Tag: West Bengal Health Department

West Bengal Health Department

  • West Bengal Dengue Outbreak: ‘‘ডেঙ্গি আসছে বাংলাদেশ থেকে’’! রাজ্যে প্রকোপ বাড়তেই সাফাই মমতার

    West Bengal Dengue Outbreak: ‘‘ডেঙ্গি আসছে বাংলাদেশ থেকে’’! রাজ্যে প্রকোপ বাড়তেই সাফাই মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার মরশুম শুরু হতেই রাজ্যে শুরু ডেঙ্গির (West Bengal Dengue Outbreak) প্রকোপ। সরকারের পেশ করা হিসেব অনুযায়ী, গত ২ সপ্তাহে ডেঙ্গিতে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বেসরকারি মতে এ পর্যন্ত ডেঙ্গিতে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। কিন্তু, কেন বর্ষা নামতেই রাজ্যে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়ে গেল কেনই বা, গত বছরের থেকে শিক্ষা নিল না রাজ্য প্রশাসন (West Bengal Health Department)?

    ডেঙ্গি নিয়ে কী সাফাই প্রশাসনের?

    এরাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেই নিরিখে, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেন, রাজ্যে ডেঙ্গি (West Bengal Dengue Outbreak) সমস্যা প্রধানত এসেছে বাইরে থেকে। তাঁর মতে, ডেঙ্গি সমস্যা আসছে বাংলাদেশ থেকে। তিনি জানান, মূলত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ডেঙ্গির বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ তত্ত্ব শোনাচ্ছেন, সেখানে জেলা প্রশাসন আবার পঞ্চায়েত ভোটকে ঢাল হিসেবে খাড়া করছে। প্রতিবারের মতো, এবছরও ডেঙ্গির প্রকোপ ধরা পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। সেই জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের আবার দাবি, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ব্যাহত হয়েছে ডেঙ্গি প্রতিরোধের কাজ।

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন দাবিকে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মতে, তাহলে তো এখন বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠানো উচিত। সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসা উচিত মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, ‘‘ওঁর উচিত অবিলম্বে চার্টার্ড বিমান নিয়ে ঢাকা যাওয়া। সঙ্গে ক্যানিংয়ের শওকত মোল্লা, ভাঙড়ের আরাবুল ইসলাম, ফলতার জাহাঙ্গিরদের নিয়ে যাবেন। কারণ, সীমান্ত এলাকায় এঁরা কাজকর্ম করেন, কে কী ভাবে ঢুকবে না ঢুকবে, নিয়ন্ত্রণ করেন। ডেঙ্গি বাংলাদেশ থেকে এলে এঁদেরও ব্যাপারটা দেখা উচিত। এই প্রতিনধিদল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আলোচনায় বসুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে!’’

    এদিকে, ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে (West Bengal Dengue Outbreak) দুই পর্যায়ে বৈঠক করল রাজ্য সরকার। প্রথমে, সব জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিক, হাসপাতালের সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। পরে বিকেলে সব জেলা-কর্তাদের সঙ্গে পৃথক ভাবে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। এর পরই, রাজ্যের তরফে ডেঙ্গি মোকাবিলায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়। হাসপাতালগুলি ও চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ গাইডলাইন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ভবন (West Bengal Health Department)।

    আরও পড়ুন: দশ হাজারের নিচে নামলে তবেই প্লেটলেট! ডেঙ্গি নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের নয়া নির্দেশিকায় বিতর্ক

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা রাজ্যের

    নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, পরীক্ষার বিষয়টাতে এতটাই জোর দিতে হবে যাতে কোনও ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়ার ঘটনা চোখ এড়িয়ে না যায়, পরীক্ষায় যেন দেরি না হয়। প্রত্যেক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে জ্বরে আক্রান্ত রোগীর হিসেব রাখা হয়। ডেঙ্গি পরীক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ২ থেকে ৭ দিন জ্বরে অসুস্থ থাকলেও পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এছাড়া মাথা ব্যাথা, রক্তক্ষরণ, দেহে র‌্যাশ বেরনোর মতো উপসর্গ থাকলেই ডেঙ্গি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক বলে উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। অর্থাৎ মশাবাহিত এই দুই রোগ নিয়ে যাতে কোনও রকম গা ছাড়া মনোভাব না দেখা যায়, সে ব্যাপারেই সতর্ক করেছে রাজ্য।

    বৈঠকে স্থির হয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ‘ফিভার ক্লিনিক’ চালু রাখতে হবে সর্বক্ষণ। সেটি দেখাশোনার দায়িত্ব এক জন সহকারী সুপারের। জেলায় ডেঙ্গি দমনে ৯০০০ চিকিৎসক, প্যারা মেডিক্যাল কর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, হাসপাতালগুলি এবং ব্লাড ব্যাঙ্কে অণুচক্রিকার (প্লেটলেট) জোগানে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে। রাজ্যের যে সব হাসপাতালে ডেঙ্গি (West Bengal Dengue Outbreak) আক্রান্ত রোগী ভর্তির সংখ্যা বেশি, সেখানে ডেঙ্গি পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালকেও ডেঙ্গি রোগীদের জন্য বেড তৈরি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Diploma Doctors: ডিপ্লোমা ডাক্তার নয়! মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে সায় নেই রাজ্যের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটিরই

    Diploma Doctors: ডিপ্লোমা ডাক্তার নয়! মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে সায় নেই রাজ্যের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটিরই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের প্রশিক্ষণে ডিপ্লোমা ডাক্তার (Diploma Doctors) নয়, চিকিৎসা ব্যবস্থার সহায়ক তৈরি করা যেতে পারে। এমনই মত রাজ্যের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটির। তিন বছরের প্রশিক্ষণে ডিপ্লোমা ডাক্তার তৈরি করা যায় কি না, তা স্বাস্থ্য দফতরকে দেখতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যে ১৫ জনের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। সোমবার স্বাস্থ্যভবনে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম ওই বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসেছিলেন। তারপরই সেই কমিটি জানায়, তিন বছরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের সরাসরি চিকিৎসক (Diploma Doctors) হিসাবে চিহ্নিত করা ঠিক হবে না। বরং প্রান্তিক স্তরে রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও বেশি করে পৌঁছে দিতে তৈরি করা হোক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সহায়ক।

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি নবান্নের এক বৈঠকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ডাক্তারিতেও ডিপ্লোমা কোর্স (Diploma in Medical) চালু করা যায় কি না, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর সেই প্রস্তাবের পর স্বাস্থ্যভবনের (Swastha Bhawan) তরফে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। সব দিক খতিয়ে দেখে এক মাসের মধ্যে ওই বিশেষজ্ঞ কমিটির একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা। সোমবার বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রথম বৈঠকের পর স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বলেন, ‘চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে কমিটি গঠিত হয়েছে, সেই কমিটির সঙ্গে আজ বিশদে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় অনেক বিষয় উঠে এসেছে। তাঁদের বলা হয়েছে, প্রস্তাবগুলি লিখিত আকারে জমা দেওয়ার জন্য এবং পরবর্তী বৈঠকে সেগুলি নিয়ে আলোচনা হবে।’

    আরও পড়ুন: মৃত সন্তানকে ব্যাগে ভরে বাড়ি ফেরার ঘটনায় শোরগোল, বাড়িতে বিজেপি ও তৃণমূল

    স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, ‘ডিপ্লোমা ডাক্তারে’ (Diploma Doctors) সায় নেই কারুরই। বৈঠকের পর সব পক্ষের মত, ৩ বছরের ডিগ্রি কোর্সে ডাক্তার তৈরি করা সম্ভব নয়। ৩ বছরের কোর্সে চিকিৎসকের সহায়ক তৈরি করা যেতে পারে। তবে তাঁরা কোনও ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারবেন না। পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসায় সহায়তা করতে পারবেন। কিন্তু রাজ্যে গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ নার্স, আয়ুষ চিকিৎসক, গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়কেরা রয়েছেন। তাঁদেরই আরও উন্নত কোনও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, না কি নতুন পদ তৈরি করা হবে— তা নিয়ে এ দিন কমিটির সদস্যেরা আলোচনা করেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়াবহ! ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য দফতরের

    Bengal Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়াবহ! ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি উদ্বেগজনক (Bengal Dengue)। ডেঙ্গির দাপট বেড়েই চলেছে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যাও। ফলে রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর। আর এই পরিস্থিতিতে ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। এই নির্দেশিকা নিয়ে বৈঠকও হয়েছে নবান্নে।

    ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি

    রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতির সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করা যায় তার জন্য প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হাসপাতালগুলিতে ‘ফিভার ক্লিনিক’ পুরোদমে সচল রাখতে হবে (Bengal Dengue)। যাঁরা জ্বর নিয়ে চিকিৎসার জন্য আসবেন, তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করে রাখতে হবে। পরে যাতে তাঁদের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করা যায়।

    হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গি রোগীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা ল্যাব পরিষেবা চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। তাদের রক্ত পরীক্ষা করার পর ওই দিনই রিপোর্ট দিতে হবে ল্যাব কর্তৃপক্ষকে। যাতে চিকিৎসা যথাযথভাবে করা যায়। এর পাশাপাশি সহকারি সুপার পদমর্যাদার একজন স্বাস্থ্য আধিকারিককে ডেঙ্গি পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য নিযুক্ত থাকতে হবে। আবার কোনও ব্যক্তি যদি ডেঙ্গি সন্দেহে ভর্তি হন, তাঁকেও পরীক্ষার দিনই রিপোর্ট দিতে হবে (Bengal Dengue)।

    আরও পড়ুন: বেসরকারি পরীক্ষাগারে গেলেই ধরা পড়ছে ডেঙ্গি! আর সরকারি কেন্দ্রে?

    স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বলা হয়েছে, রক্তের রিপোর্ট দেখে যদি কিছু সংকটজনক মনে হয় ও রক্তে অস্বাভাবিক কিছু থাকলে দ্রুত সতর্ক করতে হবে চিকিৎসকদের। ডেঙ্গি (Bengal Dengue) নিয়ে যাবতীয় বিষয় পর্যালোচনার জন্য নিযুক্ত থাকতে হবে এক জন সহকারী সুপার।

    দেখা গিয়েছে, ডেঙ্গি মোকাবিলায় নার্সিং পরিষেবার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর (Bengal Dengue)। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ডেঙ্গি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে হবে। নার্সিং পরিষেবা যাতে যথাযথ থাকে সেটা বার বার পর্যালোচনা করতে হবে। ডেঙ্গি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য স্বাস্থ্য দফতরের পোর্টালে নথিভুক্ত করতে হবে।

    যেসব নার্সিং সুপাররা ডিউটিতে থাকবেন, তাঁদের ডেঙ্গি রোগীদের অবস্থা পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট সুপারিনটেন্ডেন্টকে জানাতে হবে (Bengal Dengue)। রোগীদের শারীরিক অবস্থা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য বারবার পর্যালোচনা করতে হবে।

    এছাড়া, প্রতি সপ্তাহে হাসপাতালে ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসতে হবে কর্তৃপক্ষকে (Bengal Dengue)। হাসপাতাল চত্বরে বাধ্যতামূলক ভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। ডেঙ্গি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর স্বাস্থ্য দফতরের পোর্টালে নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে।

    নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে যে, হাসপাতালের দেওয়ালে ডেঙ্গি সচেতনতামূলক পোস্টার রাখতে হবে (Bengal Dengue)। এছাড়া, হাসপাতালে পতঙ্গবিদদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। ব্লাড ব্যাংকে যথেষ্ট প্লেটলেট মজুত আছে কি না, তা-ও নজরে রাখার নির্দেশ দিয়েছে দফতর।

    এই সব নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। আর বলা হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব, এই ১৪ দফা নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে সরকারি হাসপাতালগুলিকে (Bengal Dengue)।

  • Swasthya Bhawan: স্বাস্থ্য ভবনের পরিকল্পনার অভাবে জেলার হাসপাতালে নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, হয়রানি সাধারণ মানুষের

    Swasthya Bhawan: স্বাস্থ্য ভবনের পরিকল্পনার অভাবে জেলার হাসপাতালে নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, হয়রানি সাধারণ মানুষের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল: বাড়িতেই পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে গিয়েছে বছর পঞ্চান্নের জয়ন্তী ভট্টাচার্যের। রানাঘাটের বাসিন্দা জয়ন্তী দেবীর হাতের অস্ত্রোপচার জরুরি। কিন্তু কৃষ্ণনগর থেকে কল্যাণী একাধিক সরকারি হাসপাতালে গিয়েও পরিষেবা পাওয়া যায়নি। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে, অস্ত্রোপচার করার জন্য বিশেষজ্ঞ অস্থি-শল্য চিকিৎসক নেই। তাই তাকে কলকাতার হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, হাজার দশেক টাকা গাড়ি ভাড়া খরচ করে কলকাতায় জয়ন্তী দেবীকে আনা হয়। তারপরে একাধিক সরকারি হাসপাতালের লাইনে অপেক্ষা করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের দিন পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু কল্যাণীতেই রয়েছে রাজ্য সরকারের জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ। কিন্তু তারপরও সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব (Inavailability of Doctors) হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

    আরও পড়ুন: মানিকের RK-DD ধাঁধা ঘাম ঝরাচ্ছে গোয়েন্দাদের, রহস্যভেদে ময়দানে ‘ফেলুদা’ শুভেন্দু

    পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা অসীম রায়ের মেরুদণ্ডের সমস্যা। স্নায়ুর অস্ত্রোপচার করতে হবে। চিকিৎসক জানান, অস্থি ও স্নায়ু শল্য চিকিৎসকের সমন্বয়ে অস্ত্রোপচার সম্ভব। কিন্তু জেলার সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে এই সমন্বয় সম্ভব নয়। কারণ, অস্থি ও স্নায়ু শল্য চিকিৎসক নেই। এমনকি পাশের জেলার মেডিক্যাল কলেজেও সেই পরিকাঠামো নেই। তাই তাকে পাঠানো হয় কলকাতায়। কয়েক মাস অপেক্ষা করে অবশেষে বাঙ্গুর ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেসে অস্ত্রোপচারের সুযোগ পেয়েছেন অসীম রায়।

    রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা (Health Department) উন্নত করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করছেন। একাধিক সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল ও তৈরি হয়েছে। কিন্তু তারপরেও জেলার মানুষদের হয়রানির শেষ নেই। পশ্চিম মেদিনীপুরের অসীম রায় কিংবা রানা ঘাটের জয়ন্তী ভট্টাচার্যের হয়রানি কোনও ব্যতিক্রম নয়। কলকাতার মেডিক্যাল কলেজগুলোতে রোগী অপেক্ষার যে দীর্ঘ লাইন, তাতে জেলার মানুষের সংখ্যাই বেশি। দূর থেকে কলকাতায় রোগীকে নিয়ে এসে দিনের পর দিন চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় চিকিৎসার নূন্যতম সুযোগ ও পান না অনেকেই।

    স্বাস্থ্য দফতরের একাংশের অবশ্য দাবি, রোগী হয়রানির জন্য অনেকাংশেই দায়ী স্বাস্থ্য ভবনের পরিকল্পনার অভাব। হেলথ সার্ভিসের চাকরিরত একাধিক চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (এমডি, এমএস) পড়া শুরু করেন। ২০১৮ সাল থেকে যে সব চিকিৎসক এই স্নাতকোত্তর পড়াশোনা শুরু করেছিলেন ২০২১ সালে, তাদের কোর্স শেষ হয়ে যায়। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতর তাদের প্রয়োজন মতো নিয়োগ করতে পারেননি। স্বাস্থ্য ভবনের এক কর্তা বলেন, “রাজ্যের প্রায় সাড়ে ছ’শো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে ঠিকমতো নিয়োগ করা হয়নি। জেলার যেসব হাসপাতালে এমডি, এমএস চিকিৎসক জরুরি, সেখানে নিয়োগ করা হচ্ছে না। ওই চিকিৎসকদের অধিকাংশ কলকাতার যেসব মেডিক্যাল কলেজে স্নাতকোত্তর পড়তে এসেছিলেন, সেখানেই কাজ করছেন। অথচ তাদের বেতন দেওয়া হচ্ছে অন্য হাসপাতাল কর্মরত এটা দেখিয়ে। কোথাও অতিরিক্ত চিকিৎসক, আবার কোথাও চিকিৎসক নেই। প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা না থাকলে ভালো পরিষেবা সম্ভব নয়।”

    জেলার একাধিক সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্নায়ু, স্নায়ু-শল্য, পেডিয়াট্রিক-সার্জারি, কার্ডিওভাসকুলার সার্জারির মতো বিভাগগুলো বন্ধ হয়ে থাকে। কারণ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব। এদিকে কলকাতার হাসপাতালগুলোতে স্নাতকোত্তর পাশ করে সিনিয়র রেসিডেন্স হয়ে কাজ করছেন একাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। দফতরের ঠিকমতো সমন্বয়ের অভাবের জেরেই রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা তলানিতে গিয়ে ঠেকছে। আর ভুক্তভোগী হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

    জেলা থেকে কলকাতায় আনার পথে রোগী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। কিন্তু তারপরেও হুশ ফেরেনা স্বাস্থ্য দফতরের। যদিও স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দফতরের থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামি ১৮ অক্টোবরের মধ্যে যথাযথভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে হাসপাতালে কর্মরত দেখিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বেতন হচ্ছে, সেখানেই তাদের নিয়োগ পত্র দিতে হবে। দ্রুত এই কাজ শেষ করতেই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। কিন্তু তারপরেও বিজ্ঞপ্তি কতখানি কার্যকর হবে সে নিয়ে অবশ্য সংশয়ে স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue: পুজোর আগে কাটছে না ‘ডেঙ্গি বিপদ’, তবে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে

    Dengue: পুজোর আগে কাটছে না ‘ডেঙ্গি বিপদ’, তবে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পর রাজ্যের নয়া আতঙ্ক ডেঙ্গি (Dengue in West Bengal)। আক্রান্তের সংখ্যা খানিকটা কমলেও উৎসবের মরসুমে ডেঙ্গি সংক্রমণ এখনও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯১২ জন।

    আরও পড়ুন: জানুন ডেঙ্গির লক্ষণ, প্রতিকারের উপায়ই বা কী? 

    বর্তমানে সব মিলিয়ে ৬১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মোট ৮,১১৭ জনের ডেঙ্গি পরীক্ষা হয়েছে। রাজ্যে মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ হাজার ৫৭। সূত্রের খবর, এখনও অবধি রাজ্যে ২৯ জন ডেঙ্গিতে প্রাণ হারিয়েছেন। পুজোর ঢাকে কাঠি পড়লেও আনন্দে বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে এই রোগ। 

    স্বাস্থ্য দফতর (West Bengal Health Department) সূত্রের খবর, কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, দার্জিলিঙের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ এবং জলপাইগুড়ি জেলায় বেশি ডেঙ্গি আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। গত মঙ্গলবার রাজ্যে দৈনিক ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ছিল প্রায় ১,৪০০। সেই তুলনায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য দফতর।  

    প্রতি বৃহস্পতিবার ডেঙ্গি পরিস্থিতির সাপ্তাহিক রিপোর্ট প্রকাশ করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। ২২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়েছে চলতি বছরের ৩৮তম সপ্তাহের রিপোর্ট। স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্যে দেখা গিয়েছে, ৩৭তম সপ্তাহের চেয়ে ৪২২৪ জন বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮তম সপ্তাহে। অর্থাৎ, এক সপ্তাহে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজারেরও বেশি বেড়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচশোর বেশি মানুষ মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগের এক সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনা থেকে। সেখানে ৮৫৮ জন আক্রান্ত হয়ে, এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৬৩৯। পরিস্থিতি সামগ্রিক ভাবে উদ্বেগজনক হলেও আগামী বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রিপোর্টে ডেঙ্গি সংক্রমণ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সংক্রমণ ছড়ালেও বাংলায় এখনও প্রবেশ করেনি মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox) ভাইরাস। কিন্তু তার আগেই মাঙ্কি পক্স নিয়ে সতর্কতা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর (West Bengal Health Department)। 

    মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সমস্ত জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ও মেডিক্যল কলেজগুলিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। সব হাসপাতালের মাইক্রো বায়োলজি বিভাগকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেলেঘাটা আইডি-কে ইতিমধ্যেই প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তদের চিকিত্‍সার জন্যে আলাদা বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে।  স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনেও  মাঙ্কি পক্স আক্রান্তদের চিকিত্‍সার আলাদা বেড প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। প্রতিটি জেলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্তত একটি সরকারি হাসপাতালে মাঙ্কি পক্সের জন্য বেড বরাদ্দ রাখার। রাজ্যের প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজকেও বেড রাখতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের খোঁজ মিললে অবিলম্বে তা জানাতে হবে স্বাস্থ্য ভবনকে। মেডিক্যাল কলেজগুলিকে আইসোলেশন কেন্দ্রও প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।  

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের, কী করবেন, কী করবেন না?

    পশ্চিমবঙ্গে এখনও কোনও মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ মেলেনি। তবে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ইতিমধ্যেই মাঙ্কি পক্সকে ‘গ্লোবাল ইমারজেন্সি’ ঘোষণা করেছে। তাই মাঙ্কি পক্স নিয়ে রাজ্যগুলিকে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    মাঙ্কি পক্স নিয়ে কলকাতা পুরসভাকেও সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য ভবন। প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং করে এবং হোর্ডিং এর সাহায্যে মাঙ্কি পক্স নিয়ে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। যদিও এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে রাজ্য সরকার। 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে আরও এক মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ যাওয়ার ইতিহাস নেই রোগীর

    এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে মাঙ্কি পক্সে ৯ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে, এদের মধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে মোট ৯ জন আক্রান্তের মধ্যে পাঁচ জন কেরলের এবং চার জন দিল্লির। এই অবস্থায় মাঙ্কি পক্স সংক্রান্ত আগের নির্দেশিকাগুলি পুনর্বিবেচনা করার জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্র। এই বৈঠকে ন্যাশনাল এইডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।   

LinkedIn
Share