Tag: West Bengal Dengue

West Bengal Dengue

  • West Bengal Dengue: পুজোয় ডেঙ্গির চোখরাঙানি, রক্ত ও প্লেটলেটের আকাল রুখতে আগাম প্রস্তুতি রাজ্যের

    West Bengal Dengue: পুজোয় ডেঙ্গির চোখরাঙানি, রক্ত ও প্লেটলেটের আকাল রুখতে আগাম প্রস্তুতি রাজ্যের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাঙালির প্রাণের উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ডেঙ্গির চোখ রাঙানি রয়েছে। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ মারাত্মক। উৎসবের দিনগুলোতে ডেঙ্গি আক্রান্তের হয়রানি বাড়িয়ে দেয়। কর্মী সঙ্কটের জেরে একদিকে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। আরেকদিনে সমস্যা বাড়ায় রক্তের আকাল। পুজোর দিনগুলোতে সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে অনেক সময়েই রক্ত পাওয়া যায় না। বিশেষত ডেঙ্গির চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় প্লেটলেটের মতো উপাদান পাওয়া আরও মুশকিল হয়ে যায়। ফলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। তবে বিগত কয়েক বছরের এই হয়রানির ছবি এবার পাল্টে দেওয়ার জন্য আগাম কয়েকটি পরিকল্পনা নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর‌। নিবিড় যোগাযোগেই এবার ডেঙ্গি ‘অসুর’-কে বধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।

    কেন ডেঙ্গি নিয়ে বাড়তি পরিকল্পনা?

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বিশেষত সাম্প্রতিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, শহরের তুলনায় গ্রামে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। রাজ্যের ১৪টি পঞ্চায়েত এলাকায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে বাড়তি উদ্বিগ্ন প্রশাসন। গোটা রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ন’হাজার ছাড়িয়েছে। মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার জেলায় ক্রমশ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে‌। ফলে, আগামী কয়েক মাস জরুরিভিত্তিতে ডেঙ্গি মোকাবিলার কাজ চলছে।
    তবে গত কয়েক বছরের ডেঙ্গি পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা থেকেই পুজোর মরশুমে বাড়তি পরিকল্পনা নিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন।‌ স্বাস্থ্য ভবনের এক কর্তা জানান, গত কয়েক বছরে দূর্গাপুজোর দিনগুলোতে ডেঙ্গি আক্রান্তদের চিকিৎসা নিয়ে অনেক সময়েই জটিলতা দেখা যেত। অভিযোগ পাওয়া যেত, এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য রোগী ও তাঁর পরিজনদের ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। আবার রক্তের আকাল নিয়েও একাধিক অভিযোগ উঠেছিলো। বিশেষত অষ্টমী, নবমীর পুজোর রাতে ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের অভাব এবং তার জন্য রোগীর পরিবারের ভোগান্তির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এবার তাই আগাম প্রস্তুতি।
    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মৃত্যু মিছিল যাতে শুরু না হয়, সে নিয়ে প্রশাসন যথেষ্ট তৎপর। প্রথম থেকেই রোগ চিহ্নিত করার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। উৎসবের দিনগুলোতে যাতে বাড়তি বিপদ তৈরি না হয় তাই আগাম প্রস্তুতি। ডেঙ্গি আক্রান্তের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় রক্তের যাতে সঙ্কট না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

    ডেঙ্গি রোগীর হয়রানি রুখতে কোন পরিকল্পনা রাজ্যের?

    উৎসবের মরশুমে নিবিড় যোগাযোগেই এবার ডেঙ্গি ‘অসুর’-কে কাবু করতে চায় স্বাস্থ্য প্রশাসন।

    কলকাতার সঙ্গে জেলার হাসপাতালের যোগাযোগ!

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত হাসপাতাল বিশেষত জেলার হাসপাতালগুলোর সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি জটিল হলে অনেক সময়েই রোগীকে অন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়। সেক্ষেত্রেও যাতে রোগীর কোনো অসুবিধা না হয়, সেই জন্য হাসপাতালগুলো নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখবে‌‌। চিকিৎসার জন্য এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ঘুরে বেড়ানোর হয়রানি কমবে।

    হাসপাতালের নিজেদের মধ্যে আগাম পরিকল্পনা!

    দূর্গা পুজোর সময়ে অনেক স্বাস্থ্য কর্মী এবং চিকিৎসক ছুটিতে থাকেন। তাই আগাম বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ কোন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মী দায়িত্বে থাকবেন, সে সম্পর্কে আগেই পরিকল্পনা করা হবে। নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি হবে। যাতে রোগীর কোনো সমস্যা না হয়‌। নিজেদের মধ্যে উৎসবের দিনগুলোর দায়িত্ব ভাগ নিয়ে আগেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করতে হবে।

    স্বাস্থ্য ভবনের জরুরি নম্বরের সাহায্য!

    উৎসবের দিনগুলোতেও ডেঙ্গি রোগীর হয়রানি কমাতে স্বাস্থ্য ভবন চব্বিশ ঘণ্টা খোলা থাকবে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ভবনের জরুরি নম্বর দেওয়া থাকবে। তাঁদের সঙ্গে রোগীর পরিবার ও সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় সাহায্য পাবেন।

    কোথায় কী প্রয়োজন তার আগাম তালিকা তৈরি!

    ডেঙ্গি প্রবণ এলাকা মোটামুটি সনাক্ত করা গিয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহের রিপোর্ট থেকেই আন্দাজ করা গিয়েছে, রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। সেই‌মতো সেই সমস্ত এলাকার হাসপাতালেও বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সেখানে প্রয়োজনীয় রক্ত রয়েছে কিনা, সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গির চিকিৎসায় যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেটাও দেখা হচ্ছে।

    কেন রক্ত নিয়ে বাড়তি পরিকল্পনা?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি চিকিৎসায় অত‌্যন্ত প্রয়োজনীয় হলো প্লেটলেট। অর্থাৎ রক্ত হলেই চলবে না। রক্তের উপাদান ভাগ করে রাখতে হবে। লোহিত কণিকা, শ্বেত কণিকা এবং প্লেটলেট, এই তিনটে উপাদানে রক্তকে ভাগ করে সংরক্ষণ করা হয়। রক্তের একটি নির্দিষ্ট উপাদান প্লেটলেট। এটাই ডেঙ্গির চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কিন্তু গত কয়েক বছরে দেখা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর সময়ে রাজ্য জুড়ে রক্তের আকাল দেখা যায়। বিশেষত উপাদান ভাগ করা রক্তের আরও বেশি আকাল হয়। গত কয়েক বছরে এই সময়ে রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির দাপট থাকে। তাই প্লেটলেটের চাহিদাও হয় মারাত্মক। তবে, সেই মতো ব্লাড ব্যাঙ্কে প্লেটলেট পাওয়া যায় না। সময় মতো রক্তের জোগান দিতে না পারার জেরে, বড় বিপদ ও ঘটে যায়। তাই রক্ত বিশেষত উপাদান ভাগ করা রক্তের জোগানের দিকে বাড়তি নজরদারি।

    কীভাবে রক্তের চাহিদা পূরণের পরিকল্পনা হয়েছে?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন ব্লাড ব্যাঙ্কে কতখানি রক্ত মজুত রয়েছে, সেই নিয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। নিয়মিত চাহিদা কোথায়, কতখানি সেটাও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যাতে চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জোগান বজায় রাখ যায়। তাছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের উপাদান বা কম্পোনেন্ট ভাগ করার পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। যাতে প্লেটলেটের চাহিদা পূরণ হয়।
    পাশপাশি বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে এমন বিশেষ কিছু আধুনিক যন্ত্র রাখা হয়েছে, যাতে রক্তদাতার থেকে রক্ত সংগ্রহ করে দ্রুত রক্তের উপাদান বিভাজন করে, প্লেটলেট আলাদা করা যায়‌। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতেও প্লেটলেটের সমস্যা হবে না।
    তাছাড়া, ব্লাড ব্যাঙ্কগুলোর নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে, কোথায় ঘাটতি আছে সেটা যেমন স্পষ্ট হবে, তেমন রোগীর পরিজনদের ও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া যাবে। এতে হয়রানি ও সময়ের অপচয় কমবে। চিকিৎসাও দ্রুত করা যাবে।

  • West Bengal Dengue: পুজোর আনন্দে ডেঙ্গির থাবা! ৪ দিনে ১৩০০ আক্রান্ত, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জারি হলুদ সতর্কতা

    West Bengal Dengue: পুজোর আনন্দে ডেঙ্গির থাবা! ৪ দিনে ১৩০০ আক্রান্ত, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জারি হলুদ সতর্কতা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হাতে আর মাত্র কয়েক দিন। আর তারপরেই বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব শুরু! কিন্তু দুর্গাপুজোর মুখে ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। উৎসবমুখর পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গির আতঙ্ক কিছুতেই কমছে না। বরং পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে‌। রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাজ চলছে। তবে উৎসবের মরশুমেও সাধারণ মানুষকে সচেতন এবং সতর্ক থাকতে হবে। তবেই বড় বিপদ আটকানো যাবে‌।

    কেন উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য প্রশাসন?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথমে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজারের কাছাকাছি। গত চার দিনে নতুন করে ১৩০০ মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গি সংক্রমণ বেড়েছিল। প্রশাসনের শীর্ষ মহলে সে নিয়ে বৈঠক হয়েছিল। সেখানে আগাম সতর্কতা ছিল, আগামী কয়েক সপ্তাহ বিপদ বাড়তে পারে। কার্যত সেই আশঙ্কাই সত্যি হচ্ছে।

    কোন কোন জেলায় বাড়তি উদ্বেগ?

    স্বাস্থ্য ভবন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গি আক্রান্তের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে মুর্শিদাবাদ। গত কয়েক দিনে এই জেলা থেকেই সবচেয়ে বেশি নতুন করে ডেঙ্গি সংক্রমণের তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তারপরেই রয়েছে কলকাতা। চলতি বছরে এখনো পর্যন্ত কলকাতায় ২৮০০-র বেশি মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরে তালিকায় রয়েছে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া। এই জেলাগুলোতেও ডেঙ্গি উদ্বেগজনক হারে ক্রমশ বাড়ছে।

    কেন ডেঙ্গির পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী?

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষার পরেই ডেঙ্গির প্রকোপ সবচেয়ে বেশি হয়। বর্ষা কমার পরেই জমা জলে মশা সহজেই বংশবিস্তার করে। তার জেরেই মশাবাহিত রোগের দাপট ক্রমশ বাড়ে।
    প্রত্যেক বছর সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসে দেশ জুড়ে ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা যায়। তবে পশ্চিমবঙ্গে এ বছর গত বছরের তুলনায় ডেঙ্গির প্রকোপ কম। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছর এই সময়ে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। চলতি বছরে আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজারের কাছাকাছি। যদিও স্বাস্থ্য দফতর রোগ নিয়ন্ত্রণে কোনও ফাঁক রাখতে চাইছেন না।
    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ার অন্যতম কারণ আবহাওয়া। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ষা কমার পরেই বাড়ির আশপাশের জায়গা, ছাদ কিংবা বাগানের টবে জল জমে থাকে। ফলে পরিষ্কার জমা জলে সহজেই ডেঙ্গির ভাইরাস বহনকারী মশা জন্মায়। তাই ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ে।

    ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কেন হলুদ সতর্কতা?

    স্বাস্থ্য কর্তারা জানাচ্ছেন, রাজ্যে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ডেঙ্গির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শীতে ডেঙ্গির প্রকোপ কমে। কিন্তু তারপরেও ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। কারণ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গি নিধনের সবচেয়ে ভালো সময় শীতকাল। এলাকা পরিষ্কার, জমা জল যাতে না থাকে, তার পাকাপাকি বন্দোবস্ত করা, লাগাতার সচেতনতা কর্মসূচি চালানো, জারি থাকলে আগামী বছরে বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গির প্রকোপ কমবে। তাই ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সমান ভাবেই ডেঙ্গির প্রকোপ আটকানোর কাজ চলবে। যাতে প্রশাসনিক সক্রিয়তায় কোনও ত্রুটি না থাকে, তাই হলুদ সতর্কতা জারি থাকছে।
    পাশপাশি, গত কয়েক বছরের সংক্রমণের প্রবণতা বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শীতেও এই রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণ জারি থাকে। কলকাতা ও তার আশপাশের জেলাগুলোতে ডেঙ্গি আক্রান্তের তথ্য পাওয়া যায়। তাই শীতেও যাতে ডেঙ্গি শক্তি বাড়াতে না পারে, তাই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে।

    পুজোয় ডেঙ্গির দাপট রুখতে কী বার্তা?

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দুর্গাপুজোর সময় ডেঙ্গির বিপদ রুখতে জনসচেতনতা জরুরি।‌ ডেঙ্গি রুখতে এলাকা পরিষ্কারে বাড়তি নজর জরুরি। বিশেষত নিজের বাড়ির ছাদ, বাগান কিংবা নর্দমায় যাতে জল না জমে থাকে, সেদিকে নজর রাখতে হবে।
    ডেঙ্গি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সব সময় সহযোগিতা করতে হবে। কারণ, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে ডেঙ্গি সংক্রান্ত স্পষ্ট তথ্য না থাকলে ডেঙ্গি আটকানো মু্শকিল। তাই এলাকার কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে সেই তথ্য স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর পাশপাশি কোনও জায়গায় জল জমে থাকলে, অপরিচ্ছন্ন থাকলেও প্রশাসনকে জানাতে হবে।
    জ্বর হলেই খেয়ালখুশি মতো ওষুধ খাওয়া নয়। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জ্বর হলেই নিয়মিত সেটা পর্যবেক্ষণ করা দরকার। জ্বরের সঙ্গে বমি, গায়ে লাল দাগ বা তীব্র মাথা যন্ত্রণার মতো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি। রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা করাতে হবে। কারণ, তাহলেই সংক্রমণ ঠেকানো সহজ হবে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অযথা আতঙ্ক নয়। তবে উৎসবের দিনগুলোতে আনন্দ করার পাশপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতাকে কখনোই অবহেলা করা যাবে না।

  • West Bengal Dengue: পুজোর মুখে ‘অসুর’ ডেঙ্গি! রাজ্যে আগামী এক মাস হাই রিস্ক, বাড়তি সতর্ক প্রশাসন

    West Bengal Dengue: পুজোর মুখে ‘অসুর’ ডেঙ্গি! রাজ্যে আগামী এক মাস হাই রিস্ক, বাড়তি সতর্ক প্রশাসন

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আর মাত্র কয়েক দিন! তারপরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। কিন্তু উৎসবের এই মরশুমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। গত কয়েক সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। তাই ডেঙ্গির দাপট কমাতে একাধিক দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। দুর্গাপুজোর সময় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যাতে কম হয়, সে জন্য নেওয়া হচ্ছে বিশেষ পরিকল্পনা।

    আগামী এক মাস ‘হাই রিস্ক পিরিয়ড’

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গির পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। আগামী এক মাসকে ডেঙ্গির জন্য ‘হাই রিস্ক পিরিয়ড’ হিসেবে দেখছে স্বাস্থ্য প্রশাসন। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, সেপ্টেম্বরের শেষ দুই সপ্তাহে রাজ্যে নতুন করে প্রায় আড়াই হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

    উত্তরবঙ্গের তুলনায় দক্ষিণবঙ্গে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। গত ১৫ দিনে সেখানেই সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গি আক্রান্তের খবর মিলেছে। এরপরেই রয়েছে নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং কলকাতা। এই জেলাগুলিতেও ডেঙ্গি সংক্রমণ যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর।

    প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন দেড়শোর বেশি

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সেপ্টেম্বরের শুরুতেই রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। বর্ষার জেরে এই সময় মশাবাহিত রোগের প্রকোপ সাধারণত বাড়ে। সেই আশঙ্কাই এখন বাস্তবে দেখা যাচ্ছে। রাজ্যের একাধিক জেলায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে।

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে প্রতিদিন গড়ে দেড়শোর বেশি মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে রাজ্যে মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ছাড়িয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে কয়েকশো ডেঙ্গি রোগী চিকিৎসাধীন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তৎপরতা আরও বাড়ানো হয়েছে।

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় মুখ্যসচিবের বৈঠক

    ডেঙ্গি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্প্রতি বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। বৈঠকে বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভার শীর্ষকর্তাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্য দফতরের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক এবং বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক শীর্ষকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। ডেঙ্গি প্রবণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করে সেখানে মশা নিধনে বাড়তি প্রশাসনিক সক্রিয়তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী এক মাসকে ‘হাই রিস্ক পিরিয়ড’ ধরে প্রশাসনের সব স্তরকে সক্রিয় থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    পুজোর আগে জমা জলে বাড়তি নজর

    নিম্নচাপ এবং লাগাতার বৃষ্টির জেরে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জমা জলের সমস্যা তৈরি হয়েছে। একাধিক জেলায় জমা জলের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের একাংশের মতে, জমা জল মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।

    তাই পুজোর মরশুমে ডেঙ্গির দাপট নিয়ন্ত্রণে জমা জলের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের শীর্ষ মহল থেকে স্থানীয় প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোথায় কোথায় জল জমছে, তার সঠিক তথ্য রাখতে হবে। সেই অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    পঞ্চায়েত ও পুরসভাকে বাড়তি সক্রিয়তার নির্দেশ

    নবান্নে সম্প্রতি প্রশাসনের শীর্ষ মহলের বৈঠকে মুখ্যসচিব পঞ্চায়েত এবং পুরসভার কর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পুরসভা ও পঞ্চায়েত এলাকার কোথায় জল জমেছে, সে সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত মশার লার্ভা নষ্ট করার কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    নর্দমা পরিষ্কারের পাশাপাশি নিয়মিত মশানিধন স্প্রে, রাসায়নিক তরল ও পাউডার রাস্তা এবং নর্দমার পাশে প্রয়োগ করার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। এলাকাভিত্তিক এই কাজগুলি ঠিকমতো হচ্ছে কি না, তার উপরেও নজরদারি করতে বলা হয়েছে। এজন্য প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জমা জলের ‘আতুরঘর’ ভাঙাই বড় চ্যালেঞ্জ

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, জমা জলের সমস্যা কমাতে পারলে রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা তুলনামূলক সহজ হবে। কারণ, জমা জলেই মশার সহজে বংশবিস্তার হয়। তাই মশার ‘আতুরঘর’ চিহ্নিত করে তা নষ্ট করাই এখন অন্যতম বড় লক্ষ্য। তবে বর্ষার মরশুম শেষ হয়ে গেলেই ডেঙ্গির প্রকোপ কমবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

    গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসেও ডেঙ্গির প্রকোপ মারাত্মক আকার নিয়েছে। তাই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রুখতে আগাম সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    স্কুলগুলিতেও বাড়তি নজর

    প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্য দফতরের পাশাপাশি পুর ও পঞ্চায়েত দফতরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে কাজ চলছে। শিক্ষা দফতরের সঙ্গেও সমন্বয় করে ডেঙ্গি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

    কারণ, ডেঙ্গির প্রকোপে শিশুদের ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা থাকে। স্কুল থেকেও শিশুদের মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই পুজোর আগে স্কুলগুলিতে মশার দাপট কমানোর দিকেও বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, উৎসবের মরশুমে ডেঙ্গির প্রকোপ যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখা।

  • West Bengal Dengue: জ্বর কমলেই সাবধান! ডেঙ্গির ‘বিপজ্জনক সময়’ কখন, কী কী লক্ষণে সতর্ক হবেন? জানুন

    West Bengal Dengue: জ্বর কমলেই সাবধান! ডেঙ্গির ‘বিপজ্জনক সময়’ কখন, কী কী লক্ষণে সতর্ক হবেন? জানুন

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    অগাস্ট মাসেই বিপদের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিলো। সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এলাকার অবস্থা বিশ্লেষণ করে, রোগ মোকাবিলা করতে না পারলে, বিপদ আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির দাপট অব্যাহত। বিশেষত কয়েকটি জেলায় ডেঙ্গি সংক্রমণের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তাই স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বাড়তি সক্রিয়তা নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত বুলেটিন প্রকাশ করে রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যবাসীকে ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রস্তুত করাও হচ্ছে।

    কোথায় বাড়তি বিপদ?

    স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১২ দিনে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। যা যথেষ্ট উদ্বেগের বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্তারা।
    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ, কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং নদিয়া জেলায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। পাশপাশি মালদা, হাওড়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলাতেও ডেঙ্গি ক্রমশ বাড়ছে।
    স্বাস্থ্য কর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গি আক্রান্ত জেলা হল মুর্শিদাবাদ। এই জেলায় গত বারো দিনে এক হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। মুর্শিদাবাদের পরেই ডেঙ্গিপ্রবণ এলাকা হিসাবে রাজ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। কলকাতায় সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় ৬০০ মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনা। এই জেলায় চলতি মাসে প্রায় ৫৫০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নদিয়া। এই জেলাতেও ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। সেপ্টেম্বর মাসে নদিয়া জেলায় ৪৫০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন।
    বিপদ বাড়ছে মালদা, হাওড়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলাতেও। স্বাস্থ্য ভবনের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়েই এই চার জেলাতেও আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। যার জেরে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য প্রশাসন।

    পরিস্থিতি কখন বাড়তি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে?

    ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে রাজ্য জুড়ে বিপদ আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।
    তাঁরা জানাচ্ছেন, জ্বর কমার পরেই ডেঙ্গি বাড়তি বিপদ তৈরি করে। ডেঙ্গি শক সিন্ড্রোম সবচেয়ে বেশি গুরুতর হয়ে যায় ডেঙ্গি আক্রান্তের শরীরের তাপ স্বাভাবিক হওয়ার পরে। তাই ডেঙ্গি নিয়ে বাড়তি নজরদারি না রাখলেই, মৃত্যুর আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, যে সব এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বেশি হচ্ছে, সেখানে জনসচেতনতা আরও বেশি জরুরি। মশাবাহিত রোগ রুখতে সমস্ত রকমের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। আশপাশ পরিষ্কার রাখা যেমন জরুরি, তেমনি সামান্য জ্বর হলেও দ্রুত বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা করিয়ে, রোগ নির্ণয় প্রয়োজন।
    দ্বিতীয় বার ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে তাঁর বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রথমের তুলনায় দ্বিতীয় বার আক্রান্ত হলে ডেঙ্গি বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। তাই যাদের একবার ডেঙ্গি সংক্রমণ হয়েছে, এই মরশুমে, তাদের বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন জরুরি। সংক্রমণ হলে, জ্বর কমলে তারপরে পেটে ব্যথা করছে কিনা, মল-মূত্র ত্যাগ স্বাভাবিক হচ্ছে কিনা, বমি পাচ্ছে কিনা, এই দিনগুলোতে নজর দেওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি একাধিক অঙ্গের ক্ষতি করে। এই উপসর্গগুলো জানান দেয়, শরীরে ডেঙ্গি কতখানি প্রভাব ফেলেছে। আগাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, প্রাণ সংশয়ও তৈরি হতে পারে।

    কীভাবে এই পরিস্থিতি সামলাবেন?

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, ডেঙ্গি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রথমেই সচেতনতা জরুরি। মশার বংশবিস্তার আটকাতে পারলে, তবেই ডেঙ্গির প্রকোপ কমবে। তাই জমা জল পরিষ্কার করতেই হবে। চৌবাচ্চায় জল জমিয়ে রাখা যাবে না। বাড়ির ছাদ এবং বাগানে আবর্জনা রাখা চলবে না। টবে জল জমেছে কিনা সেটা দেখতে হবে। নিয়মিত বাড়ির আশপাশের এলাকা পরিষ্কারে নজর দিতে হবে। এর পাশপাশি এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়লে, প্রশাসনকে সবরকম সাহায্য করতে হবে। তথ্য জানাতে হবে। যাতে প্রশাসনের কাজে সুবিধা হয়।
    তবে একাধিকবার ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। যাতে পরিস্থিতি কখনওই বিপজ্জনক হয়ে না‌ ওঠে। সেদিকে নজর দিতে হবে। শিশুদের জন্য বাড়তি সচেতনতা জরুরি। কারণ স্কুল থেকে অধিকাংশ সময়ে শিশুরা ডেঙ্গি আক্রান্ত হচ্ছে। তাই স্কুল কর্তৃপক্ষকেও ডেঙ্গি নিয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে।

  • Kolkata Dengue Malaria: রাজ্যে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার জোড়া হানা! কলকাতা-সহ ৬ জেলায় বাড়ছে উদ্বেগ, বড় পদক্ষেপের পথে সরকার

    Kolkata Dengue Malaria: রাজ্যে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার জোড়া হানা! কলকাতা-সহ ৬ জেলায় বাড়ছে উদ্বেগ, বড় পদক্ষেপের পথে সরকার

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ফের চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি! তবে একা ডেঙ্গি নয়! কলকাতা ও তার আশপাশের জেলায় মশাবাহিত জোড়া রোগ, ডেঙ্গি এবং ম্যালেরিয়ায় আক্রমণে প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়ছে। তাই বাড়তি সক্রিয়তার পথে হাঁটছে প্রশাসন। আজ, মঙ্গলবার, প্রশাসনের শীর্ষ মহলের জরুরি বৈঠক হতে চলেছে! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে পরামর্শ করে এবার ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া রুখতে কয়েকটি বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে স্বাস্থ্য দফতর।

    কেন প্রশাসনের উদ্বেগ?

    বছরের এই মরশুমে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসেই রাজ্যে ভেক্টর বোর্ন ডিজিজের প্রকোপ বাড়ে। অর্থাৎ, বিভিন্ন পতঙ্গ বাহিত রোগের দাপট বাড়ে। বিশেষত মশাবাহিত রোগের প্রকোপে জেরবার হয় বঙ্গবাসী। চলতি বছরেও তার ব্যতিক্রম নয়। অগাস্টের শেষ সপ্তাহে স্বাস্থ্য ভবনের রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, কলকাতা, হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদের মতো জেলায় ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ম্যালেরিয়া। তাই সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই প্রশাসন কড়া হাতে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া মোকাবিলার প্রক্রিয়া শুরু করতে চায়। অক্টোবর মাসে ডেঙ্গির দাপট সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। প্রশাসনের একাংশ জানাচ্ছেন, মশাবাহিত রোগের প্রকোপ কমাতে তাই সবরকম প্রশাসনিক পরিকল্পনা জরুরি। সেটা আগাম না করলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতে পারে। তাই ডেঙ্গি রুখতে বিশেষ বৈঠক হবে।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, অগাস্ট মাসে রাজ্যে নতুন করে ১০০০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা গিয়েছে কলকাতা, হাওড়া, মুর্শিদাবাদ এবং দুই চব্বিশ পরগনায়। ইতিমধ্যে ৭ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু তালিকায় রয়েছে ১১ বছরের স্কুল পড়ুয়া থেকে প্রৌঢ়! আর এই মৃত্যু মিছিল রুখতেই প্রশাসনের বাড়তি সক্রিয়তা। ডেঙ্গির পাশপাশি কলকাতার কসবা, যাদবপুর, শোভাবাজার, গিরিশ পার্ক, কলেজ স্ট্রিট সহ একাধিক এলাকায় ম্যালেরিয়ার দাপট উদ্বেগজনক। আবার হাওড়াতেও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য ভবনের এক কর্তা জানান, কলকাতায় একসঙ্গে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত একাধিক কেস পাওয়া যাচ্ছে। এক ব্যক্তি একসঙ্গে এই দুই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হলে অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হয়ে যায়। তখন পরিস্থিতি মোকাবিলা কঠিন হয়ে যায়।

    ডেঙ্গি রুখতে কী নয়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে সরকার?

    ডেঙ্গি রিভিউ মিটিংয়ে সমন্বয়ে জোর দেওয়া হতে পারে!

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের সঙ্গে ডেঙ্গি নিয়ে রিভিউ মিটিং করবেন। বিশেষত কলকাতা এবং হাওড়া পুরসভার এলাকাগুলো নিয়ে বাড়তি জোর দেওয়া হবে। কারণ এই দুই এলাকাতেই গত এক মাসে ডেঙ্গি এবং ম্যালেরিয়ায় জোড়া দাপট বেশি দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য কর্তাদের পাশপাশি বৈঠকে অন্যান্য বিভাগের কর্তারাও উপস্থিত থাকবেন। যাতে ডেঙ্গি রুখতে সমস্ত বিভাগের মধ্যে ঠিকঠাক সমন্বয় থাকে। কোনো রকম জটিলতা তৈরি না হয়‌।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনেই পরিকল্পনা!

    চলতি বছরে ডেঙ্গি কতখানি ভয়ানক হতে পারে সে নিয়েও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানাচ্ছেন প্রশাসনের একাংশ। এক কর্তা জানান, ২০২৩ সালে এই দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ডেঙ্গি পরিস্থিতি হয়েছিল। চলতি বছরে এই মশাবাহিত রোগ কতটা দাপট বাড়াতে পারে, সে সম্পর্কে আগাম ধারনা করা জরুরি। তাই এই বৈঠকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও থাকবেন। তাঁরা রোগ ও আক্রান্তের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে প্রশাসনকে রোগের দাপট সম্পর্কে একটা ধারনা দেবেন। তাহলে পরিস্থিতি মোকাবিলার পরিকল্পনা আরও বাস্তবসম্মত হবে।

    বাড়ি-বাড়ি নজরদারিতে বাড়তি গুরুত্ব!

    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া রুখতে বাড়ি বাড়ি নজরদারির উপরে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এলাকার কোথায় জল জমেছে, কোথায় মশাবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দিতে পারে, সে সম্পর্কে সমস্ত তথ্য থাকা জরুরি। তবেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
    এলাকায় ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগে কে কে আক্রান্ত হচ্ছেন, সে সম্পর্কে প্রশাসনের কাছে সম্পূর্ণ তথ্য থাকা প্রয়োজন। সেদিকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাই পুর কর্মীরা নিজেদের এলাকা নিয়মিত পরিদর্শন করবেন এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। যাতে জ্বর হলে তাঁদের কাছে তথ্য থাকে। ডেঙ্গি সংক্রমণের খবর থাকলে, সেই এলাকায় বাড়তি নজর দেওয়া হবে। যাতে রোগ ছড়িয়ে না পড়ে। সংক্রমণ দ্রুত আটকানো সম্ভব হয়।
    স্বাস্থ্য ভবনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, ডেঙ্গি টিকা এলেও চলতি বছরে নানান আইনি জটিলতার জন্য সেই টিকা করণ সম্ভব হচ্ছে না। তাই প্রচলিত পদ্ধতিতেই ডেঙ্গি মোকাবিলা হবে। প্রশাসন সক্রিয় থাকবে। এলাকার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেওয়া হবে আবার জনসচেতনতাতেও বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

  • Dengue: নিপা ভাইরাসের মাঝেই রাজ্যে দাপট ডেঙ্গির! তীব্র শীতেও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    Dengue: নিপা ভাইরাসের মাঝেই রাজ্যে দাপট ডেঙ্গির! তীব্র শীতেও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিপা সংক্রমণ (Nipah Virus) নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।‌ রাজ্যের একাধিক হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মীদের শারীরিক পরীক্ষাও করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে নিপা ভাইরাস আক্রান্ত নার্সের শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।‌ তারমধ্যেই বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে ডেঙ্গি (Dengue)। এমনটাই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, জানুয়ারি মাসে রাজ্য জুড়ে শীতের দাপট অব্যহত ছিল। কিন্তু এই আবহাওয়াতেও ডেঙ্গি তার উপস্থিতি জানান দিয়েছে। মশাবাহিত এই রোগ থেকে রাজ্যবাসীর রেহাই নেই। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

    নতুন বছরে ডেঙ্গি পরিস্থিতি কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ডেঙ্গি সংক্রমণ বেশি হয়েছে। শুধুমাত্র কলকাতাতেই ২০২৪ সালে ১ হাজার ৩১৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত শুধুমাত্র কলকাতাতে ১ হাজার ৭৩৮ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং হাওড়াতেও এক রকম ভাবে ডেঙ্গি সংক্রমণ বেড়েছিলো। নতুন বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালের প্রথম সপ্তাহেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। গোটা রাজ্যে প্রায় শতাধিক মানুষ নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত (West Bengal Dengue Cases) হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে ডেঙ্গি থেকে রেহাই পাওয়ার আশা করা যায়। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি অন্যরকম। জানুয়ারি মাসে রাজ্যে শীতের ঝড়ো ব্যাটিং চললেও ডেঙ্গির দাপট কমেনি। কারণ রাজ্যের একাধিক জায়গায় ঠিকমতো মশানিধন প্রক্রিয়া হয়নি। তাই শীতের মরশুমেও রাজ্যবাসী মশাবাহিত রোগে কাবু হচ্ছেন।

    নিপা ভাইরাসের আবহে কেন ডেঙ্গি বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিপা ভাইরাস সংক্রমণ রাজ্যে নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। নিপা ভাইরাসের আক্রান্তের মৃত্যু হার অনেক বেশি। সুস্থ হলেও আক্রান্তের শরীরে নানান জটিলতা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গি বাড়তি বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি আক্রান্ত নিপা ভাইরাসে সংক্রামিত হলে তাঁর পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। আবার ডেঙ্গি আক্রান্তের শরীরে নিপা ভাইরাস সংক্রামিত হলে, ভাইরাসের প্রকৃতি পরিবর্তনও ঘটতে পারে। সেই পরিবর্তন সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ মহল একেবারেই ওয়াকিবহাল নন। ফলে সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিপা কিংবা ডেঙ্গি, এই দুই সংক্রমণের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। ফলে চিকিৎসা খুবই জটিল। মৃত্যু আটকানোও কঠিন। তাই এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে যাতে সংক্রামক রোগ দাপট বাড়াতে না পারে‌ সেই নিয়ে সব মহলের তৎপরতা প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কী বলছেন স্বাস্থ্য কর্তারা?

    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি মোকাবিলায় জানুয়ারি মাস থেকেই নানান পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন পুরসভার সঙ্গে যৌথভাবে স্বাস্থ্যকর্মীরা নজরদারি করবেন। এলাকায় জল জমছে কিনা, অপরিচ্ছন্ন আছে কিনা সেদিকে নজরদারি চালানো‌ হবে। আবার, নিপা নিয়েও সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার করা হয়েছে, যাতে খেজুর রস না খাওয়া হয়। সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা কিংবা জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। আবার ডেঙ্গি হচ্ছে কিনা সে নিয়েও খোঁজ রাখা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি প্রচার করা হচ্ছে।

    যদিও চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রুখতে বছরভর প্রচার কর্মসূচির কথা ঘোষণা করলেও রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি যে নিয়ন্ত্রণে নেই, তা জানান দিচ্ছে পরিসংখ্যান। তাই ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা অধিকাংশ জেলায় বেড়েছে। নতুন বছরে জানুয়ারি মাসেই আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। শুধু সচেতনতা প্রসার নয়। সংক্রামক রোগ রুখতে প্রশাসনিক সক্রিয়তাও সমানভাবে জরুরি বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

LinkedIn
Share