Tag: West Bengal

West Bengal

  • Nadia: অমানবিক ঘটনা নবদ্বীপে! বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে রাখা হল বৃদ্ধকে

    Nadia: অমানবিক ঘটনা নবদ্বীপে! বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে রাখা হল বৃদ্ধকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এক বৃদ্ধকে বিদ্যুতের খুঁটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠল এক চা দোকানির বিরুদ্ধে। এমনই অমানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপের বুড়ো শিবতলা রোড এলাকা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    জানা গিয়েছে, নবদ্বীপ (Nadia) হিন্দি স্কুলের সামনে চায়ের দোকান রয়েছে কানাই দেবনাথ নামে এক ব্যক্তির। কানাইয়ের অভিযোগ, কাজ দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে ৭ হাজার ২৫০ টাকা নিয়েছিলেন অরূপ সাহা নামে তামালতলার বাসিন্দা ওই বৃদ্ধ। কিন্তু, টাকা নিলেও কোনও কাজ কানাইকে তিনি দেননি বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার নিজের দোকানের সামনে দিয়ে অরূপকে যেতে দেখেন কানাই। তখনই তাঁকে আটক করে পোলে বাঁধেন ওই চা দোকানি। তা দেখে স্থানীয় ব্যবসাদার এবং পথচলতি লোকজন দাঁড়িয়ে পড়েন। কেন বৃদ্ধকে পোলে বেঁধে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্নও করেন চা দোকানিকে। তবে টাকার গোলমালের কথা শুনে অনেকেই হস্তক্ষেপ করেননি। বৃদ্ধকে বেঁধে না রাখার জন্যও বলতে শোনা গিয়েছে কয়েকজনকে। খুঁটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নবদ্বীপ (Nabadwip) থানার পুলিশ। পুলিশ এসে ওই বৃদ্ধ এবং অভিযুক্ত চা দোকানিকে থানায় নিয়ে যায়। দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারী অফিসাররা। কানাই এবং অরূপকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কেউ অন্যায় করলে তারজন্য পুলিশ প্রশাসন (Nabadwip) রয়েছে। কিন্তু, মাত্র ৭ হাজার টাকার জন্য এভাবে পোলে বেঁধে রাখার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা অভিযুক্তের শাস্তি দাবি করছি। পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: “দুর্নীতির জন্য বহু ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে”, কামারহাটি নিয়ে বিস্ফোরক মদন

    Madan Mitra: “দুর্নীতির জন্য বহু ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে”, কামারহাটি নিয়ে বিস্ফোরক মদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের দলের দখলে থাকা কামারহাটি পুরসভার বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। বেহাল পুর পরিষেবা নিয়ে পুরসভাকেই কাঠগ়়ড়ায় দাঁড় করালেন তিনি। একইসঙ্গে দুর্নীতি নিয়েও তিনি সরব হয়েছে। আর এভাবে প্রকাশ্যে শাসক দলের দখলে থাকা পুরসভার বিরুদ্ধে মুখ খোলায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।  

    ঠিক কী বলেছেন মদন? (Madan Mitra)

    কামারহাটি পুরসভার পরিষেবা নিয়ে মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেন, “সারা কামারহাটিতে চলাফেরার আর জায়গা নেই। আবর্জনায় ভরে গিয়েছে। পুকুর বুজিয়ে বাড়ি হচ্ছে। অবৈধ বহুতল হচ্ছে। রোজ অভিযোগ আসছে। এ আর পোষাচ্ছে না।” দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। শুধু চেয়ারম্যানের ওয়ার্ড নয়, কামারহাটি পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে কম ভোট পেয়েছে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গে এদিন মুখ খোলেন মদন। তিনি বলেন, “কয়েকটি ওয়ার্ডে বেশি ভোট না পেলে কামারহাটি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় পিছিয়ে পড়তেন। আর এরজন্য দায়ী কামারহাটিতে ব্যাপক দুর্নীতি। এই দুর্নীতির জন্য বহু ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে। প্রধানত দুটি অভিযোগ উঠে আসছে। পুকুর বুজিয়ে বাড়ি। আর চারতলা বাড়ির অনুমোদন করিয়ে ৬ তলা বাড়ি হচ্ছে। রোজ অভিযোগ আসছে।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    কামারহাটির পুর চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কামারহাটির (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, “বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহের জন্য কর্মী রয়েছেন। গাড়ি রয়েছে। ফলে, আবর্জনা জমার কথা নয়। কিন্তু, বিধায়ক যখন বলেছেন কাউন্সিলরদের সঙ্গে এই বিষয়ে আমি ফের কথা বলব।” পুকুর বুজিয়ে বাড়ির প্রসঙ্গে পুর চেয়ারম্যান বলেন, “বোর্ড প্ল্যান ছাড়া বাড়ি হচ্ছে, আমার বিধায়ক জানেন। পুরসভার (Kamarhati) তরফেও নোটিস দেওয়া হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।”

    সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, “আসলে ভাগ ঠিকমতো হচ্ছে না বলে দুর্নীতির কথা বলছেন। পুর (Kamarhati) এলাকায় যারা দুর্নীতি করে তারা কার লোক খোঁজ নিলেই জানা যাবে। এসব বলে কোনও লাভ নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chopra Incident: জেলে রয়েছে দাদা, ভিডিও করা নিয়ে চোপড়ায় তাণ্ডব চালাচ্ছে জেসিবি-র ভাই

    Chopra Incident: জেলে রয়েছে দাদা, ভিডিও করা নিয়ে চোপড়ায় তাণ্ডব চালাচ্ছে জেসিবি-র ভাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ড (Chopra Incident) নিয়ে রাজ্যে তোলপাড় চলছে। এরই মাঝে চোপড়া নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তৃণমূল নেতা জেসিবি-র হামলা চালানোর ভিডিও কে তুলেছে তা সন্দেহ করে এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে ধৃত তৃণমূল নেতা তাজিমুল ইসলাম ওরফে জেসিবির ভাই গির আলম ও তার শাগরেদরা। গির আলমের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকা ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল রয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Chopra Incident)

    চোপড়াকাণ্ডে (Chopra Incident) মূল অভিযুক্ত জেসিবি এখন জেলে রয়েছে। জানা গিয়েছে, জেসিবি-র ভাই গির আলম ও তার শাগরেদরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ। কে বা কারা ভিডিও করেছেন, এমন সন্দেহ করে অনেকের বাড়ি ঘরে ইতিমধ্যে ভাঙচুরও চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী অনেকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ভয়ে কুঁকড়ে রয়েছেন নির্যাতিতার পরিবার। অপরাধীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছেন আক্রান্ত যুবকের মা। ভয়ে জেসিবির বিরুদ্ধে মুখ খুলছে না। ছেলেকে মারধরের তিনি শাস্তিও চাইছেন না। তিনি বলেন, “যে ভিডিওটা করেছে, তার আমি শাস্তি চাই। ভাইরাল করে আমার ধর্মটা নষ্ট করেছে। আর আমার ছেলেকে কে মেরেছেন তাঁকে আমি চিনি না। যে ভাইরাল করেছে, তাকেই আমি চাই।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    প্রসঙ্গত, রবিবার দুপুরেই প্রকাশ্যে আসে চোপড়ার ভিডিও। তাতেই জানা যায় এই জেসিবির (Trinamool Congress) কুকীর্তির কথা। মূল অভিযুক্ত জেসিবি গ্রেফতার হতেই প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক অভিযোগ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে এক সিপিএম নেতাকে গুলি করে খুনেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে। থানাতেও ওর বিরুদ্ধে একাধিক কেস রয়েছে। ওদের ভয়ে কেউ ওই রাস্তা দিয়ে যেতে পারত না। গোটা এলাকায় এমন ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে, যে একজন মানুষও কথা বলতে না পারে। ওরা (Trinamool Congress) কয়েকজন সন্দেহ করেছে, যারা ভিডিও ভাইরাল করেছে, তাদের বাড়িতে ভাঙচুর করেছে। ওর ভাইসহ ওদের একটা গ্যাং আছে, তারা এই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে গণপিটুনি, ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল

    Kamarhati: আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে গণপিটুনি, ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে গণপিটুনির ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠল কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার আড়িয়াদহ এলাকা। এক যুবক ও তাঁর বন্ধুকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ছেলেকে মারতে দেখে মা বাঁচাতে আসেন। তাঁকেও রক্তাক্ত করে হামলাকারীরা। হামলার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। যদিও পুলিশের দাবি, হামলার ঘটনায় ৬ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত দুই যুবকের নাম সায়নদীপ পাঁজা এবং সূর্য দাস। আড়িয়াদহ এলাকায় সায়নদীপের বাড়ির (Kamarhati) সামনে রাস্তার ধারে বসে বন্ধু সূর্য দাসের সঙ্গে তিনি গল্প করেছিলেন। রাস্তা দিয়ে মদ্যপ অবস্থায় এক যুবক যাচ্ছিল। তার সঙ্গে সায়নদীপের কোনও একটি বিষয় নিয়ে বচসা হয়। এরপরই ওই যুবক দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায়। আক্রান্ত সূর্য দাস বলেন, রাত একটা নাগাদ আমি সায়নদীপের সঙ্গে গল্প করছিলাম। একজন মদ্যপ অবস্থায় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। আমাদের দেখে দাঁড়ায়। এরপর ও পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করে। আমরাও ওকে চলে যেতে বলি। ও চলে যাই। কিছুক্ষণ পর ও তালতলা স্পোটিং ক্লাব থেকে বেশ কয়েকটি ছেলেকে নিয়ে আসে। বাইকে করে তারা এসেছিল। তারা সায়নদীপকে এসে মারধর করতে থাকে। আমি বাধা দিতে গেলে ওরা আমাকেও বেধড়ক মারে। রাস্তায় চিৎকার শুনে সায়নদীপের মা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। চোখের সামনে ছেলেকে মারছে দেখে তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।  তাঁকেও রেহাই দেয়নি হামলকরারীরা। মারধর (Lynching) করে তাঁর মুখ ফাটিয়ে দেয়। এরপর আমাকে সামনে পেয়ে তারা ফের আমার ওপর হামলা চালায়। আমার মাথায়, বুকে চোট লেগেছে। আর সায়নদীপের চোট গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জয়ন্ত সিংহের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত

    ঘটনার পর রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়নি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, হামলা কারা চালিয়েছিল, সিসিটিভি ফুটেজে সব রয়েছে। মা ও তাঁর ছেলেকে নৃশংসভাবে মারধর (Lynching) করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনার পরও হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা আতঙ্কিত। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Stamp Duty: বাড়ল ক্রেতার খরচ! ১ জুলাই থেকে স্ট্যাম্প ডিউটির ছাড় তুলে নিল রাজ্য সরকার

    Stamp Duty: বাড়ল ক্রেতার খরচ! ১ জুলাই থেকে স্ট্যাম্প ডিউটির ছাড় তুলে নিল রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট মিটতেই খারাপ খবর। এই মাস থেকে রাজ্যে আগের তুলনায় আরও দামি হয়ে গেল ফ্ল্যাট-বাড়ি। এতদিন স্ট্যাম্প ডিউটি (Stamp Duty) এবং সার্কেল রেটে যে ছাড় মিলত, সেটা বন্ধ হয়ে গেল। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২১ সালের বাজেটে যে ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল, তা ১ জুলাই থেকে বন্ধ করে দেওয়া হল। অর্থাৎ এবার থেকে আগের হারেই স্ট্যাম্প ডিউটি এবং সার্কেল রেট দিতে হবে। তার ফলে ফ্ল্যাট এবং বাড়ি আরও দামি হয়ে গেল।  

    ঠিক কী জানানো হয়েছে? (Stamp Duty) 

    সোমবারই অর্থ দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, কোভিড অতিমারির সময় অর্থনৈতিক কারণে এই ছাড় ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২০ সালের শুরুতে করোনার প্রকোপ ছড়িয়েছিল বাংলা-সহ গোটা দেশে। তারপরে লকডাউন এবং করোনার একাধিক ঢেউয়ে দেশে আর্থিক অবস্থা ভেঙে পড়েছিল। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছিলেন সে সময়। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।  
    সেই মতো ২০২১ সালের জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। প্রায় তিন বছর পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ছাড় তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এর আগে ২০২১ সালের বাজেটে আবাসন ক্ষেত্রে স্বল্প মেয়াদে সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশন বা নথিভুক্তির জন্য স্ট্যাম্প ডিউটির (Stamp Duty) উপর ২% ছাড় ঘোষণা করেছিল রাজ্য। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল৷ পাশাপাশি কোনও এলাকার সম্পত্তির সরকারি দামও (সার্কল রেট) কমানো হয়েছিল ১০%। তবে এবার এই ছাড় দুটি ১ জুলাই থেকে আর কার্যকর থাকছে না। এবার থেকে সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয় মূল্যের ওপর ৭ শতাংশ হারে স্ট্যাম্প ডিউটি দিতে হবে বলে নবান্ন (Nabanna) সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    এ প্রসঙ্গে, প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকদের অনেকের প্রশ্ন, তবে কি রাজ্যের ভাঁড়ারের পরিস্থিতি সত্যিই নড়বড়ে, তাই এই সব ছাড় বহাল রাখা গেল না? যদিও আবাসন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, এই সুবিধা চালুর সময় মানুষের আর্থিক পরিস্থিতি খারাপ অবস্থায় ছিল। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছিল আবাসন বিক্রিতে। তাতে রাজ্যের আর্থিক বৃদ্ধির গতিও অনেকাংশে ধাক্কা খায়। এখন আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তাই সেই ছাড় (Stamp Duty) চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন থাকছে না।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “সরকারের সমর্থনে হিংসা চলছে রাজ্যে”, চোপড়া ইস্যু নিয়ে তোপ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “সরকারের সমর্থনে হিংসা চলছে রাজ্যে”, চোপড়া ইস্যু নিয়ে তোপ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ডের খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) শিলিগুড়ি পৌঁছান। ঠিক ছিল সড়কপথে তিনি চোপড়া পৌঁছবেন। ঠিক ছিল, চোপড়াকাণ্ডের আক্রান্ত এবং তাঁদের পরিবারের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। কিন্তু, আচমকা তাঁর চোপড়া সফর বাতিল হয়ে যায়। তিনি ফের শিলিগুড়ি থেকে দিল্লি ফিরে যান। তবে, আচমকা কেন তাঁর সফর বাতিল হল তা জানা যায়নি।

    চোপড়া নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা (CV Ananda Bose)

    এদিন শিলিগুড়ি সার্কিট হাউসে বসে চোপড়াকাণ্ড নিয়ে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। যেভাবে প্রকাশ্যে মহিলার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, “যে সমাজ মহিলাদের রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ সভ্যসমাজ বলে গণ্য হয় না। সরকারের সমর্থনে হিংসা চলছে রাজ্যে।” রাজ্যপালের এই বক্তব্যে তৃণমূল সরকার যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    চোপড়ায় ঠিক কী ঘটেছিল?

    রবিবারই চোপড়ার (Chopra Incident) লক্ষ্মীপুরে হওয়া একটি ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, এক তরুণ এবং এক তরুণীকে রাস্তায় ফেলে একছড়া কঞ্চি দিয়ে বেধড়ক মারছেন এক ব্যক্তি। মার খেতে খেতে  প্রায় গুটিয়ে যাওয়া তরুণীকে চুলের মুঠি ধরে টেনে এনে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে আবার চলছে মার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই মহিলা বিবাহিত। তবে, তিনি এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে যান। পরে ফিরে এলে তাঁদের কাছে ১০ হাজার টাকা জরিমানা চাওয়া হয়। টাকা না দিলে এলাকায় (Chopra Incident) থাকতে দেওয়া হবে না ফতোয়া দেওয়া হয়। তার পরও সেই টাকা না দেওয়ায় রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় তাঁদের। পরে, জানা যায়, ভিডিও যিনি তাঁদের মারছিলেন, তাঁর নাম তাজিমুল ইসলাম ওরফে জেসিবি। তিনি তৃণমূল নেতা। তবে এলাকায় পরিচিত চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ বলে। আর এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rituparna Sengupta: ‘‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    Rituparna Sengupta: ‘‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আবারও নয়া মোড়। মঙ্গলবার ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পরই ৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চেয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। 

    আগে কী ঘটেছিল? (Ration Scam) 

    রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গত ১৯ জুন ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যান অভিনেত্রী। পাঁচ ঘণ্টা পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতর থেকে থেকে বেরিয়ে ঋতুপর্ণা দাবি করেছিলেন, ‘রেশন দুর্নীতি’র সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর কাছে যা নথি চাওয়া হয়েছিল, তা তদন্তকারীদের দিতেই তিনি এসেছেন। ইডি সূত্রের খবর, ব্যাঙ্কে লেনদেনের তথ্যর উপর নির্ভর করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিনেত্রীকে ইডি তলব করেছিল। কারন, রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি আধিকারিক। ওই সূত্র মারফত আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি। কিন্তু এর দুসপ্তাহের মধ্যেই এবার ৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাওয়ার কথা জানালেন ঋতুপর্ণা। 

    আরও পড়ুন: মস্কো সফরের পরেই ভিয়েনা যাওয়ার পরিকল্পনা মোদির! কেন জানেন?

    ঋতুপর্ণার বক্তব্য (Rituparna Sengupta) 

    এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী ইডি আধিকারিকদের জানিয়েছেন, সিনেমার পারিশ্রমিক বাবদ তিনি ওই টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু ওই টাকা যে রেশন দুর্নীতির (Ration Scam), তা তিনি জানতেন না। আইনজীবী মারফত তিনি ইডির আধিকারিকদের টাকা ফেরতের বিষয়ে জানিয়েছেন বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। তবে শুধু ঋতুপর্ণাই নয়, এর আগে অভিনেত্রী শতাব্দী রায়, অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত এবং সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীও ইডিকে টাকা ফেরত দিয়েছেন।   
    উল্লেখ্য, এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির আর্থিক নয়ছয়ের মামলায় নাম জড়িয়েছিল অভিনেত্রীর (Rituparna Sengupta)। ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলায় তাঁকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সেসময় তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। আর এবার রেশন দুর্নীতিতে নাম জড়িয়ে ইডির মুখোমুখি অভিনেত্রী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: চোর সন্দেহে শিশুসহ দুই মহিলাকে পিছমোড়া করে বেঁধে গণপিটুনি, তমলুকে শোরগোল

    Tamluk: চোর সন্দেহে শিশুসহ দুই মহিলাকে পিছমোড়া করে বেঁধে গণপিটুনি, তমলুকে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও ছেলেধরা সন্দেহে, কখনও শিশু চুরির ঘটনায় গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে রাজ্যে। এবার ঘটনাস্থল পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের (Tamluk) নিশ্চিন্তবসান গ্রাম। চোর সন্দেহে দুই মহিলা এবং এক শিশুকে পিছমোড়া করে বেঁধে গণপিটুনি দেওয়ার অভিযোগ উঠল গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Tamluk)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীপালি বেরা নামে এক বাসিন্দার বাড়িতে দুই অপরিচিত মহিলা ঢুকে চুরি করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। দীপালি বলেন, “সোমবার দুপুরে দুই মহিলা একটি বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাড়ির সামনে আসে। এক জন শিশুটিকে নিয়ে বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকলেও অন্য মহিলা বাড়ির ভিতরে ঢুকে  পড়ে। সোনার গয়না হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সে। চোখের সামনে দেখে আমি চিৎকার করি। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা আমার বাড়িতে ছুটে আসেন। সেই সময় অভিযুক্ত মহিলাকে ঘরের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। এরপরই তাদের কাছে তল্লাশি চালিয়ে আমার গয়নার ব্যাগ উদ্ধার হয়।” জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পর গ্রামবাসীদের কয়েকজন দুই মহিলাসহ তিনজনকে পিছমোড়া করে বেঁধে বেধড়ক মারধর চলে। ওই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় তমলুক থানার পুলিশ। তারা দুই মহিলা-সহ শিশুকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মহিলার চিৎকার শুনে আমরা ছুটে যাই। বাড়ি থেকে অপরিচিত মহিলা দুজনকে দেখে আমরা চেপে ধরি। তাদের কাছে থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রী পাওয়া যায়। এরপরই উত্তেজিত হয়ে তাদের ওপর চড়াও (Lynching) হয় এলাকার লোকজন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিযুক্তেরা দলবেঁধে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান। তারা আর কোথাও এই ধরনের কাজ করেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর ওই দলে আর কোনও সদস্য রয়েছেন কি না, সে সম্পর্কে পুলিশ খোঁজখবর চালাচ্ছে। আর কারা হামলা (Lynching) চালাল সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chopra Incident: ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ মন্তব্যের জের, চোপড়ার বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শঙ্করের

    Chopra Incident: ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ মন্তব্যের জের, চোপড়ার বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার (Chopra Incident) ঘটনা নিয়ে রাজ্যে তোলপাড় চলছে। আর এই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ‘দুশ্চরিত্র’ তকমা দেগে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান। শুধু তাই নয়, বিধায়কের বক্তব্যে উঠে এসেছে ‘মুসলিম রাষ্ট্রের সামাজিক আচার বিচারের’ প্রসঙ্গও। আর এসবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন? (Chopra Incident)

    শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্যের সম্প্রীতির বাতাবরণ নষ্ট করার জন্যই প্রকাশ্যে ওই মন্তব্য করা হয়েছে। ওই মন্তব্য শুধুমাত্র দেশের সংবিধানকেই (Chopra Incident) অপমান করে না, সঙ্গে ওই মন্তব্যের মাধ্যমে অশান্তির উদ্রেক হওয়ারও প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অবস্থায় ওই মন্তব্যের জন্য বিধায়ক হামিদুল রহমানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের জন্য পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছি।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    ঠিক কী বলেছিলেন চোপড়ার বিধায়ক?

    রবিবার চোপড়ার ভিডিও (Chopra Incident) ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, জেসিবি নামে তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ যুবক প্রকাশ্যে এক তরুণী এবং এক যুবককে নৃশংসভাবে মারধর করছে। সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বইয়ে গিয়েছে। সরব হয়েছে বিজেপিও (BJP)। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেছিলেন, “মহিলাটি স্বামী ছাড়া অসামাজিক কাজকর্ম করছিলেন। অসামাজিক কাজে গ্রাম্য সালিশি বৈঠক বসেছিল। গ্রাম্য বৈঠকে যা হয়, সেই অনুপাতে বিচার-আচার হয়েছে। আমরাও বলছি না যে ভুল হয়নি। ভুল হয়েছে কিছুটা। গ্রামবাসীরা মিলে এটা করেছে। আমরা দেখছি বিষয়টি। যা হয়েছে সেটা বেশি বেশিই হয়েছে। এর জন্য আমরা দুঃখিত। আগামী দিনে যাতে এটা না হয়, সেটা আমরা চেষ্টা করব। তবে, অন্যায় তো মেয়েটাও করেছে। নিজের স্বামী, ছেলে-মেয়েকে বাদ দিয়ে দুশ্চরিত্রবান হয়েছে। মুসলিম রাষ্ট্রে সামাজিক আচার-বিচার হয়ে থাকে। কিন্তু, বিচারটা যেভাবে হওয়ার কথা ছিল, সেটা না হয়ে বেশি বেশি হয়ে গিয়েছে।”মুসলিম রাষ্ট্র বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে, তাঁর মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই বক্তব্য নিয়ে আইনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘সব শয়তান এখানে এসে গিয়েছে’’, আজ চোপড়া যাচ্ছেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: ‘‘সব শয়তান এখানে এসে গিয়েছে’’, আজ চোপড়া যাচ্ছেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কিত রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। মঙ্গলবার সকালে দিল্লি থেকে সরাসরি চোপড়া আসছেন তিনি। সকাল ১০টায় বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন রাজ্যপাল ৷ রাজভবন সূত্রে খবর, চোপড়ার (Chopra) নির্যাতিতা মহিলার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গেও কথা বলবেন বোস। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলায় কীভাবে প্রতিদিন এত হিংসার ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। এ বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

    বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত (CV Ananda Bose)

    দিল্লি থেকে এক ভিডিয়ো বার্তায় রাজ্যের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ভিডিয়ো বার্তায় রাজ্যপাল বলেছেন, “বাংলার রাস্তায় রক্তস্নান চলছে। বাংলার গ্রাম-গঞ্জে রাস্তায় মরণ নাচন চলছে। এখানে কি আদৌ কোনও পুলিশমন্ত্রী আছেন? এই অশান্তি থামানো কি তাঁর দায়িত্ব নয়? নরক শূন্য হয়ে গিয়েছে, সব শয়তানরা এখানে এসে গিয়েছে। জঙ্গলও এর থেকে ভালো। জঙ্গলে কোনও প্রাণী শুধুমাত্র রোমাঞ্চিত হওয়ার জন্য কাউকে মারে না। শুধুমাত্র এখানেই রোমাঞ্চের জন্য মারা হচ্ছে মানুষকে। এটা চলতে পারে না। সরকারকে এর জবাবদিহি করতে হবে।” 

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে পড়ছে চিন-ভিয়েতনাম! মোবাইল রফতানির ক্ষেত্রে এগোচ্ছে ভারত

    দিনভর কোথায় কোথায় রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    রাজভবন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে দিল্লি থেকে বাগডোগরার উদ্দেশে রওনা হবেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বাগডোগরা থেকে সড়ক পথে চোপড়া (Chopra) পৌঁছবেন তিনি। এখান থেকে কোচবিহারের দিনহাটাতেও যেতে পারেন রাজ্যপাল। দিনভর এই কর্মসূচি সেরে দিল্লিতে ফিরে রাজ্যপাল রিপোর্ট জমা দিতে পারেন বলে অনুমান। শুধু এই ঘটনা নয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেড়ে ওঠা হিংসা নিয়েও কথা বলবেন রাজ্যপাল। গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শিশু চোর কিংবা মোবাইল ফোন চোর সন্দেহে যে গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে সে সমস্ত বিষয়েও ‘অ্যাকশন’ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি জানান, সব বিষয় খতিয়ে দেখে তারপর দিল্লিতে কথা বলবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share