Tag: West Bengal

West Bengal

  • RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডে দোষীদের ফাঁসির দাবিতে মিছিল, পা মেলালেন গৃহবধূ, মা-বোনেরা

    RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডে দোষীদের ফাঁসির দাবিতে মিছিল, পা মেলালেন গৃহবধূ, মা-বোনেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে ডাক্তারি পড়ুয়াকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নামলেন মহিলারা। মিছিল (RG Kar Protest) থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবি জানানো হয়। কোনও দলীয় পতাকা নয়। বাড়ির সাধারণ গৃহবধূ, মা-বোনেরা মিছিলে সামিল হলেন। এছাড়া এদিন কলেজ ছাত্রীরাও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিল করেন।

    দোষীদের ফাঁসির দাবিতে মিছিল (RG Kar Protest)

    এর আগে, ১৪ অগাস্ট রাতে রাস্তা দখল নিয়েছিলেন মেয়েরা। রাস্তায় নেমে তাঁরা আন্দোলন করেছিলেন। এবার একেবারে অরাজনৈতিকভাবে শুধু মেয়েদের নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল হল। শনিবার নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়া এলাকা থেকে এই মিছিল বের হয়। মিছিলে আশাপাশের গ্রামের বাড়ির বধূরা পা মেলান। গোটা এলাকাজুড়ে মিছিল হয়। পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে ফুলিয়ার রঙ্গমঞ্চের সামনে মিছিল শেষ হয়। মিছিল (RG Kar Protest) থেকে স্লোগান উঠল, ‘দোষীদের ফাঁসি চাই’। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ‘‘আরজি করে যে ধরনের নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, তা আমরা কিছুতেই মেনে নেব না। এরই তীব্র প্রতিবাদে আমরা রাস্তায় নেমেছি। যতদিন না পর্যন্ত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলবে।’’

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    দোষীদের শাস্তির দাবিতে কলেজ ছাত্রীরা

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Protest) দোষীদের শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে নামলেন কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীরাও। এদিন হাতে প্ল্যাকার্ড ফেস্টুন নিয়ে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান নিয়ে কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড় থেকে পদ যাত্রা শুরু করেন কলেজের ছাত্রীরা। এদিন কৃষ্ণনগরের সমস্ত কলেজের মেয়েরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সরব হন। তাঁরা বলেন, ‘‘আমরা এখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। আর ধর্ষণ নামক ব্যাধি যেন চিরতরে নির্মূল হয় এবং সুস্থ সমাজ তৈরি হয় তার জন্যই এই প্রতিবাদ কর্মসূচি।’’

    মৌন মিছিলে তিনটি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা

    এবার নদিয়ার (Nadia) ফুলিয়ার তিনটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষিকারা একত্রিত হয়ে মৌন মিছিল করে প্রতিবাদে নামলেন। তাঁরা প্ল্যাকার্ডে লিখেছেন, ‘আমরা বিচার চাই, যারা দোষী তারা যেন কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি পায়’। তাঁরা জানান, একজন নারী সংসারের সবকিছু কাজ করেও নিজের ভবিষ্যৎকে তৈরি করার জন্য লড়াই চালিয়ে যান। আরজি করের ডাক্তারি (RG Kar Protest) পড়ুয়া সেই লড়াইটাই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, শেষ রক্ষার হল না। নারকীয় নৃশংস ঘটনা যা আগে কখনও এ রাজ্যে ঘটেনি। তাই, নারীদের সুরক্ষা এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সুরক্ষার দাবিতে এই প্রতিবাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সিবিআইয়ে আস্থা, পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিতে চান নির্যাতিতার বাবা-মা

    RG Kar Incident: সিবিআইয়ে আস্থা, পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিতে চান নির্যাতিতার বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা কাজে যোগ না দিয়ে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এই আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন নিহত চিকিৎসকের বাবা-মা। সঙ্গে আরজি করে (RG Kar Incident) দালাল চক্র নিয়ে সরব হলেন। সিবিআইয়ের ওপর তাঁদের যে চরম আস্থা রয়েছে, সে কথাও তাঁরা প্রকাশ্যে জানান।

    আন্দোলনে যোগদান (RG Kar Incident)

    মেয়ের নৃশংস হত্যার পর কেটে গিয়েছে ১৪ দিন। সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার পরও গ্রেফতার সেই একেতেই রয়ে গিয়েছে। সিবিআইয়ের কাছে নির্যাতিতার (RG Kar Incident) বাবা মায়ের আবেদন তারা আরও একটু তৎপর হোক তদন্তের ক্ষেত্রে। সেই সঙ্গে এদিন বাবা মা বলেন, ‘‘আন্দোলনরত ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশে আমরা আছি। প্রয়োজনে আন্দোলনে (Agitation) যোগও দেব। আমরা মেয়ের খুনের বিচার চাই। নিরপেক্ষভাবে যে আমাদের ডাকবে তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেব।’’

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    পুলিশ নয়, সিবিআইয়ে আস্থা, জানালেন নির্যাতিতার বাবা-মা

    এদিন ফের একবার রাজ্যের সরকার এবং পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। তাঁরা বলেন, ‘‘প্রশাসনের প্রথম থেকে যে গা ছাড়া মনোভাব ছিল সেটা সুপ্রিম কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে ধরেছে। সারা দেশ এবং পৃথিবীও সেটা জেনে গিয়েছে। যে অকুস্থল থেকে মেয়ের দেহ পাওয়া গিয়েছিল সেই ঘটনাস্থল থেকে তথ্য প্রমাণ কিছুটা নষ্ট করা হয়েছিল। তা না হলে সিবিআইয়ের এতদিন সময় লাগত না। আর সে কারণেই হয়ত পলিগ্রাফ টেস্টের মতো সিবিআই এখন অন্যভাবে তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা করছে। আসলে প্রথম থেকেই বিষয়টিকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কাউকে আড়াল করা হচ্ছে প্রথম থেকেই বুঝতে পারছিলাম। খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আড়াল করা হচ্ছে। এমন কেউ জড়িত যে, তাকে আড়াল করার প্রয়োজন পড়ছে সরকারের। ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও হাসপাতাল (RG Kar Incident) কর্তৃপক্ষ মিলে যে চক্রান্ত করেছিল তা এখন প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। আমাদের বলা হয়েছিল যে, কলকাতা পুলিশ পৃথিবী বিখ্যাত। কীরকম বিখ্যাত সেটা আজও আমরা বুঝতে পারিনি। রাজ্য সরকার দ্বিচারিতা করছে। আর পুলিশের ওপর আস্থা উঠে গিয়েছিল বলেই আমরা ভালো এজেন্সি দিয়ে তদন্ত চেয়েছিলাম। আমরা চাই সিবিআই ভালো এজেন্সি হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক। আমরাও ধৈর্য্য হারাচ্ছি। ১৪ দিন হয়ে গেল এক সঞ্জয় রায় ছাড়া কোনও রেজাল্ট আমরা এখনও পাইনি। আমরা বলতে চাই সবাই আর একটু তৎপর হয়ে কাজ করুক।’’

    আরজি করে দালাল চক্র!

    নির্যাতিতার বাবা-মায়ের দাবি, ‘‘মেয়ের কাছেও শুনেছিলাম, বিভিন্ন জায়গা থেকে রোগী এসে ভর্তি হতে পারত না। দালালচক্র চলত। উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রেও দালালচক্র আছে। আমরা অনেক আগেই জেনেছি। অনেক বিষয় আছে, যা আলোচনা করা যাবে না। প্রশাসন এগুলো ভাল করে দেখুক। কোটি কোটি টাকার খেলা চলে। হাসপাতাল (RG Kar Incident) যারা পরিচালনা করে তারা জড়িত, প্রশাসন জড়িত। জুনিয়র ডাক্তারদের এ নিয়ে হতাশা আছে। কারণ প্রচুর পরিশ্রম করে তাঁদের সেই জায়গায় পৌঁছতে হয়। মেয়েকে নিয়ে কিছু অপপ্রচারও হচ্ছে। আমরা বলার পরে অনেকেই সমাজমাধ্যম থেকে পোস্ট সরিয়ে নিচ্ছে। প্রশাসনকে বলেছি, আমাদের মেয়েকে নিয়ে যেন ব্যবসা না হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি করের করিডরে দাঁড়িয়ে সঞ্জয়! সেই অভিশপ্ত ভোরের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে

    RG Kar Incident: আরজি করের করিডরে দাঁড়িয়ে সঞ্জয়! সেই অভিশপ্ত ভোরের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। বিচার চেয়ে লাগাতার আন্দোলন করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এই আবহের মধ্যে ৯ অগাস্ট আরজি করের অভিশপ্ত ভোরের সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ফুটেজ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    সিসি ফুটেজে কী দেখা যাচ্ছে?

    প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ভোর ৪টে ৩ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত সঞ্জয়কে চারতলার সিঁড়ি দিয়ে আসতে এবং যেতে দেখা গিয়েছে। তার গায়ে টিশার্ট এবং জিন্স রয়েছে। হাতে ঝুলছে হেলমেট। তার মানে বাইকে চেপে এসেছিল মূর্তিমান। গলায় হেডফোন। নির্লিপ্ত মুখে আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Incident) করিডরে প্রবেশ করছে সিভিক ভলান্টিয়ার। তবে, কি কলকাতা পুলিশ লেখা সেই বাইক? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার দেহের কাছ থেকে উদ্ধার করে সংগ্রহ করা হয়েছিল হেডফোনের ছেঁড়া অংশ। সেই সূত্র ধরে কলকাতা পুলিশের ফোর্থ ব্যাটেলিয়নের ব্যারাক থেকে সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ফুটেজে ধৃতের গলায় যে হেডফোন ঝুলছে, তারই ছেঁড়া অংশ মিলেছিল ঘটনাস্থলে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে ৮ অগাস্ট রাতে একাধিক বার সঞ্জয় হাসপাতালে ঢুকেছিল এবং বেরিয়েছিল। তার মধ্যে রাত ৮টা নাগাদ সে চেতলার এক যৌনপল্লিতে গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীতেও মহিলাদের সঙ্গে অভব্য ব্যবহার করার ‘রেকর্ড’ রয়েছে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের।

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    ফাঁসি দিলে দিন (RG Kar Incident)

    তদন্তকারীদের দাবি, এতবড় ঘটনার হওয়ার পরও সঞ্জয়ের মধ্যে অনুশোচনার লেশমাত্র ছিল না। এমনকী অভিযুক্ত একেবারে ভাবলেশহীন। রীতিমতো সে বলে দিচ্ছে, ফাঁসি দিলে দিন। এদিকে অভিযুক্তের পেশার বিষয়টি কার্যত এড়িয়ে গিয়েছিলেন পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। তবে, সূত্রের খবর, ওই যুবক কলকাতা পুলিশের আওতাধীন সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করত। আরজিকরে তার অবাধ যাতায়াত। যখন খুশি বের হত, যখন খুশি ঢুকত। কিন্তু অত রাতে আরজি করের (RG Kar Incident) সেমিনার হলে ঢুকে পড়ল, কেউ কিছু বলল না? তবে কি আরজি কর চালাচ্ছে এরাই? প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। শুক্রবার ভোরে আরজিকরে ঢুকেছিল ওই অভিযুক্ত। সে ভেতরে ৩০-৩৫ মিনিট ছিল। পরে বেরিয়ে আসে।

    বিভ্রান্ত করছে ধৃত সিভিক

    হেফাজতে থাকাকালীন বার বার বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) প্রবেশের কারণ, সময় নিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে ধৃত। সেমিনার হলের প্রবেশের কারণ নিয়েও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছে সে। যদিও সিবিআইয়ের হাতে ঘটনার রাতের সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) রয়েছে। তাতে অভিযুক্তকে চারতলায় আসতে এবং যেতে দেখা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বিভ্রান্তি কাটিয়ে সঠিক তথ্য উদ্ধার করতেই পলিগ্রাফ করতে চাইছেন তদন্তকারীরা। এদিকে ধৃতের সম্পর্কে তার প্রতিবেশীদের দাবি, সঞ্জয় এলাকায় সে নিজেকে কলকাতা পুলিশের কর্মচারী বলত। এও বলত যে, ও সব কিছু করতে পারে। মহিলাদের ওপর অত্যাচার করাটা তার কাছে কোনও ব্যাপার নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barasat: ‘‘বারাসত মেডিক্যালকে আরজি কর হতে দেব না’’, অধ্যক্ষকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান পড়ুয়াদের

    Barasat: ‘‘বারাসত মেডিক্যালকে আরজি কর হতে দেব না’’, অধ্যক্ষকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান পড়ুয়াদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা মেডিক্যালের আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়ল এবার বারাসত (Barasat) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। আরজি করের সদ্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুহৃতা পালকে বারাসত মেডিক্যালে বদলি করা হয়েছে। বারাসতে অধ্যক্ষ হিসেবে কাজে যোগ দিতেই তাঁর পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন শুরু করলেন চিকিৎসক পড়ুয়ারা। আরজি করে শীর্ষ পদাধিকারীদের যে সব মেডিক্যালে বদলি করা হচ্ছে, সেখানেই আন্দোলন হচ্ছে। ফলে, চরম বিড়ম্বনায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

    বারাসতকে আরজি কর হতে দেব না (Barasat)

    বুধবার রাতের দিকে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম জানিয়েছিলেন, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের অধ্যক্ষের পাশাপাশি নবনিযুক্ত সুপার-কাম-ভাইস প্রিন্সিপাল (এমএসভিপি), চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান এবং অ্যাসিসট্যান্ট সুপারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বারাসত (Barasat) মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে বুধবারই সুহৃতা পালের নাম ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি জানার পরই তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পড়ুয়ারা। ফলে, বৃহস্পতিবার তিনি কাজে যোগ দেননি। শুক্রবার সকালের দিকে বারাসত মেডিক্যাল কলেজে এসে অধ্যক্ষ হিসেবে নিজের দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি। কিন্তু, বিকেল গড়াতেই তাঁর অপসারণ চেয়ে একদল পড়ুয়া প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে জড়ো হয়ে যান হাসপাতালের গেটের সামনে। আওয়াজ তোলেন, ‘‘বারাসত মেডিক্যাল কলেজকে আরজি কর হতে দেব না। সুহৃতা পাল গো-ব্যাক। বারাসত ছেড়ে চলে যাক।’’ যদিও এনিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়াই দিতে চাননি অধ্যক্ষ সুহৃতা পাল।

    এর আগে, আরজি করের এক অধ্যাপক চিকিৎসককে মালদা মেডিক্যালে বদলি করা হয়। আর ওই চিকিৎসক যাতে কাজে যোগ দিতে না পারে, তার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে সেখানকার পড়ুয়ারা। সন্দীপ ঘোষকে নিয়েও এক পন্থা অবলম্বন করেছিলেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা। রাতারাতি ‘পুরস্কার বদলি’ করে ন্যাশনাল মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছিল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে। এর পরই, ন্যাশনাল মেডিক্যালে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়। চিকিৎসক-পড়ুয়ারা জানিয়ে দিয়েছিলেন, সন্দীপকে তাঁরা সেখানে ঢুকতে দেবেন না। এমনকী, অধ্যক্ষের ঘরে তালাও লাগিয়ে দিয়েছিলেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি ছিল, ন্যাশনাল মেডিক্যালের পরিবেশ দূষিত হোক, তাঁরা চান না। মালদা মেডিক্যালে দেখা যায় একই চিত্র। এরার বারাসত মেডিক্যালও সেই ছবি।

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন?

    প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন চলাকালীন মধ্যরাতে বহিরাগত দুষ্কৃতীরা ঢুকে তাণ্ডব চালায় সেখানে। হামলায় রীতিমতো তছনছ হয়ে যায় আরজি কর হাসপাতালের বেশ কয়েকটি ঘর। সেই সময় আরজি করের অধ্যক্ষ হিসেবে সবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সুহৃতা পাল। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের পরও সেদিন একবারের জন্যও হাসপাতালে দেখা যায়নি তাঁকে। তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। শুরু হয় তাঁর অপসারণ চেয়ে আন্দোলন। আন্দোলনের জেরে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বারাসত (Barasat) মেডিক্যালের আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘‘আমরা ওই অধ্যক্ষকে চাই না। আর জি করে এতবড় কাণ্ড হল। তাঁকে দেখা যায়নি। এরকম অধ্যক্ষ আসলে এখানকার পরিবেশ নষ্ট হবে। আমরা তা হতে দেব না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আরজি কর ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে বিজেপির থানা ঘেরাও, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, উত্তেজনা

    BJP: আরজি কর ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে বিজেপির থানা ঘেরাও, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) ইস্যুতে বিজেপির (BJP) ডাকে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হয়েছিল। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের পর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। এদিন রাজ্যের সর্বত্র বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। অনেক জায়গায় পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়।

    নন্দীগ্রামে উত্তেজনা (BJP)

    থানা ঘেরাওয়ের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দেয় নন্দীগ্রামে। জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম থানায় ডেপুটেশন দিতে যান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের তরফে বলা হয়েছিল, তারা একটি নির্দিষ্ট প্রতিনিধি দলকে থানায় প্রবেশের অনুমতি দেবে। কিন্তু বিজেপি কর্মীদের দাবি ছিল, তাঁরা সকলেই থানার ভিতরে ঢুকবেন। এরপর নন্দীগ্রাম থানার গেটের কাছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের পুলিশ আটকে দেয়। তারপরই শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের তুমুল বচসা। পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীদের একাংশ। পরে বিজেপি (BJP) কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে নন্দীগ্রাম থানার সামনে বিক্ষোভও দেখান। পরে অবশ্য বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল থানায় ডেপুটেশন জমা দেয়।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    ঘোলায় ব্যারিকেড ভাঙল বিজেপি

    এদিন ঘোলা থানায় বিজেপির কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যোগ দেন। বিজেপি (BJP) কর্মীদের আটকাতে থানার অনেকটা আগে পুলিশ ব্যারিকেড তৈরি করে। কিন্তু, বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে থানার দিকে এগিয়ে যান। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন বিরোধী দলনেতা।

    মেদিনীপুরে বিক্ষোভ মিছিলে দিলীপ ঘোষ

    মেদিনীপুরে বিজেপির (BJP) থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যদিও শেষ পর্যন্ত থানা ঘেরাও না করে বিক্ষোভ মিছিল করে বিজেপি। সন্দীপ ঘোষের বয়ানে অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন করলে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওঁকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। ডাক্তার, প্রিন্সিপালও বাঁচাতে পারবেন না। এই নিয়ে অনেকবার রাস্তায় হেঁটেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার আর তাঁকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। একাধিক কারণে গ্রাম ও শহরের মানুষের জমে থাকা ক্ষোভ চোখে পড়ছে। তাই উকিল, ডাক্তার, সাধারণ মানুষ সকলেই প্রতিবাদে নেমেছেন। এর জন্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”

    টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

    নন্দীগ্রাম, ঘোলা, মেদিনীপুরের পাশাপাশি কাঁকসা থানা ঘেরাও করে বিজেপি। কাঁকসার হাটতলা থেকে মিছিল করে আসে বিজেপি কর্মীরা, থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। থানায় ঢুকে ডেপুটেশন জমা দেয়। মাথাভাঙ্গা থানা ঘেরাও নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ-বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। মাটিগাড়ায় বিজেপি থানা ঘেরাও করে। থানার সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার সামনে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান।

    পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি

    চুঁচুড়া ঘড়ির মোড় থেকে মিছিল করে চুঁচুড়া থানার সামনে বিজেপি কর্মীরা যেতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি বেধে যায়। পশ্চিম বর্ধমানের বারাবানি থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা। নিউ জলপাইগুড়ি থানা করেন অবরোধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ঢুকে পড়লেন বিজেপি সমর্থকরা। এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্য দিকে, আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে বীরভূমের সিউড়ির চৈতালি মোড়ে এদিন থেকে লাগাতার অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করল বিজেপি। নেতৃত্বে বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা। দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের কড়া শাস্তি চেয়ে এদিন মিছিল করেন সিউড়ির বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং অধ্যাপকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: ‘নবান্ন অভিযান’ বাতিলের আবেদন খারিজ, হস্তক্ষেপই করল না হাইকোর্ট

    Nabanna Abhijan: ‘নবান্ন অভিযান’ বাতিলের আবেদন খারিজ, হস্তক্ষেপই করল না হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য। ২৭ অগাস্টের নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) কোনও হস্তক্ষেপই করল না কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে, নবান্ন অভিযানে আপাতত আর বাধা রইল না। হাইকোর্ট (Kolkata High Court) জানিয়েছে, এই ধরনের মিটিং-মিছিল নিয়ে যে নির্দেশিকা রয়েছে, তা নিয়ে একটি হলফনামা দিতে হবে রাজ্যকে। চার সপ্তাহ পরে এই মামলার আবার শুনানির সম্ভাবনা। অভিযান বন্ধ করতে রাজ্যের পক্ষ থেকে যে আবেদন করা হয়েছিল, হাইকোর্টের পক্ষ থেকে তা খারিজ করে দেওয়া হল।

    হাইকোর্ট কী জানাল? (Nabanna Abhijan)

    জানা গিয়েছে, আরজি কর ইস্যুতে ২৭ অগাস্ট, মঙ্গলবার একটি সংগঠনের তরফে নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি আটকাতে বৃহস্পতিবারই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। শুক্রবার নতুন করে হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলা করা হয়। মামলাটি করেন আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। শুনানিতেই মামলার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। মামলাকারীর তরফে প্রশ্ন করা হয়, তবে কি কর্মসূচিতে সবুজ সঙ্কেত দিচ্ছে আদালত? ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, কর্মসূচির বিষয়ে তারা হস্তক্ষেপ করবে না। রাজ্যের অভিযোগ ছিল, নবান্ন অভিযানের জন্য পুলিশের কাছ থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। পুলিশের অনুমতি ছাড়া এই ধরনের কর্মসূচি কী ভাবে আয়োজন করা যায়, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলা হয়েছিল। নবান্ন অভিযানের কর্মসূচিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি যোগ দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল রাজ্য। ফলে, কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অশান্তির আশঙ্কাও করা হয়েছিল। রাজ্যের আবেদন ছিল, পুলিশের অনুমতি নিয়ে বিকল্প জায়গায় কর্মসূচি করার নির্দেশ দিক আদালত। একইসঙ্গে আগামী ২৭ অগাস্ট ইউজিসির পরীক্ষার কথাও আদালতে উল্লেখ করে রাজ্য। মামলাকারীর তরফে জানানো হয়, অতীতে নবান্নের সামনে বিভিন্ন কর্মসূচিতে বার বার অশান্তি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এই কর্মসূচিতেও। কিন্তু আদালত এই কর্মসূচিতে হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানায়। প্রতিবাদ কর্মসূচি সংক্রান্ত নির্দেশিকা নিয়ে হলফনামা রাজ্যকে দিতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    সুপ্রিম কোর্টেও নবান্ন অভিযান প্রসঙ্গ

    বৃহস্পতিবারই আরজি কর সংক্রান্ত মামলা চলাকালীন এই নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhijan) প্রসঙ্গ তোলেন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বক্তব্য ছিল, আমরা এ বিষয়ে কেন বলব? আইন নিজের পথে চলবে। কিন্তু শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কোনও ভাবেই বাধা দেওয়া যাবে না। যাঁরা প্রতিবাদ করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তবে নির্বিচারে গ্রেফতারও চলবে না, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ১০ বছর কাজ না করেই বেতন তুলছেন দন্ত চিকিৎসক! দক্ষিণ দিনাজপুরে শোরগোল

    Dakshin Dinajpur: ১০ বছর কাজ না করেই বেতন তুলছেন দন্ত চিকিৎসক! দক্ষিণ দিনাজপুরে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বা দু’দিন নয়। টানা ১০ বছর কাজ না করেই বেতন তুলছেন এক দন্ত চিকিৎসক। শুধু তাই নয়, তিনি এক জেলায় সরকারিভাবে নিযুক্ত থাকলেও বেতন তুলছেন অন্য জেলা থেকে। এই খবর জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) চিকিৎসক মহলে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Dakshin Dinajpur)

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) অধিকাংশ হাসপাতালই চিকিৎসক অভাবে ধুঁকছে। সামান্য কয়েকজন চিকিৎসক নিয়ে হাসপাতালগুলি কোনওরকমে চলছে। এই পরিস্থিতিতে ১০ বছর আগে কুশমন্ডি গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে ডিটেইলমেন্ট পোস্টিংয়ে মালদা (Malda) মেডিক্যালে চলে যাওয়া এক চিকিৎসকের কাজ জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে কুশমন্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে পোস্টিং হয়েছিলেন মহিলা দন্ত বিশেষজ্ঞ সুস্মিতা মিত্র। কিন্তু, কোনও এক অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে তাঁর ডিটেলমেন্ট পোস্টিং হয়ে যায় মালদা মেডিক্যালে। কুশমন্ডি হাসপাতালের একমাত্র দন্ত বিশেষজ্ঞ হয়েও তিনি ওই পদ ফাঁকা রেখে মালদায় কাজে যোগ দেন। ফলে কুশমন্ডি এলাকার বাদিন্দারা সরকারি হাসপাতালে দাঁতের চিকিৎসা করাতে পারছেন না। পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে কুমারগঞ্জের একমাত্র দন্ত বিশেষজ্ঞ কুশমন্ডি হাসপাতালে সপ্তাহে তিনদিন করে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ কুশমন্ডির দন্ত বিশেষজ্ঞ হিসেবে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে বেতন তুলছেন মালদা মেডিক্যালে চলে যাওয়া ওই মহিলা চিকিৎসক। বছরের পর বছর তিনি মালদা মেডিক্যাল থেকেই ওয়ার্কিং রিপোর্ট দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় পাঠিয়ে দিচ্ছেন। অথচ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় কাজ না করেই তিনি ১০ বছর ধরে বেতন তুলছেন। ওই চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক কী বললেন?

    দুর্ভাগ্যের বিষয়, এতদিনেও বিষয়টি নজরে আসেনি দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) স্বাস্থ্য দফতরের। তবে, ওই মহিলা চিকিৎসকের ফাঁকা পদে যেমন কাউকে নিয়োগ করা হয়নি, ঠিক তেমনই মালদা মেডিক্যালেও তাঁকে স্থায়ী পোস্টিং দেওয়া হয়নি। ডিটেলমেন্ট পোস্টিং-এর অর্থ বিশেষ প্রয়োজনে। গত দশ বছর ধরে ওইভাবে তিনি ডিউটি করে যাচ্ছেন। কুশমন্ডি বিএমওএইচ অমিত দাস এনিয়ে কিছু বলতে না চাননি। তবে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, আমি কিছুদিন আগেই দায়িত্ব নিয়েছি। আসার পরেই আমার নজরে বিষয়টি এসেছে। তবে এই মুহূর্তে কুমারগঞ্জ হাসপাতাল থেকে একজন ডাক্তার সপ্তাহে তিনদিন ওখানে বসছেন। তবে, আমরা কুশমন্ডি হাসপাতালে শূন্যপদ দেখিয়ে চিকিৎসক চেয়ে স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ! আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআইকে দিল হাইকোর্ট

    Kolkata High Court: আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ! আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআইকে দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও চাপ বাড়ল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh)। তাঁর আমলে আরজি করের (RG Kar Incident) যাবতীয় আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত ভার সিবিআইকে (CBI) দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)। এবার ডেপুটি সুপার আখতার আলির মামলায় সিবিআই তদন্ত করবে। শুক্রবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ রাজ্যের তরফে গঠন করা বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট-এর তদন্তের বিষয়টি খারিজ করে দেন (RG Kar-CBI Probe)। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে সিবিআইয়ের হাতে নথি হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে সিটকে। তিন সপ্তাহ পরে তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আদালতের কাছে জমা দিতে হবে সিবিআইকে।

    ইডি তদন্তের আর্জি নিয়ে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ (CBI)

    আরজি করকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। বারবার সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তৃণমূল সরকারকে। এই সময়, আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি আরও একবার আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হন। টালা থানায় আগেই অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। দু’দিন আগে এই সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখেই কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) দ্বারস্থ হন আখতার আলি। প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি মৃতদেহ এবং বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, তোলাবাজির অভিযোগ আনেন আখতার। সেই মামলারই শুনানি ছিল শুক্রবার। ইডি তদন্তের আর্জির প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভরদ্বাজের পর্যবেক্ষণ, একাধিক সংস্থা তদন্ত করলে বিষয়টি জটিল এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে। তাই মূল ঘটনার সঙ্গে ওই হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআই (RG Kar-CBI Probe) করবে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার কী বললেন?

    সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির অভিযোগ, ইএনটি কর্মশালায় বেআইনিভাবে মৃতদেহের ব্যবহার করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল। এছাড়াও বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, ল্যাব পরিকাঠামোয় আর্থিক দুর্নীতি, বাজারমূল্যের বেশি দামে অক্সিজেনযন্ত্র কেনার মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে (RG Kar-CBI Probe)। কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি, ইউজি-পিজি কাউন্সেলিংয়ে বেনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এই মামলায় সিট (SIT) গঠন করে তদন্তভার ন্যস্ত করেছিল রাজ্য। এই সিট নিয়ে বৃহস্পতিবারের শুনানিতেই প্রশ্ন ওঠে। আদালত (Kolkata High Court) জানতে চায়, কেন ১৬ অগাস্ট সিট গঠন হল? কেন ২০২৩ সালের অভিযোগের পরে তা গঠন হল না?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: ‘বিকৃত পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত’, ‘পশুর মতো প্রবৃত্তি’! সঞ্জয় সম্পর্কে আর কী জানাল সিবিআই?

    CBI: ‘বিকৃত পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত’, ‘পশুর মতো প্রবৃত্তি’! সঞ্জয় সম্পর্কে আর কী জানাল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) ‘অভয়া’কে ধর্ষণ ও খুনের মামলার তদন্তে সিবিআই-এর হাতে এল চাঞ্চল্যকর সিসিটিভি ফুটেজ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় ঘটনার সময় উপস্থিত ছিল তার প্রমাণ মিলিছে। এমনকী, ‘অভয়া’র ওপর সে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি চালাচ্ছিল বলেও সিবিআই (CBI) কর্তাদের জেরার মুখে সে স্বীকার করেছে। তার আচরণ দেখে সিবিআই কর্তারা হতবাক হয়ে গিয়েছেন। ঘটনার দিন সে রাতে যৌনপল্লিতেও গিয়েছিল। মদও খেয়েছিল। এমনটাই দাবি সিবিআইয়ের।

    সিসি টিভি ফুটেজে কী মিলল? (CBI)

    সিবিআই সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, অপরাধের কয়েক ঘণ্টা আগে ‘অভয়া’র খুব কাছেই ছিল অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। অপরাধের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ৩৩ বছরের অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার, খুব কাছ থেকে নজর রাখছিল নির্যাতিতার ওপর। সিসিটিভি ফুটেজে ‘অভয়া’র দিকে ভয়ঙ্কর নজরে তাকিয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তকে। হামলার আগে, ৮ অগাস্ট মেডিসিন ওয়ার্ডে ৩১ বছর বয়সি ‘অভয়া’র ওপর শিকারী পশুর মতো নজর রেখেছিল সে। সিসিটিভি ফুটেজে সিবিআইয়ের (CBI) কাছে তার এই দাবি সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, ধৃতকে সে দিন রাতে ১১টা নাগাদ হাসপাতালে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে তাকে দেখা যায় ভোর ৪টে নাগাদ। হেডফোনের সূত্র ধরে এবং সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    সিবিআই কর্তারা কী বললেন?

    সিবিআই-এর (CBI) জেরার মুখে নিজের অপরাধ স্বীকারও করে নিয়েছে ধৃত অভিযুক্ত। অভিযুক্তের মানসিক বিশ্লেষণ সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযুক্তর মানসিক বিকৃতি রয়েছে, ‘পশুর মতো প্রবৃত্তি’ রয়েছে। সে গভীর ভাবে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। সিবিআইয়ের দাবি, সে শুধু পর্নোগ্রাফি নয়, ‘বিকৃত’ পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। তার মানসিক বিকৃতিও রয়েছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। সে যে সমস্ত ভিডিও দেখত, তাতে নারী-পুরুষের স্বাভাবিক মিলনের চেয়ে বিকৃতি প্রাধান্য পেত। ওই ধরনের ভিডিও দেখতেই সে অভ্যস্ত ছিল। এক সিবিআই কর্তার কথায়, ‘‘লোকটির কোনও অনুতাপ নেই। গোটা ঘটনার কথা প্রতি মুহূর্তের বর্ণনা সে আমাদের জানিয়েছে। ওর কোনও অনুতাপ রয়েছে বলে মনে হয় না। ঘটনার সময়ে ঘটনাস্থলে যে অভিযুক্ত উপস্থিত ছিল, তার একাধিক প্রমাণ মিলেছে।’’ তবে ধৃতের সঙ্গে আরও কেউ সেখানে ছিলেন কি না, গণধর্ষণ হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে খোলসা করেননি ওই কর্তা। অভিযুক্তের ডিএনএ নমুনার পরীক্ষা করা হয়েছে। তার রিপোর্ট প্রসঙ্গেও উত্তর মেলেনি।

    কর্মবিরতি চলবে

    মঙ্গলবারের পর বৃহস্পতিবারও চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে ইতি টেনে কাজে ফেরার আবেদন করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত আরও আশ্বাস দিয়েছে, আন্দোলন করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিকূল ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। সুপ্রিম কোর্টের এই আবেদনের পর, দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এর ডাক্তাররা তাদের ১১ দিনের ধর্মঘট শেষ করেছেন এবং আবার কাজ শুরু করেছেন। রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, আদালতের আশ্বাসে তারা কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, কর্মবিরতির পথ থেকে এখনই সরছে না পশ্চিমবঙ্গের জুনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠন, জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্ট। তারা জানিয়েছে, তদন্তের (CBI) গতিপ্রকৃতি ইতিবাচক না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি জারি থাকবে তাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: আরজি করের ‘আবর্জনা’ মালদা হাসপাতালে ফেলা যাবে না, হুঁশিয়ারি জুনিয়র চিকিৎসকদের

    Malda: আরজি করের ‘আবর্জনা’ মালদা হাসপাতালে ফেলা যাবে না, হুঁশিয়ারি জুনিয়র চিকিৎসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। এবার মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক পড়ুয়ারা নতুন করে আন্দোলনে নামতে চলেছেন। আরজি কর থেকে ট্রান্সফার হওয়া চিকিৎসককে মালদা হাসপাতালে ঢুকতে না দেওয়ার দাবিতে সকলে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    মালদা মেডিক্যাল আবর্জনার স্তূপ নয় (Malda)

    জুনিয়র চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের পরই তড়িঘড়ি বদল করা হয় আরজি করে (RG Kar Incident) সদ্য দায়িত্ব নেওয়া নয়া প্রিন্সিপ্যাল সহ চার শীর্ষ আধিকারিককে। বদলি করা হয় চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান অরুনাভ দত্ত চৌধুরীকে। তাঁকে বদলি করা হয়েছে মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজে। সেই নির্দেশিকা জারি হওয়ার পর থেকেই মালদা মেডিক্যালে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আন্দোলনরত চিকিৎসক পড়ুয়ারা সাফ জানাচ্ছেন, অরুনাভ দত্ত চৌধুরীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসার কারণেই ওনাকে মালদা মেডিক্যালে ট্রান্সফার করা হয়েছে। বিষয়টি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আন্দোলনরত এক চিকিৎসক পড়ুয়া রবি মীনা বলেন, ‘‘আমরা ওনাকে এখানে আসতে দেব না। প্রয়োজনে তালা মেরে দেওয়া হবে। কারণ, মালদা মেডিক্যাল কোনও আবর্জনার স্তূপ নয়। আরজি কর থেকে আবর্জনা তুলে এখানে ফেলে দেওয়া হবে, সেটা আমরা মেনে নেব না।’’ এক মহিলা পড়ুয়া চিকিৎসক সুহানি সাহিল বলেন, ‘‘আরজি করের পরিত্যক্ত অধ্যাপকদের এখানে ফেলে দেওয়া হোক এটা আমরা মানতে পারব না। মালদা মেডিক্যালের পরিবেশ খারাপ হোক আমরা তা চাই না। উনি এখানে এলে আমরা একত্রিত হয়ে লড়াই করব।’’ জুনিয়র চিকিৎসক রাজশেখর মুখোপাধ্যায়, সোহানি সাইতি বলেন, ‘‘ওনার যদি কোনও গাফিলতি না থাকত, তবে ওনাকে ট্রান্সফার করা হত না। বিষয়টিকে ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মালদায় এলে আমরা একত্রিত হয়ে লড়াই করব।’’

    হাসপাতালের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    মালদা (Malda) মেডিক্যালে অরুনাভবাবুকে রুখতে একসঙ্গে লড়াইয়ের বার্তাও দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এই বিষয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পার্থ প্রতিম মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওয়েবসাইটে আমরা দেখেছি। তবে এখনও অর্ডার কপি হাতে পাইনি।’’ এর আগে, সন্দীপ ঘোষকে নিয়েও এক পন্থা অবলম্বন করেছিলেন মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। রাতারাতি ‘পুরস্কার বদলি’ করে ন্যাশনাল মেডিক্যালে পাঠানো হয় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ  সন্দীপ ঘোষকে। এর পরই, ন্যাশনাল মেডিক্যালে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়। চিকিৎসক-পড়ুয়ারা জানিয়ে দিয়েছিলেন, সন্দীপকে তাঁরা সেখানে ঢুকতে দেবেন না। এমনকী, অধ্যক্ষের ঘরে তালাও লাগিয়ে দিয়েছিলেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি ছিল, ন্যাশনাল মেডিক্যালের পরিবেশ দূষিত হোক, তাঁরা চান না। এবার মালদা মেডিক্যালেও দেখা গেল একই চিত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share