Tag: WB Assembly Election 2026

  • Amit Shah: ‘‘বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী’’, শুক্র-সকালে ঘোষণা শাহ-র

    Amit Shah: ‘‘বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী’’, শুক্র-সকালে ঘোষণা শাহ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ১৫২টি কেন্দ্রে। তার পরের দিন সকালেই নিউ টাউনের হোটেল থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রথম দফার ‘রিপোর্ট-কার্ড’ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়ে দিলেন ১৫২টির মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে বিজেপি জিততে চলেছে। একইসঙ্গে, তাঁর ঘোষণা, পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বাংলায় জন্ম নেওয়া, একজন বাঙালিই হবেন।

    ‘‘৫ তারিখের পর অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে’’

    সাংবাদিক সম্মেলনে শাহ বলেন, ‘‘প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের অনেক অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ। ভয় থেকে ভরসার দিকে যাত্রা খুব ভাল ভাবে আপনারা শুরু করেছেন। দ্বিতীয় দফার ভোটারেরা এই যাত্রা এগিয়ে নিয়ে যাবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য পুলিশকে অভিনন্দন। কারণ, বহু যুগ পরে পশ্চিমবঙ্গের ভোটে কোনও মৃত্যু হয়নি।’’ তিনি বলেন, ‘‘৫ তারিখের পর অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। পশ্চিমে বিকাশ হয়েছে। পূর্ব দিক এখনও পিছিয়ে আছে। বিজেপি আসার পর সেখানেও বিকাশের গতি বাড়বে।’’ তিনি বললেন, ‘‘১৫২টির মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে বিজেপি জিততে চলেছে। সারা রাত ধরে আমরা বিশ্লেষণ করেছি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আমরা সরকার গড়ব। সারা রাত ধরে বিশ্লেষণ করেছি।’’

    ‘‘রাত ১টাতেও নির্ভয়ে মেয়েরা স্কুটিতে বেরোতে পারবেন’’

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দুরবস্থা ও নারী নিরাপত্তার অবনতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন, ‘‘প্রথম দফাতেই বাংলার মানুষ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে ফেলেছেন। এই মাটি বিকাশকে বেছে নিয়েছেন। মোদির নেতৃত্বে সারা দেশে বিকাশের যাত্রা চলছে। বাংলাও তাতে শামিল হতে চলেছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সন্ধ্যা ৭টার পর মেয়েরা কেন বাইরে বেরোচ্ছেন? তাঁর শাসন করার অধিকার নেই। বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাত ১টাতেও নির্ভয়ে মেয়েরা স্কুটিতে বেরোতে পারবেন। কোনও গুণ্ডা আসবে না। মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধিতা করার জবাবও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়ে যাবেন।’’

    ‘‘বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন’’

    বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন বলে ঘোষণা করে দিলেন অমিত শাহ। বললেন, ‘‘আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে চাই, ৫ তারিখের পর বাংলা মাধ্যমে পড়া, বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন।’’ তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে তৃণমূল। বিজেপি ক্ষমতায় এলে তা বদলে যাবে। আর কোনও কাজের জন্য কাটমানি দিতে হবে না।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা আপনাদের কাছে পরিবর্তন চেয়েছি। পরিবর্তন মানে বিধায়ক বা দল বদলে দেওয়া হয়। পরিবর্তনের অর্থ দুর্নীতি দূর করা, সিন্ডিকেট রাজ সমাপ্ত করা, প্রশাসনের উপর থেকে রাজনৈতিক চাপ তুলে দেওয়া। পুরনো নির্বাচন ভুলে যান। শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করছে কমিশন।’’

    ‘‘ঝালমুড়ি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও খান, মোদিজি খেলে আপত্তি কিসের?’’

    অমিত শাহ বলেন, ‘‘দ্বিতীয় দফার আসনগুলি আলাদা করে নয়, পুরো পশ্চিমবঙ্গই আমাদের জন্য কঠিন ছিল। আপাতত ৭৭টি আসনে আমরা বসে আছি। সরকার বিজেপি বানায় না। সরকার বানায় জনগণ। আমি সুনামি দেখতে পাচ্ছি।’’ শাহ বলেন, ‘‘কেউ গঙ্গায় নৌকাভ্রমণ করলে কেন আপত্তি? ঝালমুড়ি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও খান। মোদিজি খেলে আপত্তি কিসের?’’ শাহ আরও বলেন, ‘‘এখানে প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগেও ছিল। কিন্তু ভয় দেখিয়ে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছিল না। এ বার পুলিশ, প্রশাসন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সুরক্ষার ভাল বন্দোবস্ত করেছে। ভয়মুক্ত পরিবেশ রয়েছে। তাই আমাদের বিশ্বাস, পরিণাম আমাদের পক্ষে আসবে।’’

    ‘‘আমার জীবনের খুব বড় একটা অভিজ্ঞতা’’

    মধ্যমগ্রামের রোড-শোর কথা উঠে আসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গলায়। অমিত শাহ বলেন, ‘‘মধ্যমগ্রামের রোড শো-তে যা ভিড় হয়েছিল, আমার কল্পনার বাইরে। এত ধাক্কাধাক্কির মধ্যে এক বয়স্ক মহিলা তার মধ্যেও দাঁড়িয়েছিলেন। এটা আমার জীবনের খুব বড় একটা অভিজ্ঞতা। আমি গাড়ি থেকে নেমে তাঁর কাছে গিয়েছি। ব্যক্তিগত জীবনেও এটা অনেক বড় শক্তি জোগায়। বিরোধীদের গালিগালাজ আর গায়ে লাগে না।’’ প্রথম দফার ভোটে কোনও কোনও বুথে ইভিএম বদলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শাহ জানান, এ বিষয়ে বিজেপির প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছে এবং আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। তাঁরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন।

    ‘‘নতুন যুগের সূচনার স্পষ্ট পূর্বাভাস’’

    এর আগে, অমিত শাহ ইতিমধ্যেই শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। বাংলায় সকল ভোটারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ঐতিহাসিক ভোটগ্রহণের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মহোৎসবে অংশগ্রহণের সকল রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য রাজ্যের সম্মানিত ভোটারবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। বাংলার ইতিহাসে অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশন, সকল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি। এটি বাংলায় সুশাসনের এক নতুন যুগের সূচনার স্পষ্ট পূর্বাভাস।’’

  • Assembly Election 2026: রেকর্ড ভোটদান, ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণ! নতুন মাইলফলক, অ্যাখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: রেকর্ড ভোটদান, ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণ! নতুন মাইলফলক, অ্যাখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের (Assembly Election 2026) নজির গড়ল পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙল বাংলা। একই সঙ্গে নির্বাচন হল মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। অভিযোগ জমা পড়ল আগের তুলনায় অনেক কম। বঙ্গে এই নির্বাচনকে নতুন মাইলফলক অ্যাখ্যা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলায় এসে তিনি বলেন, “গত ৫০ বছরের মধ্যে এটাই সম্ভবত সবথেকে কম হিংসার নির্বাচন।”

    কেন রেকর্ড সংখ্যক ভোট

    প্রথম দফার নির্বাচনে কয়েকটি বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলিকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। মনোজ বলেন, “এসআইআর-র ফলে মৃত ভোটার ও স্থানান্তরিত ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় নেই। এর ফলে ভোটের হার শতাংশ তো বাড়বেই। দেশব্যাপীই এই ছবি দেখা যাচ্ছে। অসম-সহ যে সব রাজ্যে সম্প্রতি ভোট হয়েছে, সেখানে ভোটদানের হার বেড়েছে। আর বাংলায় তো ভোটদানের হার সবসময়ই বেশি থাকে। এবারও বেশি থাকবে।” ২০১১ সালের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ২০২৬ সালের প্রথম দফায় ভোটের হার। ২০১১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৪ শতাংশ। ২০১৬ সালে ভোট পড়েছিল ৮২.৬৬ শতাংশ। ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮১.৫৬ শতাংশ। এবার প্রথম দফাতে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। দ্বিতীয় দফায়ও ভোটের হার বেশি থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। শেষ তথা দ্বিতীয় দফায় ভোট রয়েছে কলকাতায়। এখানে ভোটদানের হার তুলনামূলক কম থাকে। এদিন সিইও-র কাছে জানতে চাওয়া হয়, কলকাতায় কি এবার ভোটদানের হার বেশি থাকবে? তার উত্তরে সিইও বলেন, “আমরা সবাইকে ভোটদানের আবেদন করতে পারি। কলকাতাবাসীও তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।”

    এক কথায় সফল নির্বাচন কমিশন

    নির্বাচন কমিশনের স্পেশ্যাল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, দিনভর বড় কোনও অশান্তির খবর নেই। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও তা অতীতের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুথে বুথে টহল দিচ্ছে সিআরপিএফ। এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কমিশনের কন্ট্রোল সেন্টার প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাঠে রয়েছেন ২০০ জন মাইক্রো-অবজারভার। ইভিএম সংক্রান্ত সমস্যা বা যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া মাত্রই প্রিসাইডিং অফিসারদের সক্রিয় করা হচ্ছে। এবার বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট কিংবা রক্তপাতের মতো ঘটনা প্রায় নেই বললেই চলে। ভোটারদের বিপুল অংশগ্রহণ এবং কমিশনের কড়া নজরদারি—সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সফল ও উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এক কথায় বলতে গেলে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটের দিন ১০০ তে ১০০ না হলেও ৯৫ শতাংশ সফল নির্বাচন কমিশন।

  • Assembly Election 2026: স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাসে রেকর্ড বাংলার, কত ভোট পড়ল রাজ্যে?

    Assembly Election 2026: স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাসে রেকর্ড বাংলার, কত ভোট পড়ল রাজ্যে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নতুন তথ্য অনুযায়ী, ৯২.৪৭ শতাংশ ভোট (Assembly Election 2026) পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে এবার। দুই রাজ্যের ভোটারদের কুর্নিশ জানিয়েছেন তিনি। কমিশন সূত্রে মেলা শেষ তথ্য অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ। তামিলনাড়ুতে ভোটর হার ৮৪.২৯ শতাংশ।

    স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনে রেকর্ড

    রাজ্যে যে  ১৫২ টি আসনে প্রথম দফায় ভোট হয়েছে, সেগুলিতে ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৩.২ শতাংশ। ২০২৪ সালে ৭৯.৮ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে এর আগে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে। ওই বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ। স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাস বলছে এবারের মতো ভোট এর আগে কখনও দেখেনি পশ্চিমবঙ্গ। কারণ, এসআইআর পরবর্তী নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯২ শতাংশ। যা গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। এবারের ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার ছবিই বলে দেয়, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের এবারের নির্বাচন নিয়ে উৎসাহের অন্ত ছিল না।

    দেশের সব রাজ্যকে পিছনে ফেলল বাংলা

    চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সেই দুই রাজ্যকে পিছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট। রাত ৯টার হিসেব অনুযায়ী প্রথম দফা নির্বাচনে ৯২ শতাংশ ভোটের মধ্যে মুর্শিদাবাদে পড়েছে ৯৩ শতাংশ, বর্ধমানে পড়েছে ৮৭ শতাংশ, পশ্চিম মেদিনীপুরে পড়েছে ৯২ শতাংশ ভোট, পূর্ব মেদিনীপুরে পড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট। পুরুলিয়ায় ভোট দেওয়ার শতাংশের হার ৮৯ শতাংশ। উত্তর দিনাজপুরে ভোট পড়েছে ৯১ শতাংশ। আলিপুরদুয়ারে ভোট পড়েছে ৯০ শতাংশ। বাঁকুড়ায় এই শতাংশ ৯১। বীরভূমে ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ। কোচবিহারে ভোট পড়েছে ৯৫ শতাংশ। দক্ষিণ দিনাজপুরে এই হার ৯৫ শতাংশ। ৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে দার্জিলিংয়ে। জলপাইগুড়িতে ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ। ঝাড়গ্রামে পড়েছে ৯২ শতাংশ ভোট। কালিম্পংয়ে পড়েছে ৮৩ শতাংশ ভোট ও মালদায় পড়েছে ৯১ শতাংশ ভোট। তবে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেই হার নজির গড়বে কি না, তা জানা যাবে দ্বিতীয় দফার পরেই। আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে এর কাছাকাছি হার বজায় থাকলেই পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে দিতে পারে ভোটদানের বহু নজির।

     

     

     

     

  • Assembly Election 2026: পিংলায় বুথ ছেড়ে সদলবলে ‘লাঞ্চ’ করতে গেলেন ভোটকর্মীরা, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

    Assembly Election 2026: পিংলায় বুথ ছেড়ে সদলবলে ‘লাঞ্চ’ করতে গেলেন ভোটকর্মীরা, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিজার্ভ পোলিং টিমকে পাঠিয়ে সামাল দেওয়া হল পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Medinipur) পিংলা বিধানসভার ৯ নম্বর বুথের পরিস্থিতি। কাজ ছেড়ে সেই বুথের ভোটকর্মীরা খেতে গিয়েছিলেন এমনই অভিযোগ। নির্বাচনের দিন (Assembly Election 2026) মানেই বুথে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি আর ভোটকর্মীদের দম ফেলার ফুরসত নেই— এটাই হওয়ার কথা। কিন্তু বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটের দিন পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Medinipur) পিংলা বিধানসভার ৯ নম্বর বুথের ছবিটা ছিল একেবারেই অন্যরকম। সেখানে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে, কিন্তু বুথের ভেতর, চেয়ার ফাঁকা! প্রিসাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার— সবাই তখন ‘মধ্যাহ্নভোজ’ সারতে বুথ ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছেন।

    কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    ঘটনাটি শুনে প্রথমে বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও, বাস্তবে এমনটাই ঘটেছিল। বুথে দীর্ঘক্ষণ কর্মীদের দেখা না পেয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধ্য হয়েই তাঁদের ফোন করেন। ওপার থেকে ভেসে এল সেই অমোঘ উত্তর— “আমরা বাইরে আছি, পরে আসছি!” যেন কোনও গুরুত্বপূর্ণ ভোট নয়, পাড়ার পিকনিকে বেরিয়ে সামান্য দেরি হওয়ার কৈফিয়ত দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ওই সময় সেক্টর অফিসারও নাকি বুথের ধারেকাছে ছিলেন না। এই খবর কানে যেতেই নড়েচড়ে বসেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আর তার পরেই কমিশনের কোপে পড়ে কার্যত ছিটকে গেলেন ওই বুথের ভোটকর্মীরা। প্রিসাইডিং অফিসার-সহ গোটা টিমকে তড়িঘড়ি সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    পিংলার ওসির অপসারণ দাবি শুভেন্দুর

    পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ওসি-রও অপসারণের দাবি তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikari)। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পর তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পিংলা থানার ওসির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তোলেন। শুভেন্দুর দাবি, পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার বর্তমান ওসি চিন্ময় প্রামাণিক বিজেপির পোলিং এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দিচ্ছেন এবং শাসকদলকে মদত জোগাচ্ছেন। তিনি কড়া সুরে বলেন, “পিংলার ওসিকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করতে হবে।” এই মর্মে তিনি খোদ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ফোন করে অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও নিশ্চিত করেন। তাঁর মতে, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এমন আধিকারিকদের অবিলম্বে সরানো প্রয়োজন।

  • Assembly Election 2026: “৫ তারিখের পর বাংলায় আর অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না”, নির্বাচনী সভা থেকে হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: “৫ তারিখের পর বাংলায় আর অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না”, নির্বাচনী সভা থেকে হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটে (Assembly Election 2026) তৃণমূলের গুন্ডাদের সাহস হয়নি ভোটারদের আঙুল তুলে দেখায়। পুরশুড়ার সভা থেকে এমনই অভিমত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। বৃহস্পতিবার শাহের দু’টি জনসভা ছিল প্রথমটি হুগলির বলাগড়ে, দ্বিতীয়টি পুরশুড়ায়। সেখান থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশেও কড়া বার্তা দেন শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “৫ মে বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠন করার পর অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে তাড়ানো হবে। ৫ তারিখের পর বাংলায় আর অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না।”

    দিদির যাওয়ার সময় হয়েছে

    রাজ্যে তৃণমূলের দাদাগিরি-কে ভয় না পাওয়ার কথা বলেন শাহ। তাঁর কথায়, “মহিলা মুখ্যমন্ত্রী এ রাজ্যে। কিন্তু এখানেই মহিলাদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের বোন-মেয়েদের উপর অত্যাচার করছে। বিজেপি প্রার্থীদের জন্য নয়, অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে ভোট দিন। প্রথম দফায় দিদির কোনও গুন্ডার হিম্মত হয়নি, ভোটদারদের আঙুল তুলে দেখায়। যে ভাবে ৮০ শতাংশ ভোট (Assembly Election 2026) হয়েছে, এটাই স্পষ্ট দিদির যাওয়ার সময় হয়েছে। ৫ তারিখের পর আপনার এবং ভাইপোর সময় শেষ হবে। এখানে বিজেপির সরকার তৈরি হবে। এসআইআর ছাড়ুন। এক এক করে অনুপ্রবেশকারীকে বাইরে পাঠাব।”

    অনুপ্রবেশকারী-মুক্ত করতে ভোট দিন

    শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের থেকে মুক্ত করার জন্য ভোট দিন। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, শুধু পশ্চিমবঙ্গ থেকে নয়, অনুপ্রবেশকারীদের গোটা দেশ থেকে বেছে বেছে তাড়াবে বিজেপি। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের পশ্চিমবঙ্গের তরুণদের চাকরি খাচ্ছে। গরিবদের রেশন খাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। দেশের সুরক্ষার উপরও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। ৫ তারিখ বিজেপির সরকার গড়ে দিন। ৬ তারিখ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের পালানো শুরু হয়ে যাবে।” মহিলাদের উদ্দেশে শাহের বার্তা, ‘‘৫ তারিখের পর, সন্ধ্যা ৭টা তো দূর, মাঝরাতেও যদি কোনও অল্পবয়সি মেয়ে বাড়ির বাইরে বার হয়, তা হলেও কোনও গুন্ডার হিম্মত হবে না তার দিকে চোখ তুলে তাকানোর।’’

    সিন্ডিকেটবাজদের হুঁশিয়ারি

    এদিন মধ্যমগ্রামে রোড শো করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর আগে শাহ (Amit Shah) বলেন, “দিদি আমার কথা শুনে নিন। ৫ তারিখের পর বিজেপির সরকার আসবে। আপনার গুন্ডাদের বলবেন, নিজেদের এক্তিয়ারে থাকতে। না হলে ৫ তারিখের পর আমরা ঠিকঠাক হিসেবনিকেশ করে নেব।” হুঁশিয়ারির সুরে শাহ বলেন, “মমতাকে টাটা-বাই বাই করো, সিন্ডিকেটবাজদের উল্টো করে সোজা করা হবে।”

  • Bengal Elections 2026: আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে ‘হামলা’, লাভপুরে মাথা ফাটল বিজেপি প্রার্থীর এজেন্টের

    Bengal Elections 2026: আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে ‘হামলা’, লাভপুরে মাথা ফাটল বিজেপি প্রার্থীর এজেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটগ্রহণে আক্রান্ত বিজেপি। দিকে দিকে বিজেপি প্রার্থী বা এজেন্টদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সবক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে।

    ভাঙল অগ্নিমিত্রার গাড়ির কাচ

    আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের উপর হামলার অভিযোগ। তাঁর গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল দক্ষিণের হীরাপুর থানা এলাকায়। অগ্নিমিত্রার গাড়ির পিছনের দিকের কাচ বেশির ভাগটাই ভেঙে গিয়েছে। হীরাপুর থানায় গিয়ে ইতিমধ্যে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি। অগ্নিমিত্রা জানান, তিনি বুথ পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। রহমতনগর হাই স্কুলের বুথ পরিদর্শন করে বেরোন তিনি। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, সেই সময়েই চলন্ত গাড়িতে পিছন থেকে পাথর ছোড়া হয়েছে।

    রক্তাক্ত বীরভূমের লাভপুর

    প্রথম দফার ভোটে রক্তাক্ত বীরভূমের লাভপুরও। মাথা ফাটল বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ওঝার এজেন্টের। আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীর এজেন্ট বিশ্বজিৎ মণ্ডল। জানা গিয়েছে, বীরভূমের লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভ্রমরকল অঞ্চলে ৬৮ নম্বর বুথে সকাল থেকেই অশান্তির খবর আসছিল। সেই অশান্তির খবর পেয়েই বুথ পরিদর্শনে যান বিজেপির নির্বাচনী এজেন্ট বিশ্বজিৎ মণ্ডল। তাঁকে ঘিরে ফেলে কিছু লোকজন। অভিযোগ, মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে সিউড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় আক্রান্ত বিজেপি নেতাকে। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। বিশ্বজিৎ বলেন, ‘আজকে আমি বুথ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। ফেরার সময়ে আমার উপরে তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন হামলা চালায়। আমার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।’ বিশ্বজিৎ বর্তমানে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিশ্বজিৎ ছাড়াও লাভপুরের প্রার্থীর দেবাশিস ওঝার ছেলে বিশ্বরূপ ওঝাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

    কুমারগঞ্জে বিজেপি প্রার্থীকে ‘বেধড়ক মার’

    দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের স্বয়ং প্রার্থীকেই মারধরের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপি প্রার্থীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। পুলিশের সামনেই কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে কিল-চড়-ঘুষি মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। যাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কিছু আগেই তাঁর এজেন্টকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে ছাঞ্চল্য ছড়ায়! দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করতে দেখা যায় স্বয়ং বিজেপি প্রার্থীকেই। তারা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী বলে অভিযোগ ওঠে। কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থীর এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাল্টা অভিযুক্তদের ধাওয়া করেন প্রার্থী শুভেন্দু সরকার।

    মালদার চাঁচলে আক্রান্ত বিজেপি

    মালদার চাঁচল বিধানসভার ২২১ নম্বর বুথের ধুম সাডাগী পানপাড়া এলাকায় বিজেপির এক নির্বাচনী এজেন্টের উপর হামলার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, ওই এজেন্টের পরনের পাঞ্জাবিও ছিঁড়ে দেওয়া হয়। পরে তাঁকে চাঁচল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। কোচবিহারের মাথাভাঙায় বিজেপির বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলল তৃণমূল। তা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। শেষে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    সিতাই-ঘাটালে আক্রান্ত বিজেপি

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে ছুরি মারার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সিতাই বিধানসভার ২৭০ নম্বর বুথের ঘটনা। বিজেপির পোলিং এজেন্ট বুথ থেকে বাড়িতে খেতে যান। তখনই তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ছুরি দিয়ে তাঁকে আঘাত করার অভিযোগ। আহত এজেন্টকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। ঘাটালের মারিচা গ্রামে ‘আক্রান্ত’ বিজেপি প্রার্থী শীতল কপাট। ঘাটালের ৫ নম্বর অঞ্চলের ১৭০ নম্বর বুথে উত্তেজনা। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে, অভিযোগ শীতল কপাটের। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা হামলাকারীদের সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়েন্ত্রণে আনে।

  • Assembly Election 2026: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীকে মারধর! কুমারগঞ্জের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের পথে কমিশন

    Assembly Election 2026: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীকে মারধর! কুমারগঞ্জের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের পথে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটগ্রহণের (Assembly Election 2026) দিনে জেলায় জেলায় অব্যাহত রাজনৈতিক হিংসা। পুলিশের সামনেই দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে কিল-চড়-ঘুষি মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। পোলিং এজেন্টকে বাধা দেওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। ভাংচুর করা হয়েছে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি। সকাল থেকে একটু-আধটু গণ্ডগোল ছাড়া, সে অর্থে হিংসার ঘটনা সামনে আসেনি। তবে বেলা বাড়তেই একের পর এক হিংসার ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে।

    পুলিশের সামনেই মারধর

    কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারের অভিযোগ, বুথে তাঁর পোলিং এজেন্টকে বসতে বাধা দিচ্ছিল শাসকদলের কর্মীরা। খবর পেয়ে তিনি সেখানে পৌঁছালে তৃণমূল আশ্রিত জেহাদি বাহিনী তাঁকে তাড়া করে। অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁকে গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে কিল, চড়, ঘুষি ও লাথি মারা হয়। এই হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁর গাড়িটিও ভাঙচুর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনার সূত্রপাত কুমারগঞ্জের ২৪ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের একদল কর্মী বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দিচ্ছিল। খবর পেয়ে প্রার্থী শুভেন্দু সরকার ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে ধরে শারীরিক নিগ্রহ করে এবং তাঁকে মারধর করে।

    কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

    এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারের ওপর হামলার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। ওই এলাকায় হামলার সময়কার যে ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে উপস্থিত দোষীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটের দিনে প্রার্থীর ওপর এহেন আক্রমণে জেলা প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই হিংসার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

  • West Bengal Elections 2026: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    West Bengal Elections 2026: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) দ্বিতীয় দফায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপ আরও মজবুত করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে এই দফায় মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের জন্য কমিশন যে পরিমাণ বাহিনী বরাদ্দ করেছে, তা সাম্প্রতিক সময়ের নির্বাচনগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। কমিশনের সাফ কথা নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ হওয়া চাই। তাই কমিশন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফা বিধানসভা নির্বাচনে (Election Commission India) মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কথা জানালো কমিশন। আসুন দেখে এক নজরে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী?

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়—৫০৭ কোম্পানি (West Bengal Elections 2026)

    কমিশনের দেওয়া নোটিস (West Bengal Elections 2026) অনুযায়ী, নির্বাচনে (Election Commission India) সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়—৫০৭ কোম্পানি। দ্বিতীয় দফায় ১৪২ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। ওই দিন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১১২ কোম্পানি বাহিনী। বনগাঁ পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৬২ কোম্পানি বাহিনী। বসিরহাটে ১২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ভোটের দিন। বিধাননগরে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ব্যারাকপুরে থাকবে ১৬০ কোম্পানি।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সুন্দরবনে ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুরে ১৬১, ডায়মন্ড হারবারে ১৩৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে দ্বিতীয় দফার ভোটে।

    হাওড়া

    হাওড়া জেলার গ্রামীণ এলাকায় ১৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় থাকবে ১১০ কোম্পানি।

    নদিয়া

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ওই জেলার রানাঘাট পুলিশ জেলায় থাকবে ১২৭ কোম্পানি।

    হুগলি

    হুগলি জেলার চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ভোটের সময় দায়িত্বে থাকছে ৮৩ কোম্পানি বাহিনী। হুগলি গ্রামীণ পুলিশ জেলায় ভোটের-দায়িত্ব সামলাবে ২৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    পূর্ব বর্ধমান

    পূর্ব বর্ধমানে মোট বুথ সংখ্যা ৪৪৬৫। মোট ২৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    পশ্চিম বর্ধমান

    পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে মোট বুথের সংখ্যা ১৯৫টি। বাহিনী থাকবে ১৩ কোম্পানি।

    কলকাতা

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে কলকাতায় বুথের সংখ্যা ৫,১৭২ । ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে রাজ্য রাজধানীতে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিটি কোম্পানিতে অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকেন। আগেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। প্রত্যেক বাহিনীকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছিল, কোনও কোম্পানিতেই যেন কর্মীসংখ্যা ৭২-এর কম না-হয়। যেকোনও মূল্যে নির্বাচন অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশে।

    নিরাপত্তার উদ্দেশ্য

    স্পর্শকাতর বুথগুলিতে শান্তি বজায় রাখা এবং সাধারণ ভোটাররা (West Bengal Elections 2026) যাতে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই ব্যাপক প্রস্তুতি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নিরাপত্তার স্বার্থে কমিশন ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার একটি বড় অংশ মোতায়েন থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এটি সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কমিশনের (Election Commission India) একটি বড় পদক্ষেপ।

  • West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণ। এই পর্বে ভোট হচ্ছে রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে। প্রথম দফায় ভোটে লড়ছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এদিনের ভোটে তাঁদের ভাগ্য নির্ধারিত হবে (Election Commission India) । এই পর্বে রয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষের মতো প্রার্থীরা। বিজেপি অবশ্য এই পর্বে ব্যাপক আশাবাদী। সরকার গড়া নিয়ে বিজেপি প্রথম থেকেই দৃঢ় প্রত্যয়ী।

    কোন কোন জেলায় ভোট (West Bengal Elections 2026)?

    প্রথম দফায় আজ ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026) হচ্ছে ১৫২ আসনে। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের ১৬ জেলার মোট ১৫২ কেন্দ্রে আজ ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। প্রথম দফায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির মধ্যে রয়েছে- কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা এবং নন্দীগ্রাম। প্রথম দফার মোট প্রার্থী (Election Commission India) ১,৫৮৬ জন।

    কোন জেলায় কোন কোন আসন?

    এই পর্বে কোন কোন জেলার কোন কোন আসনে নির্বাচন হবে আসুন একনজরে দেখে নিই।

    কোচবিহার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভায় আসন ৯টি। এখানকার বিধানসভা কেন্দ্রগুলি হল মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙ্গা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, সিতালকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ।

    আলিপুরদুয়ার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধান সভার ৫ কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলি হল কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার্স, ফালাকাটা, মাদারিহাট।

    জলপাইগুড়ি জেলা

    এই জেলায় মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ৭ কেন্দ্র। এগুলি হল ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, দাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা।

    দার্জিলিং জেলা

    এই জেলায় মোট কেন্দ্র ৬ টি। এখানকার কেন্দ্রগুলি হল কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।

    উত্তর দিনাজপুর জেলা

    এই জেলায় বিধানসভার কেন্দ্র হল ৯ টি। এগুলি হল চোপড়া, ইসলামপুর, গোলপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার।

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা

    মোট ৬ টি আসন হল এই জেলায়। এগুলি হল কুশমণ্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর।

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলা

    পূর্ব মেদিনীপুর কেন্দ্রে মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ১৬। এগুলি হল নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরা, তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না।

    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা

    এখানে মোট বিধানসভা ১৯। এখানে ভোট গ্রহণ হবেদাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, খড়গপুর, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, গড়বেতা, শালবনি, কেশপুর, মেদিনীপুর, বিনপুরে।

    পুরুলিয়া জেলা

    পুরুলিয়াতে মোট আসন ৯। যে যে কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে তা হক বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পাড়া, রঘুনাথপুর।

    বাঁকুড়া জেলা

    বাঁকুড়া জেলায় মোট আসন হল ১২। এখানে ভোট গ্রহণ হবে যে কেন্দ্র গুলিতে তা হল-শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর, তালডাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কাটুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী।

    পশ্চিম বর্ধমান জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র হল ৯।  পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনি।

    বীরভূম জেলা

    বীরভূমে মোট কেন্দ্র ১১ কেন্দ্র। এগুলি হলদুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হানসান, নলহাটি, মুরারই।

    মালদা জেলা

    মালদা জেলায় মোট ভোট কেন্দ্র হল ১২। যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট হবে তা হল- হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদা, ইংলিশ বাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর।

    মুর্শিদাবাদ জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা হল ২২। এখানে এই দফায় সবথেকে বেশি বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলি হল ফারাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বুরওয়ান, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি।

    কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না

    নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) ঘিরে সকল প্রার্থীদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। কমিশনের নির্দেশ (Election Commission India), সকাল ৬টা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে অন্যত্রে যেতে পারবেন না কোনও প্রার্থীই। ভোট চলাকালীন নিজের বিধানসভা এলাকাতেই থাকতে হবে সব প্রার্থীকে। কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ হয় এবং গণতান্ত্রিকভাবে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাকে নিশ্চিত করতে হবে।

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

LinkedIn
Share