Tag: Yoga Day 2026

  • International Yoga Day: জার্মানির সংসদে যোগ-মেডিটেশন অধিবেশন, ভারতের বিশ্বজয়!

    International Yoga Day: জার্মানির সংসদে যোগ-মেডিটেশন অধিবেশন, ভারতের বিশ্বজয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানির সংসদ বুন্ডেসটাগে (Bundestag) এই প্রথমবারের মতো হল যোগ ও মেডিটেশন অধিবেশন (International Yoga Day)। ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এই বিশেষ কর্মসূচিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে জার্মানিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিলেন ইন্দো-জার্মান পার্লামেন্টারি গ্রুপের (German Parliament) ডেপুটি চেয়ারম্যান হেনরি শ্মিট (Henri Schmidt)। উপস্থিত ছিলেন জার্মানিতে ভারতের রাষ্ট্রদূত অজিত গুপ্তে (Ajit Gupte), জার্মানির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যোগ অনুশীলনকারী এবং প্রবাসী ভারতীয়রা।

    স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষায় যোগব্যায়াম (International Yoga Day)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অজিত গুপ্তে স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষায় যোগব্যায়ামের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর পাশাপাশি তিনি ট্র্যাডিশনাল চিকিৎসা ব্যবস্থায় ভারতের নেতৃত্ব এবং জার্মানিতে আয়ুর্বেদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোকপাত করেন।প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফলেই জার্মান সংসদে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের এই উদযাপন সম্ভব হয়েছে। সিডিইউ (CDU)-এর সাংসদ হেনরি শ্মিট, বার্লিনে ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতীয় কমিউনিটির সদস্যদের সহযোগিতায় উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়। হামবুর্গের সিডিইউ নেতা রাকেশ ভেউলি (Rakesh Veuli) ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    বিশ্বজুড়ে যোগচর্চার প্রসার

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওভারসিজ বিজেপি ইউরোপের ইন-চার্জ কুলদীপ শেখাওয়াত (Kuldeep Shekhawat) এবং প্রবাসী ভারতীয় সমাজের প্রতিনিধিরা। এই অনুষ্ঠানের (International Yoga Day) আয়োজনকে ভারত-জার্মানি সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে রাষ্ট্রসঙ্ঘে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর বিশ্বজুড়ে যোগচর্চার প্রসার আরও জোরদার হয়েছে। জার্মান বুন্ডেসটাগে এই প্রথম যোগ ও মেডিটেশন সেশন সেই বৈশ্বিক উদ্যোগেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। এদিকে, ২০২৬ সালের ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হয়েছে ‘যোগ ফর হেলদি এজিং’ (Yoga for Healthy Ageing)’ কনসেপ্ট সামনে রেখে। এর মূল লক্ষ্য ছিল জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সুস্থ (German Parliament), সক্রিয় ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে যোগব্যায়ামের ভূমিকা তুলে ধরা। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যার বার্ধক্য বৃদ্ধি, অসংক্রামক রোগ এবং জীবনযাত্রাজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে থাকায় এখন শুধু আয়ু বৃদ্ধি নয়, বরং সুস্থ জীবনকাল (Health Span), জীবনমান এবং সামগ্রিক কল্যাণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে (International Yoga Day)।

     

  • PM Modi Bengal Visit: পশ্চিমবঙ্গ দিবসে রাজ্যবাসীকে বাংলায় বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, তারকেশ্বরেই কেন আয়োজন? জেনে নিন ঐতিহাসিক কারণ

    PM Modi Bengal Visit: পশ্চিমবঙ্গ দিবসে রাজ্যবাসীকে বাংলায় বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, তারকেশ্বরেই কেন আয়োজন? জেনে নিন ঐতিহাসিক কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দিনের গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমবঙ্গ সফরে শনিবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠান এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন— একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উভয় দিক থেকেই এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    পশ্চিমবঙ্গ দিবসে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে সামাজিক মাধ্যমে বাংলার মানুষকে বাংলা ভাষায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বার্তায় পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং জাতীয় অবদানের প্রশংসা শোনা যায়। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের আমার বোন ও ভাইদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই দিনটি এমন এক রাজ্যকে উদযাপন করে যা সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও ব্যবসা, সমাজ সংস্কার এবং আরও অনেক বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে তার অবদানের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসকে রূপদান করেছে। বারবার, অগণিত ভাবে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনেই নিশ্চিত করা হয়েছিল যে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অংশ হিসেবেই থাকবে। এর পেছনে ছিল ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অমূল্য অবদান। ২০২৬ সালে, আমরা ড. মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীও পালন করছি। জনগণের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। আমি পশ্চিমবঙ্গের অগ্রগতি এবং পশ্চিমবঙ্গবাসীর সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করছি।’’

    ওড়িশা থেকে কলাইকুণ্ডা, তারপর তারকেশ্বর

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ, শনিবার, ওড়িশার কর্মসূচি শেষ করে দুপুর প্রায় ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুণ্ডা বিমানঘাঁটিতে পৌঁছবেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে হুগলির তারকেশ্বরের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে প্রায় ৫টা পর্যন্ত তারকেশ্বরে আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি জনসভায় বক্তব্যও রাখতে পারেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। অনুষ্ঠান শেষে তারকেশ্বর হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে কলকাতার রেসকোর্সে পৌঁছবেন মোদি। সেখান থেকে সড়কপথে যাবেন লোকভবনে। শনিবার রাতের জন্য কলকাতাতেই অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    তারকেশ্বরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য

    মাসের শুরুতেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে তারকেশ্বরে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে নতুনভাবে সাজানো হবে তারকেশ্বর শহরকে। এই কর্মসূচির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও। ইতিহাসবিদদের মতে, পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ হিসেবে বজায় রাখার দাবিতে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত ছিল তারকেশ্বরের সঙ্গে। তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলন থেকেই পশ্চিমবঙ্গ গঠনের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে সামনে রেখেই এ বছরের পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনের কেন্দ্র হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে তারকেশ্বরকে।

    রবিবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী

    আগামিকাল, রবিবার, ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকালে লোকভবন থেকে রেড রোডে পৌঁছবেন তিনি। সরকারি সূচি অনুযায়ী, সকাল প্রায় ৬টা ৩০ মিনিট থেকে ৭টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত রেড রোডের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে হাজার হাজার যোগাভ্যাসকারীর সঙ্গে যোগ দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

    গার্ডেনরিচে দেশীয় যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন

    যোগ দিবসের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ফের লোকভবনে ফিরে যাবেন। এরপর তিনি গার্ডেনরিচে যাবেন, যেখানে ভারতীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত নৌবাহিনীর তিনটি যুদ্ধজাহাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে এই উদ্বোধনকে দেখা হচ্ছে। দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পের সক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও এই অনুষ্ঠান বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। গার্ডেনরিচের কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর রেসকোর্স থেকে হেলিকপ্টারে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে বিশেষ বিমানে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

  • International Yoga Day 2026: পালাবদলের জন্য বাংলাকে বড় ‘উপহার’ কেন্দ্রের! এবছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান কলকাতায়, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    International Yoga Day 2026: পালাবদলের জন্য বাংলাকে বড় ‘উপহার’ কেন্দ্রের! এবছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান কলকাতায়, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর কেন্দ্রের তরফ থেকে সম্ভবত সবথেকে বড় উপহার পেল পশ্চিমবঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গবাসী। ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ২০২৬-এর মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায়। এই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় আয়ুষ প্রতিমন্ত্রী (স্বতন্ত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রতাপরাও যাদব। সম্প্রতি নবান্নে যোগবিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি কলকাতায় মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে এক ধরনের ইতিবাচক বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    যোগ দিবসের কাউন্টডাউন শুরু

    মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহোর পশ্চিম মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘যোগ মহোৎসব ২০২৬’-এ এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি করেন কেন্দ্রীয় আয়ুষ প্রতিমন্ত্রী (Ayush Ministry) প্রতাপরাও যাদব। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের ২৫ দিনের কাউন্টডাউন কর্মসূচির সূচনা করে তিনি জানান, ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের পীঠস্থান কলকাতাই এবার যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজক। কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের অধীনস্থ মোরারজি দেশাই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ যোগ (MDNIY)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার যোগপ্রেমী অংশ নেন এবং একযোগে ‘কমন যোগ প্রোটোকল’-এর প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন। একইসঙ্গে প্রতাপরাও যাদব এ বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের থিম হিসেবে ঘোষণা করেন — “Yoga for Healthy Ageing”। বয়স বাড়ার সঙ্গে সুস্থ জীবনযাপন, মানসিক স্থিতি এবং সামগ্রিক সুস্বাস্থ্যে যোগব্যায়ামের গুরুত্বকে সামনে রেখেই এই থিম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের শহর কলকাতায় যোগ দিবসের আসর

    প্রতাপরাও যাদব বলেন, “সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ কলকাতা এবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল আয়োজক শহর হতে চলেছে। যোগ শুধুমাত্র শরীরচর্চা নয়, এটি একটি সামগ্রিক জীবনদর্শন, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন বজায় রাখতে সাহায্য করে।” তিনি আরও বলেন, যোগ ভারতের প্রাচীন জ্ঞান ও ঐতিহ্যের প্রতীক এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুষম জীবনযাপন, মানসিক শান্তি এবং দৈনন্দিন শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনধারার মাধ্যমে যোগ মানুষের সামগ্রিক উন্নতিতে সাহায্য করে। খাজুরাহোকে ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সুস্থতা চর্চার এক অনন্য প্রতীক বলে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, এই শহরের বিশ্বব্যাপী যোগ ও ওয়েলনেস কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আয়ুষ মন্ত্রক দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম, স্কুল, অফিস এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগচর্চা পৌঁছে দিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে বলেও জানান যাদব। তিনি বলেন, “যোগ এবং ‘আয়ুষ আহার’-এর মতো উদ্যোগ মানুষের মধ্যে সুষম খাদ্যাভ্যাস, শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপন এবং সামগ্রিক সুস্থতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।”

    শহরের যোগপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ

    কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান আয়োজন এবং তাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতির ঘোষণা ঘিরে শহরের যোগপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি নবান্নে যোগবিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সেই বৈঠকের পর থেকেই প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ক্রীড়াভারতীর প্রদেশ সম্পাদক বিভাস মজুমদার জানান, “অনেকদিন ধরেই আমরা কলকাতায় মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। নানা রাজনৈতিক কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবার সেই সুযোগ বাস্তবায়িত হতে চলেছে।” অন্যদিকে, যোগ দিবস উদযাপন কমিটির সম্পাদক ডক্টর অভিজিৎ ঘোষের মতে, আগামী ২১ জুন কলকাতার ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন হয়ে উঠবে।

    কেন্দ্রীয় স্তরে প্রস্তুতি শুরু

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্তরে এই নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর ঘিরে প্রশাসনিক মহলেও তৎপরতা বেড়েছে। এই আবহে খুব শীঘ্রই নিরাপত্তা আধিকারিকদের একটি দল ব্রিগেড পরিদর্শনে যেতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। প্রতাপরাও যাদব ‘যোগ সঙ্গম পোর্টাল’-এর নতুন সংস্করণ চালু করেন। এই পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে নাম নথিভুক্ত করা আরও সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি চালু হয়েছে ‘যোগ পার্ক পোর্টাল’, যার উদ্দেশ্য বিভিন্ন রাজ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী যোগচর্চার পরিকাঠামো গড়ে তোলা। অনুষ্ঠানে নতুন ডিজাইনের যোগ টি-শার্টও প্রকাশ করা হয়। এছাড়া ‘যোগ ৩৬৫ অভিযান’-এর আওতায় ১০০ দিনের বিনামূল্যের যোগ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই দুই লক্ষের বেশি মানুষ অংশ নিয়ে ‘যোগ মিত্র’ শংসাপত্র অর্জন করেছেন।

LinkedIn
Share