Tag: West Bengal

West Bengal

  • Siliguri: মা ও মেয়ের দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্যকর তথ্য, অপহরণ ও খুনের হুমকি দিতেন তৃণমূল নেতা!

    Siliguri: মা ও মেয়ের দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্যকর তথ্য, অপহরণ ও খুনের হুমকি দিতেন তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) মা এবং মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় নাম জড়াল স্থানীয় তৃণমূল নেতার। মৃতদেহ উদ্ধার হওয়া ঘর থেকেই সুইসাইড নোট মেলে। তাতেই তৃণমূল নেতার নাম পাওয়া গিয়েছে। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

    সুইসাইড নোটে কী রয়েছে? (Siliguri)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩ ডিসেম্বর শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের শিলিগুড়ি (Siliguri) শান্তিনগর এলাকায় একই বাড়ি থেকে জোড়া দেহ উদ্ধার হয়। শোওয়ার ঘরের বিছানার উপর এক তরুণীর দেহ মেলে। মায়ের দেহ উদ্ধার হয় ঝুলন্ত অবস্থায়। ঘটনার তদন্তে নেমে সুইসাইড নোট পায় পুলিশ। সেখানে আত্মহত্যার কারণ হিসাবে রয়েছে জমি সংক্রান্ত সমস্যার কথা। সেখানে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা কমিটির অন্যতম সম্পাদক প্রসেনজিৎ রায়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তৃণমূল কর্মী সুনীল দাস, সুজিতকুমার ঘোষ, সুভাষ দাস, প্রদীপকুমার চৌধুরীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ওই চিঠির উপর ভিত্তি করে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।

    বাড়িতে লোক পাঠিয়ে হুমকি দিতেন তৃণমূল নেতা, সরব মৃতের স্বামী

    মৃতের স্বামী সাধন সরকারের অভিযোগ, বছরখানেক আগে প্রসেনজিতের কাছ থেকে একটি জমি কিনেছিলাম। সেই জমি প্রসেনজিৎ নিজেই ডিসপুট ল্যান্ড তৈরি করে আরও টাকা চান আমার কাছে। এ নিয়ে সমস্যা চলছিল। অনেক দিন ধরে প্রসেনজিৎ তাঁর দলবলকে ওই বাড়িতে পাঠাতেন। ওই লোকজনের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকত। বার বার টাকার চাপ দেওয়া হয়। দেওয়া হয় প্রাণে মারার হুমকিও। বাড়িতে বিবাহযোগ্য মেয়ে ছিল। এ নিয়ে আমার স্ত্রী বেশ কয়ে কয়েক মাস ধরেই চিন্তিত ছিল। মাঝে আমাকে আমার স্ত্রীকে অপহরণ বা তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হবে বলে হুমকি দেওয়া হত। এগুলো সহ্য করতে না পেরে ওরা নিজেদের শেষ করে দিয়েছে। আর প্রসেনজিতের মতো বড় নেতার সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষমতা আমার নেই। থানায় জানিয়েছি ঠিকই। কিন্তু, আদৌ কোনও লাভ হবে কি না জানা নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sovandeb Chaterjee: মিছিলে মেজাজ হারালেন শোভনদেব! ধাক্কা দিলেন দলীয় নেতাকে, কেন জানেন?

    Sovandeb Chaterjee: মিছিলে মেজাজ হারালেন শোভনদেব! ধাক্কা দিলেন দলীয় নেতাকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের মিছিলে কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chaterjee) মেজাজ হারানো দেখে হকচকিয়ে যান তৃণমূল কর্মীরা। চোখের সামনে এই কর্মীদের উদ্দেশে নানা কটুক্তি করেন তিনি। তৃণমূলের প্রবীণ নেতা রাগে ধাক্কা মেরে বসলেন দলেরই এক নেতার বুকে। প্রথমে হকচকিয়ে গেলেন সেই নেতা। পরে, নিজেকে সামলে নিয়ে মিছিলে উপস্থিত কর্মীদের জোরে স্লোগান দিতে বললেন। মন্ত্রীর ধমকানিতে কর্মীরাও থ হয়ে যায়। তৃণমূলের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে দলের সঙ্গে তিনি। তৃণমূলের প্রথম বিধায়ক শোভনদেব এক সময় বক্সিং করতেন। তবে, মন্ত্রীর এই ধরনের আচরণ কর্মীরা কোনওদিন দেখেননি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?(Sovandeb Chaterjee)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুর ঘোলা বিলকান্দা এলাকায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে প্রতিবাদ মিছিল করে তৃণমূল। তাঁর নেতৃত্বে ছিলেন খড়দার বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandeb Chaterjee)। তিনি কর্মীদের সামনে মিছিলে হাঁটতে হাঁটতে স্লোগান দিচ্ছিলেন, ‘ আমাদের টাকা দিতেই হবে।’ পাশে দাঁড়ানো তৃণমূলের ব্যারাকপুর-২ সমিতির সভাপতি প্রবীর রাজবংশীও মন্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গে হাঁটছিলেন। কিন্তু, মিছিল থেকে জোরে আওয়াজ না পেয়ে খাপ্পা হয়ে যান শোভনদেব। পাশে দাঁড়ানো প্রবীরের বুকে ধাক্কা মারেন অতীতের শোভনদেব। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এই- সব ডেডবডি।’ মন্ত্রীর ধাক্কা খেয়ে প্রবীরবাবু কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘কেউ স্লোগান দিচ্ছিস না কেন?’ এরপর মন্ত্রী আরও রেগে গিয়ে বলেন, ‘এখানে কেউ জ্যান্ত মানুষ নেই।’ শোভনদেবের ধমক খেয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন সবাই।

    মন্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    মন্ত্রী শোভনদেব (Sovandeb Chaterjee) বলেন, কেউ স্লোগান দিলে সবাই স্লোগান দেবে। আমাদের আরও ছেলে আসার কথা। যত লোক হয়েছে, তার চার ডাবল লোক আসার কথা। কয়েক জন ইতস্তত করছিল। এখন দেখুন কত বড় মিছিল হয়ে গিয়েছে। আর আমি স্লোগান চিরকালই দিয়ে এসেছি। এখনও দিচ্ছি। এ কথা বলেই তিনি ফের হাত তুলে স্লোগান দিতে থাকেন। আর কর্মীরাও তাঁর সঙ্গে গলা মিলিয়ে স্লোগান দেন। তবে, মেজাজ হারানো নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: লোন পাইয়ে দেওয়ার টোপ! ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সই জাল করে কুড়ি কোটি টাকার প্রতারণা

    Fraud: লোন পাইয়ে দেওয়ার টোপ! ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সই জাল করে কুড়ি কোটি টাকার প্রতারণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চাকরি নেই। কাজের জন্য অনেকেই ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন। অনেকে আবার চাকরি না পেয়ে ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা করার চেষ্টা করছেন। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কোটি কোটি টাকা প্রতারণা (fraud) করার অভিযোগ উঠল এক চক্রের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা এলাকায়।

    কীভাবে প্রতারণা?(fraud)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লোন করে দেওয়ার নাম করে নামখানার একটি ব্যাঙ্ক থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। ইন্দ্রজিৎ নস্কর নামে ব্যাঙ্কের এক কর্মী প্রতারণা (fraud) চক্রের মূল পান্ডা। তিনি মূলত গ্রামের গ্রাহকদের মোটা টাকা লোন করে দেওয়ার টোপ দিতেন। বেশ কিছু কাগজপত্র নিতেন। সঙ্গে দুটি ব্ল্যাঙ্ক চেকে সই করে নিতেন। এরপরই ব্যাঙ্কের শাখা অফিসের ম্যানেজারের সই নকল করে ওই ব্যাঙ্ক কর্মী সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠিয়ে দিতেন। সেই মতো লোন অনুমোদনও হয়ে আসত। কাউকে, ৫ লক্ষ, ১০ লক্ষ বা তার বেশি লোন পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতেন তিনি। অ্যাকাউন্টে লোনের টাকা ঢুকলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা তুলে নেওয়া হত। ফলে, গ্রাহক বুঝে ওঠার আগেই টাকা প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে চলে আসত। দুদিনে একই অ্যাকাউন্টে প্রায় এক কোটি টাকা ঢোকে। তাতে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সন্দেহ হয়। তিনি রিজিওন্যাল ম্যানেজারকে বিষয়টি জানান। এরপরই তিনি কাকদ্বীপ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ বারুইপুর থেকে ইন্দ্রজিৎ নস্কর ও রুদ্র নস্কর ও কাকদ্বীপ থেকে বাপন মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। তদন্তে নেমে পুলিশ ২০ কোটি টাকা প্রতারণা করার হদিশ পায়।

    কাকদ্বীপ আদালতের আইনজীবী কী বললেন?

    কাকদ্বীপ আদালতের আইনজীবী সব্যসাচী দাস বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৬৫ ৪৬৭ ৪৬৮ ৪৭১, ১২০বি আইপিসি ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের এদিন কাকদ্বীপ আদালতে পাঠালে বিচারক চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেষ্টর গড়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের মাথা ন্যাড়া করার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা, বিতর্ক

    Birbhum: কেষ্টর গড়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের মাথা ন্যাড়া করার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহার জেলে রয়েছেন। বিজেপি সহ বিরোধীদের কদর্য ভাষা প্রয়োগে সিদ্ধহস্ত ছিলেন কেষ্ট। বছরখানেক হল জেলার মাটিতে তিনি নেই। কিন্তু, তাঁর সেই ভাষা ধার করেই বিজেপিকে লাগাতার আক্রমণ করে চলেছেন তৃণমূলের জেলার নেতা-কর্মীরা। এবার বিজেপি নেতা-কর্মীদের মাথা ন্যাড়া করার নিদান দিলেন কেষ্টর গড় বীরভূমের (Birbhum) এক তৃণমূল নেতা। যা নিয়ে জেলাজুড়ে শোরগোল শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন ওই তৃণমূল নেতা? (Birbhum)

    ১০০ দিনের কাজের টাকা ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতির প্রতিবাদে বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের অন্তর্গত রুপপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়। আর সেই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের তৃণমূল নেতা বাবু দাস। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল নেতা বাবু দাস বলেন, মা বোনেদের বলবো, যদি ১০০ দিনের কাজের টাকা না পেয়ে থাকেন, কোনও বিজেপি নেতাকর্মী এলে তাঁর মাথাটা ন্যাড়া করে দিন। রাস্তায় দাঁড় করিয়ে ভান্ডারি ডেকে তাঁর মাথাটা ন্যাড়া করে ঘোল ঢেলে দিন। বল হরি, হরি বল বলে পাড়া থেকে তাড়িয়ে দিন। প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে এমনই হুমকি দিতে দেখা গেল রুপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতা বাবু দাসকে। শুধু প্রকাশ্যে মঞ্চে নয়, তিনি ক্যামেরার সামনেও জানিয়েছেন, গ্রামে যখন চোর ধরা পড়ে, বয়স্ক মানুষরা বলে চোর ধরা পড়েছে, মাথাটা ন্যাড়া করে দে। যারা ১০০ দিনের টাকা চুরি করেছে, তাদের ন্যাড়া করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা বলেন, তিন রাজ্যে বিজেপি জয়ী হয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপির জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। তাই, এসব বলে কোনও লাভ নেই। তৃণমূল যত বলবে তত ওদের ভোট কমবে। বরং, চোর মানেই তৃণমূল। এবার তৃণমূল নেতাদের সাধারণ মানুষ গণপিটুনি দেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: প্রশিক্ষণ নিয়েও মেলেনি চাকরি! রাজ্যের প্রতি মোহভঙ্গ হয়ে সুকান্তর দ্বারস্থ বঞ্চিতরা

    Sukanta Majumdar: প্রশিক্ষণ নিয়েও মেলেনি চাকরি! রাজ্যের প্রতি মোহভঙ্গ হয়ে সুকান্তর দ্বারস্থ বঞ্চিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরেও নেই নিয়োগ। জেলা প্রশাসন থেকে রাজ্য সরকার, সবার দ্বারস্থ হয়েও হয়নি লাভ। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের কাজ সুনিশ্চিত করতে এবার  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সরব বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা। রাজ্য সরকারের প্রতি আর আস্থা নেই। তাই এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স ফাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। বালুরঘাটে সুকান্ত মজুমদারের বাড়িতে দেখা করেন সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্ব। পাশাপাশি সাংসদের হাতে তুলে দেন নিজেদের দাবিপত্র।

    কলকাতার রাজপথে অনশন আন্দোলনের হুমকি

    দীর্ঘদিন আগে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য প্রত্যেক জেলায় যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় কয়েক হাজার জন প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরেও সকলে কাজ পাননি। নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ নেওয়া যুবকদের বক্তব্য, আমরা বেশিরভাগই বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ নিয়েছি। কিন্তু, আমাদেরকে কাজ দেওয়া হচ্ছে না। এনিয়ে একাধিকবার আন্দোলন করেছি। বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের দাবিদাওয়া জানিয়েছি। কিন্তু, কোনও লাভ হয়নি। তাই সুকান্ত মজুমদারের দ্বারস্থ হয়েছি। এদিন সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে দেখা করেন সংগঠনের জেলা সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস সহ অন্য সদস্যরা। এবিষয়ে সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ‘বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরও কাজ পাচ্ছি না। কাজের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। আবার যাঁরা কাজ পাচ্ছেন তাদের কিটস দেওয়া হচ্ছে না। প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরও দুবেলা অন্নের জোগান আমাদের হচ্ছে না। সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হয়ে আমরা আমাদের দাবিপত্র দিয়েছি। যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, সকলকে কাজ দিতে হবে। কাজ না হলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে। প্রয়োজনে আগামীদিনে কলকাতার রাজপথে অনশন আন্দোলন করব আমরা।’

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বললেন? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘যখন বিপর্যয় মোকাবিলা করার প্রয়োজন হয়, তখন দেখা যায় সেই জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিকভাবে তাঁদের কোনও প্রশিক্ষণ নেই। অথচ সেইসময় বিপর্যয় মোকাবিলার যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁদের কাজ দেওয়া হয়নি। যাঁরা এনিয়ে আন্দোলন করেন, তাঁদেরকে বেশি করে কাজ দেওয়া হয় না। তাই তাঁরা আমার কাছে এসেছেন। তাঁদের দাবি জানিয়েছেন। এই প্রশিক্ষণে কেন্দ্র সরকার টাকা দিয়েছে। আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে আনব এবং আন্দোলনকারীদের পাশে রয়েছি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: মাতৃযান ধর্মঘট! বিপাকে প্রসূতি মায়েরা, হেলদোল নেই কর্তৃপক্ষের

    Raiganj: মাতৃযান ধর্মঘট! বিপাকে প্রসূতি মায়েরা, হেলদোল নেই কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিষেবা বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানালেন ‘নিশ্চয় যান/ মাতৃযান’ চালক ও মালিকরা। রবিবার এমনই চিত্র ধরা পড়ল উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ (Raiganj) গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। যার জেরে সমস্যায় রোগী সহ তাঁদের আত্মীয় পরিজনেরা।

    কেন পরিষেবা বন্ধ রেখে আন্দোলন? (Raiganj)

    রায়গঞ্জ (Raiganj) গভর্নমেন্ট ও মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ‘নিশ্চয় যান’ বা ‘মাতৃযান’-এর সংখ্যা বর্তমানে ১১ টি। উত্তর দিনাজপুর জেলায় মোট ৯৩টি মাতৃযান বা নিশ্চয় যান আছে। অভিযোগ, মালিক সহ চালকেরা দীর্ঘ ৮ মাস ধরে বিল পাচ্ছেন না। ফলে, চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, চালকদের বেতন ৩ হাজার টাকা। নিশ্চয় যান বা মাতৃযানের জন্য কিলোমিটার প্রতি ৮ টাকা করে দেওয়া হয় স্বাস্থ্য দফতর থেকে। তার মধ্যে বর্তমান বাজারে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম বেশি হওয়ায় ওই টাকা দিয়ে চালানোয় সমস্যায় পড়ছেন মালিক থেকে চালকেরা। তারই প্রতিবাদে ১লা ডিসেম্বর থেকে ধর্মঘট শুরু করেছেন মালিক এবং চালকেরা। ফলে, চরম সমস্যায় পড়েছেন জেলার প্রসূতি মা থেকে শুরু করে রোগীর আত্মীয়রা।

    মাতৃযান গাড়ির চালক ও মালিকেরা কী বললেন?

    মাতৃযান চালক দেবাশিস মজুমদার বলেন, গত ৮ মাস ধরে মালিকরা আমাদের বেতন দিচ্ছেন না। বেতন দেওয়ার কথা বললে তাঁরা বলছেন তাঁদের বিল আটকে আছে। সে কারণে আমরা পরিষেবা বন্ধ রেখেছি। কারণ টাকা না পেলে কি করে গাড়ি চালাবো। খুব সমস্যার মধ্যে আছি। কী করবো বুঝতে পারছি না। বিকল্প কিছু করার চেষ্টা করছি। এক মাতৃযান গাড়ির মালিক দিলীপ সরকার জানিয়েছেন, গত ৮ মাস ধরে  বিল আটকে আছে। স্বাস্থ্য দফতর থেকে টাকা ঢুকছে না। পেট্রোল ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এমনিতেও আমাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। গত এক মাস আগে লিখিতভাবে স্বাস্থ্য দফতর জানানো হলেও এখনও তার কোনও সুরাহা হয়নি। সেই কারণেই বেতন দিতে পারছি না।

    চরম বিপাকে রোগীরা, কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    এ ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন রোগীর আত্মীয় স্বজনেরা। মনোজিৎ সরকার নামে এক রোগীর আত্মীয়া বলেন, আমার মেয়ে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রসূতি বিভাগে ভর্তি আছে। হাসপাতাল থেকে ছুটিও দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু, মাতৃযানের অভাবে তাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে পারছি না। কারণ বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্সে ৩ হাজার টাকা চাইছে। অত টাকা নেই।

    রোগী কল্যাণ সমিতির ভাইস চেয়ারম্যানের কী বক্তব্য?

    রায়গঞ্জ (Raiganj) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, জেলা স্বাস্থ্য অধিকর্তার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি। জেলা স্বাস্থ্য ও আধিকারিক আমাকে জানিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো টাকা বন্ধ রয়েছে তাই একটু সমস্যা হচ্ছে। গোটা বিষয়টি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে জানানো হয়েছে। তবে, আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আমরা আশাবাদী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: মেলা কমিটি থেকে বাদ সাংসদ দেব, বৈঠকে তৃণমূলের দুপক্ষের মধ্যে তুমুল হাতাহাতি

    Paschim Medinipur: মেলা কমিটি থেকে বাদ সাংসদ দেব, বৈঠকে তৃণমূলের দুপক্ষের মধ্যে তুমুল হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) ঘাটালে ছন্নছাড়া অবস্থা তৃণমূলের। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের অনুগামীদের সঙ্গে সাংসদ তথা অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব)-র অনুগামীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা প্রকাশ্যে চলে আসে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি পর্যন্ত হয়। গন্ডগোলের জেরে মিটিং কার্যত ভেস্তে যায়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী নিয়ে গন্ডগোল? (Paschim Medinipur)

    পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) ঘাটালে প্রতিবারের মতো এবারও শিশুমেলার আয়োজন করা হয়েছে। ঘাটালের অরবিন্দ স্টেডিয়ামে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ কমিটি গঠনের জন্য এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেই বৈঠকের শুরুতেই উপস্থিত ছিলেন ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস, ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস, ঘাটাল মহকুমার পুলিশ আধিকারিক অগ্নিশ্বর চৌধুরী। পরে তাঁরা মিটিং থেকে বেরিয়ে যান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাল ব্লক তৃণমূলের সভাপতি দিলীপ মাজি, ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান তথা ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দলুই, ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বিকাশ কর সহ একাধিক পদাধিকারী ও তাঁদের অনুগামীরা। জানা গিয়েছে, ঘাটাল উৎসব ও শিশু মেলার সভাপতি পদটি মহকুমা শাসক সামলান। কমিটিতে সম্পাদক হিসেবে থাকেন দেব। মিটিং শুরু হওয়ার পর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শঙ্কর দলুই, নতুন কমিটির তালিকা প্রকাশ করেন। তাতে নেই দীপক অধিকারীর নাম। এদিনের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন সাংসদের প্রতিনিধি রামপদ মান্নাও। সাংসদের নাম বাদ যাওয়ায় বাড়ে উত্তেজনা। দীপক অধিকারীর নাম কেন বাদ গেল তা জানতে চান বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন। শঙ্কর দলুই ব্যাখ্যা দিতে গেলে শুরু হয় বাদানুবাদ। শাসকদলের তাবড় তাবড় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতেই চলে তাঁদের অনুগামীদের মধ্যে হাতাহাতি।

    সাংসদ অনুগামীর কী বক্তব্য?

    সাংসদ দেব-এর অনুগামী রামপদ মান্না বলেন, দেবকে বাদ দিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘাটালের মানুষ তার প্রতিবাদ করেছে। ঘাটালের মানুষ চোরকে মেনে নেবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: রেল লাইনে উঠে এল লরি! দুর্ঘটনার কবলে আপ রাধিকাপুর এক্সপ্রেস

    Train Accident: রেল লাইনে উঠে এল লরি! দুর্ঘটনার কবলে আপ রাধিকাপুর এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগেই মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা সেতুর কাছে জাতীয় সড়়ক ধরে প্রচণ্ড গতিতে আসা ট্রাক রেল লাইনে উঠে গিয়েছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে এই ঘটনা পর পর দুবার হয়েছিল। একবার একটি মালগাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই আবারও রেল দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটল ফরাক্কায়। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কলকাতা থেকে রাধিকাপুরগামী এক্সপ্রেস।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Train Accident)

    স্থানীয় ও রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে আপ রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের অনেকটাই গতি ছিল। ফরাক্কার কাছে রেল লাইনের উপর একটি লরি আটকে যায়। লরির কাছে ট্রেনটি আসতেই চালক ব্রেক কষেন। কিন্তু, গতি থাকায় ট্রেনটি লরিটিকে ধাক্কা মারে। ট্রেনের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার (Train Accident) জেরে আপ-ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে, যাত্রীদের জখম হওয়ার কোনও খবর নেই। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন ছুটে যান। রেলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। এই দুর্ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে রেল। লরিটির বিস্তারিত রেলের আধিকারিকদের হাতে এসে গিয়েছে। তদন্তের জন্য রাজ্য পুলিশকে সেই সব তথ্য ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন মালদার ডিআরএম। এই ঘটনা নিয়ে রেলের তরফেও তদন্ত করা হবে। রেলকর্তারা মনে করছেন, রেললাইনে এসে যাওয়ার পরও যদি লরিচালক কোনও আলো দেখাতেন, তাহলে ট্রেনের চালক সতর্ক হতে পারতেন। কিন্তু সে রকম কিছু না করায় জরুরি ব্রেক ব্যবহার করেও দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি। যদিও চালকের তৎপরতায় বড় ক্ষয়ক্ষতি আটকানো গিয়েছে, দাবি রেলের আধিকারিকদের।

    ডিআরএম কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের ডিআরএম বিকাশ চৌবে জানিয়েছেন, লরির ভুলের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যেখানে দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটেছে তার নিকটবর্তী লেভেল ক্রসিং ঠিক সময়েই বন্ধ হয়েছিল এবং লরিটি লেভেল ক্রসিং দিয়ে আসেনি। দুর্ঘটনাস্থলের উপরে যে ফ্লাইওভার রয়েছে, সেখান থেকে ভুল পথে নেমে এসেছিল লরিটি।  ডাউন লাইনকে ট্রেন চলাচলের জন্য তৈরি করে ফেলা হয়েছে। আপ লাইনে ট্রেন চলাচল শুরুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyani AIIMS: এইমস হাসপাতালে নিয়োগের নামে সক্রিয় প্রতারণা চক্র! কী হয়েছে জানেন?

    Kalyani AIIMS: এইমস হাসপাতালে নিয়োগের নামে সক্রিয় প্রতারণা চক্র! কী হয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিভিন্ন দফতরে নিয়োগের নামে একের পর এক প্রতারণার ঘটনা ঘটেই চলেছে। আর আগে শিক্ষা ও পুর দফতরে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজু়ড়ে তোলপাড় চলছে। ইতিমধ্যেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ অনেকে জেলে রয়েছেন। এরইমধ্যে কল্যাণীর এইমস (Kalyani AIIMS) হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার নামে কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। সিআইডি হানা দিয়ে সোমনাথ বিশ্বাস নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। প্রতারণার চক্রে জড়িত সন্দেহে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Kalyani AIIMS)

    কল্যাণী এইমস (Kalyani AIIMS) হাসপাতালে বিভিন্ন পদে কর্মী নিয়োগ হয়। আর এই সুযোগে রাজ্যে প্রতারণা চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠেন। জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষী, গ্রুপ সি, ডি-সহ বিভিন্ন পদে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি একাধিক জনকে চাকরি দেওয়ার নাম করে মোটা টাকা তুলেছিলেন। কিন্তু তাঁরা কেউই চাকরি পাননি। পরবর্তীকালে চাকরিপ্রার্থীরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। পরে মামলার দায়িত্বভার হস্তান্তরিত হয় সিআইডি-র হাতে। শনিবার হালিশহরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালান সিআইডি আধিকারিকরা। পরে, কল্যাণী থেকে অভিযুক্ত সোমনাথকে সিআইডি গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে প্রায় এক কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

    পাশাপাশি কল্যাণী এইমসে (Kalyani AIIMS) নিয়োগ দুর্নীতির সমান্তরালভাবে আরও একটি মামলায় তদন্ত করেছে সিআইডি। তাতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধিকর্তাকে। কল্যাণী এইমসে বরাত পাওয়া ঠিকাদার সংস্থায় চাকরি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত বছর মে মাসে কল্যাণী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার এক যুবক। প্রতারণা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক ধারায় তখন মামলা রুজু হয়। তাতে বিজেপি সাংসদদেরও নাম জড়ায়। তবে, সোমনাথ বিশ্বাস নামে এই ব্যক্তি যে মামলায় জড়িত  রয়েছে তা আলাদা। এই ব্যক্তি নিজস্ব চক্র তৈরি করেই প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল। তার সঙ্গে প্রতারণা চক্রে আর কারা জড়িত রয়েছে তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। ধৃতের কাছে থেকে সিআইডি কী কী তথ্য পেয়েছে তা স্পষ্ট করে কিছু বলেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ‘বিজেপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে হাত-পা ভেঙে দেব’, নিদান দিলেন গৌতম দেব

    Siliguri: ‘বিজেপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে হাত-পা ভেঙে দেব’, নিদান দিলেন গৌতম দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে হাত-পা ভেঙে দেব। নিদান দিলেন শিলিগুড়ি মেয়র গৌতম দেবের। শিলিগুড়ির (Siliguri) কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা করা নিয়ে প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিজেপি। সেইসঙ্গে শিলিগুড়িতে সিন্থেটিক ট্র্যাক সহ আধুনিক নতুন স্টেডিয়াম তৈরির দাবি জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। রবিবার বিজেপির এই প্রতিবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব বলেন, বিজেপি বিক্ষোভ দেখাতে পারে। আমরাও চুড়ি পড়ে বসে নেই। বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিজেপির হাত পা ভেঙে দেব।

    ফুটবল লিগের খেলা বন্ধ করে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর সভা!

    চলতি সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে আসছেন। শিলিগুড়িতে (Siliguri) তাঁর একটি প্রশাসনিক সভা রাখা হয়েছে। সেই সভা করার জন্য কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে ফুটবল লিগ বন্ধ করে তার প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে সোমবার থেকে। খেলা বন্ধ করে এ ধরনের অনুষ্ঠানকে মেনে নিতে পারছেন না বিজেপির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। এর আগেও কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে গর্ত করে মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার জন্য মঞ্চ তৈরি হয়েছিল। তাতে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। তারপর ফের খেলা বন্ধ করে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে এ ধরনের অনুষ্ঠান মেনে নিতে পারছে না শিলিগুড়ির ক্রীড়া মহল। বিজোপি বিধায়ক এনিয়ে এদিন প্রতিবাদ মিছিল করেন। তার প্রেক্ষিতেই ওই হুমকি দেন গৌতম দেব।

     মুখ্যমন্ত্রীর সভা করা নিয়ে মেয়র কী সাফাই দিলেন?

    গৌতম দেব বলেন, আমরাও খেলাধূলো ভালোবাসি। মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান তাই বিকল্প কোথাও খেলাধূলার আয়োজন করার প্রস্তাব যদি শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ দেয় আমরা সহযোগিতা করব। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী সভার জন্য তাদের ছেড়ে দিতেই হবে। আর স্টেডিয়াম সংস্কারের কাজ আমরা শুরু করেছি। কয়েকদিন পরে হলেও খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে হবে সেই কাজের জন্য।

    কী বললে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামেকে এভাবে প্রশাসনিক বৈঠকের নামে রাজনৈতিক কর্মসূচির  জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করেন বিজেপি বিধায়ত শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, বারবার এটা হচ্ছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম খেলার জন্য। খেলা বন্ধ করে মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠান কখনই কাম্য নয়। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share