Tag: wb

wb

  • Lok Sabha Election 2024: বঙ্গে বাড়তে চলেছে বিজেপির আসন, ইঙ্গিত একাধিক বুথফেরত সমীক্ষায়

    Lok Sabha Election 2024: বঙ্গে বাড়তে চলেছে বিজেপির আসন, ইঙ্গিত একাধিক বুথফেরত সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়লা জুন, শনিবার শেষ হল অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন হয়েছে ৫৪৩টি আসনে। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনও। গত মার্চ মাসে নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে পরেই বিজেপি দাবি করেছিল, বাংলায় এবার আসন বাড়বে পদ্ম-পার্টির। বাংলায় যে এবার আরও বেশি কেন্দ্রে পদ্ম ফুটবে, সে ব্যাপারে আশাবাদী খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

    আইবি-র রিপোর্ট (Lok Sabha Election 2024)

    শেষ দফার নির্বাচনের আগে রাজ্যে প্রচারে এসে তিনি বলেছিলেন, “দেশের মধ্যে পারফরমেন্সে এগিয়ে বঙ্গ বিজেপি।” যদিও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের দাবি, এবারও রাজ্যে ভালো করবে ঘাসফুল শিবির। ভোট কূশলী প্রশান্ত কিশোর অবশ্য দাবি করেছিলেন, বাংলায় এক নম্বর দল হবে বিজেপি। এদিকে, আইবি-র তরফে যে রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে, সেখানেও বলা হয়েছে বিজেপি পেতে পারে ২৮-৩০টি আসন। তবে এ রাজ্যে ঠিক কারা এগিয়ে, পিছিয়েই বা কারা, কী বলছে এক্সিট পোল, আসুন (Lok Sabha Election 2024) জেনে নেওয়া যাক।

    কী বলছে সমীক্ষা?

    সি ভোটারের সমীক্ষায় প্রকাশ, বাংলায় বিজেপি পেতে পারে ২৩-২৭টি আসন, তৃণমূলের ঝুলিতে যেতে পারে ১৩-১৭টি আসন, বাম-কংগ্রেস পেতে পারে ১-৩টি আসন। ‘জন কি বাতে’র সমীক্ষা অনুযায়ী, গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ২১-২৬টি আসন, তৃণমূল পেতে পারে ১৬-১৮টি আসন, বাম-কংগ্রেস জোটের দখলে যেতে পারে ৩টি আসন। নিউজ ১৮ মেগা এক্সিট পোলের সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি পেতে পারে ২১-২৪টি আসন।

    আর পড়ুন: তৃতীয় বার মোদি সরকার, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপিই, বলছে এক্সিট পোল

    রিপাবলিক ম্যাট্রিজের সমীক্ষা অনুযায়ী, পদ্ম ফুটতে পারে ২১-২৫টি আসনে, আর ঘাসফুল মাথা তুলতে পারে ১৬-২০টি আসনে। রিপাবলিক পি এমএআরকিউয়ের সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ২২টি আসন, তৃণমূল ২০টি। ইন্ডিয়া নিউজ-ডি ডাইনামিক্সের সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি পাবে ২১টি আসন, তৃণমূলের ঝুলিতে ১৯টি। এনডিটিভি ইন্ডিয়া-জন কি বাতের দাবি, বিজেপি পাবে ২১-২৬টি আসন, তৃণমূল ১৬-১৮টি। বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে দেখা যাচ্ছে, এ রাজ্যে বিজেপি পেতে পারে ৪২.৫ শতাংশ ভোট, তৃণমূল পেতে পারে ৪১.৫ শতাংশ ভোট, বাম-কংগ্রেস জোট পেতে পারে ১৩.২ শতাংশ ভোট (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAPF: ভোট-হিংসায় রাশ টানতে ফলাফলের পরেও রাজ্যে মোতায়েন থাকবে বাহিনী, জানাল কমিশন

    CAPF: ভোট-হিংসায় রাশ টানতে ফলাফলের পরেও রাজ্যে মোতায়েন থাকবে বাহিনী, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার জন্য গোটা দেশে খ্যাতি রয়েছে বাংলার! বিরোধীদের এহেন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সেই হিংসা ঠেকাতে রাজ্যে মোতায়েন থাকবে ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF)। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বাহিনী থাকবে ৬ জুন পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে ফল বের হবে ৪ জুন।

    রাজ্য চলছে শেষ দফার নির্বাচন (CAPF)

    পয়লা জুন, শনিবার লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে দেশের বিভিন্ন আসনে। রাজ্যের ৯টি আসনেও চলছে নির্বাচন। ১৭ হাজার ৪৭০টি বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। এর মধ্যে স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে ৩ হাজার ৭৪৮টি। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯৬৭ কোম্পানি। ৩৩ হাজার ২৯২ জন রাজ্য পুলিশ কর্মীও মোতায়েন করা হয়েছে নির্বাচনে (CAPF)। কমিশন জানিয়েছে, সপ্তম তথা শেষ দফায় সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন ১০জন। পুলিশ পর্যবেক্ষক ৫জন। খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ১১ জন। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কমিশনে জমা পড়েছে ৪০ হাজার ৪৬২টি অভিযোগ। এর মধ্যে ৩৫ হাজার ৯৮৬টি অভিযোগের ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন।

    বিধানসভা নির্বাচনে হিংসা

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের স্মৃতি এখনও ফিকে হয়ে যায়নি। সেই নির্বাচনে বাংলার বিভিন্ন পকেটে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পরেও বিরোধীদের ওপর অত্যাচার হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা। এনিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও দায়ের হয়েছিল। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনেও ভোট হয়ে যাওয়ার পর কয়েকটি কেন্দ্রে অশান্তি হয়েছে বলে জেনেছে কমিশন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তার পরেই ভোটের ফল বেরনোর দু’দিন পর পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

    আর পড়ুন: “পুলিশ গ্রিন করিডর করে টাকা এনেছে”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিজেপি প্রার্থী

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে যে ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, তার মধ্যে সিআরপিএফ-ই ১১৫ কোম্পানি, বিএসএফ ১১৮ কোম্পানি, সিআইএসএফ ৭১ কোম্পানি, আইটিবিপি ৩৬ কোম্পানি, এসএসবি ৬০ কোম্পানি। এদিকে, শেষ দফার নির্বাচনে ওয়েবকাস্টিংয়ের ওপর আরও বেশি করে জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণ পর্বে ক্যামেরা নিয়ে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও প্রিসাইডিং অফিসারদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে (CAPF)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, সংক্ষেপে সিএএ (CAA) অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির স্থান-কাল জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আপাতত এই শংসাপত্র বিলি হবে পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার থেকে সিএএ আইন অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু করেছে সিএএ সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি। প্রসঙ্গত, গত ১৫ মে প্রথমবার তিনশো জন আবেদনকারীকে সিএএ-র শংসাপত্র বিলি করেছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। দিল্লিতে ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে এই শংসাপত্র তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয়কুমার ভাল্লা স্বয়ং।

    সিএএ শংসাপত্র বিলি শুরু (CAA)

    বুধ-সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA), ২০২৪ এর আওতায় পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব শংসাপত্র মঞ্জুরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ প্রথম দফার আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব প্রদান করেছে পশ্চিমবঙ্গের এমপাওয়ার্ড কমিটি। একইভাবে হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডেও বুধবার থেকে প্রথম দফার আবেদনপত্রগুলির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের এমপাওয়ার্ড কমিটি।

    সিএএ

    গত ১১ মার্চ, দেশজুড়ে লাগু হয় সিএএ। যদিও ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার। সংসদের দুই কক্ষেই বিলটি পাশ হওয়ার পর পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। বিলটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এই আইন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো দেশ থেকে যে সব অ-মুসলিম মানুষ ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে এ দেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন এবং অন্তত পাঁচ বছর ভারতে বাস করছেন, তাঁরা নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেতে সিএএতে আবেদন করতে পারেন বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র।

    আর পড়ুন: ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

    সিএএ আইনের ব্যাখ্যায় যাঁরা পাঁচ নম্বরের অন্তর্ভুক্ত, তাঁদেরও আবেদনের কথা ভাবতে হতে পারে। এই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ২০০৪ সালের ৩ ডিসেম্বর কিংবা তার পরে যাঁদের ভারতে জন্ম, তাঁদের বাবা-মা দুজনেই ভারতীয় হলে, তিনিও এ দেশের নাগরিক। কিন্তু বাবা-মায়ের মধ্যে অন্তত একজন ভারতীয় নাগরিক না হলে প্রশ্নের মুখে পড়বে তাঁদের সন্তানের নাগরিকত্ব (CAA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “বাংলায় সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি”, সপ্তম দফার আগেই জানিয়ে দিলেন মোদি

    PM Modi: “বাংলায় সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি”, সপ্তম দফার আগেই জানিয়ে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি।” কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দু’দিনের সফরে মঙ্গলবার কলকাতায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেলে জনসভা করেন বারুইপুরে। সন্ধেয় কলকাতায় রোড-শো করার কথা। তার আগে সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এক পেশে লড়াই হচ্ছে। এই লড়াই তৃণমূল লড়ছে স্রেফ অস্তিত্ব রক্ষার জন্য।”

    টিকে থাকার লড়াই তৃণমূলের! (PM Modi)

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। সাত দফায় নির্বাচন হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেও। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে এখনও ভোট হয়নি ৯টি কেন্দ্রে। পয়লা জুন সপ্তম তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে এই কেন্দ্রগুলিতে। তার আগে দু’দিনের বঙ্গ সফরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বাংলার ভোটে তৃণমূল দল কেবল টিকে থাকার জন্য লড়াই করছে। আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন বাংলায় বিজেপির তিনটি আসন ছিল। সেখান থেকে বেড়ে ৮০টি (আসলে ৭৭টি) হয়েছিল। গত লোকসভা নির্বাচনে আমরা প্রচুর সমর্থন পেয়েছিলাম।”

    বেস্ট পারফর্মিং রাজ্য

    এর পরেই তিনি বলেন, “গোটা দেশের মধ্যে বাংলা হবে বিজেপির বেস্ট পারফর্মিং রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গে সব চেয়ে বেশি সাফল্য পাবে বিজেপি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় লাগাতার খুন আর হামলার ঘটনা ঘটছে। ভোটের আগে বিজেপি কর্মীদের জেলে ভরে দেওয়া হচ্ছে। এই সব অত্যাচার সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যক মানুষ বেরিয়ে এসে নিজের ভোট নিজে দিচ্ছেন।” সাক্ষাৎকারে প্রত্যাশিতভাবেই ওঠে ওবিসিদের শংসাপত্র বাতিলের প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কলকাতা হাইকোর্ট বেআইনিভাবে দেওয়া ওবিসি সংরক্ষণ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে। তৃণমূল এখন উচ্চ আদালতকে আক্রমণ করছে। বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে খারাপ কথা বলছে।”

    আর পড়ুন: সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধের নির্দেশ, সময় বেঁধে দিল হাইকোর্ট

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণের লক্ষ্য ছিল কংগ্রেসও। তিনি বলেন, “ওদের একটা সুনির্দিষ্ট ছক রয়েছে। প্রথম পাপ ওরা করেছে অন্ধ্রপ্রদেশে। সেখানে মুসলমানদের সংরক্ষণ দেওয়ার পাপ করেছে। ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের কোনও বিধান নেই সংবিধানে। তাই সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দিয়েছে। এবার ওরা পিছনের দরজা দিয়ে মুসলমানদের ওবিসির তালিকায় সংরক্ষণ দিতে চাইছে। কেড়ে নিতে চাইছে ওবিসিদের অধিকার।” নাম না করে ‘ইন্ডি’ জোটকেও আক্রমণ শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “যাঁরা নতুন স্বপ্ন দেখে নতুন দৌড় শুরু করেছিলেন, তাঁদের কাছেও এটা শেষ দৌড়। কেবল নির্বাচনের নয়, ওদের অস্তিত্বেরই শেষ দৌড় (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    Lok Sabha Elections 2024: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটামুটি নির্বিঘ্নেই শেষ হল তৃতীয় দফার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। আজ, ৭ মে নির্বাচন হয়েছে দেশের ৯৩টি লোকসভা কেন্দ্রে। কমিশন সূত্রে খবর, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৬০.১৯ শতাংশ। মতদানের হারের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি-শাসিত অসম। সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে এই রাজ্যে। এখানে বিকেল ৫টি অবধি ভোট পড়েছে ৭৪.৮৬ শতাংশ।

    বাংলায় ভোটের হার (Lok Sabha Elections 2024)

    এদিন ভোট হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের চারটি আসনেও (Lok Sabha Elections 2024)। কমিশন সূত্রে খবর, বিকেল ৫টা পর্যন্ত মালদহ উত্তরে ভোট পড়েছে ৭৩.৩০ শতাংশ। এই সময়ের মধ্যে মালদহ দক্ষিণে পোলিং হয়েছে ৭৩.৬৮ শতাংশ। জঙ্গিপুরে ভোট দানের হার ৭২.১৩ শতাংশ। মুর্শিদাবাদে ভোট পড়েছে ৭৬.৪৯ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের চার কেন্দ্রে সামগ্রিক ভোটদানের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। এদিন উপনির্বাচন হয়েছে ভগবানগোলা বিধানসভা কেন্দ্রেও। সেখানে ভোটদানের হার ৭৩.৬৮ শতাংশ।

    অভিযোগের পাহাড়

    এই দফায় বাংলার চার কেন্দ্র মিলিয়ে কমিশনের কাছে সব মিলিয়ে জমা পড়ছে ৪৩৩টি অভিযোগ। এর মধ্যে দলগতভাবে অভিযোগ জমা পড়েছে ২৫৩টি। সব চেয়ে বেশি অভিযোগ করেছে সিপিএম। তারা অভিযোগ করেছে ১৬৩টি। কংগ্রেসের অভিযোগের সংখ্যা ২৯টি, বিজেপির ২৭টি এবং তৃণমূলের ১৮টি। এই দফায়ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া নাজিরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫৯ নম্বর বুথে এক ভোটারের ভোট দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ। বিষয়টি স্বীকারও করে নিয়েছেন ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার সেলিম রেজা বিশ্বাস।

    আরও পড়ুুন: “গিয়ে দেখি, পুলিশের সামনেই ছাপ্পা মারছে তৃণমূল”, মুর্শিদাবাদে তিক্ত অভিজ্ঞতা ভোটারের!

    মালদহের চাঁচলে আবার বোমা মারার হুমকি দিয়ে তুলে দেওয়া বিজেপির সহায়তা বুথ। কাঠগড়ায় তৃণমূল। চাঁচল বিধানসভার মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধুমসাডাঙি ২২১ নম্বর বুথের ঘটনা। বিজেপি কর্মী শঙ্কর দাসের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা বাবু সরকার দলবল নিয়ে এসে বোমা মারার হুমকি দিয়ে তাঁদের ক্যাম্প তুলে দেয়। মালদহ দক্ষিণের শামসেরগঞ্জের জোতশালীর ১২৫ ও ১২৬ নম্বর বুথে অশান্তি বাঁধানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোট দিতে আসা কংগ্রেসের এক বৃদ্ধ সমর্থককে মেরে পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শামসেরগঞ্জেরই ২১৯ নম্বর বুথেও। হামলা হয়েছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তিনটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের দিকে। যদিও সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC: বিলম্বিত বোধদয়! এবার ওএমআর শিট সংরক্ষণ করবে রাজ্য শিক্ষা দফতর

    SSC: বিলম্বিত বোধদয়! এবার ওএমআর শিট সংরক্ষণ করবে রাজ্য শিক্ষা দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ওএমআর শিট থাকলে আইনি জটিলতা কম হত। ফলে যোগ্যদের চাকরিও সুরক্ষিত থাকত, অযোগ্যদের তথ্যও মিলত।” কথাগুলি বললেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। এই একই ভুল যাতে ফের না হয়, তাই ওএমআর শিট সংরক্ষণের পদ্ধতিতেই পরিবর্তন করতে চলেছে রাজ্য সরকার।

    ওএমআর শিট সংরক্ষণ (SSC)

    জানা গিয়েছে, নতুন করে যেসব শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের নিয়োগ করা হবে, আগামী ১০ বছর পর্যন্ত সব পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট সংরক্ষণ করে রাখা হবে। নিয়োগ পদ্ধতির স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশ্নপত্রের কার্বন কপিও থাকবে পরীক্ষার্থীদের কাছে (SSC)। নয়া এই সিদ্ধান্তে স্কুল শিক্ষা দফতরের সবুজ সঙ্কতের অপেক্ষায় রয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে কথা হয়েছে। এরপর থেকে নিয়োগের যা পরীক্ষা হবে, সেখানে ওএমআর শিট সংরক্ষণ করে রাখা হবে ১০ বছর।”

    যোগ্য-অযোগ্য বাছাই সহজ হত

    শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির জেরে চাকরি খুইয়েছেন প্রায় ছাব্বিশ হাজার জন। হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন এঁরা। অযোগ্যদের ভিড়ে পড়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন যোগ্য প্রার্থীরাও। সোমবার হাইকোর্টের রায় প্রকাশ্যে আসার পর কারও কারও মতে, পরীক্ষার্থীদের ওএমআর শিট সংরক্ষণ করা থাকলে চাকরি খোয়াতে হত না যোগ্যদের। যোগ্য-অযোগ্য শনাক্ত করাও হত অনায়াস। এ প্রসঙ্গে এসএসসির চেয়ারম্যান বলেন, “যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা কলকাতা হাইকোর্টে জমা দিয়েছিল এসএসসি। গত ১৩ ডিসেম্বর হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছিল। আদালত তাতে সন্তুষ্ট না হওয়ায় ফের ১৮ তারিখে হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “আরও বেশি করে ভোট দিন”, আবেদন মোদি, শাহের

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ওএমআর দুর্নীতি, ওএমআর কারচুপি, ওএমআরের তথ্য লোপাট সহ নানা অভিযোগ ওঠে। এই কারচুপিতে নাম জড়ায় গাজিয়াবাদের এক সংস্থার। এনওয়াইএসএ কমিউনিকেশনস প্রাইভেট লিমিটেডই মূল্যায়ন করেছিল ওএমআর শিট। এই সংস্থার হার্ডডিস্কে যাঁরা ১ বা ২ পেয়েছিলেন, কমিশনের সার্ভারে তাঁদের দেখানো হয়েছে ৫১ কিংবা ৫২ পেয়েছেন বলে। উল্টোটাও হয়েছে। মূল্যায়নকারী সংস্থার সার্ভারে যাঁর নম্বর দেখাচ্ছে ৪০, কমিশনের সার্ভারে তা কমিয়ে দেখানো হয়েছে ১০। এই কারচুপি রুখতেই নয়া ব্যবস্থা (SSC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    Lok Sabha Elections 2024: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপাকে পড়ে গেল তৃণমূল! এলাকাবন্দি হয়ে গেলেন ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া উদয়ন গুহ। শুক্রবার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) চলাকালীন নিজের এলাকা ছেড়ে বেরোতে পারবেন না তৃণমূলের এই মন্ত্রী। কমিশনের নির্দেশ, ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট চলাকালীন কোচবিহারের এই তৃণমূল নেতা নিজের এলাকা ছেড়ে বেরতে পারবেন না। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র দিনহাটায়ই ‘বন্দি’ থাকতে হবে। অন্য কোথাও যাতায়াত করতে পারবেন না।

    কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন নিশীথ (Lok Sabha Elections 2024)

    দিন কয়েক আগে কমিশনকে উদয়নের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে চিঠি দিয়েছিলেন নিশীথ প্রামাণিক। তিনি (Lok Sabha Elections 2024) লিখেছিলেন, “আপনারা জানেন উদয়ন গুহই যাবতীয় অশান্তি পাকিয়ে থাকেন। আদর্শ আচরণ বিধি চালু থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া মিছিলে আমায় দু’বার আক্রমণ করেছেন।” একুশের বিধানসভা নির্বাচনে অশান্তির প্রসঙ্গও তোলেন বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “নির্বাচনোত্তর হিংসা নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে উদয়ন গুহর নাম ছিল। তাঁর ঘৃণাভাষণের জেরে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হিংসায় উদ্বুদ্ধ করছেন উদয়ন গুহ।” আরও লিখেছেন, “উনি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের মধ্যে ঘৃণা ভাষণের জন্য খ্যাত।” নিশীথ জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের সময় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়নের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা মুশকিল।

    আরও পড়ুুন: সনাতন ধর্মের যজ্ঞের আগুনেই জন্ম গণিত-বিজ্ঞান-কলাশাস্ত্রের বহু সূত্রের!

    উদয়নের ‘উত্তরণ’

    এক সময় ফরওয়ার্ড ব্লক করতেন উদয়ন। তাঁর বাবা কমল গুহ বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলেন। কমল প্রয়াত হওয়ার পর রাজ্যে পালাবদলের পর ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে নাম লেখান উদয়ন। বাম আমলে উদয়নের দল যাঁদের ওপর অত্যাচার করত, তাঁরা কখনওই চাননি উদয়ন তৃণমূলে যোগ দিন। তবে দলনেত্রী উদয়নকে তৃণমূলে নেওয়ায় ছুঁচো গিলতে বাধ্য হন হার্ডকোর তৃণমূল নেতারা। তার প্রমাণ মিলেছিল একুশের বিধানসভা নির্বাচনে। দিনহাটা কেন্দ্রে বিজেপির নিশীথ প্রামাণিকের কাছে গোহারা হেরে যান উদয়ন। সাংসদ পদ ছেড়ে বিধায়ক হতে না চাওয়ায় বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন নিশীথ। তার পরেই হয় উপনির্বাচন। এবার উদয়ন জেতেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯ ভোটে। সেই সময় বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, উপনির্বাচনে বাম কায়দায় ভোট করিয়ে জয়ের মার্জিন দেড় লাখেরও বেশি করে ফেলেছেন একুশের নির্বাচনে ‘হেরো’ উদয়ন (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: স্কুলে খয়রাতির খাতায় মমতার ছবি, কমিশনে নালিশ ঠুকল বিজেপি

    Lok Sabha Elections 2024: স্কুলে খয়রাতির খাতায় মমতার ছবি, কমিশনে নালিশ ঠুকল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির ‘স্বাস্থ্য ও শরীর শিক্ষা’ বই পায়নি বহু স্কুলের পড়ুয়া। অথচ নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) ঘনিয়ে আসতেই বিলি করা হচ্ছে খাতা। খয়রাতির এই খাতায় তুলে ধরা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিজ্ঞাপন। অন্তত এমনই অভিযোগ বিজেপির।

    খয়রাতির খাতার মলাটে মমতার ছবি (Lok Sabha Elections 2024)

    পদ্ম-পার্টির অভিযোগ, সম্প্রতি শিক্ষা দফতরের তরফে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে বিলি করা হয়েছে খাতা। অভিযোগ, খয়রাতির সেই খাতার মলাটেই ব্যবহার করা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। তৃণমূল পরিচালিত সরকারের বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণ বিধিভঙ্গের অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি। বুধবার রাজ্যের (Lok Sabha Elections 2024) মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে এ ব্যাপারে নালিশ ঠুকেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনের আগে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের প্রভাবিত করতেই খাতায় ব্যবহার করা হয়েছে তৃণমূল নেত্রীর ছবি।

    বিকল্প মার্গ দর্শন বিজেপির

    অভিযোগের সত্যতা প্রমাণে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে লেখা ওই চিঠির সঙ্গে খয়রাতির সেই খাতার ছবিও পাঠিয়েছেন বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া। নির্বাচন কমিশন যাতে বিষয়টিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে, সেই অনুরোধও করা হয়েছে। খাতার মলাটে স্বামী বিবেকানন্দ ও বিদ্যাসাগরের মতো মনীষীদের ছবি ব্যবহারের বিকল্প মার্গ দর্শনও করা হয়েছে চিঠিতে। চিঠিটির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষক ও বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের কাছেও।

    এ বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লিখেছেন, “শিক্ষা দফতর হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে উঠেছে ও পড়ুয়াদের নোটবুক বিলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও আদর্শ নির্বাচনী বিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী একজন জনপ্রতিনিধি। তাই তাঁর ছবি সম্বলিত নোটবুক বিলির বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে পড়ে যেতে পারে। নির্বাচন কমিশনের মনে হতে পারে, অভিভাবকদের প্রভাবিত করতেই নোটবুক বিলি করা হচ্ছে। শিক্ষা দফতরের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে ফেলা এবং স্বামী বিবেকানন্দ ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ছবি ছাপিয়ে নোটবুক বিলি করা। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে অসাংবিধানিক ভাষা প্রয়োগ করার অভিযোগও উঠেছিল মমতার বিরুদ্ধে। সেই প্রেক্ষিতেও কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি (Lok Sabha Elections 2024)।

    আরও পড়ুুন: ৭৫২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করায় সায়, ন্যাশলান হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট লুটেরারা হুঁশিয়ার!!! বাংলার সব বুথেই ওয়েব কাস্টিং, এআই প্রযুক্তি

    Lok Sabha Election 2024: ভোট লুটেরারা হুঁশিয়ার!!! বাংলার সব বুথেই ওয়েব কাস্টিং, এআই প্রযুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট লুটেরারা সাবধান! হুঁশিয়ার দুষ্কৃতীরা! বঙ্গে ভোট লুট রুখতে এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে রাজ্যের সব বুথেই ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে এ খবর। কেবল তাই নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হবে। রাজনীতির কারবারিদের মতে, প্রতিটি নির্বাচনে প্রায় নিয়ম করে বাংলায় যে অশান্তি এবং ভোট লুট হয়, তা রুখতেই এ রাজ্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

    ওয়েব কাস্টিংয়ে জোর (Lok Sabha Election 2024)

    লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সময়ই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানিয়েছিলেন, এ বারের ভোটে কোনও ধরনের অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। বেশি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং ওয়েব কাস্টিংয়ের ওপর যে এবার জোর দেওয়া হবে, তারও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৫০.৩১ শতাংশ বুথে ওয়েব (Lok Sabha Election 2024) কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এবার সেটাই বাড়িয়ে একশো শতাংশ করা হল। এ রাজ্যে বুথ রয়েছে ৮০ হাজার ৫৩০টি। সবক’টিতেই হবে ওয়েব কাস্টিং। বাংলার পাশাপাশি পাঞ্জাবের সব বুথেও ওয়েব কাস্টিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যেসব জায়গায় ইন্টারনেটের সমস্যা হবে, সেই সব জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে বলেও খবর কমিশন সূত্রে।

    ওয়েব কাস্টিং কী?

    প্রশ্ন হল, ওয়েব কাস্টিং কী? ওয়েব কাস্টিং বলতে বোঝায় লাইভ স্ট্রিমিং। এর সাহায্যে কোন বুথে কী হচ্ছে, অনলাইনের মাধ্যমে তাতে নজরদারি চালাতে পারে কমিশন। কোনও বুথে অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটলে, কমিশনের অফিসে বসেই তা দেখতে পাবেন আধিকারিকরা। সেই মতো দ্রুত নেওয়া যাবে ব্যবস্থা। ওয়েব কাস্টিং পদ্ধতিতে বিভিন্ন দিক থেকে কোনও একটি বুথের ভোট-ছবি ক্যামেরাবন্দি করা যাবে। সেই সব লাইভ ফিড সংরক্ষণও করা হবে। অল্প আলোয়ও ছবি তোলার ক্ষমতা রয়েছে, ব্যবহার করা হবে এমন ক্যামেরাই।

    আরও পড়ুুন: “নিজেদের আখের গুছোতে ভোটে লড়ছে কংগ্রেস-ইন্ডি”, রাজস্থানে তোপ মোদির

    বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট, বোমাবাজি, খুন-জখম পশ্চিমবাংলার প্রায় প্রতিটি নির্বাচনের পরিচিত ছবি। অভিযোগ, বাম জমানায় এই দৃশ্য দেখা গেলেও, ছবিটা একটুও বদলায়নি তৃণমূলের আমলেও। এই ছবিটাই হয়তো এবার বদলাবে ওয়েব কাস্টিং এবং এআই প্রযুক্তির দৌলতে (Lok Sabha Election 2024)।

    অতএব, ‘সাধু’ সাবধান!   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Case: এসএসসিতে অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন প্রসন্ন!

    SSC Recruitment Case: এসএসসিতে অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন প্রসন্ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Recruitment Case) গ্রেফতার হয়েছেন প্রসন্ন রায়। তিনি একাই ১০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে। শিক্ষা দফতরের আধিকারিক ও অযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজটি করতেন তিনিই। এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় মঙ্গলবার আদালতে এমনই দাবি করল ইডি। প্রসন্ন ও তাঁর পরিচিতদের ৯০টি সংস্থা রয়েছে বলেও দাবি ইডির।

    গ্রেফতার প্রসন্ন

    এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হয় প্রসন্নকে। এর আগে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। মুক্তি পেয়েছিলেন জামিনে। এদিন রাতে ফের হলেন গ্রেফতার। এবার অবশ্য ইডির হাতে। মঙ্গলবার তাঁকে তোলা হয় নগর দায়রা আদালতে। সেখানেই ইডির দাবি, প্রসন্ন শিক্ষা দফতরের আধিকারিক ও অযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করতেন। অযোগ্য প্রার্থীদের (SSC Recruitment Case) কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভুয়ো নিয়োগপত্র দিতেন। ওএমআর শিটে কারচুপিও করতেন বলে দাবি ইডির।

    ওএমআর শিটে কারচুপি

    আদালতে ইডি জানিয়েছে, কেলেঙ্কারি থেকে ১০০ কোটি টাকা তুলেছেন প্রসন্ন। মোট ২ হাজার ৮১জনকে অবৈধভাবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে নবম-দশমের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল ১ হাজার ১৩৫জনকে। আর একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল ৯৪৬জনকে। অনেক চাকরিপ্রার্থীর ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছে। ইডি আরও জেনেছে, প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল ১৮৩জনকে। ইডির দাবি, এই অবৈধ নিয়োগের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন প্রসন্ন। তাঁর অফিস থেকে ৩৯০টি দলিল উদ্ধার করা হয়েছে। ২০১৬-২০২১ সালের মধ্যে প্রচুর টাকার সম্পত্তি কিনেছেন প্রসন্নর পরিবার। তাঁর সংস্থার নামেও কেনা হয়েছে সম্পত্তি। কারচুপি করা হয়েছে সম্পত্তির দামেও। ইডি জানিয়েছে, প্রসন্নর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে ২০০টি। সেগুলিতেও জমা করা হয়েছে প্রচুর নগদ টাকা।

    আরও পড়ুুন: ৩৬ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের জন্য, ভার্চুয়াল শিলান্যাস করলেন মোদি

    প্রসন্নর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন প্রধান শান্তিপ্রসাদ সিংহের ঘনিষ্ঠ। তিনি একজন মিডলম্যান। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল তাঁর। দু পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে প্রসন্নকে সাত দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি (SSC Recruitment Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share