Tag: West Bengal news

West Bengal news

  • SSC recruitment scam: হাসপাতাল-বর্মে রক্ষা অনুব্রতর, পার্থর কী হবে?

    SSC recruitment scam: হাসপাতাল-বর্মে রক্ষা অনুব্রতর, পার্থর কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই(cbi) এড়াতে এসএসকেএমে(sskm) গিয়ে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের(tmc) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল(anubrata mondal)। অন্ততঃ বিরোধীদের অভিযোগ এমনই। অনুব্রত পারলেও, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়(partha chaterjee) পারবেন না। কারণ বাধা হয়ে দাঁড়াবে (calcutta high court) হাইকোর্টের রায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ সাফ জানায়, নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে পার্থকে। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি ডিভিশন বেঞ্চে যান পার্থ। চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ জারি করে ডিভিশন বেঞ্চ। 

    গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই তলব করে অনুব্রতকে। পরপর পাঁচবার ডেকে পাঠানো হয়  বীরভূমের এই দাপুটে তৃণমূল নেতাকে। প্রতিবারই নানা অজুহাতে সিবিআই এড়ান তিনি। শেষবারের বেলায় অনুব্রত সটান গিয়ে ভর্তি হয়ে যান এসএসকেএমে। সিবিআই এড়াতেই অনুব্রত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে দাবি করেন বিরোধীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও হাসির রোল ওঠে।

    নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ এবং গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় নাম জড়ায় এসএসসির বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্তার। ওই ঘটনায় পার্থকে জেরা করার সিদ্ধান্ত নেয় সিবিআই। মামলাকারী আব্দুল গনি আনসারির দায়ের করা নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দেয়, এদিনই বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হতে হবে পার্থকে। তবে সিবিআই এড়াতে কোনওভাবেই তিনি এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হতে পারবেন না।

    কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন পার্থ। শেষমেশ এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। এই চার সপ্তাহ কোনও তদন্ত করতে পারবে না সিবিআই। তার পরেই স্বস্তির শ্বাস ফেলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। 

    হাইকোর্টের রায় নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে না চাইলেও, বিরোধীদের দাবি, সিবিআই এড়াতে রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতাই গিয়ে ভর্তি হয়ে যান এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। যার প্রমাণ মিলল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে।  সিবিআই এড়াতে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতারা যে গিয়ে তড়িঘড়ি এসএসকেএমে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন, তার হাতে গরম উদাহরণ রয়েছে আরও। তৃণমূল নেতা মদন মিত্র, প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও সিবিআই এড়াতে হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। 

     

  • Dilip Ghosh: “খালি মোদিজীর টাকায় ফুটানি মারবেন…মানুষ কি বুঝতে পারে না!”, মমতাকে আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: “খালি মোদিজীর টাকায় ফুটানি মারবেন…মানুষ কি বুঝতে পারে না!”, মমতাকে আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কেন্দ্রের (central government) কাছে বিপুল বকেয়া টাকার (pending dues) হিসেব নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন (Nabanna) সভাঘর থেকে কেন্দ্রের এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Modi) বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। এমনকী, রাজ্যের চিঠিতে কেন্দ্র  জবাব দিচ্ছে না অভিযোগ তুলে মোদি সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। এবার এই ইস্যুতেই তৃণমূল সুপ্রিমোকে পাল্টা বিঁধলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতার তোলা অভিযোগের একের পর এক জবাব দিলেন বিজেপি সাংসদ। বললেন, ‘‌রাজ্যের বকেয়া রয়েছে নাকি। দিল্লির কাছে আমিও জানতে চাইছি ৯৭ হাজার কোটি টাকার হিসেব এল কোথা থেকে? ৪৩ হাজার কোটি টাকা আমফান–সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য তা বোঝা গেল৷ আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টারে চড়ে যে খরচ করেছেন সেই খরচ দাবি করছেন। 

    অন্য রাজ্যের উদাহরণ দিয়ে বিজেপি নেতার  আরও কটাক্ষ, ‘পার্টির লোককে সরকারি পয়সায় পুষবেন আর সেই টাকা দিল্লি দেবে? অন্য রাজ্য কান্নাকাটি করে না। কেন টাকা নেই টাকা নেই বলে দাবি? খালি মোদিজির টাকায় ফুটানি মারবেন। আর দিল্লির প্রকল্প নিজের নামে চালাবেন। বাংলার মানুষ কি বুঝতে পারে না?’

     

     

     

  • Paresh Adhikary: শনিবার টানা চার ঘণ্টা জেরা পরেশকে, ডাকা হতে পারে আবারও?

    Paresh Adhikary: শনিবার টানা চার ঘণ্টা জেরা পরেশকে, ডাকা হতে পারে আবারও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই (cbi) কর্তাদের টানা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পরেশ অধিকারী (Paresh Chandra Adhikary)। স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School service commission) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Teachers recruitment scam) মামলায় আজকের ধরে পরপর তিনদিন তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখে পড়লেন রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। 

    বৃহস্পতিবার একপ্রস্ত জেরা করার পর শুক্রবার ফের একদফা জেরা করা হয় তাঁকে। শনিবার হয় আরও একবার। এদিন বেলা এগারোটা নাগাদ তাঁকে জেরা করতে শুরু করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা। নিজাম প্যালেস থেকে বের হন ঘণ্টা চারেক পরে। সিবিআইয়ের একটি সূত্রের খবর, আগামিকাল, রবিবার ফের একবার নিজাম প্যালেসে ডাকা হতে পারে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে।

    এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (ssc recruitment scam) মামলায় তৃণমূল নেতা তথা শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে মেয়ে অঙ্কিতাকে অনৈতিকভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর পরেই কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে  জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দেয়। তার পরেও প্রথম নির্দেশে হাজিরা না দেওয়ায় পরেশ ও তাঁর মেয়ে অঙ্কিতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে সিবিআই।  

    আরও পড়ুন : চাকরি থেকে বরখাস্ত পরেশ-কন্যা অঙ্কিতা, বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রথমবার নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হন পরেশ। সেদিন কয়েক ঘণ্টা জেরার পর ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। শুক্রবার ফের জেরা করা হয় পরেশকে। এদিন প্রায় সাড়ে ছ’ঘণ্টা সিবিআইয়ের প্রশ্নবাণের সামনে বসেছিলেন তিনি। যদিও নিজাম প্যালেসে তাঁকে থাকতে হয়েছিল ন’ ঘণ্টা। শনিবার ফের নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হন পরেশ। এদিন তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পুরো পর্ব এদিন ভিডিওগ্রাফি করা হয়। এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহার দেওয়া বয়ানের সঙ্গে পরেশের বয়ান মিলিয়েও দেখা হয়।

    কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, এদিন বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পরেশ। বেশ কিছু প্রশ্নের জবাবে ছিলেন নীরব। তাই সন্তুষ্ট নন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই রবিবার ফের ডাকা হতে পারে তাঁকে। সিবিআই সূত্রে খবর, কোন কোন প্রভাবশালীর সঙ্গে পরেশের যোগাযোগ রয়েছে, এদিন মন্ত্রীর কাছে তা জানতে চাইতে পারেন গোয়েন্দারা। বাম জমানার মন্ত্রী পরেশ তৃণমূলে যোগ দেওয়ার আগে কোন কোন নেতার সঙ্গে কী কী বিষয়ে তাঁর আলোচনা হয়েছিল, তাও জানতে চাইতে পারেন। নির্দিষ্ট কোনও বিষয়ে পরেশের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও রফা হয়েছিল কিনা, তাও জানতে চাইতে পারেন গোয়েন্দারা।  

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu) দাবি করেছিলেন, তিনটি শর্তে পরেশ যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। প্রথম শর্ত, মেধা তালিকায় ওয়েন্টিং লিস্টে না থাকা সত্ত্বেও মেয়ের চাকরি। দ্বিতীয় শর্ত, চ্যাংরাবান্ধা উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানের পদ এবং তৃতীয় শর্ত, কোচবিহার লোকসভার টিকিট। তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে এই প্রথম শর্তটি নিয়ে তাঁর সত্যি সত্যিই কোনও আলোচনা হয়েছিল কিনা, রবিবার তা জানতে চাইতে পারেন তদন্তকারীরা।

     

  • Hanskhali Minor Rape: হাঁসখালি ধর্ষণ-কাণ্ডের তদন্তভারও পেল সিবিআই, প্রবল চাপে মমতা-প্রশাসন

    Hanskhali Minor Rape: হাঁসখালি ধর্ষণ-কাণ্ডের তদন্তভারও পেল সিবিআই, প্রবল চাপে মমতা-প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিড়ম্বনার মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন রাজ্য প্রশাসন। বগটুইকাণ্ড ও তপন কান্দু হত্যা-মামলার তদন্তভার আগেই সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বীরভূম গণহত্যা থেকে শুরু করে কংগ্রেস কাউন্সিলর খুন, সব ক্ষেত্রেই মুখ পুড়েছে রাজ্য পুলিশের। এবার নদিয়ার হাঁসখালির ধর্ষণ মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তের দাবিতে উচ্চ আদালতে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা।

    সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে এই মামলায় জনস্বার্থ মামলা দাখিল করেন জনৈক আইনজীবী অনিন্দ্য সুন্দর দাস। এদিকে এই ঘটনায় আরও একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। সেটি করেছেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। হাঁসখালির ঘটনার প্রতিবাদে মৌন মিছিল বের করে বিজেপি। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়ে এই মিছিলের ডাক দেয় বিজেপি। নেতৃত্বে স্থানীয় বিধায়ক আশিস বিশ্বাস। পাশাপাশি, বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল পৌঁছয় গ্রামে। তাঁরা থানায় তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন।

    অভিযোগ, গত ৪ এপ্রিল ১৪ বছরের নাবালিকাকে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে মদ্যপান করায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সমর গয়ালির ছেলে ব্রজগোপাল গয়ালি ওরফে সোহেল। এর পর সে ও তার বন্ধুরা মিলে গণধর্ষণ করে নাবালিকাকে। রাতে এক মহিলাকে দিয়ে নাবালিকা প্রেমিকাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় সে। এর পর ক্রমশ অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকে নাবালিকা। কিন্তু নাবালিকাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধা দেয় ব্রজগোপাল। পরে বাড়িতেই মৃত্যু হয় নাবালিকার। 

    রাতারাতি ওই নাবালিকার দেহ জোর করে দাহ করানোর অভিযোগও উঠেছে ওই তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, দ্রুত নাবালিকার দেহ সৎকারে বাধ্য করে ব্রজগোপাল। পুলিশকে এই বিষয় না জানাতে হুমকি দেয় নাবালিকার পরিবারকে। বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার, খুন করে ফেলার হুমকিও দেয় ব্রজগোপাল। জানা যায়, ওই নাবালিকার দেহ গত সোমবার রাতে দাহ করা হয়েছিল বিনা ডেথ সার্টিফিকেটে। ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়া কীভাবে দেহ দাহ করা হল তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

    পরিবারের দাবি, সোমবার রাতে নাবালিকাকে ধর্ষণের পর অসুস্থ অবস্থায় কোয়াক ডাক্তার অসিতকুমার বিশ্বাসের কাছে ওষুধ আনতে যান ওই নাবালিকার পরিবার। আর ফেরেননি। ধর্ষণের জেরে অত্যাধিক রক্তপাতে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় শ্মশানে দাহ করা হয় ওই নির্যাতিতা কিশোরীর দেহ। কেরোসিন ঢেলে দাহ করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    এই ঘটনার কয়েকদিন পর হাঁসখালি থানায় অভিযোগ দায়ের করে মৃত কিশোরীর পরিবার। এরপরই মূল অভিযুক্ত ব্রজগোপালকে গ্রেফতারির দাবি ওঠে। রবিবার তাকে গ্রেফতার করে হাঁসখালি থানার পুলিশ। পাশাপাশি অভিযুক্তের বাবা সমীর গয়ালি যিনি পঞ্চায়েত সদস্য, তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নদিয়া জেলা দক্ষিণের সভাপতি রত্না ঘোষ কর এ প্রসঙ্গে জানান, সমীর গয়ালিকে তৃণমূল দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে, সমরের ভাগ্নে দিবাকরকে আটক করেও পরে তাঁকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। 

    এদিন, শ্মশানকর্মী ও কোয়াক ডাক্তারকে রানাঘাট মহকুমা আদালতে পাঠায় পুলিশ। শ্মশানকর্মী করুণা বাউলি ও কোয়াক ডাক্তার অসিতকুমার বিশ্বাসকে পুলিশে আদালতে পাঠায় গোপন জবানবন্দির জন্য।

  • Madhyamik Results 2022: জুনের প্রথম সপ্তাহেই মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! উচ্চমাধ্যমিক, জয়েন্টের রেজাল্ট কবে? জানুন

    Madhyamik Results 2022: জুনের প্রথম সপ্তাহেই মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! উচ্চমাধ্যমিক, জয়েন্টের রেজাল্ট কবে? জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহেই প্রকাশিত হতে পারে মাধ্যমিক পরীক্ষার (Madhyamik Results 2022) ফল। সব ঠিক থাকলে ৩ জুন মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হতে পারে। চলতি বছরের ১৬ মার্চ মাধ্যমিক (Madhyamik) পরীক্ষা শেষ হয়েছে। প্রতি বছরের মত এবারও তিনমাসের মাথায় ফল প্রকাশিত হতে চলেছে। মাধ্যমিকের পরই জুনের মাঝামাঝি সময়ে উচ্চমাধ্যমিকের (HS Results 2022) ফলপ্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। তারপরই বেরোবে জয়েন্টের রেজাল্টও।
      
    সূত্রের খবর, আগামী ৩১ মে, ১ ও ২ জুন ফলপ্রকাশের বিষয়টি নিয়ে সংসদ বৈঠকে বসবে। সেখানেই স্থির হবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ। উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার কথা জুনের ১৫ তারিখের মধ্যে। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে সংসদ। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যও বলেছিলেন আগামী জুন মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের চেষ্টা করা হবে। তবে এখনও জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের সঙ্গে কথা হবে, বলে সূ্ত্রের খবর।  এরপর শিক্ষাদফতরের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই ফলঘোষণার দিনক্ষণ জানাবে সংসদ।

    কোভিডের (COVID-19) কারণে বহুদিন ক্লাস না হওয়ায় চলতি বছরে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকে সিলেবাস কমানো হয়েছিল। ২০২০ সাল থেকে শুরু হয় কোভিডের দাপট। টানা বন্ধ ছিল স্কুল। পরের বছর মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক দু’টি পরীক্ষাই হয়নি। কিছুদিন ক্লাস হলেও শেষ হয়নি সিলেবাস। সেই কারণে চলতি বছরে দু’টি পরীক্ষাতেই সিলেবাসের বোঝা কমানো হয়। পর্ষদ এবং সংসদ প্রায় ৩০ শতাংশ করে কম সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়েছে এবার। ২০২৩-এ রাজ্যের দুই মেগা পরীক্ষা পূর্ণ সিলেবাসেই হওয়ার কথা। তারই প্রস্তুতি নিচ্ছে পর্ষদ এবং সংসদ। কিন্তু চলতি বছরে জানুয়ারির জায়গায় ক্লাস শুরু হয়েছে ফেব্রুয়ারি থেকে। গরমের ছুটি ২২ দিনের জায়গায় বেড়ে হয়েছে ৪৫ দিন। এর মধ্যে হোম সেন্টারে উচ্চমাধ্যমিক হওয়ায় ক্লাস হয়নি কিছুদিন। এর ফলে দশম এবং দ্বাদশের ক্লাস প্রায় তিনমাস অতিরিক্ত বন্ধ থেকেছে। সিলেবাস আদৌ শেষ করা যাবে কি না তা নিয়ে সন্দিহান শিক্ষকরা।

  • National Education Policy: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি

    National Education Policy: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি

    কলকাতা: কেন্দ্র-রাজ্য় সংঘাত (Centre-Bengal spat) এবার শিক্ষাক্ষেত্রেও।  কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতির (National Education Policy) পর্যালোচনা করতে এবার বিশেষ কমিটি গঠন করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal government) । ১০ সদস্যের ওই কমিটিতে রয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।

    গত ৮ এপ্রিল, ওই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয় রাজ্য প্রশাসনের তরফে। এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, পৃথক রাজ্য শিক্ষানীতির (State Education Policy) প্রয়োজন রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে ওই কমিটি। কেন্দ্রের শিক্ষানীতি (NEP 2020) প্রকাশ পাওয়ার পর মহারাষ্ট্র ও কেরল সরকার যেমন নিজেদের পৃথক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তেমন কোনও পদক্ষেপ এরাজ্যও গ্রহণ করতে পারে কি না, তা পর্যালোচনা করবে ওই বিশেষজ্ঞ কমিটি। ওই আধিকারিক বলেন, সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (University Grant Commission) নেওয়া নির্দেশিকাও (UGC guidelines) খতিয়ে দেখবে ওই কমিটি।

    রাজ্যের গঠিত ১০ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন — কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Columbia University) অধ্যাপিকা গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক, যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের (Jadavpur University) উপাচার্য সুরঞ্জন দাস, এনআইটি দুর্গাপুরের ডিরেক্টর অনুপম বসু এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের (Harvard University) অধ্যাপক সুগত বসু (Sugata Basu), সংস্কৃত ভাষা বিশেষজ্ঞ নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ি (Nrisingha Prasad Bhaduri) প্রমুখ। 

    এর আগের দিন, অর্থাৎ গত ৭ এপ্রিল, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bengal Education Minister Bratya Basu) ঘোষণা করেছিলেন যে, কেন্দ্রের শিক্ষানীতি কার্যকর করবে না পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। পরিবর্তে, রাজ্য সরকার নিজস্ব শিক্ষানীতি প্রণয়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, অন্য সব ক্ষেত্রের মতো শিক্ষাতেও জোর করে নিজেদের নীতি জারি করার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন।  তবে, আমরা তাতে রাজি নই। ফলত, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি নিজস্ব শিক্ষানীতি তৈরি করার। 

    শিক্ষা দফতর (West Bengal Education Department) সূত্রে খবর, আগামী দুমাসের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে এই কমিটি। রাজ্য সরকারের পৃথক নীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ি বলেন, নিজস্ব শিক্ষানীতি প্রণয়ন করার অধিকার রয়েছে রাজ্যের। এটি ভালো সিদ্ধান্ত। তাঁর মতে, ভারতের মতো জনবহুল এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির দেশে অভিন্ন শিক্ষানীতি কখনই কাম্য নয়। 

    অন্যদিকে, কেন্দ্রের (Modi government) তরফে যুক্তি, জাতীয় শিক্ষানীতির ফলে উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়াদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। কেন্দ্রের মতে, জাতীয় শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হল ২০৩৫ সাল নাগাদ বৃত্তিমূলক শিক্ষা সহ উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়াদের মোট নিবন্ধীকরণের হার (Gross Enrolment Ratio) ২৬.৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা। 

     

  • West Bengal: ১৮ দিনে ৬ তদন্তভার সিবিআইকে, কেন মমতার পুলিশে আস্থা হারাচ্ছে আদালত? 

    West Bengal: ১৮ দিনে ৬ তদন্তভার সিবিআইকে, কেন মমতার পুলিশে আস্থা হারাচ্ছে আদালত? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়সীমা মাত্র ১৮ দিন। তার মধ্যেই ছ’টি মামলায় সিবিআই তদন্তের (CBI investigation) নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ক্রমেই রাজ্য পুলিশে (West Bengal police) আস্থা হারাচ্ছে আদালতও। তাই সত্য উদ্ঘাটনে দ্বারস্থ হতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (CBI)। 

    বামেরা বলছে, তাদের জমানার শেষের দিকে পাঁচ বছরে তিনটি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। আর তৃণমূল জমানায় ১৮ দিনেই ৬টি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নিখাদ রাজনীতি করতে গিয়েই পুলিশকে দলদাসে পরিণত করেছে রাজ্যের শাসক দল। যার জেরে ক্রমেই বাড়ছে সিবিআই তদন্তের দাবি।

    পুরসভা ভোটের ফল বেরনোর পরে পরেই খুন হন কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু। পুরুলিয়ার ঝালদার ওই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই শুরু। ওই ঘটনার পরে পরেই রহস্য মৃত্যু হয় তপন খুনের প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের। ওই ঘটনার তদন্তের রাশও যায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে। 
    এর পরেই ঘটে রাজ্য তোলপাড় করা ঘটনা। রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে খুন হন স্থানীয় উপপ্রধান তৃণমূলের ভাদু শেখ। ওই ঘটনার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই ঘরে আগুন লাগিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় ন’ জনকে। এই দুটি মামলাও গড়ায় আদালত অবধি। জোড়া ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। 

    সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এ যাবৎ কালের এখনও পর্যন্ত সব চেয়ে বড় কেলেঙ্কারি এসএসসির মাধ্যমে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে। ইন্টারভিউয়ের জন্য নির্ধারিত দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও আলাদা করে ডেকে বেশ কয়েকজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ওই কেলেঙ্কারির রহস্যভেদ করতেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। 

    সিবিআই তদন্তের নির্দেশের হাতে গরম উদাহরণ আরও আছে। নদিয়ার হাঁসখালিতে বছর চোদ্দর এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয় বলে অভিযোগ। অতিরিক্ত রক্তক্ষণের জেরে মৃত্যুও হয় তার। ওই ঘটনায়ও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

    আদালতের বারবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশে একটা জিনিস খুব স্পষ্ট। সেটি হল, সাধারণ মানুষের মতো রাজ্য পুলিশে আস্থা হারাচ্ছে আদালতও। হারানোরই কথা। কারণ পুলিশের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে সরব হয়েছেন খোদ রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। শাসক দলের কোনও কর্মীকে কোনও অভিযোগে গ্রেফতার করা হলে, পুলিশকে মারধর করে আসামী ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও এ রাজ্যে ঘটেছে ঘাসফুল জমানায়। 

    ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করে দেওয়ার মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত মারমুখী তৃণমূল কর্মীদের ‘ঝান্ডাঘাত’ থেকে বাঁচতে খোদ কলকাতার বুকে নির্লজ্জভাবে পুলিশকে আশ্রয় নিতে দেখা গিয়েছিল টেবিলের তলায়। এসব ঘটনা থেকে আমজনতা বুঝে গিয়েছে বাম জমানার মতোই তৃণমূল জমানায়ও পুলিশ পরিণত হয়েছে দলদাসে। পার্থক্য কেবল একটাই। বামেরা (Left Front) রেজিমেন্টড পার্টি। সব কিছু গুছানো। আর তৃণমূল (TMC)? ওয়ান উওম্যান শো! সব কিছুই বড্ড অগোছালো! তাই বারেবারেই মুখ পুড়ছে রাজ্য সরকারের (Mamata Banerjee government)। 

  • MGNREGA: কেন ১০০ দিনের কাজে রাজ্যের টাকা আটকেছে কেন্দ্র? রইল ৮ কারণ

    MGNREGA: কেন ১০০ দিনের কাজে রাজ্যের টাকা আটকেছে কেন্দ্র? রইল ৮ কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনরেগা (MGNREGA) বা ১০০ দিনের কাজে রাজ্যের বকেয়া টাকা কেন কেন্দ্র আটকে রেখেছে, তার আসল কারণ বা বলা ভালো কারণগুলি জানা গেল। যে তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে রীতিমতো চাঞ্চল্যকর। কেন্দ্রীয় রিপোর্ট থেকে স্পষ্ট, রাজ্যের অসহযোগিতার কারণে কার্যত বাধ্য হয়েই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়েছে কেন্দ্রকে।

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার অভিযোগ করছেন যে, ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে রেখে দিয়েছে কেন্দ্র। এমনকি, বকেয়া টাকা যাতে রাজ্যের হাতে তুলে দেওয়া হয়, তার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) কাছে চিঠিও লিখেছেন।

    কিন্তু, মমতা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ তুললেও, সত্য ঘটনা একেবারেই উল্টো। আসল তথ্য যাতে বাইরে না আসে, তাই নিয়ে কেন্দ্রের ওপর দোষ চাপিয়ে গোটা বিষয়টিকে যাতে ঘুরিয়ে দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী একবারের জন্যও রাজ্যবাসীর কাছে খোলসা করেননি যে, কেন বা কী কারণে কেন্দ্র এই বরাদ্দ অর্থ প্রদান করা থেকে বিরত থেকেছে। অথবা, বলা ভালো কেন রাজ্যের টাকা আটকে দিয়েছে কেন্দ্র। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী বিলক্ষণ জানেন, এক্ষেত্রে ঝুলি থেকে অনেক বেড়াল বেরিয়ে পড়বে। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে কোথায় কোথায় কারচুপি করা হয়েছে, কোথায় কোথায় গরমিল করে রাখা হয়েছে, সেই সব ঘটে যাওয়া বিস্তর দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ্যে চলে আসবে।

    সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজ বা মনরেগা প্রকল্প নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। আন্তঃ মন্ত্রক ওই রিপোর্টে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, ঠিক কেন ও কীসের ভিত্তিতে কেন্দ্র রাজ্যের অর্থ আটকে রেখেছে। কেন্দ্রীয় রিপোর্ট থেকেই স্পষ্ট, কীভাবে পশ্চিমবঙ্গে মনরেগা বা ১০০ দিনের কাজে প্রকল্পে ব্যাপকহারে কারচুপি হয়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে রয়েছে বিস্তর গরমিল। এই নিয়ে কেন্দ্রের তরফে রাজ্যকে বিভিন্ন সময়ে চিঠি পাঠানো হলেও, রাজ্য থেকে কোনও জবাব না আসায় বাধ্য হয়ে অর্থ বন্ধ করতে হয়েছে কেন্দ্রকে।

    ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে যুগ্ম সচিব পর্যায়ের আধিকারিকের নেতৃত্বে একটি তদন্ত করে। রিপোর্ট মূলত ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে প্রদেয় অর্থের প্রেক্ষিতে তৈরি। রিপোর্ট অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী টিমের তদন্তে উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বলা হয়েছে, অন্তত ৩১টি কাজে বিস্তর গোলযোগ ধরা পড়েছে। তদন্তকারী টিমের মতে, ভূমি সংক্রান্ত কাজে বিশেষ করে বিস্তর গোলমাল রয়েছে। 

    কেন্দ্রীয় টিম যে রিপোর্ট পেশ করেছে, তাতে একাধিক গাফিলতি ও গরমিলের উল্লেখ করা হয়েছে—

    ১. কাজের অনুমতি জন্য উচ্চতর কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রয়োজনীয় স্ক্রুটিনি এড়াতে একটি বড় কাজকে ছোট ছোট কাজে ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

    ২. সেচ দফতরের সঙ্গে কোনও প্রকার শলা-পরামর্শ না করে বা কোনওরকম পরিকল্পনা ছাড়াই বন্যা রোধ প্রকল্পের আওতায় যত্রতত্র এবং যথেচ্ছভাবে পলি তোলার কাজ করা হয়েছে। 

    ৩. জমির ধরণ বিবেচনা না করেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। কতটা কাজের আদৌ প্রয়োজন তা বিচার না করেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। এমনকি, কতটা কাজ হয়েছে তা যাচাই না করেই পেমেন্ট করা হয়েছে। 

    ৪. পুরনো বা চলমান কাজ নতুন রূপে মনরেগা প্রকল্পের আওতায় আবেদন করা হয়েছে।  

    ৫. কেনার বিষয়ে কোনও নিয়ম মানা হয়নি। টেন্ডার প্রক্রিয়া যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। কাজের অনুমতি মেলার ১৫ দিনের মধ্যেই কাজ শেষ দেখানো হয়েছে। 

    ৬. মনরেগা প্রকল্পে অধীনে থাকতে পারে না এমন কাজ যেমন— বন্যা প্রতিরোধে বালির বস্তা ফেলা, কাঁটাতার দেওয়া, বাহারি গাছ লাগানো ইত্যাদিকেও এর আওতায় এনে দেখানো হয়েছে। 

    ৭. যে সব কাজ অপ্রয়োজনীয়, সেগুলিকেও মনরেগা প্রকল্পের আওতায় এনে করা হয়েছে। 

    ৮. কাজের খতিয়ান নথিভুক্ত বা ফাইল রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত দায়সারাভাবে করা হয়েছে। 

    কেন্দ্রীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় টিমের পাওয়া তদন্ত রিপোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল। যার প্রেক্ষিতে রাজ্যের তরফ থেকে একটি অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট পাঠানো হয়। কিন্তু, ওই এটিআর রিপোর্ট দেখে একেবারেই সন্তুষ্ট হতে পারেনি কেন্দ্র। কেন্দ্রের রিপোর্ট বলছে, একাধিক ক্ষেত্রে রাজ্যের জবাবে খামতি পাওয়া গিয়েছিল। এরপর রাজ্যকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও, মমতা প্রশাসনের তরফে থেকে কোনও উত্তর মেলেনি।

    এদিনই কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত রাজ মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল। এপ্রসঙ্গে, প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্য বিজেপি (BJP Bengal) সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, সকলেই চায় ১০০ দিনের কাজ হোক। কিন্তু, কেন্দ্রের টাকা সাধারণ মানুষের জন্য। তৃণমূলের নেতাদের প্রাসাদোপম বাড়ি তৈরির জন্য নয়। 

  • SSC Recruitment Scam: চাকরি থেকে বরখাস্ত পরেশ-কন্যা অঙ্কিতা, বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের

    SSC Recruitment Scam: চাকরি থেকে বরখাস্ত পরেশ-কন্যা অঙ্কিতা, বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC recruitment scam) মামলায় আদালতের নির্দেশে চাকরি গেল রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর (Paresh Adhikary) কন্যা অঙ্কিতার। তাঁকে স্কুলের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। পাশাপাশি, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দু’টি কিস্তিতে ফেরত দিতে হবে বেতনের টাকা, নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বেতন বাবদ পাওয়া সমস্ত টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে। 

    অঙ্কিতা (Ankita Adhikary) কোচবিহারের (Coochbehar) মেখলিগঞ্জের ইন্দিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বাবার প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ভাবে শিক্ষকতার চাকরি (Teachers recruitment scam) নেওয়ার অভিযোগ ছিল। অভিযোগ করেছিলেন ববিতা সরকার (Babita Sarkar) নামে এক এসএসসি (SSC) পরীক্ষার্থী । অঙ্কিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়ে আদালত জানিয়েছে, নিজেকে শিক্ষক হিসাবেও পরিচয় দিতে পারবেন না অঙ্কিতা। আদালতের নির্দেশ, তিনি আর ওই স্কুলে ঢুকতেই পারবেন না। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রায় ৪১ মাসের বেতন দুই কিস্তিতে ফেরত দিতে হবে অঙ্কিতাকে। প্রথম কিস্তি দিতে হবে ৭ জুন। দ্বিতীয় কিস্তির তারিখ ৭ জুলাই।

    আরও পড়ুন: কলকাতা না এসে মেয়েকে নিয়ে নামলেন বর্ধমান স্টেশনে, হাইকোর্টে ফের ধাক্কা খেলেন মন্ত্রী পরেশ অধিকারী

    পরেশ অধিকারীর মেয়ে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য সহকারী শিক্ষিকা পদে চাকরি পেয়েছিলেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরে এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় মেধাতালিকায় অঙ্কিতার নাম ওঠে। অভিযোগ, মেরিট লিস্টের প্রথম কুড়ি জনের তালিকায় নাম না থাকা অঙ্কিতাকে দ্বিতীয় তালিকার একেবারে প্রথমে নিয়ে আসা হয় ‘অবৈধ’ ভাবে।

    স্টেট লেভেল সিলেকশন টেস্টে পরেশের মেয়ে অঙ্কিতা পেয়েছিলেন ৬১ নম্বর। এবং এই মামলায় মামলাকারী ববিতা সরকার পেয়েছিলেন ৭৭ নম্বর। মেধাতালিকার ২০ নম্বরে ছিলেন ববিতা। কিন্তু, মামলাকারীর চেয়ে ১৬ নম্বর কম পেয়েও পরেশ-কন্যাকে অবৈধভাবে প্রথম স্থান দেওয়া হয়। এর ফলে, মামলাকারী সেই তালিকা থেকে ছিটকে যান। ববিতা চাকরির সুযোগ হারান।

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে পরেশ অধিকারী, মন্ত্রীকে হাজিরার ‘ডেডলাইন’ হাইকোর্টের

    এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার সময়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, গোটা বিষয়টি শুনে মনে হচ্ছে অঙ্কিতা অধিকারীর মাথায় কিছু ক্ষমতাশালী ব্যক্তির অদৃশ্য হাত ছিল। এখানে দুর্নীতি হয়েছে মনে হচ্ছে। নইলে এ ভাবে একজন প্রার্থীকে মেধা তালিকায় আমদানি করে তাঁকে প্রথম স্থানে বসানো যায় না।

    সম্প্রতি ঘটনাটির কথা আদালতকে জানিয়েছিলেন এসএসসির সদ্য ইস্তফা দেওয়া চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। এর পরেই অঙ্কিতার বাবা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশকে সিবিআইয়ের সামনে হাজির হতে বলে কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতায় এসে নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের (CBI) দফতরে হাজির হন মন্ত্রী পরেশ। কিন্তু, জেরায় সন্তুষ্ট হয়নি তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার সকালে তাঁকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। অঙ্কিতাকে নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ আসে পরেশের জেরা চলাকালীনই।

    আরও পড়ুন: এফআইআর হতেই বিমান ধরে সোজা কলকাতায় পরেশ, হাজিরা দিলেন নিজাম প্যালেসে

  • Dengue in Kolkata: ডেঙ্গির ভয়াবহতা বাড়ছে রাজ্যে, সরকারি হিসাবে মৃত্যু বেড়ে ১৯

    Dengue in Kolkata: ডেঙ্গির ভয়াবহতা বাড়ছে রাজ্যে, সরকারি হিসাবে মৃত্যু বেড়ে ১৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ প্রত্যেক দিন লাফিয়ে বাড়ছে। ডেঙ্গি পরিস্থিতি (Dengue situation in West Bengal) মোকাবিলায় কার্যত ব্যর্থ রাজ্য সরকার (Mamata Banerjee Government)। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের (West Bengal Health Department) সূত্র অনুযায়ী, এই পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ডেঙ্গিতে ১৯ জন মারা গিয়েছেন। আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। বেসরকারি হিসাবে অবশ্য ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে তাই বাড়তি তৎপর রাজ্য। 

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেঙ্গি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পুজোর (Durga Puja 2022) সময় স্বাস্থ্য কর্তাদের সমস্ত ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পুজো স্পেশাল ডিউটি রোস্টার তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, রাজ্যের একাধিক জেলায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়ানক। প্রত্যেক দিন কয়েক’শ মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। তার কথায়, “সব জায়গায় পর্যাপ্ত পরীক্ষা হচ্ছে না। তা সত্ত্বেও যে পরিস্থিতি, তাতে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে চলেছে।” 

    কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation) সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৭টি বরোর মধ্যে আটটি বরোর ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ১, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১ এবং ১২ নম্বর বোরোয় ডেঙ্গি পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। অর্থাৎ, বালিগঞ্জ, বেকবাগান, শ্যামবাজার, কাশীপুর-বেলগাছিয়ায় প্রত্যেক দিন যে হারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তা যথেষ্ট চিন্তার। কলকাতা পুরসভার ৬, ৬৯, ৮২, ৮৩ এবং ১১২ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গি পরিস্থিতি খারাপ। পুরসভা বিশেষ নজর দিচ্ছে। উল্লেখ্য, এরমধ্যে রয়েছে খোদ মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওয়ার্ড। অর্থাৎ, ৮২ নম্বর ওয়ার্ড। চেতলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশ উদ্বেগজনক। 

    আরও পড়ুন: রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, উৎসবের আগে ডেঙ্গির পাশাপাশি ভয় ধরাচ্ছে কোভিড

    তবে কলকাতার মতোই চিন্তা বাড়াচ্ছে হাওড়া (Howrah),  হুগলি (Hooghly), উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা (24 Parganas)। প্রত্যেক দিন এই জেলাগুলোয় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু মিছিল ও অবহ্যত। এলাকার মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। বিশেষত পুরসভার ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বছর ভর পুরসভার ভূমিকা একেবারেই চোখে পড়ে না বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। এমনকি ডেঙ্গি পরিস্থিতি বিপজ্জনক হওয়ার পরেও এলাকা পরিস্কার, রাস্তা মেরামতের মতো রুটিন কাজেও হেলদোল নেই পুরসভার। এমনি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট জেলার বাসিন্দাদের একাংশের। 

    ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উৎসবের মরশুমে আলাদা পরিকল্পনা করেছে স্বাস্থ্য দফতর। এক অধিকর্তা জানান, পুজোর সময় স্বাস্থ্য ভবনে আলাদা ডেঙ্গি কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে। চব্বিশ ঘণ্টা কাজ হবে। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্তের ভর্তি, রক্তের প্রয়োজন, কোথাও ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হলে সেই এলাকার দিকে বিশেষ নজরদারির মতো বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করবে এই বিশেষ কন্ট্রোল রুম। 

    পুজোর সময় সরকারি হাসপাতালগুলো কার্যত অচল হয়ে যায়। চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মী, নার্স ছুটি নেন। সরকারি হাসপাতাল পরিষেবা থমকে যায়। কিন্তু যে হারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক না থাকলে, পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হবে। তাই সরকারি হাসপাতালগুলোতে ও উৎসব স্পেশাল ডিউটি রোস্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্লাড ব্যাঙ্কে যাতে রক্তের জোগান ঠিক থাকে, সেদিকেও বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গি চিকিৎসায় প্লেটলেট খুব জরুরি। রক্তের জোগান ঠিক মতো না হলে, রোগী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই ব্লাড ব্যাঙ্কের দিকে বিশেষ নজর। 

    আরও পড়ুন: আপনি কি দ্বিতীয়বার ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হতে পারেন? কোন লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনার ডেঙ্গি হয়েছে?

    কলকাতার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য পুর দফতরের বিশেষ সাহায্য প্রয়োজন। প্রশাসনিক বৈঠকে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্য দফতরের পাশপাশি পুর দফতর ডেঙ্গি মোকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা নেবে। ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত পুর এলাকায় ডেঙ্গি মোকাবিলায় বিশেষ নজরদারি দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য কর্তাদের মতোই পুর কর্তারাও উৎসবের মরশুমে এলাকা পরিদর্শন করবেন। কোথাও ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে, সেই এলাকায় বিশেষ নজরদারি দেওয়া হবে।
     
    যদিও সরকারের এই উদ্যোগ নিতে অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাদের মতে, রাজ্যে ডেঙ্গি মহামারির আকার নিয়েছে। প্রত্যেক পাড়ায় মশাবাহিত রোগ (vector-borne disease) বাসা বাধছে। সরকারের অনেক আগেই সক্রিয় হওয়ার দরকার ছিল। ভাঙা রাস্তায় জমা জল, অপরিচ্ছন্ন নর্দমা, পার্ক মশার আঁতুড়ঘর। বছর ভর কাজ করছে বর্ষায় মশাবাহিত রোগের সংক্রমণ কমে। কিন্তু সারা বছর সরকারের উদ্যোগ চোখে পড়ে না। ডেঙ্গি হচ্ছে, এটা মানতেই প্রত্যেক বছর সরকারের অনেকটা সময় চলে যায়। পরিস্থিতি বিপদসীমা অতিক্রম করলে সরকারের হুঁশ ফেরে। তবে, পরিকল্পনা সত্যিই বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলেই আশা করছে চিকিৎসক মহল।

LinkedIn
Share