Tag: WB Assembly polls 2026

  • Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আবহে রাজ্যে এসে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে আশীর্বাদ প্রার্থনা করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। বুধবার সকালে তিনি সস্ত্রীক দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে উপস্থিত হয়ে মা ভবতারিণীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। বঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) এবং বিজেপির ক্ষমতা আসার জন্য মা কালীর কাছে প্রার্থনা করেন। ভক্তি ও প্রার্থনা করতে দক্ষিণেশ্বরের কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততার মাঝেও এদিন সকালে মন্দিরে যান নিতিন নবীন। নিষ্ঠার সাথে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মন্দির চত্বর ঘুরে দেখেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    পুজো শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলার মানুষের সুখ, সমৃদ্ধি এবং রাজ্যের মঙ্গল কামনায় আমি মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি। রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক। পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা ও বিকশিত বাংলা তৈরি করার জন্য আশীর্বাদ মায়ের কাছে চেয়েছি। যে বাংলাকে তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য প্রসিদ্ধ, যে পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিকভাবে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেই সংস্কৃতি এখন আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে আদালতের অনুমতি ছাড়া পুজো করা সম্ভব হয় না।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে তাঁর এই সফর রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    একাধিক বৈঠক ও কর্মসূচি

    দক্ষিণেশ্বরে পুজো দেওয়ার পর নিতিন নবীন (Nitin Nabin) দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণ এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সাংগঠনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনাই তাঁর এই সফরের মূল লক্ষ্য। ভোটমুখী বাংলায় কেন্দ্রীয় নেতাদের এই মন্দির দর্শন এবং জনসংযোগের প্রচেষ্টা রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ভক্তি আর রাজনীতির (West Bengal Elections 2026) এই মেলবন্ধন কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিতিন নবীনের সঙ্গে দেখা গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে।

  • Central Forces: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! ইফতারের আমন্ত্রণে যোগ দিয়ে শাস্তির মুখে ৭ কেন্দ্রীয় জওয়ান

    Central Forces: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! ইফতারের আমন্ত্রণে যোগ দিয়ে শাস্তির মুখে ৭ কেন্দ্রীয় জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজ্যে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force Jawan) ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কোনো ব্যক্তির আতিথেয়তা গ্রহণ না করার যে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা ছিল, তা অমান্য করার অভিযোগে সাতজন জওয়ানকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। মুসলিম ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইফতারে অংশ গ্রহণ করা মানেই অতিথি সেবা নেওয়া। ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনী কতটা সঠিক ভাবে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করবে তা নিয়ে সংশয় থাকে। আর এটাই নির্বাচনী বিধিনিষেধ ভঙ্গের আরোপ।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Central Force Jawan)?

    মুর্শিদাবাদ জেলায় মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর সাতজন জওয়ান সম্প্রতি একটি স্থানীয় ইফতার মজলিসে যোগ দিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) স্পষ্ট নির্দেশ ছিল যে, বাহিনীর কোনো সদস্যই স্থানীয় কারও বাড়িতে নিমন্ত্রণ রক্ষা বা খাদ্য গ্রহণ করতে পারবেন না। এই নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    সাত দিনের জন্য ‘প্যারা-মিলিটারি কাস্টডি

    কমিশনের নির্দেশে সেনাকর্মীদের উপর বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমত তদন্ত করে কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে তিনজনকে সাত দিনের জন্য ‘প্যারা-মিলিটারি কাস্টডি’তে পাঠানো হয়েছে। দুজনকে কড়া সতর্কতা দেওয়া হয়েছে এবং বাকি দুজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই সাতজন জওয়ানকেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরিয়ে ভিন রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আতিথেয়তার সংস্পর্শে আসা নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী

    নির্বাচন কমিশন পুনরায় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ভোটের (West Bengal Elections 2026) কাজে আসা জওয়ানদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও পেশাদার থাকতে হবে। স্থানীয় কোনো প্রভাব বা আতিথেয়তার সংস্পর্শে আসা নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। এই কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে কমিশন অন্যান্য নিরাপত্তা কর্মীদেরও সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে। যদিও আগে জওয়ানদের রুটমার্চের সময়েও কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, ভোটের কাজে এসে জওয়ানদের বিরুদ্ধে সাধারণের কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার পরেও এই ঘটনা সামনে আসে।

  • PM Modi: ৫ এপ্রিল আলিপুরদুয়ারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, জোরদার প্রচার শুরু বিজেপির

    PM Modi: ৫ এপ্রিল আলিপুরদুয়ারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, জোরদার প্রচার শুরু বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Elections 2026)-কে সামনে রেখে রাজ্যে প্রচারের গতি বাড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তারই অঙ্গ হিসেবে আগামী ৫ এপ্রিল উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে নির্বাচনী জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখলে তৎপর বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মোদির সভাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্বাচনী তৎপরতা ও ভোটমুখী বাংলায় বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের আনাগোনা বাড়ছে। আলিপুরদুয়ারে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    উত্তরবঙ্গের গুরুত্ব (PM Modi)

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপির (West Bengal Elections 2026) শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। আসন্ন নির্বাচনে এই ধারা বজায় রাখতেই মোদির (PM Modi) এই ঝটিকা সফর। তাঁর সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যে নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে বিজেপি অনেকটাই শক্তিশালী ফলে এখানে জয় নিয়ে একশ শতাংশ আশাবাদী বিজেপি। মোদির প্রচার ভোটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আশাবাদী বিজেপি।

    প্রস্তুতি তুঙ্গে

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। জনসভার স্থান নির্ধারণ ও নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখতে ইতিবাচক তৎপরতা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে। প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় ১৪২ আসন এবং দ্বিতীয় দফায় ১৫২ আসনে ভোট গ্রহণ (West Bengal Elections 2026) হবে। তবে বিজেপির প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন। প্রচার এখন তুঙ্গে।

    চা-বলয় এবং আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সমস্যাই হাতিয়ার

    সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হতে পারেন। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের চা-বলয় এবং আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সমস্যা ও সম্ভাবনা তাঁর ভাষণে উঠে আসতে পারে। আলিপুরদুয়ারের এই জনসভা ঘিরে জেলায় কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) সাফল্যের পুনরাবৃত্তি বিধানসভা নির্বাচনেও করতে চাইছে গেরুয়া শিবির, আর মোদির এই সফর সেই লক্ষ্যেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

  • Assembly Election 2026: “১৭৭ আসনে জিতবে বিজেপি”, রামনগরের সভায় স্পষ্ট বললেন শুভেন্দু

    Assembly Election 2026: “১৭৭ আসনে জিতবে বিজেপি”, রামনগরের সভায় স্পষ্ট বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) বিজেপি অন্তত ১৭৭টি আসন দখল করবে, বিজেপি৷ পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী৷ রামনগরে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর মণ্ডলের সমর্থনে একটি সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)৷ সেখানেই তিনি বলেন, “বিজেপি এবার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়ূবে৷ আমার কথা রেকর্ড করে রাখুন৷ ২০১৬-তে ৩, ২০২১-এ ৭৭, ২০২৬-এ ১৭৭-এর নীচে নামবে না৷ তার উপরে কোথায় যাবে বলছি না৷ ৪ মে বিকেলে দেখা হবে৷”

    ৭৯ লক্ষের নাম বাদ

    মঙ্গলবার ভবানীপুরে প্রচার করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন, তৃণমূল এবার ‘ডাবল ডিজিটে’ উঠবে না। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর পূর্বাভাস অনুসারে, বিধানসভা ভোটে ৯৯ পেরোতে পারবে না তৃণমূল। আর বুধবার সকালে রামনগরে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর মণ্ডলের সমর্থনে সভা করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এবার বিধানসভা ভোটে ১৭৭-র নীচে নামবে না বিজেপি। এখানেই শেষ নয়। তৃণমূলকে ফের একবার শুভেন্দু মনে করিয়ে দিয়েছেন, এসআইআর-প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যেই ৭৯ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। শুভেন্দু তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় বলেন, “প্রথম রাউন্ড ব্রেকফাস্টে নাম বাদ গেছে ৫৮ লক্ষ। লাঞ্চে নাম বাদ গেছে ৬০ লক্ষ। সন্ধেবেলায় লিকার চা আর চিনাবাদাম হয়েছে, এখনও ডিনার হয়নি। এর মধ্যে ১৪ লক্ষ নাম বাদ গেছে। এখনও পর্যন্ত বাদ গেছে ৭৯ লক্ষের নাম, কত বাদ যাবে আর কিছু বলব না।”

    মহিলাদের তিন হাজার টাকা

    রামনগরের সভা থেকেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আগের বার বলেছিলাম নন্দীগ্রামে এসেছেন হারিয়ে পাঠাবো৷ এবারে বলে গেলাম ভবানীপুরে আপনাকে হারাবো৷” এছা়ড়াও শুভেন্দু ঘোষণা করেন, আগামী ১ জুন থেকে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে দেবে বিজেপি সরকার। তিনি বলেন, “ভোটের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসছেই। মে মাসে বিজেপি সরকার গঠন হয়ে গেলেই চূড়ান্ত ঘোষণা করা হবে। আর তারপর জুনের ১ তারিখ থেকে মহিলাদের তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।” এর আগেও অন্নপূর্ণা প্রকল্পে প্রতিমাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Bhangar Blast: ভাঙড় বিস্ফোরণের তদন্তভার নিচ্ছে এনআইএ, ভোটে বড়সড় ষড়যন্ত্রের অনুমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সক্রিয় পদক্ষেপ

    Bhangar Blast: ভাঙড় বিস্ফোরণের তদন্তভার নিচ্ছে এনআইএ, ভোটে বড়সড় ষড়যন্ত্রের অনুমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সক্রিয় পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে (Bhangra Blast) ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তভার হাতে নিতে চলেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে এনআইএ সূত্রে জানা গেছে। ভোটের আগে সংবেদনশীল এলাকায় এই ভাবে বিস্ফোরণের কারণে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভোটের আগে বুথগুলিকে ভয়মুক্ত করতেই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ।

    বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণ (Bhangra Blast)

    গত সপ্তাহে ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের পশ্চিম বামুনিয়া গ্রামে এক বিকট বিস্ফোরণ (NIA) ঘটে। তদন্তে উঠে এসেছে যে, সেখানে বোমা বাঁধার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিস্ফোরণের কিছু সময় পর উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় মসিউর কাজি নামে এক ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, মসিউর দেগঙ্গার গাংনিয়া এলাকার তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন এবং তিনি ভাঙড়ে বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে জখম হয়ে মারা যান।

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই সুজয় মণ্ডল, যিনি পেশায় অ্যাম্বুল্যান্স চালক ও সুরজ মোল্লা নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে কোনও বড়সড় নাশকতামূলক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। ঘটনাস্থলের অদূরেই তল্লাশি চালিয়ে ৮৪টি তাজা বোমা ও একটি আগ্নেয়াস্ত্র (Bhangra Blast) উদ্ধার করা হয়েছে। এই বোমা কোন কাজে ব্যবহার করা হবে তার সন্ধান (NIA) করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

    এনআইএ-র ভূমিকা

    রাজ্য পুলিশ প্রথমে বিস্ফোরক আইনে (Explosive Substances Act) মামলা রুজু করেছিল। কেন্দ্রীয় নির্দেশের পর এনআইএ নতুন করে এফআইআর (FIR) দায়ের করে এই মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। আইএসএফ (ISF)-এর দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, যদিও তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এনআইএ-র (NIA) হস্তক্ষেপে এখন এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য রাজ্যে গত কয়েকবছরে খাগড়াগড়, পটাশপুর, এগরা, বারাসত, নানুর, সূতি, বেলডাঙা সহ একাধিক এলাকায় বাজি ও বোমা বিস্ফোরণের (Bhangra Blast) ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। বিজেপির অভিযোগ রাজ্যে কর্মসংস্থানের কারখানা নয়, বোমা বারুদের কারখানা গড়ে উঠেছে।

  • Assembly Election 2026: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত ভয় কেন?’ ভবানীপুরে বিজেপির জয় নিশ্চিত, দাবি শুভেন্দুর

    Assembly Election 2026: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত ভয় কেন?’ ভবানীপুরে বিজেপির জয় নিশ্চিত, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে জিতবে বিজেপিই। ভবানীপুরে থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রে লড়তে ভয় পাচ্ছেন, দাবি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে জনসংযোগ করার সময় শুভেন্দু জানিয়েছেন, “কোনও চ্যালেঞ্জ নেই, অন্তত ২৫ হাজার ভোটে আমি জিতব।” আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) ভবানীপুর কার পাশে দাঁড়াবে? এই নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। এই কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে লড়বেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তৃণমূলের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এত ভয় কেন?

    ভবানীপুরে হেভিওয়েট ডুয়েলের আগে কোমর বেঁধে ভোট ময়দানে নেমেছেন দুজনেই। নন্দীগ্রামের অফিসারকে ভবানীপুরে বদলি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। আর তারই জবাব দিতে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে খোঁচা দিলেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। বললেন, “নিজের বাড়ি, তাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত কেন ভয়?” রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত ভয় কেন? নিজের বাড়ি। নিজের জায়গা। যেখানে তিনি ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করেন বলে বলেন। তাহলে কেন এসব বলছেন? উনি হারের আতঙ্ক থেকে এই ধরনের কথা বলছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবেন। বিজেপি জিতবে। ভবানীপুর বিজেপির জায়গা। ২০১৪ সালে তথাগত রায় প্রথম দক্ষিণ কলকাতায় লড়েছিলেন এবং ভবানীপুরে লিড হয়েছিলেন। আমার পরম প্রাপ্তি তথাগত রায় আমায় মেসেজ করেছেন, আমি এই বয়সেও তোমার জন্য ভবানীপুরে কিছু করতে চাই। কি করতে হবে বলো, কবে যেতে হবে বলো। কর্মসূচিগুলো আমায় সূচনা দেবে। এটা পরম প্রাপ্তি আমার কাছে।”

    বিজেপির জয় সময়ের অপেক্ষা

    ভবানীপুরের নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের হিসাবও দিলেন শুভেন্দু। বললেন, “তিন দফাতে ৫১ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। প্রথমে ৪৫ হাজার। পরে ২ হাজার। আর বিবেচনাধীন তালিকায় প্রায় ৪ হাজার। এই ৫১ হাজার ভুয়ো ভোটের মালিক ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যথাটাও জানি। যন্ত্রণাটাও জানি। বুঝতে পারছেন আগামিদিনে কী হবে। পৃথিবীর কোনও শক্তি, কোনও মেডিসিনি নেই, এই কোমাতে চলে যাওয়া তৃণমূলকে পুনরুজ্জীবিত করে, বিজেপির জয় এখন সময়ের অপেক্ষা।” ভবানীপুরের পাশাপাশি, নন্দীগ্রাম নিয়ে তাঁর মন্তব্য, “সেখানকার মানুষ জানেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় আমার ভূমিকা, সেখানকার মানুষ জবাব দেবে।” বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভবানীপুরে রামনবমীর মিছিলে তিনি থাকবেন বলেও এদিন জানিয়ে দেন শুভেন্দু। উল্লেখ্য, এবছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে দুই দফায়। প্রথম দফায় রয়েছে ১৫২টি আসন, ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসন, ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। ভোটগণনা হবে ৪ মে ।

  • Ghaziabad: ইনস্টাগ্রামে টোপ দিয়ে চরবৃত্তি! উত্তরপ্রদেশে আন্তঃসীমান্ত পাক গুপ্তচর চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ১৮

    Ghaziabad: ইনস্টাগ্রামে টোপ দিয়ে চরবৃত্তি! উত্তরপ্রদেশে আন্তঃসীমান্ত পাক গুপ্তচর চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ১৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় থাবা বসানোর এক ভয়ঙ্কর ছক বানচাল করল গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) পুলিশ। ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের বেকার যুবকদের টাকার টোপ দিয়ে চরবৃত্তিতে লাগানোর অভিযোগে ১৮ জনকে গ্রেফতার (CCTV Operators Mobile Repairmen) করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে ৬ জন নাবালক। ধৃতদের বিরুদ্ধে সামরিক ঘাঁটি ও রেল স্টেশনের ভিডিও এবং গোপন তথ্য পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। দেশে এই ধরনের নেটওয়ার্কে অভিযান চালিয়ে বড়সড় নাশকতামূলক চক্রের পর্দা ফাঁস করেছে উত্তর প্রদেশ প্রশাসন।

    কীভাবে চলত এই চক্র (Ghaziabad)

    গাজিয়াবাদের (Ghaziabad) তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, এই চক্রটি মূলত গ্রামীণ এলাকার কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত অথচ কর্মহীন যুবকদের (CCTV Operators Mobile Repairmen) লক্ষ্য করত। কমটাকা রোজগার করে এবং আর্থিক চাহিদা রয়েছে এমন লোকজনকে কাজে লাগানো হত। মোবাইল রিপেয়ারিং, সিসিটিভি অপারেটর বা কম্পিউটার মেকানিকের কাজ জানা যুবকদের ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে খুঁজে বের করত হ্যান্ডলাররা। অভাবের সুযোগ নিয়ে তাদের মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে নামানো হত এই দেশবিরোধী কাজে। গত দুই বছর ধরে এই চক্রটি অবাধে সক্রিয় ছিল বলে জানা গেছে।

    অভিযানের সূত্রপাত

    গত ১৪ মার্চ কৌশাম্বী থানার (Ghaziabad) একজন বিট অফিসারের কাছে গোপন খবর আসে যে, ভৌয়াপুরে একদল যুবক সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করছে। তারা রেল স্টেশন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর গতিবিধির ভিডিও রেকর্ড করে বিদেশে পাঠাচ্ছিল বলে প্রথমে সন্দেহ করা হয়, এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আসল তথ্য বের হয়। এর পরেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নওশাদ আলি, মীরা, সোহেল ওরফে রোমিও এবং ইরাম ওরফে মেহাক-সহ একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার (CCTV Operators Mobile Repairmen) করেছে।

    চাঞ্চল্যকর তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার

    পুলিশি (Ghaziabad) তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চমকপ্রদ তথ্য। নিজেরা স্মার্ট প্রযুক্তি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ওটিপি পাচারের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতো। ফলে বিদেশি শত্রুদের যাতে আক্রমণ এবং আঘাত হানতে সুবিধা হয় সেই দিকের কথা মাথায় রেখে তথ্য পাচারের কাজ চলত। পুলিশ কমিশনার এলও ও ট্র্যাফিক রাজ করণ নায়ার  সাংবাদিক সম্মলেন করে বলেন, “গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ কৌশাম্বী থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ৬১(২) (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং ১৫২ (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতা বিপন্নকারী কাজ) ধারার পাশাপাশি সরকারি গোপনীয়তা আইনের ৩ এবং ৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে ১৪ মার্চ পাঁচজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মোবাইল ফোনের গ্যালারিতে ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ও ছবির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত অবস্থান তথ্য ছিল।” সূত্র আরও জানা গিয়েছে, এই চক্রটি ভারতে অবস্থিত দুই বা তিনজন নিয়ন্ত্রক চালাত, যারা বিদেশে থাকা নিয়ন্ত্রকদের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য সরবরাহ করত।

    স্মার্ট প্রযুক্তি

    ধৃতরা মোবাইলে এমন একটি বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করত যা ভিডিও বা ছবির ওপর সরাসরি জিপিএস কোঅর্ডিনেটস (GPS Coordinates) এবং সময় ফুটিয়ে তুলত।

    সিসিটিভি ক্যামেরা

    দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এবং সোনিপত রেল স্টেশনের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় এরা সৌরশক্তি চালিত এবং সিম-কার্ড ভিত্তিক স্ট্যান্ডঅ্যালোন সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়েছিল, যার সরাসরি ফিড চলে যেত বিদেশে।

    ওটিপি পাচার

    ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি (OTP) ৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে বিদেশে পাঠানো হত, যাতে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা ভারতীয় নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে তা চরবৃত্তিতে ব্যবহার করতে পারে।

    টাকার লেনদেন

    সাধারণ সিসিটিভি বসাতে যেখানে ৬-৭ হাজার টাকা দেওয়া হয়, সেখানে এই যুবকদের ১৬-১৭ হাজার টাকা দেওয়া হত। ধরা পড়ার ভয় এড়াতে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে না নিয়ে ইউপিআই (UPI)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন পাবলিক সার্ভিস সেন্টার বা দোকান থেকে নগদে সংগ্রহ করা হত।

    অভিযুক্তদের তালিকা ও আইনি পদক্ষেপ

    গ্রেফতার হওয়া ১৮ জনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামগুলি হলো নওশাদ আলি (২০), মীরা (২৮), সোহেল (২৩), ইরাম (২৫), প্রবীণ (১৯), রাজ বাল্মীকি (২১) প্রমুখ (CCTV Operators Mobile Repairmen)। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর আপত্তিকর ভিডিও, ছবি এবং লোকেশন ডেটা উদ্ধার করা হয়েছে। গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT) জানিয়েছে, “নওশাদ আলি এই চক্রের অন্যতম প্রধান পাণ্ডা ছিল। সে-ই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অপরাধপ্রবণ কিন্তু কোনও অপরাধমূলক রেকর্ড নেই—এমন যুবকদের খুঁজে বের করত। ধৃত মীরা এর আগেও অস্ত্র পাচারের অভিযোগে দিল্লি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল।

    আদালতের কড়া অবস্থান

    ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের মধ্যে দুই জন জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দেশের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য এবং অখণ্ডতাকে বিপন্ন করার মতো গুরুতর অপরাধে লিপ্ত (CCTV Operators Mobile Repairmen)। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-এর অধীনে মামলা রুজু করে তদন্ত প্রক্রিয়া জারি রেখেছে পুলিশ।

  • I-PAC: “মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে হস্তক্ষেপ করলে ইডি কোথায় যাবে?” মমতার আইনজীবীকে তোপ সুপ্রিম কোর্টের

    I-PAC: “মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে হস্তক্ষেপ করলে ইডি কোথায় যাবে?” মমতার আইনজীবীকে তোপ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) এবং রাজনৈতিক উপদেষ্টা সংস্থা আই-প্যাক (I-PAC)-এর আইনি সংঘাত এক নতুন মোড় নিয়েছে। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করা এই সংস্থার বিরুদ্ধে ইডির তদন্ত এবং তা নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের সওয়াল-জবাব এখন জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। মমতার আইনজীবী কপিল সিব্বালের মন্তব্য, “আদালত কি এখনই ধরে নিচ্ছে যে মুখ্যমন্ত্রী অপরাধী।” পাল্টা বিচারপতিদের বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে হস্তক্ষেপ করলে ইডি কোথায় যাবে? তীব্র বাক বিতণ্ডায় উত্তাল সুপ্রিমকোর্ট।”

    অনুচ্ছেদ ৩২-এর অপব্যবহারের যৌক্তিকতা (I-PAC)?

    আইপ্যাক মামলায় রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও পার্টি বা পক্ষ করেছিল ইডি। তখন রাজ্য পুলিশের ডিজি ছিলেন রাজীব কুমার। তাঁর হয়ে আদালতে সওয়াল করছেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। বিচারপতি (Supreme Court) পি কে মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি অঞ্জারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা চলছে। শুনানিতে একদিকে যেমন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকদের মৌলিক অধিকারের প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল কেন্দ্রের এক্তিয়ার এবং সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২-এর অপব্যবহার নিয়ে জোরালো সওয়াল করেছেন। উভয় পক্ষের বক্তব্যে উত্তাল হয়ে ওঠে আদালত চত্বর।

    তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশলী হিসেবে পরিচিত সংস্থা আই-প্যাকের (I-PAC) বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। এই তদন্তের আইনি বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মামলাটি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং সংস্থার প্রতিনিধিরা এই তদন্তকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন।

    ইডির কি মৌলিক অধিকার নেই?

    বিচারপতি (Supreme Court) পি কে মিশ্র ইডির আধিকারিকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা ও অধিকারের বিষয়টি শুনানির সময় তুলে ধরেন। রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী বারবার বলছিলেন যে ইডি একটি সরকারি সংস্থা এবং সংস্থার কোনও মৌলিক অধিকার নেই। আর তখন বিচারপতি পাল্টা প্রশ্ন করেন— যারা তদন্ত করতে গিয়ে বাধার (I-PAC) সম্মুখীন হয়েছেন বা আক্রান্ত হয়েছেন, সেই আধিকারিকদের কি কোনও মৌলিক অধিকার নেই? বিচারপতি মিশ্র স্পষ্টভাবে বলেন, “আপনারা শুধু ইডি নিয়ে কথা বলছেন, কিন্তু সেই আধিকারিকদের কথা ভুলে যাচ্ছেন যারা এই ঘটনায় মামলার আবেদন করেছেন। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কি প্রতিকার চাইতে পারেন না?”

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    এই মামলাটি কেবল একটি আইনি লড়াই নয়, বরং তৃণমূল বনাম বিজেপি-র রাজনৈতিক লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার অভিযোগ করেছেন, আইনি প্রক্রিয়ার আড়ালে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে বিরোধী কণ্ঠরোধে ব্যবহার করা হচ্ছে। আই-প্যাককে (I-PAC) নিশানা করে আসলে বাংলার শাসক দলের নির্বাচনী পরিকাঠামোকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। অপর দিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষে যুক্তি, মুখ্যমন্ত্রী তদন্তকে প্রভাবিত করছেন। দুর্নীতির তদন্তকে প্রভাবিত করে আসল অপরাধীদের আড়াল করতে চেয়েছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য ক্ষতিকর

    রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই মামলাকে ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য ক্ষতিকর বলে অভিহিত করা হয়েছে। সিব্বলের যুক্তি, কোনও অপরাধ যদি রাজ্যের সীমানার মধ্যে ঘটে, তবে তদন্তের (I-PAC) প্রাথমিক দায়িত্ব সেই রাজ্যের পুলিশের। তদন্তে গাফিলতি প্রমাণিত হওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর এভাবে সরাসরি হস্তক্ষেপ রাজ্যের সাংবিধানিক ক্ষমতাকে খর্ব করে।

    অপর দিকে বিচারপতি (Supreme Court) এন ভি অঞ্জারিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি পর্যবেক্ষণ দেন। তিনি বলেন, “মৌলিক অধিকার সবসময় কেবল ব্যক্তিকেন্দ্রিক হতে হবে, এমন নয়। আইনের শাসন নিজেই একটি মৌলিক নীতি। যদি সেই নীতি লঙ্ঘিত হয়, তবে আদালত সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে।”

    সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ সমস্ত পক্ষের যুক্তি শোনার পর মামলাটি খতিয়ে দেখছেন। তদন্তের ওপর অন্তর্বর্তী কোনো স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে কি না, বা ইডির ক্ষমতা কতটুকু কার্যকর থাকবে, তা আদালতের পরবর্তী রায়ের ওপর নির্ভর করছে। আইপ্যাক মামলার শুনানি এদিনের মতো শেষ। পরবর্তী শুনানি ১৪ এপ্রিল।

  • Santosh Pathak: কংগ্রেসে বড় ধাক্কা! পদ্মে যোগদান সন্তোষ পাঠকের, হতে পারেন প্রার্থীও

    Santosh Pathak: কংগ্রেসে বড় ধাক্কা! পদ্মে যোগদান সন্তোষ পাঠকের, হতে পারেন প্রার্থীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর এবং বর্ষীয়ান নেতা সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak) কংগ্রেস ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগ দিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তর কলকাতার (West Bengal Elections 2026) রাজনীতিতে এই ঘটনাকে কংগ্রেসের জন্য একটি বড় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যে কংগ্রেস নেতা তৃণমূলের ভয়ঙ্কর আগ্রাসনের মধ্যেও নিজের ঘরকে অক্ষত রেখে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। সেই কংগ্রেস নেতা এখন বিজেপিতে। রাজনীতির একাংশের মত তাঁর এই সিদ্ধান্ত সময়পোযোগী। বিধানসভা ভোটে উত্তর কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা দেবে বিজেপি নেতৃত্ব।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার (West Bengal Elections 2026)

    সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak) ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর এবং কলকাতার রাজনীতিতে কংগ্রেসের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন। তবে গুঞ্জন শুরু হয়েছে চৌরঙ্গী বিধানসভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কংগ্রেসের যেমন মুখমাত্র ছিলেন, আবার একই ভাবে এই কেন্দ্র থেকে ২০২১ সালে নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) অংশগ্রহণও করেছিলেন। তবে জয়ী না হলেও তাঁর নেতৃত্ব এবং পরিচিতি প্রবল। বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেসের জন্য বিরাট ধাক্কা সন্তোষ পাঠকের যোগদান। সন্তোষ বলেন, “আমি ব্রাহ্মণ সন্তান। পুজো-অর্চনা যেমন জানি, তেমনই শ্রাদ্ধ করতেও জানি। এবার তৃণমূলের বিসর্জন দেওয়াই আমার লক্ষ্য।”

    বিজেপিতে যোগদান

    সোমবার নিউটাউনের কার্যলয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak)। তবে যতদিন কংগ্রেসে ছিলেন আগে থেকেই পদ্মশিবিরে যোগদানের কথা জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য দফতরের এক অনুষ্ঠানে তিনি গেরুয়া শিবিরে শামিল হন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজ্যসভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। সন্তোষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত নির্বাচনে আমার জেতা আসন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশ আর তৃণমূল যা খুশি করেছে। আমি নিজে চোখে পুলিশকে ছাপ্পা মারতে দেখেছি। আমি বুঝে গিয়েছি, কংগ্রেসের পক্ষে তৃণমূলকে সরানো সম্ভব নয়। একমাত্র নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই এই রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাত করা সম্ভব।” তবে দলত্যাগের কারণ স্বরূপ জানা গিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসের বর্তমান সাংগঠনিক (West Bengal Elections 2026) অবস্থান এবং নেতৃত্বের সাথে মতপার্থক্যের কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    রাজনৈতিক প্রভাব

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “সন্তোষ পাঠকের (Santosh Pathak)  মতো প্রভাবশালী নেতার বিদায়ে উত্তর কলকাতায় কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হলো। অন্যদিকে, বিজেপির জন্য এটি একটি বড় প্রাপ্তি।” তবে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) উত্তরকলকাতায় বিজেপির জয় নিয়ে দারুণ আশাবাদী পদ্ম শিবির।

  • Assembly Election 2026: রাজ্যে ৭৩ রিটার্নিং অফিসারকে বদলি কমিশনের, তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরও

    Assembly Election 2026: রাজ্যে ৭৩ রিটার্নিং অফিসারকে বদলি কমিশনের, তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নির্বাচনের (Assembly Election 2026) দিন ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনিক স্তরে একাধিক রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদলি করা হয়েছে। এ বার সেই তালিকায় যোগ হলো রিটার্নিং অফিসারদের (Returning Officer) নাম। সোমবার একটি বিবৃতি জারি করে রাজ্যের ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারে বদলি করে দিল কমিশন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই এসিডও অর্থাৎ মহকুমাশাসক। উল্লেখ্য, এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) কেন্দ্র ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারও রয়েছেন।

    কেন এই পদক্ষেপ

    সোমবারই রিটার্নিং অফিসার বদলি সংক্রান্ত একটি বিবৃতি জারি করে কমিশন। সেখানে বলা হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রস্তাব মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, ১৯ মার্চ এবং ২৩ মার্চ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক যে ইমেল করেছিলেন,তার জবাবে এই বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মঙ্গলবার, অর্থাৎ, ২৪ মার্চ বিকেল ৫টার মধ্যে তালিকায় নাম থাকা সমস্ত রিটার্নিং অফিসারকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যেতে হবে। বুধবার ২৫ মার্চ সকাল ১১টা থেকে প্রশিক্ষণ পর্বে অংশ নিতে পারবেন তাঁরা। গোটা বিষয়টার দিকে কড়া নজর দিতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে। অফিসার বদলি প্রসঙ্গে কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, অবাধ এবং সুষ্ঠু ভোট পরিচালনার জন্য এমন পদক্ষেপ। এই সব সিদ্ধান্তের নেপথ্যে অনেক কারণ রয়েছে। পাঁচটি রাজ্যে ভোট হচ্ছে, সব জায়গায় পরিস্থিতি এক নয়। অন্যত্রও অফিসার বদলি করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হয়।

    কোথায়, কত বদলি

    নির্দেশিকা অনুসারে, কোচবিহারের তুফানগঞ্জ, জলপাইগুড়ি, মালদা সদর, মুর্শিদাবাদের লালবাগ, ব্যারাকপুর, বিধাননগর, বারাসত, ক্যানিং, বারুইপুর, আলিপুর, হাওড়া সদর, বুগলি সদর, তমলুক, কাঁথি, হলদিয়া, এগরা, ঘাটাল, দুর্গাপুর, আসানসোলে নতুন এসডিও নিয়োগ করা হয়েছে। তুফানগঞ্জের এসডিও হয়েছেন শান্তনু কর্মকার, জলপাইগুড়িতে নির্মল ঘরামি, ব্যারাকপুরের এসডিও হয়েছেন যাদব সূর্যভান আচ্ছেলাল, হাওড়া সদরের এসডিও হয়েছেন বিবেক পঙ্কজ, তমলুকে এসডিও হয়েছেন সৌভিক মুখোপাধ্যায়, বিধাননগরে প্রিয়াংশা গর্গ, মুর্শিদাবাদে পূজা মীনা। অন্যদিকে, ভবানীপুরে ল্যান্ড অ্যান্ড রেকর্ডসের অতিরিক্ত ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে সুরজিত রায়ের। সবচেয়ে বেশি রদবদল হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। সেখানে ১৩ জন আরও-কে রদবদল করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১০ জন আরও-কে রদবদল করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরেও সংখ্যাটা একই। কলকাতায় ভবানীপুর এবং রাসবিহারী কেন্দ্রের আরও বদলি হয়েছেন।

LinkedIn
Share