Tag: West Bengal

West Bengal

  • Kali Puja 2024: কালীপুজোর আগে ভূত চতুর্দশীতে ১৪ শাকে আটকে যায় বহু রোগ! কী কী জানেন?

    Kali Puja 2024: কালীপুজোর আগে ভূত চতুর্দশীতে ১৪ শাকে আটকে যায় বহু রোগ! কী কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজো একেবারে দোড়গোড়ায়। সব জায়গায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে হয় কালীপুজো (Kali Puja 2024)। এর ঠিক আগের দিন বাঙালিরা প্রথা অনুযায়ী পালন করেন ভূত চতুর্দশী (Bhoot Chaturdashi)। ভূত চতুর্দশী ঘিরে জড়িয়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি নিয়মকানুন। এদিন দুপুরে চোদ্দ রকমের শাক খেতে হয় এবং সন্ধ্যাবেলা জ্বালানো হয় চোদ্দটি প্রদীপ বা মোমবাতি। মনে করা হয়, ঘোর অমাবস্যার রাতে বিদেহী আত্মারা নেমে আসেন মর্ত্যলোকে। এর ঠিক পরের দিনই চন্দ্রের তিথি নিয়ম মেনে হয় দীপান্বিতা কালীপুজো।

    কেন চোদ্দ শাক খাওয়ার রীতি? (Kali Puja 2024)

    বাঙালীদের ঘরে ঘরে ভূত চতুর্দশীতে (Kali Puja 2024) দুটি নিয়ম মূলত পালন করা হয়। অনেকে মনে করেন, চোদ্দ ভুবনের অধীশ্বরী দেবীর উদ্দেশে চোদ্দ শাক খাওয়া এবং চোদ্দটি প্রদীপ জ্বালানো হয়। এর সঙ্গে যুগ যুগ ধরে জড়িয়ে রয়েছে অনেক আচার-বিচার। যেমন, ধরুন খাওয়া-দাওয়ার আচার। সরস্বতী পুজোর পরদিন গোটা সেদ্ধ খাওয়ার প্রথা রয়েছে অধিকাংশ বাড়িতে। আবার কিছু ব্রত রয়েছে যেগুলিতে গৃহস্থ কত্রীরা শুধুমাত্র ময়দার তৈরি খাবার খান। প্রতিটি খাওয়া-দাওয়া আচার, পরিবার এবং স্বজনদের মঙ্গল কামনার উদ্দেশ্যেই পালিত হয়। জানেন কি আশ্বিন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্দশী তিথিতে অর্থাৎ কালীপুজোর আগের দিন অনেক বাড়িতেই চোদ্দ শাক খাওয়ার রীতি রয়েছে? এখন প্রশ্ন হল, চোদ্দ শাক খাওয়ার এই আচারের পিছনে কোন ধর্মীয় বিশ্বাস কাজ করছে? কথিত আছে, মৃত্যুর পরে মানুষ পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে যায়। এরপর এই বিশেষ দিনেই নাকি পূর্ব পুরুষদের আগমন ঘটে মর্ত্যলোকে। হিন্দুশাস্ত্র মতে, আকাশ, জল, বায়ু, অগ্নি, মাটি-প্রকৃতির এই পাঁচ উপাদানের মধ্যেই ছড়িয়ে রয়েছেন আমাদের পিতৃপুরুষেরা। বিশ্বাস মতে, চোদ্দ শাক খাওয়ার রীতি পালনের মধ্যে দিয়েই তাঁদের ছুঁয়ে থাকা যায়। অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটাতে প্রকৃতি থেকে সংগ্রহ করা চোদ্দ রকম শাক জলে ধুয়ে, সেই জল বাড়ির চারিদিকে ছিটিয়ে দেওয়া হয়। পূর্বের সাত পুরুষকে উৎসর্গ করে পরবর্তী সাতপুরুষের জন্য খাওয়া হয় শাক। তাই মোট চোদ্দ রকমের শাক খাওয়ার রীতি প্রচলিত রয়েছে।

    কী কী শাক খাওয়া হয়?

    চোদ্দ রকমের শাক (Kali Puja 2024) গুলি হল, জয়ন্তী, শাঞ্চে, হিলঞ্চ, ওল, পুঁই, বেতো, সর্ষে, কালকাসুন্দে, নিম, পলতা, শুলকা, গুলঞ্চ, ভাঁটপাতা ও শুষণী। এই প্রচলিত রীতিগুলির পিছনে বিজ্ঞানসম্মত কারণ রয়েছে বলে অনেকের ধারণা। এদেশের সমস্ত আচার এবং অনুষ্ঠান বিজ্ঞানসম্মত এবং প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়। শরৎকালের শেষ এবং হেমন্তকালের শুরুতে অনেক রকমের রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। ভেষজ গুণে সমৃদ্ধ শাক দেয় বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা।

    কোন কোন শাকে কী কী রোগ সারে?

    এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, এই চোদ্দ রকমের শাক (Kali Puja 2024) গুলির কী কী গুণ রয়েছে। জয়ন্তী-উদরাময়, জ্বর, বহুমূত্র নিয়ন্ত্রণ করে। শাঞ্চে-েরক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। হিংচে- পিত্তনাশক। ওল-অর্শ, রক্ত আমাশা, বাত, চর্মরোগ কমায়। পুঁই-হজমে সহায়ক। বেতো-কৃমিনাশক। সর্ষে-যকৃৎ, চোখ যত্নে রাখে। কালকাসুন্দে-অর্শ, কাশি দূর করে। নিম-যে কোনও চর্মরোগ নাশ করে। পলতা-শ্বাসযন্ত্র ভালো রাখে। শুলকা-হৃদযন্ত্র ভালো রাখে।গুলঞ্চ-উচ্চ রক্তচাপ, যকৃৎ যত্নে রাখে। ভাঁটপাতা-ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক। শুষণী-স্মৃতিবর্ধক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal Medical: ছিল ছেলে হল মেয়ে! সদ্যোজাত বদলের অভিযোগে তোলপাড় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল

    North Bengal Medical: ছিল ছেলে হল মেয়ে! সদ্যোজাত বদলের অভিযোগে তোলপাড় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিতর্কে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ (North Bengal Medical) হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগ। এবার শিশু (Newborn Babies) বদলের চেষ্টার অভিযোগ। জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সদ্যোজাতর লিঙ্গের পরিচয় বদলে দেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার শোরগোল পড়ে যায়। হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রসূতির বাড়ির লোকজন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North Bengal Medical)

    বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ ফাঁসিদেওয়ার (North Bengal Medical) শৈলানি জ্যোতের বাসিন্দা বৃষ্টি বিশ্বাস নামে এক প্রসূতি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।  তাঁর পরিবারের অভিযোগ, জন্মের পরপরই তাঁদের ডেকে পুত্র সন্তান দেখানো হয়েছে। শুক্রবার বলা হয়, কন্যা সন্তান হয়েছে। এখবর পেয়ে ওই প্রসূতির পরিবারের লোকজন উত্তরবঙ্গ মোডিক্যাল কলেজের প্রসূতি বিভাগে এসে জনে জনে জবাবদিহি করেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রসূতির এক আত্মীয়া ললিতা বিশ্বাস বলেন, ‘‘রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ আমাদের মেয়ে পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। সঙ্গে সঙ্গে লেবার রুমে আমাদের ডেকে দেখানো হয় ছেলে হয়েছে। সেই মতো একটি কাগজে ফর্ম ফিলআপ করে দিয়ে জরুরি বিভাগে জমা দিয়ে ভর্তির টিকিট আনতে বলা হয়। সব করে এদিন ভোরে বাড়ি ফিরে যাই। তার কিছুক্ষণ বাদে হাসপাতাল থেকে আমাদের খবর দেওয়া হয় বৃষ্টির ছেলে নয়, মেয়ে হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে প্রথমে খারাপ ব্যবহার করা হয়। পরে, চেপে ধরতেই প্রসূতি বিভাগের নার্স ও কর্মীরা ভুল স্বীকার করে জানান, পূত্র সন্তানই হয়েছে। লেখার ভুলে এই বিভ্রান্তি। সেই সদ্যোজাত এসএনসিইউতে রয়েছে। গিয়ে দেখে আসতে বলা হয়।  সেই মতো এসএনসিইউতি গিয়ে মেয়ের পূত্র সন্তান দেখে আমরা শান্ত হই।’’

    আরও পড়ুন: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী সাফাই দিল?

    এই ঘটনায় হাসপাতালের (North Bengal Medical) লেবার রুমে স্বাস্থ্য কর্মীদের শিশু বদল চক্রের সঙ্গে  যুক্ত থাকার অভিযোগ জোরালো হতে শুরু করেছে। কয়েক বছর আগে প্রসূতি বিভাগ থেকে এক সদ্যোজাতের চুরি যাওয়ার ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। পরে পুলিশ উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার এক পরিবার থেকে সেই সদ্যোজাতকে উদ্ধার করলেও প্রসূতি বিভাগের চূড়ান্ত গাফিলতির দিকটি আড়াল করা যায়নি। এবার শিশু বদলের চেষ্টার অভিযোগে ফের গাফিলতির দিকটি প্রকাশ্যে আসায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেছে। হাসপাতালের অ্যাডিশনাল সুপার নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমাদের হাসপাতালে প্রতিদিনই অনেক শিশুর জন্ম হচ্ছে। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। তবে ফাঁসি দেওয়ার এক মহিলাকে প্রথমে পুত্র সন্তান দেখিয়ে পরে কন্যা সন্তান হওয়ার কথা বলার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। কেন এমনটা হল, কোথাও গাফিলতি রয়েছে কিনা আমরা তা খতিয়ে দেখছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে জলের তলায় সবজি-ধান, কালীপুজোর আগে বাজার চড়া!

    Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে জলের তলায় সবজি-ধান, কালীপুজোর আগে বাজার চড়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ (Cyclone Dana) ল্যান্ডফল করার পর শুক্রবার সকাল থেকে বেলা যত বেড়েছে, তত বেড়েছে বৃষ্টির পরিমাণ। এমন ভারী বৃষ্টি হয়েছে যে মাঠে মাঠে হাঁটু সমান জল জমে গিয়েছে। পচন ধরেছে সবজিতে। দু’দিন আগেও গোটা মাঠ জুড়ে থাকা ফুলকপি, লঙ্কা, টম্যাটো, ক্যাপসিক্যামের গাছ সবই জলের তলায়। ভাসছে সবজির পাতা, গাছ। মাথায় হাত কৃষকদের। সকলের গলাতেই হতাশার সুর।

    জলের তলায় সবজি ভাণ্ডার! (Cyclone Dana)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় ও ক্যানিংকে সবজির ভাণ্ডার বলা হয়। এবার সেই সবজি খেত জলের তলায়। ভাঙড়-সহ ক্যানিংয়ে একাধিক অঞ্চলে সবজি ও ধান চাষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি (Cyclone Dana) হয়েছে। ভাঙড়ের ভগবানপুর অঞ্চল চালতেবাড়ি অঞ্চল শানপুকুর অঞ্চল, ভোগালী অঞ্চল, ডাবু, সাতমুখী, গোলাবাড়ি-সহ বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার লঙ্কা, সিম, কাঁকরোল, বেগুন, বাঁধাকপি, ফুলকপি, পটল, পালং-সহ বিভিন্ন সবজি চাষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান চাষিরা। বাদ যায়নি দুধের সর ধানও। ধান ক্ষেতে হাঁটু সমান জলের উপর সুয়ে আছে। শীতকালের কথা ভেবে ভাঙড়ের দুটি ব্লকের ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় যারা রবি শষ্যের চাষ করেছিলেন তাঁদের মাথাতেও হাত। চাষিদের দাবি, ভারী বর্ষনে মাঠ ভরা উচ্ছে, পটল, লঙ্কা, ফুলকপি, ব্রকোলি, বাঁধাকপি, টম্যাটো, ক্যাপসিক্যামের গাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। একটানা বৃষ্টিতে শাক জাতীয় সবজি যেমন পালং, লেটুসের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাষিদের আশঙ্কা, এখন বৃষ্টি থামলেও কালীপুজোর (Kali Puja) সময় সবজির দর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে। উল্টে কমবে জোগান। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে ভাঙড়-সহ ক্যানিংয়ের চাষিরা। ভাঙড়-সহ ক্যানিংয়ের এই সবজি কলকাতা-সহ রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যবসায়ীরা নিয়ে যেতেন।

    মাঠেই জমা জলে গড়াগড়ি খাচ্ছে ধান

    নিউ টাউন লাগোয়া হাতিশালা, কোঁচপুকুর, সাতুলিয়াতে মাচা পদ্ধতিতে লাউ, কুমড়ো, চাল কুমড়ো চাষ হয়। এক টানা বৃষ্টি (Cyclone Dana) এবং ঝোড়ো হাওয়ার কারণে মাচার খুঁটি আলগা হয়ে মাঠেই মুখ থুবড়ে পড়েছে লাউ, কুমড়ো। কাদায় গড়াগড়ি যাচ্ছে গাছের ডালপালা। জমি থেকে গাছ তোলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন চাষিরা। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে মাচা ভেঙে পড়েছে। গাছ, ফল সব পচে যাচ্ছে। এই বৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছে আউশ ধানের। দানা ঘূর্ণিঝড় শুরুর আগে পাকা ধান তোলা গেলেও কাঁচা ধান তোলা যায়নি। মাঠেই জমা জলে গড়াগড়ি খাচ্ছে সোনার ফসল। ফসল হওয়ার আগেই চাষের জমিতে জল জমে যাওয়ায় সবজি ফলন হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। যার ফলে সবজির দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চাষিরা। দ্রুত জল নিকাশের জন্য প্রশাসনের কাছে কংক্রিট ড্রেন করে দেওয়ার অনুরোধ ও জানালেন চাষিরা।

    কলকাতার বাজারগুলিতে শুক্রবারের সবজির দাম

    এমনিতেই গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও দুর্যোগের কারণে, সবজি আনাজের দাম হু-হু করে বেড়েছে। কলকাতার (Cyclone Dana) বাজারে শুক্রবার, কেজি প্রতি জ্যোতি আলুর দাম ৩০-৩২ টাকা, চন্দ্রমুখী আলুর দাম ৫০-৫৫ টাকা, পটল ১০০ টাকা, ফুলকপি ৬০-৭০ টাকা পিস, টম্যাটো ১০০-১২০ টাকা, বেগুন ৯০-১১০ টাকা, বাঁধাকপি ৪৫-৫৫ টাকা, কচু ৪৫-৫৫ টাকা, কুমড়ো ২৫-৩৫ টাকা, গাজর ৮০-১১০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আদা, রসুন এবং লঙ্কার দামও বাড়ছে। আদা ১২০-২০০ টাকা, কাঁচালঙ্কা ১৫০-২২০ টাকা, রসুন ৩৫০-৪২০ টাকা, এবং ধনেপাতা ২৮০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    ফলের বাজারও চড়া

    ফলের বাজারও ছিল বেশ চড়া। আপেল বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজিতে ২০০ টাকায়, বেদানা ২৫০-৩০০, নাশপাতি ১৫০-২০০, পেয়ারা ও শশা ৬০-৮০। শাঁখ আলু ১০০ টাকা, পানিফল ৬০-৮০, বাতাবি লেবু ২৫-৩০ টাকা কেজিতে। প্রতি পিস নারকেলের দাম ৫০-৬০ টাকা, আনারসের ১০০ টাকা। বড় আকারের আখের দাম ২০-২৫ টাকা, কাঁঠালি কলা ৬০-১০০ টাকা ডজন। ধানের শিষ ১০-২০ টাকা পিস। শিস ডাব ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

    এর ওপর দানা-র ঘায়ে সবজি নষ্ট হওয়ায়, কালীপুজোর আগে বাজার আরও চড়া হওয়ার আশঙ্কা করছে সকলে। ফলে, আম বাঙালির মাথায় হাত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির মামলায় দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের প্রস্তুতি শুরু

    CBI: আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির মামলায় দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের প্রস্তুতি শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত ফরেন্সিক মেডিসিন দফতরের অধ্যক্ষ দেবাশিস সোম এবং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সুজাতা ঘোষ। সিবিআই তাঁদের তদন্তের আওতায় রেখেছে। এই মর্মে স্বাস্থ্যসচিব এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ৯ অক্টোবর চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির মামলায় সিবিআইয়ের (CBI) চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে নিজেদের বক্তব্য জানাল স্বাস্থ্য দফতর।

    দু‘জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত (CBI)

    সিবিআই (CBI) সূত্রের দাবি, তদন্তকারীদের ওই চিঠির পর স্বাস্থ্য দফতরে তরফে চিঠি পাঠিয়ে জানানো হয়েছে, ওই দু’জনের দুর্নীতির বিষয়ে স্বাস্থ্য ভবন অবগত নয়। তবে, সিবিআইয়ের চিঠির ভিত্তিতে বিভাগীয় তদন্ত শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া যায় বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের এক পদস্থ কর্তা বলেন, ‘‘সিবিআইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পাল্টা চিঠি দেওয়া হয়েছে। সিবিআইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দু’জনের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।’’ তবে স্বাস্থ্য দফতরের একটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আরজি কর হাসপাতাল থেকে ওষুধ সরবরাহ এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক সামগ্রীর বিষয়ে অর্থ বরাদ্দের অনুমোদন চাওয়া হত স্বাস্থ্য দফতরের কাছে। আবেদন অনুযায়ী স্বাস্থ্য দফতর তা মঞ্জুর করত। ওই বিষয়টি সিবিআইকে বিশদে জানানো হয়েছে। সিবিআইয়ের দাবি, দেবাশিস ও সুজাতাকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ ওই দু’জন দুর্নীতি এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনে জড়িত থাকার তথ্যও পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    রাজ্যের আইনজীবীর কী বক্তব্য ছিল?

    আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালের চিকিৎসক খুন-ধর্ষণ এবং হাসপাতালের দুর্নীতির মামলার শুনানিতে চিকিৎসকদের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ জানিয়ে বলেছিলেন, আরজি কর কলেজে দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এর পরে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, ‘‘সিবিআই (CBI) দুর্নীতির তদন্ত করছে। সে ক্ষেত্রে দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারদের নাম পাঠালে রাজ্য বিবেচনা করবে।’’ এর পরেই দেবাশিস ও সুজাতার নাম উল্লেখ করে স্বাস্থ্য দফতরে চিঠি দেয় সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘অফিসের মাথায় জাতীয় পতাকা খুলে তৃণমূলের পতাকা লাগান’’, এসডিপিওকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘অফিসের মাথায় জাতীয় পতাকা খুলে তৃণমূলের পতাকা লাগান’’, এসডিপিওকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘সঠিকভাবে কাজ করতে না পারলে এসডিপিও অফিসের মাথা থেকে জাতীয় পতাকা খুলে সেখানে তৃণমূলের (Trinamool Congress) দলীয় পতাকা আর অশোকস্তম্ভের জায়গায় হাওয়াই চটি চিহ্ন লাগান।’’ শুক্রবার বিকালে বুনিয়াদপুরে মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের দফতরে ঘেরাও ও অবস্থান বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়ে সরকারি আধিকারিকের উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা, খুন-ধর্ষণের বিষয়ে পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আত্রেয়ী থেকে বালি চুরি নিয়েও তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

    পুলিশকে তোপ সুকান্তর

    শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুরে শহরে প্রতিবাদ সভা করে বিজেপি। যে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ জেলা বিজেপির একঝাঁক নেতৃত্ব। সভাতে মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগে সুর চড়ান সুকান্ত মজুমদার। সভা শেষেও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ না করতে পারে তাহলে আগামীদিনে ভারতীয় জনতা পার্টি আরও বৃহত্তর আন্দোলন করবে। এই মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের অফিসকে অচল করে দেবে।’’

    বালি চুরি নিয়ে সরব সুকান্ত

    বুনিয়াদপুরে চুরি, খুন, আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণ একের পর এক ঘটনা ঘটা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। আত্রেয়ী নদীর বালি চুরি নিয়ে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘‘আত্রেয়ীর বালি চুরি হবে, পকেট ভরবে কালীঘাটের। বালি চুরি প্রসঙ্গে তিনি কয়েক বছর পূর্বে কুমারগঞ্জ কলেজের পাঁচিল ভেঙে বালি চুরির ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন। সম্প্রতি কয়েকদিন পূর্বে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের যোগদানের ঘটনা প্রসঙ্গে এদিন সুকান্ত মজুমদার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নোত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসকে (Trinamool Congress) তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘তৃণমূলের লোক কম, তাই বিজেপির লোক নিয়ে যাচ্ছে।’’ মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র-র বিরুদ্ধেও এদিন সুকান্ত মজুমদার একের পর এক তোপ দাগেন।

    আরও পড়ুন: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    ‘সমস্যা সমাধানে সুকান্ত’

    এদিকে, নিজের সংসদীয় এলাকার মানুষদের কাছে পৌঁছে যেতে অভিনব উদ্যোগ নিলেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে চালু করলেন ‘সমস্যা সমাধানে সুকান্ত’। শুক্রবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের ফুলবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা নেতৃত্ব। এদিন রাতে এলাকার সাধারণ মানুষের নানা সমস্যার কথা শুনলেন সুকান্ত। পাশাপাশি দ্রুত যাতে সেই সব সমস্যার সমাধান করা যায় সে বিষয়ে আশ্বাসও দেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। এদিন বিশেষত সাংসদের কাছে অসুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সরঞ্জামের দাবি করেন স্থানীয়রা। সে বিষয়টি দেখা হবে বলে জানিয়েছন সুকান্ত। একইসঙ্গে আগামীতে জেলার অন্যান্য প্রান্তেও এই কর্মসূচি করা হবে বলে সুকান্ত জানিয়েছেন। এদিকে সাংসদ তথা মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নিজেদের সমস্যার কথা বলে খুশি আমজনতাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্যোগ কেটে গিয়েছে, তবে শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের (Weather Update) সব জেলায় চলবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আজ গোটা দিন দিনের আকাশ সাধারণত মেঘলা থাকবে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দিনের (West Bengal) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে।

    কী বলছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত?

    আলিপুর (West Bengal) আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় (Weather Update) অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত বলেন, ‘‘পূর্বাভাস মতোই প্রবল ঘূর্ণিঝড় দানা বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে আছড়ে পড়েছিল ওড়িশা উপকূলের ভিতরকণিকা এবং ধামারার মধ্যবর্তী অংশে। সেই আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটায় শেষ হয়েছিল। তারপর প্রত্যাশা মতোই ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। শনিবার তা আরও দুর্বল হবে। আজ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে।’’ গতকাল শুক্রবার, দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি ও বাঁকুড়াতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে।

    বৃষ্টিপাত ১৩৩ মিমি! (Weather Update)

    গতকাল, শুক্রবার কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী জেলায় গত চব্বিশ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৩৩ মিলিমিটার বলে জানিয়েছে, হাওয়া অফিস। কেবলমাত্র কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৯৩.৯ মিলিমিটার। মানিকতলায় বৃষ্টি হয়েছে ৮৩ মিমি। দত্তবাগানে যে পরিমাণ ৭৩.৫০ মিমি। বীরপাড়ায় ৭০ মিমি। মার্কাস স্কোয়ার ৫৮.৭০ মিমি। বেলগাছিয়ায় ৬৯ মিমি। ধাপা লক ৭১ মিমি, তপসিয়াতে ১০৯ মিমি। উল্টোডাঙ্গাতে ৬৯ মিমি। পামার বাজারে ৯৪ মিমি, ঠনঠনিয়াতে ৭৯.৮০ মিমি, কুলিয়া ট্যাংরায়, কালীঘাটে ১০৫.৩০ মিমি, ট্রিচিং গ্রাউন্ডে ১০৩.৫০ মিমি, ধানখেতি খাল ১০৯ মিমি, জোকা ডিপিএসে ৭৫ মিমি, বেহালা ফ্লায়িং ক্লাব ৯৬.৩০ মিমি, জিঞ্জিরা বাজার ৯৭ মিমি, সিপিটি ক্যানাল ১১০.৪০ মিমি বৃষ্টি হয়েছে (Weather Update)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Mudra Yojana: দীপাবলির মুখে মুদ্রা যোজনায় সুখবর! ১০ নয়, এবার মিলবে সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা ঋণ!

    PM Mudra Yojana: দীপাবলির মুখে মুদ্রা যোজনায় সুখবর! ১০ নয়, এবার মিলবে সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা ঋণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির (Diwali 2024) আগে দেশবাসীর জন্য উপহার দিল মোদি সরকার (PM Modi)। এবার বাড়ানো হল প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা ঋণের (PM Mudra Yojana) সীমার পরিমাণ। এই প্রকল্পে এবার ঋণের অঙ্ক দ্বিগুণ করল কেন্দ্র। শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর যা নিয়ে জারি হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। গত ২৩ জুলাই চলতি আর্থিক বছরের (২০২৪-২৪) বাজেটে এই সংক্রান্ত ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবার দেখে নেওয়া যাক, এতে কারা উপকৃত হবেন, আবেদনের যোগ্যই বা কারা?

    ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ (PM Mudra Yojana)

    এতদিন মুদ্রা যোজনায় (PM Mudra Yojana) চারটি ক্যাটিগরি ছিল। সেগুলি হল শিশু, কিশোর, তরুণ এবং তরুণ প্লাস। শিশু ক্যাটিগরির গ্রাহকরা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ পেয়ে থাকে। ৫০ হাজার থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয় কিশোর ক্যাটিগরিতে। তরুণ বিভাগে ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ঋণ মেলে। আর তরুণ প্লাসে এবার থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে সরকার। বিজ্ঞপ্তি জারির পর এই ইস্যুতে বিবৃতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। সেখানে বলা হয়েছে, মুদ্রা যোজনা প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল, অর্থহীনদের হাতে টাকা তুলে দেওয়া। ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি হওয়ায় আরও অনেকে এর প্রতি আকৃষ্ট হবেন। যা প্রকল্পটিকে নতুন গতি দেবে। শুক্রবারের বিজ্ঞপ্তিতে ‘তরুণ প্লাস’ বলে একটি বিভাগের উল্লেখ করা হয়েছে। এর আওতায় ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গ্রাহকরা ঋণ নিতে পারবেন। তরুণ ক্যাটিগরিতে আগে যাঁরা ঋণ নিয়েছেন এবং সময়মতো পরিশোধ করেছেন, তাঁরা এখানে ২০ লক্ষ টাকার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে বর্ধিত অর্থ পেতে আগের ঋণের পরিশোধের সংশ্লিষ্ট নথি জমা করতে হবে।

    আরও পড়ুন: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    কে মুদ্রা ঋণের যোগ্য?

    মুদ্রা ঋণ হল ভারতের একটি সরকারি প্রকল্প (PM Mudra Yojana) যা ব্যবসার উন্নয়নের জন্য ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোগকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে। কর্পোরেট ছাড়া ছোট ব্যবসা, মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ এবং প্রোডাকশন, বাণিজ্য, পরিষেবা এবং কৃষি-সম্পর্কিত খাতে যুক্ত ব্যক্তিরা এই ঋণ নেওয়ার যোগ্য। প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা (PM Mudra Yojana) হল একটি স্কিম যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৮ এপ্রিল,২০১৫ -এ ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোগকে ১০ লক্ষ পর্যন্ত ঋণ প্রদানের জন্য চালু করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে নাগাড়ে বৃষ্টি, জলমগ্ন কলকাতার বহু এলাকা, কোথায় কত পরিমাণ?

    Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে নাগাড়ে বৃষ্টি, জলমগ্ন কলকাতার বহু এলাকা, কোথায় কত পরিমাণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইক্লোন ‘দানা’-র (Cyclone Dana) ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া চলেছে রাতভর। তারই প্রভাবে শুক্রবার ভোর থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। সাগরদ্বীপ তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে রাত থেকেই। বেলা বাড়লেও শহর কলকাতার (Kolkata) আকাশে আলোর দেখা নেই। সকাল থেকে বৃষ্টি হয়ে চলেছে অঝোরে। মুষলধারে বৃষ্টি না হলেও একনাগাড়ে বর্ষণে শহরের একাধিক রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। তবে, সকাল থেকে রাস্তায় যান চলাচল বেশ কম। খুব বেশি মানুষও রাস্তায় বের হননি। ফলে, ভোগান্তি তুলনামূলক কম রয়েছে।

    কোথায় কোথায় জমেছে জল? (Cyclone Dana)

    সকাল থেকে টানা বৃষ্টির (Cyclone Dana) জেরে জল জমেছে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের বেশ কিছু জায়গায়। এছাড়া মহাত্মা গান্ধী রোড, পার্ক স্ট্রিট, থিয়েটার রোড, ক্যামাক স্ট্রিটে জল জমেছে। উত্তর বন্দর থানার কাছে স্ট্র্যান্ড রোডের একাংশ জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। জল জমেছে সায়েন্স সিটির কাছেও। বেলঘরিয়া রোড, বর্ধমান রোড এবং আলিপুরের কিছু কিছু রাস্তায় জল জমেছে। কলকাতা এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে শুক্রবার দিনভর ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস। শনিবার থেকে বৃষ্টি কমবে। আশঙ্কা ছিল, বৃহস্পতিবার রাত থেকে কলকাতা এবং শহরতলিতে ঝড়বৃষ্টি হবে। রাতে কোথাও তেমন বৃষ্টি হয়নি। ঝোড়ো হাওয়াও তেমন ছিল না। আশঙ্কা থাকলেও বাংলায় সে ভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি ঘূর্ণিঝড়। রাতে ওড়িশা উপকূলে ঝড়ের ‘ল্যান্ডফল’ হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় শুক্রবার সকালে। তার পর শক্তি হারিয়ে ‘দানা’ সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। বিকেলের মধ্যে আরও শক্তিক্ষয় হবে তার। পরিণত হবে গভীর নিম্নচাপে।

    আরও পড়ুন: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    বৃষ্টির পরিমাণ কত?

    ঝড়ের (Cyclone Dana) ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর বৃষ্টি বেড়ে গিয়েছে। কলকাতায় শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৪২.৭ মিলিমিটার। তবে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শহরে ৫৮.৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এই তিন ঘণ্টায় সল্টলেকে ২৯ মিলিমিটার এবং দমদমে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গড়িয়া- ৪২ মিলিমিটার, যোধপুর পার্ক- ৪১ মিলিমিটার, বালিগঞ্জ- ৪২ মিলিমিটার, তপসিয়া- ৪০ মিলিমিটার, চেতলা- ৩৮ মিলিমিটার, মোমিনপুর- ৩৬ মিলিমিটার, ঠনঠনিয়া- ২৪ মিলিমিটার, উল্টোডাঙা- ১৭ মিলিমিটার, তারাতলা- ৩২ মিলিমিটার, বেহালা- ২৬.৭০ মিলিমিটার, চিংড়িঘাটা- ২৪ মিলিমিটার, কালীঘাট- ৪১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ডায়মন্ড হারবারে ৭৪ মিলিমিটার, হলদিয়ায় ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

    একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি!

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে আগামী ৩০ অক্টোবর অর্থাৎ বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের (Cyclone Dana) জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে প্রবল বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণের বাকি জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: ‘দানা’-র দাপট কাটিয়ে কলকাতায় স্বাভাবিক বিমান পরিষেবা, চালু হল ট্রেনও

    Cyclone Dana: ‘দানা’-র দাপট কাটিয়ে কলকাতায় স্বাভাবিক বিমান পরিষেবা, চালু হল ট্রেনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ওড়িশার ধামরা, ভিতরকণিকার কাছে ল্যান্ডফল হয় ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’-র। তার প্রভাব পড়ে বাংলার উপকূলেও। তবে ঝড়ের (Cyclone Dana) তাণ্ডবলীলা সেভাবে চলেনি, রক্ষা পেয়েছেন উপকূল এলাকার বাসিন্দারাও। এই পরিস্থিতিতে রেল লাইনেও তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। ফলে, ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ছন্দে ফিরছে স্টেশনগুলিও। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার মুখে। ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’-র প্রভাব থেকে বাঁচতে দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল ট্রেন (Train Service) চলাচল। এদিন সকালে শিয়ালদা এবং হাওড়া স্টেশন (Sealdah Howrah) থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ছন্দে ফিরেছে কলকাতা বিমানবন্দরও। সেখানেও শুরু হল নিয়মিত পরিষেবা।

    শুরু হল ট্রেন চলাচল (Cyclone Dana)

    রেলের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ১০টা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকার কথা বলা হয়ে ছিল। তবে, শুক্রবার সকালে নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট আগে থেকেই রেল পরিষেবা স্বাভাবিক হল শিয়ালদা ডিভিশনে। দক্ষিণ শাখার প্রথম ট্রেন ডাউন সোনারপুর লোকাল শিয়ালদা স্টেশন ছাড়ে। তারপর একে একে ছাড়ে ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং, বারুইপুর এবং লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল ট্রেন। তবে যাত্রীর সংখ্যা অন্যদিনের তুলনায় অনেক কম। ট্রেন বন্ধ থাকায় অনেক রাত থেকে শিয়ালদা স্টেশন অপেক্ষা করছিলেন যাত্রীরা। সময়ের অনেক আগে থেকে অনেকেই টিকিট কাউন্টারের সামনে লাইন দেওয়া শুরু করেন (Cyclone Dana)। যাতে কাউন্টার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই টিকিট পাওয়া যায়। কিন্তু, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হওয়ায় অনেকেই ধৈর্য্যচ্যুত হয়ে পড়েন। টিকিট কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন পড়ে যায় যাত্রীদের। অন্যদিকে, হাওড়া স্টেশনেও দুর্যোগের কারণে অনেকেই বাড়ি থেকে বেরোননি। আবার কেউ কেউ ট্রেন চলাচল নিয়েও অনিশ্চয়তায় ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে বনগাঁ শাখার ট্রেন চললেও হাসনাবাদ শাখায় ট্রেন চলেনি। সেই পরিষেবাও শুক্রবার স্বাভাবিক করা হয়েছে। দূরপাল্লার ট্রেনের ক্ষেত্রেও নতুন করে কোনও তথ্য জানানো হয়নি। আগে থেকে বাতিল হওয়া ট্রেন বাদে সবই চলবে স্বাভাবিক সময়ে (Train Service)। 

    আরও পড়ুন: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    চালু বিমান পরিষেবা

    এদিকে, কলকাতা বিমানবন্দরে শুরু হয়েছে বিমান পরিষেবা। তবে ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Dana) দানার প্রভাবে বাতিল হয়েছে বহু উড়ান। তার জেরে ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে যাত্রীদের। কলকাতা বিমানবন্দরে শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে উড়ান পরিষেবা চালু হয়েছে। সাইক্লোন ‘দানা’-র কথা মাথায় রেখে যাত্রী সুরক্ষার জন্য কলকাতা বিমানবন্দরে ১৫ ঘণ্টা উড়ান পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে সাইক্লোন ‘দানা’-র ল্যান্ডফল। এর প্রভাবে কলকাতায় বৃষ্টিপাত হলেও বিশেষ প্রভাব পড়েনি। পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালিয়ে নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুটা আগেই কলকাতা বিমানবন্দরে পরিষেবা চালু হয়। শুক্রবার কলকাতা বিমানবন্দরে দিনের প্রথম উড়ান অবতরণ করে সাড়ে ৮টা ২৫ মিনিট নাগাদ। তা দিল্লি থেকে কলকাতায় আসে এবং সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে একটি উড়ান ইম্ফলের উদ্দেশে রওনা দেয়। সকাল ৮টা থেকেই বিমানবন্দরের কাজকর্ম স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    Siliguri: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের নিরাপত্তায় রাজ্যজুড়ে মহিলা পুলিশকর্মীদের নিয়ে পিঙ্ক মোবাইল ভ্যান চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল রাজ্য সরকার। আর রাতে সেই পিঙ্ক মোবাইল ভ্যান নিয়ে টহলদারির সময় বিবাহিত যুবতীকে চুম্বন করার অভিযোগ উঠল মহিলা পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে! বুধবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরনিগমের ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে। ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে শহরে। প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

     বুধবার রাত আটটা নাগাদ বিবাহিত এক যুবতী শ্রীগুরু বিদ্যামন্দিরের (Siliguri) মাঠে বসে একজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেই সময়েই পিঙ্ক ভ্যানে থাকা এক মহিলা পুলিশ (Police) আধিকারিক সেখানে হাজির হন। তিনি তাদের ‘এখানে কী করছিস’ জানতে চাওয়ার পরেই মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে ছুটে যান। তাঁরা পাল্টা প্রশ্ন করলে ওই পুলিশ আধিকারিক অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ। স্থানীয়রা তখন মোবাইলে ভিডিও তুলতে শুরু করেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম), এক পুলিশ কর্মী গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ওই যুবতী ছাড়াও আরও এক মহিলা পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁরা কোনও কথা বলছিলেন। আচমকা যুবতীকে ওই মহিলা পুলিশকর্মী জড়িয়ে ধরে চুম্বন করেন। এর পরেই ওই আধিকারিক নিজের ভুল স্বীকার করে ভ্যানে ওঠার চেষ্টা করেন। ততক্ষণে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে এলাকার মহিলারা তাঁকে ঘেরাও করে হাত টেনে ধরে গাড়িতে উঠতে বাধা দেন। শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের চেষ্টায় আধিকারিক- সহ পিঙ্ক ভ্যানের পুলিশকর্মীরা এলাকা ছাড়তে সক্ষম হন। স্থানীয়দের দাবি ডিউটির সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন ওই মহিলা পুলিশকর্মী। ওই যুবতীর দাবি, ‘‘পড়াশোনা করছিলাম। ক্লান্ত লাগছিল বলে বাড়ির সামনের স্কুলের মাঠে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। আমায় দেখে আমারই এক আত্মীয় সামনে এগিয়ে এসে কথা বলতে শুরু করে। এর মধ্যেই পুলিশ ভ্যানটি মাঠে ঢোকে। তারপরে আমাদের অশ্লীল গালিগালাজ করে এক মহিলা অফিসার মারধর শুরু করে দেয়। ’’ওই যুবতীর মা অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘দানা’র দাপটে উত্তাল দিঘা-মন্দারমণি, ভোর-রাত থেকেই নাগাড়ে বৃষ্টি কলকাতায়

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এক অভিভাবক (Siliguri) বলেন, ‘‘চারদিকে মহিলাদের ওপরে কত অত্যাচারের কথা শুনতে পাই। সেগুলো থামাতে পারছে না পুলিশ। আর মহিলাদের ধরে মারধর করবে, এটা কেমন কথা!’’ মারধরের সময়ে স্থানীয় কাউন্সিলারকে ফোন করা হলেও তিনি সাহায্য করতে অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ। তৃণমূলের শিলিগুড়ি জেলা চেয়ারম্যান অলোক চক্রবর্তী বলেন, ‘‘এলাকার বাসিন্দারা সমস্যায় পড়লে কাউন্সিলারকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। খোঁজ নেব। প্রয়োজনে পদক্ষেপ করা হবে।’’

    অভিযুক্ত পুলিশকর্মী সাসপেন্ড

    এদিকে, ভাইরাল ভিডিওর জেরে শোরগোল বেঁধে যায় শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে। পুলিশের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠায় চারদিকে ছিছিক্কার শুরু হতেই বাধ্য হয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ। শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনারেটের উপ নগরপাল (ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘ঘটনাটি নজরে আসার পরে তানিয়া রায় নামে ওই মহিলা আধিকারিককে বৃহস্পতিবার সাসপেন্ড করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।’’

    প্রশাসনকে তুলোধনা বিজেপির

    এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে মমতার পুলিশ-প্রশাসনকে তুমুল আক্রমণ করেছে রাজ্যের বিরোধী দল। বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অবস্থা দেখে মানুষ কেঁপে উঠবে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটান পুলিশের পিঙ্ক ভ্যান বাহিনীর এএসআই তানিয়া রায় মদ্যপ অবস্থায় বুধবার এক মহিলাকে অসংলগ্ন অবস্থায় জড়িয়ে ধরেন যা ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। বহুবার ওনার বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় কাজে আসার অভিযোগও উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসন দারুণ চলছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share