Tag: West Bengal news

West Bengal news

  • Suvendu Adhikari: “কান টানলেই মাথা আসবে…”, কার দিকে ইঙ্গিত শুভেন্দুর?

    Suvendu Adhikari: “কান টানলেই মাথা আসবে…”, কার দিকে ইঙ্গিত শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School Service Commission) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকে (Teachers Recruitment scam) স্বাধীনতার পর দেশের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি হিসেবে উল্লেখ করে রাজ্য সরকারের (Mamata govt) তীব্র সমালোচনা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী।

    বুধবার এসএসসি দুর্নীতি (SSC scam) মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) ডেকে পাঠায় সিবিআই। এই প্রেক্ষিতে রাজভবনের সামনে থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি (BJP) বিধায়ক।  তিনি বলেন, কত বড় দুর্নীতি হয়েছে, তা দিনের আলোর মতো এখন পরিস্কার। দুর্নীতির মূলে আছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কার সুপারিশে পার্থ চট্টোপাধ্যায় হাজার হাজার প্রার্থীকে চাকরি দিয়েছেন, তা এবার তাঁকে জানাতে হবে। 

    আরও পড়ুন: নিজাম প্যালেসে সাড়ে তিন-ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে

    এদিন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর (Paresh Adhikary) মেয়ের বেআইনি নিয়োগ নিয়ে তোপ দাগেন শুভেন্দু। জানান, মেয়ের চাকরি-সহ তিন শর্তে ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন পরেশ অধিকারী। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘পরেশ অধিকারী যোগদানের সময়ে তিনটি শর্ত রেখেছিলেন। প্রথম, সমস্ত নিয়ম ভেঙে তাঁর মেয়েকে চাকরি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, তাঁকে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করতে হবে। তৃতীয়ত, চ্যাংড়াবান্ধা উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান করতে হচ্ছে তাঁকে।’’

    শুভেন্দুর মতে, কোনও আদর্শগত কারণে তিনি তৃণমূলে যোগ দেননি। দেওয়া-নেওয়ার শর্তের ভিত্তিতে তাঁর তৃণমূলে যোগ দেওয়া। তাঁর আরও দাবি, ‘‘বিনিময়ের ভিত্তিতে পরেশের এই যোগদান তৃণমূলনেত্রীর নির্দেশ ছাড়া হয়নি। নিয়মের বাইরে গিয়ে পরেশের মেয়েকে নিয়োগ মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে হয়েছে। সেতুবন্ধনের কাজটি করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।’’

    আরও পড়ুন: কলকাতা না এসে মেয়েকে নিয়ে নামলেন বর্ধমান স্টেশনে, হাইকোর্টে ফের ধাক্কা খেলেন মন্ত্রী পরেশ অধিকারী

     

  • SSC Recruitment Scam: “সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে কোনও ভুল নেই”, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বহাল সিবিআই তদন্ত

    SSC Recruitment Scam: “সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে কোনও ভুল নেই”, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বহাল সিবিআই তদন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগের দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্ত করবে বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বহাল থাকল সিঙ্গল বেঞ্চের রায়। মান্যতা দেওয়া হল অবসরপ্রাপ্ত রঞ্জিত বাগ কমিটির রিপোর্টে।

    এসএসসি-র নবম-দশমে শিক্ষক নিয়োগ ও গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ। এদিন সেই নির্দেশকেই সিলমোহর দিল ডিভিশন বেঞ্চ৷ অর্থাৎ, নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত যে সাতটি মামলাতেই সিঙ্গল বেঞ্চ সিবিআই তদন্ত এবং অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাই বহাল রেখেছে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি আনন্দ মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ৷ 

    এদিন এসএসসি-কে ভর্ৎসনা করে ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে কোনও ভুল নেই। এখনও পর্যন্ত যে তথ্যপ্রমাণ এসেছে তার কোনটাই এসএসসির পক্ষে যায়নি। এদিন রায় দিতে গিয়ে দুই বিচারপতি পর্যবেক্ষণে বলেন, সরকারি নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগে রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর নাম জড়িয়েছে৷ এই অবস্থায় সিঙ্গল বেঞ্চের বিচার প্রক্রিয়ায় স্বাভাবিক ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া থেকে কেউ বঞ্চিত হয়নি বলেই পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ৷ এমনকি, বিতর্কিত ভাবে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিদের বেতন বন্ধ করা বা ফেরত দিতে বলার সিদ্ধান্তেও কোনও ভুল নেই বলেও জানিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।

     

  • Partha Chatterjee: নিজাম প্যালেসে সাড়ে তিন-ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে

    Partha Chatterjee: নিজাম প্যালেসে সাড়ে তিন-ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School Service Commission) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Teachers recruitment scam) মামলায় প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে দাবি, উপদেষ্টা কমিটি তৈরি, শিক্ষক নিয়োগ, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে একাধিক প্রশ্ন করা হয়। রাত ৯টা নাগাদ সিবিআই দফতর থেকে বের হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

    বুধবার সন্ধে ৬টার মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ফের সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানান পার্থ। কিন্তু, বিচাপরতি হরিশ ট্যান্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর ডিভিশন বেঞ্চ কোনও নির্দেশ দিতে অস্বীকার করে। নিয়ম অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় নির্দেশ দিতে অস্বীকার করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। যার ফলে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল থাকে। তখনই একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে যায় যে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বুধবার সন্ধে ৬টার মধ্য়ে নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace) হাজিরা দিতে হচ্ছে।

    সেইমতো, বিকেল পাঁচটা নাগাদ নাকতলার বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজাম প্যালেসের উদ্দেশে রওনা দেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) মহাসচিব। নির্ধারিত সময়ের ২০ মিনিট আগেই তিনি নিজাম প্যালেসে পৌঁছে যান। তার আগেই বিকেল চারটের মধ্যে সিবিআই দফতরে পৌঁছে যান স্কুল সার্ভিস কমিশনের উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ কমিটির বাকি সদস্যরা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থকে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও এসএসসি উপদেষ্টা কমিটির পাঁচ সদস্যকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। 

    পার্থ চট্টোপাধ্যায় যখন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন তখন তাঁর পৌরোহিত্যেই উপদেষ্টা কমিটি তৈরি হয়েছিল। যে কমিটির গঠনকে আদালত নিযুক্ত বাগ কমিটি অবৈধ বলে তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে।  সিবিআই সূত্রে দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের উপদেষ্টা কমিটি কেন তৈরি হয়েছিল? কার নির্দেশে, কীভাবে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল? কমিটির সদস্য কারা হবেন, সেটা কারা ঠিক করেছিল? 

    সাড়ে তিন ঘণ্টায় প্রায় দুদফায় পার্থকে জেরা করা হয়েছে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, সাড়ে তিন ঘণ্টার জেরায় বেশিরভাগ প্রশ্নই এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্যেক প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর পুরো বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে বলে খবর।  রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ সেখান থেকে বের হন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে বেহালায় পার্টি অফিসে (TMC office) যান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

     

  • ED raid: রাজ্যে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানাচ্ছে বাংলাদেশিরা! কলকাতা সহ ১০ জায়গায় হানা ইডি-র

    ED raid: রাজ্যে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানাচ্ছে বাংলাদেশিরা! কলকাতা সহ ১০ জায়গায় হানা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে রাজ্যে এসে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়ে বসবাস করছে এমন ব্যক্তিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাল ইডি (ED)। শুক্রবার কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগণার আট থেকে দশটি জায়গায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগরের তিনটি জায়গায়, দমদমের একটি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু’টি জায়গা মিলিয়ে মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারী অফিসারেরা। এদিন সকাল থেকে ইডি-র প্রায় ৬০-৭০ জন আধিকারিক একাধিক দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি অভিযান চালান। 

    ইডি সূত্রে দাবি, বাংলাদেশের তদন্তকারী সংস্থার দেওয়া খবরের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হয়। এক আন্তর্জাতিক টাকা পাচার চক্রের মাথা প্রশান্তকুমার হালদার। বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। বাংলাদেশি হলেও, এপার বাংলায় ঢুকে নিজেকে ভারতীয় বলে পরিচয় দেন প্রশান্তকুমার পাল। তিনি নিজেকে পরিচয় দেন শিবশঙ্কর হালদার বলে। এমনকী, এদেশে ভুয়ো আধার কার্ড, রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড তৈরি করেন তিনি। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সেইসব জাল নথি ব্যবহার করে এদেশে প্রশান্ত কুমার পাল ও তাঁর সহযোগীরা প্রায় হাজার কোটি টাকা পাচার করেন। প্রশান্তকুমার হালদারের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। বেআইনি টাকার হদিশ পেতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি দেখে এদেশে ভুয়ো পরিচয়পত্রই বানিয়ে ফেলেছে অভিযুক্তেরা। শুধু তাই নয়, ভুয়ো পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে এরাজ্যে বাংলাদেশিরা রীতিমতো ব্যবসা খুলে বসেছে। বিপুল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বানিয়েছে। 

     স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অশোকনগরের মাছ ব্যবসায়ী সুকুমার মৃধাও এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তদন্তে জানা গিয়েছে, সুকুমার মাছ ব্যবসার আড়ালে হাওয়ালার কারবারে যুক্ত। বিভিন্ন অঞ্চলে জমি জায়গা কিনে ব্যবসা করেন তিনি। অশোকনগরে তাঁর একাধিক বাড়ি ও দোকান রয়েছে। এর সঙ্গে উঠে আসছে প্রশান্ত হালদার নামে এক ব্যক্তির নাম। প্রশান্ত মারফৎ এদেশে টাকা নিয়ে আসেন সুকুমার। শুক্রবার অশোকনগরে সুকুমার মৃধা-সহ প্রণব হালদার ও স্বপন মিশ্রর বাড়িতে একযোগে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। ইডির এক আধিকারিক জানান, রাজ্যে হালদারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন মৃধা। মনে করা হচ্ছে, শহরের বিভিন্ন জায়গায় বেনামে জমি কিনেছে তারা। মৃধা এবং হালদারের পরিবারের লোকজনদের থেকে খোঁজখবর নিচ্ছে ইডি।

  • insas rifle snatched: “বাংলা জেহাদিদের আঁতুড়ঘর”, বিএসএফের রাইফেল ছিনতাইকাণ্ডে ট্যুইট সুকান্তর

    insas rifle snatched: “বাংলা জেহাদিদের আঁতুড়ঘর”, বিএসএফের রাইফেল ছিনতাইকাণ্ডে ট্যুইট সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলের রাজত্বে বাংলা হয়েছে জেহাদিদের (jihadi) আঁতুড়ঘর। রাজ্যটি জেহাদিদের প্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে।” এমনটাই মনে করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (sukanta majumder)। মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙা স্থলবন্দরের কাছে বিএসএফের (BSF) কর্তব্যরত এক মহিলা কনস্টেবলের কাছ থেকে ইনস্যাস (Insas) রাইফেল ছিনতাই প্রসঙ্গে এমন ট্যুইট করেন সুকান্ত।

    বিএসএফ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে ১৫৩ ব্যাটেলিয়নের এক মহিলা কনস্টেবল পাহারা দিচ্ছিলেন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে (India Bangladesh border) ঘোজাডাঙা স্থলবন্দরের কাছে। আচমকাই কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় ইনসাস অ্যাসল্ট রাইফেল (Assault rifle) ও ২০ রাউন্ড গুলি। বিএসএফের এক আধিকারিক জানান, প্রহরারত মহিলা কনস্টেবলকে মারধর করে দুষ্কৃতীরা তাঁর সঙ্গে থাকা রাইফেল ও গুলি ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়।  

    এরপরই এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি শুরু করে বিএসএফ। আটক করা হয় এক ডজনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে। তবে বুধবার সন্ধে পর্যন্ত হদিশ মেলেনি খোয়া যাওয়া রাইফেলের। শেষমেশ বিএসএফের তরফে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বসিরহাট থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার জোবি টমাস কে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তাদের একটি ইনসাস রাইফেল (insas rifle) চুরি গিয়েছে বলে আমরা বিএসএফের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। সেই অনুযায়ী, আমরা মামলা শুরু করেছি। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তদন্ত চলছে। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। পুলিশের একটি অংশের মতে, রাইফেলটি ছিনিয়ে নিয়ে দুষ্কৃতীরা বাংলাদেশে গা-ঢাকা দিতে পারে।

    বিএসএফের এক মহিলা কনস্টেবলকে মারধর করে রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ট্যুইট করেন তিনি। লেখেন, “তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ জেহাদিদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। ঘোজাডাঙার এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এ রাজ্য জিহাদিদের প্রিয় জায়গায় পরিণত হয়েছে।”

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপির রাজ্য সভাপতির এই ট্যুইটের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের তরফে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

  • Partha Chatterjee: ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা পার্থর, সন্ধের মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজিরা না দিলে আদালত অবমাননা?

    Partha Chatterjee: ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা পার্থর, সন্ধের মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজিরা না দিলে আদালত অবমাননা?

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অস্বস্তিতে পড়লেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।  সিবিআইয়ের কাছে হাজিরার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু, মামলায় নির্দেশ দিতে অস্বীকার করে হরিশ ট্যান্ডনের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। 

    এসএসসি নবম-দশম ও গ্রুপ-সি গ্রুপ-ডি দুর্নীতি কাণ্ডে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে ফের সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আজ, বুধবার সন্ধে ছটার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরের হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ চাইতে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু, আদালত তাঁর সেই আবেদনের ভিত্তিতে কোনও নির্দেশ দিতে অস্বীকার করে। ফলে ডিভিশন বেঞ্চ থেকে কোনওরকম রক্ষাকবচ না মেলায় সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ বহাল থাকল। মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সিবিআই অফিসে হাজির হতে হবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। না হলে, তা হবে আদালত অবমাননার সামিল।

    এর আগে সকালে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, এদিন সন্ধে ৬টার মধ্যে সিবিআই দফতরে গিয়ে হাজিরা দিতে হবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজন সরকারি আধিকারিককে। ফলে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মন্ত্রীর সুপারিশে গঠিত নিয়োগ সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির পাঁচ সদস্যকে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হওয়ার কথা। এমনকী তদন্তে সহযোগিতা না করলে মন্ত্রী-সহ বাকি আধিকারিকদের প্রয়োজনে গ্রেফতার করারও সবুজ সঙ্কেত দিয়ে রাখে আদালত।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এদিন বিকেলের মধ্যে যাঁদের সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়, তসেই তালিকায় রয়েছেন এসএসসি চেয়ারম্যান শান্তিপ্রসাদ সিনহা, শিল্পমন্ত্রীর ওএসডি প্রদীপ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেপুটি ডিরেক্টর অফ স্কুল অলোক সরকার, প্রোগ্রাম অফিসার সমরজিৎ আচার্য এবং ল অফিসার তাপস পাঁজা। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টোর মধ্যে আদালতে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    “সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে কোনও ভুল নেই”, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বহাল সিবিআই তদন্ত

    পাশাপাশি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের কাছে সুপারিশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি বলেন, “আমি মনে করি, মুক্ত ও স্বচ্ছ সমাজ গড়ার স্বার্থে পার্থ চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করবেন বা তাঁকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এটা আমার অনুরোধ।” এর পাশাপাশি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এও জানান, “কাস্টোডিয়াল জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়া এই দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হবে না”। তবে নিজেই জানান, এটা শুধুমাত্র একটা সুপারিশ, কোনও নির্দেশ নয়।

    এর আগে ১২ এপ্রিল হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও সেবার ডিভিশন বেঞ্চ থেকে সেই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ আনা হয়। মামলার উপরেও স্থগিতাদেশ আনা হয়। তারপর আজ, বুধবার ওই মামলাগুলির শুনানি হয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ই বহাল রেখে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। তারপরেই ফের সিঙ্গল বেঞ্চের তরফে সিবিআইয়ের কাছে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।  

    এদিকে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দায়ের হওয়া মূল ৭টি মামলায় ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে রাজ্য। শীর্ষ আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষা দফতরকে। সূত্রের খবর, ডিভিশন বেঞ্চের অর্ডার কপি দেখে সুপ্রিম কোর্টে মামলা ফাইল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল শিক্ষা দফতরের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আইনজীবীদের আলোচনা শুরু হয়েছে। এই বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী কথা বলেছেন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে। আজই আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

     

     

  • Bhangar: ‘‌দ্বিতীয়বার দেখলে এখানেই গুলি করে দেব,’‌ মহিলাকে হুমকি তৃণমূল নেতার! ভিডিও ভাইরাল

    Bhangar: ‘‌দ্বিতীয়বার দেখলে এখানেই গুলি করে দেব,’‌ মহিলাকে হুমকি তৃণমূল নেতার! ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দফায় দফায় সিন্ডিকেট (TMC syndicate) তাণ্ডব থেকে হুমকি, বেশ কিছুদিন ধরেই খবরে তৃণমূল নেতাদের দাদাগিরি। বগটুই, ঝালদা, রানিগঞ্জ, হাঁসখালি, খড়দহ, ফলতা, বাঁশদ্রোণীর পর তালিকায় এবার নয়া সংযোজন- ভাঙড়। আবার প্রকাশ্যে এল আরও এক তৃণমূল নেতার শাসানি-হুমকি। এবার পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে এক মহিলাকে গুলি করে খুন করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। ফের কাঠগড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। 

    ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 parganas) ভাঙর (Bhangar) ১ নম্বর ব্লকের চন্দনেশ্বর এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম শাহজাহান মোল্লা। তিনি ভাঙর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্য়মে (social media) ভাইরাল (Viral video) হওয়ার পরই বিষয়টি নজরে আসে। হুমকির জেরে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে ওই আক্রান্ত মহিলার গোটা পরিবার।

    স্থানীয়  সূত্রে খবর, আক্রান্ত মহিলার নাম তন্দ্রা দাস। ওই মহিলার অভিযোগ, ‘‘প্রায় সাড়ে ১৪ বিঘা পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে তাঁর। দীর্ঘদিন ধরেই শাহজাহানের সঙ্গে তাঁদের পারিবারিক বিবাদ চলছে। এই জমিতে রয়েছে এক বিশাল আমবাগান। শাহজাহান গায়ের জোরে এই জমি দখল করে রেখেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। তাঁর আরও অভিযোগ, এই জমিতে একটি অবৈতনিক ফ্রি স্কুল চালাতেন তিনি। এই কাজে তাঁর মা-ও সাহায্য করতেন। উদ্দেশ্য ছিল এলাকার দুস্থ পরিবারের ছেলে-মেয়েকে প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ দেওয়া। কিন্তু বছর খানেক আগে সেই স্কুল ভেঙে দিয়েছেন শাহজাহান মোল্লা। 

    অভিযোগকারিণীর আরও জানিয়েছেন,  ৮ এপ্রিল তিনি এবং তাঁর মা ফের বিতর্কিত জমির আমবাগানে গিয়েছিলেন। সেই সময় শাহজাহান মোল্লা এবং তাঁর দলবল তাঁদের উপরে চড়াও হয়। রডের বাড়ি মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকী মাটিতে পড়ার পরও পায়ে রডের বাড়ি মারা হয় বলে অভিযোগ। গায়ে কীটনাশক ছিটিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। শাহজাহান মোল্লা গুলি করে খুনের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ। 

    পুলিশের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন আক্রান্ত মহিলা। তাঁর অভিযোগ, যে সময় শাহজাহান তাঁকে হুমকি দিচ্ছিল, সেই সময় তৃণমূল নেতার দুই দেহরক্ষী ও পুলিশকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা কেউই আটকাননি। অভিযোগকারিণীর বয়ানে কাঠগড়ায় ভাঙড় থানাও। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের না করার অভিযোগও করেছেন আক্রান্ত মহিলা৷ তাঁর অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ হলে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, তৃণমূলের নেতার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেওয়া যাবে না। মহিলা জানিয়েছেন, শেষমেশ তিনি একটি জেনারেল ডায়েরি করে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন। 

    যদিও, ভাঙড় থানা এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা যদিও হুমকি দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। রেকর্ড করা অডিও ক্লিপটি তাঁর নয় বলেও দাবি করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ভাঙরের এই ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তন্দ্রাকে উদ্দেশ্য করে শাহাজাহান মোল্লা বলছেন, ‘‌দ্বিতীয়বার দেখলে এখানেই গুলি করে দেব।’‌ যদিও এই ভিডিয়ো–র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ঘটনার জেরে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে ওই আক্রান্ত মহিলার গোটা পরিবার।  

    তৃণমূল নেতাদের প্রভাব এবং দলগত প্রভাব স্থানীয় পুলিশের উপরে কতটা তা ঝালদাকাণ্ডে সামনে এসেছে। যেখানে কংগ্রেস কাউন্সিলার তপন কান্দুকে গুলি করে খুনের ঘটনায় ভাইরাল হয়েছে স্থানীয় থানার আইসি-র অডিও ক্লিপ। যেখানে আইসি-কে পরিস্কার বলতে শোনা যাচ্ছে ঝালদা পুরসভার পুরবোর্ড গঠন নিয়ে তপন কান্দুর সঙ্গে দরকষাকষি নিয়ে সওয়াল করতে। যদিও, এই ঘটনায় এখন সিবিআই তদন্ত চলছে। সেই একই রকম ঘটনার সাদৃশ্য যেন ভাঙড় থানার ভূমিকাতেও। 

    রাজ্যজুড়েই বারবার সামনে আসছে তৃণমূল নেতাদের দাপট এবং গোষ্ঠীকোন্দল। ফলতায় এক ইঞ্জিনিয়ার এবং তাঁর স্ত্রীকে রাস্তায় ফেলে মারধর করেছেন এক তৃণমূল নেতা। সেই ইঞ্জিনিয়ার এখন বাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে গিয়েছেন এবং নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। খড়দহর রহড়ায় রাস্তার উপরেই এক তৃণমূল কর্মীকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও এখন ভাইরাল নেটদুনিয়ায়। 

    যেখানে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। সেখানে কীভাবে দিনে-দুপুরে একজন মহিলাকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের হুমকি- এই নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন উঠেছে। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এই ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন এবং রাজ্য সরকারকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নিশানা করেছেন। পুলিশের বলে বলীয়ান হয়ে শাসকদলের নেতারা এমন আচরণ করছেন। 

    বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষও ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে। প্রাকাশ্যে কাউন্সিলার খুন হয়ে যাচ্ছে। হুমকি শুধু নয়, মেরেও দেওয়া হচ্ছে। মহিলাদেরকেও ছাড়া হচ্ছে না। আইনকানুন বলে কিছু নেই। আইনশৃঙ্খলার এই পরিস্থিতির মধ্যে কত কিছু বিনিয়োগের কথা বলা হচ্ছে, কেউ কি পাগল হয়েছে এমন পরিস্থিতির মধ্যে রাজ্যে কোনও বিনিয়োগ করবে? 

     

     

  • BJP Rally Kolkata: দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপি যুব মোর্চার অভিযানে ধুন্ধুমার, মিছিল রুখতে ব্যারিকেড-জলকামান পুলিশের

    BJP Rally Kolkata: দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপি যুব মোর্চার অভিযানে ধুন্ধুমার, মিছিল রুখতে ব্যারিকেড-জলকামান পুলিশের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) যুব মোর্চার (BJP Youth wing) বিকাশ ভবন (Bikash Bhawan) অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার সল্টলেকের (Salt Lake) করুণাময়ী। স্কুল সার্ভিস কমিশনে (SSC) শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির (Teachers recruitment scam) প্রতিবাদে পথে নেমেছিল বিজেপি। কর্মসংস্থানের দাবি তুলে এবং পুলিস নিয়োগ-সহ একাধিক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এদিন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল।

    প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের (heatwave) মধ্যেও মঙ্গলবার দলের যুব মোর্চার তরফে বিকাশ ভবন অভিযান শুরু হয়। কলকাতা ও সল্টলেকের বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের  পাশাপাশি লাগোয়া জেলাগুলি থেকেও বিজেপির বহু কর্মী এসে ভিড় জমিয়েছিলেন করুণাময়ী চত্বরে। 

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপির মিছিলে যোগ দেন যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP Youth national President) তেজস্বী সূর্য (Tejasvi Surya), মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ছিলেন দলীয় নেত্রী তথা মহিলা বিজেপির রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

    বিকাশ ভবনের আগেই যুব মোর্চা কর্মীদের মিছিল ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয় পুলিশ। প্রচুর সংখ্যক পুলিশ বিকাশ ভবনের আশপাশে মোতায়েন করা হয়েছিল। যুব মোর্চা কর্মীরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পুলিশের তুমুল বচসা শুরু হয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। সেই সময়ই আন্দোলনকারীদের ওপর জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ।

    এরপরই রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (BJP State President)। সুকান্ত মজুমদার বলেন,  কয়েক লক্ষ টাকা দিয়ে বহু পরীক্ষার্থী চাকরি পেয়েছেন। নবান্নের ১৪ তলায় বসে প্যানেল তৈরি করা হয়েছে। পুলিস-সিআইডি সবটা জেনেও চুপ করে বসেছিল। কোর্টের নির্দেশে সিবিআই ঘটনার তদন্ত করছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চের দয়ায় ‘বেঁচে’ রয়েছেন বলেও কটাক্ষ করেন সুকান্ত।

    [tw]


    [/tw]

    অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Pal) নিশানা করেন মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, “একটা মিথ্যা কথা ঢাকতে গিয়ে উনি আর একটা মিথ্যা কথা বলছেন। এবার বললেন, ৪০ লক্ষ চাকরি হয়েছে! কোথায় চাকরি? শ্বেতপত্র বার করুন। আমরা খুশি হব। চাকরি কেউ পাচ্ছে না। যারা যোগ্য, তারা ওই গাঁধীমূর্তির পাদদেশে অনশন করছে। আর যারা অযোগ্য, তারা টিএমসির সাপোর্টার, পিছনের দরজা দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার মাধ্যমে চাকরি পাচ্ছে। এটা চলতে পারে না।”

     

  • Arpita Mukherjee: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    Arpita Mukherjee: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি আবাসনেই চারটি ফ্ল্যাট। প্রত্যেকটিই বেনামি (Benaami)। কিন্তু আবাসনের সকলেই জানতেন চারটি ফ্ল্যাটের মালকিনই অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। ইডির তদন্তে সব তথ্যই জমা পড়েছে। যাঁদের নামে ওই ফ্ল্যাটগুলি কেনা হয়েছে বা নথিভূক্ত রয়েছে তাঁদের সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) যোগসূত্র কী তা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে তদন্তকারী সংস্থা। 

    সবচেয়ে রহস্যের বিষয়, পুরো আবাসনে একমাত্র এই চারটি ফ্ল্যাটে কারা আসছেন, কোনও গাড়ি ঢুকছে, কতক্ষণ থাকছে তা নিরাপত্তা রক্ষীরা রেকর্ড রাখতে পারতেন না। কোনও এক অজানা হাত আবাসনের নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে তেমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন। ফলে ‘মাই গেট’ অ্যাপ (My Gate App) থেকে এই চারটি ফ্ল্যাটকে বাদ রাখা হয়েছিল। ইডির তদন্তে সেই প্রসঙ্গটিও আতসকাচের নীচে চলে এসেছে।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, ডায়মন্ড সিটি আবাসনে অর্পিতার নিয়ন্ত্রণে চারটি ফ্ল্যাট ছিল। টাওয়ার-২’তে ১এ নম্বরের ফ্ল্যাটটি রয়েছে সেন্ট্রি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেড এবং কল্যাণ ধরের নামে। টাওয়ার-২তে ১৮ডি এবং ১৮ই ফ্ল্যাট দুটি রয়েছে অ্যালকোভ রিয়েলটি প্রজেক্টসের নামে। একই টাওয়ারে ১৯আই নম্বরের ফ্ল্যাটটি আশুতোষ শি এবং শর্মিষ্ঠা চৌধুরির নামে নথিভূক্ত রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পার্থকে সরালেও এখনও কেন বহাল পরেশ? মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    ইডি (ED) জেনেছে, বিভিন্ন জনের নামে ফ্ল্যাটগুলি কেনা থাকলেও আসলে সেগুলির নিয়ন্ত্রক ছিলেন অর্পিতা। তদন্তকারীদের সামনে তিনি অবশ্য জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কথা। বেনামি মালিকদের সূত্র ধরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা আরও কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান মিলেছে। সেই সূত্রেই বেলঘরিয়া, চিনার পার্কসহ আরও কয়েকটি স্থানে লুকনো ঠিকানার সন্ধান পেয়েছে ইডি।

    তদন্তকারীদের একাংশ জানাচ্ছেন, বেনামি ফ্ল্যাট কেনা টাকা ঘোরানোর সহজ পথ। কিন্তু আবাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে ফ্ল্যাট রাখার মধ্যে অপরাধমূলক মানসিকতা রয়েছে। ইডির দাবি, বহুতল আবাসনের সুরক্ষার জন্য ‘মাই গেট’ নামে অ্যাপ খুবই উপযোগী এবং জনপ্রিয়। এই অ্যাপ আবাসিকদের কাছে থাকে। কোনও ভিজিটর ফ্ল্যাটে আসতে চাইলে মাই গেট অ্যাপের মাধ্যমেই আবাসনের গেট থেকে নিরাপত্তারক্ষীরা অনুমতি চান। এটা অনেকটা ব্যাঙ্কিং ওটিপি পাঠানোর মতো। ফ্ল্যাটের বাসিন্দা অনুমতি দিলে তবেই আবাসনের ভিতর কোনও ভিজিটর প্রবেশ করতে পারেন বা গাড়ি ঢুকতে পারে।

    ষড়যন্ত্রের শিকার! দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, কেন এমনটা বললেন তিনি?
     
    তদন্তে নেমে ইডি যখন মাই গেট অ্যাপে অর্পিতার চারটি ফ্ল্যাটে ভিজিটরদের রেকর্ড চান, তখন নিরাপত্তা সুপাইভাইজার জানান, ওই চারটি ফ্ল্যাটে কে আসছেন, কে যাচ্ছেন, কোন গাড়িতে আসছেন তা রেকর্ড রাখা বা জানার অধিকার তাঁদের ছিল না। অর্পিতার বিলাসবহুল ফ্ল্যাট বলে আসলে যা বলা হচ্ছে তা যে আসলে বেনামি তা এবার স্পষ্ট। ইডির তদন্ত শুরু এখান থেকেই। এসএসসি দুর্নীতির (SSC scam) টাকা নাকি তৃণমূলের (TMC) দলীয় তহবিলের কিছু অংশ মিলেছে ডায়মন্ড সিটির (Diamond City) ফ্ল্যাট থেকে। তা হলে পার্থ-অর্পিতাতেই (Partha-Arpita) তদন্ত থামছে না। আরও উপরে উঠবে সেই তদন্ত, এমনই আভাস।

  • Dilip Ghosh: “বাংলা অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়, টেররিস্টদের হাব হয়ে গিয়েছে”, রাজ্য প্রশাসনকে  তুলোধনা দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: “বাংলা অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়, টেররিস্টদের হাব হয়ে গিয়েছে”, রাজ্য প্রশাসনকে  তুলোধনা দিলীপ ঘোষের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: জাহাঙ্গিরপুরী (Jahangirpuri) গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ-যোগ উঠে আসতেই এবার রাজ্য প্রশাসনকে একহাত নিল বিজেপি (BJP)। মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারকে (TMC Govt) তুলোধনা করলেন দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‌বাংলা অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়। বাংলাদেশে ক্রাইম করে এসে এখানে আশ্রয় নিচ্ছে। পাঞ্জাবে ক্রাইম করে এসে বাংলায় লুকোচ্ছে। এটা একটা টেররিস্টদের হাব হয়ে গিয়েছে। সমাজবিরোধী এবং গুন্ডাদের হাব বাংলা। এখানকার সরকার কতটা অকর্মণ্য তা এর থেকেই প্রমাণ হচ্ছে। বাংলার ইমেজ নষ্ট হচ্ছে।’‌

    খড়্গপুরের সাংসদ আরও বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর লজ্জা থাকা উচিত। ১১ বছর ধরে উনি পুলিশমন্ত্রী। কি করেছেন? প্রথমে বিরোধীদের ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সফলও হয়েছেন। ওনার কথা চলছে না, শুনছে না তাহলে উনার পদত্যাগ করা উচিত।’‌

    প্রসঙ্গত, জাহাঙ্গিরপুরীতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার বড় সাফল্য পায় দিল্লি পুলিশ। ঘটনার অন্যতম চক্রী ফরিদ ওরফে নিতুকে তমলুক থেকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। গোড়া থেকেই দিল্লি পুলিশ অভিযোগ করে আসছিল, জাহাঙ্গিরপুরী হিংসার অভিযুক্তরা পালিয়ে পশ্চিমবঙ্গে গা ঢাকা দিয়েছে। সেই মতো দিল্লি পুলিশের বিশেষ দল বেশ কয়েকদিন ধরে পূর্ব মেদিনীপুরে এসে তল্লাশি চালাচ্ছিল।  

    বৃহস্পতিবার গোপন সূত্রে দিল্লি পুলিশের দলটি জানতে পারে, কাকার বাড়িতে লুকিয়ে রয়েছে ফরিদ। এরপরই তার কাকার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন দিল্লি পুলিশের আধিকারিকরা। ধলহরা গ্রামের ওই বাড়িতে আত্মগোপন করেছিল ফরিদ। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেখানে অতর্কিতে হানা দিয়ে অবশেষে নিতুকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ।

     

     

LinkedIn
Share