Tag: West Bengal Health Department

West Bengal Health Department

  • Suvendu Adikari: নিয়োগ থেকে টেন্ডার, স্বাস্থ্য দফতরে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি! নথি হাতে নিয়ে সরব শুভেন্দু

    Suvendu Adikari: নিয়োগ থেকে টেন্ডার, স্বাস্থ্য দফতরে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি! নথি হাতে নিয়ে সরব শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতরের (Swasthya Bhawan) দুর্নীতি নিয়ে ইডি তদন্তের দাবি জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিয়োগ থেকে টেন্ডার, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি নথি হাতে নিয়ে এই দাবি করেন শুভেন্দু। ২০১৬ সাল থেকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল খোলার নামে টেন্ডারে বড়সড় দুর্নীতি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দাবি করেন স্বাস্থ্য দফতরের একাধিক কর্তার নামে প্রচুর বেনামি সম্পত্তি রয়েছে।

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    বৃহস্পতিবার বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারিকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেখানেই তাঁর দাবি, “এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে এই শাসকদলের নেতা মন্ত্রী দুর্নীতি করেননি।” শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনার পর প্যান্ডোরার বাক্স খুলে গিয়েছে। এদিন শুভেন্দু দাবি করেন, এসপি দাশের হাত সন্দীপ ঘোষের মাথায় ছিল। সে কারণেই একসঙ্গে তিনটি চাকরি পেয়েছিলেন। বিরোধী দলনেতা জানান, আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট (নন মেডিকেল) আখতার আলি দীর্ঘদিন এ নিয়ে লড়াই করছেন। 

    টেন্ডার দুর্নীতি

    এদিন স্বাস্থ্যভবনে টেন্ডার দুর্নীতি প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন,  “২০১২ সালের পর থেকে অনেক ভুয়ো কোম্পানি তৈরি করে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটা পবন অরোরা, মেনকা গম্ভীরদের কোম্পানি রয়েছে। যাঁরা ভাইপোর আত্মীয়। মূলত পাঁচটা কোম্পানি সমস্ত টেন্ডারগুলো পেয়েছে। ভুয়ো কোম্পানি তৈরি করে টেন্ডার দুর্নীতি হয়েছে। টেন্ডার পেয়ে যাওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায় কোম্পানিগুলো। ২০১৬ সালে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালতেও টেন্ডার দুর্নীতি হয়েছে। ভাইপোর আত্মীয়ের কোম্পানির নামে এই টেন্ডারগুলো ইস্যু করা হয়েছিল। স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের নামেও প্রচুর বেনামি সম্পত্তি রয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, এই পুরো প্রক্রিয়া প্রথমে দেবাশিস বসু শুরু করেন। পরবর্তী কালে এই কাজ করেছেন মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি এখন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান। মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৩ সালে আট কোটি টাকা দিয়ে পাঞ্জাব থেকে লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুল্যান্স কিনেছেন। মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় মেয়ের নামে নিউটাউনে ফ্ল্যাট কিনেছেন। এসবই কাটমানির টাকা।

    করোনার সময় দুর্নীতি

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “নারায়ণস্বরূপ নিগম ও সঞ্জয় বনসালের নামে প্রচুর বেনামি সম্পতি রয়েছে। বায়োমেডিক্যাল ওয়েস্ট ট্রিটমেন্টের টেন্ডারও জোন ভাগ করে করে বেআইনিভাবে দেওয়া হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে টেন্ডার ছাড়াই এগুলো দেওয়া হয়েছে। করোনার সময়ও পিপিই কিট, এন-৯৫ মাস্ক সহ বিভিন্ন জিনিস নারায়ণ স্বরূপ নিগম, মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় ও সঞ্জয় বনসাল বেআইনিভাবে পবন অরোরার কোম্পানিকে দিয়েছে। এছাড়া তন্তুজের অবসরপ্রাপ্ত ম্যানেজিং ডায়রেক্টর রবীন রায়কে সামনে রেখে আগের মুখ্যসচিব তথা অধূনা রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা তিনি এই সমগ্র দুর্নীতি অর্গানইজ করেছেন। আমাদের কাছে সব নথি রয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের টাকা নয়ছয়

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, স্বাস্থ্যভবনে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি হয়েছে। তা নিয়ে তিনটি এফআইআরও হয়েছে। ইডি যার তদন্ত শুরু করেছে। আখতার আলির পাশাপাশি কৌস্তভ বাগচীও একটি অভিযোগ করেছেন বলে জানান তিনি। অন্যদিকে, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি নিয়েও লেদার কমপ্লেক্স থানায় দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়েছে। কোভিডকালেও বিস্তর দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি শুভেন্দুর। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের টাকা নয়ছয়েরও অভিযোগ তোলেন তিনি। এছাড়া স্বাস্থ্য ভবনে নিয়োগেও এনআরআই কোটায় চরম দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি তাঁর। শাসকদলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীর ছেলের ডাক্তারিতে সুযোগ পাওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: থিসিসে সই পেতে হলে দিতে হবে ‘বাড়তি’ মূল্য! রাজি ছিলেন না নির্যাতিতা, তাই কি ‘শাস্তি’?

    RG Kar: থিসিসে সই পেতে হলে দিতে হবে ‘বাড়তি’ মূল্য! রাজি ছিলেন না নির্যাতিতা, তাই কি ‘শাস্তি’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘটনার পরে কেটে গিয়েছে সাত দিন! কিন্তু একের পর এক প্রশ্ন উঠছেই! আর বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে‌ কলেজ কর্তৃপক্ষ! আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক বার উঠে আসছে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী ছিল, সেই প্রশ্ন! জুনিয়র চিকিৎসক, বিশেষত ইন্টার্ন এবং স্নাতকোত্তর ট্রেনিদের একাংশের অভিযোগ, নানান অবৈধ লেনদেনে অংশ নিতে না চাওয়ার জেরেই এই পরিণতি (Punishment) ঘটতে পারে! বিশেষত, হাউজস্টাফ এবং স্নাতকোত্তর ট্রেনিদের রেজাল্ট এবং সার্টিফিকেট দেওয়া নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে যে ধরনের দুর্নীতি হয়, তা নিয়ে নির্যাতিতা একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁর নানান সময়ে বচসাও হয়েছিল। এমনটাই জানাচ্ছে স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের একাংশ।

    কী অভিযোগ আরজি কর হাসপাতালের স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের? (RG Kar)

    নির্যাতিতার মৃত্যুর পরেই একাধিক অভিযোগ নিয়ে সামনে এসেছে আরজি কর হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ। ওই হাসপাতালের স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমডি কিংবা এমএস কোর্সে থিসিস খুব জরুরি। চিকিৎসক-পড়ুয়া পাশ করবেন‌ কিনা, তার অনেকটাই নির্ভর করে তাঁর থিসিসের ওপরেই। আর এই থিসিস হাসপাতালে করতে হয়। দরকার হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সই।‌ বিভাগীয় প্রধান ও কলেজ কর্তৃপক্ষের সাহায্য ছাড়া এই ধরনের থিসিসের কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয় না। আর এখানেই চলে নানান দুর্নীতি। জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতালের সদ্য প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষ ও হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক কার্যত একটি চক্র চালাতেন। বাড়তি অর্থ দাবি করতেন। সেই অর্থ দিলে তবেই স্নাতকোত্তর পড়ুয়ার থিসিসে সই হবে। শুধু স্নাতকোত্তর পড়ুয়া নয়, হাউজস্টাফ এবং ইন্টার্নদের থেকেও অর্থ দাবি করা হত। দাবি মতো অর্থ না দিলে এমবিবিএস কোর্সের ফাইনাল সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না, এমন হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ উঠছে।

    কেন সমস্যা হয়েছিল?

    জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নির্যাতিতা এই অসাধু লেনদেনে নারাজ ছিলেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলেজের (RG Kar) একাধিক বেআইনি কাজ নিয়ে তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন। পাশপাশি, থিসিসে সই পেতে বাড়তি অর্থ দেওয়ায় তিনি অসম্মত হয়েছিলেন। এই নিয়ে বিভাগীয় প্রধান এবং অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গেও তাঁর মতান্তর হয়েছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষের এই অনৈতিক লেনদেন তিনি মানতে নারাজ ছিলেন। আর তার জেরেই শাসক দলের একাংশের তাঁর প্রতি রাগ ছিল। এমনই অভিযোগ করছে ওই হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে চিকিৎসক মহল? (RG Kar)

    রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে,‌ আরজি কর হাসপাতালের এই দুর্নীতি কোনও ব্যতিক্রম নয়। রাজ্যের একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজে এই অসাধু চক্র চলছে। প্রশাসন সব কিছু জানার পরেও অধিকাংশ সময়েই কোনও পদক্ষেপ করে না। এমবিবিএস কোর্সে কে ইন্টার্ন হওয়ার সুযোগ পাবে, কোন‌ বিভাগে‌ কে হাউজস্টাফ হিসেবে কাজ করবে কিংবা স্নাতকোত্তর কোর্সে থিসিসে সই কিংবা নম্বর কতখানি‌ দেওয়া হবে, সব কিছু মেধার দ্বারা নির্ধারিত হচ্ছে না। বরং, এই সব কিছুর জন্য নির্দিষ্ট ‘দাম’ নির্ধারণ করা হচ্ছে। অভিযোগ জানানোর পরেও অনেক সময়েই কাজ হচ্ছে না। বরং যাঁরা অভিযোগ জানাচ্ছেন, তাঁদের প্রাপ্য হচ্ছে ‘শাস্তি’ (Punishment)। অনেক সময়েই রাজ্যের স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বহু পড়ুয়া মাঝপথেই পড়া ছেড়ে দিচ্ছেন। পাড়ি দিচ্ছেন ভিন রাজ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Organ Transplantation: করোনা-পরবর্তী পর্বে নেই সক্রিয়তা, অঙ্গ প্রতিস্থাপনে ছুটতে হচ্ছে ভিন রাজ্যে!

    Organ Transplantation: করোনা-পরবর্তী পর্বে নেই সক্রিয়তা, অঙ্গ প্রতিস্থাপনে ছুটতে হচ্ছে ভিন রাজ্যে!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হৃদপিণ্ড, কিডনি, লিভার এমনকি ত্বক প্রতিস্থাপনের (Organ Transplantation) পরিকাঠামো রয়েছে কলকাতার একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে। সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতেও গড়ে উঠেছে পরিকাঠামো। তার পরেও স্বাস্থ্য দফতরের ঢিলেঢালা মনোভাবের জন্য রোগীদের অপেক্ষা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে! তাই ভরসা হচ্ছে ভিন রাজ্য! আর স্বাস্থ্য ভবনের এই গড়িমসির জন্য এবার কড়া বার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকারের অরগ্যান অ্যান্ড টিস্যু ট্রান্সপ্লান্ট অর্গানাইজেশন!

    অভিযোগ কী (Organ Transplantation) 

    করোনা মহামারির শেষে ফের স্বাভাবিক হচ্ছে সব কিছু। স্বাস্থ্য পরিষেবাও আবার আগের রূপে ফিরছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের অঙ্গ প্রতিস্থাপন (Organ Transplantation) কর্মসূচি যেন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। করোনা পরবর্তী কালে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কাজে দেখা দিচ্ছে ব্যাপক ঢিলেঢালা মনোভাব। 
    সূত্রের খবর, করোনা মহামারি পর্বে রোগীর স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিয়েই অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মতো জটিল অস্ত্রোপচার এড়িয়ে চলা হচ্ছিল। কারণ, এই ধরনের গুরুতর রোগীর যে কোনও সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি হয়। কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, করোনা পর্ব মিটলেও প্রশাসনিক জটিলতার জেরে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য আবেদনকারীদের বিশেষ সাড়া দিচ্ছেন না স্বাস্থ্য ভবনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তারা। ফলে, ঠিকমতো গ্রহীতা না পাওয়ার জেরেই আবেদনকারীদের চিকিৎসা হচ্ছে না। তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। 
    আর এই গড়িমসির জেরেই অধিকাংশ রোগীকে ভরসা করতে হচ্ছে ভিন রাজ্যের উপরে। কারণ, অতিরিক্ত দেরি হলে রোগীদের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হবে। তাই অন্য রাজ্যে বিশেষত দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোয় উন্নত পরিকাঠামো ও সরকারি তৎপরতা দ্রুত হওয়ার জেরে পরিষেবাও দ্রুত পাওয়া যায়। তাই রাজ্যে নয়, ভিন রাজ্যে গিয়ে চিকিৎসা করাতে বাধ্য হচ্ছেন।

    রোটোর কড়া বার্তা কী (Organ Transplantation)? 

    সম্প্রতি রিজিওনাল অরগ্যান অ্যান্ড টিস্যু ট্রান্সপ্লান্ট অর্গানাইজেশনের (রোটোর) তরফে স্বাস্থ্য দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, স্বাস্থ্য কর্তাদের জানানো হয়েছে, এ রাজ্যের বহু রোগী ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। মস্তিষ্কের মৃত্যু ঘটছে। ঠিকমতো সমন্বয় ও কাউন্সেলিংয়ের অভাবে অঙ্গ প্রতিস্থাপন হচ্ছে না। বহু রোগী অঙ্গ প্রতিস্থাপন সময় মতো না হওয়ার জেরে সুস্থ জীবনে ফিরে যেতে পারছেন না। তাই করোনা পরবর্তী পর্বে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কাজে আরও বেশি সক্রিয়তা জরুরি। রোটোর তরফে জানানো হয়েছে, সরকারির পাশপাশি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় আরও বাড়ানো দরকার। কোনও রোগীর মস্তিষ্কের মৃত্যু বা ব্রেন ডেথ হয়েছে কিনা, তা দ্রুত স্বাস্থ্য ভবনের জানা জরুরি। দরকার সেই রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করা, প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং করা এবং তাদের অঙ্গ দানে (Organ Transplantation) আগ্রহী করে তোলার দায়িত্ব স্বাস্থ্য দফতরের। কিন্তু এই কাজে যথেষ্ট সক্রিয়তার অভাব রয়েছে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি স্বাস্থ্য ভবনে পাঠানো নোটিশে এমনি জানিয়েছে রোটো।

    স্বাস্থ্য কর্তারা কী বলছেন (Organ Transplantation)? 

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ অবশ্য মেনে নিচ্ছেন, করোনা পরবর্তী সময়ে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের (Organ Transplantation) কাজের গতি শ্লথ হয়েছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, হৃদপিণ্ড থেকে কিডনি কিংবা লিভার, ত্বক প্রতিস্থাপনের যে গতি গত করোনার আগে ছিল, মহামারি পরবর্তী পর্বে সেই গতি কমেছে। সচেতনতার অভাব তার অন্যতম কারণ বলেও তাঁরা জানাচ্ছেন। তবে, সেই দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্তারা জানাচ্ছেন, স্কুল স্তর থেকে অঙ্গ প্রতিস্থাপন নিয়ে সচেতনতা কর্মশালা তৈরি হচ্ছে। যাতে তাঁরা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারেন। পাশপাশি, হাসপাতালগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, দ্রুত সমস্যা কমবে। অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য রাজ্যবাসীকে ভিন রাজ্যের উপরে নির্ভর করতে হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Dengue: ডেঙ্গি-মৃত্যু নিয়ে ফের চাপানউতোর, রাজ্যের বিরুদ্ধে তথ্য চেপে যাওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের! 

    Dengue: ডেঙ্গি-মৃত্যু নিয়ে ফের চাপানউতোর, রাজ্যের বিরুদ্ধে তথ্য চেপে যাওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম শুরু হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যার হার বর্ষার শুরুতেই বদলে যায়। জুলাই মাসে ডেঙ্গি আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে। সেই একই ধারা বজায় রয়েছে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেও। তার সঙ্গে বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু। একের পর এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হচ্ছে। কিন্তু অভিযোগ, মৃত্যু অস্বীকার করছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রের কাছে ঠিকমতো তথ্য দেওয়া হচ্ছে না।

    কী বলছে তথ্য (Dengue)? 

    রাজ্যে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আড়াই হাজার। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে ডেঙ্গি আক্রান্ত হন ৭০০ জন। অগাস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে নতুন করে আরও প্রায় দেড়শো জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। তবে, স্বাস্থ্য দফতর সরকারি ভাবে কিছুই জানাতে রাজি নয়। পাশপাশি ডেঙ্গি মৃত্যু নিয়েও ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ১২ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে কোনও ডেঙ্গি মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। এমনকি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছেও নিয়মিত তথ্য পাঠানো হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে। কিন্তু এ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট মহল।

    উদ্বেগ (Dengue) বাড়ছে কেন? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, ২০২২ সালে দেশে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত রাজ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গ। সরকারি হিসেবেই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজারের বেশি। দেশের মধ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত রাজ্য হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিহার। তবে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩ হাজারের কাছকাছি। প্রথম ও দ্বিতীয় রাজ্যের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যার ফারাক অনেকটাই ছিল। এ বছরেও পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক হবে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, তাদের আশঙ্কা, ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু নিয়ে জটিলতা বিপদ বাড়াবে। কোনও ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হলে, সেই এলাকায় বিশেষ প্রশাসনিক তৎপরতা জরুরি। কারণ, সেই এলাকায় আর কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তা প্রশাসনের জানা দরকার। পাশাপাশি এলাকার পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ নজরদারি জরুরি। সংক্রমণ যাতে আর না ছড়ায় সে দিকেও নজর দিতে হবে। কিন্তু সরকারি তরফে মৃত্যু স্বীকার না করলে সেই কাজ করা মুশকিল। এলাকার কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, তা এলাকাবাসীর জানা দরকার। কিন্তু সরকারের তরফে তা প্রকাশ না করলে, সচেতনতা প্রসার মুশকিল। যা ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের মূল সমস্যা। অক্টোবর-নভেম্বর মাসে পরিস্থিতি কতখানি নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সে নিয়েই উদ্বিগ্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Dengue: ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে! ডেঙ্গি রুখতে ফিভার ক্লিনিক কি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে?

    Dengue: ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে! ডেঙ্গি রুখতে ফিভার ক্লিনিক কি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার শুরুতেই বেড়েছে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। কলকাতার পাশপাশি নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি চিন্তা বাড়াচ্ছে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার গতানুগতিক ধারায় ফিভার ক্লিনিক খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে সরকারি হাসপাতালের ভিড় প্রশ্ন তুলছে, ফিভার ক্লিনিক পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে তো?

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট? 

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, জুলাই মাসে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৭০০ জন। গত কয়েক দিনের মধ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৮ জন। তার মধ্যে দশ বছরের পড়ুয়াও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে। বেলেঘাটা আইডি-তে ইতিমধ্যেই রোগী ভর্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। আরজিকর, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মতো প্রথম সারির সরকারি হাসপাতালে জেলা থেকে আসা মানুষের ভিড় বাড়ছে। অধিকাংশ জ্বরের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। রোগীরা জেলা হাসপাতাল থেকে রেফার হয়ে আসছেন। ফলে, কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে বেড দেওয়া যাচ্ছে না। ডেঙ্গির জন্য যে বাড়তি শয্যার পরিকল্পনা সরকার করেছিল, তা পর্যাপ্ত হচ্ছে না। ফলে, ভোগান্তি বাড়ছে।

    রোগী ও পরিজনদের সমস্যা কোথায়? 

    অধিকাংশ রোগী ও পরিজনরা জানাচ্ছেন, রোগী ভর্তি নিয়ে হয়রানি শুরু হয়েছে। বিশেষত, আরজি কর এবং বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি। তাই ভোগান্তি বাড়ছে। উত্তর চব্বিশ পরগনা, নদিয়া থেকে বহু রোগী রেফার হয়ে আসছেন। রোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, জ্বরের উপসর্গের সঙ্গে মাথা ব্যথা বা অন্য কোনও শারীরিক জটিলতা তৈরি হলেই রেফার করা হচ্ছে। জেলা হাসপাতাল জানিয়ে দিচ্ছে, পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। আবার কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলোতে বেডের আকাল। অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, ডেঙ্গি (Dengue) রোগীকে রেফার করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবের অভিজ্ঞতা অনেকটাই অন্যরকম, এমনই জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ। ডেঙ্গি আক্রান্ত হাসপাতাল চত্বরেই বসে থাকছেন। তাই শুধু আক্রান্ত নন, ঝুঁকি বাড়ছে অন্যদের।

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? 

    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলায় ফিভার ক্লিনিক যে যথেষ্ট নয়, তা গত কয়েক বছরে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। গত কয়েক বছর ধরেই ফিভার ক্লিনিক খোলা হয়, কিন্তু তারপরেও রোগী ভোগান্তি থাকে। জেলা থেকে রেফার কমানোর দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে বলে মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। জেলার ডেঙ্গি রোগী কলকাতার হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হওয়া ও তারপরে তার চিকিৎসা শুরু করা, একদিকে যেমন সময় বহুল, তেমনি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। তাই জেলা হাসপাতাল ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিচ্ছে কিনা, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। পাশপাশি, ডেঙ্গি সংক্রমণ রুখতে না পারলে ডেঙ্গি মোকাবিলা কঠিন হয়ে যাবে বলেই মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। স্বাস্থ্য দফতরের পাশপাশি পুর ও পঞ্চায়েত দফতর এক যোগে ডেঙ্গি মোকাবিলায় সক্রিয় না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হবে বলেই মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। তবে স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী বলেন, “পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে। নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলার প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এখনই চিন্তার কিছু নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Dengue: দশ হাজারের নিচে নামলে তবেই প্লেটলেট! ডেঙ্গি নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের নয়া নির্দেশিকায় বিতর্ক

    Dengue: দশ হাজারের নিচে নামলে তবেই প্লেটলেট! ডেঙ্গি নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের নয়া নির্দেশিকায় বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি আতঙ্ক ফের জাঁকিয়ে বসেছে। একের পর এক ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের মৃত্যু, পরিস্থিতির ভয়াবহতা জানান দিচ্ছে। আর তার মধ্যেই ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’-এ নেমে পড়েছে স্বাস্থ্য ভবন। অন্তত স্বাস্থ্য ভবনের সাম্প্রতিক নির্দেশিকার পর এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য ভবন? 

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের প্লেটলেট কখন দিতে হবে, তা ঠিক হবে স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা মেনে। রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়লেই, তার সঙ্গে প্লেটলেটের চাহিদা বাড়ে। বিশেষত, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস, যখন প্রত্যেক বছর হাজার-হাজার মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হন, তখন প্লেটলেটের আকাল তৈরি হয়। আর এই সঙ্কট রুখতে, এবার প্লেটলেট নিয়ে প্রথম থেকেই কড়া হতে চাইছে স্বাস্থ্য দফতর। তাই স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশ, ডেঙ্গি আক্রান্তের প্লেটলেট ১০ হাজারের কম না হলে, তাকে প্লেটলেট দেওয়া যাবে না। 
    আর এই নির্দেশ ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

    কী বলছেন চিকিৎসক মহল? 

    স্বাস্থ্য দফতরের এই ধরনের পদক্ষেপ ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। তারা জানাচ্ছে, কোন রোগীর কখন প্লেটলেটের প্রয়োজন হবে, তা সেই রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হয়। গাইডলাইন মেনে প্লেটলেট দিতে হলে, অনেক ক্ষেত্রেই শারীরিক ঝুঁকি বাড়বে। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, থাইরয়েডের মতো নানা কো-মরবিডিটি থাকলে, ডেঙ্গি আক্রান্তের শারীরিক জটিলতা বাড়ে। তখন প্লেটলেটের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও শিশু বা বয়স্ক কিংবা গর্ভবতীর ক্ষেত্রেও নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। দশ হাজারের নিচে প্লেটলেট নামার আগেও প্লেটলেট দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা হতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসক কিংবা রোগীর পরিজন কী করবেন, সে সম্পর্কে এই নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। আর এই ফাঁকগুলো বাড়তি জটিলতা তৈরি করবে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, এই ধরনের পদক্ষেপের জেরে প্লেটলেটের আকাল কমবে না। বরং রোগী ভোগান্তি বাড়বে।

    বিশেষজ্ঞ মহলের আশঙ্কা কী? 

    রক্তদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের একাংশের মতে, যেভাবে প্লেটলেটের (Dengue) নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য দফতর করতে চাইছে, তা একেবারেই অযৌক্তিক। চাহিদা বাড়ার ইঙ্গিত থাকলে, রক্তের জোগান বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে। কারণ, তাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে আর রোগীর চিকিৎসায় জটিলতা তৈরি হবে না। 
    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, উৎসবের মরশুম শুরু হলেই রক্তের সঙ্কট দেখা যায়। তাই স্বাস্থ্য দফতর এবং রাজ্য সরকারের সমস্ত দফতরের দায়িত্ব, সেই সঙ্কট আটকানোর জন্য রক্তদান শিবির করা। যাতে প্লেটলেটের জোগান থাকে। কিন্তু রোগীর কখন প্লেটলেটের প্রয়োজন হবে, তা ঠিক করবেন চিকিৎসক। নির্দেশিকা জারি করে প্লেটলেট দেওয়া বন্ধ রাখলে, জোগান ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য করা যাবে না। বরং পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হবে। এমনই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞ মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Adeno Virus: অ্যাডিনো-আতঙ্ক! অযথা কলকাতায় রেফার নয়, জেলা হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ

    Adeno Virus: অ্যাডিনো-আতঙ্ক! অযথা কলকাতায় রেফার নয়, জেলা হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাডিনো ভাইরাসের (Adeno Virus) দাপটে একের পর এক হাসপাতালে শিশুর মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর। চিন্তার ছাপ অভিভাবকদের চোখে -মুখে। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর, গত দুদিনে সরকারি হাসপাতালে নিউমোনিয়া, অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বেডের সঙ্কট প্রকট। প্রায় সব হাসপাতালেই পেডিয়াট্রিক আইসিইউয়ের জন্য হাহাকার। কলকাতার হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ সামলানো দায় হচ্ছে প্রতিদিন। তাই অ্যাডিনো ভাইরাস (Adeno Virus) রোগীদের পরিষেবার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বুঝে পদক্ষেপ করার জন্য জেলাগুলিকে পরামর্শ দিল স্বাস্থ্য ভবন।

    অ্যাডিনো-দাপট ঠেকাতে নয়া নির্দেশিকা

    সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য ভবনে শিশু বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বৈঠক করেন স্বাস্থ্যকর্তারা। মূলত অ্যাডিনো ভাইরাস (Adeno Virus) মোকাবিলায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং পরিকল্পনা করাই ছিল বৈঠকের উদ্দেশ্য। বৈঠকে স্বাস্থ্য ভবনের দাবি, কলকাতার তুলনায় এই মুহূর্তে জেলাগুলিতে অ্যাডিনো ভাইরাসের (Adeno Virus) দাপট অনেকাংশেই কম। তাই জেলা থেকে কলকাতার হাসপাতালগুলিতে ইচ্ছামতো কোনও রোগীকে রেফার করা যাবে না। বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী ওই রোগীদের রেফার করতে হবে। জেলা থেকে রোগীদের নমুনা পরীক্ষার জন্য কলকাতায় অথবা যেখানে তার বন্দোবস্ত রয়েছে, সেখানে পাঠাতে হবে। এ ছাড়া, জ্বর বা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু হলে তার কারণ বিশ্লেষণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। 

    আরও পড়ুন: শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও কি অ্যাডিনোয় আক্রান্ত? নয়া ভ্যারিয়েন্ট চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের

    অ্যাডিনো ভাইরাসের জেরে শিশুদের নয়া ওয়ার্ড

    অ্যাডিনো (Adeno Virus) সংক্রমণ নিয়ে কলকাতার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে, শিশু ভর্তির সংখ্যা হাজারেরও বেশি। এই পরিস্থিতিতে এদিন স্বাস্থ্যভবনে জরুরি বৈঠক হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বেলেঘাটা আইডিতে শিশুদের নতুন ওয়ার্ড করা হবে। বিসি রায় হাসপাতালের চাপ কমাতে বেলেঘাটা আইডিতে ৫০ বেডের ওয়ার্ড খুলবে স্বাস্থ্য ভবন। শিশু বিভাগ থাকা হাসপাতালগুলিকে আরও ২ সপ্তাহ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভেন্টিলেটর, অক্সিজেন সরবরাহের ক্ষেত্রে নজর দিতে হবে হাসপাতালগুলিকে। কলকাতার বিশিষ্ট চিকিৎসকদের জেলাগুলিতে পরিদর্শনে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • West Bengal Dengue Outbreak: ‘‘ডেঙ্গি আসছে বাংলাদেশ থেকে’’! রাজ্যে প্রকোপ বাড়তেই সাফাই মমতার

    West Bengal Dengue Outbreak: ‘‘ডেঙ্গি আসছে বাংলাদেশ থেকে’’! রাজ্যে প্রকোপ বাড়তেই সাফাই মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার মরশুম শুরু হতেই রাজ্যে শুরু ডেঙ্গির (West Bengal Dengue Outbreak) প্রকোপ। সরকারের পেশ করা হিসেব অনুযায়ী, গত ২ সপ্তাহে ডেঙ্গিতে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বেসরকারি মতে এ পর্যন্ত ডেঙ্গিতে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। কিন্তু, কেন বর্ষা নামতেই রাজ্যে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়ে গেল কেনই বা, গত বছরের থেকে শিক্ষা নিল না রাজ্য প্রশাসন (West Bengal Health Department)?

    ডেঙ্গি নিয়ে কী সাফাই প্রশাসনের?

    এরাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেই নিরিখে, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেন, রাজ্যে ডেঙ্গি (West Bengal Dengue Outbreak) সমস্যা প্রধানত এসেছে বাইরে থেকে। তাঁর মতে, ডেঙ্গি সমস্যা আসছে বাংলাদেশ থেকে। তিনি জানান, মূলত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ডেঙ্গির বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ তত্ত্ব শোনাচ্ছেন, সেখানে জেলা প্রশাসন আবার পঞ্চায়েত ভোটকে ঢাল হিসেবে খাড়া করছে। প্রতিবারের মতো, এবছরও ডেঙ্গির প্রকোপ ধরা পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। সেই জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের আবার দাবি, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ব্যাহত হয়েছে ডেঙ্গি প্রতিরোধের কাজ।

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন দাবিকে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মতে, তাহলে তো এখন বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠানো উচিত। সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসা উচিত মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, ‘‘ওঁর উচিত অবিলম্বে চার্টার্ড বিমান নিয়ে ঢাকা যাওয়া। সঙ্গে ক্যানিংয়ের শওকত মোল্লা, ভাঙড়ের আরাবুল ইসলাম, ফলতার জাহাঙ্গিরদের নিয়ে যাবেন। কারণ, সীমান্ত এলাকায় এঁরা কাজকর্ম করেন, কে কী ভাবে ঢুকবে না ঢুকবে, নিয়ন্ত্রণ করেন। ডেঙ্গি বাংলাদেশ থেকে এলে এঁদেরও ব্যাপারটা দেখা উচিত। এই প্রতিনধিদল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আলোচনায় বসুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে!’’

    এদিকে, ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে (West Bengal Dengue Outbreak) দুই পর্যায়ে বৈঠক করল রাজ্য সরকার। প্রথমে, সব জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিক, হাসপাতালের সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। পরে বিকেলে সব জেলা-কর্তাদের সঙ্গে পৃথক ভাবে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। এর পরই, রাজ্যের তরফে ডেঙ্গি মোকাবিলায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়। হাসপাতালগুলি ও চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ গাইডলাইন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ভবন (West Bengal Health Department)।

    আরও পড়ুন: দশ হাজারের নিচে নামলে তবেই প্লেটলেট! ডেঙ্গি নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের নয়া নির্দেশিকায় বিতর্ক

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা রাজ্যের

    নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, পরীক্ষার বিষয়টাতে এতটাই জোর দিতে হবে যাতে কোনও ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়ার ঘটনা চোখ এড়িয়ে না যায়, পরীক্ষায় যেন দেরি না হয়। প্রত্যেক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে জ্বরে আক্রান্ত রোগীর হিসেব রাখা হয়। ডেঙ্গি পরীক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ২ থেকে ৭ দিন জ্বরে অসুস্থ থাকলেও পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এছাড়া মাথা ব্যাথা, রক্তক্ষরণ, দেহে র‌্যাশ বেরনোর মতো উপসর্গ থাকলেই ডেঙ্গি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক বলে উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। অর্থাৎ মশাবাহিত এই দুই রোগ নিয়ে যাতে কোনও রকম গা ছাড়া মনোভাব না দেখা যায়, সে ব্যাপারেই সতর্ক করেছে রাজ্য।

    বৈঠকে স্থির হয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ‘ফিভার ক্লিনিক’ চালু রাখতে হবে সর্বক্ষণ। সেটি দেখাশোনার দায়িত্ব এক জন সহকারী সুপারের। জেলায় ডেঙ্গি দমনে ৯০০০ চিকিৎসক, প্যারা মেডিক্যাল কর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, হাসপাতালগুলি এবং ব্লাড ব্যাঙ্কে অণুচক্রিকার (প্লেটলেট) জোগানে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে। রাজ্যের যে সব হাসপাতালে ডেঙ্গি (West Bengal Dengue Outbreak) আক্রান্ত রোগী ভর্তির সংখ্যা বেশি, সেখানে ডেঙ্গি পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালকেও ডেঙ্গি রোগীদের জন্য বেড তৈরি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Diploma Doctors: ডিপ্লোমা ডাক্তার নয়! মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে সায় নেই রাজ্যের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটিরই

    Diploma Doctors: ডিপ্লোমা ডাক্তার নয়! মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে সায় নেই রাজ্যের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটিরই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের প্রশিক্ষণে ডিপ্লোমা ডাক্তার (Diploma Doctors) নয়, চিকিৎসা ব্যবস্থার সহায়ক তৈরি করা যেতে পারে। এমনই মত রাজ্যের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটির। তিন বছরের প্রশিক্ষণে ডিপ্লোমা ডাক্তার তৈরি করা যায় কি না, তা স্বাস্থ্য দফতরকে দেখতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যে ১৫ জনের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। সোমবার স্বাস্থ্যভবনে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম ওই বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসেছিলেন। তারপরই সেই কমিটি জানায়, তিন বছরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের সরাসরি চিকিৎসক (Diploma Doctors) হিসাবে চিহ্নিত করা ঠিক হবে না। বরং প্রান্তিক স্তরে রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও বেশি করে পৌঁছে দিতে তৈরি করা হোক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সহায়ক।

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি নবান্নের এক বৈঠকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ডাক্তারিতেও ডিপ্লোমা কোর্স (Diploma in Medical) চালু করা যায় কি না, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর সেই প্রস্তাবের পর স্বাস্থ্যভবনের (Swastha Bhawan) তরফে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। সব দিক খতিয়ে দেখে এক মাসের মধ্যে ওই বিশেষজ্ঞ কমিটির একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা। সোমবার বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রথম বৈঠকের পর স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বলেন, ‘চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে কমিটি গঠিত হয়েছে, সেই কমিটির সঙ্গে আজ বিশদে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় অনেক বিষয় উঠে এসেছে। তাঁদের বলা হয়েছে, প্রস্তাবগুলি লিখিত আকারে জমা দেওয়ার জন্য এবং পরবর্তী বৈঠকে সেগুলি নিয়ে আলোচনা হবে।’

    আরও পড়ুন: মৃত সন্তানকে ব্যাগে ভরে বাড়ি ফেরার ঘটনায় শোরগোল, বাড়িতে বিজেপি ও তৃণমূল

    স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, ‘ডিপ্লোমা ডাক্তারে’ (Diploma Doctors) সায় নেই কারুরই। বৈঠকের পর সব পক্ষের মত, ৩ বছরের ডিগ্রি কোর্সে ডাক্তার তৈরি করা সম্ভব নয়। ৩ বছরের কোর্সে চিকিৎসকের সহায়ক তৈরি করা যেতে পারে। তবে তাঁরা কোনও ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারবেন না। পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসায় সহায়তা করতে পারবেন। কিন্তু রাজ্যে গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ নার্স, আয়ুষ চিকিৎসক, গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়কেরা রয়েছেন। তাঁদেরই আরও উন্নত কোনও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, না কি নতুন পদ তৈরি করা হবে— তা নিয়ে এ দিন কমিটির সদস্যেরা আলোচনা করেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়াবহ! ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য দফতরের

    Bengal Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়াবহ! ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি উদ্বেগজনক (Bengal Dengue)। ডেঙ্গির দাপট বেড়েই চলেছে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যাও। ফলে রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর। আর এই পরিস্থিতিতে ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। এই নির্দেশিকা নিয়ে বৈঠকও হয়েছে নবান্নে।

    ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি

    রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতির সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করা যায় তার জন্য প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হাসপাতালগুলিতে ‘ফিভার ক্লিনিক’ পুরোদমে সচল রাখতে হবে (Bengal Dengue)। যাঁরা জ্বর নিয়ে চিকিৎসার জন্য আসবেন, তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করে রাখতে হবে। পরে যাতে তাঁদের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করা যায়।

    হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গি রোগীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা ল্যাব পরিষেবা চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। তাদের রক্ত পরীক্ষা করার পর ওই দিনই রিপোর্ট দিতে হবে ল্যাব কর্তৃপক্ষকে। যাতে চিকিৎসা যথাযথভাবে করা যায়। এর পাশাপাশি সহকারি সুপার পদমর্যাদার একজন স্বাস্থ্য আধিকারিককে ডেঙ্গি পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য নিযুক্ত থাকতে হবে। আবার কোনও ব্যক্তি যদি ডেঙ্গি সন্দেহে ভর্তি হন, তাঁকেও পরীক্ষার দিনই রিপোর্ট দিতে হবে (Bengal Dengue)।

    আরও পড়ুন: বেসরকারি পরীক্ষাগারে গেলেই ধরা পড়ছে ডেঙ্গি! আর সরকারি কেন্দ্রে?

    স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বলা হয়েছে, রক্তের রিপোর্ট দেখে যদি কিছু সংকটজনক মনে হয় ও রক্তে অস্বাভাবিক কিছু থাকলে দ্রুত সতর্ক করতে হবে চিকিৎসকদের। ডেঙ্গি (Bengal Dengue) নিয়ে যাবতীয় বিষয় পর্যালোচনার জন্য নিযুক্ত থাকতে হবে এক জন সহকারী সুপার।

    দেখা গিয়েছে, ডেঙ্গি মোকাবিলায় নার্সিং পরিষেবার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর (Bengal Dengue)। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ডেঙ্গি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে হবে। নার্সিং পরিষেবা যাতে যথাযথ থাকে সেটা বার বার পর্যালোচনা করতে হবে। ডেঙ্গি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য স্বাস্থ্য দফতরের পোর্টালে নথিভুক্ত করতে হবে।

    যেসব নার্সিং সুপাররা ডিউটিতে থাকবেন, তাঁদের ডেঙ্গি রোগীদের অবস্থা পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট সুপারিনটেন্ডেন্টকে জানাতে হবে (Bengal Dengue)। রোগীদের শারীরিক অবস্থা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য বারবার পর্যালোচনা করতে হবে।

    এছাড়া, প্রতি সপ্তাহে হাসপাতালে ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসতে হবে কর্তৃপক্ষকে (Bengal Dengue)। হাসপাতাল চত্বরে বাধ্যতামূলক ভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। ডেঙ্গি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর স্বাস্থ্য দফতরের পোর্টালে নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে।

    নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে যে, হাসপাতালের দেওয়ালে ডেঙ্গি সচেতনতামূলক পোস্টার রাখতে হবে (Bengal Dengue)। এছাড়া, হাসপাতালে পতঙ্গবিদদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। ব্লাড ব্যাংকে যথেষ্ট প্লেটলেট মজুত আছে কি না, তা-ও নজরে রাখার নির্দেশ দিয়েছে দফতর।

    এই সব নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। আর বলা হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব, এই ১৪ দফা নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে সরকারি হাসপাতালগুলিকে (Bengal Dengue)।

LinkedIn
Share