Tag: West Bengal

West Bengal

  • Kali Puja 2024: রানাঘাটে চূর্ণী নদীর তীরে জঙ্গলে সিদ্ধেশ্বরী কালীর নামকরণ করেছিলেন ‘রণ ডাকাত’!

    Kali Puja 2024: রানাঘাটে চূর্ণী নদীর তীরে জঙ্গলে সিদ্ধেশ্বরী কালীর নামকরণ করেছিলেন ‘রণ ডাকাত’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাতা কালিকা দশম মহাবিদ্যার একটি বিদ্যা। তিনি ভীষণ-দর্শনা। শক্তি ও সাহসের দেবী। ডাকাতরা নাকি কোথাও ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে মা কালীর (Kali Puja 2024) আরাধনা করত, এমন গল্প তো প্রচলিত রয়েছেই। এ নিয়ে বহু গল্প, উপন্যাস সংকলিত হয়েছে। ‘ডাকাত কালী’ আজও বাঙালির কাছে একটা মিথ হয়ে রয়েছে। রণ ডাকাতের প্রতিষ্ঠিত নদিয়ার রানাঘাটে সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে মায়ের (Ranaghat Siddheswari Kali) আরাধনা করে তাঁর বাহিনী ডাকাতি করতে যেত।

    কেন সিদ্ধেশ্বরী নামকরণ? (Kali Puja 2024)

    সপ্তদশ শতকে চূর্ণী নদীর তীরের জঙ্গল। লোক বসতি একদমই নেই। এখানেই থাকতেন ডাকাত দলের সর্দার রণ এবং তাঁর বাহিনী। মায়ের আরাধনা করে তিনি ডাকাতি করতে যেতেন। এমনটাই জনশ্রুতি রয়েছে ওখানে। আরও প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে যে, মা কালী সমস্ত কামনা পূরণ করতেন, তাই রণ ডাকাত এই মায়ের নাম সিদ্ধেশ্বরী রাখেন। মূলত ডাকাত রণ-র নাম অনুসারে চূর্ণী নদীর এই তীর রাণাঘাট নামে পরিচিত হয় বলেও শোনা যায়।

    মন্দির তৈরির ইতিহাস

    মন্দিরের (Kali Puja 2024) দেবীমূর্তি দক্ষিণা কালিকা বিগ্রহ। জনশ্রুতি রয়েছে, সেসময় বাংলায় ইংরাজের উত্থান সবে শুরু হয়েছে। একদিন এক ইংরাজ সাহেব প্রাণভয়ে ভীত হয়ে দেবীর মন্দিরে ছুটে এসে ঢুকে পড়েছিলেন এবং আত্মত্রাণের জন্য দেবীর চরণ স্পর্শ করে প্রার্থনা জানিয়েছিলেন। তখন ছিল রাত্রিবেলা। ইংরাজটি সে রাত্রে রক্ষা পেয়েছিলেন। কিন্তু ইংরেজদের তখন ম্লেচ্ছ মানা হত। তাই ম্লেচ্ছ স্পর্শের কারণে তখনকার সংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের বিবেচনায় দেবীকে নদীগর্ভে বিসর্জন দেওয়া হয়েছিল, সেই সঙ্গে দেবীর মন্দিরটিও ভেঙে ফেলা হয়েছিল। এরপর সে সময়কার সেবাইতের চেষ্টায় স্থানীয় ঘটক বংশীয় দুইজন ভক্ত ও জমিদার পাল চৌধুরীদের এক কর্তাব্যক্তির সহায়তায় দেবীর শিলাময়ী মূর্তি কাশীধাম থেকে এনে কোঠা মন্দির অর্থাৎ চাঁদনী জাতীয় মন্দির (বর্তমান মন্দিরের গর্ভগৃহ) নির্মাণ করে দেবীকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। তখন থেকেই শিলাময়ী দক্ষিণা কালীর মূর্তিটিই সিদ্ধেশ্বরী নামে রানাঘাটের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসেবে পূজিতা হচ্ছেন। এই মূর্তিটিও প্রাচীন। বয়স দু’শ বছরের কম নয়। মন্দিরের পাশে ছোট একটি মন্দিরে মহাদেব প্রতিষ্ঠিত আছেন। নাটমন্দির অনেক পরে তৈরি হয়। এ ব্যাপারে কতিপয় স্থানীয় লোকের আর্থিক সাহায্য ছিল।

    নাটমন্দির তৈরির ইতিহাস

    জনশ্রুতি আছে, নাটমন্দির (Kali Puja 2024) তৈরি হওয়ার আগে মন্দিরের দক্ষিণপূর্ব কোণে একটি বিরাট অশ্বত্থ গাছ ছিল। ওই গাছটি নাটমন্দির নির্মাণে বা মন্দিরের অন্যবিধ কাজে বাধা সৃষ্টি করেছিল। অথচ বিপদ-আপদ ঘটে যাওয়ার ভয়ে কেউই গাছটি কাটছিল না। তখন একজন নিঃসন্তান ব্যক্তি গাছটিকে কুঠারাঘাতে কেটে ফেলে। আশ্চর্য তারপর অপুত্রক সেই লোকটির ভাগ্য ফিরে যায় এবং আর্থিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তাঁর একাধিক সুন্দর স্বাস্থ্যবান পুত্র লাভ হয়। লোকটির প্রত্যেক পুত্রই সুপুত্র এবং তাঁরা জীবনে যথেষ্ট উন্নতি করেছিলেন। নাটমন্দিরটি দালান জাতীয় সাদামাটা আচ্ছাদিত স্থান, শিল্প- বৈশিষ্ট্য বর্জিত। সমগ্র মন্দির চত্বরটি বেশ বড়। দেবীর তত্ত্বাবধানের জন্য দেবত্র হিসেবে জায়গা দিয়েছিলেন মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র। এখন তা নেই। রানাঘাটের জনসাধারণ ও অন্যান্য দূর- দূরান্তরের মানুষ দেবী সিদ্ধেশ্বরীকে অতিশয় জাগ্রত মনে করে শ্রদ্ধাভক্তি করেন। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে, মা সিদ্ধেশ্বরী তাঁদের মনস্কামনা পূর্ণ করেন। কালী পুজোর (Kali Puja 2024) সমস্ত রীতি মেনে এই পুজো সম্পন্ন হয়।

    কষ্টিপাথরের মূর্তি!

    শ্বেতমর্মর প্রস্তরে (Kali Puja 2024) তৈরি দুই ধাপ-বিশিষ্ট পঞ্চভুজ বা পঞ্চকোণ পঞ্চমুণ্ডের আসনোপরি দেবী-বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত। সিদ্ধেশ্বরী নাম হলেও দেবী মূর্তিটি সিদ্ধেশ্বরী বিগ্রহ নয়, এই মূর্তি উৎকৃষ্ট কষ্টিপাথর দ্বারা নির্মিত এবং শ্বেতপ্রস্তর খোদিত মহাদেব। প্রতি বৎসর দেবী মূর্তি রং দ্বারা অলঙ্কারিত করা হয়। মূর্তি উচ্চতায় তিন হাতের মতো। মন্দির গৃহ সাবেক আমলের-কড়ি বড়গার ছাদ, মর্মর দ্বারা বাঁধান মেঝে। সম্মুখদ্বারাটি যে প্রাচীনকালের তা দেখলেই বোঝা যায়। মন্দিরের সামনে বলিদানের ‘থান’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার বালুরঘাটের ‘বাহুবলী’ তৃণমূল নেতা

    Balurghat: নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার বালুরঘাটের ‘বাহুবলী’ তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক নাবালিকাকে নির্যাতনকাণ্ডে পলাতক দক্ষিণ দিনাজপুরের আইএনটিটিইউসি’র প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা বাহুবলী নেতা রাকেশ শীল। তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে নির্যাতনের মামলায় হুলিয়া জারি করেছে আদালত। এবার ওই নাবালিকাকেই অপহরণের অভিযোগে জেলে যেতে হল বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূলের আরও এক বাহুবলী নেতা লগিন দাসকে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    বালুরঘাটের (Balurghat) রাজনৈতিক মহলে লগিন দাস অত্যন্ত দাপুটে নেতা হিসেবেই পরিচিত। তিনি ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিয়ে তৃণমূলের (Trinamool Congress) ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হন। তাঁর স্ত্রী মনোরমা দাস জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। এছাড়াও বালুরঘাট পুরসভার কাজকর্মেও তাঁর প্রভাব ছিল অনস্বীকার্য। তিনি জেলা ঠিকাদার সংস্থার দীর্ঘদিনের সম্পাদকও ছিলেন। ফলে একদিকে ব্যবসা, অন্যদিকে রাজনীতিতে প্রতিপত্তি, লগিন দাসকে বেতাজ বাদশা করে তুলেছিল। তাঁর বিরুদ্ধেে খুন, জলা জমি ভরাট ইত্যাদি নানা মামলা রয়েছে। এরই মধ্যে গত জুলাই মাসে হিলির এক নাবালিকাকে অপহরণ ও মারধরের মামলা তাঁর বিরুদ্ধে হয়েছিল। ওই নাবালিকার করা পস্কো মামলায় ইতিমধ্যেই পলাতক রয়েছে আরও এক বাহুবলী নেতা। ওই নাবালিকারই দাদা ও বউদির করা পৃথক দুটি মামলাতে অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে ওই মামলায় লগিন দাসও অভিযুক্ত। ওই মামলাতেই লগিন দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন

    বিজয়া সম্মিলনী থেকে ফিরতেই গ্রেফতার

    বালুরঘাট (Balurghat) শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ও রাজ্য নেত্রী জয়া দত্তের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজয়া সম্মিলনী। ওই অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত হন তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান তথা বাহুবলী নেতা লগিন দাস। বিজয়া সম্মিলনী থেকে বাড়ি ফিরতেই তাঁকে গ্রেফতার করল বালুরঘাট থানার পুলিশ। রাতেই তাঁকে হিলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। হিলি থানার দুটি মামলায় গ্রেফতার করা হয় লগিন দাসকে। তাঁকে বালুরঘাট জেলা আদালতে নিয়ে আসা হয়। আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতক তরজা

    বিজেপি (Balurghat) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, এরা সব নেতা নন, দুষ্কৃতী। তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থেকে সমাজকে দূষিত করে চলেছে। এদের জায়গা জেলখানা। তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। আইন আইনের পথেই চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গে প্রাক-শীতের আমেজ! নভেম্বরেই বাতাসে বড় রদবদল, ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের

    Weather Update: বঙ্গে প্রাক-শীতের আমেজ! নভেম্বরেই বাতাসে বড় রদবদল, ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মাস জুড়ে ভিজেছে বঙ্গ। ক্যালেন্ডার অনুসারে, এখন হেমন্তকাল। বর্ষা বিদায় নিয়েছে পাকাপাকিভাবে। নতুন করে এই মুহূর্তে নিম্নচাপের সম্ভাবনাও দেখছে না আবহাওয়া দফতর। একদিন পরই  কালীপুজো (Kali Pujo 2024)। তার আগেই হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়ে দিচ্ছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই আবহাওয়ায় বদল আসবে।

    কালীপুজোয় কি বৃষ্টি হবে? (Weather Update)

    দক্ষিণবঙ্গে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে খুব সামান্য। তবে, শুক্রবার থেকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের শুষ্ক আমেজ শুরু। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই শনিবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া (Weather Update) ও শীতের মরসুমের টের পাওয়া যাবে। কমবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। জেলায় জেলায় মূলত পরিষ্কার আকাশই থাকবে। বাতাস থেকে জলীয় বাষ্পের পরিমাণও ধীরে ধীরে কমবে। ফলে শীতের আমেজ আসবে ধীরে ধীরে। তাই মোটের ওপর কালীপুজো ও ভাইফোঁটার সময়ে মোটামুটি শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে রাজ্যজুড়ে। আগামী এক সপ্তাহে দুর্যোগ বা ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। 

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন?

    কলকাতায় শীতের শুরু কবে?

    কলকাতায় আগামী ৪৮ ঘন্টায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর ধীরে ধীরে শুষ্ক আবহাওয়ার (Weather Update) শুরু। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৩ ডিগ্রি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩১.৫ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৬ থেকে ৯৬ শতাংশ। শুক্রবার থেকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া শুরু হবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই শনিবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া লক্ষ্য করা যাবে। জেলায় জেলায় মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে শীত আগেই?

    উত্তরবঙ্গের (Weather Update) দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি এই পাঁচ জেলাতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। নভেম্বরের শুরু থেকে শুষ্ক মনোরম আবহাওয়া অনুভব করা যাবে উত্তরেও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • By Election 2024: সিতাইয়ের তৃণমূল প্রার্থীর তফশিলি জাতি সার্টিফিকেট কি ভুয়ো? কমিশনে নালিশ

    By Election 2024: সিতাইয়ের তৃণমূল প্রার্থীর তফশিলি জাতি সার্টিফিকেট কি ভুয়ো? কমিশনে নালিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে যে ছ’টি জায়গায় উপনির্বাচন (By Election 2024) হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম কোচবিহারের (Cooch Behar) সিতাই বিধানসভা। এবার সেখানকার তৃণমূল (Trinamool Congress) প্রার্থী তথা জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী সঙ্গীতা রায়ের তফশিলি জাতি সার্টিফিকেট নিয়ে উঠল প্রশ্ন। তাঁর জাতিগত শংসাপত্র কি জাল? প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। হলফনামায় স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম দিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন বলেও অভিযোগ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (By Election 2024)

    সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে (By Election 2024) তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী সঙ্গীতা রায়। তিনি বর্তমানে সিতাই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। পঞ্চায়েতের দেওয়া হলফনামায় তিনি তাঁর স্বামী হিসেবে জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার নাম হলফনামায় জানিয়েছিলেন। অথচ সিতাই বিধানসভার উপনির্বাচনে তিনি স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম দিয়েছেন। আর এই নিয়েই জলঘোলা হচ্ছে। বিরোধীরাও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা তাঁর হয়ে প্রচারে এসে সঙ্গীতা রায়কে তৃণমূলের সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী হিসেবেই সম্বোধন করে গিয়েছেন। এরপর হঠাৎ করে স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম কেন লিখলেন সঙ্গীতা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন বিরোধীরা। এর পাশাপাশি তাঁর তফশিলি জাতির সার্টিফিকেটটিও জাল বলে বিরোধীদের অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন?

    কমিশনে নালিশ 

    সোমবার স্ক্রুটিনির সময় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রিটার্নিং অফিসারের কাছে সঙ্গীতার তফশিলি জাতির সার্টিফিকেটটি দেখানোর দাবি করা হয়। কিন্তু, আধিকারিকরা তা দেখাতে রাজি হননি বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে বিজেপি। কংগ্রেসের তরফে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর মনোনয়নপত্র নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের (By Election 2024) কাছে অভিযোগ জমা দেন কংগ্রেস প্রার্থী ও তাঁর এজেন্ট। সোমবার দুপুরে মনোনয়নপত্র পরীক্ষার সময় মহকুমা শাসকের দফতরে এসে কংগ্রেস প্রার্থী হরিহর রায় সিনহা ও তাঁর এজেন্ট অভিযোগ জমা দেন বলে জানা গিয়েছে। সঙ্গীতা রায়ের এসসি সার্টিফিকেট নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। অবজার্ভারের উপস্থিতিতে সেই কাগজ দেখতে চাইলেও, অবজার্ভার চলে যাওয়ার পর তা তাঁদের দেখানো হয়নি বলে অভিযোগ। এই সমস্যার সমাধান না হলে হাইকোর্ট যাওয়ার হুমকিও দেন তাঁরা। বিজেপি প্রার্থী দীপক রায় বলেন, উপযুক্ত প্রমাণ সহ বিষয়টি সঠিক জায়গায় জানানো হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ৮ বছর পর টনক নড়ল খাদ্য দফতরের! দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বালু ঘনিষ্ঠ রেশন ডিলার সাসপেন্ড

    Malda: ৮ বছর পর টনক নড়ল খাদ্য দফতরের! দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বালু ঘনিষ্ঠ রেশন ডিলার সাসপেন্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) আপাতত জেলে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর সময়কালে ঘটে যাওয়া আরেক রেশন দুর্নীতির প্রমাণ মিলল মালদায় (Malda)। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের সঙ্গেও লেনদেন হয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে রেশন ডিলারকে সাসপেন্ড করল খাদ্য সরবরাহ দফতর।  একই সঙ্গে প্রায় আট কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই ডিলার আবার তৃণমূলের গ্রামীণ নেতা। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মালদার কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকে রেশন ডিলার ছিলেন আশরাফুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের সাহাবানচক গ্রাম পঞ্চায়েতের ইন্দো-বাংলা সীমান্ত লাগোয়া বোরাবাদ্ধা গ্রামে। তিনি সাহাবানচক অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি। মাস দুয়েক আগে সাহাবানচক এলাকার বাসিন্দা দুখু শেখ তাঁদের রেশন ডিলার আশরাফুলের বিরুদ্ধে খাদ্য দফতর ও অপরাধ দমন বিভাগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগে তিনি বলেন, “আশরাফুল আমাদের সরকারি নিয়ম মেনে রেশন সামগ্রী দিচ্ছেন না। তাঁর গুদামে প্রচুর পরিমাণে রেশন সামগ্রী আসলেও তা রাতারাতি উধাও হয়ে যেত। রেশন আনতে গিয়ে অধিকাংশ সময় গ্রাহকদের ঘুরে আসতে হয়। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি, আশরাফুল আমাদের জন্য বরাদ্দ সামগ্রী কালোবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছি।’’ তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নেমে রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে জেলা খাদ্য দফতর। খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এক হাজারের বেশি ভুয়ো বা জাল রেশন কার্ড ছাপিয়ে দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে রেশন তোলা হচ্ছিল। তারপর সে সব জিনিস কালোবাজারে বিক্রি করা হত। ২০১৫ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এই কারবার চলেছে বলে অভিযোগ। তদন্ত চালিয়ে এই দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে বলে জেলা খাদ্য সরবরাহ দফতর সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন?

    খাদ্য দফতরের কী বক্তব্য?

    মালদা (Malda) জেলা খাদ্য নিয়ামক শাশ্বত সুন্দর দাস বলেন, “সাহবানচকের একজনকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৫ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ভুয়ো কার্ডে পণ্য তোলার অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে। ৭ কোটি ৮৫ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি ডিলারশিপও সাসপেন্ড করা হয়েছে।’’

    তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি

    তৃণমূল নেতা তথা অভিযুক্ত রেশন ডিলার আশরাফুল ইসলামকে এলাকায় (Malda) দেখা যাচ্ছে না। তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় নি। শুধু খাদ্য দফতর নয় এই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি। তাঁদের অভিযোগ, বাংলাদেশিদের নামেও জাল রেশন কার্ড করা হচ্ছে। রেশন সামগ্রী পাচার হচ্ছে বাংলাদেশে। বর্ডার এলাকা থেকে এইসব লেনদেন চলছে বলেও দাবি বিরোধীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: ১০০ ভরি সোনার গয়নায় সেজে উঠবেন নৈহাটির বড়মা! পুজো অনলাইনেও

    Kali Puja 2024: ১০০ ভরি সোনার গয়নায় সেজে উঠবেন নৈহাটির বড়মা! পুজো অনলাইনেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নৈহাটির বড়মার পুজোয় লক্ষাধিক ভক্তের যে আগমন ঘটবে, সেই অনুমান অনেক আগে থেকেই করতে পেরেছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। তাই এবার ভক্তরা যাতে মাকে ভালোভাবে দর্শন করতে পারেন, তার জন্য মন্দিরের বাইরের দোতলায় প্রায় ৩০০ স্কোয়ার ফিটের একটি এলইডি স্ক্রিন লাগানো হয়েছে। গত কয়েক বছরের মতো এবারও নিজস্ব অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে পুজো নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  

    অ্যাপের মাধ্যমে বড়মার পুজো

    অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি নিজের পুজো নিজেই দিতে পারবেন ভক্তরা। এর জন্য গুগুল প্লে স্টোরে গিয়ে ‘জয় বড় মা’ (Joy Boro Maa) অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে। তার পরই জি মেলের মাধ্যমে অ্যাপে লগ-ইন করে এডিট প্রোফাইলে নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর দিয়ে আপডেট করলেই নিজের প্রোফাইল তৈরি হয়ে যাবে। এর পর অ্যাপের পুজো অপশনে ক্লিক করলে অমাবস্যা, শনিবার, মঙ্গলবার সহ একাধিক পুজোর তালিকা খুলে যাবে। সেই তালিকায় নিজের পুজো বাছাই করতেই খুলে যাবে নাম, গোত্র, ঠিকানা, তারিখ এবং ফোন নম্বর লেখার চার্ট। সেটি পূরণ করলেই পুজোর তালিকায় নাম নথিভুক্ত হয়ে যাবে। তবে, দক্ষিণা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। পুজো নথিভুক্ত করার সময় দক্ষিণা দিতে চান, না চান না-দুটি অপশন থাকবে। দক্ষিণা দেওয়ার অপশনে গেলে টাকার পরিমাণ বাছাই করে নয়, ভক্তরা টাকার অঙ্ক নিজেরাই লিখতে পারবেন। একদম প্রণামী বাক্সে সামর্থ্য অনুযায়ী দক্ষিণা দেওয়ার মতো। পেমেন্ট হবে অনলাইনের মাধ্যমে। ভবেশ কালীর পুজো আজকে বড় মা নামে পরিচিত। মায়ের অলৌলিক ক্ষমতার কাহিনি ভাসে নৈহাটির বাতাসে। বিশ্বের কোণায় কোণায় ছড়িয়ে বড় মায়ের (Naihati Baromaa) ভক্ত। প্রত্যেকেই অপেক্ষায় থাকেন এই দিনের। এক নজরে দেখে নিন বড় মার পুজোর (Kali Puja 2024) নির্ঘণ্ট।

    পুজো কবে ও কখন?

    চলতি বছর অমাবস্যা (Kali Puja 2024) দুদিন। ৩১ অক্টোবর মায়ের আরাধনা। বড় মা’র পুজোও সেই দিনই। জানা গিয়েছে, রাত প্রায় ১১ টার সময় বড় মায়ের পুজো শুরু হবে। অঞ্জলি রাত ১টা থেকে ১.৩০ মিনিটের মধ্যে। মায়ের পুজো শুরু হওয়ার পরই নৈহাটির অন্য জায়গায় পুজো হবে। দীর্ঘদিন ধরে এটাই রীতি।

    কবে থেকে ভক্তরা পুজো দিতে পারবেন?

    বড়মায়ের ভক্তদের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, পুজো কবে থেকে গ্রহণ করা হবে? এই সময় প্রায় লক্ষাধিক ভক্ত পুজো (Kali Puja 2024) দেন। তাই ভিড় এড়াতে আগে থেকেই পুজো দেওয়া যাবে। এবার ২৪ তারিখ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত মানতের পুজো নেওয়া হবে। ৩০ ও ৩১ তারিখ নেওয়া হবে ফলপ্রসাদ ও সন্দেশের পুজো।

    ভোগ বিতরণ

    পুজো শেষে ভোগ বিতরণ অনুষ্ঠান শুরু করে পুজো (Kali Puja 2024) কমিটি। প্রতিবার মন্দির এলাকা থেকেই মায়ের প্রসাদ বিতরণ করা হয়। তবে এই বছর নৈহাটি পুরসভা ও মহেন্দ্র হাইস্কুল থেকে ভোগ দেওয়া হবে। ভিড় এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

    মায়ের সাজ ও বিসর্জন: বড় মা‘র সাজ অপরূপ!

    একথা বলেন ভক্তরাই। প্রায় ১০০ ভরি সোনা ও শতাধিক ভরির রুপোর গয়নায় সেজে উঠবেন মা। ৪ নভেম্বর দেবীর (Kali Puja 2024) বিসর্জন। সেই দিন গয়নার সাজ খুলে ফুলের সাজে মাকে সাজানো হয়। হাজারে হাজারে ভক্ত বিসর্জন দেখতে আসেন। নিরাপত্তা নিয়েও কোমর বাঁধছে পুজো কমিটি ও প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: ৫১ সতীপীঠের ৫টি রয়েছে বীরভূমে, কালীপুজোর মাঝে জেনে নিন তাদের মাহাত্ম্য

    Kali Puja 2024: ৫১ সতীপীঠের ৫টি রয়েছে বীরভূমে, কালীপুজোর মাঝে জেনে নিন তাদের মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সতীর ৫১ পীঠের মধ্যে ৫টি পীঠ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে। জেনে নিন তাদের কাহিনি। জেলার কোন কোন প্রান্তে রয়েছে এই সতীপীঠ, কী তাদের মাহাত্ম্য? সেখানে গিয়ে একসঙ্গে দর্শন করে আসতেই পারেন ৫টি সতীপীঠ।

    সতীপীঠের কাহিনী? (Kali Puja 2024)

    দক্ষ রাজার অমতে মহাদেবকে বিয়ে করেছিলেন সতী। তারই প্রতিশোধ নিতে রাজা দক্ষ একটি যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন, যেখানে মহাদেবকে অপমান করা হয়। স্বামীর এই অপমান সহ্য করতে না পেরে যজ্ঞের আগুনে নিজেকেই আহুতি দেন সতী। মহাক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠেন দেবাদিদেব মহাদেব। যজ্ঞ বানচাল করে দেন শিব। সতীর দেহ নিয়ে শুরু করেন প্রলয়নৃত্য। পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার ভয়ে তাঁকে থামাতে বিষ্ণু পাঠান সুদর্শন চক্র। তাতেই দেবীর দেহ ৫১টি খণ্ডে টুকরো হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সব টুকরো যেখানে যেখানে গিয়ে পড়ে, সেই জায়গাগুলিই সতীপীঠ নামে পরিচিত। সতীর ৫১ পীঠের মধ্যে ৫টি পীঠ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে। জেনে নিন জেলার কোন কোন প্রান্তে রয়েছে এই সতীপীঠ(Kali Puja 2024)।

    আরও পড়ুন: “এক কোটি সদস্য হলেই আমরা জিতব”, শাহি সভায় বললেন মিঠুন

    কঙ্কালীতলা

    বোলপুর স্টেশন থেকে ১০ কিমি উত্তর-পূর্বে কোপাই নদীর তীরে এই সতীপীঠের অবস্থান। স্থানীয় মানুষের কাছে দেবী কঙ্কালেশ্বরী নামে পরিচিত। জনশ্রুতি বলে, এখানে দেবীর শ্রোণি পতিত হয়। দেবীর (Kali Puja 2024) নাম এখানে দেবগর্ভা। পাশেই একটা কুণ্ড আছে, যার জল নাকি কখনও শুকোয় না।

    নলহাটেশ্বরী

    নলহাটির নলহাটেশ্বরী-পীঠনির্ণয় তন্ত্র মতে, চতুশ্চত্বারিশৎ পীঠ হল বীরভূমের (Birbhum) নলহাটি। এখানে সতীর কণ্ঠনালী এসে পড়েছিল। এখানে দেবীর নাম শেফালিকা ও ভৈরব যোগীশ। স্বপ্নাদেশে কামদেব উদ্ধার করেন সতীর (Kali Puja 2024) কণ্ঠনালী। ব্রাহ্মণী নদীর তীরে ললাট পাহাড়ের নীচে সেই কণ্ঠনালীর উপরেই বেদিতে প্রতিষ্ঠিত হন দেবী নলহাটেশ্বরী

    ফুল্লরা

    শান্তিনিকেতন থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে এই সতীপীঠ। লোকবিশ্বাস অনুসারে, ফুল্লরায় (Kali Puja 2024) পড়েছিল সতীর নীচের ঠোঁটটি। এই মন্দিরে কোনও বিগ্রহ নেই। মন্দিরের পাশে একটি বিরাট পুকুর আছে। কথিত, রামের দুর্গাপুজোর সময়ে হনুমান নাকি এই পুকুর থেকেই ১০৮টি পদ্ম সংগ্রহ করেছিলেন।

    বক্রেশ্বর

    সিউড়ি শহর থেকে ২৪ কিমি দূরে রয়েছে এই সতীপীঠ। দেবীর নাম মহিষমর্দিনী (Kali Puja 2024)। ভৈরব হলেন বক্রনাথ। দেবীর ভ্রুযুগলের মাঝের অংশ এখানে পতিত হয় বলে বিশ্বাস।

    নন্দীকেশ্বর

    সাঁইথিয়া শহরে দেবী নন্দিনী (Kali Puja 2024) অধিষ্ঠিতা। বিশ্বাস করা হয়, সতীর কণ্ঠহার পড়েছিল এখানে। শিব এখানে পূজিত হন নন্দীকিশোর রূপে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: “জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন ব্যর্থ”, বললেন শুভেন্দু, মমতাকে নিশানা করলেন সুকান্ত

    Junior Doctor: “জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন ব্যর্থ”, বললেন শুভেন্দু, মমতাকে নিশানা করলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড ইস্যুতে চলা আন্দোলন নিয়ে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কার্যত জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে ব্যর্থ বললেন তিনি। আর কেন তাঁদের (Junior Doctor) আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে তার কারণও ব্যাখ্যা করলেন বিরোধী দলনেতা। অন্যদিকে, মমতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন সুকান্ত মজুমদার।

    জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন ব্যর্থ! (Junior Doctor)

    জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) আন্দোলন ব্যর্থ হওয়া নিয়ে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) মূলত দু’টি কারণ দর্শালেন। প্রথমত, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বাড়িতে এবং নবান্নের বৈঠক। আর দ্বিতীয় হল, রাজ্যের প্রধান এবং একমাত্র বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামা। এই দুই ভুলের ফল অনিকেত মাহাতোরা ভুগছেন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু। শুভেন্দু বলেন, “জুনিয়র ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশন তৃণমূলের তৈরি সংগঠন। থ্রেট কালচারে যুক্তদের নিয়ে এই সংগঠন তৈরি হয়েছে। এদের অনেকের ছবি সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এসব আটকানো যায় না।” এরপর জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “শুরু থেকে বাম ও অতিবাম সংগঠনগুলি জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে ভুল পথে চালিত করেছে। জুনিয়র ডাক্তাররা সবাই খুব ভালো। ওঁরা শিক্ষিত। কেউ সাদা খাতা জমা দিয়ে ডাক্তারি পড়তে বা চাকরিতে আসেননি। কিন্তু, বাম ও অতিবামদের প্ররোচনায় পা-দেওয়ার ফল ভুগছেন অনিকেত মাহাতোরা।”

    আরও পড়ুন: “এক কোটি সদস্য হলেই আমরা জিতব”, শাহি সভায় বললেন মিঠুন

    মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ে তোপ

    শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের প্রধান ও একমাত্র বিরোধী দল বিজেপি। সেই বিরোধী দলকে সরিয়ে রেখে কোনও সরকার-বিরোধী আন্দোলন সফল হতে পারে না। শুভেন্দুর মতে, জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল ও তার কোটি কোটি ভোটারদের দূরে রেখে আন্দোলনে নেমেছিলেন। তারই ফল ভুগতে হচ্ছে।” বিরোধী দলনেতার মতে, জুনিয়র ডাক্তারদের দ্বিতীয় ভুল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বাড়ি এবং নবান্নে গিয়ে বৈঠক করা। তাঁর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠক মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। যে মুহূর্তে তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বৈঠকে বসেছেন, সেই মুহূর্তে মানুষ তাঁদের আন্দোলন থেকে সরে এসেছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী নিজে আরজি করকাণ্ডের জন্য দায়ী। তাঁর জন্যই পুরো ঘটনা ঘটেছে। আর সেই মুখ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জুনিয়র চিকিৎসকরা বৈঠক করেছেন। সরকারের সঙ্গে অন্য ভাবেও বৈঠক করা যেত। সেটা মুখ্যসচিব এবং স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে করতে পারতেন তাঁরা। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সচিবের হস্তক্ষেপ দাবি করতে পারতেন।”

    মমতাকে গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে তুলনা

    অন্যদিকে, মতাকে থ্রেট কালচারের জনক বলে নিশানা করলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “মমতা গেমপ্লেনের মতো খেলছেন। কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমার মনে হচ্ছে সাউথ আফ্রিকার মতো ডাক্তারবাবুরা (Junior Doctor) চোকার্স হয়ে গিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: প্রধানমন্ত্রী আর বিরোধী নেতা কীভাবে হয়, রাহুলকে তা স্মরণ করালেন অমিত শাহ

    Amit Shah: প্রধানমন্ত্রী আর বিরোধী নেতা কীভাবে হয়, রাহুলকে তা স্মরণ করালেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘নির্বাচনে যিনি জয়ী হন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। আর যিনি পরাজিত হন, তিনি বিরোধী আসনে বসেন। এই সাধারণ বোধ রাহুল ‘বাবা’র (রাহুল গান্ধী) নেই।‘‘ রবিবার পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    রাহুলকে শাহি-তোপ (Amit Shah)

    তিনি (Amit Shah) বলেন, ‘‘রাহুল ‘বাবা’ এবং তাঁর কোম্পানি (ইন্ডি জোট) যার মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রয়েছেন। দেশের একাধিক নির্বাচনে বিজেপি ধরাশায়ী হবে বলে তাঁরা দিবাস্বপ্ন দেখছিলেন। কিন্তু, বাস্তবে দেখা গেল, ছত্তিশগড় এবং ওড়িশায় বিজেপি জিতেছে। শুধু তাই নয়, টানা তৃতীয়বারের জন্য হরিয়ানাতে বিজেপি সরকার গঠন করেছে। ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্রতেও বিজেপি সরকার গঠন করবে। লোকসভা নির্বাচনের পর রাহুল বাবা সংসদে জানিয়েছিলেন, বিজেপিকে তাঁরা পরাজিত করেছেন। আমি তাঁকে বলতে চাই, যিনি নির্বাচনে জয়ী হন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হন। আর যিনি হেরে যান, তিনি বিরোধী আসনে বসেন। ২৪০ আসনে গত লোকসভায় আমরা জয়ী হয়েছি। তারপরও উপহাস করেছিল। আমি তাঁদের বলতে চাই, আমরা ২৪০ আসন পেয়েছি, এই আসন একত্রিত করলেও ২০১৪, ২০১৯ এবং ২০২৪ সালে ওরা যে আসন পেয়েছে, তা ২৪০ এর থেকে কম।’’

    আরও পড়ুন: “এক কোটি সদস্য হলেই আমরা জিতব”, শাহি সভায় বললেন মিঠুন

    আয়ুষ্মান ভারত যোজনা প্রতিটি গরিব ঘরে

    ২০২৬ সাল থেকে বাংলার প্রতিটি গরিব পরিবার আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা পাবে বলে শাহ দাবি করেন। তিনি (Amit Shah) বলেন, ‘‘এদিন আমি সীমান্তে গিয়েছিলাম এবং সেখানে কিছু লোক আমাকে বলেছিল যে তারা আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন না। আমি তাদের বলেছি চিন্তা করবেন না। ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ২০২৬ সাল থেকে বাংলার প্রতিটি দরিদ্র এর সুবিধা পাবে। আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় যুবকদের চাকরি ও শিক্ষার জন্য কোনও ঘুষ দিতে হবে না।’’

    মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শাহ। সন্দেশখালি এবং আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির কথা তিনি উল্লেখ করেছেন, জোর দিয়ে বলেছেন এই সব ঘটনা প্রমাণ করে পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের নিরাপত্তার অভাব। তিনি বলেন, ‘‘বাংলায় মা-বোনদের মর্যাদা লঙ্ঘন করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হলে সন্দেশখালি এবং আরজি করের মতো ঘটনা অবশ্যই বন্ধ হয়ে যাবে।  ২০২৬ সালে আমরা পশ্চিমবঙ্গে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করব।’’ কর্মীদের সেই লক্ষ্যমাত্রা বেধে দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রসঙ্গত, গত লোকসভায় বিজেপি এককভাবে ২৪০টি আসন পেয়েছিল। এনডিএ পেয়েছিল ২৯৩টি আসন। আর কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছিল ৯৯টি আসন। আর ইন্ডি জোট পেয়েছিল ২৩০টি আসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: আজ ভূত চতুর্দশী, ঘোর অমাবস্যার রাতে বিদেহী আত্মারা নেমে আসেন মর্ত্যলোকে!

    Kali Puja 2024: আজ ভূত চতুর্দশী, ঘোর অমাবস্যার রাতে বিদেহী আত্মারা নেমে আসেন মর্ত্যলোকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয় ভূত চতুর্দশী (Bhoot Chaturdashi 2024)। এই তিথিকে আবার অনেকে নরক চতুর্দশী বলেও জানেন। দীপাবলির (Kali Puja 2024) একদিন আগে ও ধনতেরসের একদিন পর ভূত চতুর্দশী পালিত হয়। ভূত চতুর্দশীর সঙ্গে জড়িত পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, ঘোর অমাবস্যার রাতে বিদেহী আত্মারা নেমে আসেন মর্ত্যলোকে। এর ঠিক পরের দিনই চন্দ্রের তিথির নিয়ম মেনে হয় দীপান্বিতা কালীপুজো। পুরাণ মতে, ভূত চতুর্দশীর রাতে শিবভক্ত বলি মর্ত্যে আসেন পুজো নিতে, সঙ্গে আসেন তাঁর অনুচর ভূতেরা। চতুর্দশী তিথির ভরা অমাবস্যায় চারিদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার থাকে। সেই ঘন অন্ধকারে যাতে বলি রাজার অনুচরেরা বাড়িতে ঢুকে না পড়েন, তার ব্যবস্থাই করা হত প্রাচীন কালে।

    পশ্চিমী হ্যালোউইনের ভারতীয় সংস্করণ (Kali Puja 2024)

    এই তিথিটি ছোট দীপাবলি (Kali Puja 2024), রূপ চতুর্দশী বা নরকা পুজো নামেও পরিচিত। এদিন মৃত্যুর দেবতা যম ও কৃষ্ণের পুজো করা হয়। অকাল মৃত্যু থেকে বাঁচতে নরক চতুর্দশীতে পুজো করা হয়। অনেকে এই দিনটিকে পশ্চিমী হ্যালোউইনের ভারতীয় সংস্করণ হিসেবেও দেখেন। কৃষ্ণ-সত্যভামার হাতে নরকাসুর-বধ কাহিনি মেনে ভূত চতুর্দশী বা নরক চতুর্দশীতে মুক্তিলাভের আশায় পুজো করা হয়। এদিন সূর্যোদয়ের আগে উঠে স্নান করার প্রথা রয়েছে। মনে করা হয় এর প্রভাবে যমলোকের দর্শন করতে হয় না। বিষ্ণু পুরাণ ও শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ অনুযায়ী, নরকাসুর নামক এক অসুর নিজের শক্তির দ্বারা দেবতা ও মনুষ্যদের অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। ১৬ হাজার স্ত্রী এবং সাধুকে বন্দি বানিয়ে রেখেছিল নরকাসুর। এরপর মুনি-ঋষিরা কৃষ্ণের দ্বারস্থ হন। নরকাসুরের হাত থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব নেন কৃষ্ণ। কিন্তু শুধু স্ত্রীর হাতে মৃত্যুর অভিশাপ পেয়েছিল নরকাসুর। এই কারণে কৃষ্ণ নিজের স্ত্রীসত্যভামাকে সারথী করেন এবং তাঁর সাহায্যে নরকাসুরকে বধ করেন। যেদিন নরকাসুর বধ হয়েছিল, সেই দিনটি ছিল কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথি (Kali Puja 2024)। তাই তিথিকে নরক চতুর্দশী বলা হয়।

    বেরিয়ে আসে অশরীরী প্রেতাত্মারা!

    এই তিথিটিকে ভূত চতুর্দশী (Bhoot Chaturdashi 2024) বলার পিছনের আরেক ব্যাখ্যা হল, মনে করা হয়, এই তিথিতে সন্ধ্যা নামলেই অশরীরী প্রেতাত্মারা বেরিয়ে আসে। তাদের হাত থেকে মুক্তি পেতে এই তিথিতে গৃহস্থ বাড়িতে ১৪টি প্রদীপ জ্বালানো হয়। আবার আর একটি প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই তিথিতে চোদ্দ পুরুষের আত্মার আসা-যাওয়া থাকে। মনে করা হয় তাঁদের যাতায়াতের পথ আলোকিত রাখার জন্যই প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করার প্রথা রয়েছে।

    হ্যালোউইন শব্দের অর্থ কী?

    আমাদের দেশে যেমন কালীপুজোর আগের রাতে পালিত হয় ভূত চতুর্দশী, পশ্চিমী দুনিয়ায় তেমনই সবাই মেতে ওঠেন হ্যালোউইন ঘিরে। প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর মৃত আত্মাদের স্মরণ করতে হ্যালোউইন পালিত হয়। আমাদের দেশেও গত কয়েক বছর ধরে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে হ্যালোউইন। স্কটিশ শব্দ ‘অল হ্যালোজ’ ইভ থেকে হ্যালোইন বা হ্যালোউইন শব্দটি এসেছে। এই শব্দের উৎপত্তি মোটামুটি ১৭৪৫ সালে। হ্যালোউইন শব্দের অর্থ পবিত্র সন্ধ্যা। হ্যালোউইনের কথা বলতেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে কুমড়ো এবং ভুতুড়ে সাজগোজ। হ্যালোউইনে কুমড়ো কেটে সেখানে নাক, চোখ, মুখ বানিয়ে ভৌতিক চেহারা তৈরি করার প্রথা প্রচলিত রয়েছে। তার পরে এর ভিতরে মোমবাতি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। অন্ধকার রাতে কুমড়োর ভেতরে মোমবাতি জ্বলায় তা আরও ভৌতিক দেখতে লাগে। ভৌতিক কস্টিউম পরে অনেকেই এদিন অন্যকে ভয় দেখিয়ে মজা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share