Tag: WB Assembly polls 2026

  • Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পরিবর্তনের (Assembly Election 2026) ঢেউ উঠেছে এবং বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল দেখার প্রয়োজন নেই, প্র্যাকটিক্যাল পোল-এর উপর ভরসা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার, নন্দীগ্রামে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, হিন্দুরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে এবং মুসলিম ভোটের একটি বড় অংশও (প্রায় ৮ শতাংশ) বিজেপির পক্ষে এসেছে। মানুষ রাজ্যে উন্নয়ন চায়, তাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। ২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি।

    তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নেই

    বুথ ফেরত সমীক্ষা বা তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে তৃণমূলের এজেন্ট খুঁজে না পাওয়া এবং গণনাকেন্দ্রে গণ্ডগোল করার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, ‘ভবানীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টরা বসতে না চাওয়ায় ছোট ছোট ছেলেদের ২-৩ হাজার টাকা দিয়ে এজেন্ট হিসেবে বসানো হয়েছিল। গণনার দিনও তৃণমূলের লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইভিএম চুরির আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পুরনো অভ্যাস যা সহজে যাবে না।’ ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে বুথ ভিত্তিক পর্যালোচনা শেষ করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, তাঁরা গণনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তৃণমূলের কোনও বাধা কাজে আসবে না।

    কোনওরকম কারচুপি নয় মমতাকে, শুভেন্দু

    দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের ভোটগণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে চার ঘণ্টা ধরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘কোনও নিয়ম বহির্ভূত কাজ’ করতে পারেননি মমতা। শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘‘ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোটার ভদ্রমণ্ডলীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয়াকে কোনওরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে।’’ এর পরেই মমতাকে নিশানা করে শুভেন্দুর ‘আশ্বাসবার্তা’— ‘‘উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনও রকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রংরুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওঁকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন।’’

  • Assembly Election 2026: পালাবদলের দেওয়াল-লিখন পড়ে ফেলেছেন মমতা! তাই কি অজুহাত তৈরি করে রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো?

    Assembly Election 2026: পালাবদলের দেওয়াল-লিখন পড়ে ফেলেছেন মমতা! তাই কি অজুহাত তৈরি করে রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটপর্ব মেটার পরে এবার স্ট্রংরুম নিয়ে বিতর্ক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তৃণমূলের ধর্না-বিক্ষোভ এবং বিজেপির পাল্টা জমায়েত নিয়ে সরগরম রইল উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতার দুই গণনাকেন্দ্র। প্রথমে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র। তার পরে দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল। স্ট্রংরুমে সন্দেহজনক গতিবিধির পাশাপাশি নিয়ম না মেনে পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত কাজের অভিযোগ তোলা হয় তৃণমূলের তরফে। ভোট গণনা-কেন্দ্রের নিরাপত্তা (Assembly Election 2026) নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগ ভিত্তিহীন। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের করিডরে বসে যে পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণের কাজ চলছিল, সেই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলিকে আগেই ই-মেল করে জানানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের অভিযোগ নিয়ে এমনটাই জানাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তাদের তরফে আরও জানানো হয়, স্ট্রংরুমে বিদ্যুৎ সংযোগ রাখা যায় না। আইন মেনে তাই টর্চ নিয়ে কাজ চলছিল। এখনও সেই কাজ চলছে। এই ঘটনা দেখে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি পালাবদলের দেওয়াল-লিখন পড়ে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

    নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা

     নির্বাচন কমিশনের পাল্টা দাবি, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের করিডরে বসে যে পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণের কাজ চলছিল, সেই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলিকে আগেই ই-মেল করে জানানো হয়েছিল। মনোজের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন উত্তর কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) স্মিতা পাণ্ডে। তিনি বলেন, ‘‘অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারেরা করিডরের মধ্যে বসেই পৃথকীকরণের কাজ করছিলেন। টর্চ লাইট নিয়ে এখনও সেই কাজ চলছে। (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় সব রাজনৈতিক দলকে ইমেইল করে জানানো হয়েছে, বিকেল ৪টে থেকে ওই কাজ শুরু হবে। রিটার্নিং অফিসারদের আমরা বলেছিলাম প্রার্থী এবং তাঁদের এজেন্টকে এই বিষয়টি জানাতে। তাই জানানো হয়নি এই অভিযোগ মিথ্যা।’’ সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের গণনাকেন্দ্রের স্ট্রংরুমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী ভাবে গেলেন, সেই নিয়ে বিধিগত প্রশ্নও তুলেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়াল।

    বিধিবদ্ধ ভাবেই পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণ করা হচ্ছে

    মনোজের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন উত্তর কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) স্মিতা পাণ্ডে। তিনি জানান, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম রয়েছে। বুধবার ভোটগ্রহণ হয়েছে। ভোটগ্রহণের পরে ইভিএমগুলি স্ট্রংরুমে সিল করা রয়েছে। স্ট্রংরুমগুলি সিল করা এবং বন্ধ রয়েছে। ভিতরে সিসি ক্যামেরা বসানো রয়েছে, তার ফুটেজ বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছে। তিনি জানান, বিধিবদ্ধ ভাবেই পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণ করা হচ্ছে। বিধি অনুযায়ী ভোটকর্মীরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন। দ্বিতীয় দফার ভোটে সরকারি কর্মচারীরা ট্রেনিং সেন্টারে ভোট দিয়েছেন। সেই পোস্টাল ব্যালটগুলি জমা করে রেখে দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের তরফে স্মিতা আরও জানান, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সাতটি ইভিএমের স্ট্রংরুম রয়েছে এবং একটি পোস্টাল ব্যালটের স্ট্রংরুম রয়েছে। বৃহস্পতিবার সারা রাজ্য জুড়েই বিধানসভা অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণের কাজ চলছে। অন্য বিধানসভার পোস্টাল ব্যালট তাঁদের দেওয়া হবে এবং তাঁদের সাতটি বিধানসভার পোস্টাল ব্যালট তাঁরা নিয়ে নেবেন।

    দক্ষিণে যেতে পারেন, উত্তরে কেন যাবেন?

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার রাতে পৌঁছে যান সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের গণনাকেন্দ্রের স্ট্রংরুমে। সেখানে যান কলকাতা বন্দর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমও। স্ট্রংরুম পর্যবেক্ষণের পরে মমতা তৃণমূল প্রার্থীদের রাত জেগে পাহারা দেওয়ার বার্তা দেন। সেই নিয়ে মনোজ বলেন, ‘‘নিয়ম অনুযায়ী ওই স্ট্রংরুমে যে সাতটি আসনের ইভিএম রয়েছে, শুধু সেখানকার প্রার্থী এবং তাঁদের এজেন্টরাই যেতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের প্রার্থী। তিনি উত্তর কলকাতার ওই সাতটি আসনের কোনওটিতেই প্রার্থী নন। দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরে যেখানে স্ট্রংরুম, সেখানে তিনি যেতে পারেন।’’ সিইও আরও বলেন, ‘‘এখানে গন্ডগোলের কোনও সুযোগ নেই। আগামিকাল থেকে গণনাকেন্দ্রগুলিতে যাচ্ছি। সব জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের জন্য একটি প্রোটোকল তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের সার্টিফিকেট দিতে হবে যে, কমিশনের আইন ও নিয়ম মেনে গণনা কেন্দ্রগুলিতে বন্দোবস্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে গণনাকেন্দ্রে ১৬৩ ধারা জারি করা হবে। স্ট্রংরুমে যথেষ্ট নিরাপত্তা রয়েছে। যা হচ্ছে সেটা দুর্ভাগ্যজনক। সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’’

    দেওয়াল লিখনটা পড়ে ফেলেছেন মমতা!

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমের ভিতরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধির’ অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে অবস্থানে বসেছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল এবং শ্যামপুকুরের শশী। তারই মধ্যে মমতা পৌঁছে যান সাখাওয়াতের স্ট্রংরুমে। গিয়েছিলেন ববিও! স্ট্রংরুম পর্যবেক্ষণের পরে মমতা তৃণমূল প্রার্থীদের রাত জেগে পাহারা দেওয়ার বার্তা দেন। এর পরে ভিতরে প্রায় চার ঘণ্টা কাটানোর পরে বাইরে বেরিয়ে নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এমনকি পুলিশের কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সূত্রের খবর, উত্তর কলকাতার এক তৃণমূল প্রার্থীকে মমতা সর্ব ক্ষণ নজরদারি করার নির্দেশ দেন। শৌচকর্মের জন্য বাইরে গেলে তাঁদের বদলে যেন অন্য লোক মোতায়েন থাকেন, তাও বলেন। জল ও খাবারের ব্যবস্থা করে রাখতেও বলেছেন তিনি। আসলে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, ইডির কাছ থেকে যেমনভাবে ফাইল হাতিয়ে নিতে পারেন, সেভাবেই যেকোনও গণনাকেন্দ্রেও পৌঁছে যেতে পারেন ভাবছেন তৃণমূল নেত্রী। কিন্তু তাঁর পুলিশ তাঁর হাতে নেই একথা খুবই দুঃখজনক, অভিমত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। তাহলে কি রাজ্যে পালাবদলের দেওয়াল লিখনটা পড়ে ফেলেছেন মমতা? তাই এত ভয়? তাই কি পোস্টাল ব্যালট কারচুপির ভুয়ো অভিযোগ তুলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে অজুহাত তৈরি করে রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো?…

  • Election Commission India: পুনর্নির্বাচন ও স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষককে  নির্দেশ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের, কোথায় কোথায় হবে নির্বাচন?

    Election Commission India: পুনর্নির্বাচন ও স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষককে  নির্দেশ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের, কোথায় কোথায় হবে নির্বাচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটদান প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission India) জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর (Subrata Gupta) সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছেন। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ডায়মন্ড হারবারের একাধিক বুথের ইভিএমে টেপ লাগিয়ে ভোট দানে বাধা দেওয়ার কারণে আরেকবার নির্বাচন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। পর্যবেক্ষককে যথাযথ ভাবে পরিদর্শনের কথা জানিয়েছেন।

    কঠোর স্ক্রুটিনির নির্দেশ (Election Commission India)

    দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটের পরে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) কাছে আবেদনও জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা, মগরাহাট এবং সোনারপুর এলাকায় পুনর্নির্বাচনের স্ক্রুটিনিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে (Subrata Gupta) দায়িত্ব দিয়েছেন। উল্লেখ্য এই কেন্দ্রগুলি তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসদীয় কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। ভোটগ্রহণ পর্বে যেসব বুথ থেকে অনিয়ম বা অশান্তির অভিযোগ উঠেছে, সেগুলিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্ক্রুটিনি বা এই বিশেষ পর্যালোচনার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন (Re-poll) প্রয়োজন।

    নিরপেক্ষতা বজায় রাখা

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission India) স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। ভোটদাতাদের গণতান্ত্রিক অধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষককে নিরপেক্ষ ও দৃঢ় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন হবে, তা স্ক্রুটিনি করে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। এ বার সেই স্ক্রুটিনি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে।

    রিপোর্ট তলব

    ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের যে ৭৭টি বুথে পুননির্বাচনের আবেদন জানানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে, ফলতা বিধানসভার ৩২টি, ডায়মন্ড হারবারের ২৯টি, বজবজের ৩টি এবং মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার ১৩টি। বিশেষ পর্যবেক্ষকের কাছ থেকে প্রতিটি বিতর্কিত বুথের বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন (Election Commission India)। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে যে, নির্দিষ্ট কোন কোন কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে।

    নির্দেশিকা

    নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই কমিশনের (Election Commission India) প্রাথমিক লক্ষ্য। অশান্তি বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠা বুথগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের ডায়েরিও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে এবং নির্বাচনকে ত্রুটিমুক্ত রাখতে নির্বাচন কমিশন যে অত্যন্ত তৎপর ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে, এই নির্দেশ তারই প্রতিফলন। এর সবকটাতেই পর্যবেক্ষণে থাকবেন সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।

    আর তাই ভোট পরবর্তী পর্যালোচনার (Scrutiny) জন্য ডায়মন্ড হারবারে সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। তাঁর উপস্থিতিতেই বিতর্কিত বুথগুলোর নথিপত্র এবং ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অভিযোগের গুরুত্ব বিচার

    ভোটগ্রহণের দিন ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি, ছাপ্পা ভোট এবং বিরোধীদের এজেন্টদের বাধা দেওয়ার একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। এই অভিযোগগুলো কতটা সত্য, তা যাচাই করতেই কমিশন এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।

    কমিশনের (Election Commission India) নির্দেশে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া চলাকালীন সংশ্লিষ্ট এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি বুথের প্রিসাইডিং অফিসারের ডায়েরি, ১৭-সি ফর্ম এবং সিসিটিভি ফুটেজ অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। যদি স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় কোনও বুথে বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট বুথগুলোতে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারে কমিশন।

    নিরপেক্ষতার আশ্বাস

    সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা এবং নির্বাচনের পবিত্রতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও প্রকার আপস করবে না, বিশেষ পর্যবেক্ষকের এই সফর এবং তৎপরতা তারই ইঙ্গিত দেয়। ডায়মন্ড হারবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ওঠা বিতর্ক নিরসনে এবং নিরপেক্ষ ফলাফল নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এখন অত্যন্ত কঠোর ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

    লোকসভার ভোটেও হয়েছিল লুট! 

    উল্লেখ্য এইসব এলাকা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এখানে গত লোকসভার ভোটে ৭ লাখের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। বিজেপির অবশ্য দাবি, এই লোকসভার কোথাও ভোট হয়নি। মানুষকে বুথে পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি। জাহাঙ্গীর, শাহজাহানের অনুচরা বিরাট মাত্রায় ভোট লুট করেছিল বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। একই ভাবে ২৯ এপ্রিল ফলতায় ভোট দিতে গিলে ইভিএমে টেপ লাগিয়ে বিজেপির প্রতীককে ঢেকে দেওয়া হয়। এরপর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আপাতত নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার সঠিক ভাবে যাতে হয় কমিশনের এটাই এখন প্রাথমিক লক্ষ্য।

  • Assembly Election 2026: গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা, কিউআর-ভিত্তিক আইডি চালু করছে নির্বাচন কমিশন

    Assembly Election 2026: গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা, কিউআর-ভিত্তিক আইডি চালু করছে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট (Assembly Election 2026) গণনা প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। এবার থেকে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য চালু করা হচ্ছে কিউআর কোড-ভিত্তিক ফটো আইডেন্টিটি কার্ড। গণনা কেন্দ্রে যে কোনও অচেনা ব্যক্তির প্রবেশ বন্ধ করতে কমিশন ‘ECINET’-এ কিউআর কোড-ভিত্তিক ফটো আইডেন্টিটি কার্ড মডিউল চালু করেছে। আগামী সোমবার গণনা। তার আগে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে কমিশন। ২৪ ঘণ্টা ধরে সিসিটিভি-র নজরদারি চলছে। সব দলের সই সম্মতিতে ইভিএম সিল করে দেওয়া হয়েছে।

    কেন এই নতুন পরিচয়-পত্র

    গণনা কেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা বাড়াতে কিউআর-ভিত্তিক পরিচয়পত্র ব্যবস্থা চালু করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রগুলিতে কোনও অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশের সম্ভাবনা দূর করতে, নির্বাচন কমিশন ‘ইসিআইনেট’ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে একটি কিউআর কোড-ভিত্তিক পরিচয়পত্র চালু করেছে। অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ এবং পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচন এবং ৫টি রাজ্যের ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য আগামী ৪ মে ভোট গণনা হবে। গণনা কেন্দ্রগুলিতে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য একটি ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরে রিটার্নিং অফিসার পরিচয়পত্র যাচাই করবেন। এর পরে, কিউআর কোড স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে সফল যাচাই পর্বের পরেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। কমিশনের মতে, এই উদ্যোগ গত এক বছরে নেওয়া ৩০টিরও বেশি সংস্কারের অংশ। এর আগে বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) জন্যও কিউআর কোড-যুক্ত পরিচয়পত্র চালু করা হয়েছিল।

    কারা পাবেন কিউআর পরিচয়-পত্র

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে সব লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। তিন স্তরের নিরাপত্তা শেষ স্তরে কিউআর স্ক্যানের পরেই মিলবে প্রবেশের অনুমতি। নতুন কিউআর কোড-ভিত্তিক পরিচয়পত্রগুলি গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য অনুমোদিত বিভিন্ন শ্রেণির ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য হবে। যার মধ্যে রয়েছেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, গণনা কর্মী, কারিগরি কর্মী, প্রার্থী, ইলেকশন এজেন্ট এবং কাউন্টিং এজেন্টরা। অনুমোদিত গণমাধ্যম কর্মীদের সুবিধার জন্য প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের কাছে একটি মিডিয়া সেন্টার স্থাপন করা হবে। অনুমোদিত সাংবাদিকদের প্রবেশ আগের মতোই কমিশন প্রদত্ত অনুমতিপত্রের ভিত্তিতেই হবে; তাঁদের জন্য আলাদা কিউআর আইডি চালু করা হচ্ছে না। জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO) এবং রিটার্নিং অফিসারদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট চেকপয়েন্টে প্রশিক্ষিত কর্মী মোতায়েন করে যাতে নির্বিঘ্ন ও সুরক্ষিত প্রবেশ নিশ্চিত করা যায়, সেদিকেও জোর দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোট গণনা প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও দক্ষতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

     

     

     

     

  • Election Commission India: ইভিএম রাখা স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষায় বিশাল বাহিনী মোতায়েন কমিশনের

    Election Commission India: ইভিএম রাখা স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষায় বিশাল বাহিনী মোতায়েন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (Election Commission India) ফলাফল ঘোষণার প্রাক্কালে স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রগুলোর (Evm Strong Room) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভূতপূর্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে ইভিএম বদল করে দেওয়ার একাধিক ইস্যুতে বিজেপির তরফে বার বার অভিযোগ করা হচ্ছে। প্রত্যেক জেলার গণনাকেন্দ্রগুলিকে নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। গণনায় যাতে কোনও কারচুপি না হয় তা নিয়ে এখন ঠেকে কমিশন ভীষণ কড়া ভূমিকায় ময়দানে রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন (Election Commission India)

    ভোট শেষ হওয়ার পর ইভিএম (Evm Strong Room) রাখা স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের লক্ষ্য হল, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে কোনও প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা কারচুপির আশঙ্কা নির্মূল করা। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় আগে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও এখন সেই সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে মোতায়েন থাকা ২০০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ১০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি বিএসএফ, ১৫ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ১৫ কোম্পানি এসএসবি।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে (Election Commission India) প্রতিটি স্ট্রং রুমের বাইরের পরিধিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা চব্বিশ ঘণ্টা পাহারায় থাকবেন। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি গতিবিধির ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হবে। এ বার ২৯৪টি আসনের ভোট গোনা হবে মোট ৮৭টি কেন্দ্রে। এক এক জেলায় গণনা কেন্দ্র ঠিক করা হয়েছে। এই তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ভোটগণনা হয়েছিল ৯০টি কেন্দ্রে। ২০২১ সালের নির্বাচনে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ১০৮টি।

    উত্তর ২৪ পরগনায় কত কেন্দ্র?

    নির্বাচনে (Election Commission India) জেলাগুলির মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই জেলায় ৩৩ বিধানসভায় মোট গণনা কেন্দ্র ৮টি। এগুলি হল- বারাসত কলেজ, বারাসত পিয়ারিচরণ সরকার হাই স্কুল, বসিরহাট হাই স্কুল, বসিরহাট পলিটেকনিক কলেজ, বিধাননগর কলেজ, বনগাঁর দীনবন্ধু মহাবিদ্যালয়, পানিহাটির গুরুনানক কলেজ ক্যাম্পাস এবং ব্যারাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১২টি কেন্দ্র

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি আসনের (Election Commission India) ভোট গোনা (Evm Strong Room) হবে ১২টি কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রগুলি হল ঠাকুরপুকুরের বিবেকানন্দ কলেজ, কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়, আলিপুরের হেস্টিংস হাউস কমপ্লেক্সের স্টেট ইনস্টিটিউট অফ ফিজিক্যাল এডুকেশন ফর উইমেন, হেস্টিংস হাউসের সিস্টার নিবেদিতা সরকারি জেনারেল ডিগ্রি কলেজ, মাল্টিপারপাস গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল, ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন ফর উইমেন, কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজ, ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রতচারী বৃদ্ধাশ্রম হাই স্কুল, ক্যানিংয়ের বঙ্কিম সর্দার কলেজ, যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজ।

    কলকাতায় ৫টি কেন্দ্র

    কলকাতার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গোনা (Evm Strong Room) হবে পাঁচটি কেন্দ্রে। এগুলি হল- বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে বাবা সাহেব অম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়, বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল, ডায়মন্ড হারবার রোডের সেন্ট থমাস বয়েজ স্কুল। ভোটগণনা (Election Commission India) হবে।

    উত্তরবঙ্গে গণনা কেন্দ্র

    উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি আসনের গণনা (Evm Strong Room) হবে আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে। জলপাইগুড়ির সাতটি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে হবে— উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস এবং পরিমল মিত্র স্মৃতি মহাবিদ্যালয়। কালিম্পঙের একটি আসনের গণনা হবে স্কটিশ উইনিভার্সিটিস মিশন ইনস্টিটিউশন। ঝাড়গ্রামের চারটি আসনের গণনা হবে রানি ইন্দিরা দেবী সরকারি স্কুলে।

    এ ছাড়া, কোচবিহারের ন’টি আসনের গণনা পাঁচটি কেন্দ্রে, দার্জিলিঙের পাঁচটি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, উত্তর দিনাজপুরের ন’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, দক্ষিণ দিনাজপুরে ছ’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, মালদহের ১২টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, মুর্শিদাবাদের ২২টি আসনের গণনা ছ’টি কেন্দ্র।

    নদিয়া সহ রাঢ়বঙ্গে কত গণনা কেন্দ্র

    নদিয়ার ১৭টি আসনের গণনা (Evm Strong Room) চারটি কেন্দ্রে, হাওড়ার ১৬টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, হুগলির ১৮টি আসনের গণনা ছ’টি কেন্দ্রে, পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, পুরুলিয়ার ন’টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, বাঁকুড়ার ১২টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, পশ্চিম বর্ধমানের ন’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে এবং বীরভূমের ১১টি আসনের গণনা তিনটে কেন্দ্রে হবে।

    কমিশনের লক্ষ্য

    নির্বাচনের (Election Commission India) সামগ্রিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে এবং জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাতে কমিশন বদ্ধপরিকর। গণনার দিন যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে, তার জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশকেও বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সংক্ষেপে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রতিটি ভোটযন্ত্রের সুরক্ষা এবং গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখাই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান অগ্রাধিকার।

  • Assembly Election 2026: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিশ্রাম নিন, আমরা ১৮০-র বেশি আসন জিতব”, বড় দাবি শুভেন্দুর

    Assembly Election 2026: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিশ্রাম নিন, আমরা ১৮০-র বেশি আসন জিতব”, বড় দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল নিশ্চিত। ভোটপর্ব (Assembly Election 2026) মেটার পর এমনই দাবি করলেন বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, বিজেপি (BJP) ১৮০-র বেশি আসন জিতে সরকার গড়বে। ভবানীপুর আসন থেকে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতবেন তিনি। তাঁর কথায়,“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিশ্রাম নিন, আমরা ১৮০-র বেশি আসন জিতব। ভবানীপুরে ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে। হিন্দু ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।”

    ভয় দেখানোর রাজনীতি মমতার

    শুভেন্দুর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্থানীয় পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও অন্যদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। আমি সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছি।” জামাত-এ-ইসলামি সমর্থকরা তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলে তাঁকে ঘিরে ফেলার চেষ্টা করে একদল দুষ্কৃতী। দ্বিতীয় দফায় হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুর (Bhabanipur) কেন্দ্র। এবার হেভিওয়েট প্রার্থীদের লড়াই ভবানীপুর কেন্দ্রে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। বুধবার সকাল থেকেই সেই কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে উত্তেজনার ছবি।

    নিজের বুথেই হারবেন মমতা

    শুভেন্দুর দাবি, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড বাদে বাকি সমস্ত ওয়ার্ডেই তিনি লিড পাবেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল (TMC) অশান্তি করার চেষ্টা করলেও কেন্দ্রীয় বাহিনী তা রুখে দিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর সবথেকে বড় দাবিটি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বুথ নিয়ে। তিনি বলেন, “মিত্র ইনস্টিটিউশন, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের বুথ, সেখানেই উনি (মমতা) অন্তত ২০০ ভোটে হারবেন।” শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, রাজ্যে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) ফলতায় ইভিএমে টেপ আটকে দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, সেই ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) তাঁকে ফোন করে খোঁজ নিয়েছেন। সিইও-র সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি দেখতে বলেছেন অমিত শাহ।

  • West Bengal Elections 2026: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে, জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ বলেছেন, তাঁরাই এখন ভ্যানিশ যাওয়ার দোরগোড়ায়”, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    West Bengal Elections 2026: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে, জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ বলেছেন, তাঁরাই এখন ভ্যানিশ যাওয়ার দোরগোড়ায়”, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে”, শেষ দফা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) পর রাজ্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ঠিক এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা এবং রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে তৃণমূলের দৌরাত্ম্য এবং ভোট চুরিকে স্বয়ং পুলিশ কীভাবে রুখে দিয়েছে সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। রাজ্যে তৃণমূলের পালা শেষ শুরু হবে বিজেপির শাসন, ঠিক এমনটাই জানালেন এই বিজেপির প্রবীণ নেতা।

    উল্লেখ্য রাজ্যে দুই দফা নির্বাচনে ৯২.৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। একদিকে তৃণমূলের লাগাম ছাড়া দুর্নীতির কারণে জনমনে ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েইছিল, অপর দিকে এসআইআর ভোটারদের ভোটদানকে ব্যাপক উৎসাহ দিয়েছে। কমিশনের কড়ানজরদারি, বাহিনীর সঠিক ব্যবহার এবং রক্তপাতবিহীন ভোট সত্যই বঙ্গবাসীর জন্য দারুণ উপহার। ফলাফল যাই আসুক মানুষ যে ভোট প্রদান করতে পেরেছেন তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক সন্তোষের চিত্র ধরা পড়েছে। এমনটাও বলছেন অভিজ্ঞ মহল।

    নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা (West Bengal Elections 2026)

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, তৃণমূল কংগ্রেস যাঁকে একসময় ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে বিদ্রূপ করেছিল, সেই কমিশনার অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ কুমার বলেছিল তারাই ভ্যানিশ হয়ে যাওয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। উনি এবার দুই দফায় ভোট করে খুব বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক ভোট করে দেখিয়েছেন। চাইলে প্রশাসন অনেক কিছু করতে পারে। শুধু উনি নন, কাল কেন্দ্রীয় আধা সেনা তাদের কর্তব্য করেছে। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশও ভালো কাজ করেছে। পুলিশও চাইছে সুযোগ দেওয়া হোক। কিছু করে দেখাতে চাইছে। যারা কমিশনারকে (West Bengal Elections 2026) বিদ্রূপ করেছিল, তারাই এখন রাজনৈতিকভাবে ‘ভ্যানিশ’ হওয়ার পথে।”

    পুলিশের ভূমিকা

    বিজেপি প্রার্থী প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এই নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকাকে বিশেষ নজরে দেখছেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বা শরীরী ভাষায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। পুলিশ এখন নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ চাইছে এবং প্রশাসন চাইলে যে সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারে, তা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সাফ কথায় বলেন, “পুলিশ সবথেকে বেশি পাবলিক কন্ট্যাক্ট করে। ওরা পাবলিকের গালাগালি খায় মার খায়। আবার ভালো কাজ করলে প্রশংসা পায়। তারাই সবথেকে আগে বুঝতে পারে কি হতে চলেছে। নাহলে কাল কার্তিক ব্যানার্জীকে পুলিশ যেভাবে চমকেছে, সোজা কথা সোজা ভাবে বলেছে, এইভাবে পিঠ সোজা রেখে কথা বলতে আমরা সাম্প্রতিক কালে পুলিশকে দেখিনি। বিষয়টা (West Bengal Elections 2026) আমার খুব ভালো লেগেছে।”

    আগে সরকার পাল্টাক

    পুলিশের এই বদলে যাওয়া মনোভাবকে তিনি রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশও যথাযথভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। একই ভাবে সরকার গঠন এবং মন্ত্রিত্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে জনগণের জন্য নতুন কোনও ইস্যু নেই। আমি সোশ্যাল মিডিয়ার চর্চায় বিশ্বাসী নই। আমি ফেসবুকের বদলে ফেস টু ফেস বেশি ভরসা রাখি। কিছু মানুষ সোস্যাল মিডিয়ায় সরকার গড়ে ভাঙে মন্ত্রিসভা গঠন করে। আমি সরকার চাই। মন্ত্রিত্ব নয়। সরকার হোক। মন্ত্রিসভা (West Bengal Elections 2026) নিয়ে পরে ভাবা যাবে। বাংলার মানুষ আগে সরকার পাল্টাক। কাল থেকে তো আবহাওয়া পাল্টে গেছে। সরকার তো পাল্টাবেই।”

    পুলিশ, পাবলিক, গ্রাম, শহর সবাই পরিবর্তনের কথা বলেছে

    তবে এই অষ্টাদশ নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বাংলার ভোট পর্বে আপামার মানুষ পরিবর্তন চেয়েছেন। তাই দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “প্রথম দফায় ১১০। অমিত শাহ বলে গিয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় কলকাতায় ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ঐতিহাসিক ব্যাপার। বাংলার ভোটের ট্রেন্ড বলে দিচ্ছে পরিবর্তন আসছে। কিন্তু আমি সংখ্যা বলতে পারব না, তবে পর্যাপ্ত সিট আসছেই। পুলিশ, পাবলিক, গ্রাম, শহর সবাই পরিবর্তনের কথা বলেছে। বিহারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বোঝা যায়নি কে জিতবে। সংখ্যা বলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তবে এমন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাব, যাতে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। বুক ফুলিয়ে সরকার চালানোর মতো মেজরিটি পাব। অন্য দল ভাঙানোর প্রশ্নই নেই। যদি কেউ নিজে থেকে আসতে চায় তাকে সসম্মানে আনা হবে।”

    দিলীপ অবশ্য সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী, তিনি বলেন, ‘‘মানুষ আর শাসক দলকে সমর্থন করবে না। সামগ্রিকভাবে, নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারি এবং পুলিশের ইতিবাচক ভূমিকা এবারের নির্বাচনে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে সাহায্য করেছে।’’ আগামী ৪ এপ্রিল গণনা ওইদিন বোঝা যাবে সরকার কোন দল গঠন করছে।

  • Assembly Election 2026: ভয়হীন ভোটদান! দুই দফাতেই পড়ল রেকর্ড সংখ্যক ভোট, কোন রাজ্যের রেকর্ড ভেঙে ভারত-সেরা বাংলা?

    Assembly Election 2026: ভয়হীন ভোটদান! দুই দফাতেই পড়ল রেকর্ড সংখ্যক ভোট, কোন রাজ্যের রেকর্ড ভেঙে ভারত-সেরা বাংলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সেরা বাংলা। ভোটদানে (Assembly Election 2026) রেকর্ড গড়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বুধবার দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ শেষে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ঘোষণা করেছেন যে, স্বাধীনতার পর থেকে এবারই দুই দফার নির্বাচনে রাজ্যে সর্বোচ্চ শতাংশ ভোট পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের ‘ECINet’ অ্যাপের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৯২.৬৩ শতাংশ। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাংলায় মোট ভোট পড়েছে ৯২.৯৩ শতাংশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দাবি, স্বাধীনতার পর যত ভোট হয়েছে এবারই রেকর্ড হয়েছে বাংলায়। ভোটদানের এই হার সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোর সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

    সারা দেশে ভোটদানে নজির বাংলার

    প্রথম দফাতেই ইঙ্গিত মিলেছিল। দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ ভোটের হারের রেকর্ড গড়ে ফেলল পশ্চিমবঙ্গ। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের পর এ রাজ্যে রাত ১২টা পর্যন্ত কমিশন ৯২.৬৩ শতাংশ ভোট পড়ার কথা জানিয়েছে। এখনও কমিশনের তরফে চূড়ান্ত ভোটের হার প্রকাশ করা হয়নি। তবে এ পর্যন্ত যে পরিসংখ্যান এসেছে, তাতে দেশের এর আগের সমস্ত নজির ভেঙে গিয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় দফা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৯২.৯৩ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয় গত ২৩ এপ্রিল। ভোট পড়েছিল ৯৩.১৯ শতাংশ। সে দিনই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়ে দিয়েছিলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে এত ভোট কখনও পড়েনি। দ্বিতীয় দফাতেও ভোটের হারে নজির তৈরি হল।

    কোন রাজ্যের রেকর্ড ভাঙল বাংলা

    এর আগে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ ভোটদানের রেকর্ড ছিল ত্রিপুরার দখলে। সেখানে ২০১৩ সালে‌ ৯১.৮২ শতাংশ ভোট পড়েছিল, যা এত দিন পর্যন্ত দেশে বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে সর্বোচ্চ ছিল। ১৩ বছর ধরে ওই নজির অক্ষত ছিল। পশ্চিমবঙ্গের ভোট তা ভেঙে দিল। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বরাবরই ভোট বেশি পড়ে। কমিশনের পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, ১৯৯৩ সালে নাগাল্যান্ডে ৯১.৫৩ শতাংশ, ১৯৯৫ সালে মণিপুরে ৯১.৪১ শতাংশ, ২০০৮ সালে মেঘালয়ে ৮৮.৯৯ শতাংশ, ২০২৪ সালে অরুণাচল প্রদেশে ৮২.২৯ শতাংশ, ১৯৯৯ সালে সিকিমে ৮১.৮৩ শতাংশ, মিজোরামে ১৯৮৯ সালে ৮১.৩০ শতাংশ সর্বোচ্চ ভোট পড়েছিল। এসআইআর-এর পর ২০২৬ সালে অসমেও ভোটের হারে নজির তৈরি হয়েছে। সেখানে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ, এখনও পর্যন্ত ওই রাজ্যের নিরিখে সর্বোচ্চ।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    ভোটের এই পরিসংখ্যান নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তুঙ্গে। কলকাতার হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, তাঁর কেন্দ্রে এবার ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে, যা এই আসনের জন্য একটি নতুন রেকর্ড। ২০২১ সালে এখানে ৮২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, বিগত নির্বাচনে শাসকদল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিল, কিন্তু এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশি কড়াকড়ির কারণে তারা সফল হতে পারেনি।

    অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন

    ভোট দানে রেকর্ড গড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এমন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন শেষ কবে দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ তা ভেবে বলতে হয়। এইভাবে ভোট করানোই ছিল মূলত নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে চ্যালেঞ্জ। ভোটাররা যাতে ভয়হীন ভাবে ভোট দিতে যেতে পারেন, সেই দিকে বারেবারে নজর রেখেছে কমিশন। ভোট শুরুর অনেক আগেই আস্থা জোগাতে বঙ্গে হাজির করানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force)। আর তার ফল মিলল ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল হাতে নাতে।  নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে এ বার ৫১ লক্ষ ভোটার কম ছিল। তবে ভোট পড়েছে আগের বারের তুলনায় ৩০ লক্ষেরও বেশি।

    রাজ্যে প্রাণহানি হয়নি, ভয়হীন ভোটদান

    কমিশনের দেওয়া তথ্য বলছে, এবারের ভোটে পাঁচ লক্ষ কর্মী কাজ করেছেন। ফলস ভোটিংয়ের অভিযোগ বেশি এসেছে ঠিকই, তবে হিংসা কম হয়েছে। সব থেকে উল্লেখযোগ্য, দুই দফা ভোটেই কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। অথচ পাঁচ বছর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ২৪ জনের প্রাণ গিয়েছিল বাংলায়। আবার তারও পাঁচ বছর আগে অর্থাৎ ২০১৬ সালে সাত জন নির্বাচনী হিংসার বলি হয়েছিলেন। কিন্তু এবার সেই সংখ্যাটাই শূন্য। এটা যে কমিশনের বড় সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আবার ২০২১ সালে ৬৯টি বোমা উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু এবার একটিও বোমা উদ্ধারের খবর নেই। কমিশন বলছে- একটা সময়ে এক শ্রেণির মানুষ ছিলেন যাঁরা ভোট দানে বিরত থাকতেন। তবে অবাধ ভয়হীন ভোটদানের প্রতি মুহূর্তে প্রচারের জন্য এমন হয়েছে তাঁরাও ভোট দিয়েছেন। বুথ থেকে পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া বিশেষ করে বিরোধী দলের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়ার ঘটনা বাংলায় নতুন কিছু নয়, তবে উল্লেখযোগ্য ভাবে এবার এমন কিছুই হয়নি। একটাও ঘটনা এমন নয় যেখানে পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

    দুই দফাতেই শান্তিপূর্ণ ভোট

    কমিশনের পদক্ষেপ নির্বাচনে যাঁরা যাঁরা সমস্যা তৈরি করতে পারেন, তেমন ৬৮৭ জন-কে প্রিভেন্টিভ গ্রেফতার করা হয়েছিল। ব্যাক টেপ-সেলো টেপ, আতর ইত্যাদি অভিযোগ এসেছে মোট ৭৭টি বুথ থেকে। পুনরায় নির্বাচন হবে ফলতার ৩২, মগরাহাটে ১৩, ডায়মণ্ডহারবারে ২৯, বজবজ ৩ বুথে। বাংলার সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ দেখিয়ে দিয়েছে, দুই দফাতেই শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে সাত-আট দফার থেকে। কোনও মৃত্যু হয়নি। বড়সড় কোনও গণ্ডগোল হয়নি। ছোটখাটো তো সব জায়গায় হয়। তবে, এবার পশ্চিমবঙ্গ দেখিয়ে দিয়েছে।” পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব নজির তৈরি হল এই বিপুল উৎসাহকে ‘ভোটের উৎসব, বাংলার গর্ব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

    পশ্চিমবঙ্গে এত দিন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোটদানের নজির ছিল ২০১১ সালে। ভোট পড়েছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ এবং সেই ভোটে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান হয়েছিল। পরিবর্তনের হাওয়ায় রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। এ বারের পশ্চিমবঙ্গে এই বিপুল সংখ্যক বাড়তি ভোট কোন পক্ষে যায়, সেটাই দেখার।

  • West Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ‘টেপ’! তৃণমূলকে বিঁধল বিজেপি, পাল্টায় ‘সিংহম’

    West Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ‘টেপ’! তৃণমূলকে বিঁধল বিজেপি, পাল্টায় ‘সিংহম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন ফের উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour)। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা এলাকার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে ইভিএম মেশিনে বিজেপির ‘পদ্ম’ প্রতীকের ওপর সেলোটেপ লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। উল্লেখ্য, এই এলাকার তৃণমূল বিধায়ক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আগেই ভয় দেখানোর অভিযোগে সরব হয়েছিলেন আইপিএস অজয়পাল শর্মা। এবার এই ইভিএমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন দাবাং অফিসার।

    ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’ (West Bengal Elections 2026)

    অভিযোগ জানিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে এবং বিজেপিকে ভোট (West Bengal Elections 2026) দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পরিকল্পিতভাবে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকের ওপর ব্রাউন টেপ সেঁটে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য টুইট করে এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’ বলে অভিহিত করেছেন। গেরুয়া শিবিরের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকায় (Diamond Harbour) নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরেই তৃণমূল এই ধরণের ‘নোংরা রাজনীতি’র আশ্রয় নিচ্ছে। বেশ কিছু বুথে নতুন করে ভোটের (Repolling) দাবিও তুলেছে বিজেপি।

    কমিশনের ভূমিকা

    নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) এবং ফলতার বেশ কিছু বুথ থেকে অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং যেখানে ইভিএম বিকৃতির প্রমাণ মিলবে, সেখানে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কমিশনের আধিকারিকরা সংশ্লিষ্ট বুথগুলির প্রিসাইডিং অফিসারদের (West Bengal Elections 2026) কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।

    উত্তেজনা তুঙ্গে

    বুধবার সকাল থেকেই ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির খবর মিলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। একদিকে যেমন ইভিএম (West Bengal Elections 2026) বিকৃত করার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে শাসকদলের পাল্টা দাবি— ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তৃণমূলের পক্ষেই জনমত দিচ্ছেন।

    তৃণমূলের পাল্টা জবাব

    তৃণমূল কংগ্রেস টেপকাণ্ডের (West Bengal Elections 2026) অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা নিশানা করা হয়েছে বিজেপিকে। বিদ্রুপ করে বলা হয়েছে, “যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তবে ‘সিংহম’ অজয় পালের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান।” উল্লেখ্য, আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে এই দফার জন্য পুলিশ অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি হার নিশ্চিত জেনে এখন থেকেই অজুহাত খাড়া করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Diamond Harbour) ও কমিশনের কর্তাদের নাম নিচ্ছেন।

  • Assembly Election 2026: আজ দ্বিতীয় দফা ভোটে ভরকেন্দ্র ভবানীপুর! মমতা বনাম শুভেন্দু হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, আর কোথায় কোন হেভিওয়েট প্রার্থী?

    Assembly Election 2026: আজ দ্বিতীয় দফা ভোটে ভরকেন্দ্র ভবানীপুর! মমতা বনাম শুভেন্দু হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, আর কোথায় কোন হেভিওয়েট প্রার্থী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৯ এপ্রিল রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। এই দফায় দফায় মূলত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমানে নির্বাচন হচ্ছে। ৭ জেলার ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। ভবানীপুরে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর হাড্ডাহাড্ডি ফাইট। স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গে সর্বোচ্চ ভোটদান হয়েছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.৩৫ শতাংশ। রাজ্যের ১৬টি জেলায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন। এবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এই পর্বে ভোট রয়েছে- পূর্ব বর্ধমান (১৬), হুগলি (১৮), হাওড়া (১৬), কলকাতা (১১), উত্তর ২৪ পরগনা (৩৩) ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩১) ও নদিয়া (১৭) জেলায়।

    মমতা বনাম শুভেন্দু লড়াই

    দ্বিতীয় দফার ভোটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট। কারণ, এই আসন থেকে লড়াই করছেন তৃণমূলেনত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, তাঁর কঠিনতম প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গত বিধানসভা ভোটে শুভেন্দুর কাছেই নন্দীগ্রামে পরাস্ত হতে হয়েছিল মমতাকে। কাজেই, এবার কি হয় সেদিকে তাকিয়ে গোটা রাজ্য। শুধু রাজ্য নয় সারা দেশের নজর এখন ভবানীপুর আসনের দিকে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক কল্পনায় ভবানীপুর এখন আর শুধু দক্ষিণ কলকাতার একটি বিধানসভা আসন নয়। এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক আশ্রয় ও ঘরের মাঠ। বিজেপির বেছে নেওয়া মনস্তাত্ত্বিক রণক্ষেত্র, যেখানে সেই লড়াইয়ের মঞ্চ প্রস্তুত, যাকে বাংলার অনেকেই ‘সব নির্বাচনী লড়াইয়ের ভরকেন্দ্র’ বলে অভিহিত করছেন।

    লড়াইয়ে আর কোন কোন হেভিওয়েট প্রার্থীরা

    নদিয়া

    • সোহম চক্রবর্তী: করিমপুরের TMC প্রার্থী।
    • রুকবানুর রহমান: পলাশিপাড়ার TMC প্রার্থী
    • সাবিনা ইয়াসমিন: কালীগঞ্জের CPIM প্রার্থী।
    • সবুজ দাস: কল্যাণীর CPIM প্রার্থী।

    উত্তর ২৪ পরগনা

    • মধুপর্ণা ঠাকুর: বাগদার TMC প্রার্থী।
    • সোমা ঠাকুর: বাগদার BJP প্রার্থী।
    • সুব্রত ঠাকুর: গাইঘাটার BJP প্রার্থী।
    • জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক: হাবরার TMC প্রার্থী।
    • কাশেম সিদ্দিকি: আমডাঙার TMC প্রার্থী।
    • পবন সিং: ভাটপাড়ার BJP প্রার্থী।
    • তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য: নোয়াপাড়া TMC প্রার্থী।
    • অর্জুন সিং: নোয়াপাড়ার BJP প্রার্থী।
    • রাজ চক্রবর্তী: ব্যারাকপুরের TMC প্রার্থী।
    • কৌস্তভ বাগচী: ব্যারাকপুরের BJP প্রার্থী।
    • দেবদীপ পুরোহিত: খড়দার TMC প্রার্থী।
    • দেবজ্যোতি দাস: খড়দার CPIM প্রার্থী।
    • চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য: দমদম উত্তরের TMC প্রার্থী।
    • দীপ্সিতা ধর: দমদম উত্তরের CPIM প্রার্থী।
    • রত্না দেবনাথ: পানিহাটির BJP প্রার্থী।
    • কলতান দাশগুপ্ত: পানিহাটির CPIM প্রার্থী।
    • মদন মিত্র: কামারহাটির TMC প্রার্থী।
    • মানস মুখোপাধ্যায়: কামারহাটির CPIM প্রার্থী।
    • সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: বরানগরের TMC প্রার্থী।
    • সজল ঘোষ: বরানগরের BJP প্রার্থী।
    • সায়নদীপ মিত্র: বরানগরের CPIM প্রার্থী।
    • ব্রাত্য বসু: দমদমের TMC প্রার্থী।
    • ময়ূখ বিশ্বাস: দমদমের CPIM প্রার্থী।
    • তাপস চট্টোপাধ্যায়: রাজারহাট নিউ টাউনের TMC প্রার্থী।
    • সুজিত বসু: বিধাননগরের TMC প্রার্থী।
    • অদিতি মুন্সি: রাজারহাট গোপালপুরের TMC প্রার্থী।
    • তরুণজ্যোতি তিওয়ারি: রাজারহাট গোপালপুরের BJP প্রার্থী।
    • রথিন ঘোষ: মধ্যমগ্রামের TMC প্রার্থী।
    • সব্যসাচী দত্ত: বারাসতের TMC প্রার্থী।
    • রেখা পাত্র: হিঙ্গলগঞ্জের BJP প্রার্থী।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা

    • আরাবুল ইসলাম: ক্যানিং পূর্বের ISF প্রার্থী।
    • বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়: বারুইপুর পশ্চিমের TMC প্রার্থী।
    • জাহাঙ্গির খান: ফলতার TMC প্রার্থী।
    • লাভলি মৈত্র: সোনারপুর দক্ষিণের TMC প্রার্থী।
    • রূপা গঙ্গোপাধ্যায়: সোনারপুর দক্ষিণের BJP প্রার্থী।
    • শওকত মোল্লা: ভাঙড়ের TMC প্রার্থী।
    • ওশাদ সিদ্দিকি: ভাঙড়ের ISF প্রার্থী।
    • জাভেদ খান: কসবার TMC প্রার্থী।
    • বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য: যাদবপুরের CPIM প্রার্থী।
    • ফিরদৌসি বেগম: সোনারপুর উত্তরের TMC প্রার্থী।
    • অরূপ বিশ্বাস: টালিগঞ্জের TMC প্রার্থী।
    • পাপিয়া অধিকারী: টালিগঞ্জের BJP প্রার্থী।
    • রত্না চট্টোপাধ্যায়: বেহালা পশ্চিমের TMC প্রার্থী।
    • সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়: মহেশতলার CPIM প্রার্থী।কলকাতা
    • ফিরহাদ হাকিম: কলকাতা বন্দরের TMC প্রার্থী।
    • রাকেশ সিং: কলকাতা বন্দরের BJP প্রার্থী।
    • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: ভবানীপুরের TMC প্রার্থী।
    • শুভেন্দু অধিকারী: ভবানীপুরের BJP প্রার্থী।
    • দেবাশিস কুমার: রাসবিহারীর TMC প্রার্থী।
    • স্বপন দাশগুপ্ত: রাসবিহারীর BJP প্রার্থী।
    • শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়: বালিগঞ্জের TMC প্রার্থী।
    • রোহন মিত্র: বালিগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী।
    • নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়: চৌরঙ্গীর TMC প্রার্থী।
    • সন্তোষ পাঠক: চৌরঙ্গীর BJP প্রার্থী।
    • প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল: এন্টালির BJP প্রার্থী।
    • কুণাল ঘোষ: বেলেঘাটার TMC প্রার্থী।
    • শশী পাঁজা: শ্যামপুকুরের TMC প্রার্থী।
    • শ্রেয়া পাণ্ডে: মানিকতলার TMC প্রার্থী।
    • তাপস রায়: মানিকতলার BJP প্রার্থী।
    • অতীন ঘোষ: কাশীপুর বেলগাছিয়ার TMC প্রার্থী।
    • রিতেশ তিওয়ারি: কাশীপুর বেলগাছিয়ার BJP প্রার্থী।

    হাওড়া

    • অরূপ রায়: হাওড়া মধ্যর TMC প্রার্থী।
    • রুদ্রনীল ঘোষ: শিবপুরের BJP প্রার্থী।
    • ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়: উলুবেরিয়া পূর্বের TMC প্রার্থী।
    • হিরণ চট্টোপাধ্যায়: শ্যামপুরের BJP প্রার্থী।

    হুগলি

    • শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়: উত্তরপাড়ার TMC প্রার্থী।
    • দীপাঞ্জন চক্রবর্তী: উত্তরপাড়ার BJP প্রার্থী।
    • মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়: উত্তরপাড়ার CPIM প্রার্থী।
    • শুভঙ্কর সরকার: শ্রীরামপুরের কংগ্রেস প্রার্থী।
    • বেচারাম মান্না: সিঙ্গুরের TMC প্রার্থী।
    • ইন্দ্রনীল সেন: চন্দননগরের TMC প্রার্থী।
    • দেবাংশু ভট্টাচার্য: চুঁচুড়ার TMC প্রার্থী।
    • স্নেহাশিস চক্রবর্তী: জাঙ্গিপাড়ার TMC প্রার্থী।
    • করবী মান্না: হরিপালের TMC প্রার্থী।
    • অসিমা পাত্র: ধনেখালির TMC প্রার্থী।
    • নির্মল মাজি: গোঘাটের TMC প্রার্থী।

    পূর্ব বর্ধমান

    • সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী: মন্তেশ্বরের TMC প্রার্থী।
    • কলিতা মাঝি: আউশগ্রামের BJP প্রার্থী।
LinkedIn
Share