Tag: West Bengal

West Bengal

  • RG Kar Incident: ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের জায়গা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    RG Kar Incident: ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের জায়গা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় উত্তাল সারা দেশ। জুনিয়র ডাক্তাররা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই ইস্যুকে সামনে রেখে রোজই পথে নেমে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে নাগরিক সমাজ। তাঁদের এই আন্দোলনের প্রতি চরম আস্থা জ্ঞাপন করেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তাঁরা জানালেন, আগে এত কিছু জানলে মেয়েকে ডাক্তারিই পড়াতেন না। স্বপ্ন দেখতেন না স্টেথোস্কোপ গলায় ঝুলিয়ে রোগী দেখছেন মেয়ে।

    মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না! (RG Kar Incident)

    নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগ, ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের (RG Kar Incident) জায়গা হয়ে উঠেছে। এমন ঘুঘুর বাসা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না।” বাবা আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘‘ডাক্তারদের মানুষ ভগবান হিসেবে মানেন। করোনার সময় আমার মেয়ের অনেকে পা ধরে বলেছিলেন, আপনার জন্য আমি প্রাণ ফিরে পেয়েছি। আপনি আমার কাছে ভগবান। এই ডাক্তারদের মানুষ ভগবান মনে করেন। আর তাঁরাই কিনা দুষ্কৃতী। মেডিক্যাল কলেজগুলিতে যে ধরনের চক্র চলে, এসব আগে জানলে আমি আমার মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতে পাঠাতাম না। কারণ, ডাক্তাররা এই ধরনের জঘন্য কাজ করতে পারে তা ভেবেই পাচ্ছি না। তবে, আমার মেয়ের জীবন দিয়ে হাসপাতালের একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে সেটা ভালো। আমি চাই, আমাদের মতো আর কোনও পরিবারের কন্যা সন্তানকে যেন এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।’’

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    শান্তিপূর্ণ মিছিলে লোহার ব্যারিকেড!

    পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে ‘লালবাজার অভিযান’-এর ডাক দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। আর সেই শান্তিপূর্ণ মিছিল (RG Kar Incident) আটকাতে লোহার ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। আর ফুল হাতে শান্তিপূর্ণ মিছিল পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতে (Panihati) নির্যাতিতার বাবা-মা জুনিয়র ডাক্তারদের ‘লালবাজার অভিযান’ কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁরা বলেন, ‘‘জুনিয়র ডাক্তাররা তো অস্ত্র বা তরোয়াল হাতে নিয়ে যাননি। তাঁরা তো ফুল হাতে নিয়ে মিছিল করেছেন। এই শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দেওয়ার জন্য পুলিশকে লোহার ব্যারিকেড করতে হল? এটার কী খুব প্রয়োজন ছিল। এটা চরম অমানবিক। আসলে ওরা যে কিছু একটা ধামাচাপা দিতে চাইছে এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। তবে, জুনিয়র ডাক্তারদের এই আন্দোলনের পাশে আমরা সব সময় রয়েছি। আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা চাই, যতদিন না আমার মেয়ে বিচার পাচ্ছে, ততদিন এভাবে ওরা আন্দোলন চালিয়ে যায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: কাকভোরে ‘জন-গণ-মন’ গাইলেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা, শুনেই পুলিশ যা করল

    RG Kar Protest: কাকভোরে ‘জন-গণ-মন’ গাইলেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা, শুনেই পুলিশ যা করল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গানে-স্লোগানে কলকাতার রাজপথে রাত জাগলেন চিকিৎসকরা। বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে একটানা ধর্নায় ডাক্তাররা। সোমবার এ এক অন্য রাত দেখল বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট। স্টেথো সরিয়ে সারা রাত গানে-গানে প্রতিবাদের (RG Kar Rally) ঝড় তুলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। উঠেছে স্লোগানও। অন্যদিকে, রাতভর চেয়ার পেতে ঠায় বসে উর্দিধারী পুলিশও। সোমবার রাতভর ধরনার পর মঙ্গলবার সকালেও রাস্তাতেই বসে তাঁরা।

    আন্দোলনকারীরা জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পুলিশ যা করল (RG Kar Rally)

    রাত তখন প্রায় ৩টে ৪৫ মিনিট। হঠাৎই জাতীয় সঙ্গীত গাইতে শুরু করেন আন্দোলনকারী (RG Kar Rally) চিকিৎসকরা। ভোরের আলো ফোটার আগে বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট শুনছে ‘জনগণমন অধিনায়ক জয় হে, ভারত ভাগ্যবিধাতা..’। জাতীয় সঙ্গীত শুনেই ধড়মড় করে উঠে দাঁড়ান পুলিশ কর্মীরা। জাতীয় সঙ্গীত শেষ হতেই আন্দোলনকারীদের বলতে শোনা যায়, ‘‘এতদিনে পুলিশ সোজা হয়ে দাঁড়াল।’’ এরপরে আন্দোলনকারীরা পুলিশকর্মীদের দিকে জলের বোতল, বিস্কুট বাড়িয়ে দেন। জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য, পুলিশও মানুষ, ডাক্তারও মানুষ। সেই মনুষ্যত্বের কারণেই পাশে থাকার চেষ্টা। রাত পেরিয়ে মঙ্গলবার সকাল। এখনও পথে বসে জুনিয়র ডাক্তাররা। কেউ কেউ গাইছেন, ‘পথে এবার নামো সাথি পথে হবে এ পথ চেনা…’। তবে কি পথই দেখাবে পথ?

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    ‘পুলিশ তোমার ডিএ বাকি, চটি কিনে দেব নাকি

    সোমবার ডাক্তারদের লালবাজার অভিযান মাঝপথেই বন্ধ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের অনেক আগেই বসানো হয় ব্যারিকেড। শান্তির মিছিলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা, তবে তাতে বাধা আসলে ডাক দেওয়া হয় ধর্নার। বিকেল থেকেই অবস্থান-বিক্ষোভে (RG Kar Rally) বসেন জুনিয়র ডাক্তাররা। উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক অভিনেতা কিঞ্জল নন্দও। তিনি সামান্য কিছু মুহূর্তের জন্য লাইভেও আসেন। কিঞ্জলের সেই ভিডিওতে দেখা গেল, জুনিয়র ডাক্তারদের উৎসাহে একচুলও ভাটা পড়েনি। মধ্যরাতেও তাঁরা সোচ্চার নিজেদের দাবিতে। পুলিশ বিরোধী স্লোগান চলছে তখনও। রব উঠছে, ‘পুলিশ তোমার ডিএ বাকি, চটি কিনে দেব নাকি’। এমনকী ‘হায় হায়’ রবও ওঠে কলকাতা পুলিশের নামে।

    সন্দীপের গ্রেফতারি নিয়ে কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    সন্দীপ ঘোষের গ্রেফতারি খুশি আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, সন্দীপের গ্রেফতারি আরজি করে দুর্নীতি মামলায়। ডাক্তারি পড়ুয়া ধর্ষণ-খুন মামলার কালপ্রিটদের গ্রেফতার করার দাবিতে আমরা অনড়। কোনওভাবেই অবস্থান প্রত্যাহার নয়। সোমবারই তাঁরা জানিয়ে দিয়েছিলেন, ৩৬ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টা অবধিও টানা ডিউটি করেন তাঁরা। ফলে এই অবস্থান চলবে। সোমবার দুপুর থেকে মঙ্গলবার সকাল। এরপর রাতে সৃজিত মুখোপাধ্যায় সকলের কাছে সাহায্য চান, যাতে একটি মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থা করা যায়, আন্দোলনরত চিকিৎসকদের জন্য। অনেক সাধারণ মানুষই ক্রমাগত পোস্ট করতে থাকেন, লালবাজারের সামনে বাড়ি যাদের, তাঁরা যেন বিক্ষোভরত জুনিয়র ডাক্তারদের, বিশেষ করে মহিলাদের, তাঁদের বাড়ির বাথরুম ব্যবহার করতে দেন। ভোররাতেও ডাক্তারদের অবস্থান-বিক্ষোভ থেকে ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন চিকিৎসক-নেতা কিঞ্জল। যাতে দেখা যাচ্ছে, রাস্তার মাঝেই কেউ শুয়ে পড়েছে। কেউ আবার দল বেঁধে বসে রয়েছে, চোখে-মুখে ক্লান্তি থাকলেও, প্রত্যয় স্পষ্ট। বোঝা যাচ্ছে, এত সহজে হার মানবেন না তাঁরা। একদলকে সজাগ দৃষ্টিতে পাহাড়া দিতেও দেখা গেল।

    আন্দোলনকারীদের কাছে টলিউড অভিনেত্রীরা

    সোমবার দুপুর ২টোয় কলেজ স্কোয়্যার থেকে মিছিল (RG Kar Rally) করে লালবাজারের (Lalbazar) উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি। লালবাজারের সামনে ফিয়ার্স লেনেই আটকে দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই সারা রাত অবস্থান বিক্ষোভ চলে। ত্রিপল, বড় প্লাস্টিক ইত্যাদি কিনে এনে, রাস্তায় পেতে শুয়ে পড়েন তাঁরা। সেখানেই খাওয়া-দাওয়া। আন্দোলনকারীদের কাছে গিয়েছিলেন টলিউড অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল, দেবলীনা দত্ত এবং সুদীপ্তা চক্রবর্তী। জুনিয়রদের মনোবল বাড়াতে পৌঁছে যান সিনিয়র ডাক্তাররা। এমনকী, অবস্থান-বিক্ষোভে হাজির হয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি, বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আদিবাসী নির্যাতিতার বাড়িতে সুকান্ত, ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি

    Sukanta Majumdar: আদিবাসী নির্যাতিতার বাড়িতে সুকান্ত, ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনার রেশ মেলায়নি এখনও। এরই মধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) বংশীহারীতে তেরো বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাটের জন্য ওই নাবালিকাকে খুন করার চেষ্টাও করেছিলও ওই অভিযুক্ত। যা নিয়ে উত্তাল গোটা জেলা। সোমবার বিকেলে  বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) নির্যাতিতা পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে ওই গ্রামে যান। যদিও নির্যাতিতার মায়ের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়নি।

    অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি (Sukanta Majumdar)

    গ্রামবাসীদের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে কথা বলেন সুকান্ত। গ্রামবাসীরা সুকান্তর (Sukanta Majumdar) কাছে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি জানান। ওই গ্রাম থেকে বেরিয়ে গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান সুকান্ত। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই স্কুল ছাত্রীর ঘরে ঢুকে পড়ে অভিযুক্ত। মেয়েটির পাশের ঘরে তার বাবা-মা ঘুমোচ্ছিলেন। সেই সময় ওই স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। প্রমাণ না রাখার জন্য অভিযুক্ত প্যান্টের দড়ি দিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টাও করে বলে দাবি পরিবারের। মেয়েটির গলায় দাগ রয়েছে। তবে মেয়েটির চিৎকারে ছুটে আসেন পরিবার ও প্রতিবেশীরা। অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। ওইদিন রাতেই নির্যাতিতাকে গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয় এক বলেন, সাংসদের সঙ্গে আমরা কথা বললাম। আমরা তাঁর কাছে অভিযুক্তর ফাঁসির দাবি জানালাম।

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    কী বললেন সুকান্ত?  

    গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলার পর সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “২০২০ সালে শ্লীলতাহানির মামলায় অভিযুক্তকে এর আগেও পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে আবার ধর্ষণের অভিযোগ। নির্যাতিতা কিশোরীর মায়ের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব দেখা করতে যাচ্ছে, দেখা করতে যাচ্ছে ধর্ষকের পরিবারের সদস্যরা। এমনকী পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়ে কেস তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী কলকাতায় একটা ডাক্তারের জীবনের দাম ১০ লক্ষ টাকা দিচ্ছেন। আর যেহেতু এটা একটা ছোট গ্রাম, তাই এখানে একটা জীবনের দাম ৫ লক্ষ টাকা দিতে চাইছেন তৃণমূল নেতারা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rally: হাতে গোলাপ-শিরদাঁড়া, মুখে সিপি-র ইস্তফা দাবি, লালবাজার অভিযানে জুনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar Rally: হাতে গোলাপ-শিরদাঁড়া, মুখে সিপি-র ইস্তফা দাবি, লালবাজার অভিযানে জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর পেরিয়ে গিয়েছে ২৩ দিন। রোজই পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। পথে নেমেছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরাও। এ বার বিচারের দাবিতে ‘লালবাজার অভিযান’-এর ডাক (RG Kar Rally) দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। দুপুর ২টোয় কলেজ স্কোয়্যার থেকে মিছিল করে লালবাজারের (Lalbazar) উদ্দেশে রওনা দেন তাঁরা। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি। আন্দোলনকারীদের হাতে প্রতীকী শিরদাঁড়া-গোলাপ।

    গোলাপ ফুল নিয়ে মিছিল! (RG Kar Rally)

    ‘নবান্ন অভিযান’ থেকে শিক্ষা নিয়ে লালবাজার অভিযান নিয়ে পুলিশের প্রস্তুতি তুঙ্গে ছিল। একাধিক এলাকায় জারি হয় কড়া নিরাপত্তা। বসানো হয় লোহার ব্যারিকেড। আন্দোলনকারীদের (RG Kar Rally) রুখতে বৌবাজারে বসে লোহার গার্ডরেল। সেই ব্যারিকেড আবার বাঁধা হয় ভারি শিকলে! একই ছবি বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটেও। সেখানে প্রায় ন’ফুট সমান উচ্চতার গার্ডরেলের দেওয়াল তুলে নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি তৈরি করেছে পুলিশ। লোহার গার্ডরেলের পিছনে বসে বাঁশের ব্যারিকেডও। সে সব বাঁধা হয় দড়ি দিয়ে। সেখানে বন্ধ করে দেওয়া হয় যান চলাচল।

    আরজি করকাণ্ডে তোলপাড় দেশ। আন্দোলনের আঁচ ক্রমশ বাড়ছে। দ্রুত বিচারের দাবিতে পথে পথে প্রতিবাদ কর্মসূচি জারি। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই এবার লালবাজার অভিযানে জুনিয়র চিকিৎসকরা। আরজি কর থেকে গাড়িতে কলেজ স্কোয়্যারের উদ্দেশে রওনা হন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। চার দফা দাবিতে তাঁদের সোমবারের অভিযান। হাতে গোলাপ নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হন তাঁরা। পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে গোলাপ দিয়ে বিদায় জানাতে চান জুনিয়র ডাক্তাররা। এমনটাই তাঁদের দাবি। মিছিলের মাঝেই হাতে হাত রেখে  মানব-বন্ধন গড়েন আন্দোলনকারীরা। সবার মুখে মুখে একই স্লোগান, ‘ছিনিয়ে নিতে ন্যায়বিচার/ গোলাপ হাতে লালবাজার।’ আন্দোলনকারীদের কারও কারও হাতে রয়েছে গোলাপ, রজনীগন্ধার তোড়া। পৌঁছে পুলিশের হাতে ফুল তুলে দেন তাঁরা! ব্যারিকেডে পরান ফুলের মালা।

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    প্রতীকী ‘শিরদাঁড়া’ নিয়ে মিছিল

    হাতে প্রতীকী ‘শিরদাঁড়া’ নিয়ে মিছিলে হাঁটেন এক ডাক্তারি ছাত্রী। কলেজ স্কোয়্যার থেকে শুরু হয় চিকিৎসকদের মিছিল। জুনিয়র চিকিৎসকদের মিছিলে (RG Kar Rally) হাঁটেন কামদুনি-কাণ্ডের প্রতিবাদী মুখ টুম্পা কয়াল, মৌসুমী কয়ালও। মিছিল যত লালবাজারের দিকে এগিয়েছে, লাইন দিয়ে ভিড় বেড়েছে। আর আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে স্লোগান দেওয়া হয়।

    মিছিল আটকাল পুলিশ

    ফিয়ার্স লেনের মুখে আটকে দেওয়া হল জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল (RG Kar Rally)। পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ চত্বর। একই চিত্র বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটেও। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ঘেরাটোপ নিয়ে তৈরি পুলিশ। তবু দমছেন না আন্দোলনকারী চিকিৎসকেরা। রাস্তার মাঝেই পোড়ানো হচ্ছে বিনীত গোয়েলের কুশপুতুল। মূলত, দু’ভাবে ব্যারিকেড করা হয়। একই ভাবে ব্যারিকেডের কাছে নজর রাখতে বসানো হয়েছে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা। যাতে বড় রকমের কোনও অশান্তি হলে ওই ক্যামেরায় ওঠা ফুটেজ থেকে পরবর্তী সময়ে চিহ্নিত করা যায়।

    রাস্তার মাঝেই শান্তিপূর্ণ অবস্থানে বসলেন চিকিৎসকদের একাংশ। কোনও সংঘাতে যেতে চান না আন্দোলনকারীরা। তাঁরা নিজেদের দাবিতে অনড়- পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ চান। যতক্ষণ না পুলিশ তাঁদের দাবি মানছে, অবস্থান চালিয়ে যাবেন তাঁরা। এর মাঝেই আকাশে দেখা গেল ড্রোন। মিছিলের মাথার ওপর দিয়েই একাধিক ড্রোন উড়ছে। মিছিল আটকে ২০ জনের প্রতিনিধি যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। আন্দোলনকারীরা তা মানতে নারাজ। চলছে অবস্থান বিক্ষোভ।

    জুনিয়র চিকিৎসকরা কী বললেন?

    জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেন, “না, কোনও সংঘাত নয়, শান্তিপূর্ণভাবে পুলিশ কমিশনারের অপসারণ বা পদত্যাগ চাই আমরা। তাই প্রতিকী মেরুদণ্ড আর গোলাপ নিয়ে মিছিল (RG Kar Rally) শুরু করেছি। বুধবার মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডাক্তার ফ্রন্ট। ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাত ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সকলকে ঘরের আলো নিভিয়ে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirbhaya Fund: পড়ে রয়েছে ‘নির্ভয়া তহবিল’-এ প্রাপ্ত কেন্দ্রের বরাদ্দ, টাকা পেয়েও খরচে ব্যর্থ রাজ্য

    Nirbhaya Fund: পড়ে রয়েছে ‘নির্ভয়া তহবিল’-এ প্রাপ্ত কেন্দ্রের বরাদ্দ, টাকা পেয়েও খরচে ব্যর্থ রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী সুরক্ষার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলার দিক দিয়ে যে রাজ্যের অবস্থান তলানিতে, তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে আরজি করকাণ্ডেই। এবার জানা গেল, নারী সুরক্ষার খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের খরচেও নীচের সারিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ। 

    আরজি কর কাণ্ডে ‘নাটক’ মমতার

    আরজি করকাণ্ডের ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে পথে নেমেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ধর্ষণ-বিরোধী বিল আনতে চলেছেন। অথচ, দেশের নয়া আইনেই ধর্ষককে কড়া শাস্তি দেওয়ার সংস্থান রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কারণ, দুদিন আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণ দেবী জানিয়েছিলেন, রাজ্যে একাধিক অতিরিক্তি ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু হয়নি। মন্ত্রীর দাবি, তার জেরে বকেয়া রয়েছে ধর্ষণ ও পকসো সংক্রান্ত কয়েক হাজার মামলা। সেই বিষযে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ না করছে। রাজ্যে হাজার হাজার ধর্ষণের মামলা ঝুলে রয়েছে।

    কেন্দ্রের ‘নির্ভয়া তহবিল’ খরচে ব্যর্থ!

    এবার প্রকাশ্যে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। মোদি সরকারের সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে জানা গেল, নারী সুরক্ষায় কেন্দ্রের দেওয়া তহবিল খরচ করতেও ব্যর্থ মমতার প্রশাসন। নারী সুরক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ‘নির্ভয়া তহবিল’ (Nirbhaya Fund) গঠন করেছিল। প্রায় এক দশক পরেও সেই তহবিলে বরাদ্দ টাকা খরচে একেবারে নীচের দিকে এই রাজ্য! পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই তহবিলে রাজ্যের জন্য বরাদ্দ করা হয় ৭৫.৭০ কোটি টাকা। আর খরচ করা হয়েছে মাত্র ৩.৯২ কোটি টাকা। তালিকা অনুযায়ী, দেশের রাজ্যগুলির নিরিখে ২৯ নম্বরে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এর কোনও জবাব দেবে কি মমতার-প্রশাসন?

    সব রাজ্যের মতো কেন্দ্রীয় অর্থ পেয়েছে বাংলাও

    ২০১২ সালে দিল্লিতে নির্ভয়াকাণ্ডের পরে কেন্দ্রের তরফে ‘নির্ভয়া তহবিল’ (Nirbhaya Fund) গঠিত হয়। ২০১৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সরকার ১ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ‘নির্ভয়া তহবিল’ তৈরি করেছিল। এর পর থেকে ফি বছরই ওই তহবিল বাবদ অর্থ বরাদ্দ হয়েছে সাধারণ বাজেটে। তাতে অন্য রাজ্যের সঙ্গে বাংলাও টাকা পেয়েছে। নির্ভয়া তহবিলের টাকা খরচের জন্য নানা প্রকল্পও তৈরি করে কেন্দ্র। ২০১৫ সালে নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রককে ‘নোডাল এজেন্সি’ করে দেখাশোনার ভার দেওয়া হয়েছিল তহবিলের অধীন বিবিধ প্রকল্পের। তার মধ্যে মহিলাদের অভিযোগ বা দুর্দশার কথা শুনতে ছিল ‘ওয়ান স্টপ সেন্টার’ (ওএসসি) গঠন, মেয়েদের জন্য তৈরি হেল্পলাইন নম্বরের সার্বিক উন্নয়ন, ‘মহিলা পুলিশ ভলান্টিয়ার স্কিম’ (এমপিভিএস)।

    ‘সেফ সিটি’ বানাতে কলকাতার বরাদ্দের কী হাল? (Nirbhaya Fund)

    পাশাপাশি, ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় বাজেটে দেশের মোট আটটি শহরের নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ‘সেফ সিটি’ তৈরির তালিকায় আমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বইয়ের সঙ্গে ছিল কলকাতাও। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল ওই বাবদ। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, কলকাতাকে ‘সেফ সিটি’ বানাতে মোট ১৮১.৩২ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে কেন্দ্রের দেওয়ার কথা ছিল ১০৮.৭৯ কোটি টাকা। ২০১৯-‘২০ অর্থবর্ষে কেন্দ্র রাজ্যকে দু’দফায় ৫৫.৫৭ কোটি টাকা দেয়। পরে আরও টাকা আসায় ওই খাতে মোট ৭৫ কোটি টাকা পেয়েছে রাজ্য।

    এই তহবিলে রাজ্যের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে ২০১৯ সালে জানতে চেয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দুই সাংসদ। তাঁরা হলেন তৃণমূলের মালা রায় এবং কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। তার জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যওয়াড়ি যে হিসেব সংসদে জমা দিয়েছিল, তাতে দেখা যাচ্ছে, সেই সময় পর্যন্ত বাংলার জন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করেছিল ৭৫.৭০৮ কোটি টাকা। আর রাজ্যের তরফে কেন্দ্রকে পাঠানো খরচের পরিমাণ ছিল ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকার মতো। ফলে, বোঝাই যাচ্ছে এই প্রকল্পে রাজ্য টাকা খরচই করতে পারেনি।

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    পিছিয়ে বাংলা!

    ‘নির্ভয়া তহবিলের’ টাকায় কী কী খরচ করা হবে, তা বছরে বছরে বদলেছে। শহরে-গঞ্জের রাস্তায় আলো লাগানো থেকে মহিলাদের সুরক্ষায় শহরাঞ্চলে সর্বত্র সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো, মেয়েদের জন্য চলমান শৌচাগার নির্মাণ- এ সব যেমন রয়েছে, তেমনই এই তহবিলের টাকায় নির্যাতিতাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও বলা রয়েছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন কেন্দ্রীয় নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি লোকসভায় বলেছিলেন, ‘সেন্ট্রাল ভিকটিম কমপেনসেশন স্কিম’ (সিভিসিএফ) নামে প্রকল্পে ২০১৬-‘১৭ আর্থিক বছরে বাংলা পেয়েছে ১২ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা। খরচ করতে পেরেছে মাত্র ২০ লক্ষ টাকা।”

    নির্ভয়া তহবিলের টাকা যাচ্ছে অন্য খাতে!

    কোন রাজ্যে নির্ভয়া তহবিলের অর্থ কেমন খরচ হচ্ছে, তা নিয়ে একটি বেসরকারি সংস্থা ২০১৯ সালে সমীক্ষা চালায়। সেই সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশিত হয় ২০১৯ সালে। তাতে দাবি করা হয়েছে, দেশের মধ্যে নির্ভয়া তহবিলের (Nirbhaya Fund) টাকা খরচের নিরিখে পিছনের সারিতেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। নারী শিশুসুরক্ষা নিয়ে কাজ করা একটি বেসরকারি সংস্থা ২০২১ সালে একটি সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। তাতে শেষ তিন বছরে নির্ভয়া তহবিলের টাকা কেমন খরচ হয়েছে তার একটা ছবি তুলে ধরা হয়েছিল। সেই রিপোর্টে বলা হয়, টাকা শুধু যে পড়েই থাকছে তা নয়। এমন এমন খাতে খরচ হচ্ছে, যার সঙ্গে নারীকল্যাণের সরাসরি তেমন যোগ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rally: আরজি করকাণ্ডে প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়রা, পা মেলালেন রুদ্রনীল

    RG Kar Rally: আরজি করকাণ্ডে প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়রা, পা মেলালেন রুদ্রনীল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Rally) সুবিচারের দাবিতে নাগরিক সমাজের ডাকে মধ্যমগ্রামে সামিল হলেন নির্যাতিতা পড়ুয়া চিকিৎসকের আত্মীয়রা। এর আগেও এই ইস্যুতে মধ্যমগ্রামে আন্দোলন হয়েছে। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মহিলারা। প্রতিবাদ মিছিলও করা হয়েছে। ফের মধ্যমগ্রামে আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে কয়েকশো মানুষ জমায়েত হন।

    প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতা চিকিৎসকের আত্মীয়রা (RG Kar Rally)

    আরজি করের ঘটনার পর ১৪ অগাস্ট রাতে মহিলাদের রাস্তা দখল থেকে শুরু করে লাগাতার মধ্যমগ্রাম (Madhyamgram) প্রতিবাদের (RG Kar Rally) আওয়াজ তুলেছে দিনের পর দিন। কখনও ছোট জমায়েত, কখনও কয়েকশো মানুষের জমায়েত হয়ে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ চেয়ে সরব হয়েছে। অন্যান্য দিন এই প্রতিবাদ জমায়েত মধ্যরাতে হলেও রবিবার সন্ধ্যায় নির্যাতিতার বিচার চেয়ে প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন কয়েকশো সাধারণ মানুষ। অরাজনৈতিক এই প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলালেন রুদ্রনীল ঘোষ। অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ এর আগেও মধ্যমগ্রামে এই প্রতিবাদী আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন। 

    মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় তিন দিন ধরে চলা এক অরাজনৈতিক অবস্থান বিক্ষোভের শেষ দিনে এসেছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। সেই দিনই ঘোষণা হয়েছিল ১ সেপ্টেম্বর ফের জমায়েত হয়ে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানানোর কথা হয়েছিল। সেইমতো এদিন কয়েকশো মানুষ জমায়েত হন। এই মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়দের মধ্যে কাকিমা, মামা-মামী হাজির হয়েছিলেন। মধ্যমগ্রাম চৌমাথা এসে প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয়। এদিন প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতার কাকিমা। তিনি বলেন, ‘‘ দোষীদের অবিলম্বে শাস্তি দিতে হবে। আমরা সেই দাবিতেই রাস্তায় নেমে আন্দোলনে সামিল হয়েছি।’’ আন্দোলনকারীরাও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    পরিকল্পিতভাবে খুন

    প্রতিবাদের শামিল হয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, ‘‘পরিকল্পিতভাবেই আরজি করের (RG Kar Rally) নির্যাতিতাকে খুন করা হয়েছে। তাই, তথ্য প্রমাণ জোগাড় করতে এত দেরি হচ্ছে। মানুষ রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছেন। দোষীদের বাঁচাতে উঠে পড়ে লেগেছে তৃণমূল সরকার। পুলিশ দিয়ে মানুষের প্রতিবাদ বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার আবেদন, পুলিশ সাধারণ মানুষের বন্ধু হন। জল কামানের প্রয়োজন নেই, বাংলার  মা-বোনেদের চোখে অনেক জল আছে। দ্রুত শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন সকলে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ‘‘আপনার মা-বোনেদের…’’! কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল নেতার, তুলোধনা সুকান্তর

    North 24 Parganas: ‘‘আপনার মা-বোনেদের…’’! কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল নেতার, তুলোধনা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর জি কর ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানানো হয়েছে। তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেছেন আন্দোলনকারীরা। মুখ্যমন্ত্রী এই ইস্যুতে কয়েকদিন আগে দলীয় কর্মীদের ‘ফোঁস’ করার নিদান দিয়েছিলেন। এই আবহের মধ্যে আরজি করকাণ্ডের প্রেক্ষিতে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কুৎসা করছেন, তাঁদের মা-বোনের বিকৃত ছবি বাড়ির দেওয়ালে টাঙিয়ে দিয়ে আসার হুঁশিয়ারি দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরের তৃণমূল নেতা অতীশ সরকার ওরফে ঝঙ্কু। তাঁর এ হেন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেতা? (North 24 Parganas)

    মেয়ো রোডে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের সমাবেশে বক্তৃতা করতে গিয়ে  মুখ্যমন্ত্রী দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “যে আপনাকে রোজ কামড়াচ্ছে, তাকে কামড়াবেন না। কিন্তু, ফোঁস তো করতে পারেন।” দলনেত্রীর সেই ‘ফোঁস’ প্রসঙ্গ টেনে অশোকনগরের তৃণমূল নেতা অতীশ সরকার বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন। এক দলীয় কর্মসূচি থেকে অতীশ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোঁস করতে বলেছেন, সাবধান হয়ে যান। আমরা যদি পাড়ায় পাড়ায় ফোঁস করতে শুরু করি, তবে বাড়ি থেকে বার হতে পারবেন তো?” মমতার বিরোধিতা করলে ফল ভালো হবে না, এমন হুমকিও দেন অশোকনগরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর অতীশ। তাঁর স্ত্রী বর্তমানে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। রবিবার সেখানেই আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত এক পথসভা থেকে অতীশ বলেন, “আমরা যদি ফোঁস করি, তবে আপনার বাড়ির মা-বোনদের কুৎসা রটিয়ে যদি দরজায় টাঙিয়ে দিয়ে আসি, তা হলে সেই পোস্টার খুলতে পারবেন না। ওই দিন আর বেশি দূরে নেই। আমি এখানে দায়িত্ব নিয়ে বলে গেলাম।” অতীশের মন্তব্য প্রসঙ্গে অশোকনগরের তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী বলেন, “এই বিষয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আমার এবং আমাদের জেলা সভাপতি কাকলি ঘোষদস্তিদারের কথা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    ‘তৃণমূলের গুণধর লুম্পেন বাহিনী’, কটাক্ষ সুকান্তর

    বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, অতীশের ওই বক্তব্যের অংশ এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন। সেখানে অতীশকে ‘তৃণমূলের গুণধর লুম্পেন বাহিনী’ বলে কটাক্ষ করেছেন সুকান্ত।

    <

    কী বলল বিজেপি?

     বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “রাজনীতি করলে এই ধরনের কথা বলার অধিকার কোথা থেকে এসেছে। পুলিশের (North 24 Parganas) উচিত ওদের গ্রেফতার করা।” রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র এবং কনভেনার দীপ্তিমান বসু জানিয়েছেন, এ ভাবে ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে আন্দোলন রোখা যাবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal: ফের প্রশ্নে বাংলার নারী নিরাপত্তা! নাবালিকা রোগী ও নার্সের শ্লীলতাহানির অভিযোগে তোলপাড়

    West Bengal: ফের প্রশ্নে বাংলার নারী নিরাপত্তা! নাবালিকা রোগী ও নার্সের শ্লীলতাহানির অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর আবহের মধ্যেই রাজ্যের (West Bengal) দুই হাসপাতালে ফের শ্লীলতাহানির অভিযোগ। একটি বীরভূমে, অপরটি হাওড়াতে। বীরভূমের ইলামবাজার স্বাস্থ্য়কেন্দ্রে এক নার্সকে শনিবার রাতে শ্লীলতাহানি (Crime Aganist Woman) করে এক রোগী-এমনটাই অভিযোগ। অন্যদিকে, হাওড়া জেলা হাসপাতালে ১২ বছরের এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে ল্যাব টেকনিশিয়ানের বিরুদ্ধে।

    বীরভূমের ঘটনা 

    শনিবার রাতেই বীরভূম জেলার ইলামবাজার স্বাস্থ্য কেন্দ্রের (West Bengal) এক নার্সকে এক রোগী কর্তব্যরত অবস্থায় শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং আরজিকরের ঘটনার পরেও স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা যে সে অর্থে গড়ে ওঠেনি এই ঘটনাই তার প্রমাণ, এমনটাই বলছেন কেউ কেউ। জানা গিয়েছে, ইলামবাজার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যে রোগী ভর্তি ছিলেন তাঁর চিকিৎসা চলাকালীন ওই নার্স স্যালাইনের বোতল দেখাশোনা করছিলেন। তখনই ওই নার্সকে শ্লীলতাহানি করেন ওই রোগী, এমনটাই অভিযোগ। পরবর্তীকালে সংবাদমাধ্যমকে ওই নার্স বলেন, ‘‘আমি শুধুমাত্র ডাক্তারের নির্দেশ পালন করছিলাম। সেই সময় আমাকে শ্লীলতাহানি করা হয়। শুধু তাই নয়, আমার গোপনাঙ্গেও হাত দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি অশ্লীল শব্দও প্রয়োগ করেন ওই রোগী।’’ এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

    হাওড়া জেলা হাসপাতালের ঘটনা (West Bengal)

    একইভাবে হাওড়াতে এক নাবালিকাকে জেলা হাসপাতালে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ (Crime Aganist Woman) উঠেছে এক ল্যাব টেকনিশিয়ানের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিল ওই নাবালিকা। সিটি স্ক্যানের ঘরে ওই নাবালিকাকে যখন ঢোকানো হয় তখন তার পরিবারের কাউকে সেখানে ঢুকতে দেয় না অভিযুক্ত। সিটি স্ক্যানের ঘরেই নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টাও করে অভিযুক্ত। ইতিমধ্যেই (West Bengal) এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এবং তা সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে লেখেন, ‘‘এই ঘটনাই প্রমাণ করছে পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের নিরাপত্তা ঠিক কতটা!’’ পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  •  RG Kar: আরজি কর-কাণ্ডে সরব, সাংবাদিকের ফোন নং ব্লক করার অভিযোগ মমতা সরকারের বিরুদ্ধে

     RG Kar: আরজি কর-কাণ্ডে সরব, সাংবাদিকের ফোন নং ব্লক করার অভিযোগ মমতা সরকারের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar) প্রতিবাদ জানানোয় সাংবাদিক অভিজিৎ মজুমদারের ফোন নম্বর ব্লক করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল মমতা সরকারে (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে। এনিয়ে সরব হয়েছেন সাংবাদিক। এই ঘটনাকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন ওই সাংবাদিক। এতে ভারতীয় সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারও খর্ব হচ্ছে বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক অভিজিৎ মজুমদার।

    নাগরিক সমাজের আওয়াজ দমন (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ে রয়েছে মৌলিক অধিকার, এখানকার ১৯ (এ) ধারাতে বাক-স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আরজি কাণ্ডের পর থেকেই নাগরিক সমাজের আওয়াজকে দমন করতে মমতা সরকার (Mamata Banerjee) একাধিক পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে, যা সংবিধান বিরোধী বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অভিজিৎ মজুমদারের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা সামনে এল। প্রসঙ্গত, গত ৩০ অগাস্ট সাংবাদিকের এয়ারটেলের নম্বর ব্লক করে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। সেই দিনই ট্যুইট করেন অভিজিৎ এবং জানান পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কথামতো এয়ারটেল তাঁর ফোন নং ব্লক করে দিয়েছে।

    কী বললেন সাংবাদিক?

    এরপরেই এয়ারটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন ওই সাংবাদিক। এয়ারটেল তাঁকে জানায়, সন্দেহজনক গতিবিধির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এনিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘‘হয়তো কলকাতার ডাক্তারের ধর্ষণ ও খুন নিয়ে (RG Kar) আমি বেশি কথা বলে ফেলছিলাম, তাই আমার মুখ বন্ধ করতেই এমন উদ্যোগ নিল সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rashtrapati Award: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাচ্ছেন শ্যামনগর শালবাগান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

    Rashtrapati Award: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাচ্ছেন শ্যামনগর শালবাগান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার (Rashtrapati Award) পেতে চলেছেন শ্যামনগর শালবাগান জিএসএফপি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত কুমার মারিক। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে জাতীয় শিক্ষক হিসেবে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন তিনি। তাঁর বাড়ি ইছাপুর বিধানপল্লি এলাকায়। তাঁর এই পুরস্কার পাওয়ার খবর জানাজানি হতেই খুশির হাওয়া গোটা এলাকায়।

    প্রধান শিক্ষককে সংবর্ধনা (Rashtrapati Award)

    শিক্ষক দিবসে (Teachers Day) প্রতি বছরেই কেন্দ্রের তরফে দেশের সেরা শিক্ষকদের পুরস্কৃত (Rashtrapati Award) করা হয়। এ বছর জাতীয় শিক্ষক সম্মানের জন্য সারা দেশ থেকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে বেছে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেছে নেওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বিশেষ শিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষাদানের জন্য সম্মানিত করেন রাষ্ট্রপতি। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এবছর দেশের অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে শ্যামনগরের শালবাগান জিএসএফপি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বেছে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০ বছর ধরে তিনি শিক্ষকতা করছেন। শালবাগান জিএসএফপি স্কুলে তিনি ১১ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাবার খবরে খুশির জোয়ার গোটা শ্যামনগর জুড়ে। শুক্রবার বেলায় জাতীয় শিক্ষককে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন ভাটপাড়া পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্মৃতি ধর ও তাঁর স্বামী রতন ধর-সহ বিশিষ্ট জনেরা। স্কুল পড়ুয়া এবং অন্যান্য শিক্ষকদের উপস্থিতিতে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    প্রধান শিক্ষকের জন্য গর্বিত সহকর্মীরা

    শ্যামনগর (Shyamnagar) শালবাগান জিএসএফপি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সহকর্মীরা বলেন, প্রশান্তবাবুর মতো শিক্ষকের অনেক আগেই এই পুরস্কার পাওয়ার দরকার ছিল। তাঁর মতো শিক্ষক সকলের কাছে আদর্শের। শুধু পড়াশুনা করানো নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষা তিনি দেন। তাঁর মতো শিক্ষকের এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে আমরা চরম খুশি। তিনি শুধু স্কুলের নয়, গোটা এলাকার মানুষের কাছে গর্বের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share