Tag: WHO

WHO

  • Measles Virus: হামকে আসন্ন বিপদ ঘোষণা করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    Measles Virus: হামকে আসন্ন বিপদ ঘোষণা করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাম রোগের (Measles Virus) মোকাবিলা  কমবেশি  সকলেই করেছি। শোনা যায়, হাম রোগের (Measles Virus) প্রথম বর্ণনা পারস্য পন্ডিতরা নবম শতাব্দীতে করেছিলেন। এবার এই রোগকেই আসন্ন বিপদ বলল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। 
    বিশ্বব্যাপী সংক্রামক রোগগুলির মধ্যে হাম (Measles Virus) অনেক প্রাচীন। ষোড়শ শতকে বিশ্বব্যাপী সংক্রামক রোগগুলি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়। তখন থেকেই হাম নিয়ে সতর্কতা ও সচেতনার কাজ চলছে। 

    WHO-এর পর্যবেক্ষণ

    ভাইরাল রোগ হিসাবে এর সংক্রমণ COVID-19 এর থেকে কোনো অংশে কম নয়। রোগের (Measles Virus) প্রাথমিক লক্ষণ হিসাবে শরীরে ফুসকুড়ি দেখা যায় এবং জ্বর হয়। হাম বেড়ে গেলে এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্ক ফুলে যাওয়া), অন্ধত্ব এবং নিউমোনিয়া অবধি হতে পারে। প্রসঙ্গত, হামের (Measles Virus) ভ্যাকসিন ১৯৬০-এর দশকে অনুমোদিত হয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, হামের সংক্রমণ এখনও  অনেক বেশি এবং সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবছর প্রায় ৯০ লক্ষ নতুন সংক্রমণ এবং ১,২৮০০০ জন মারা যাওয়ার রিপোর্ট রয়েছে। হামের (Measles Virus) টিকাপ্রদান কর্মসূচী  প্রায় বেশিরভাগ দেশেই সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, এই টিকা ৯৯শতাংশ সুরক্ষা প্রদান করে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০২০সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আনুমানিক তিনকোটি মানুষের মৃত্যু প্রতিরোধ করেছে এই টিকা।

    WHO এর মত অনুযায়ী, COVID-19 মহামারীর কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হামের টিকাকরণ কর্মসূচী। আনুমানিক প্রায় চার কোটি শিশু  ২০২১ সালে দুটি হামের (Measles Virus) টিকার মধ্যে অন্তত একটি ডোজ মিস করেছে।

    আর এভাবেই এই (Measles Virus) সংক্রামক রোগ আমাদের কাছে পুনরায় ফিরে এসেছে বলেই ধারণা WHO-এর। WHO ২০২২ সালের নভেম্বরে হামকে “imminent threat in every region of the world” বলে ঘোষণা করেছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পর্যবেক্ষণ,  পরিস্থিতি উদ্বেগজনক এবং হামের (Measles Virus) টিকা নেওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে সকলকে সচেতন হতে হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলিতে যেখানে ভ্যাকসিন নেওয়ার সচেতনা কম সেখানে হাম (Measles Virus) আক্রান্ত প্রতি দশজনের মধ্যে একজন মারা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

  • Interim Budget 2024: ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর আওতায় আশা-অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরাও, বাজেট-ঘোষণার প্রশংসা হু-র

    Interim Budget 2024: ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর আওতায় আশা-অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরাও, বাজেট-ঘোষণার প্রশংসা হু-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) প্রকল্পের সুবিধা পাবেন সমস্ত আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। বৃহস্পতিবারের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে (Interim Budget 2024) এমনই প্রতিশ্রুতি দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। পাশাপাশি জরায়ু ক্যান্সার ঠেকাতে টিকাকরণের কথাও বলেছেন তিনি। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ভারত সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। ভারতে হু-র প্রতিনিধি ড: রডরিকো অফরিন জানান, আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁরা একদম নীচু তলায় কাজ করেন, তাই তাঁদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে ভারত সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা অভূতপূর্ব।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্তা

    প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সকলে আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পেতেন না। এবার তাঁদের সবাইকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মধ্যে নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে এই প্রকল্পে পরিবার পিছু বছরে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হাসপাতালের চিকিৎসার খরচ দিয়ে থাকে কেন্দ্র। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ কোটি পরিবারের ৫৫ কোটি সদস্য আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে সরকার। রডরিকো বলেন, “হু-র লক্ষ্য হল সর্বত্র সকলের জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা। ভারত সরকার সকলের জন্য উন্নত মানের চিকিৎসা পরিষেবা সুনিশ্চিত করতে কাজ করছে। সেই সঙ্গে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও সক্রিয় ও সচল করে তোলার জন্য বাজেটে যে অর্থ বরাদ্দের কথা ঘোষণা করা হয়েছে, তাকে স্বাগত জানায় হু। “

    আরও পড়ুন: সারভাইক্যাল ক্যানসার রুখতে কিশোরীদের টিকা, নির্মলার এই ঘোষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান প্রকল্প। আয়ুষ্মান কার্ড থাকলে কেউ প্রতি বছর ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিমা পেতে পারেন বিনামূল্যে। এই বিমার সুবিধা পেতে হলে যে কোনও হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এটি প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা নামেও পরিচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Traditional Medicine: “ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনে ভারতের একটি সমৃদ্ধশালী ইতিহাস রয়েছে”, বললেন হু প্রধান

    Traditional Medicine: “ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনে ভারতের একটি সমৃদ্ধশালী ইতিহাস রয়েছে”, বললেন হু প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনে (Traditional Medicine) ভারতের একটি সমৃদ্ধশালী ইতিহাস রয়েছে। এই ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের মধ্যে আয়ুর্বেদের পাশাপাশি রয়েছে যোগাও। আজ, বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডর্স আধানম ঘেব্রেইসাস। এদিন গুজরাটের গান্ধীনগরে ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন গ্লোবাল সামিটে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তা। সেখানেই তিনি ভারতের ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    হু প্রধানের বক্তব্য

    বুধবারই ভারতে এসেছেন হু প্রধান। এদিনের সম্মেলনে তিনি বলেন, “দুরারোগ্য ব্যাধি, মানসিক স্বাস্থ্য এবং অন্য আরও অনেক রোগের চিকিৎসায় ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের (Traditional Medicine) খোঁজ চালাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। মানুষকে সুস্বাস্থ্য দিতে ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের অবদান কম নয়।” এদিন সম্মেলনের উদ্বোধন করেন টেডর্স। তিনি বলেন, “গতকাল (বুধবার) গুজরাটের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি হাজার পরিবারের পাঁচ হাজার সদস্যের স্বাস্থ্যের দেখভাল করে। তাঁরা যেভাবে ওষুধ ব্যবহার করছেন, তা দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। আমি এও দেখেছি, প্রাথমিক পর্যায়ে কীভাবে তাঁরা ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন ব্যবহার করছেন। ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের ক্ষেত্রে একটা বড় ব্যাপার হল মানব স্বাস্থ্যের সঙ্গে পরিবেশের যোগ। জামনগরে খোলা হয়েছে গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন সেন্টার। গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এর উদ্বোধন করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল।”

    ‘ভারতের কাছে বড় সুযোগ’

    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যও। তিনি বলেন, “এই বিশ্ব সম্মেলন (Traditional Medicine) ভারতের কাছে একটা বড় সুযোগ। এখানে বার্তা বিনিময় হচ্ছে, আইডিয়া দেওয়া নেওয়া হচ্ছে, গাঁটছড়া বাঁধা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বও হচ্ছে। সর্বোপরি, এক সঙ্গে কাজের সুযোগের দুয়ার খুলে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের সাহায্যেই চিকিৎসা হচ্ছে বহু মানুষের। ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের ওপর এই যে বিশ্ব সম্মেলন হচ্ছে, এটাকে একটা প্লাটফর্ম হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। এই প্লাটফর্মে রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা, ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের ওপর এভিডেন্স ভিত্তিক অ্যাকশনও করা যেতে পারে। যার দ্বারা বিশ্বব্যাপী উপকৃত হতে পারে লাখ লাখ মানুষ।

    আরও পড়ুুন: প্রয়োগ করা যাবে না ‘ইভটিজিং’, ‘প্রস্টিটিউট’, পরিবর্তে কী লিখতে হবে জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • WHO: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

    WHO: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ফের অতিমারির আশঙ্কা। করোনার (Covid) চেয়েও মারাত্মক এই অতিমারি হানা দিতে পারে পৃথিবীতে। তাই এখন থেকেই অতিমারির জন্য প্রস্তুত হতে হবে বিশ্ববাসীকে। এমনই সাবধানবাণী শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রধান ট্রেডস অ্যাডামন গেব্রিয়েসাস। মঙ্গলবার ৭৬তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমাবেশে যোগ দেন হু-র প্রধান।

    মারাত্মক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা

    তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে কোভিডের প্রকোপ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে মনে হলেও তা নয়। কোভিডের আরও একটি ভ্যারিয়েন্টের হানা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়ে গিয়েছে। যা রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে দেবে। এছাড়াও কোভিডের থেকে আরও মারাত্মক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।” গেব্রিয়েসাস বলেন, “কোভিড নিয়ে এখনই নিশ্চিন্ত হবেন না। কোভিড অতিমারি একমাত্র আশঙ্কার কারণ নয়। সব রকম পরিস্থিতির জন্য আমাদের তৈরি থাকতে হবে। খুব শীঘ্রই পরবর্তী অতিমারি হানা দিতে চলেছে। তখন আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে সেই অতিমারির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।”

    কোভিডে মৃত্যুর খতিয়ান

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এই কর্তা বলেন, “কোভিড ১৯ মহামারির জন্য প্রস্তুত ছিল না গোটা বিশ্ব। গত তিন বছরে কোভিড ১৯ এ প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, এই সংখ্যাটা আরও কয়েকগুণ বেশি, অন্তত ২ কোটি। এই মহামারি আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গুরুতর ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে এবং গুরুতর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি করেছে। কোভিড ১৯ আমাদের বিশ্বকে বদলে দিয়েছে এবং অবশ্যই আমাদেরও বদলাতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: ২০২৩ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৯.২৫ শতাংশ

    গেব্রিয়েসাস বলেন, “কোভিডের আর একটি রূপভেদ উদ্ভূত হওয়ার হুমকি থেকেই গিয়েছে। যা গুরুতর রোগ এবং মৃত্যুর তরঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে। এমনকী, কোভিডের থেকে আরও মারাত্মক সম্ভাবনা সহ আরও অন্য কোনও রোগজীবাণু উদ্ভূত হওয়ার হুমকিও রয়েছে। আমরা এটা না দেখার ভান করে থাকতে পারি না। যে যে পরিবর্তন করতে হবে, তা যদি আমরা না করি, তাহলে কে করবে? আমরা যদি সেই পরিবর্তনগুলি না করি, তাহলে আর কখন করব? তাই আমাদের অবশ্যই সমষ্টিগতভাবে এর জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” তিনি (WHO) বলেন, “কোভিড ১৯ এর সমাপ্তি কোনও খারাপ স্বপ্নের শেষ নয়। যে ঘুম ভেঙে গেলেই তার শেষ হয়ে যাবে। আমরা আগের মতো উদাসীন হয়ে চলতে পারি না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • WHO: করোনা অতিমারী শেষ! বড় ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    WHO: করোনা অতিমারী শেষ! বড় ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা, করোনার সংকট শেষ হয়েছে। হু (WHO)-এর এই ঘোষণার ফলে তিনবছর পরে করোনার দাপট ও উদ্বেগ থেকে রেহাই মিলল বিশ্ববাসীর। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের শেষ থেকে করোনার দাপট শুরু হয়েছিল চিনে, পরে সংক্রমণ ছড়িয়ে ছিল বিশ্বের প্রায় সব দেশেই। ১৪০ কোটির দেশ ভারতে করোনা মোকাবিলা করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। ২০২০ সালের মার্চ মাস নাগাদ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই ভারতেও শুরু হয় লকডাউন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিমারির কারণে বিশ্বব্যাপী সেই পরিস্থিতি শুরু হয়েছিল যেমনটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন দেখা যেত। চিন, আমেরিকা সমেত কয়েকটি দেশে শুরু হয় মৃত্যু মিছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মতো ভ্যাকসিন তৈরি করে।

    হু (WHO)-এর পরিসংখ্যান…

    হু (WHO)-এর পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে করোনার কারণে সারা বিশ্বব্যাপী যেখানে, মৃত্যুর হার ছিল প্রতি সপ্তাহে ১,০০,০০০ সেখানে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে তা নেমে এসেছে ৩,৫০০। হু-এর মতে, কমপক্ষে ৭০ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন অতিমারির কারণে। তবে এবার সেসব থেকে মুক্তি। হু (WHO)- এর মতে, বিশ্বজুড়ে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে, এমন মানুষের সংখ্যা ৭৬ কোটি ৫০ লক্ষ।

    ৪ মে বৈঠকে বসেছিল হু (WHO)

    চলতি সপ্তাহের ৪ মে হু-এর করোনা সংকট মোকাবিলা কমিটি তাদের ১৫ তম বৈঠকে বসেছিল। সেখানেই ঘোষণা করা হয় অতিমারি শেষ হয়েছে। হু- এর এই ঘোষণা বিগত তিন বছরে, বিশ্বজুড়ে অতিমারির ডেটা বিশ্লেষণ করে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি হু (WHO) জানিয়েছে এই ঘোষণার ফলে একেবারেই যে আমরা বিপদমুক্ত এটা ভাবার কোনও প্রয়োজন নেই। প্রতিটা দেশ এবার নিজেদের মতো করে করোনা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিক বলেও জানিয়েছে হু।

    ভ্যাকসিনই কি করোনার দাপট রুখে দিল?

    বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, দেশে দেশে ভ্যাকসিনের প্রয়োগের ফলেই মিটল করোনার দাপট। হু (WHO)-এর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা বিশ্বব্যাপী ১৩০০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে, যা বহু মানুষের মৃত্যু অথবা কঠিন স্বাস্থ্য সমস্যাকে ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে। হু-এর আক্ষেপ এখনও এমন দেশ রয়ে গেছে যেখানে সব মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corona Update in India: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণে জোর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    Corona Update in India: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণে জোর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Corona Update in India)। কিছুদিন আগেও নিম্নমুখী হতে শুরু করেছিল করোনা (Corona) সংক্রমিতের লেখচিত্র। তবে গরম পড়তেই ফের মাথাচাড়া দিয়েছে মারণ ভাইরাস। সপ্তাহখানেক আগে দেশে করোনায় দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়েছিল হাজারের গন্ডি। সপ্তাহ ঘুরতেই হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দেশে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়েছে দু হাজারের চৌকাঠ।

    করোনা (Corona Update in India) সংক্রমিতের সংখ্যা…

    জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমিতের সংখ্যা ২ হাজার ১৫১ জন। সব মিলিয়ে ভারতে বর্তমানে করোনা সংক্রমিত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯০৩ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, গত পাঁচ মাসে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ (Corona Update in India)। করোনায় মৃত্যুর পরিসংখ্যানও মিলেছে। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা গিয়েছেন সাত জন। যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের ৩ জন, কেরলের ৩ জন এবং কর্নাটকের একজন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত দেশে করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৮৪৮ জন।

    এদিকে, যেহেতু গোটা বিশ্বেই ফের বাড়ছে করোনার দাপট, তাই টিকাকরণে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, যাঁদের দুটি টিকা নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাঁদের ফের বুস্টার ডোজ নিতে হবে। যাঁদের বুস্টার নেওয়া আছে, তাঁদের ফের নতুন করে বুস্টার ডোজ নিতে হবে। আগের টিকা নেওয়ার ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে নতুন বুস্টার ডোজ নিতে হবে। প্রবীণ ব্যক্তি বা যাঁদের নানারকম অসুখ, কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের অতি অবশ্যই বুস্টার ডোজ (Corona Update in India) নিতে হবে। কতদিন পরে নতুন করে বুস্টার ডোজ নিতে হবে, তা শরীরের অবস্থা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দেখে চিকিৎসকরা প্রেসক্রাইব করবেন।

    আরও পড়ুুন: হতে পারে কারাদণ্ড! জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় মমতার আবেদন খারিজ বম্বে হাইকোর্টে

    জানা গিয়েছে, অন্তত চার রকমের ভাইরাসের প্রজাতি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চিনে। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও সেই সব প্রজাতি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ, টিকাকরণের ওপর ফের জোর দিতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিতে হবে বুস্টার ডোজ। সংস্থার দাবি, করোনা অতিমারি শেষ হতে এখনও বহু দেরি। এখনই করোনা থেকে মুক্তির কোনও সম্ভাবনাই নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khatna: নারীর যৌনসুখ কমাতে যৌনাঙ্গচ্ছেদন! ঘৃণ্য প্রথার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার দিন

    Khatna: নারীর যৌনসুখ কমাতে যৌনাঙ্গচ্ছেদন! ঘৃণ্য প্রথার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের (Khatna) বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জিরো টলারেন্স দিবস। এই দিনটি পালন করার মূল উদ্দেশ্য হল, নারীর যৌন অঙ্গচ্ছেদের এই নির্মম প্রথা একেবারে নির্মূল করা। আজও পৃথিবীর অনেক দেশেই এই বর্বর প্রথা রয়েছে। আফ্রিকার দেশগুলোতে বেশি দেখা যায় এই প্রথা। ভারতে এই প্রথার না ‘খৎনা’। 

    আসুন জেনে নেওয়া যাক, ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন কী এবং নারী যৌন অঙ্গচ্ছেদের জন্য আন্তর্জাতিক জিরো টলারেন্স দিবসের ইতিহাস। 

    আরও পড়ুন: জেইই মেইন সেশন ১ – এর ফল প্রকাশিত হল, কী করে দেখবেন? 

    নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিবস কবে?

    ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন বা নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের (Khatna) বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার দিন ছিল গত সোমবার। নারীদের প্রতি এমন নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ৬ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক জিরো টলারেন্স দিবস পালন করা হয়। এই দিবসের লক্ষ্য হল, ২০৩০ সালের মধ্যে এই কুপ্রথা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা। 

    এই দিনটির ইতিহাস

    এই দিবসটি চালু করেন নাইজেরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট স্টেলা ওবাসাঞ্জো (Khatna)। তিনি নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ক্যাম্পেইনের মুখ ছিলেন। ২০০৩ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম এই দিনটি পালনের ঘোষণা করেন তিনি। পরবর্তীতে জাতিসংঘও এই দিনটিকে স্বীকৃতি দেয়।  

    জাতিসংঘ ২০০৭ সালে মহিলাদের যৌনাঙ্গচ্ছেদের বিরুদ্ধে একটি অভিযান (Khatna) শুরু করে। ২০১২ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৬ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জিরো টলারেন্স দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

    ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন কী?

    ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন বা নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদ (Khatna) বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে প্রচলিত এক প্রথা। যে প্রথা অনুযায়ী নারীর যৌনাঙ্গের বাহ্যিক অংশ, ক্লিটোরিস সাধারণত ব্লেড দিয়ে কেটে  ফেলা হয়। নারীর সতীত্ব রক্ষার দোহাই দিয়ে এই কাজ করা হয়। আসলে নারীর যৌনতাকে নিয়ন্ত্রণ করার স্বার্থেই পুরষতান্ত্রিক সমাজ এই প্রথার প্রচলন করে। সাধারণত ১৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের ক্লিটোরিস বা যৌন সুখানুভূতির প্রত্যঙ্গটি কেটে দেওয়া হয়! যুগ যুগ ধরে কন্যা শিশুদের উপর এই অত্যাচার চলে আসছে সামাজিক নিয়মের নাম করে।

    সাধারণত বাড়ির বয়স্ক মহিলারাই বাড়ির সম্ভ্রম রক্ষার জন্যে কন্যা সন্তানদের যৌন আনন্দকে দমিয়ে রাখতে এই প্রথা পালন করে থাকেন। তাদের বিশ্বাস মেয়েদের যৌনাঙ্গ ছেদ করলে  তা তাদের শুদ্ধ করে তোলে। বেশিরভাগ সময়ই এই কাজের সময় মেয়েদের অজ্ঞান করা হয় না। ফলে নারীরা তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

     
     

     

     

      

  • Cough Syrup: কফ সিরাপ খেয়ে শিশুমৃত্যুর জের, নয়া গাইডলাইন তৈরি করতে তদন্ত শুরু হু-র

    Cough Syrup: কফ সিরাপ খেয়ে শিশুমৃত্যুর জের, নয়া গাইডলাইন তৈরি করতে তদন্ত শুরু হু-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) তৈরি কাশির সিরাপ (Cough Syrup) খেয়ে মৃত্যু হয়েছে তিনশো শিশুর। এই অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সংক্ষেপে হু (WHO)। তারা জানতে চাইছে এই তিনশো শিশুর মৃত্যুর নেপথ্যে ওই কফ সিরাপের ভূমিকা কতখানি। সোমবার এক বিবৃতি জারি করে হু জানিয়েছে, গাম্বিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং উজবেকিস্তানে ৩০০রও বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই শিশুদের বয়স পাঁচ বছরের কম ছিল। ওষুধগুলিতে উচ্চ মাত্রার ডাইথাইলিন গ্লাইকোল এবং ইথিলিন গ্লাইকোল ছিল। আরও মৃত্যু রোধ করতে ১৯৪টি সদস্য দেশকে পদক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছে। জারি করা হয়েছে তিনটি মেডিক্যাল অ্যালার্ট।

    শিশুমৃত্যু…

    প্রসঙ্গত, গাম্বিয়ায় শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ভারতে তৈরি তিনটি সিরাপ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে হু। ওই সিরাপ (Cough Syrup) তৈরি করেছে যে সংস্থা, সেই মেইডেন ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় সিরাপ তৈরিতে অনিয়ম হয়েছে বলে জানিয়েছে হরিয়ানা সরকারও। হরিয়ানার সোনিপতেই কারখানা রয়েছে ওই সংস্থার। ভারতে তৈরি ওই কফ সিরাপে (Cough Syrup) মাত্রাতিরিক্ত লেভেলের টক্সিন ছিল বলে জেনেছে হু। তবে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার যে ছটি ম্যানুফেকচারার কফ সিরাপ তৈরিতে যে নির্দিষ্ট কাঁচামালগুলি ব্যবহার করছে, সেগুলি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে চায় হু। ওই ওষুধ সরবরাহকারীদের সম্পর্কেও খোঁজ খবর নিচ্ছে হু। যদিও তাঁরা কারা, সে সম্পর্কে কিছুই বলছেন না হুয়ের বিশেষজ্ঞরা। এর পাশাপাশি আরও একটি জিনিস করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছে হু। সেটি হল, বিশ্বজুড়ে শিশুদের কফ সিরাপের ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া যায় কিনা।যতক্ষণ না এই কফ সিরাপগুলি সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য আহরণ করা সম্ভব হচ্ছে। শিশুদের কখন এই ওষুধগুলি প্রয়োজন, আদৌ প্রয়োজন কিনা, তাও খতিয়ে দেখছেন হুয়ের বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুুন: মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্রের জের, কংগ্রেস ছাড়লেন এ কে অ্যান্টনির ছেলে

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের জুলাই মাসে অ্যাকিউট কিডনি সমস্যার জেরে গাম্বিয়ায় শুরু হয়েছিল শিশুমৃত্যু। তার পরে পরেই শিশু মৃত্যুর খবর আসতে থাকে ইন্দোনেশিয়া এবং উজবেকিস্তান থেকেও। হু জানিয়েছে, এই মৃত্যুর সঙ্গে সাধারণ অসুখে মাত্রাতিরিক্ত কফ সিরাপ খাওয়ানোয়। এতে প্রচুর পরিমাণে টক্সিনও ছিল। তার পরেই তদন্তে নামে হু। ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার ছটি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাকে চিহ্নিত করা হয়। এই সংস্থাগুলিই ওই কফ সিরাপ তৈরি করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • China Covid: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    China Covid: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid 19) সম্পর্কে তথ্য গোপনের অভিযোগে সরব হয়েছেন চিনের (China) বাসিন্দাদের একাংশ। প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক মানুষ মারণ ভাইরাসের কবলে পড়ে প্রাণ হারালেও, প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না বলেই তাঁদের অভিযোগ। এবার প্রায় একই অভিযোগ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO)। তাদের অভিযোগ, গোটা অতিমারি পরিস্থিতিতে তথ্য গোপন করেছে চিন (China Covid)। সম্প্রতি করোনায় যেসব সংক্রমিতের মৃত্যু হচ্ছে, তারও সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না বেজিং।

    যথা পূর্বং…

    বিশ্বের মধ্যে প্রথম চিনের উহান শহরেই ছোবল মারে করোনা। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে তামাম বিশ্বে। মারণ এই ভাইরাসের ছোবলে গত তিন বছরে বিশ্বে প্রাণ হারিয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এর পর গোটা বিশ্বে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলেও, চিন রয়ে গিয়েছে যথা পূর্বং, তথা পরং। সম্প্রতি বিশ্বের নানা দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। তবে সব চেয়ে বেশি করোনা সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে চিনে। করোনা সংক্রমণে সে দেশে ফি দিন মৃত্যুও হচ্ছে বহু মানুষের। চিনের হাসপাতালগুলিতে করোনা সংক্রমিতের লম্বা লাইন। অন্তেষ্টিক্রিয়াস্থলে লাশের স্তূপ। হাসপাতালের চিকিৎসকরাও জানাচ্ছেন, প্রতিদিনই সংক্রমিত ও মৃতের হার বাড়ছে। তার পরেও চিন সরকার জানাচ্ছে, করোনায় (China Covid) মৃত্যুর হার খুবই কম। এর জেরেই চিনের বাসিন্দাদের একাংশ সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও

    এবার একই অভিযোগ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। তাদের অভিযোগ, চিন করোনায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানাচ্ছে না। করোনার মৃত্যুর যে সংজ্ঞা তারা নিরূপণ করেছে, তাও ঠিক নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস আধানম ছেব্রেসাস বলেন, আমরা চিনকে নিরন্তর বলেই চলেছি করোনা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে। প্রতিদিন হাসপাতালে কত করোনা (China Covid) সংক্রমিত রোগী ভর্তি হচ্ছেন, মারাই বা যাচ্ছেন কতজন, সে সংক্রান্ত তথ্য দিতে। সংক্রমণ কত দ্রুত ছড়াচ্ছে, সে তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, চিনের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য নিয়ে হু চিন্তিত। বেজিংকে বারংবার বোঝানো হচ্ছে টিকাকরণের গুরুত্ব কতখানি। এর মধ্যে রয়েছে বুস্টার ডোজও। হু-র কর্তাদের মতে, চিন প্রকৃত তথ্য দিলে বিশ্বের অন্যান্য দেশ আগাম প্রস্তুত হওয়ার সময় পাবে। কিন্তু চিন প্রকৃত দিচ্ছে না বলেই অভিযোগ।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Kraken: করোনার নয়া রূপ ক্র্যাকেন! জানেন কতটা ভয়াবহ এই উপপ্রজাতি?

    Kraken: করোনার নয়া রূপ ক্র্যাকেন! জানেন কতটা ভয়াবহ এই উপপ্রজাতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার আরও এক নতুন রূপের খোঁজ মিলল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মতে,সংক্রমণের প্রশ্নে করোনার এই নয়া রূপ ক্র্যাকেন সবথেকে শক্তিশালী উপপ্রজাতি। আমেরিকা-সহ বিশ্বের অন্তত ২৯টি দেশে এই মুহূর্তে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে ক্র্যাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মতে, সংক্রমণের প্রশ্নে এর আগের বিকিউ১ থেকে ক্র্যাকেন ১২০ গুণ বেশি সক্রিয়। ভারতেও এই মুহূর্তে মূলত সাত জনের দেহে ক্র্যাকেনের নমুনা পাওয়া গিয়েছে—ছত্তীসগঢ়, গুজরাট, তেলঙ্গানা, রাজস্থান ও কর্নাটকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেহেতু অনেক দেশেই কোভিড বিধি শিথিল করা হয়েছে এবং পরীক্ষা কমানো হয়েছে, ফলে নিঃশব্দে থাবা বসাতে পারে এই উপরূপ।

    টিকা নিলেও হতে পারে ক্র্যাকেন

    জাতীয় কোভিড টাস্ক ফোর্সের কো-চেয়ারম্যান রাজীব জয়দেবনের কথায়, ‘‘এই উপপ্রজাতিটির বিরল ধরনের চরিত্র পরিবর্তন (মিউটেশন) হয়েছে এবং সে কারণে এটি করোনার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে (প্রতিষেধক বা সংক্রমণের ফলে তৈরি হওয়া) ফাঁকি দিতে সক্ষম।’’ বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, তাই যাঁরা সদ্য করোনা থেকে সেরে উঠেছেন কিংবা সদ্য করোনার টিকা নিয়েছেন, তাঁরাও ক্র্যাকেন-এ আক্রান্ত হতে পারেন এবং ক্র্যাকেন এক বার ছড়িয়ে পড়লে রোখা কঠিন। এই পরিস্থিতিতে, বয়স্ক ও শিশুদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বার না হওয়াই বাঞ্ছনীয় বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। 

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর দাবিতেই শিলমোহর তৃণমূল বিধায়কের! দল ‘কোম্পানি’, মমতা ‘ব্র্যান্ড’, বললেন গৌতমও

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও পর্যন্ত যা গবেষণা হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, শরীরে করোনার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকলেও, সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম এক্সবিবি ও এক্সবিবি.১.৫। চরিত্র পরিবর্তনের ফলে এক্সবিবি.১.৫ মানবকোষকে আঁকড়ে ধরে, শরীরে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায়। তবে আশার বিষয়, ক্র্যাকেনে আক্রান্তদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাওয়া কিংবা মৃত্যুর ঘটনা তুলনায় কম। তবে যাঁরা বিভিন্ন ধরনের ক্রনিক রোগে আক্রান্ত, তাঁরা আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share