Kuno National Park:আফ্রিকা থেকে আনা ৮ টি চিতার মধ্যে দুটিকে ছাড়া হল কুনোর জঙ্গলে

kun0

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিন আফ্রিকা থেকে আনা ৮ টি চিতাবাঘের মধ্যে ২ টি চিতা বাঘকে মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কের বড় এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হল। কুনোর পার্কের তারে ঘেরা মুক্ত প্রান্তরে প্রথমে এই চিতাবাঘ গুলিকে রাখা হয়েছিল। কতৃপক্ষ জানিয়েছে, সরাসরি কুনোর জঙ্গলে ছাড়ার আগে জঙ্গলের পরিবেশের সঙ্গে আরও ভাল করে মানিয়ে নেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
এই প্রেক্ষিতে রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ট্যুইটারে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “দারুণ খবর। বাধ্যতামূলক কোয়ারেনটাইনের পর দুটি চিতাকে আরও বড়ো এনক্লোজারে ছাড়া হয়েছে। বাকি চিতাগুলিকেও দ্রুত সেখানে স্থানান্তরিত করা হবে। আমি এটা জেনে খুশি হয়েছি যে সবকটি চিতাই সুস্থ রয়েছে। তারা সক্রিয় রয়েছে এবং তারা পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিচ্ছে।”

 

কুনো জাতীয় উদ্যানের শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভিনদেশ থেকে আনা চিতাগুলিকে জঙ্গলে ছাড়ার আগে যাবতীয় সতর্কতা পালন করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনেই যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই চিতাগুলিকে দেখভালের জন্য টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। নতুন যে স্থানে চিতা বাঘগুলিকে ছাড়া হচ্ছে সেটির আয়তন প্রায় ৫ বর্গ কিলোমিটার।

 

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে, বন্য প্রাণীদের অন্য দেশে স্থানান্তরিত করার ক্ষেত্রে এক মাসের বিশেষ এই কোয়ারেন্টাইনে রাখা বাধ্যতামূলক। এই সময়ের মধ্যেই দেখা হয় নতুন পরিবেশে প্রাণীটি মানিয়ে নিতে পারছে কি না।
তবে, এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন মধ্যপ্রদেশের বনমন্ত্রী বিজয় শাহ। সূত্রের খবর, বনমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রবিবার এই চিতাগুলিকে ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু, বনবিভাগের আধিকারিকরা এক দিন আগেই চিতাগুলিকে বড় এলাকায় ছেড়ে দেন। সূত্রের খবর, এলাকার পরিবেশ এবং চিতাগুলির স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করার পর শনিবার চিতা দু’টিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে ছত্তিশগড়ে ভারতে শেষ চিতা মারা গিয়েছিল এবং ১৯৫২ সালে চিতাকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, দক্ষিণ আফ্রিকা অথবা নামিবিয়া থেকে আগামী পাঁচ বছর ধরে ধাপে ধাপে ৫০টি চিতা ভারতে আনা হবে। এদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ অল্পবয়স্ক চিতা। 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share