূত্রে খবর, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেই কাজ শেষ করার জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে। ফলে আশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরে পুণ্যার্থীরা কৈলাস (Kailash Mansarovar) পর্বত দর্শনে যেতে পারবেন। এই প্রজেক্টের মুখ্য ইঞ্জিনিয়ার বিমল গোস্বামী বলেন, “নাভিদাংয়ের কেএমভিএন হাট থেকে লিপুলেখ পাস পর্যন্ত রাস্তা তৈরির কাজ আমরা ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছি।” আকর্ষণ বাড়াতে এই রাস্তাটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কৈলাস ভিউ পয়েন্ট’। ভারত সরকারের হীরক প্রজেক্টের অধীনেই কৈলাস ভিউ পয়েন্ট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তা কাটিংয়ের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। আবহাওয়া ঠিক থাকলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলেও জানান বিমল গোস্বামী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath Yatra: ফুঁসছে মন্দাকিনী ও অলকানন্দা, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা 

    Kedarnath Yatra: ফুঁসছে মন্দাকিনী ও অলকানন্দা, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনপ্রয়াগ এবং গৌরীকুণ্ডে এক নাগাড়ে বৃষ্টির ফলে বন্ধ করা হল কেদারনাথ যাত্রা (Kedarnath Yatra)। টানা বৃষ্টিতে জেরবার দেবভূমি উত্তরাখণ্ড।  এই পরিস্থিতিতে কেদারনাথ যাত্রা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বুধবার একথা জানিয়ে দেওয়া হয়। ক্রমাগত খারাপ আবহাওয়া ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই জেলা প্রশাসন সোনপ্রয়াগ ও গৌরীকুন্ডে পুণ্যার্থীদের থামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  ভারী বর্ষণের কারণে মন্দাকিনী ও অলকানন্দা নদীতে বিপদসীমার ওপর দিয়ে জল বইছে।

    ধসের কারণে বন্ধ রাস্তা

    বুধবার সমগ্র উত্তরাখণ্ড এবং উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাংশের বিক্ষিপ্ত এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এর ফলে পুণ্যার্থীদের জন্য কেদারনাথ যাত্রা নিরাপদ নয়। খারাপ আবহাওয়ার কবলে পড়ে যাত্রীদের প্রাণের আশঙ্কাও থাকতে পারে। সেই কারণে কেদারনাথ ধাম যাত্রা (Kedarnath Yatra) বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জেলা প্রশাসন তাঁদের সোনপ্রয়াগ ও গৌরীকুণ্ডে আটকে দিয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণেই কেদারনাথ যাত্রা ব্যাহত হয়েছে। বেশ কিছু রাস্তা ধসের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নাগাড়ে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, মৃতের সংখ্যা শতাধিক

    জারি কমলা সতর্কতা

    প্রশাসন সূত্রে খবর, ক্রমাগত ভারী বৃষ্টির কারণে অলকানন্দা এবং মন্দাকিনী নদীর জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। ধসের ফলে চারটি রাজ্য সড়কের পাশাপাশি অন্যান্য দশটি সড়কে যাতায়াত করা দুষ্কর হয়ে উঠেছে। যান চলাচলেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। বুধবার উত্তরাখণ্ডে ভারী বর্ষণের কারণে কমলা সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। খারাপ আবহাওয়ার পূর্বাভাসের পর রাজ্য প্রশাসন যে সমস্ত রকম বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হয়ে রয়েছে, মঙ্গলবার সেই আশ্বাস দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি বলেন, ‘‘প্রতি বছর বর্ষার সময় আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হই। ভারী বৃষ্টির কারণে ধস নামে, নদীর জলস্তর ফুলেফেঁপে ওঠে। আমরা সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছি। রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিক থেকে শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সকলেই নিজেদের দায়িত্ব পূরণ করছেন। যে কোনও রকমের পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য তাঁরা প্রস্তুত রয়েছেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain: নাগাড়ে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, মৃতের সংখ্যা শতাধিক

    Heavy Rain: নাগাড়ে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, মৃতের সংখ্যা শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তর ভারত (India)। টানা চার দিন ধরে বৃষ্টি চলছে হিমাচল প্রদেশে (Heavy Rain)। নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে জনজীবন বিপর্যস্ত দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং উত্তরাখণ্ডে। শোচনীয় অবস্থা হিমাচল প্রদেশে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে মৃতের সংখ্যা ৮০। ধস, হড়পা বান, জলের তোড়ে জাতীয় সড়ক এবং সেতুও ভেসে গিয়েছে এ রাজ্যে।

    শোচনীয় অবস্থা হিমাচলের

    গোটা হিমাচলের মধ্যে সব চেয়ে করুণ দশা উনা, মান্ডি, হামিরপুর, বিলাসপুর, চম্বা, কাংড়া, কুলু, সিমমুর, কিন্নৌর এবং শিমলার। ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে ইরাবতী, শতদ্রু, বিতস্তা এবং চন্দ্রভাগা নদী। রাজ্যের অন্য (Heavy Rain) নদীগুলির জলও বইছে বিপদ সীমার ওপর দিয়ে। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পরে রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে সোলান উপত্যকায়। কেবল রবিবারই সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ১৩৫ মিলিমিটার। রাজ্যের ২৯টি জায়গায় হয়েছে হড়পা বান। ধস নেমেছে ৪১টি জায়গায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে হিমাচলের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে রয়েছেন ৩০০ পর্যটক।

    মৌসম ভবনের পূর্বাভাস

    দিল্লির মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, হিমাচল প্রদেশে সামান্য কমবে বৃষ্টির পরিমাণ। তবে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বিহার, উত্তরাখণ্ড এবং পশ্চিম উত্তর প্রদেশে। এদিকে, পঞ্জাবের সাঙ্গরুরে ঘর্ঘরা নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে আট জনের। হরিয়ানায় মৃতের সংখ্যা ৭। হিমাচল প্রদেশের (Heavy Rain) পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় ধস নেমেছে উত্তরাখণ্ডের বহু জায়গায়। আজ, বুধবার নৈনিতাল, চম্পাবৎ, পৌড়ি এবং উধম সিংহ নগরে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। দুর্যোগের জেরে ফের স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে কেদারনাথ যাত্রা। প্রবল ধারাপাতের জেরে বহু দর্শনার্থী আটকে পড়েছন সোনপ্রয়াগ ও গৌরীকুণ্ডে।

    আরও পড়ুুন: গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, চলল গুলি, মৃত তিন আইএসএফ কর্মী, গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক

    শোচনীয় অবস্থা দিল্লিরও। বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে যমুনা নদীর জল। হরিয়ানার হাতিকুণ্ড বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় প্লাবিত হয়েছে দিল্লির নিচু এলাকাগুলি। বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির জেরে এ রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। বন্যা পরিস্থিতি ও যমুনার জলস্তরের ওপর নজরদারি করতে ১৬টি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। উদ্ধার কাজ ও ত্রাণ বিলির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে ৫০টি মোটরবোট। প্রয়োজনীয় ওষুষ সহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে ডুবুরি এবং মেডিক্যাল টিম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mana Village:  শেষ নয়! ভারতের প্রথম গ্রাম মানা, বর্ডার রোড অর্গনাইজেশন-এর নতুন সাইনবোর্ড

    Mana Village: শেষ নয়! ভারতের প্রথম গ্রাম মানা, বর্ডার রোড অর্গনাইজেশন-এর নতুন সাইনবোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারতের শেষ গ্রাম’ এখন ‘ভারতের প্রথম গ্রাম’ (First Village of India)। উত্তরাখণ্ডের ছোট্ট একটা গ্রাম ‘মানা’ (Mana Village)। পর্যটকদের কাছে এটা ‘ভারতের শেষ গ্রাম’ হিসেবেই পরিচিত। তবে সম্প্রতি বর্ডার রোড অর্গনাইজেশন এই গ্রামের বাইরেই নতুন এক সাইনবোর্ড বসাল। তাতে লেখা – ‘ভারতের প্রথম গ্রাম’। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির উন্নয়নের মাধ্যমেই দেশে উন্নতির জোয়ার আনার কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই লক্ষ্যেই কোনও গ্রামই দেশের শেষ নয় প্রথম হওয়া উচিত বলে মনে করেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তাই এই নাম পরিবর্তন।

    চিনকে বার্তা

    রাজনৈতিক মহলের অনুমান, চিনকে কড়া বার্তা দিতেই ভারতের (India) এই পদক্ষেপ। লাদাখ থেকে অরুণাচল বিগত কয়েক বছর ধরে ভারত-চিন সীমান্তে অশান্তি তৈরি হয়েছে বারংবার। তবে কেন্দ্রীয় সরকার বারবার বলে এসেছে যে ভারতের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না। এরই মধ্যে ভারত-চিন সীমান্তে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে নজর দিয়েছে কেন্দ্র। তাতে অবশ্য আপত্তি আছে চিনের। এই আবহে ‘মানা’-কে (Mana Village) ভারতের ‘প্রথম গ্রাম’ হিসেবে তুলে ধরে চিনকেই বার্তা দেওয়া হল বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

    আরও পড়ুুন: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু রাজবংশী যুবকের! ‘‘দায় নিতে হবে মমতাকে’’, ট্যুইট শুভেন্দুর

    নতুন সাইনবোর্ডের ছবি দিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি একটি ট্যুইটে লেখেন, ‘এখন থেকে মানাকে আর ভারতের শেষ গ্রাম নয় বরং প্রথম গ্রাম হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।’ প্রতিবছর বহু পর্যটক ও তীর্থযাত্রীরা কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ যান। বদ্রীনাথ ধামের খুব কাছেই অবস্থিত এই ‘মানা’ গ্রাম। বদ্রীনাথ থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে এই গ্রামে মারছাস এবং ভুটিয়া জনজাতির মানুষদের বাস। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, এই গ্রামে মোট ৫৫৮টি পরিবার রয়েছে। মোট ১২১৪ জনের বাস ছিল এই গ্রামে। যাঁরা বদ্রীনাথ যান, তাঁরা সকলেই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মানা (Mana Village) গ্রামে ঘুরতে যান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Joshimath: মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই ৫.৪ সেমি বসে গিয়েছে জোশীমঠ! আতঙ্কের ছবি শেয়ার করল ইসরো

    Joshimath: মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই ৫.৪ সেমি বসে গিয়েছে জোশীমঠ! আতঙ্কের ছবি শেয়ার করল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোশীমঠ ঘিরে আতঙ্ক ক্রমশ বেড়েই চলেছে। গত ১২ দিনে ৫.৪ সেন্টিমিটার বসে গেছে জোশীমঠ! এমনই উদ্বেগজনক তথ্য মিলল ইসরোর রিপোর্টে। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টারের তরফে উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেই দেখা গিয়েছে দ্রুতগতিতে বসে যাচ্ছে জোশীমঠের মাটি। জানা গিয়েছে, গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে গত ৮ জানুয়ারির মধ্যে জোশীমঠের মাটি ৫.৪ সেন্টিমিটার বসে গিয়েছে।

    ইসরোর প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্র

    ইসরো-র ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার (এনআরএসসি) জানাচ্ছে, ২০২২ সাল থেকে এই ধস শুরু হয়। গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত একটি তথ্য দিয়েছেন এনআরএসসি। জানা গিয়েছে, গত বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর এই সাত মাসে জোশীমঠের জমি ধসেছে প্রায় ৯ সেন্টিমিটার। আবার ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত অর্থাৎ ১২ দিনেরও একটি রিপোর্ট সংস্থা সামনে নিয়ে এসেছে। প্রকাশ্যে এনেছে বেশ কিছু স্যাটেলাইট ছবিও। আর তাতে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে ভূমি ধস ব্যাপক ভাবে বেড়েছে। আর তা বেড়ে ৫.৪ সেন্টিমিটারে দাঁড়িয়েছে বলে জানাচ্ছে ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার।

    আর্মি হেলিপ্যাড এবং নরসিংহ মন্দিরের আশেপাশের অঞ্চলে মধ্য জোশীমঠের মাটির দ্রুত স্থানান্তর ঘটেছে। ইসরো-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, “নিম্নপতনের শীর্ষস্থানটি ২ হাজার ১৮০ মিটার উচ্চতায় জোশীমঠ-আউলি রোডের কাছে অবস্থিত।”

    আরও পড়ুন: জোশীমঠের গৃহহীনদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু, স্থানীয়দের আশ্বস্ত করলেন ধামি

    ডুবন্ত জোশীমঠ…

    জোশীমঠকে (Joshimath) একটি ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে সেখানকার প্রশাসন, ইতিমধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। গত কয়েকদিন ধরে জোশীমঠের (Joshimath) বহু বাড়িতে ফাটল ধরেছে। একের পর এক বাড়িতে ফাটল বেড়েই চলেছে। হোটেল মালারি ইন ও মাউন্ট ভিউ, পাশাপাশি দুটি হোটেল ভাঙা শুরু হয়েছে। হোটেলের পিছনের দিকে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা রয়েছে। সেখানকার বাসিন্দাদেরও সরানো হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে হোটেলের এক একটা তলা ধীরে ধীরে ভেঙে সরানো হচ্ছে। বিপজ্জনক বাড়িগুলিতে রেড ক্রস দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখান থেকে বাসিন্দাদের সরানো হয়েছে। আজ দেরাদুনে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী ক্যাবিনেট বৈঠক করবেন। ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সাহায্য নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Joshimath: ‘ডুবছে’ জোশীমঠ! কারণ জানতে বিশেষজ্ঞ কমিটি, সরানো হল ৪৭ পরিবারকে

    Joshimath: ‘ডুবছে’ জোশীমঠ! কারণ জানতে বিশেষজ্ঞ কমিটি, সরানো হল ৪৭ পরিবারকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিধসের কারণে বৃহস্পতিবার ফাটল দেখা গিয়েছিল জোশীমঠে (Joshimath)। এলাকার বেশ কিছু বাড়ির দেওয়ালেও ফাটল দেখা গিয়েছে। ঝুঁকি তৈরি হয়েছে শত শত বাড়ি মাটির তলায় চলে যাওয়ার। তার পরে এদিন রাতেই এলাকার বেশ কিছু পরিবারকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে আশ্রয় শিবিরে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে এ রকম প্রায় ৪৭টি পারিবারকে প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে আশ্রয় শিবিরে। ভূমিধসের জেরে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, প্রশাসনের তরফে তাঁদের ত্রাণও দেওয়া হচ্ছে।

    জোশীমঠের পরিস্থিতি…

    হিমালয়ের শহর জোশীমঠের বিস্তীর্ণ অংশে কেন ফাটল ধরল, তা জানতে বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়েছে রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, ভূমধসের কারণেই এলাকায় দেখা গিয়েছে বিরাট ফাটল। ফাটল ধরেছে এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে। ঘটনার জেরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী (CM) পুষ্কর সিং ধামি জানান, জোশীমঠের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি জোশীমঠ পরিদর্শনে যাবেন। ধামি বলেন, জোশীমঠে ভূমিধস এবং তার জেরে বাড়িতে ফাটল সম্পর্কে আলোচনা করতে এদিন সন্ধ্যায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করব। আগামিকাল আমি জোশীমঠ পরিদর্শন করব। বিজেপির তরফেও একটি দলকে পাঠানো হবে জোশীমঠে।

    উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) চামোলি জেলায় রয়েছে জোশীমঠ (Joshimath)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ছ হাজার ফিট। বদ্রীনাথ থেকে হেমকুণ্ড সাহিব পর্যন্ত এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে ফাটল ধরেছে। জানা গিয়েছে, এ পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকার ৫৬১টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রবিগ্রামের ১৫৩টি, গান্ধীনগরের ১২৭টি, মনোহরবাগের ৭১টি, সিংধরের ৫২টি, পারসারির ৫০টি, আপার বাজারের ২৯টি, সুনীলের ২৭টি, মারওয়াড়ির ২৮টি এবং লোয়ার বাজারের ২১টি বাড়ি।

    এদিকে, ভূমিধসের কারণে আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে চার ধাম যাত্রার রাস্তা চওড়া করার কাজ। হেলং থেকে মারওয়াড়ি পর্যন্ত ওই রাস্তা চওড়া করার কাজ শুরু হয়েছিল। ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ওই রাস্তা চওড়া করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। সেই কাজই আপাতত বন্ধ থাকছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।  

     

LinkedIn
Share