Tag: Viral video

Viral video

  • Arvind Kejriwal: কেজরিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল তরল, ‘ক্ষোভের জের’, বলছে বিজেপি

    Arvind Kejriwal: কেজরিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল তরল, ‘ক্ষোভের জের’, বলছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আক্রান্ত দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এবার তাঁকে লক্ষ্য করে তরল পদার্থ ছুড়ে মারলেন এক ব্যক্তি। দক্ষিণ দিল্লির ঘটনায় চাঞ্চল্য (Viral Video)। শনিবার বিকেলে আম আদমি পার্টির তরফে আয়োজন করা হয়েছিল পদযাত্রার। তাতে শামিল হয়েছিলেন কেজরিওয়াল স্বয়ং।

    কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা (Arvind Kejriwal)

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভিড়ের মধ্যেই এক যুবক চলে আসেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর একেবারে কাছে। তাঁকে লক্ষ্য করে তরল পদার্থ ছোড়ার চেষ্টা করেন। দলীয় কর্মীদের তৎপরতায় বড়সড় বিপত্তির হাত থেকে বেঁচে যান আপ সুপ্রিমো। জানা গিয়েছে, হামলাকারীর নাম অশোক ঝাঁ। মারধর করে তাকে তুলে দেওয়া হয় দিল্লি পুলিশের হাতে।

    কেজরির ওপর হামলা হয়েছে আগেও

    কেজরিওয়ালের ওপর হামলার ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে কালি ছিটিয়ে দিয়েছিলেন এক যুবতী। তার আগে নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন তাঁকে কষিয়ে থাপ্পড়ও মেরেছিলেন এক ব্যক্তি। ওই বছরই দিল্লি সচিবালয়ের মধ্যেই সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) লক্ষ্য করে জুতো ছুড়েছিলেন বেদ প্রকাশ নামের এক যুবক।

    দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে ইদানিং প্রায় প্রতিদিনই দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা-সহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন কেজরিওয়াল। এদিন তিনি পদযাত্রা করছিলেন গ্রেটার কৈলাশ এলাকায়। সেই সময়ই ঘটে বিপত্তি।

    আরও পড়ুন: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সাংসদ বিজেপির কমলজিৎ সেহরাওয়াত বলেন, “দিল্লির সরকার মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মানুষ ক্ষুব্ধ, কারণ রাস্তা ভাঙা, নর্দমা উপচে পড়ছে এবং দূষণের মাত্রাও অত্যন্ত বেশি। তাই জনগণ ধৈর্য হারাচ্ছে।” সেহরাওয়াত বলেন, “তবে আমি জনগণকে অনুরোধ করছি, তারা যেন ভোটের মাধ্যমে তাদের মত প্রকাশ করে। পুলিশের উচিত সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

    বিজেপির একটা অংশ একে কেজরিওয়ালের ‘গিমিক’ বলেই মনে করছে। তাদের মতে, রাজনৈতিকভাবে সফল হতে পারছেন না কেজরিওয়াল (Viral Video)। তাই লোক দিয়ে এই ধরনের কাজ করাচ্ছেন (Arvind Kejriwal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Alexa Launches Diwali Rocket: দীপাবলির রকেট ছাড়ল অ্যালেক্সা! ভিডিও ভাইরাল, “নাসাকে পাঠাও’’, প্রতিক্রিয়া নেট-দুনিয়ার

    Alexa Launches Diwali Rocket: দীপাবলির রকেট ছাড়ল অ্যালেক্সা! ভিডিও ভাইরাল, “নাসাকে পাঠাও’’, প্রতিক্রিয়া নেট-দুনিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উদযাপনের একটি প্রধান আকর্ষণীয় দিক হল আতশবাজি ফাটানো। যা বেশিরভাগই হাতে কলমে করা হয়। এবার একটি ছোট রকেট ছাড়তে অ্যালেক্সা (Alexa Launches Diwali Rocket) ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষ আতশবাজি চালু করতে আলেক্সা ব্যবহার করার ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে সামজিক মাধ্যমে। ইতিমধ্যে দর্শকদের মধ্যে এই আধুনিক প্রযুক্তি এবং ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ দর্শকদের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে।

    ‘বস রকেট উৎক্ষেপণ করছি’ (Alexa Launches Diwali Rocket)

    ভিডিওটি (Viral Video) ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছে মানির প্রজেক্টস ল্যাব। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন ব্যক্তি (যাঁকে দেখা যাচ্ছে না), তিনি তাঁর অ্যামাজন অ্যালেক্সাকে (Alexa Launches Diwali Rocket) নির্দেশ দিচ্ছেন রকেটের পলতেতে আগুন লাগানোর জন্য। ভিডিওতে শোনা যায় ওই ব্যক্তিকে বলতে ‘‘আলেক্সা, রকেটটা ছাড়ো।’’ উত্তরে, আলেক্সা বলে, ‘‘আচ্ছা, বস রকেট ছাড়ছি।’’ এর পরই রকেটবাজি উড়ে যায় আকাশে এবং ফাটে।

    এই ভিডিওটি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। নেটাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ভিডিওটি। প্রযুক্তি এবং ঐতিহ্যের এই সমন্বয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা রোমাঞ্চিত হন। ব্যবহারকারীরা আলোর উৎসব উদযাপনের এই অনন্য উপায়ের প্রশংসাও করেছেন। অনেকেইই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Mani’s Projects Lab (@manisprojectslab)

    দর্শক মহলে প্রতিক্রিয়া

    একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন “হ্যাকার হ্যায় ভাই হ্যাকার।” অন্য একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “আলেক্সা (Alexa Launches Diwali Rocket) কাঁপিয়ে দিল, মানুষ হতবাক!’’ একটি মজার ঠাট্টা নিয়ে, একজন ব্যবহারকারী বলেছেন, “এলন মাস্ক যখন বলেছিলেন যে এআই বিপজ্জনক তখন তিনি এটি বোঝাননি।” সুইগি ইনস্টামার্টের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল একটি মজার নোটের সাথে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, “এআই অনেক দূরে চলে গিয়েছে।” আবার আরেক ব্যবহারকারী বলেছেন “নাসাকে পাঠিয়ে দাও এই ভিডিও (Viral Video)। কে জানত আলেক্সা একটি আতশবাজি লঞ্চার হতে পারে? এরপর আর কী?”

    অন্ধ্র প্রদেশে বাজি বিস্ফোরণে ১ নিহত!

    আবার পৃথক একটি ঘটনায় বৃহস্পতিবার আতশবাজির দুর্ঘটনায় একজন নিহত এবং কমপক্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন। পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাটি অন্ধ্রপ্রদেশের এলুরু শহরে ঘটেছে। যেখানে দুই ব্যক্তি দীপাবলির জন্য ‘পেঁয়াজ বোমা’ নিয়ে যাচ্ছিলেন। মারাত্মক প্রকৃতির জন্য বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছে এই পেঁয়াজ বোমার ব্যবহার নিয়ে। এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাইকে করে নিয়ে যাওয়ার সময়পেঁয়াজ বোমা এবং অন্যান্য বাজি সম্বলিত একটি ব্যাগ রাস্তায় পড়ে গেলে তাতে বিস্ফোরণ ঘটে। বহু মানুষ আহত হন। ঘটনাস্থলেই চালক নিহত হন। অপর দিকে, সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনও বিস্ফোরণে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Aligarh: ‘‘প্রেমিক হিন্দু বলে মেরে ফেলতে পারে পরিবার, বাঁচান যোগীজি!’’ আর্তি মুসলিম মেয়ের

    Aligarh: ‘‘প্রেমিক হিন্দু বলে মেরে ফেলতে পারে পরিবার, বাঁচান যোগীজি!’’ আর্তি মুসলিম মেয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের (Aligarh) একটি ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে। (যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক মুসলিম তরুণী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কাছে সাহায্যের আবেদন করছেন। ওই ভিডিওতে মুসলিম মেয়েটিকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে তিনি একজন হিন্দু ছেলেকে ভালোবাসেন এবং তাঁর সঙ্গেই জীবন কাটাতে চান। মেয়েটির আরও অভিযোগ, তাঁর পরিবার তাঁকে আটক করে রেখেছে। শুধু তাই নয়,  ওই ভিডিও বার্তায় মেয়েটি পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনেরও অভিযোগ তুলেছেন। এর পাশাপাশি তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে হিন্দু ছেলেকে ভালোবাসার অপরাধে পরিবার তাঁকে হত্যাও করতে পারে।

    আলিগড়ের (Aligarh) খাইর থানা এলাকার ঘটনা 

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি আলিগড়ের খাইর থানা এলাকায়। ভাইরাল ভিডিওতে (Viral Video), মুসলিম মেয়েটিকে আরও বলতে শোনা যাচ্ছে যে তাঁর প্রেমিকের নাম শৌর্য ভার্মা। মেয়েটির দাবি, তিনি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করেন এবং সনাতন ধর্ম গ্রহণ করতে চান।

    সাহায্যের আশ্বাস যোগী পুলিশের

    মুসলিম মেয়েটি আরও জানিয়েছেন, পরিবারের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন তিনি এবং কখনও তাঁর এমন সিদ্ধান্ত থেকে পিছপা হবেন না। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কাছ থেকে সাহায্য ও নিরাপত্তাও চেয়েছেন তিনি। আলিগড় (Aligarh) পুলিশ ইতিমধ্যে ওই মহিলাকে আশ্বাস দিয়েছে নিরাপত্তা প্রদান ও হিন্দু ছেলের সঙ্গে বিবাহের বিষয়ে। পুলিশ সূত্রে খবর (Aligarh), যেহেতু মেয়ে এবং ছেলে উভয়েই প্রাপ্তবয়স্ক তাই খুব শীঘ্রই তাঁদের কোর্ট ম্যারেজ করানো হবে। যোগী পুলিশ এবিষয়ে সহযোগিতা করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: হিন্দু-নির্যাতনের নয়া ভিডিও ভাইরাল, মৌলবীর কীর্তিতে অবাক দুনিয়া

    Bangladesh Crisis: হিন্দু-নির্যাতনের নয়া ভিডিও ভাইরাল, মৌলবীর কীর্তিতে অবাক দুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমানবিকতা চূড়ান্ত নিদর্শন! অকুস্থল সেই বাংলাদেশ। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় (Viral Video) ছিছিক্কার হিন্দু সমাজে। বন্যায় ভাসছে বাংলাদেশের একটা বড় অংশ। এমনই এক বানভাসি এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে এক মৌলবী। হাঁটু জলে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক হিন্দু বালক। তার গলা থেকে পৈতের সুতো কেটে ফেলে দিল সেই মৌলবী (Bangladesh Crisis)। তার পরেই দেওয়া হল ত্রাণসামগ্রী। বাংলাদেশের নোয়াখালি এলাকার ভিডিও। অবশ্য ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম

    মৌলবীর কীর্তি (Bangladesh Crisis)

    হিন্দুর ছেলে পৈতে ছিঁড়ে দিলেও, মৌলবীর মাথায় রয়েছে টুপি, দাড়িও। তার সঙ্গে আরও দুই তরুণকে দেখা যাচ্ছে। বালকটির কাছে এসে তারা দাঁড়াল। এর পরেই মৌলবী তার পৈতে ছিঁড়ে দিল। তার সঙ্গী যুবক হাতে ধরিয়ে দিল প্লাস্টিকের ব্যাগে থাকা ত্রাণসামগ্রী। ত্রাণসামগ্রী হাতে নিয়ে বালকটি মৌলবীকে বলছে, তার পৈতে ফিরিয়ে দিতে। অন্য এক যুবককে বলতে শোনা যায়, ছেলেটি যদি ফের পৈতে পরে, তাহলে সে মন্দ ভাগ্যের শিকার হবে। তার জীবনে নেমে আসবে অভিশাপ। মৌলবীর সঙ্গী অন্য যুবকটি আবার বালকটিকে হুমকি দিচ্ছি, পৈতে ফেরত চাইলে সে ত্রাণসামগ্রী পাবে না। ওই দুই (Bangladesh Crisis) যুবক তাকে ক্যামেরার দিকে তাকাতে বলে। পরে গুডবাই জানিয়ে চলে যায়। যাওয়ার আগে বলে যায়, “যাও, যাও আশা করি তুমি সুখী, এবার গুডবাই বলো।”

    হিন্দুমেধ যজ্ঞ

    সংরক্ষণকে ঘিরে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। তারই আঁচ এসে লাগে সে দেশের হিন্দুদের গায়ে। নৃশংসভাবে খুন করা হয় ৬৫০-এরও বেশি হিন্দুকে। জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় হিন্দু মহিলাদের। ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে সে দেশের সংখ্যাগুরুদের বিরুদ্ধে। মুসলমান দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর করেছে হিন্দুদের মন্দির। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পর হিন্দুদের ওপর অত্যাচার আরও চরমে ওঠে। এর অন্যতম প্রধান একটা কারণ হল, বাংলাদেশি হিন্দুরা হাসিনার দল আওয়ামি লিগের সমর্থক। হিন্দু বিতাড়নও আর একটা কারণ। হিন্দুদের তাড়িয়ে বাংলাদেশকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় মৌলবাদীরা (Viral Video)। তার জেরেই বাংলাদেশে হয়েছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ (Bangladesh Crisis)।

    আরও পড়ুন: দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন, ঝাড়খণ্ডে ঘর ভাঙছে শাসকের!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jana Gana Mana: ব্রিটিশ-ভূমে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন পাকিস্তানিরাও!

    Jana Gana Mana: ব্রিটিশ-ভূমে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন পাকিস্তানিরাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার। ব্রিটেনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত জন-গণ-মন (Jana Gana Mana) গাইছেন এক দল ভারতীয়। তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কয়েকজন পাকিস্তানিও (Pakistanis)। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন তাঁরাও। এঁদের মধ্যে কয়েকজনের হাতে ধরা পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা। ভাইরাল ভিডিওয় শোরগোল।

    ভারতের স্বাধীনতা দিবস (Jana Gana Mana)

    বৃহস্পতিবারই স্বাধীনতার ৭৮তম বর্ষ উদযাপন করেছে ভারত। দেশজুড়ে ভারতবাসী কেমনভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করছে, সেই ছবি সম্বলিত নানা ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনই একটা ভিডিওই নজর কেড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের পিকাডেলি সার্কাস এলাকায় জড়ো হয়েছেন অনেক ভারতীয়। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তাঁরা গাইছেন জন-গণ-মন। এই অনুষ্ঠানেই পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা হাতে যোগ দিয়েছেন কয়েকজন। জাতীয় পতাকা ছাড়াও যোগ দিয়েছেন আরও কয়েকজন পাকিস্তানি। জন-গণ-মন-র সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন তাঁরাও। ভারতীয়দের মতোই মাথা নিচু করে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন তাঁরা (Jana Gana Mana)।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Farid Qureshi (@faridqureshi_uk)

    কী বললেন পাক সাংবাদিক

    পাকিস্তানের একটি সংবাদ মাধ্যমের এক সাংবাদিক ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করে লিখেছেন, “ব্রিটেন আলাদা করেছিল। আবার ব্রিটেনেই তাঁরা একত্রিত হয়েছেন।” ফরিদ কুরেশি নামের ওই সাংবাদিক আরও লিখেছেন, “পাকিস্তানি ও ভারতীয়রা এক সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। এই ভিডিওয় শ্রোতারা ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছেন। আগের ভিডিওটি পিকাডলি সার্কাসে পাকিস্তানি ও ভারতীয় উভয় সম্প্রদায়কেই সমানভাবে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান করার। এর কৃতিত্ব গায়ক আমির হাশমির।”

    ইতিমধ্যেই ভিডিওটি দেখে ফেলেছেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন, “শিক্ষিত মানুষরা এমনটাই করেন।”

    ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয় ভারত ও পাকিস্তান। ব্রিটিশ শাসন থেকে একই সঙ্গে মুক্তি পেলেও, পাকিস্তান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে ১৪ অগাস্ট, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের একদিন আগে (Pakistanis)। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জন-গণ-মন। কবিগুরু রচিত সেই সঙ্গীতই গাইলেন পাকিস্তানিরাও (Jana Gana Mana)।

     

      

  • Bangladesh Crisis: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    Bangladesh Crisis: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জুড়ে চলছে অরাজক পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis)। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। দেশের রশি রাষ্ট্রপতির হাতে। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তিনিই বর্তমানে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছেন। তবে তাতে যে কিছুই হয়নি, তার প্রমাণ হিন্দুনিধন যজ্ঞে ইতি না পড়া। কোথাও জীবন্ত পুড়িয়ে মারা (Hindu Killed) হচ্ছে মানুষকে।

    রাস্তায় ঝোলানো সারি সারি লাশ (Bangladesh Crisis)

    কোথাও আবার আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করতে রাস্তায় ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সারি সারি লাশ। আক্রোশ মেটাতে মৃতের মুখ থেঁতলে দেওয়া হচ্ছে লাথি মেরে। হিন্দুদের ঘরদোর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভাঙচুর করা হচ্ছে মন্দির। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে দেবালয়ে। নির্বিচারে চলছে মহিলা নির্যাতন। ভাইরাল হয়েছে মহিলাদের আর্ত চিৎকারের ভিডিও। মেহেরপুরে সোমবার রাতেই ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইস্কনের মন্দিরে। মঙ্গলবার রাতে আওয়ামি লিগের এক নেতা-সহ হিন্দুদের ৯টি বাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটছে। ঢাকায় একাধিক হিন্দুর বাড়ির ভাঙচুর করা হয়েছে। চালানো হয়েছে লুটপাট।

    উদ্বেগে ব্রিটেন

    সোমবার সন্ধেয় মালোপাড়ায় ছটি হিন্দু বাড়িতে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। করা হয় ভাঙচুর। দিনাজপুর সদর উপজেলায় ফুলতলা শ্মশানঘাট এলাকায় হরিসভা ঘর, দুর্গা মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। বোচাগঞ্জ উপজেলার ঈশানিয়া ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে হিন্দুদের অন্তত ৪০টি দোকানে চালানো হয়েছে লুটপাট। ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হিংসা বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর উপাসনালয় ও লোকজনের ওপর হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনগুলোর রাষ্ট্রদূতেরা।

    হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    সোমবার বাংলাদেশ হিন্দু বুদ্ধিস্ট খ্রিস্টান ইউনিটি কাউন্সিল হিন্দুদের মন্দির এবং বাড়িঘরে হামলার একটা তালিকা প্রকাশ করেছে। এক্স হ্যান্ডেল ভয়েস অফ বাংলাদেশি হিন্দুজে বলা হয়েছে, এই হামলার ঘটনা ঘটেছে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে। তালিকায় ৫৪টি হামলার ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হামলার ঘটনা এর চেয়ে ঢের বেশি। খুলনায় রূপসা থানা এলাকায় জনৈক শ্যামল কুমার দাস ও স্বজন কুমার দাসের বাড়িতে হামালা চালায় দুষ্কৃতীরা। খুলনা ডিস্ট্রিক্ট ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট বিমান বিহারী অমিত এবং খুলনা শহরের ইউথ ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অনিমেষ সরকার রিঙ্কুর বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে (Hindu Killed)। দেকোপের আমতলির বানিসান্তা এলাকায় জয়ন্ত গাইন এবং কয়রার দারপাড়া এলাকায় সংখ্যালঘুদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। চালানো হয় লুটপাট।

    শ্মশানের জমিও দখল

    ফেনিতে আক্রান্ত দুর্গা মন্দির। দিনাজপুর ও ফুলথালা এলাকায় দুষ্কৃতীরা দখল করে নিয়েছে শ্মশানের জমি। পার্বতীপুরে কালীমন্দির-সহ পাঁচটি মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। চিরিরবন্দর থানা এলাকায় লুটপাট চালানো হয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে। পেশায় ব্যবসায়ী দীপক সাহার বাড়ি ও অফিসে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তিনি লখিমপুরের পূজা সেলিব্রেশন কাউন্সিলের নেতাও। খোশরগঞ্জে ভাঙচুর করা হয় জনৈক নকুল কুমার ও সুশান্তের বাড়ি। পরে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। চট্টগ্রামে হামলা চালানো হয় উজ্জ্বল চক্রবর্তীর বাড়িতে। দুষ্কৃতীরা লুটে নিয়ে যায় (Bangladesh Crisis) ঘরগেরস্থালির জিনিসপত্রও। যশোরে হিন্দুদের তিনটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ২২টি দোকানেও হানা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এর মধ্যে একটি বাবুল সাহার ওয়্যার হাউস।

    হিন্দুদের দোকান লুটপাট

    সাতক্ষীরা এলাকায় হিন্দুদের দোকান লুটপাট করা হয়েছে। ডিস্ট্রিক্ট ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট বিশ্বজিৎ সাধুর বাড়িতে চালানো হয়েছে লুটপাট। তাঁর বাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। ডক্টর সুব্রত ঘোষের বাড়িতেও লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। তিনি ইউনিটি কাউন্সিলের সেন্ট্রাল অ্যাসিসটেন্ট অর্গানাইজেশনাল সেক্রেটারি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে তালিকা।  এই তালিকার বাইরে বহু ভিডিও এবং ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুদের বাড়িঘরদোর ভাঙচুর করা হচ্ছে। করা হচ্ছে অগ্নিসংযোগও (Bangladesh Crisis)। দুষ্কৃতীরা হিন্দুদের মন্দিরও ভাঙচুর করছে। এক্স হ্যান্ডেলে জনৈক রাজু দাস পোস্ট করেছেন একাধিক ভিডিও। একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, উন্মত্ত জনতা বামুনিয়া পালপাড়ায় হিন্দুদের বাড়ি  আক্রমণ করেছে।

    কাতর আর্তি অসহায় তরুণীর

    অন্য একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে অসহায় এক তরুণীকে। বাঁচার জন্য কাতর আর্তি জানাচ্ছেন তিনি। ঘটনাটি পিরোজপুর জেলার মাথাবাড়িয়া থানা এলাকার। অন্য একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে উন্মত্ত জনতা চট্টগ্রামের একটি মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। অবশ্য ভিডিওগুলোর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভারতে ইস্কনের মুখপাত্র যুধিষ্ঠির গোবিন্দ দাস একটি পোস্টে বলেন, “আমি যে তথ্য পেয়েছি, মেহেরপুরে (খুলনা ডিভিশন) আমাদের একটি মন্দিরে আগুন লাগানো হয়েছে। পুড়ে গিয়েছে ভগবান জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ। ওই মন্দিরে যে তিন ভক্ত ছিলেন, তাঁরা কোনও ক্রমে পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছেন। অন্য একটি ভিডিওয় হিন্দুদের হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে বেশ কিছু মুসলমানকে।

    বাংলাদেশের সংবাদপত্রের দাবি

    বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘ডেইলি স্টারে’র দাবি, দেশের ২৭ জেলাতে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। এই প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, লালমনিরহাট সদর উপজিলার তেলিপাড়া এবং থানা রোড এলাকায় ভাঙচুর করা হয়েছে দুই হিন্দুর বাড়ি। প্রদীপ চন্দ্র রায় এবং মুহিন রায় নামের এই হিন্দুর বাড়িতে লুটপাটও চালানো হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল ১৯৭১ সালে। তার পর থেকে এ পর্যন্ত নিত্য চলছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার। সে দেশে একবার হিংসা শুরু হলে পোয়া বারো মুসলমানদের একটা বড় অংশের। তারা হিন্দুদের মারধর করে কিংবা ভয় দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করে ‘জান্নাতে’র পথ প্রশস্ত করে। কেউ কেউ আবার হিন্দু বিতাড়ন করে স্রেফ সম্পত্তি দখল করার অভিলাষে।

    স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম এবং তৎপরবর্তীকালে নানা আন্দোলন চলাকালীন হিংসার ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশে, যার বলি হয়েছেন হিন্দুরা। এবার অবশ্য হিন্দুদের পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে আওয়ামি লিগের কয়েকজন মুসলমান নেতার বাড়িতে। তবে সেই সংখ্যা নিতান্তই হাতে গোণা। সংবাদের শিরোনামে কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দু নিধন (Hindu Killed) যজ্ঞই। কারণ আন্দোলনের বলি কেবল সনাতনী (Bangladesh Crisis) হিন্দুরাই।

    আরও পড়ুন: শেখ মুজিবুরের ভক্ত, হাসিনা বিরোধী! অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করতে পারবেন ইউনূস?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Uttar Dinajpur: ২১ জুলাইয়ের পোস্টার সরানোয় পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ারকে হুমকি তৃণমূল নেতার! ভাইরাল ভিডিও

    Uttar Dinajpur: ২১ জুলাইয়ের পোস্টার সরানোয় পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ারকে হুমকি তৃণমূল নেতার! ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র আর একদিন বাকি, সরকারি পূর্ত দফতরের সামনে থেকে রাজনৈতিক পোস্টার সরিয়ে দেওয়ায় কার্যত তৃণমূল নেতার হুমকির মুখে পড়লেন এক অফিসার। ২১ জুলাইয়ের পোস্টার অফিসের গেট থেকে সরিয়ে দেন এক ইঞ্জিনিয়ার অফিসার। এরপর রীতিমতো ধমক এবং তোপের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। শুধু তাই নয় তাঁকে বাধ্য করা হয় ক্ষমা চাইতে। ইতিমধ্যে ভাইরাল (Viral video) হয়েছে সেই ভিডিও। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার কর্ণজোড়া এলাকায়।

    কীভাবে ঘটেছে ঘটনা (Uttar Dinajpur)?

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওই পূর্ত দফতরের (Uttar Dinajpur) ইঞ্জিনিয়ারের অফিসে ঢুকে হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। এক তৃণমূল নেতা, অধিকারিককে বলেন, “আপনি একজন সরকারি কর্মচারী। এই সাব ডিভিশেনের অফিসার! ব্যানারটাই ফেলে দিলেন? হাত জোড় করে ক্ষমা চান এবং ব্যানার লাগিয়ে দিন। যতক্ষুণ পর্যন্ত ব্যানার না লাগাবেন ততক্ষুণ পর্যন্ত আপানকে আমরা ছাড়ব না। এখানে অফিসের সমানেই বসে থাকব।” এরপর দেখা যায় আধিকারিক বলেছেন, “আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। আমাকে ক্ষমা করে দিন।” ঠিক তারপরই পোস্টার অফিসের গেটের মধ্যে লাগিয়ে দেন।

    অফিসারের বক্তব্য

    পূর্ত দফতরের আধিকারিক ইঞ্জিনিয়ার বাবুন হালদার এই বিষয়ে সাংবাদিকদের পরে বলেছেন, “এটা তো সরকারি অফিস, এখানে রাজনৈতিক পোস্টার লাগানো ঠিক না। তাই আমি খুলে দিয়েছিলাম। কিন্তু এই ভাবে শাসক দলের কর্মীদের হুমকি অত্যন্ত অন্যায়। আমি উচ্চ আধিকারিকদের জানিয়েছি। দেখা যাক ন্যায় বিচার পাই কিনা।”

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    এই বিষয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা উত্তম কুমার সিনহা বলেছেন, “আমরা খবর পেয়েছি কে বা কারা আমাদের পোস্টার খুলে নিয়েছে। জানতে পেরেছিলাম ওই কাজ সরকারি আধিকারিক করেছেন। এরপর প্রশ্ন করি কেন করলেন? কিন্তু কোনও রাজনৈতিক পোস্টার ছিলনা। তিনি আমাদের প্রতি অন্যায় করেছেন। তাই পোস্টার লাগাতে বাধ্য হয়েছেন।”

    আরও পড়ুনঃ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে করেছেন বিয়েও! গ্রেফতার জয়ন্তের সাগরেদ রাহুল গুপ্তা

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয়ে বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেছেন, “রাজ্যে তৃণমূলের প্রকাশ্যে সন্ত্রাস চলছে। ওদের দাবি মতো কাজ না করলেই মুশকিল। চাহিদা না পূরণ করলে এমন করেই ভয় দেখিয়ে ভিডিও (Viral video) করে ভাইরাল করা হবে। সরকারি আধিকারিকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। অত্যন্ত অন্যায়, তীব্র ধিক্কার জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বক্তব্য-বিভ্রাট বাইডেনের (Joe Biden)। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ‘পুতিন’ বলে ডাকলেন। আবার কথায় কথায় কমলা হ্যারিসের কথা বলতে গিয়ে নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বানিয়ে দিলেন। স্বভাবতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) বাইডেনের শারীরিক সক্ষমতা, বয়স নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    জেলেনস্কি হলেন ‘পুতিন’

    আমেরিকায় নেটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক চলছে। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠকেই বক্তব্য রাখতে ওঠেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (US President) জো বাইডেন (Joe Biden)। তাঁর পরের বক্তা ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। বাইডেনকে বলতে শোনা যায়, “আমি এ বার মঞ্চ ছেড়ে দিতে চাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে। যাঁর আছে সাহস, আছে কিছু করে দেখানোর ইচ্ছা। আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্বাগত জানাচ্ছি।” নেটোর বৈঠকে পুতিন এলেন কোথা থেকে, তা ভেবেই হতচকিত হয়ে যায় বৈঠকে উপস্থিত অতিথিরা। অপ্রস্তুত দেখায় জেলেনস্কিকেও। ভুল হয়েছে বুঝতে পেরে তা সংশোধন করে নেন বাইডেনও। বলেন, “জেলেনস্কি পুতিনকে হারাবেন।”

    হ্যারিস হলেন ‘ট্রাম্প’

    শুধু একবারই নয়, বাইডেন (Joe Biden) আরও একবার মুখ ফস্কান। ওই বৈঠকেই। তিনি বলেন, “দেখুন, আমি ট্রাম্পকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করতামই না, যদি তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য না হতেন।” বাইডেন যখন এই মন্তব্য করছেন, তখন দর্শকাসনে বসে আমেরিকার শীর্ষ পদাধিকারীরা। অনেকেই মনে করছেন, দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে গুলিয়েছেন বাইডেন।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    পরপর ভুল বাইডেনের (Joe Biden)

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ‘ভুল’ করেছেন জো বাইডেন (Joe Biden)। সাক্ষাৎকার থেকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডিবেটে জড়িয়েছে তাঁর কথা। এরই মাঝে কয়েকদিন আগেই এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত জানুয়ারি মাসে হোয়াই হাউজে এসেছিলেন পার্কিনসন রোগ বিশেষজ্ঞ। এই আবহে বাইডেনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরও জল্পনা বেড়েছে। এরই মাঝে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ‘হোঁচট’ খেলেন বাইডেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রচারে দাঁড়িয়ে বাইডেন বলেন, ‘২০২০ সালে ট্রাম্পকে আবারও হারাব’। আর তাঁর সেই মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কথা নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া। বাইডেনের পরপর ‘হোঁচট’ দেখে ইতিমধ্যেই ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী বদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন বাইডেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Viral Video: জরিমানা না দেওয়ায় চুলের মুঠি ধরে মার তরুণীকে, ভাইরাল ভিডিওয় কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Viral Video: জরিমানা না দেওয়ায় চুলের মুঠি ধরে মার তরুণীকে, ভাইরাল ভিডিওয় কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক তরুণীকে রাস্তায় ফেলে মারধর করছে একজন। লজ্জায়-ব্যথায়-ঘৃণায় কুঁকড়ে যাওয়া তরুণীটিকে ফের চুলের মুঠি ধরে টেনে মারছে সেই গুণধর। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় (Viral Video) খানিক পরেই দেখা যাচ্ছে, এক তরুণও ওই তরুণীর পাশে পড়ে পড়ে কাতরাচ্ছেন। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বেধড়ক মারধর করা হয়েছে ওই তরুণকেও।

    তৃণমূলের দাদার কীর্তি! (Viral Video)

    গোল হয়ে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনাটি দেখছে একদল মানুষ। যে ব্যক্তি ওই তরুণ ও তরুণীকে মারধর করছে, কেউই তাকে বাধা দিচ্ছেন না। নিরস্তও করার চেষ্টা করছেন না কেউ। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। রবিবার দুপুরে (Viral Video) এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি লিখেছেন, “সালিশি সভাও নয়। অপরাধের বিচার ও শাস্তি দিচ্ছে তৃণমূলের পোষা গুন্ডা। যার ডাকনাম জেসিবি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে এভাবেই বিচার ব্যবস্থাকে দুরমুশ করা হচ্ছে চোপড়ায়।”

    কী বলছে বিজেপি?

    পরে ওই একই ভিডিও পোস্ট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি লিখেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে থাকা বাংলার কুৎসিত মুখ।…প্রত্যেক গ্রামেই সন্দেশখালি রয়েছে।” উত্তর দিনাজপুর জেলা সিপিএমের দাবি, “যিনি মারধর করছেন, তাঁর নাম তাজম্মুল। চোপড়ার বিধায়ক তৃণমূলের হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ। এলাকায় সবাই তাঁকে জেসিবি নামেই চেনেন।” সিপিএমের জেলা সম্পাদক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী আনোয়ার উল হক বলেন, “শুনেছি, ভিডিওতে যে মহিলাকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হচ্ছে, তিনি বিবাহিত। তবে এক ব্যক্তির সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। পরে এলাকায় ফিরলে দুজনের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। জরিমানা না দিলে এলাকায় তাঁদের থাকতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। জরিমানা না দেওয়ায় অত্যাচার করা হয় তাঁদের ওপর।”

    আর পড়ুন: “বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগামী করতে ব্রিটিশ আইনে বদল আনা হয়েছে”, বললেন শাহ

    সাংসদ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বাংলায় এ ধরনের ঘটনা অজস্র ঘটে। তবে অপরাধগুলোকে চেপে দেওয়া হয়।” তিনি বলেন, “বারাসতের একটি ছেলে বিয়ে করেছিল ভিন ধর্মের মেয়েকে। সে যখন তাঁর শিশুপুত্রকে দেখতে শ্বশুরবাড়িতে গেল, তখন তাঁকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এক ভ্যানচালক তাঁকে নিয়ে গিয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি করান। সেই মামলা এখনও চলছে হাইকোর্টে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Crocodile in Bulandsahar: রেলিং টপকাতে গিয়ে ধপাস করে পড়ে গেল কুমির! মুহূর্তে ভিডিও ভাইরাল

    Crocodile in Bulandsahar: রেলিং টপকাতে গিয়ে ধপাস করে পড়ে গেল কুমির! মুহূর্তে ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে (Crocodile in Bulandsahar) কুমিরের রেলিং টপকানোর ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে চারিদিকে সেই সময় হৈহৈ কাণ্ড। দৈত্যাকার একটি কুমির খাল থেকে উঠে এসেছে শহরের রাস্তায়। তীব্র গরমে বেচারা কুমির জলে ফিরে যেতে চাইছে। রেলিংয়ের ধারে রাস্তায় এদিক সেদিক সে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এরপর সে চার হাত পা ও লেজের সাহায্যে কোনও মনে রেলিং টপকানোর চেষ্টা করছে। আর এরই মাঝে বেচারা ধপাস করে পড়ে গেল রাস্তায়।

    জলে ছেড়ে দেওয়া হল কুমিরকে

    স্থানীয়রা এই দৃশ্য দেখে বন দফতরে খবর দেয়। বনদফতরের কর্মীরা এসে কুমিরটিকে বাগে আনে। তাঁরা কুমিরের হাত-পা ও মুখ বেঁধে সেটিকে তুলে নিয়ে গিয়ে খালের জলে ফিরিয়ে দেয়। যদিও কুমিরকে বাগে আনার যুদ্ধে দু’ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়। এই সাময়িক বিপত্তিতে গোটা এলাকায় হৈচৈ রব পড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: কঙ্কালীতলায় পুজো দেওয়ার লাইনে রণিত রায়, ছবি শেয়ার করে কী লিখলেন?

    স্থানীয় এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, “গঙ্গার খাল থেকে নারোরা হয়ে (Crocodile in Bulandsahar) এলাকায় ঢুকে পড়েছিল ওই কুমির। বুলন্দশহর জেলার অন্তর্গত এই নারোরা এলাকা। বনদফতরের একটি দল খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং পুনরায় ওই দৈত্যাকার কুমিরের হাত পা দড়ি দিয়ে বেঁধে এবং মুখ কাপড় দিয়ে ঢেকে খালের কাছে নিয়ে যায়। এর পর ওই সরীসৃপটিকে বাঁধনমুক্ত করে ছেড়ে দেয়।” বন দফতর জানিয়েছে, কুমিরটি জলে ছাড়ার আগে সুস্থ ছিল। তাঁর উপর আক্রমণ হয়নি।

    কুমিরের রেলিং টপকানর ভিডিও ভাইরাল(Crocodile in Bulandsahar)

    কুমির এলাকায় ঢুকে পড়েছে জেনে স্থানীয়রা অনেকেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করা শুরু করে দেন। মুহূর্তের মধ্যে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। বনদফতর জানিয়েছে, “যে কুমিরটিকে উদ্ধার করা হয়েছে সেটি কমপক্ষে ১০ ফিট লম্বা ছিল। উত্তরপ্রদেশে এই ধরনের ঘটনা খুবই বিরল।” কুমির শহরে ঢুকে পড়েছে, তাও তীব্র গরমের সময়। এমন শেষ কবে হয়েছিল মনে করতে পারছেন না অনেকেই। কুমির (Crocodile in Bulandsahar) শহরে ঢুকে পড়লেও কোন মানুষের উপর আক্রমণ করেনি। সেই সময় আমি অনেক মানুষই চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দিয়েছিলেন। যার জেনে কিছুক্ষণের জন্য কুমির বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল। তা সত্ত্বেও সে মানুষের দিকে তেড়ে যায়নি। বরং কোনও মতে মানুষের হাত থেকে বাঁচার জন্য সে জলের মধ্যে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share