Tag: Yogi Adityanath

Yogi Adityanath

  • Ayodhya Deepotsav 2022: ১২ লক্ষের বেশি প্রদীপ জ্বালিয়ে ফের ইতিহাস সৃষ্টির পথে অযোধ্যা, দীপোৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে

    Ayodhya Deepotsav 2022: ১২ লক্ষের বেশি প্রদীপ জ্বালিয়ে ফের ইতিহাস সৃষ্টির পথে অযোধ্যা, দীপোৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছরের মত এবারও দীপাবলিতে প্রদীপের নানা সাজে সেজে উঠবে রাম নগরী অযোধ্যা (Ayodhya)। আর তারই প্রস্তুতি পুরোদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। দেশজুড়ে চলছে উৎসবের মরশুম। আর হাতে মাত্র গোনা কয়েকদিন। তারপরেই দীপাবলি। এবছর দীপাবলি ২৩ অক্টোবর, তাই অযোধ্যার ‘রাম কি পৌড়ি ঘাটে’ ষষ্ঠবারের জন্য দীপোৎসব (Ayodhya Deepotsav 2022) উদযাপনের জন্য যোগী সরকারের তরফে বিশেষ প্রস্তুতি জোরদার ভাবে নেওয়া শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর অনযায়ী, এবছর সরযূ নদীর তীরে আগের বারের থেকেও বেশি প্রদীপ জ্বালিয়ে ফের রেকর্ড গড়ে তোলা হবে।

    গত বারের মতো এবারও অযোধ্যায় রাজকীয় দীপোৎসবের (Ayodhya Deepotsav 2022) আয়োজন করবে যোগী সরকার। জ্বালানো হবে ১২ লক্ষেরও বেশি মাটির প্রদীপ। আগেরবার সর্বাধিক প্রদীপ প্রায় ১২ লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে (Guinness World Record) নাম তুলেছিল অযোধ্যা। এবার তাই ১২ লক্ষেরও বেশি প্রদীপ জ্বালানো হবে বলে জানা গিয়েছে। করোনার রেশ কিছুটা কমায় এবছর আগের থেকে বেশি জাঁকজমকভাবে উদযাপন করা হবে দীপোৎসব ও অতুলনীয় দীপসজ্জায় সেজে উঠবে সরযূ-তীরের নগরী অযোধ্যা।

    আরও পড়ুন: পিএফআইয়ের র‌্যাডারে স্বয়ং মোদি, বোমা মেরে ওড়ানোর হুমকি অযোধ্যা-মথুরার মন্দিরও!

    এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট জানা যায়নি যে, মোট কত প্রদীপ এবছর জ্বালানো হবে, তবে তার পরিমাণ যে গত বছরের তুলনায় বেশিই হবে, সেটা নিশ্চিত। দীপোৎসবের (Ayodhya Deepotsav 2022) প্রস্তুতির জন্য এখন থেকেই অযোধ্যা, লখনউ, গোন্ডা এবং অন্যান্য জেলা থেকে মাটির হাঁড়ি আনা হচ্ছে। ঘাটে প্রদীপ জড়ো করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, গত পাঁচ বছরের মত এবারও ৩০ মিনিটের বেশি প্রদীপ জ্বলবে। ফলে মানুষ দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রদীপ জ্বলতে দেখতে পাবে ও এই আলোকসজ্জার প্রত্যক্ষদর্শী হতে পারবে। তাই এবার ৩০ মিলিলিটারের পরিবর্তে, ৪০ মিলি তেল প্রদীপে ঢেলে দেওয়া হবে যাতে সেগুলি দীর্ঘ সময় জ্বলতে পারে।

    প্রসঙ্গত, যোগী আদিত্যনাথের সরকার গঠনের পর থেকে অযোধ্যায় দীপোৎসব (Ayodhya Deepotsav 2022) শুরু হয়েছিল। যোগী রাজত্বে প্রথম বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে জ্বালানো হয়েছিল ১৮০০০০ টি প্রদীপ। এরপর ২০১৮ সালে ৩০১১৫২ টি, ২০১৯ সালে ৫৫০০০০ টি, ২০২০ সালে ৬ লক্ষ ৬ হাজার প্রদীপ এবং ২০২১ সালে ১২ লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের পাশাপাশি এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল যোগী রাজ্য। এবারও আরও এক ইতিহাস সৃষ্টির পথে রাম-রাজ্য অযোধ্যা।

    পৌরাণিকভাবে কথিত আছে, ১৪ বছর বনবাসের শেষে রাবণ বধ করে কার্তিক মাসের অমাবস্যার দিনেই অযোধ্যায় স্ত্রী সীতাকে নিয়ে ফিরেছিলেন দশরথ নন্দন রামচন্দ্র। কথিত আছে, রাম-লক্ষ্মণ-সীতা ফেরার আনন্দে প্রদীপের মালায় সেজে ওঠে সরয়ূর তীর। তাঁদের স্বাগত জানাতে ঘরে ঘরে দ্বীপ জ্বালিয়েছিলেন অযোধ্যাবাসী। আর সেই থেকেই দীপাবলির (Deewali) সূচনা।

  • Kanpur Road Accidents: ভয়াবহ জোড়া গাড়ি দুর্ঘটনা উত্তরপ্রদেশে, নিহত কমপক্ষে ৩১, শোকপ্রকাশ মোদি – যোগীর

    Kanpur Road Accidents: ভয়াবহ জোড়া গাড়ি দুর্ঘটনা উত্তরপ্রদেশে, নিহত কমপক্ষে ৩১, শোকপ্রকাশ মোদি – যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুব কম সময়ের ব্যবধানে উত্তর প্রদেশে (Uttarpradesh) ঘটে গেল একের পর এক পথ দুর্ঘটনা। দুটি ঘটনাই শনিবার মধ্যরাতে কানপুরে ঘটেছে। জোড়া দুর্ঘটনায় কানপুরে নিহত কমপক্ষে ৩১ (Kanpur Accidents)। গুরুতর আহত ২৭ জন। প্রথমের দুর্ঘটনায় পুণ্যার্থী বোঝাই একটি গাড়ি পুকুরে উল্টে যায়। আর সেই দুর্ঘটনাস্থল থেকে ভয়াবহ ছবি সামনে এসেছে। আর দ্বিতীয় দুর্ঘটনায় দুরন্ত গতিতে ছুটে আসা একটি লরি সজোরে একটি টেম্পোয় ধাক্কা মারে। প্রথমের ভয়ঙ্কর গাড়ি দুর্ঘটনায় কমপক্ষে মৃত ২৬ জন পুণ্যার্থী। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই মহিলা এবং শিশু রয়েছে বলে খবর। আর দ্বিতীয় ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ট্রাক্টর-ট্রলিতে মোট ৫০ জন পুণ্যার্থী ছিলেন। তাঁরা উন্নাও-এর চন্দ্রিকা দেবী মন্দির থেকে ফিরছিলেন। সেই সময় কানপুরের ঘটামপুর এলাকায় ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। রাস্তায় পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় গাড়িটি এবং পড়ে যায় পাশের পুকুরে। শনিবার সন্ধ্যায় এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনাটি ঘটে। এরপরেই প্রায় ১১ জন শিশু-সহ ২৪ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়। রবিবার সেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২৬। গুরুতর আহত হয়েছেন ২০ জন। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা এবং শিশু বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও বহু গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রাই তড়িঘড়ি উদ্ধারকার্যে নামেন। তার পর খবর দেওয়া হয় পুলিশে। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে অনেক দেরিতে এসে পৌঁছয় বলে অভিযোগ। ফলে স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

    এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রদধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, মৃতদের পরিবারকে মাথাপিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও আহতদের মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

    আবার অন্য দিকে, দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে এর কয়েক ঘণ্টা পরেই। আহিরওয়ান উড়ালপুলের কাছে দুরন্ত গতিতে ছুটে আসা একটি লরি সজোরে একটি টেম্পোকে ধাক্কা মারে। এতে ৫ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ১০ জন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    একের পর এক দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। মৃতদের পরিবার-পরিজনকে সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। নিজের সরকারের সিনিয়র মন্ত্রী রাকেশ সাচান এবং অজিত পালকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন ও পরিস্থিতি পরিদর্শন করে সবকরকম সাহায্যের নির্দেশ দিয়েছেন। এর পাশাপাশি যাতায়াতের জন্য ট্র্যাক্টর ট্রলির ব্যবহার বন্ধ করতেও সকলকে অনুরোধ করেছেন যোগী। তিনি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র কৃষিকাজেই ট্র্যাক্টর ট্রলির ব্যবহার করা উচিত।

  • Yogi Adityanath Temple: অযোধ্যায় তৈরী হল যোগী আদিত্যনাথের মন্দির, সকাল-সন্ধ্যা চলে আরতি, গাওয়া হয় ভজন

    Yogi Adityanath Temple: অযোধ্যায় তৈরী হল যোগী আদিত্যনাথের মন্দির, সকাল-সন্ধ্যা চলে আরতি, গাওয়া হয় ভজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে অযোধ্যায় (Ayodhya) তৈরি করা হল উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মন্দির (Yogi Adityanath’s Temple)। অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হওয়ার আগেই, ভরতকুণ্ড এলাকায় তৈরি করা হল তাঁর মন্দির। শুধুমাত্র মন্দির নির্মাণ নয়, সেই মন্দিরে যোগী আদিত্যনাতের মূর্তিকে সকাল-সন্ধ্যা রীতিমতো পুজো করা হয়। পুজোর পর ভোগ দেওয়া হয় ও ভজনও গাওয়া হয়।

    প্রভাকর মৌর্য নামে উত্তরপ্রদেশের এক ব্যক্তি এই মন্দিরটি তৈরি করেছেন। অযোধ্যা থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে ভরতকুণ্ডের কাছে এই মন্দির তৈরি করা হয়েছে। কথিত রয়েছে, যোগীর নামে মন্দিরটি সেই জায়গায় তৈরি করা হয়েছে যেখানে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র ১৪ বছরের জন্য বনবাসে যাওয়ার সময় ভাই ভরত দাদার খড়ম রেখেছিলেন। সেই কারণে স্থানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    আরও পড়ুন: ঘৃণা ভাষণ মামলায় ‘সুপ্রিম’ রায়ে স্বস্তি পেলেন যোগী আদিত্যনাথ

    প্রভাকর মৌর্য জানিয়েছেন, ২০১৫ সালেই তিনি ঠিক করেছিলেন যে, অযোধ্যায় যিনি রাম মন্দির স্থাপন করবেন, তাঁর পুজো করবেন। তাই যেহেতু রাম মন্দির তৈরিতে যোগী আদিত্যনাথের অনেক ভূমিকা রয়েছে, তাই প্রভাকর যোগীজির মূর্তি স্থাপন করে মন্দির বানিয়েছেন ও সেখানে পুজো করেন। তিনি বলেন ‘যোগী আদিত্যনাথ আমাদের জন্য রাম মন্দির তৈরি করেছেন। তাই আমি তাঁর জন্য এই মন্দির নির্মাণ করেছি।’

    তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি যোগীজিকে রামের অবতারে দেখেন ও সেভাবেই পুজো করেন। এমনকি ভগবান রামের সামনে যেমন সকলে মন্ত্র পড়েন, সেই রকমভাবেই তিনি রোজ যোগী আদিত্যনাথের সামনে বসে মন্ত্র উচ্চারণ করেন। যোগী মহারাজের উচ্চতা ৫.৪ ফুট এবং তাই তাঁর মূর্তিটিও বড়। নির্মাণের সময় মূর্তির পোশাকের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। কারণ যোগী আদিত্যনাথ যে পোশাক পরেন তেমনই পোশাক মূর্তিটিকেও পরানো হয়েছে। এই মূর্তিতে দেখা গিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের হাতে তির ও ধনুক রয়েছে।

    আরও জানা গিয়েছে, যোগীজির পুজো করার সময়ে যেসব ভজন গাওয়া হয় তা সবই প্রভাকর মৌর্য নিজে লিখেছেন। এমনকি এই স্থানটি প্রচার করার জন্য ভজনগুলির অডিও এবং ভিডিও ক্যাসেট তৈরি করা হচ্ছে৷ মূর্তিটি নির্মাণ মৌর্যর এক বন্ধু বানিয়েছিলেন এবং এটি বানাতে তাঁর প্রায় ২ মাস সময় লেগেছিল।

  • Lakhimpur Kheri:  ‘‘কাল যাদের চোখে ছিল জল, আজ…’’, লখিমপুর খেরিকাণ্ডে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য মালব্যর, নিশানায় কারা?

    Lakhimpur Kheri: ‘‘কাল যাদের চোখে ছিল জল, আজ…’’, লখিমপুর খেরিকাণ্ডে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য মালব্যর, নিশানায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) সীমান্ত লাগোয়া জেলা লখিমপুর খেরি (Lakhimpur Kheri)। দুই দলিত নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় সরগরম রাজনীতির ময়দান। প্রত্যাশিতভাবেই বিজেপি (BJP) শাসিত যোগী সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছিল কংগ্রেস ও অন্য রাজনৈতিক দলগুলি। কিন্তু অতি দ্রুত বদলে গেল ছবিটা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হল অভিযুক্তেরা।

    এই ঘটনায় দ্রুততার সঙ্গে এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। অভিযুক্তরা হল— ছোটু, জনেইদ, সোহেল, হাফিজুল, কারিমুদ্দিন ও আরিফ। তার পরেই বিরোধীদের পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় যারা গ্রেফতার হয়েছে, তাদের পরিচয় জানার পরই বিরোধীরা চুপ। এটা বোঝার বিষয়। কাল যাঁদের চোখে জল ছিল, আজ তাঁরা কি বলবেন?’

    ৬ অভিযুক্ত ছোটু, জনেইদ, সোহেল, হাফিজুল, কারিমুদ্দিন ও আরিফ…

    আরও পড়ুন: লখিমপুর খেরিতে ধর্ষণ, খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হল দুই দলিত কন্যাকে, অভিযুক্ত ৬ মুসলিম যুবক

    গতকালই, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, এমন শাস্তি দেওয়া হবে, যাতে তাদের পরবর্তী প্রজন্মও শিউরে উঠবে। এদিন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও কড়া পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানিয়েছেন, দোষীদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে, যাতে আগামী দিনে এই ধরনের ঘৃন্য কাজ করার আগে প্রত্যেকে দু’বার ভাববে। ন্যায়বিচারের পাশাপাশি নির্যাতিতাদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা আথির্ক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে উত্তরপ্রদেশে সরকার। পাশাপাশি নাবালিকাদের পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেছেন, এক মাসের মধ্যে দোষীদের যাতে সাজা দেওয়া যায়, তার জন্য দ্রুত গতিতে তদন্ত শেষ করা হবে। আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি তাঁর নজরদারিতে থাকছে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    আরও পড়ুন: আজাদকে প্রাণনাশের হুমকি জঙ্গিগোষ্ঠীর, ‘রাজনৈতিক গিরগিটি’ বলে কটাক্ষ

    জেরায় অভিযুক্তদের মধ্যে দু’জন জানিয়েছে, দুই বোন তাদের বিয়ে করার জন্য জোরাজুরি করছিল। তখন রাগের বশে গলা টিপে খুন করে তারা। তারপর ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে গাছিয়ে ঝুলিয়ে দেয়। এমনই দাবি পুলিশ সুপার সঞ্জীব সুমনের। তিনি আরও বলেন, ‘ময়নাতদন্তে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Supreme Court: ঘৃণা ভাষণ মামলায় ‘সুপ্রিম’ রায়ে স্বস্তি পেলেন যোগী আদিত্যনাথ

    Supreme Court: ঘৃণা ভাষণ মামলায় ‘সুপ্রিম’ রায়ে স্বস্তি পেলেন যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘৃণা ভাষণ (Hate Speech) ছড়ানোর মামলায় রেহাই পেলেন উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) রায়দান হয় ওই মামলার। সেখানেই দেশের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা জানিয়ে দেন, এই মামলা আর চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে উত্তর প্রদেশের গোরক্ষপুরের একটি জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন যোগী। সেখানেই তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণা ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

    ২০০৭ সালে গোরক্ষপুরের জনসভায় বক্তৃতা দিয়েছিলেন যোগী। তখন তিনি সাংসদ। অভিযোগ, ওই সভায় ঘৃণা ভাষণ দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের হয় মামলা। ওই মামলারই শুনানি চলছিল দেশের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানার বেঞ্চে। ২৪ অগাস্ট ওই মামলার শেষ শুনানি ছিল। শুক্রবার হয় রায়দান। ঘটনাচক্রে এদিনই ছিল প্রধান বিচারপতি হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে রামানার শেষ দিন। এই মামলার রায় দিতে গিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এই মামলা আর চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনও মানে হয় না। প্রসঙ্গত, ১০১৮ সালেও এই একই রায় দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। তার পরেও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক আবেদনকারী। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই এদিন রায় দেন রামানা।

    আরও পড়ুন : ২৯ অগাস্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে ২৫টি সাংবিধানিক বেঞ্চের মামলার শুনানি শুরু

    শুনানিতে উত্তর প্রদেশ সরকারের হয়ে সওয়াল করছিলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী মুকুল রোহতাগী। ওই মামলায় প্রধান বিচারপতি রামানার নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে তিনি জানান, ওই মামলা সংক্রান্ত সিডি জমা দেন সিএফএসএলের কাছে। এবং তাতে কিছু মেলেনি। তিনি বলেন, আবেদনকারী সে পিটিশন দাখিল করেছেন সেটা আগেই হাইকোর্ট পরীক্ষা করেছে। এর পরেই তিনি বলেন, ১৫ বছর ধরে এই মামলা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া অর্থহীন। কারণ যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল, তিনি এখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kanwar Yatra: কানোয়ার যাত্রা-পথে প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ, নয়া নির্দেশিকা যোগীর

    Kanwar Yatra: কানোয়ার যাত্রা-পথে প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ, নয়া নির্দেশিকা যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৪ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে কানোয়ার যাত্রা (Kanwar Yatra)। প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে সারা দেশের হাজার হাজার ভক্ত কানোয়ার যাত্রায় যান। গত দু’বছর করোনার কারণে এই যাত্রা বন্ধ ছিল। এ বছর পুনরায় শুরু হচ্ছে কানোয়ার-যাত্রা। এই যাত্রা পথে ভক্তদের সবরকম সুবিধা দিতে প্রস্তুত উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সরকার। কানোয়ার যাত্রার পথে কোথাও প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি করা যাবে না। সম্প্রতি এই নির্দেশিকা জারি করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Chief Minister Yogi Adityanath)। ইতিমধ্যে স্থানীয় এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে খবর পৌঁছে দেওয়া হয়েছে মাংস বিক্রেতাদের কাছ।

    আরও পড়ুন: চতুর্থ সি-ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন ‘আইএনএস বিক্রান্ত’-এর, ছবি প্রকাশ নৌসেনার

     গোবলয়ের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্র মুখ্যসচিব অবনীশ অবস্তি (Additional Chief Secretary-Home- Awanish Awasthi) জানিয়েছেন কানোয়ার যাত্রা শান্তিপূর্ন ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সবরকম পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে যে পথ ধরে তীর্থযাত্রীরা যাবেন, সেই পথ মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনেই সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কানোয়ার যাত্রীরা যাতে নিরাপদে ও শান্তিপূর্ণ ভাবে যাত্রা সম্পন্ন করতে পারেন তার জন্য বদ্ধপরিকর সরকার। বরেলির পুলিশ সুপারিটেন্ডেন্ট (Senior Superintendent of Police, Bareilly) সত্যার্থ অনিরুদ্ধ পঙ্কজ (Satyarth Aniruddha Pankaj)জানিয়েছেন, “আমরা সমস্ত মাংস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওই ক’দিন প্রকাশ্যে ওই পথে কোথাও যেন মাংস বিক্রি না করা হয়। ব্য়বসায়ীরা আমাদের কথাও দিয়েছেন তাঁরা এই নির্দেশ মেনে চলবেন।”

    আরও পড়ুন: গোয়ার পাঁচ কংগ্রেস বিধায়ক গেলেন কোথায়? ভাঙন রুখতে সক্রিয় সোনিয়া

    প্রসঙ্গত,কানোয়ার যাত্রায় প্রতিবছর সমিল হন হাজার হাজার তীর্থযাত্রী। হরিদ্বার, গোমুখ, গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাজ‌ল নেওয়াই কানোয়ার যাত্রার উদ্দেশ্য। এরপর সেই জল ভগবান শিবের মাথায় ঢালা হয়। আটের দশকে কানোয়ার যাত্রা বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। তার আগে অল্প সংখ্যক মানুষ এবং সন্ন্যাসী এই যাত্রায় যেতেন। কিন্তু আটের দশকের পর থেকে সারা ভারত থেকে শিবভক্তরা গঙ্গা জল সংগ্রহের জন্য প্রতি বছর এই যাত্রা করে থাকেন।  গত দু’বছর অতিমারীর কবলে পড়ে বন্ধ থেকেছে এই যাত্রা। এবার তাই উৎসাহ-উদ্দীপনা আরও বেশি। 

  • Yogi Adityanath:  যোগী সরকারের দ্বিতীয় দফায় ১০০ দিনের রিপোর্ট কার্ড পেশ

    Yogi Adityanath: যোগী সরকারের দ্বিতীয় দফায় ১০০ দিনের রিপোর্ট কার্ড পেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফায় একশো দিন পূরণ করল উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সরকার। তিনি বলেন, এই একশো দিন সমর্পণ করা হয়েছে জনগণের সেবা-সুরক্ষা এবং সুশাসনের প্রতি। মুখ্যমন্ত্রী (CM) বলেন, জনতার কাছে যা কথা দিয়েছি, তা আমরা পূরণ করবই। এই মুহূর্তে উত্তর প্রদেশের অর্থ ব্যবস্থাকে এক ট্রিলিয়নে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

    উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় এসেই রাজ্যকে ‘কুশাসন’ মুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যান যোগী। যার সুফল ঘরে তুলছে বিজেপি। উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক সাফল্যের পর জয় মিলেছে বিধান পরিষদ নির্বাচনেও। সম্প্রতি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আজমেঢ় ও রামপুর উপনির্বাচনেও জয় পেয়েছে পদ্ম শিবির। প্রত্যাশিতভাবেই উৎসাহিত গেরুয়া শিবির। যোগী আদিত্যনাথ জানান, উত্তর প্রদেশকে আরও সংগঠিত করতে দশটি বিভাগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলি হল কৃষি, শিল্প, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, আরবান ডেভেলপমেন্ট, ট্যুরিজম ও কালচার, শিক্ষা, রাজস্ব এবং আইন। এগুলির দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞ আধিকারিকদের হাতে। প্রত্যেককে বেঁধে দেওয়া হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত কয়েক বছরে মোট ২৯২৫ কোটি টাকার বেআইনি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে মাফিয়া ও সমাজবিরোধীদের গতিবিধি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে মাফিয়াদের ৮৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তিও। যোগী আদিত্যনাথ বলেন, গত পাঁচ বছরে উত্তর প্রদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আগে উত্তর প্রদেশ পরিচিতই ছিল দাঙ্গা ও অশান্তির জন্য। কিন্তু বিজেপি সরকার আসার পরেই উত্তর প্রদেশে আর একটিও দাঙ্গার খবর নেই।

    আরও পড়ুন : এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ সময়ের আগেই, বাঁচল হাজার কোটি টাকারও বেশি

    কেবল আইনশৃঙ্খলাই নয়, আর্থিকভাবেও ঢের উন্নতি লাভ করেছে যোগীর রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মাত্র পাঁচ বছরে উত্তর প্রদেশের জিডিপি দ্বিগুণ হয়েছে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মানুষের মাথাপিছু আয়ও। তিনি জানান, ধর্মীয়স্থানে অনাবশ্যক লাউডস্পিকারের ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে। ২০ হাজারেরও বেশি লাউড স্পিকার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেও জানান আদিত্যনাথ। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গত একশো দিনে প্রায় ১০ হাজার জনকে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, আমাদের লক্ষ্য উত্তর প্রদেশের সব যুবককে অন্তত দু লক্ষ করে টাকা লোন দেওয়া। এই টাকা নিয়ে তারা যাতে ব্যবসা করতে পারে, সেজন্য সব রকম ব্যবস্থা করবে সরকার। আদিত্যনাথ বলেন, ২০১৭ সালে আমাদের সরকার ক্ষমতায় এসেই প্রায় ৮৬ লক্ষ কৃষকের লোন মকুব করে। ২০২২ সালে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে ১৫ কোটি গরিব মানুষকে নিখরচায় রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন : অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

  • Samrat Prithviraj: অক্ষয়ের সঙ্গে ছবি দেখলেন যোগী, উত্তরপ্রদেশে করমুক্ত ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’

    Samrat Prithviraj: অক্ষয়ের সঙ্গে ছবি দেখলেন যোগী, উত্তরপ্রদেশে করমুক্ত ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar) অভিনীত ইতিহাস-ভিত্তিক ছবি ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ (Samrat Prithviraj) ইতিমধ্যে বার বার চর্চায় উঠে এসেছে। চলতি সপ্তাহে শুক্রবারই হলে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। তার একদিন আগেই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার লখনউতে অক্ষয়ের পাশে বসে ছবিটির বিশেষ স্ক্রিনিং দেখলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

    নিজের মন্ত্রীসভার সদস্যদের নিয়ে ছবিটি দেখেন আদিত্যনাথ। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ছবির নায়ক-নায়িকা, অক্ষয় কুমার-মানসী চিল্লার এবং নির্দেশক চন্দ্রপ্রকাশ দ্বিবেদী। রাজপুত রাজাকে নিয়ে তৈরি সিনেমাটি দেখে এতই মুগ্ধ হলেন যোগী, যে উত্তরপ্রদেশে ছবিটিকে করমুক্ত করার ঘোষণাও করে দিলেন সেদিনই। অর্থাৎ অনেক কম টাকায় টিকিট কেটে হলে গিয়ে সিনেমাটি দেখতে পারবেন দর্শকরা।   

    [tw]


     [/tw]

    যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, “এটি একটি শিক্ষামূলক ছবি। করমুক্ত করা হলে সকল দর্শক এই ছবি দেখার সুযোগ পাবেন। তাই এই ছবিকে করমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” এর আগে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-কেও করমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যোগী সরকার। ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ এই নিয়ে দ্বিতীয় ছবি করমুক্ত, যা করা হল ওই রাজ্যে। 

    আরও পড়ুন: ইতিহাসের পাতায় গুরুত্ব পাননি পৃথ্বীরাজ চৌহান, আপশোস অক্ষয় কুমারের

    তরাইয়ের প্রথম যুদ্ধে মহম্মদ ঘোরিকে হারিয়েছিলেন বীর সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহান। নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অক্ষয় কুমার। প্রেমিকা সংযুক্তার ভূমিকায় দেখা গিয়েছে ২০১৭ সালে বিশ্ব সুন্দরীর খেতাব জেতা মানসী চিল্লারকে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন চন্দ্রপ্রকাশ দ্বিবেদী। নির্দেশনায় যশরাজ ফিল্মস। 

    বুধবার দিল্লিতে এই ছবির বিশেষ স্ক্রিনিং- এ উপস্থিত ছিলেন খোদ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুরুতে ছবিটির নাম রাখা হয়েছিল ‘পৃথ্বীরাজ’। কয়েকদিন আগেই ছবির নামকরণ নিয়ে আপত্তি তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিল কর্ণি সেনা। তারপরেই নাম পরিবর্তন করে ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ করেন ছবিটির নির্মাতারা। 

     

  • Yogi Adityanath: অযোধ্যার পর জেগে উঠছে কাশী, মথুরা, বিন্ধ্যবাসিনী ধাম দাবি যোগীর 

    Yogi Adityanath: অযোধ্যার পর জেগে উঠছে কাশী, মথুরা, বিন্ধ্যবাসিনী ধাম দাবি যোগীর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রামমন্দির-বাবরি মসজিদ (Ram Mandir Babri Masjid) মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পর দেশজুড়ে একটি ডাক উঠেছিল। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি তখন থেকেই বলতে শুরু করেছিল, “অযোধ্যা তো সির্ফ ঝাঁকি হ্যায়, কাশী-মথুরা বাকি হ্য়ায়।”  অর্থাৎ, অযোধ্যা সারা হয়েছে, কাশী-মথুরা এখনও বাকি আছে।

    গত একমাস ধরে খবরের শিরোনামে চলে আসা কাশী (Kashi) ও মথুরার (Mathura) মন্দির-মসজিদ বিতর্কে এবার ঘুরিয়ে সেই ডাক মনে করালেন যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Masjid) চত্বরে হিন্দুদের পূজাপাঠের আর্জি, মথুরায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান (Sri Krishna Janmabhoomi) থেকে শাহী ইদগাহ মসজিদ (Shahi Idgah Masjid) সরিয়ে নেওয়ার দাবি নিয়ে মুখ খুললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সরাসরি কোনও মন্তব্য না করে যোগী বলেন, “অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দির নির্মাণ শুরু হওয়ার পর মনে হচ্ছে কাশী, মথুরাও নতুন করে জেগে উঠছে।”

    গত একমাস ধরে বারাণসী ও মথুরার জেলা আদালতে মন্দির-মসজিদ বিতর্ক নিয়ে মামলা অব্যাহত। বারাণসীতে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath temple) লাগোয়া জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে পূজার্চনার আর্জি জানিয়ে হওয়া একাধিক মামলার শুনানি চলছে। অন্যদিকে, মথুরায় (Mathura) হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের দাবি, শাহী ইদগাহ মসজিদের জায়গাটিই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান বা গর্ভগৃহ। ওই জায়গা ফিরিয়ে দিতে হবে। এই সংক্রান্ত কয়েকটি মামলার শুনানি চলছে মথুরার আদালতে।

    দ্বিতীয়বার সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর রবিবার প্রথম বিজেপি রাজ্য কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হন যোগী। সেখানেই তিনি কাশী, মথুরার প্রসঙ্গ টানেন। এদিন যোগী বলেন, “বারাণসী, মথুরা বৃন্দাবন, বিন্ধ্যবাসিনী ধাম (Vindhyavasini Dham), নৈমিশ ধামের মতো সমস্ত তীর্থস্থান আবার জেগে উঠছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে আমাদের আবার এগিয়ে যেতে হবে।”

    আরও পড়ুন: মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করা দাসত্বের নিদর্শন, বলেছিলেন গান্ধীজি

    নানা ক্ষেত্রে সরকারের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে যোগী বিজেপি কর্মকর্তাদের এখন থেকেই ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিতে বলেন। তিনি জানান, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির করিডর নির্মাণের পর সেখানে দিনে একলাখ ভক্তের সমাগম হচ্ছে। প্রশাসন কঠোর এবং সংবেদনশীল বলেই, রাজ্যে এখন আর সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা চোখে পড়ে না, দাবি যোগীর। তাঁর অভিমত, তিনি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর বড় উৎসব ছিল রামনবমী, হনুমান জয়ন্তী এবং ইদ। যোগী জানান, এই সব উৎসবে শান্তি বজায় ছিল রাজ্যে। এবারই প্রথম রাস্তায় ইদের নমাজ হয়নি। সবাই নিজ নিজ ধর্মস্থানে শান্তিতে ধর্মাচরণ করতে পেরেছেন। দলীয় সভায় উপাসনাস্থলগুলির নিরাপত্তা জোরদারেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান যোগী।

  • National Anthem: মাদ্রাসাগুলিতে প্রার্থনার সময় গাইতে হবে জাতীয় সঙ্গীত, উত্তরপ্রদেশের পথে হরিয়ানাও?

    National Anthem: মাদ্রাসাগুলিতে প্রার্থনার সময় গাইতে হবে জাতীয় সঙ্গীত, উত্তরপ্রদেশের পথে হরিয়ানাও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসা (madrassa) বা স্কুলগুলিতে প্রার্থনার পর জাতীয় সঙ্গীত গাইলে কারোর কোনও সমস্যা হতে পারে না, অভিমত হরিয়ানার (Haryana) শিক্ষামন্ত্রী কানোয়ার পালের। এই বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সরকারের সঙ্গে একমত তিনি। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের সব মাদ্রাসায় প্রার্থনার পর জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) বাধ্যতামূলক করেছে যোগী সরকার। এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে কানোয়ার জানান, হরিয়ানাতেও সব মাদ্রাসা বা স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে সরকার।

    কানোয়ার বলেন, “জাতীয় সঙ্গীত সব জায়গায় গাওয়া যেতে পারে। এটা দেশবাসীর কাছে গর্বের। স্কুল হোক বা মাদ্রাসা, জাতীয় সঙ্গীত গাইলে কারোর বাধা দেওয়া উচিত নয়।” উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরপ্রদেশের সমস্ত মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত “জন গণ মন” গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের তরফ থেকে বৃহস্পতিবার এই মর্মে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। 

    নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রতিটি মাদ্রাসায় সকালে হয় জাতীয় সঙ্গীতের সুর বাজাতে হবে না হলে গাইতে হবে। এই নির্দেশিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার এস এন পান্ডেও সমস্ত মাদ্রাসায় এই নির্দেশ জারি করেছেন বলে জানা গিয়েছে।       

    নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ক্লাস শুরুর আগে, রাজ্যের সমস্ত স্বীকৃত, সাহায্যপ্রাপ্ত এবং অ-সহায়ক মাদ্রাসায় আসন্ন শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষক এবং ছাত্রদের দ্বারা জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হবে। কিছু কিছু মাদ্রাসায় অবশ্য জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। তবে এবার প্রতিটি মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত বাধ্যতামূলক করে দিল যোগী সরকার।  

    হরিয়ানাতেও কী এধরনের পদক্ষেপ করা হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরে কানোয়ার জানান “জন গণ মন” গাওয়াতে কোনও সমস্যা নেই। হরিয়ানা সরকার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। হরিয়ানা সরকারের ক্লাস নাইনের ইতিহাস বইতে তথ্য বিকৃতির অভিযোগ করেছিল কংগ্রেস। সেই দাবি খারিজ করে দিয়ে কানোয়ার জানান, কোনও দলের ইচ্ছানুসারে ইতিহাস রচনা করা যায় না।

LinkedIn
Share