India-Pakistan: যারা শান্তি চায়, তারা নাশকতায় মদত দেয় না, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে তোপ ভারতের

1094242-india-pakistan

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এবার পাকিস্তানকে কড়া জবাব দিল ভারত। শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘের চলতি এই অধিবেশনে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ফের সরব হয় পাকিস্তান। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর কথা তুলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, “যুদ্ধ কোনও অপশন নয়। পাকিস্তানের এখন স্থিতিশীল অর্থনীতির প্রয়োজন। এরজন্য ভারত সহ সমস্ত প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেই শান্তি বজায় রাখতে চায়”। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই শনিবার ভারতের তরফে তীব্র সমালোচনা করা হয়। রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি মিজিটো ভিনিটো বলেন, “যে দেশ শান্তি চায়, তারা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে মদত দেবে না।”

আরও পড়ুন: মোটা মাইনের টোপ, মায়ানমারে বন্দি বহু ভারতীয়, সতর্কবার্তা বিদেশ মন্ত্রকের

এদিন, ভারতের তরফে কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের দাবিকে ভুয়ো বলে আখ্যা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ করা হয়। ভারতের প্রতিনিধি মিজিটো ভিনিটো বলেন, “এটা সত্যিই দুঃখজনক যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এই মঞ্চকে বেছে নিয়েছেন ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করার জন্য। নিজের দেশের অপকর্মকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এবং গোটা বিশ্ব যাকে অনৈতিক বলে অ্যাখ্য়া দিয়েছে, সেই কার্যকলাপকে নৈতিক বলে প্রমাণের চেষ্টায় পাকিস্তান এই কাজ করছে।”

আরও পড়ুন : হিন্দু মন্দিরে হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ, ব্রিটিশ বিদেশ সচিবের সঙ্গে বৈঠক জয়শঙ্করের

রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে শাহবাজ অভিযোগ করেছেন, ‘‘জম্মু ও কাশ্মীরে ভারতীয় সেনা ধারাবাহিক ভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে। বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সেখানকার জনবিন্যাসের চরিত্র বদলের চেষ্টা চলছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরকে হিন্দুগরিষ্ঠ কাশ্মীরে পরিণত করতে চাইছে ভারত।’’ পাকিস্তানের এই অভিযোগের জবাব দেন ভারতীয় কূটনীতিক মিজিটো ভিনিটো (Mijito Vinito)। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। এর কোনও ভিত্তি নেই। সম্প্রতি পাকিস্তানে হিন্দু, শিখ ও খ্রিস্টান পরিবারের মেয়েদের অপহরণ ও জোর করে বিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনেও ভারতের তরফে বলা হয়, “এটা হাস্যকর যে দেশে সংখ্য়ালঘুদের অধিকারের লঙ্ঘন করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত, তারাই বিশ্বমঞ্চে সংখ্য়ালঘুদের নিয়ে কথা বলছে।”

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share