Tag: West Bengal

West Bengal

  • Santipur: করোনা ভ্যাকসিনের নাম করে নির্বীজকরণ! কাঠগড়ায় স্বাস্থ্য দফতর, ফুঁসছেন এলাকাবাসী

    Santipur: করোনা ভ্যাকসিনের নাম করে নির্বীজকরণ! কাঠগড়ায় স্বাস্থ্য দফতর, ফুঁসছেন এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার নামে এক আদিবাসী ব্যক্তিকে নির্বীজকরণের অভিযোগ উঠল নদিয়ার শান্তিপুর (Santipur) ফুলিয়া ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এই ঘটনায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকজন। বিষয়টি জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Santipur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার শান্তিপুর (Santipur) থানার চাঁদরা রায়পাড়া এলাকার মাধব রায় নামে এক ব্যক্তিকে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার নাম করে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডেকে নিয়ে যায় ওই এলাকারই দুই আশাকর্মী। সেখানে গিয়ে তাঁকে অজ্ঞান করে এন এস ভি অপারেশন অর্থাৎ নির্বীজকরণের অভিযোগ ওঠে। জানা যায়, ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই হয় এই অপারেশন। এরপরই ওই দুই আশাকর্মী ওই ব্যক্তিকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার নাম করে রাস্তার মাঝখানে ছেড়ে দেন। পরিবারের লোকজন দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। দেখা যায়, গোপনাঙ্গ দিয়ে অনবরত রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এই ঘটনার পরে পরিবারের তরফ থেকে শান্তিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় ওই আশাকর্মী এবং ব্লক স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে। প্রশাসন এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ। ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক পূজা মৈত্রকে অপসারণ করতে এলাকায় পোস্টার দেওয়া হয়। এই একই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন খোকন দেবনাথ। বয়স ৬২ বছর। তিনিও শান্তিপুর থানায় মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। নিঃসন্তান তিনি আবার মানসিকভাবে ভারসাম্যহীনও। লোকের বাড়িতে কিংবা কোনও অনুষ্ঠান বাড়িতে টুকটাক কাজ করে দু’মুঠো অন্নের সংস্থান করেন। তাঁর চল্লিশ বছরের বিবাহিত জীবনে কোনও সন্তান হয়নি। এই ব্যক্তিকেও নির্বীজকরণ করা হয়েছে অভিযোগ পরিবারের। তাঁর দিদি শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    গ্রামবাসীদের কী বক্তব্য?

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য, পরিবারকে অবগত না করে এইভাবে অপারেশন করা হয়েছে। আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে লক্ষ্যপূরণের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাই, এসব করছে। অবিলম্বে এই ঘটনায় যারা দোষী তাদের গ্রেফতার করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এই ঘটনা না ঘটে সেই কারণে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক পূজা মৈত্রকে অপসারণ করতে হবে। না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

    ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক কী বললেন?

    শান্তিপুর (Santipur) ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক পূজা মৈত্র বলেন, সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে এবং তাঁর সম্মতি নিয়েই অপারেশন করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কাগজপত্রে ওই ব্যক্তির সই রয়েছে। যাঁরা অপসারণের কথা বলছেন তাঁরা রাজনৈতিক চক্রান্ত করছেন।

    জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে আবার নদিয়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, আমাদের এখানে তো ভ্যাসেকটমির কেস খুব একটা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই তার সঙ্গে আমরা টিউবেকটমি করছি। যাতে আমাদের পারফরম্যান্সটা ভালো থাকে। গ্রামীণ হাসপাতাল, স্টেট জেনারেল হাসপাতালে একটি ন্যূনতম লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন, এই লক্ষ্যপূরণ করতে গিয়েই কি এভাবে ধরে ধরে ‘নির্বীজকরণের প্রক্রিয়া’ শুরু হয়েছে। স্পষ্ট করে স্বাস্থ্য আধিকারিক তা বলেননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে একই দিনে মমতা-শুভেন্দু! বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভাঙার নিদান গৌতমের

    Siliguri: শিলিগুড়িতে একই দিনে মমতা-শুভেন্দু! বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভাঙার নিদান গৌতমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) মাটিতে একই দিনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই দুই হেভিওয়েট নেতার সভা ঘিরে শিলিগুড়ির রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। যুযুধান দুই রাজনৈতিক দলের সভা ঘিরে গন্ডগোলের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল। ১২ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে বিজেপি এবং তৃণমূলের সভা, পাল্টা সভা হতে চলেছে। যা নিয়ে জেলাজুড়ে শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ফুটবল লিগের খেলা বন্ধ করে মমতার সভা, প্রতিবাদে বিজেপি (Siliguri)

    বুধবার শিলিগুড়ি (Siliguri) পৌঁছে কার্শিয়াং যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আগামী ৭ তারিখ অবধি পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এরপর আগামী ৮ তারিখ কার্শিয়াং, ১০ তারিখ আলিপুরদুয়ারে, ১১ তারিখ বানারহাটে এবং ১২ তারিখ শিলিগুড়িতে সভা করবেন। শিলিগুড়ির এই সভা নিয়েই যত প্রশ্ন। কারণ, এখন শিলিগুড়ি স্টেডিয়ামে লিগের খেলা চলছে। আর তা চলাকালীন খেলা বন্ধ করে স্টেডিয়ামে মমতার সভা করতে গিয়ে মাঠ খুঁড়ে নষ্ট করা হচ্ছে বলে বিরোধীদে অভিযোগ। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েই ওই দিন শিলিগুড়িতে পাল্টা সভার ডাক দিয়েছে বিজেপি। সেই সভায় হাজির থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী। যাত্রাপথে মুখ্যমন্ত্রীকে কালো পতাকা দেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। ওই দিন বিজেপির সভায় আসবেন শুভেন্দু অধিকারী। আজই এ নিয়ে আবেদন করা হবে। অনুমতি মিলবে না ধরে নিয়েই আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভাঙার নিদান গৌতমের

    মেয়র গৌতম দেব বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর সভার পর মাঠ ঠিক করে দেওয়া হবে বলেছিলাম। খেলাধূলো আমার হৃদয়ে রয়েছে। তবে এটাকে নিয়ে রাজনীতি করা নিন্দাজনক। বিজেপির অধিকার আছে বিক্ষোভ দেখানোর। তবে তা কীভাবে মোকাবিলা করতে হয় জানি। আমরা হাতে চুড়ি পরে বসে নেই। হাত-পা ভেঙে দেব।’

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, এটা মুখ্যমন্ত্রীর গা জোয়ারি মনোভাব প্রকাশ পায়। এর আগে এই স্টেডিয়ামে (Siliguri) গায়ক অরিজিৎ সিংয়ের গানের অনুষ্ঠানের সময় প্রতিবাদ করেছিলাম। তখন বলেছিলাম খেলা ছাড়া আর কোনও অনুষ্ঠান হবে না। এখন শুনছি তৃণমূলের প্রধান স্টেডিয়ামের মাঠে এসে কর্মসূচি করছেন। যদি সেটা হয় আমি নিজে এর প্রতিবাদ করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: সভা থেকেই তৃণমূল নেতার উস্কানি! বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙচুর

    Tamluk: সভা থেকেই তৃণমূল নেতার উস্কানি! বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূলের সভা। আর সেই সভা থেকেই বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতে চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটল। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের (Tamluk) উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে। সেখানে ঢুকে হামলা এবং ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল শতাধিক তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Tamluk)

    মঙ্গলবার তমলুক (Tamluk) ব্লকের উত্তর সোনামুই অঞ্চল অফিসের ঠিক উল্টো দিকে বিক্ষোভ সভার আয়োজন করে তৃণমূল। সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক, তৃণমূল নেতা সোমনাথ বেরা প্রমুখ। সোমনাথবাবু বক্তব্য শেষ হওয়ার মুখেই সভাস্থলে থাকা মহিলা এবং পুরুষ নির্বিশেষে দলে দলে ছুটে যান বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত অফিসের দিকে। ১০০ দিনের বকেয়ার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। চলে পঞ্চায়েত অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর। পঞ্চায়েত অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

    গন্ডগোল, ভাঙচুরের সময় পুলিশ ছিল নীরব দর্শক, সরব বিজেপি

    পুরো ঘটনার পিছনে তৃণমূলের উস্কানিকেই দায়ী করেছেন বিজেপির তমলুক (Tamluk) সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি আশিস মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ওই পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল। এবার তাদের হারিয়ে পঞ্চায়েতের দখল বিজেপির হাতে গিয়েছে। তারই শোধ তুলতে সাধারণ মানুষকে উস্কে দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েতে হামলা চালানোর জন্য। তৃণমূলের সভাস্থল থেকে সামান্য দূরে দাঁড়িয়ে ছিল পুলিশ। গন্ডগোল, ভাঙচুরের সময় তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। মঙ্গলবার রাতেই বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে তমলুক থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।’ এই ঘটনার প্রতিবাদে লাগাতার আন্দোলনে নামার ডাক দিলেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    জেলা তৃণমূলের এক নেতা বলেন, ১০০ দিনের কাজের বকেয়ার টাকা চক্রান্ত করে আটকে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর তার জন্য দায়ী এই রাজ্যের বিজেপি নেতারাই। এলাকার মানুষ নিজেদের দাবি আদায়ে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Memari: দলেরই আদিবাসী নেত্রীকে জাত তুলে অপমান তৃণমূল নেতার! থানার সামনে ধুন্ধুমার

    Memari: দলেরই আদিবাসী নেত্রীকে জাত তুলে অপমান তৃণমূল নেতার! থানার সামনে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগেই বোর্ড গঠন হয়েছে। এরই মধ্যে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে হেনস্থা, জাতিগত বৈষম্য সহ একাধিক অভিযোগ করলেন দলেরই মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না হালদার টুডু। এমনকী, মেমারি (Memari) থানার সামনে তৃণমূল কর্মীরা একে অপরকে প্রকাশ্যে হুঙ্কার দিতে থাকেন। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য তথা সহ সভাপতির স্ত্রী ডালিয়া খাতুন, তৃণমূল কর্মী শেখ রহিম, জ্যোর্তিময় মণ্ডলের নামে মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Memari)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের মেমারির (Memari) কুচুট পঞ্চায়েত প্রধান মদনমোহন দাস তাঁর ঘরে এলাকার সদস্যদের নিয়ে কথা বলছিলেন। সেই সময় সভাপতি ময়না হালদার টুডু তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হয়। তারপর সভাপতি পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে ফিরে আসেন। বিকেলে মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফফর মল্লিক তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে এলে দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেমারি থানার পুলিশ।

    মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কী বললেন?

    এ-বিষয়ে মেমারি (Memari) ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না হালদার টুডু বলেন, ‘আমি সভাপতি পদে বসার পর থেকেই জাতিগত বৈষম্যের শিকার হতে হয়। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতপাত তুলে কটূক্তি করা হয়। এদিনের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ। শুধু তাই নয়, মন্তেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী-সহ শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নির্দেশে সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক ঠিকাদারদের কাজের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার জন্য প্রভাব খাটায়।’

    মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি কী বললেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক বলেন, এ-ধরনের কোনও ঘটনাই ঘটেনি। এটি মিথ্যে অভিযোগ। যদি কোনও ঘটনা ঘটে থাকে, পুলিশ তদন্ত করবে। জাতিগত বিদ্বেষ সংক্রান্ত অভিযোগের প্রশ্নে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে আমি এবং আমার অনুগামীরা দীক্ষিত। সব জাতিকে শ্রদ্ধা, সম্মান করা দলের কাজ। জাতিগত বৈষম্য বিজেপি-সিপিএম করে, আমরা নই।  

    আদিবাসী সমাজের কর্তারা কী বললেন?

    আদিবাসী সমাজের পক্ষ থেকে অশোক হেমব্রম বলেন, মহিলা সভাপতির প্রতি এই দুর্ব্যবহার, কটূক্তি, জঙ্গলমহল তুলে কথাবার্তার বিচার যদি না হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘ভোটের ফল দেখে ‘ইন্ডি’ জোটের পিন্ডি চটকে গিয়েছে’, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘ভোটের ফল দেখে ‘ইন্ডি’ জোটের পিন্ডি চটকে গিয়েছে’, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীকে ‘জাতীয়তা বিরোধী’ বলে মন্তব্য করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার হাওড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে এসে মমতা সরকারের ‘রাজ্য সংগীত’ চালু করার প্রসঙ্গে একথা বলেন তিনি। দলীয় সভায় শুভেন্দু বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৩৫ কোটি দেশবাসীর জন্য জাতীয় সংগীত লিখে গিয়েছেন, যা আমরা গেয়ে থাকি। আর তিনি পাকিস্তানে ভারত এয়ার স্ট্রাইক করলে তার প্রমাণ চান। রাজ্যে সেনাবাহিনী মহড়া করলে নবান্নে বসে বলেন আমার রাজ্য দখল করে নিচ্ছে। ওনার কাজে এটা প্রমাণিত উনি ‘জাতীয়তা বিরোধী’।

    ‘ইন্ডি’ জোট নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    ‘ইন্ডি’ জোট প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘তিন রাজ্যের ভোটের ইন্ডি জোটের পিন্ডি চটকে গিয়েছে। আমি ওই জোটের নেতাদের বলব গয়াতে গিয়ে পিন্ডি দেওয়ার কাজটা শেষ করে আসুন। আমরা বলছি মমতা চোর। রাজ্যে ও কেন্দ্রে মন্ত্রিসভার গঠন কাদের নিয়ে হবে সেটা সেই রাজ্যের বা কেন্দ্রের সাংবিধানিক প্রধান ঠিক করেন। এখানে রাজ্যপাল হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। রাজ্যে যে চুরি ও দুর্নীতি হয়েছে তার দায় মুখ্যমন্ত্রীকেও নিতে হবে। মমতার মন্ত্রিসভা বলে ক্ষীর খাব, আর তাঁর মন্ত্রীদের অধীনে থাকা দফতরে দুর্নীতি হলে তার দায় নেব না! এক যাত্রায় পথক ফল হয় না।’

    এনসিআরবি রিপোর্ট নিয়ে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা

    সোমবার রাজ্যের মন্ত্রী এনসিআরবি রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ অপেক্ষাকৃত কম অপরাধপ্রবণ রাজ্য বলে দাবি করেন। এদিন সেই বক্তব্য কার্যত উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) পালটা বলেন, ‘আমি থিয়োরিতে বিশ্বাসী নয়, বিশ্বাস করি বাস্তবকে। ২০২১-এর নির্বাচন হওয়ার পর এক লক্ষ হিন্দুকে কেন ঘর ছাড়া হতে হয়েছিল, কেন মানস সাহা-সহ ৫৭ জন বিজেপি কর্মীর হত্যা হয়েছিল? পঞ্চায়েত নির্বাচনে  ৫৫জনের মৃত্যু হয়েছে কেন? যেখানে দেশে পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হলেও কারও মাথাও ফাটেনি, সেখানে এই রাজ্যে নির্বাচনে এত হিংসা কেন জানতে চাই।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ, কেন জানেন?

    Visva Bharati: বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে জাতিবিদ্বেষের মামলা হয়েছে। সেই মামলায় শুনানিতে তিনি আদালতে হাজির ছিলেন না। এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হাজির থাকার নির্দেশ দিলেন বীরভূমের অতিরিক্ত জেলা বিচারক (এডিজে)। এই মর্মে নোটিস জারি করার নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ১৯ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

    কেন আদালতে মামলা? (Visva Bharati)

    চলতি বছরের ৫ জুলাই বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে জাতিবিদ্বেষের মামলা করেছিলেন বিশ্বভারতীরই (Visva Bharati) কর্মী প্রশান্ত মেশরাম। তিনি বিশ্বভারতীর অ্যাকাডেমিক এবং রিসার্চ বিভাগের রেজিস্ট্রার। তাঁর অভিযোগ, ওড়িশার কোরাপুটে সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নিয়ামক পদে মনোনীত হই। আমার পদোন্নতি আটকাতে নানা রকমভাবে ষড়যন্ত্র করা হয়। এমনকী, তফসিলি সম্প্রদায়ভুক্ত হওয়ার জন্য আমাকে অপমান করা হয়। জানা গিয়েছে, এরপরই বিশ্বভারতীর ওই কর্মী বিদ্যুৎ চক্রবর্তী-সহ বিশ্বভারতীর জয়েন্ট রেজিস্ট্রার তন্ময় নাগ, জনসংযোগ আধিকারিক মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ইন্টারনাল অডিট অফিসার প্রশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা চলছে সিউড়ির এডিজে আদালতে। মঙ্গলবার ছিল সেই মামলার শুনানি। শুনানিতে অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে তিনজন উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু, প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী হাজিরা দিতে আসেননি। এর পরেই নোটিস জারি করার নির্দেশ দেয় আদালত। এর আগেও অক্টোবর মাসে অসুস্থতার কথা জানিয়ে শুনানিতে হাজির হননি তিনি।

    সরকারি আইনজীবী কী বললেন?

    বিশ্বভারতীর আইনজীবী সুচরিতা বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী এখন আর বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) উপাচার্য নেই। দিল্লিতে থাকেন। এখনও সেখানেই রয়েছেন। সে কারণে আসতে পারেননি।  সরকারি আইনজীবী রঞ্জিত গঙ্গোপাধ্যায় আদালতে পাল্টা সওয়াল করে জানান, বীরভূমের সিউড়িতে তাঁর পৈতৃক বাড়ি রয়েছে। অন্য জায়গায় থাকলেও আদালতে হাজিরা দিতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। পরবর্তী শুনানির দিন বিদ্যুৎবাবু আদালতে হাজির না থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santiniketan: পৌষমেলার দাবিতে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ বিশ্বভারতীর গেট ভাঙলেন বিক্ষোভকারীরা!

    Santiniketan: পৌষমেলার দাবিতে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ বিশ্বভারতীর গেট ভাঙলেন বিক্ষোভকারীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ছিল ছোট করে হলেও পৌষমেলা হবে। কিন্তু, সময় কম থাকার কারণে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও শান্তিনিকেতন (Santiniketan) ট্রাস্ট যৌথ ভাবে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিল, এবারও হচ্ছে না ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। এবার সেই পৌষমেলার দাবিতে বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ ও ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা বিক্ষোভ দেখানোর নামে কার্যত তাণ্ডব চালালেন।

    বিশ্বভারতীর গেট ভেঙে ঢোকেন বিক্ষোভকারীরা (Santiniketan)

    ২০১৯ সালে শেষ বার শান্তিনিকেতনে (Santiniketan) হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। ২০২০ সালে কোভিড পরিস্থিতির জন্য বন্ধ ছিল মেলা। কিন্তু, পরবর্তীতে ২০২১ ও ২০২২ সালে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী পৌষমেলা বন্ধ করে দেন। যা নিয়ে শান্তিনিকেতন জুড়ে বিক্ষোভ হয়। ৮ নভেম্বর উপাচার্য হিসাবে মেয়াদ শেষ হয়েছে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর। নতুন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হয়েছেন সঞ্জয় কুমার মল্লিক। তাই বোলপুর-শান্তিনিকেতনবাসী আশা করেছিলেন, এবার হয়তো পৌষমেলা হবে। কিন্তু, সময় কম থাকার কারণে এত বড় ঐতিহ্যবাহী মেলা করা সম্ভব নয় বলেই শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট ও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বৈঠক করে যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মেলা বাতিল করে দেয়। যা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলে। বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ ও বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢোকার প্রথম বলাকা গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকেন বিক্ষোভকারীরা। যদিও, কার্যালয়ে নেই ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সহ কর্মসচিব। পৌষমেলা করতে হবে এই দাবিতে চলে বিক্ষোভ। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্বভারতী।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চর পক্ষ থেকে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আমরা এবার আশা করেছিলাম পৌষমেলা হবে। আচমকা এভাবে মেলা বন্ধ করা ঠিক নয়। মেলা করতে হবে। কেন বন্ধ করা হল মেলা? আমাদের সঙ্গে কেন উপাচার্য কথা বলছেন না? এই মেলা আমাদের সবার আবেগ। ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করা হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। আমরা চুপচাপ বসে থাকব না। মেলার দাবিতে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: সরকারি শিবিরে বস্তাপিছু ৬ কেজি করে ধান কম! সরব চাষিরা, প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    Egra: সরকারি শিবিরে বস্তাপিছু ৬ কেজি করে ধান কম! সরব চাষিরা, প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই মালদায় সরকারি শিবিরে ধান বিক্রি করতে এসে অনেক চাষি ফিরে যেতে বাধ্য হন। এই ঘটনায় চাষিরা প্রকাশ্যেই বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনায় কারচুপি করার অভিযোগ উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা-১ (Egra) ব্লক কৃষক বাজারে। বিষয়টি জানাজানি হতেই চাষিরা রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে মহকুমা শাসক উদ্যোগী হন। এগরার মহকুমাশাসক মনজিৎকুমার যাদব বলেন, কৃষক বাজারে ওজন নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

    প্রতি বস্তা পিছু প্রায় ৬ কেজি করে ধান কম (Egra)  

    রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একাধিক ব্লকে সরকারি উদ্যোগে ধান কেনা শুরু হয়েছে। অনলাইনে নাম নথিভুক্ত করার পর নিয়ম মেনে চাষিরা এগরা-১ (Egra) কৃষক বাজারে ধান বিক্রি করতে যান। কৃষক বাজারে খাদ্য দফতরের উদ্যোগে সরকারি সহায়ক মূল্যে কৃষকদের থেকে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। এগরা, কুদি-সহ অন্য এলাকার চাষিরা ধান নিয়ে বাজারে যান। যদিও চাষিরা বাজারে যাওয়ার আগে থেকেই ধানের বস্তা ওজন করে আনেন। পরে কৃষক বাজারেও সরকারি ডিজিটাল যন্ত্রে ধানের বস্তা ওজন করা হয়। দেখা যায়, সেই যন্ত্রে ধান ওজন করার সময় বস্তা পিছু প্রায় ৬ কেজি করে ধান কম দেখাচ্ছে। চাষিদের সন্দেহ হয়। বাইরে থেকে নতুন একটি যন্ত্রে ধান ওজন করতেই গন্ডগোলের বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপরই কৃষক বাজারের যন্ত্রে কারচুপির অভিযোগে কৃষকেরা বিক্ষোভ দেখান। খাদ্য দফতরের এক কর্মীকে অফিসের মধ্যে আটকে রাখা হয়।

    চাষিরা কী বললেন?

    চাষিদের বক্তব্য, বাড়ি থেকে প্রত্যেকে আমরা ধান ওজন করে কৃষক বাজারে নিয়ে এসেছি। এখানে সেই ধান ওজনে কমে যাচ্ছে। সরকারি যন্ত্রে কেন ওজনে কমছে, তা জানতে চেয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিক্ষোভের জেরে ধান বিক্রি বন্ধ হয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে আসে এগরা থানার পুলিশ। পরে, কৃষক বাজারের অদূরে থাকা মহকুমাশাসকের অফিসে গিয়ে অভিযোগ জানান চাষিরা। এগরা (Egra) মহকুমাশাসকের নির্দেশে মহকুমা খাদ্য আধিকারিক এবং অন্য কর্মীরা কৃষক বাজারে যান। নতুন যন্ত্রে ওজন করে ফের ধান বিক্রি শুরু হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jamuria: বিরোধীদের সুরে মাফিয়া-রাজ, সিন্ডিকেট-রাজ নিয়ে সরব তৃণমূল বিধায়ক

    Jamuria: বিরোধীদের সুরে মাফিয়া-রাজ, সিন্ডিকেট-রাজ নিয়ে সরব তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধ কয়লার কারবার, গরু পাচার, সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত রয়েছে রাজ্যের শাসক দলের নেতারা। বিরোধীরা এই অভিযোগ মাঝেমধ্যেই করেন। ইতিমধ্যেই জেলায় এসে এসব নিয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। এবার পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার (Jamuria) তৃণমূল বিধায়ক হরেরাম সিংয়ের গলায় বিরোধীদের সুর শোনা গেল। তিনি দলেরই নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হয়ে কয়লার অবৈধ কারবারকে কেন্দ্র করে ‘সিন্ডিকেট ও মাফিয়া-রাজের’ অভিযোগ তুললেন। আর এই বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Jamuria)

    কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে জামুড়িয়ায় (Jamuria) একটি মিছিলের পরে পথসভা করে তৃণমূল। থানা মোড়ের ওই সভা থেকেই তৃণমূল বিধায়ক হরেরাম সিং বলেন, ‘কিছু নেতা গোলমাল করছেন। ওঁদের দল থেকে বার করতে হবে। জামুড়িয়ায় যাঁরা মাফিয়া-রাজ, সিন্ডিকেট-রাজ চালাচ্ছেন, তাঁরা বিজেপি বা তৃণমূল, যে দলেরই হোক, রেয়াত করা যাবে না। কিছু দিন  কয়লা চুরি বন্ধ হয়েছিল। আবার তা শুরু হয়েছে। এমনকী জামুড়িয়া বিধানসভায় নদী থেকে কিছু গরিব লোক সামান্য বালি নিয়ে বিক্রি করছিলেন। প্রশাসন সেটা বন্ধ করে দিয়েছে। ভালো উদ্যোগ। অথচ, অন্য বিধানসভায় অবৈধ বালির রমরমা। সেখানে পুলিশ প্রশাসন কী করছে? আমি পুলিশকে বলতে চাই, অবৈধ কারবার যদি চালাতে হয়, তাতে সব গরিব মানুষকে সামিল করতে হবে।’

    বিধায়কের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়ে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির অন্যতম রাজ্য সম্পাদক তথা বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুইয়ের বক্তব্য, এতদিন আমরা বলছিলাম, অবৈধ বালি ও কয়লার সিন্ডিকেট চালাচ্ছে তৃণমূল। এখন তৃণমূলের বিধায়কই সে কথা বলছেন। তবে, উনি নিজে বখরা পাচ্ছেন না বলেই কি এমন মন্তব্য করছেন? বিরোধীদের অভিযোগে আমল দেননি তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, হরেরাম কী বলেছেন, ওঁর সঙ্গে কথা বলে জেনে নেব। তার আগে মন্তব্য করব না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: সারের কালোবাজারির পর এবার ভেজাল আলুবীজের রমরমা! মাথায় হাত চাষিদের

    Jalpaiguri: সারের কালোবাজারির পর এবার ভেজাল আলুবীজের রমরমা! মাথায় হাত চাষিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলাজুড়ে এতদিন সারের কালোবাজারিতে চাষিরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। বস্তায় যে দাম লেখা থাকত, তার দ্বিগুণ দামে চাষিরা সার কিনতে বাধ্য হয়েছিলেন। প্রশাসনের তৎপতায় কিছুটা লাগাম টানা সম্ভব হয়েছে। সারের কালোবাজারির জের মিটতে না মিটতেই এবার ভেজাল আলুবীজের রমরমার অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি এলাকায়।  

    ঠিক কী অভিযোগ? (Jalpaiguri)

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি জুড়েই ভেজাল আলুবীজ কারবারিদের রমরমা চলছে। তার জেরে সমস্যায় পড়ছেন গরিব কৃষকরা। খেটে আলুবীজ রোপণ করছেন, তবে সেই বীজ পচছে মাটির তলাতেই। এরপরই অভিযানে নামে কৃষি দফতর। দোকানে দোকানে অভিযান চালিয়ে খতিয়ে দেখা হয় দোকানিদের কাগজপত্র। তাতে প্রমাণও পান কৃষি আধিকারিকরা। ধূপগুড়ি হাইস্কুল লাগোয়া এক আলুবীজ বিক্রেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে নামী কোম্পানির নামে নিম্নমানের আলুর বীজ বিক্রির। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামেন তাঁরা। সিল করে দেওয়া হয় সেই দোকান। যদি অভিযুক্ত ব্যবসায়ী অমৃতকুমার সরকার বলেন, এক আলু ব্যবসায়ী আমার কাছে আলুবীজগুলি রেখে যান। এরপর আর তিনি আসেননি। এরপরই কৃষি দফতরের দল এসে আমার দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

    ভেজাল আলু বীজের রমরমা নিয়ে সরব চাষিরা

    চাষিদের বক্তব্য, এতদিন সারের কালোবাজারির জন্য দ্বিগুণ দামে সার কিনতে বাধ্য হয়েছি। বহুবার অভিযোগ করার পর প্রশাসনের টনক নড়েছিল। তবে, এখনও প্রশাসনের নজর এড়িয়ে কালোবাজারি চলছেই। এর সঙ্গে এবার ভেজাল আলুবীজের রমরমা শুরু হয়েছে। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী এসব করছে। প্রশাসনের কোনও নজর নেই। আমরা দাম দিয়ে ভেজাল বীজ কিনে চাষ করে শেষ হয়ে যাচ্ছি।

    ধূপগুড়ি কৃষি অধিকর্তা কী বললেন?

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি কৃষি অধিকর্তা তিলক বর্মনের বক্তব্য, উত্তরবঙ্গ আলু ব্যবসায়ী সমিতি এবং একটি আলুবীজ সংস্থার তরফে অভিযোগ পাই। খারাপ মানের আলুবীজ বিক্রির অভিযোগ ছিল। প্রাথমিকভাবে দোকানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে প্রয়োজন হলে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share