Tag: West Bengal

West Bengal

  • Kamarhati: তৃণমূল নেতার হাতে হেনস্থা অভিনেত্রী-কাউন্সিলর শ্রীতমা, কামারহাটিতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    Kamarhati: তৃণমূল নেতার হাতে হেনস্থা অভিনেত্রী-কাউন্সিলর শ্রীতমা, কামারহাটিতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিনেত্রী তথা তৃণমূল কাউন্সিলরকে প্রকাশ্যে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল দলেরই এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চা়ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কাউন্সিলরের নাম শ্রীতমা ভট্টাচার্য। আর অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC Conflict) নেতার নাম অমিত সাহা। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কামারহাটি পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের (Kamarhati)  শ্রীপল্লি কমিটির উদ্যোগে সরকারি জমি বেহাত হয়ে যাচ্ছে বলে কাউন্সিলরের কাছে অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগ পেয়ে কাউন্সিলর শ্রীতমা ভট্টাচার্য সরজমিনে খতিয়ে দেখতে যান। অভিযোগ, শ্রীপল্লি কমিটির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা অমিত সাহা দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সামনেই দলীয় কাউন্সিলরকে হেনস্থা করেন। কাউন্সিলর শ্রীতমা ভট্টাচার্য বলেন, সরকারি জমি দখল হওয়ার অভিযোগ পেয়ে তা খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম। জমি বেহাত হওয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়েই আমাকে অমিত সাহা অশ্রাব্যভাষায় গালিগালাজ করেন। আমার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয় বিধায়ক মদন মিত্রকে জানিয়েছি। বেলঘরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি এর সুবিচার চাই।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    সরব তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র

    তৃণমূল বিধায়ক (Kamarhati) মদন মিত্র বলেন, তৃণমূলের স্থানীয় নেতা বলে মহিলা কাউন্সিলরের সঙ্গে যা খুশি করবে তা হতে পারে না। দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। কারণ, কাউন্সিলর সেখানে একটি বিষয়ে জানতে গিয়েছিল। শ্রীপল্লি কমিটির সভাপতি হিসেবে তাঁর সহযোগিতা করার কথা ছিল। কিন্তু, সেটা না করেই সকলের সামনেই মহিলা কাউন্সিলরকে হেনস্থা করা হয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দলের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় দেখি। আর প্রশাসনগতভাবেই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কারণ, এই ধরনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। আশা রাখব, দলের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    জানা গিয়েছে, এক সময় এই অমিত সাহা এই তৃণমূল (TMC Conflict) কাউন্সিলরের ইলেকশন এজেন্ট ছিলেন। তারপর এই ঘটনায় দলের কর্মীরাও হতবাক। তৃণমূল নেতা অমিত সাহা বলেন, রাতের দিকে মহিলা কাউন্সিলরের ক্লাবের মধ্যে আসা ঠিক হয়নি। কারণ, সেখান পাঁচরকম ছেলে থাকে। আর কাউন্সিলরের সঙ্গে কোনও খারাপ আচরণ করা হয়নি। আমি শ্রীপল্লি কমিটির বিষয়ে নাক গলাতে নিষেধ করেছি। এখন এই বিষয়টি নিয়ে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: শিক্ষায় দখলের অভিযোগ খড়্গের! পাল্টা তোপ ধনখড়ের

    RSS: শিক্ষায় দখলের অভিযোগ খড়্গের! পাল্টা তোপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দিনেও রাজ্যসভায় শাসক বিরোধী তরজা অব্যাহত। এদিন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মধ্যে প্রথমে মজার ছলে কথোপকথন শুরু হয়। কিন্তু খাড়গে তাঁর বক্তব্য আরএসএস (RSS) কেন্দ্রিক করতেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় দুজনের মধ্যে। নিটের বিষয়ে আলোচনা ইস্যুতে আরএসএসকে অহেতুক জড়িয়ে তির্যক মন্তব্য করেন কংগ্রেস সভাপতি। পাল্টা জবাব দিতে সময় নষ্ট করেননি জগদীপ ধনখড়।  

    ঠিক কী হয়েছিল?

    এদিন রাজ্যসভায় মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, নিটের ৭০ টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সাত বছরে লিক হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সবকিছু জেনেও চুপ থেকেছে মোদি সরকার। এর সঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের লোকেরা (RSS) দেশের পঠন-পাঠন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি সংস্থায় ঢুকে পড়েছে। তাঁর অভিযোগ এনসিইআরটি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর পদে আরএসএস-এর লোকেরা বসে আছেন।

    জগদীপ ধনখড়ের পাল্টা জবাব (RSS)

    পাল্টা জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) প্রশ্ন করেন, আরএসএস করা কি অপরাধ? আরএসএস করলে কি কোনও ব্যক্তির কোনও সংস্থার প্রবেশাধিকার নষ্ট হয়ে যায়। আরএসএসের (RSS) প্রশংসা করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “আরএসএস রাষ্ট্রের অগ্রগতির জন্য দায়বদ্ধ। রাষ্ট্রের উন্নয়নে স্বয়ংসেবকদের অবদান অনস্বীকার্য।” সোমবার কংগ্রেস সভাপতি আরও অভিযোগ করে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ ভাষণের প্রস্তাবের আড়ালে সরকার তাদের ব্যর্থতা লুকোতে চাইছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণে গরীব, দলিত ও সংখ্যালঘুদের কথা উল্লেখ করা হয়নি। বিরোধীরা যখন সাধারণ মানুষের কথা বলছে, সেই সময় মোদি শুধু মন কি বাত করে যাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার সহ একাধিক ব্যক্তির নামে এফআইআর

    প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনের সময় বিভাজনমূলক বক্তব্য রাখার জন্য অভিযুক্ত করে খাড়গে বলেন, “এর আগে দেশের কোনও প্রধানমন্ত্রী এ কাজ করেননি।” কংগ্রেস পার্টির ম্যানিফেস্টোকে যেভাবে ধর্মের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল তা অবাঞ্ছিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NAAC: ন্যাকের A+ রেটিং পেল চন্দননগর মহাবিদ্যালয়! কোন পরিকাঠামো গুণে এই স্বীকৃতি

    NAAC: ন্যাকের A+ রেটিং পেল চন্দননগর মহাবিদ্যালয়! কোন পরিকাঠামো গুণে এই স্বীকৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের চেষ্টাতেই ন্যাক (NAAC) থেকে এ প্লাস (A+) রেটিং অর্জন করল চন্দননগর মহাবিদ্যালয়। বিগত দুটি দফায়, ২০০৭ এবং ২০১৬ সালে, এই মহাবিদ্যালয় B+ + গ্রেড পেয়েছিল। তৃতীয় দফার (NAAC) মূল্যায়নে ৩.৪৬ মান সহ A+ গ্রেড পেয়েছে। সর্বভারতীয় স্তরে, ১৯৯৪ সালে এই মূল্যায়ন শুরু হওয়ার পর, এটিই এখনও পর্যন্ত রাজ্যে কোনও সরকারি কলেজের সর্বাধিক গ্রেড নম্বর বলে কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি।

    বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিল এই কলেজ! (NAAC)

    ফরাসি আমলে তৈরি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে নানা ধাপ পেরিয়ে কলেজ দুপ্লে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০১ সালে। পরবর্তীকালে ১৯৪৮ সালে ওই কলেজের নামকরণ হয় চন্দননগর মহাবিদ্যালয়। বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে দীর্ঘ ২৩ বছর (১৯০৮-১৯৩১) বন্ধ ছিল এই প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৪ সালের ২রা অক্টোবর থেকে এই মহাবিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা দফতরের পরিচালনাধীন। ধীরে ধীরে কলেজের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে উৎকর্ষের শিরোপা আদায় করেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    মূলত পরিকাঠামো ও শিক্ষাব্যবস্থা কতটা উন্নত তার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রেটিং দেয় ন্যাক। গত ২৫-২৬ জুন চন্দননগর মহাবিদ্যালয়ে ন্যাকের (NAAC) মূল্যায়নকারী দলের সদস্যরা উপস্থিত হয়েছিলেন। সর্বভারতীয় স্তরে নথিভুক্ত প্রায় পঞ্চাশ হাজার কলেজের মধ্যে এক শতাংশেরও কম কিছু কলেজ এখনও পর্যন্ত A+গ্রেড পেয়েছে। ন্যাকের তরফে A+ রেটিং পেলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের বিশেষ সুযোগ পাওয়া যায়। পাশাপাশি পড়ুয়ারাও প্লেসমেন্ট ও উচ্চশিক্ষার সময় নানা সুবিধা পায়। মহাবিদ্যালের অধ্যক্ষ দেবাশিস সরকার  বলেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে ১৯টি বিভাগে স্নাতক স্তরের ও ৩টি বিভাগে স্নাতকোত্তর স্তরের পঠনপাঠন চলছে। কলেজের ঐতিহ্যবাহী, প্রায় দুশ বছরের বেশি প্রাচীন, ভবনে বিপ্লবীদের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত চন্দননগর কলেজ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২৩ সালে। বর্তমানে নানা বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী সহ বহু দেশী-বিদেশি পর্যটকদের কাছে অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান হয়ে উঠেছে এই মিউজিয়াম। ন্যাকের পরিদর্শক দল বেশ খুশি কলেজের কাজে। পরে, এই রেটিং জানার পর আমাদের খুবই ভালো লাগছে। আরও প্রতিষ্ঠানকে উন্নত করার জন্য আমরা সবরকম উদ্যোগ গ্রহণ করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়াতেও বুলডোজার! উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে বিজেপি, হল প্রতিবাদ মিছিল

    Nadia: নদিয়াতেও বুলডোজার! উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে বিজেপি, হল প্রতিবাদ মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরেও বুলডোজারের মাধ্যমে শুরু হয়েছে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান ভাঙ্গার কাজ। এরই মধ্যে দোকান হারানো ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াল বিজেপি। সোমবার বিজেপির এক প্রতিনিধি দল কৃষ্ণনগরের ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের অভাব অভিযোগ শুনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। শুধু তাই নয় হকারদের পুনর্বাসনেরও দাবি তুলেছেন তারা।

    উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে বিজেপি নেত্রী রানিমা (Nadia)

    কৃষ্ণনগর (Nadia) লোকসভা কেন্দ্রের পরাজিত বিজেপি  (BJP) প্রার্থী রানিমা অমৃতা রায়ের স্বামী শারীরিক অসুস্থতার জন্য রয়েছেন কৃষ্ণনগরের বাইরে। রাজ পরিবারের সদস্য তথা রানিমার স্বামী সৌমিশ চন্দ্র রায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এই অবস্থার মধ্যে কৃষ্ণনগরের ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়াসহ হকারদের পুনর্বাসনের দাবি করেছেন তিনি। তিনি বলেন, বুলডোজার চালিয়ে ব্যবসায়ীদের দোকান ভাঙ্গার তীব্র নিন্দা করছি। আগামীতে এই লড়াইয়ে আমরা সবসময় তাঁদের পাশে রয়েছি।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    হকার উচ্ছেদে প্রতিবাদ মিছিল!

    বেআইনিভাবে হকার উচ্ছেদের অভিযোগ তুলে জেলা হকার রক্ষা মঞ্চ এবং বিজেপির (BJP) পক্ষ থেকে যৌথভাবে প্রতিবাদ মিছিল করা হল নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। সোমবার কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড় থেকে  জেলাশাসকের দফতর পর্যন্ত মিছিল করা হয়। পরে, মহকুমা শাসকের কাছে একটি ডেপুটেশন দেওয়া হয়। উল্লেখ, দিন কয়েক আগে রাজ্য সরকারের নির্দেশে কোতোয়ালি থানার পুলিশের পক্ষ থেকে কৃষ্ণনগরের বেশ কয়েকটি জায়গায় হকার উচ্ছেদ করা হয়। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, যে সমস্ত হকারদের বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের অবিলম্বে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। কীভাবে নোটিশ না দিয়ে দোকান ভেঙে ফেলা হল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। তাদের দাবি, এরপর হকার উচ্ছেদ করতে গেলে বিভিন্ন হকারি যে সংগঠন রয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যে সংগঠন রয়েছে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: তৃণমূলের পার্টি অফিসে হাজিরা দেননি বিজেপি কর্মীরা, বন্ধ করা হল রেশন, আরামবাগে শোরগোল

    Arambagh: তৃণমূলের পার্টি অফিসে হাজিরা দেননি বিজেপি কর্মীরা, বন্ধ করা হল রেশন, আরামবাগে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই বিজেপি করার অপরাধে বেশ কয়েকজন কর্মীর রেশন বন্ধ করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) গৌরহাটি ১ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায়। ইতিমধ্যে বঞ্চিত বিজেপি কর্মীরা মহকুমা শাসকের কাছে দরবার করেছেন।

    কেন বন্ধ করা হল রেশন? (Arambagh)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই এলাকার তৃণমূলের নেতারা দাদাগিরি ফলাচ্ছেন। বিজেপি কর্মী পলাশ ঘোষ, রেনুপদ ধক ও ধীরেন ধককে তৃণমূলের দলীয় অফিসে ডাকা হয়। তাঁরা সেখানে না যাওয়ায় তাঁদের রেশন একেবারেই বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও অভিযোগ, বাড়ির মহিলারা রেশন আনতে গেলে তাঁদেরকে লাইন থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ওই পরিবারগুলি। বাড়ির বাইরে গেলে তাঁদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ। এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয় স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। আরামবাগ মহকুমা (Arambagh) শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন আরামবাগের মহকুমা শাসক সুভাষিনী ই। তিনি ওই ব্যক্তিদের বাড়িতে তাঁদের রেশন সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কথাও জানান।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    রেশন ডিলার কী বললেন?

    রেশন ডিলার গোপাল কোলের অবশ্য দাবি, “তৃণমূলের (Trinamool Congress) নির্দেশে ২০-২৩ জনের রেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের আবার রেশন দেওয়া হয়। কিন্তু কোনওভাবে এই তিনজন রেশন থেকে বঞ্চিত থেকে গিয়েছে। তাঁরা দোকানে এলেই তাঁদের রেশন দিয়ে দেওয়া হবে।” যদিও এই ঘটনার পর থেকে ওই রেশন ডিলারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠছে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। তাঁকে নাকি গ্রাম ছাড়া করা হবে বলেই নিদান দেন তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী। এই ঘটনায় ওই রেশন ডিলার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান।

    তৃণমূলের প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    গৌরহাটি-১ নম্বর পঞ্চায়েত প্রধান (Trinamool Congress) জ্যোৎস্নারা খাতুনও  বলেন, “রেশন বন্ধের বিষয়ে আমার কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। ঘটনাটা যদি সত্যি হয় আমি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেব। রাজ্য সরকারের প্রকল্পের দল দেখে দেওয়া হয় না। এই সুবিধা সকলের প্রাপ্য।” তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী দলীয়ভাবে রেশন বন্ধের বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP MLAs Protest: কোচবিহার-চোপড়া নিয়ে চাপে রাজ্য, বিধানসভায় ধর্না বিজেপির, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    BJP MLAs Protest: কোচবিহার-চোপড়া নিয়ে চাপে রাজ্য, বিধানসভায় ধর্না বিজেপির, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। কোচবিহারের ঘটনায় বিধানসভায় (West Bengal Assembly) বিক্ষোভ অবস্থানের কথা আগেই জানানো হয়েছিল বিজেপির তরফে। আর এবার তার সঙ্গেই জুড়ে গিয়েছে চোপড়ার ঘটনাও। কোচবিহার এবং চোপড়ার ঘটনার প্রতিবাদে এবার বিধানসভার সামনে ধর্নায় বসলেন বিজেপির মহিলা বিধায়করা (BJP MLAs Protest)। বিজেপি বিধায়িকা তথা মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে চলছে ধর্না কর্মসূচি। অন্য দিকে, চোপড়ার ঘটনায় রাজ্যের পরিস্থিতিতে উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবন সূত্রের খবর, এই ঘটনায় নবান্নের স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।

    বিজেপির দাবি (BJP MLAs Protest)

    সোমবার সকালে বিধানসভার (West Bengal Assembly) গাড়ি বারান্দার সামনে বিক্ষোভে অগ্নিমিত্রা পলের সঙ্গে বসেন শিখা চট্টোপাধ্যায়, চন্দনা বাউড়িরা। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে শুরু হয় অবস্থান কর্মসূচি। প্ল্যাকার্ডে কোচবিহারের ঘটনার উল্লেখ করে নারী নির্যাতনকারীদের শাস্তির দাবি করেছেন তাঁরা। সেইসঙ্গে ২০১১-র পর থেকে কতজন নারী নির্যাতনকারীর শাস্তি হয়েছে, তার জবাবও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চেয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনায় বিজেপির দাবি, শাসকদলের নেতৃত্বে রাজ্যে সন্ত্রাস চলছে। অবিলম্বে পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে বিজেপি (BJP MLAs Protest)। 

    কেন এই বিক্ষোভ? (West Bengal Assembly) 

    কোচবিহারের ঘটনা নিয়ে সোমবারই বিধানসভায় সরব হবে বিজেপি তা আগেই জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো বিধানসভায় ধর্না দেওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন বিজেপির মহিলা বিধায়কেরা। তবে সেই অনুমতি না মেলায় সোমবার সকালে বিধানসভার গাড়িবারান্দার সামনে বিক্ষোভে বসেন অগ্নিমিত্রা। এ প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা বলেন, “কোচবিহারে বিজেপির প্রতিনিধিদল যাওয়ার পর পুলিশ নির্যাতিতার বয়ান নিল। আর সেই ঘটনার পরেই আমরা দেখলাম চোপড়ায় তৃণমূল নেতা এক জন মহিলার উপর প্রকাশ্যে অত্যাচার করছেন। আমরা রাজ্যে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ধর্না (BJP MLAs Protest) অবস্থান করছি।”

    অন্যদিকে এদিনের নির্দিষ্ট কর্মসূচির আগেই বরানগরের জয়ী প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় আর ভগবানগোলার জয়ী প্রার্থী রেয়াত হোসেন সরকাররা বিধানসভায় (West Bengal Assembly) আম্বেদকর মূর্তির নীচে এসে ধর্নায় বসে যান। 
    এরপরেই বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খোলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহার কাণ্ডে বিজেপি বিধায়কদের ধর্না প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পিকার বলেন, “অনুমতি ছাড়া বিজেপি বিধায়করা (BJP MLAs Protest) বিক্ষোভ করছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বিধায়ক আগে আবেদন করেছিলেন তাই ওদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি ওদের (বিজেপি) অনুমতি দিইনি। কেন বসেছে জানি না। ব্যবস্থা নেওয়া যায় কী ভাবে, দেখছি। মার্শালকে বলব বিষয়টি দেখতে। আজ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন। আজকের দিনে মাল্যদান অনুষ্ঠানে না এসে ওনারা ধর্না করছেন।”

    আরও পড়ুন: লোনাভালার জলপ্রপাতে ভেসে গেলেন একই পরিবারের ৭ জন! প্রকাশ্যে ভিডিয়ো

    আগে কী ঘটেছিল?  

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি কোচবিহারের মাথাভাঙা-২ ব্লকে বিজেপির সংখ্যালঘু নেত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। এ বার সেই সঙ্গে জুড়ল চোপড়ার ঘটনা। রবিবার দুপুরেই তৃণমূলের চোপড়ার (Chopra) নেতা তাজম্মুল ওরফে ‘জেসিবি’র একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োয় দেখা যায় এক তরুণীকে রাস্তার মধ্যে ফেলে এক ছড়া কঞ্চি দিয়ে বেধড়ক মারছেন জেসিবি। মার খেতে খেতে গুটিয়ে যাওয়া মেয়েটিকে চুলের মুঠি ধরে টেনে এনে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলা হচ্ছে। তার পরে আবার শুরু হচ্ছে মার। একই সঙ্গে এক তরুণকেও একই ভাবে মারতে দেখা যায়। ওই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পরই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: লাঠি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী-বিডিওকে তাড়া করলেন মহিলারা, মালদায় শোরগোল

    Malda: লাঠি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী-বিডিওকে তাড়া করলেন মহিলারা, মালদায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল সরকারের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরের প্রতিমন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল  হোসেন। লাঠি উঁচিয়ে তাঁকে তাড়া করলেন গ্রামের মহিলারা। নিজেকে বাঁচাতে নৌকায় উঠে পড়তে হয় মন্ত্রীকে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের রশিদপুর গ্রামে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ত্রাণ নেই, ক্ষোভ উগরে দিলেন গ্রামবাসীরা (Malda)

    ভাঙন-কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মন্ত্রী তাজমুল হোসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও (Malda) তাপসকুমার পালসহ অন্য প্রশাসনিক কর্তারা। মন্ত্রীসহ প্রশাসনিক কর্তাদের ক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। তাঁদের বক্তব্য, ফুলহার নদীতে গত কয়েকদিনে জলস্তর অনেকটাই বেড়েছে। যার ফলে এলাকা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদী ভাঙনের কবলে পড়ে গ্রামের কয়েকটি বাড়ি, দোকান ভেসে গিয়েছে। কিন্তু, সরকারের কোনও হেলদোল নেই। প্রশাসনিক আধিকারিকদের কেউই গ্রামে আসেননি। ত্রাণেরও ব্যবস্থা করা হয়নি। এই অভিযোগ তুলেই মন্ত্রী ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন গ্রামবাসীরা। রীতিমতো লাঠি নিয়ে মন্ত্রী ও বিডিওকে তাড়া করতে দেখা যায়। নিজেকে বাঁচাতে নৌকায় উঠে পড়তে হয় মন্ত্রীকে। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় রশিদপুরে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    মন্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    মন্ত্রী তাজমুল হোসেন (Trinamool Congress) বলেন, ‘রশিদপুর গ্রামের খুবই খারাপ অবস্থা। সেচ দফতর কিছু কাজ করেছে। কিন্তু, আরও কাজ বাকি আছে। সেচ দফতরকে বলব, বাকি কাজ শেষ করতে। আমি নিজেও সেচমন্ত্রীকে যা বলার বলব।’ গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন বিডিও তাপসকুমার পালও। তিনি বলেন, ‘গ্রামবাসীদের ক্ষোভের কথা শুনলাম। কী করা যায়, তা ওপর মহলের সঙ্গে কথা বলে করতে হবে।’এ-বিষয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন আরও বলেন, “এই কেন্দ্র থেকে জিতেছেন খগেন মুর্মু। এই বিক্ষোভ তাঁকে ঘিরে দেখানো উচিত। ভাঙন রোধের কাজে কেন্দ্র ও তাদের জনপ্রতিনিধি জেলার জন্য, মানুষের জন্য কিছুই করেন না। রাজ্য যেটুকু পারছে, সাধারণ মানুষের জন্য করছে।”

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    মন্ত্রীকে (Trinamool Congress) পালটা কটাক্ষ করেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। তিনি বলেন, ‘ওই এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবস্থা আমি করেছি। ভাঙন রোধের অর্থ চেয়ে রাজ্য সরকার চিঠি দিক। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্যই সাহায্য করবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: হুগলিতে বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে লোহার রড, বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Hooghly: হুগলিতে বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে লোহার রড, বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বিজেপি কর্মীকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) ধনেখালিতে। পুলিশ জানিয়েছে, জখম বিজেপি কর্মীর নাম সমীরণ মুর্মু। তাঁকে চুঁচুড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন হামলা? (Hooghly)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটে এলাকায় দলের হয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন বিজেপির এস টি মোর্চার কর্মী সমীরণ মুর্মু। ভোটের ফল বের হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের লোকজন তাঁকে হুমকি দিত বলে অভিযোগ। রবিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ধনেখালির (Hooghly) কানা নদী এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী তাঁর ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। রাস্তায় ফেলে লাঠি, লোহার রড, বাঁশ দিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে। আক্রান্তের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। দলীয় কর্মীরা খবর পেয়েই ওই বিজেপি কর্মীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে একটি দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যান। খবর দেওয়া হয় ধনেখালি থানায়। বিজেপি কর্মীর মা সরমা মুর্মুর বলেন, “আমার ছেলে বিজেপি করে বলেই মারধর করেছে তৃণমূলের লোকজন। ওর সঙ্গে ব্যক্তিগত কারও কোনও শত্রুতা নেই। আমাকে তো সব কথা বলে না। তবে, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে ওকে আতঙ্কে থাকতে দেখেছি। এভাবে ছেলেকে তৃণমূলের লোকজন মারবে ভাবতে পারিনি। ওদের শাস্তি চাই।” ঘটনার পর পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। আক্রান্তের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা। এরপর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে চুঁচুড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি (BJP) নেতারা বলেন, সমীরণ বিজেপির সক্রিয় কর্মী। যারজন্য তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে। দলের তরফ থেকে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূল নেতারা বলেন, “পাড়ার সমস্যা। এর মধ্যে রাজনৈতিক রঙ লাগানোর চেষ্টা চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: দুই শীর্ষ পুলিশকর্তার অপসারণের দাবিতে নবান্ন ও কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্যপালের, কেন?

    CV Ananda Bose: দুই শীর্ষ পুলিশকর্তার অপসারণের দাবিতে নবান্ন ও কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্যপালের, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগের তদন্ত করার করার অভিযোগে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট ডিসিকে অপসারণের আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তিনি আর্জি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। রবিবার রাতে রাজভবন সূত্রে খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

    দুই আইপিএসকে কেন্দ্রীয়স্তরে ডেকে পাঠানোর দাবি (CV Anand Bose)

    জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আইএএস, আইপিএস ক্যাডার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ যথা ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিংকে (CV Anand Bose) এই চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, কলকাতা পুলিশের কমিশনার এবং ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় অসাংবিধানিক কাজ করেছেন। এর জন্য তাঁদের পদ থেকে যেন সরিয়ে দেওয়া হয়। ওই দুজন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয়স্তরে ডেকে পাঠানোর দাবি জানানো হয়। অবশ্য লালবাজারের তরফে এবিষয়ে এখন অবধি কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ (Kolkata Police)

    ২ মে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে রাজভবনের এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল রাজ্যপাল চাকরির পদোন্নতি প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হেনস্থা করেছেন। কিন্তু সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগের তদন্ত করা যায় না, বলে কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি কলকাতা পুলিশ। কিন্তু অভিযোগ না নিলেও মহিলার বয়ানের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালিয়েছিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। রাজভবনের কর্মীদের ডেকে পাঠানো হয়। ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। এমনকি, পরবর্তীকালে মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে একাধিক প্রতিক্রিয়া মেলে। ডিসি সেন্ট্রাল এবিষয়ে সক্রিয় হন বলে সুত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: “চোপড়ায় চলছে তালিবান শাসন”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    মহিলাকে পুলিশের কাছে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজভবনের কয়েকজন আধিকারিকের নামে মামলাও রুজু হয়। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে সেই তদন্ত বন্ধ হয়ে যায়। তবুও এই অভিযোগ পর্ব থেকেই রাজ্যপাল, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে যে তিক্ততা বেড়েছে তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sukanta Majumdar: “চোপড়ায় চলছে তালিবান শাসন”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “চোপড়ায় চলছে তালিবান শাসন”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় রাস্তায় ফেলে যুবক-যুবতীকে লাঠির গোছা দিয়ে নির্মমভাবে মারধরের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড়় গোটা রাজ্য। এই ঘটনায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন তিনি।

    চোপড়াকে তালিবান বানিয়ে দিলেন, সরব সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনের প্রচারে রবিবার সন্ধ্যায় পায়রাডাঙায় গিয়েছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারের মাঝেই চোপড়ার ইস্যু নিয়েও রাজ্য সরকারের তুমুল সমালোচনায় সরব হয়েছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি (Sukanta Majumdar)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “চোপড়ায় যে ঘটনা ঘটেছে, তা আরও একবার প্রমাণ করল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মহিলাদের সুরক্ষা কোন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। যেভাবে গণপিটুনি হচ্ছে। তালিবানের মতো শাসন তো এটা। এখন তো দেখছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতাকে তো লন্ডন করতে পারলেন না, চোপড়াকে তালিবান বানিয়ে দিলেন।”

    ভাইরাল ভিডিওতে কী রয়েছে?

    ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গোল হয়ে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনাটি দেখছে একদল মানুষ। যে ব্যক্তি ওই তরুণ ও তরুণীকে মারধর করছে, কেউই তাকে বাধা দিচ্ছেন না। নিরস্তও করার চেষ্টাও করছেন না কেউ। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। দেখা যাচ্ছে, এক তরুণও ওই তরুণীর পাশে পড়ে পড়ে কাতরাচ্ছেন। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বেধড়ক মারধর করা হয়েছে ওই তরুণকেও।

    নিগৃহীতা অসামাজিক কাজ করছিলেন

    চোপড়ার (Chopra) ওই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত তাজমুল ওরফে জেসিবিকে। এদিকে রবিবারের ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।  প্রসঙ্গত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই ব্যক্তি তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ বলেই এলাকায় পরিচিত। চোপড়ার এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেন, “নিগৃহীতা অসামাজিক কাজ করছিলেন। তবুও, সমস্ত বিষয়টি জানতে জেসিবিদের ডেকে পাঠিয়েছি। প্রকৃত ঘটনা কী দেখতে হবে তো। সবাই তৃণমলের।  এটিকে তিল থেকে তাল করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share