Tag: West Bengal

West Bengal

  • Kalna: ক্ষমতার দম্ভ! কালনা রাজবাড়ির নিরাপত্তারক্ষীর বুকে ‘ধাক্কা’ তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানের

    Kalna: ক্ষমতার দম্ভ! কালনা রাজবাড়ির নিরাপত্তারক্ষীর বুকে ‘ধাক্কা’ তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’। নিরাপত্তা কর্মীকে সজোরে ধাক্কা! ফের বিতর্কে কালনা (Kalna) পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্ত। শুধু ধাক্কা দিয়েই শান্ত হননি চেয়ারম্যান,ওই কর্মীকে গালিগালাজও করেন বলে অভিযোগ। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিও। নিন্দায় সরব বিরোধী শিবির।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalna)

    কালনা (Kalna) পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তকে নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। সম্প্রতি তাঁর অপসারণের দাবিতে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি কোনও কাজ করেন না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ময়দানে নামতে হয়েছিল খোদ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে। এবার ফের বিতর্কে পুর চেয়ারম্যান। জানা গিয়েছে, ভারতীয় সর্বেক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে কালনা রাজবাড়ির লালাজি এবং কৃষ্ণচন্দ্র মন্দির। যার দেখভাল ও নিরাপত্তার দায়িত্বে পুরাতত্ত্ব বিভাগ। গতকাল রাজবাড়ির একটি মন্দিরের একটি ভোগের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জলের জার নিয়ে একটি টোটো ঢুকতে গেলে বাধা দেন পুরাতত্ত্ব বিভাগের নিরাপত্তা রক্ষীরা। তাঁরা জানান যে, নিয়ম অনুযায়ী টোটো রাজবাড়ির ভিতরে ঢুকবে না। এই নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বর্ধমান রাজবাড়ি চত্বরে পুরাতত্ত্ব বিভাগের এক নিরাপত্তা কর্মীকে রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি করছেন চেয়ারম্যান। একটি টোটোকে টানাটানি করতেও দেখা যায় ভিডিওতে। সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করেই তোলপাড় সামাজিক মাধ্যম। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধী থেকে তারই দলের কালনার বিধায়ক সকলেই। পুরাতত্ত্ব বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা পুরো বিষয়টি রিপোর্ট আকারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট 

    তৃণমূলের চেয়ারম্যানের পাশে নেই দলেরই বিধায়ক

    এবিষয়ে তৃণমূল (Trinamool Congress) বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ বলেন, “একজন জনপ্রতিনিধির কখনই এরকম আচরণ কাম্য নয়। কারণ মানুষ তো সমস্যায় পড়লে জনপ্রতিনিধিদের কাছেই আসে। কখনও প্রশাসনের কাছে যায়। জনপ্রতিনিধিদের (Trinamool Congress) সংযত থাকা উচিত। তাঁর এই ধরনের আচরণ করা উচিত হয়নি। দলও এই কাজ সমর্থন করে না। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বলেন?

    বিজেপি নেতাদের কথায়, “এই আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। শাস্তি পাওয়া উচিত।” এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে আনন্দ দত্তের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nadia: স্কুলে ছুটি হলেই বসত মদের আসর! তৃণমূল নেতার ছেলে ও সিভিকের পর্দাফাঁস করলেন শিক্ষক

    Nadia: স্কুলে ছুটি হলেই বসত মদের আসর! তৃণমূল নেতার ছেলে ও সিভিকের পর্দাফাঁস করলেন শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার ছেলে ও সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে স্কুল ছুটি হলেই চালাতেন মদের আসর। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। ইতিমধ্যেই একজনকে আটক করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) বগুলা বাজার জিএসএফটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Nadia)

    জানা গিয়েছে, বগুলার (Nadia) এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩৮। আর শিক্ষক রয়েছেন চারজন। স্কুলের চাবি থাকে পাশের একটি দোকানদারের কাছে। ঘটনার দিন স্কুল ছুটির পর সমস্ত শিক্ষক বাড়ি চলে যান। স্কুলের কিছু কাজের জন্য পুনরায় ফিরে আসতে হয় শিক্ষক বিমান মিদ্দাকে। বিমানবাবু স্কুলে ঢুকতেই থ হয়ে যান। তিনি  বলেন, “ওইদিন স্কুলের ছুটি হয়ে গেলে আমি কিছু কাগজপত্র জেরক্স করার জন্য বেরিয়েছিলাম। স্কুলের প্রধান শিক্ষক অফিস ঘরে তালা মেরে চাবি পাশের একটি দোকানে রেখে যান। পরবর্তীকালে আমি জেরক্স করে স্কুলে ঢুকতেই দেখি, একজন সিঁড়ি দিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে আসছেন। অফিস ঘরে ঢুকেই দেখি, সেখানে মদের আসর বসেছে। টেবিলের ওপর কিছু খাবারও রাখা ছিল। আমাকে দেখেই ওরা মদের আসর ছেড়ে সকলেই অফিস থেকে পালিয়ে যান। সেখানে একজন স্থানীয় তৃণমূল নেতার ছেলে এবং একজন সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। আমি পুরো বিষয়টি পরবর্তীকালে ভিডিও করি। প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    প্রধান শিক্ষক কী সাফাই দিলেন?

    এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার ঠাকুর বলেন, “আমি কিছুদিন আগে এখানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। চাবি আগে থেকেই ওই দোকানে রাখা হত।” নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালি চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তন্দ্রা ঘোষ বলেন, “বিষয়টি আমিও জানি। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।” স্কুল থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    হাঁসখালি পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির সদস্য বিজেপির আনন্দ কবিরাজ বলেন, “আমাদের কাছে নির্দিষ্ট খবর আছে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতার ছেলে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত ওই স্কুলে মদের আসর বসাত। এর থেকে লজ্জার আর কী থাকতে পারে।” তৃণমূলের (Trinamool Congress) হাঁসখালি-২ সাংগঠনিক ব্লক সভাপতি শিশির রায় বলেন, “এমন কোনও ঘটনার কথা জানা নেই। খোঁজ না নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়ির ফুটপাথ দখল করছেন মেয়র! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    Siliguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়ির ফুটপাথ দখল করছেন মেয়র! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে শিলিগুড়িতে ফুটপাথ দখল করে দোকান বসানোর অভিযোগ উঠল খোদ শহরের মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ফুটপাথ দখলমুক্ত করার অভিযান শুরু হয়েছে। সেখানে শিলিগুড়ির (Siliguri) গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা স্টেশন ফিডার রোডে ফুটপাথ ফুড লেন তৈরির নিয়ে বিতর্কে মেয়র। এক্ষেত্রেও কাটমানির অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা টাকার বিনিময়ে এই স্টল বিক্রি করছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

    কেন বিতর্ক? (Siliguri)

    মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো শিলিগুড়িতেও (Siliguri) পুরসভা শহরের বেশ কিছু জায়গায় ফুটপাথ সরানো হয়েছে। এনিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবসা করে আসা গরিব মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। একদিকে গরিব মানুষ বেকার করে দেওয়া, অন্যদিকে ফুটপাথে ফুডলেন বানানো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য করার অভিযোগে বিতর্কে জড়িয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

      স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও প্রতিবাদে সরব

    শিলিগুড়ি (Siliguri) শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা স্টেশন ফিডার রোড। এই রাস্তাতেই রয়েছে দমকল কেন্দ্র, একাধিক স্কুল, শিলিগুড়ি থানা। এহেন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ফুটপাথে ফুডলেন তৈরি করতে ২২ টি স্টল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভা। সেই মতো ২২ টি চলমান স্টলও আনা হয়েছে। সেই স্টল বসাতে গিয়ে কার্যত বিক্ষোভ ও প্রতিরোধের মুখে পড়েন মেয়র। ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা ফুটপাথ ছেড়ে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এখানে দোকান করে আসছি।  এখন সেখানে ২২ টি স্টল বসিয়ে ফুডলেন করা হলে আমাদের দোকান আড়ালে চলে যাবে। ব্যবসা মার খাবে। ফুডলেনের জন্য অযথা যানজটে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে। এর প্রতিবাদ জানাতে আমরা একদিন ওই এলাকার ব্যবসা বনধ রেখেছিলাম। তাতে সাময়িক পিছু হটলেও এখানে ফুডলেন করার সিদ্ধান্তে অনড় মেয়র। এবার ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন।

    ফুডলেনের নামে চলছে তৃণমূলের কাটমানির খেলা!

    শিলিগুড়ির (Siliguri) বিজেপির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, এই ফুড স্টল বসানোর উদ্যোগে শিলিগুড়ি পুরসভা মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ নিয়ে কার্যত দ্বিচারিতা করছে। একদিকে ফুটপাথ দখলমুক্ত করা হচ্ছে গরিব মানুষকে পথে বসিয়ে,আর একদিকে ফুডলেন তৈরির নামে ফুটপাথে স্টল বসানো হচ্ছে। ফুডলেন করতে হলে অন্য কোথাও ফাঁকা জায়গায় করা যেত। আসলে এই দোকান বসানোর পিছনে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতাদের মোটা টাকার খেলা রয়েছে। গরিব মানুষকে পথে বসিয়ে  ফুটপাথ দখলমুক্ত করার চেয়ে সবার আগে বন্ধ করা উচিত জাতীয় সড়কের  ধারে বিভিন্ন জায়গায় নয়ানজুলি বুজিয়ে পেট্রল পাম্প, হোটেল তৈরি করা।  তৃণমূল নেতাদের মদতে এসব চলছে। 

      শিলিগুড়ির মেয়র কী বললেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা তথা শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, ফুডলেন করা নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশে অনেকেই অনেক অভিযোগ করছেন। আমি রাজ্য সরকারকে জানিয়েই এই ফুডলেন তৈরি করছি। সব কাজ স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে। ২২ টি স্টল সবার সামনে লটারির মাধ্যমে বন্টন করা হবে। কাটমানির কোনও প্রশ্ন নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর পরই রাজ্যে হাসপাতালের শ্রী ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এরপরই রাজ্যজুড়ে হাসপাতালের ভিতরে-বাইরে বাহারি রং করা হয়েছে। কিন্তু, হাসপাতালে পরিষেবা সেই আগের মতো কঙ্কালসার। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে তিতি বিরক্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। আর বেহাল চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য স্বাস্থ্য দফতরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তাঁরা।

    রোগীর পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য? (Murshidabad)

    এই হাসপাতালের ওপর বড়ঞাসহ (Murshidabad) আশপাশের লক্ষাধিক মানুষ নির্ভরশীল। মনোজ ঘোষ নামে এক রোগী বলেন, “শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু, হাসপাতালে রোগীদের অক্সিজেন দেওয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই। ফলে, আমাদের মতো বহু রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। কিন্তু, কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। পরিষেবা না পেয়ে রোগীরা কান্দি হাসপাতালে চলে যাচ্ছেন।” সুকুমার ভল্লা নামে রোগীর পরিবারের লোকজন বলেন, “আমার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। বাবার রক্তের প্রয়োজন। কিন্তু, এই হাসপাতালে সেই ব্যবস্থা নেই। তাই, আমরা খুব দুশ্চিন্তাই রয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমস্ত বিষয়টি বলেছি। হাসপাতালে পরিষেবা নেই বলে তাঁরা জানিয়েছেন।” রোগী ও তাঁর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, “এই হাসপাতালে মেলেনা অক্সিজেন, মেলেনা রক্ত, হয় না কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। হাসপাতালের ভর্তি হওয়ার পর অক্সিজেনের অভাবে হাঁসফাস অবস্থা হচ্ছে বয়স্ক রোগীদের। অথচ লোক দেখানো করে হাসপাতালের বিশাল বিল্ডিং রয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত কোনও রোগী এই হাসপাতালে (Hospital) আসলে রক্ত, অক্সিজেনের অভাবেই মারা যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর কোনও নজরই নেই।” অবিলম্বে পরিষেবা উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    হাসপাতালের বিএমওএইচ কী বললেন?

    হাসপাতালের (Hospital) বিএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, “আমাদের পরিকাঠামোর মধ্যে যতটা পারা যায়, চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে, যে ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। আর অক্সিজেন অনেক সময় না থাকলে পরিষেবা দিতে একটু সমস্যা হতে পারে। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lakshmi Bhandar: বিজেপি সমর্থনকারীদের লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা

    Lakshmi Bhandar: বিজেপি সমর্থনকারীদের লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmi Bhandar) নিয়ে ফের রাজনীতি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। দুদিন আগে কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের এক তৃণমূল নেতা লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে বিজেপিসহ বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ বার্ধক্য ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের মাথাভাঙা-১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা? (Lakshmi Bhandar)

    ২১-শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা উপলক্ষে মাথাভাঙ-১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের তরফে একটি পথ সভার আয়োজন করা হয়। সেই পথ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ রায় বলেন, এবারের লোকসভা নির্বাচনে মাথাভাঙা শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। এটা খুব দুঃখজনক। কিছু মানুষ সারা বছর তৃণমূলের সঙ্গে নাটক করল। তৃণমূল রাত ও দিন এক করে তাদের পরিষেবা দিয়ে গেল। কিন্তু, মানুষকে এত পরিষেবা দেওয়ার পরেও একটা দিন আমাদের সঙ্গে বেইমানি করল। যে হাত দিয়ে সারা বছর আমাদের কাছ থেকে পরিষেবা নিয়ে গেল, সেই হাত দিয়েই মাথাভাঙা শহরে তৃণমূল কংগ্রেসকে গলা টিপে মারলো। যারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছে তারা তৃণমূলের সঙ্গে বেইমানি করেছে। তাদের চিহ্নিত করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmi Bhandar) ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বন্ধ করে দিতে হবে। সরকারি পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয় সেবিষয়ে পুরসভা ও রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হবে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

     দিনহাটার তৃণমূল নেতাও ফতোয়া দিয়েছিলেন

    কয়েকদিন আগে দিনহাটা-২ (Cooch Behar) নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দিনহাটা-২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য বলেন, “লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmi Bhandar) পেয়েও ভোট দেননি যাঁরা, তাঁদের নাম কেটে দেওয়া হবে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাওয়ার পরেও তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট না দিয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, অন্ততপক্ষে আমাদের কিছু জনের নাম লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে কেটে দেওয়া দরকার আছে। যে টাকাটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিচ্ছে, যে টাকাটা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার দিচ্ছে, সেটা নরেন্দ্র মোদির টাকা নয়, তৃণমূল সরকারের টাকা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাল ঠুকছে তৃণমূলের দুই সংগঠন, ভর্তি শিকেয়

    Asansol: আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাল ঠুকছে তৃণমূলের দুই সংগঠন, ভর্তি শিকেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলে (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন বনাম তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতির দ্বন্দ্ব। প্রশাসনিক ভবনে অচলাবস্থা তৈরি করেছে ছাত্র সংগঠন। গত সাতদিন ধরে উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারের দফতরে তালা দিয়ে আন্দোলন চালাচ্ছে তৃণমূল ছাত্রপরিষদ। পাল্টা আন্দোলন করছে তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতি। তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূলের আন্দোলনে ব্যাহত ভর্তি প্রক্রিয়া (Asansol)

    বিশ্ববিদ্যালয়ে (Asansol) তৃণমূলের (Trinamool Congress) দুই সংগঠনের আন্দোলনের জেরে মঙ্গলবার থমকে গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ভর্তি প্রক্রিয়া। যদিও ভর্তি হতে আসা ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের একাংশ প্রশাসনিক ভবনে টিএমসিপি-র লাগানো তালা ভেঙে দেন। তাঁরা কী করবেন বুঝতে পারছেন না। দূর থেকে আসা এক অভিভাবকের বলেন, ভর্তি কবে হবে বুঝতে পারছি না। চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। অভিভাবকদের দাবি, অবিলম্বে ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কড়া হাতে আন্দোলন দমন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার যাঁরা ভর্তি হতে পারেননি, তাঁদের জন্য অনলাইনের ব্যবস্থা করা হবে।

    তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা বলেন, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Asansol) বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে আইনি খরচ বাবদ প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয় করাহয়েছে। ওই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ফেরত দিতে হবে।  কখন,কোথায়, কী কারণে এই টাকা খরচ করা হয়েছে- তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের এই আন্দোলনকে ‘বহিরাগতদের আন্দোলন’ বলে অভিহিত করে পাল্টা আন্দোলনে নামে তৃণমূলেরই শিক্ষাবন্ধু সমিতি। প্রশাসনিক ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন সমিতির সদস্যেরা। সারা বাংলা শিক্ষাবন্ধু সমিতির যুগ্ম সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনৈতিক দাবি নিয়ে কিছু বহিরাগত ছাত্রছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে বিশ্ববিদ্যালয়কে কালিমালিপ্ত করতে দেব না।”  পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, “আসানসোলের যাঁরা ভালো চান, ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে তাঁদের এই আন্দোলন চলছে। আর দল ঠিক করবে কারা প্রকৃত তৃণমূল (Trinamool Congress)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) সম্পর্কে আর কোনও মর্যাদাহানিকর মন্তব্য নয়। রাজ্যপালের করা মামলায় মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে শুনানি হয় এই মামলার। সেই শুনানিতেই মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে রাজ্যপাল সম্পর্কে অপমানজনক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য বলেছে হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ, আগামী ১৪ অগাস্ট পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও রিয়াদ হোসেন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অসম্মানজনক কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না। মূলত অন্তর্বর্তী আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ। 

    আগে কী ঘটেছিল?  

    রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অবমাননাকর কথা বলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এর জেরে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেছিলেন খোদ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন তিনি। এবার সেই মামলায় হাইকোর্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথায় রাশ টানল। অর্থাৎ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে যাতে কোনও অবমাননাকর মন্তব্য করা না হয় তা নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্ট জানিয়েছে, রাজ্যপাল একজন সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ। তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা যায় না। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের সুযোগ নিয়ে এটা করা যায় না।  

    কেন এই মানহানির মামলা?

    তৃণমূলের দুই জয়ী প্র্রার্থীর শপথকে কেন্দ্র করে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিকে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাতেই অপমানিত হয়েছিলেন রাজ্যপাল। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুন: ওমানে মাঝ সমুদ্রে উল্টে গেল তেলের ট্যাঙ্কার, নিখোঁজ ১৩ জন ভারতীয়

    আদালত কী জানিয়েছে? (Calcutta High Court) 

    এ বিষয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মামলাকারীর দাবি অনুযায়ী, তাঁর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বেশ কিছু মন্তব্যে। ওই রকম মন্তব্য থেকে বিরত থাকা উচিত। যদি এই পর্যায়ে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ মঞ্জুর-না করা হয় তবে মামলাকারীর বিরুদ্ধে মানহানিকর বিবৃতি দেওয়ার বিষয়টিতে উৎসাহ দেওয়া হবে। বিচারপতি রাও এর আগে নির্দেশ দিয়েছিলেন, রাজ্যপাল বোস সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী মমতার মন্তব্য যে সব সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলিকেও এই মামলায় যুক্ত করতে হবে।

    রাজ্যপালের মন্তব্য (CV Ananda Bose)

    এ প্রসঙ্গে রাজ্যপাল বলেছিলেন, কেউ যদি আমার সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করেন তবে তিনি যেই হোন তাকে ভুগতেই হবে। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমার সাংবিধানিক কলিগ। আমি সেই হিসাবেই তাঁকে মর্যাদা দিয়েছি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা নিয়ে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকিটা আদালত (Calcutta High Court) বিচার করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: পুলিশকে মেরে ফিল্মি কায়দায় যুবতীকে ছিনিয়ে নিল পরিবার, শোরগোল

    Balurghat: পুলিশকে মেরে ফিল্মি কায়দায় যুবতীকে ছিনিয়ে নিল পরিবার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে তোলার আগে হাসপাতালে মেডিক্যাল পরীক্ষা করতে নিয়ে আসা এক যুবতীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা। সিনেমার দৃশ্যের মতো এমন ঘটনা ঘটল বালুরঘাটে (Balurghat)। যা নিয়ে তোলপাড়় শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে ওই যুবতীকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল তপন থানার (Balurghat) পুলিশ। মেডিক্যাল পরীক্ষার পর হাসপাতাল থেকে যুবতীকে নিয়ে বের হয় পুলিশ। সেই সময় চারটি ছোট গাড়ি করে একদল দুষ্কৃতী এসে ওই যুবতীকে তুলে নিয়ে যায়। বাধা দিতে গেলে এক পুলিশ অফিসার ও এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পৌঁছান বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা, ডিএসপি সদর বিক্রম প্রসাদ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের ধরতে দক্ষিণ দিনাজপুরের সমস্ত থানার মাধ্যমে জেলাজুড়ে নাকাবন্দি করা হয়েছে। যদিও রাত পর্যন্ত দুষ্কৃতী ও যুবতীর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    যুবতীর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল?

    জানা গিয়েছে, মাস দেড়-দুয়েক আগে ওই যুবতী এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যান। এনিয়ে নিয়ে যুবতীর পরিবার তপন থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করে। সেই মামলায় ওই যুবক-যুবতী থানায় আত্মসমর্পণ করেন। তপন থানার পুলিশ ওই যুবতীকে এদিন জেলা আদালতে তোলার আগে বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মেডিক্যাল চেকআপ করাতে নিয়ে যায়। পরীক্ষার পর হাসপাতাল থেকে বের হতেই একদল দুষ্কৃতী পুলিশকে মারধর করে ওই যুবতীকে তুলে নিয়ে যায়। ওই যুবতীকে তাঁর পরিবারের সদস্যরাই পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতাল সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন, পুলিশ (Police) এক আসামীকে মেডিক্যাল করাতে নিয়ে আসে। মেডিক্যাল করার পর যখন বাইরে আসে তখন পুলিশের ভ্যান থেকে কয়েকজন এসে সেই আসামীকে নিয়ে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: কাটমানি নিয়ে কি দ্বন্দ্ব! রানাঘাটে দলীয় কর্মীদের মারে রক্ত ঝরল তৃণমূল নেতার

    Ranaghat: কাটমানি নিয়ে কি দ্বন্দ্ব! রানাঘাটে দলীয় কর্মীদের মারে রক্ত ঝরল তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নদিয়ার তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে। এবার রানাঘাটের (Ranaghat) আনুলিয়া পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের বুথ সভাপতিসহ তিন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল দলেরই নেকা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কাটমানি নিয়ে গন্ডগোলের জেরেই কি হামলা? দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে আনুলিয়া (Ranaghat) এলাকায় গেঞ্জি মিলের কাছে স্থানীয় পঞ্চায়েতের নন্দীঘাট বুথের সভাপতি আবীর আলি মণ্ডলকে রাস্তা আটকে মারধর করে কিছু তৃণমূল নেতা-কর্মী। অভিযোগ, বন্দুকের বাঁট দিয়ে মারধর করার পাশাপাশি তাঁকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগ, আক্রান্ত তৃণমূল নেতাকে বাঁচাতে এসে আক্রান্ত হন আরও দুই তৃণমূল কর্মী। ঘটনায় আক্রান্ত তিনজনকেই রানাঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় রানাঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হামলা চালানোর অভিযোগে ২জনকে আটক করেছে রানাঘাট থানার পুলিশ। কী কারণে তারা এই হামলা চালালো তা জানতে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    আক্রান্ত তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে তৃণমূল (Trinamool Conflict) বুথ সভাপতি আবির আলি মণ্ডল বলেন, আমি রাতে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ রানাঘাট (Ranaghat) গেঞ্জি ফ্যাক্টরির কাছে আমাকে দেখে ওই এলাকারই দুজন আটকায়। তাঁরাও তৃণমূল করে। সঙ্গে আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে আসে। কোনও কারণ ছাড়়াই হামলা চালাই। তারা ঘটনাস্থলে এলেই আমাকে ছয়-সাত জন মিলে বেধড়ক মারতে থাকে। বন্দুকের বাদ দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় আমার। যেহেতু আমি এলাকায় সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করি সেই কারণে ওই দুষ্কৃতীরা আমাকে হামলা চালিয়েছে বলে আমার অনুমান। তবে, ওদের মধ্যে কেউই তৃণমূলের কোনও পদে নেই। অন্যদিকে, এই ঘটনায় আবারও অস্বস্তিতে রানাঘাটের তৃণমূল। প্রকাশ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হওয়ায় কুলুপ পেতেছে রানাঘাটের প্রথম সারির তৃণমূল (Trinamool Conflict) নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকেও থোড়াই কেয়ার, তৃণমূলকে ‘তোলা’ দিয়েই স্ট্যান্ডে টোটো দাঁড়ানোর ছাড়পত্র

    Jalpaiguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকেও থোড়াই কেয়ার, তৃণমূলকে ‘তোলা’ দিয়েই স্ট্যান্ডে টোটো দাঁড়ানোর ছাড়পত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের তোলাবাজি না করার নির্দেশ দিচ্ছেন। আর তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা দলনেত্রীর নির্দেশকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে রমরমিয়ে তোলাবাজি করছেন। এমনই অভিযোগ উঠেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়িসহ একাধিক এলাকার তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। মোটা টাকা দিলে তবে মিলবে টোটো চালানোর ছাড়পত্র। টোটো চালকদের কাছ থেকে তোলাবাজির অভিযোগ তৃণমূল শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতিই খোদ এই অভিযোগ করেছেন। যার জেরে চরম অস্বস্তিতে শাসক দল।

    টোটো চালানোর ছাড়পত্র পেতে ৫০০০ হাজার টাকা তোলা (Jalpaiguri)

    কেউ যদি নতুন টোটো কিনে স্ট্যান্ডে দাঁড়াতে চান, প্রথমেই তাঁকে ১৫০০ থেকে ৫০০০টাকা পর্যন্ত তোলা দিয়ে ওই নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডে নাম লেখাতে হবে। এরপর রুট পারমিট দেওয়া হবে। নইলে যাত্রী নিয়ে ওই রুটে যাতায়াত করতে পারবেন না। প্রতি মাসে চাঁদা দিতে হবে। ২১ শে জুলাই সহ তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে চাঁদা লাগবে। নইলে টোটো চালাতে পারবেন না। স্ট্যান্ডে দিনে ২০ টাকা করে দিতে হবে। ময়নাগুড়ির এক টোটো চালক বলেন, “আজ থেকে আট বছর আগে ঋণ নিয়ে টোটো রিক্সা কিনেছিলাম। এরপর স্ট্যান্ডে ১৬৫০টাকা চাঁদা দিতে হয়েছিল। নইলে টোটো চালাতে দেওয়া হতো না।” জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ি, নাগরাকাটা সহ সব জায়গায় চলছে তোলাবাজির কারবার।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    ২১ জুলাইয়ের নামে টাকা তোলা হচ্ছে

    তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি তপন দে বলেন, “ময়নাগুড়ি, নাগরাকাটা (Jalpaiguri) প্রভৃতি ব্লকে টোটো চালক কাছ থেকে ২১ জুলাইয়ের নামে টাকা আদায় করা হচ্ছে। যা দলের নিয়ম বহির্ভূত। রাজ্য বা জেলা কমিটি কাউকে টাকা তুলতে বলেনি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    ময়নাগুড়ির তৃণমূল (Trinamool Congress) টোটো ইউনিয়নের যে শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই অভিজিৎ সরকার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ আমরা টাকা নিয়েছি। কিন্তু সেই টাকা দিয়ে টোটো চালকদের ওয়েলফেয়ার করা হয়।”

    কটাক্ষ বিজেপির

    বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী বলেন, “তৃণমূলের (Trinamool Congress) সারা বছর ২১ শে জুলাই। তাঁদের যে কোনও কায়দায় তোলা তুলতেই হবে। আমরা এইসব নিয়ে বহুবার প্রশাসনের দারস্থ হয়েছি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share